Md Ahoshan Habib Shahariya
I'm not a perfect but I'm honest
22/10/2025
অনেকের দাবি কুরআনে নাকি পৃথিবীকে সমতল বা ফ্লাট আকৃতির বুঝানো হয়েছে।
তো এই ব্যপারে চ্যাট জিপিটিকে জিজ্ঞেস করায় এই উত্তর দিল:
চলুন আমরা সুরা আল-বাকারা (২:২২) আয়াতটি দেখি এবং ব্যাখ্যা সহ বিশ্লেষণ করি।
📖 আয়াত (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২):
> الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً...
“যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বিছানার মতো করেছেন এবং আকাশকে গম্বুজের মতো।”
(সূরা আল-বাকারা ২:২২)
🔍 আরবি শব্দ বিশ্লেষণ:
"فِرَاشًا" (firāshan) শব্দের অর্থ হলো বিছানা, সমতল বা আরামদায়ক স্থান।
এটি কখনোই “চ্যাপ্টা বা ফ্ল্যাট” অর্থে “আকৃতিগত” দাবি নয়। বরং এটি “বাসযোগ্য, আরামদায়ক, সহজ চলাচলের উপযোগী” বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
অর্থাৎ, পৃথিবীকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে মানুষ সহজে বসবাস করতে পারে, হাঁটতে পারে, চাষাবাদ করতে পারে — এটিই মূল বক্তব্য।
🌍 পৃথিবী গোলাকার বোঝানোর অন্যান্য আয়াত:
কুরআনের অন্য অনেক আয়াতে পৃথিবীর গোলাকার প্রকৃতি বা ঘূর্ণনশীলতা ইঙ্গিত করা হয়েছে:
1. সূরা আন-নাযিয়াত (৭৯:৩০):
> وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا
“আর পৃথিবীকে তিনি তার পরে বিস্তৃত করেছেন।”
এখানে “دَحَاهَا (dahāhā)” শব্দটি এসেছে “دحو” থেকে, যার অর্থ হলো ডিমের মতো আকার দেওয়া বা গোলাকারভাবে বিস্তৃত করা।
(আরবি ভাষায় “دحية النعامة” মানে উটপাখির ডিম — ডিম্বাকৃতি।)
2. সূরা যুমার (৩৯:৫):
> يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ
“তিনি রাত্রিকে দিনের উপর পেঁচিয়ে দেন এবং দিনকে রাত্রির উপর পেঁচিয়ে দেন।”
“يُكَوِّرُ (yukawwiru)” শব্দটি “কুরা” (বল বা গোলক) থেকে এসেছে, যা স্পষ্টভাবে পৃথিবীর গোলাকার আকৃতি এবং তার ঘূর্ণনের ইঙ্গিত দেয়।
🧭 সারসংক্ষেপ:
বিষয় ব্যাখ্যা
সুরা বাকারার ২২ নং আয়াত পৃথিবীকে বাসযোগ্য ও সমতলভাবে বিছানো বোঝানো হয়েছে, আকৃতি নয়।
অন্যান্য আয়াত: কুরআনের অন্য আয়াতগুলোতে গোলাকার ও ঘূর্ণনশীল পৃথিবী ইঙ্গিত করা আছে।
কুরআনের সামগ্রিক থিম: পৃথিবী গোলাকার ও গতিশীল, তবে মানুষের জীবনযাপনের জন্য সমতল ও আরামদায়কভাবে বিস্তৃত।
✅ উপসংহার:
সুরা বাকারার ২২ নং আয়াত পৃথিবীকে বাসযোগ্যভাবে সমতল (functional sense) বলা হয়েছে, আকৃতিগতভাবে ফ্ল্যাট নয়।
কুরআনের সামগ্রিক ভাষা ও অন্যান্য আয়াতের ইঙ্গিত অনুযায়ী, কুরআন পৃথিবীকে গোলাকার ও ঘূর্ণনশীল হিসেবে বর্ণনা করেছে — আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে।
17/09/2025
আজ ১৬ই সেপ্টেম্বর—১৯৩১ সালের এই দিনে ইতালীয় উপনিবেশবাদীরা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে শহীদ করেন মরুর সিংহ ওমর আল মুখতার (রহ.)-কে।
২০ বছর ধরে তিনি লিবিয়ার মরুভূমিতে দখলদারদের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বন্দি হওয়ার পর তাঁকে বলা হয়েছিল—“মুজাহিদদের যুদ্ধ থামাতে লিখে দাও, তোমাকে মুক্তি দেওয়া হবে।”
কিন্তু তিনি গর্জে ওঠেন—
“যে আঙুল দিয়ে আমি প্রতিদিন সাক্ষ্য দেই, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই—সেই আঙুল দিয়ে আমি কখনো মিথ্যা লিখবো না। আমরা আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে আত্মসমর্পণ করি না। আমরা হয় জিতি, নয়তো শহীদ হই।”
তাঁর শাহাদাত লিবিয়ার আকাশে স্বাধীনতার আলো জ্বালিয়ে গেছে।
তিনি বেঁচে আছেন প্রতিটি মুক্তিকামী হৃদয়ে।
মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমিন।
স্বামীর চেয়ে আপন কেউ হয় না!
একটা মেয়ের জীবনে বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধুবান্ধব—সবারই আলাদা আলাদা ভূমিকা থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সম্পর্কের গভীরতা, দায়িত্ব আর গুরুত্ব। একটা নির্দিষ্ট বয়স পেরিয়ে গেলে, অনেক পরিবারেই মেয়েরা একপ্রকার বোঝা হয়ে যায়। সমাজের চোখে তখন সেই মেয়েটি যেন "অবিবাহিত দায়িত্ব"। তখন বাবা-মাও চায়, মেয়েটি যেন একজন ভালো স্বামীর হাতে #নিরাপদ থাকে। এটাই বাস্তবতা।
আর সেই মুহূর্তেই একজন পুরুষ, একজন স্বামী—স্ত্রীর জীবনে নেমে আসে আশ্রয়ের ছায়া নিয়ে। তার ভালো-মন্দ, কষ্ট-সুখ, অসুখ-বিসুখ সবকিছুই নিজের দায়িত্ব বলে মনে করে যে মানুষটা, তিনি-ই স্বামী।
স্বামী মানে শুধু একজন পুরুষসঙ্গী নয়—স্বামী মানে দিনের পর দিন পরিশ্রম করে #স্ত্রী আর পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা একজন অক্লান্ত যোদ্ধা। তার নিজের শরীর খারাপ লাগলেও সে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কাজের জন্য বের হয়। বাজারের ব্যাগ হোক, সংসারের খরচ হোক কিংবা স্ত্রীর ছোট্ট কোনো চাওয়া—সব কিছুর জোগান দিতে চায় সে নিঃশব্দে, বিনা অভিমানেই।
স্ত্রী হয়তো অনুভব করে না, কিন্তু একটা পুরুষ যখন তার স্ত্রীর জন্য ভালো কিছু করতে পারে, তখন সে নিজের অস্তিত্বের মাঝে তৃপ্তি খুঁজে পায়। এই সমাজ যেখানে পুরুষদের আবেগপ্রবণ হওয়াকে দুর্বলতা মনে করে, সেখানে একজন #স্বামী তার ভালোবাসা বোঝাতে শব্দ নয়, কাজ ব্যবহার করে।
হ্যাঁ, সংসারে ঝগড়া হয়, মতের অমিল হয়, কিন্তু দিনের শেষে স্ত্রীর চোখের হাসি দেখেই ক্লান্ত পুরুষটার মন শান্ত হয়। সে হয়তো বলে না, কিন্তু স্ত্রীকে ভালো রাখার জন্য সে যে লড়াইটা করে—তার চেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা খুব কমই দেখা যায়।
তাই বলা হয়, স্বামীর চেয়ে আপন কেউ হয় না।
এই মানুষটিই তোমার সবচেয়ে বড় আশ্রয়, সবচেয়ে বড় সাহস। যতই ঝড় আসুক জীবনে, সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকবে তোমার পাশে—নির্ভরতার দেয়াল হয়ে।
11/04/2025
১৯৮০ সালের ইরাক এবং ইরান যু"দ্ধ শুরু হয়। তখন মুসলমান দেশগুলো একত্রে মিলিত হয় এই যু"দ্ধ থামাতে। মুসলমান দেশগুলোর পক্ষ থেকে ৮ জনকে নির্বাচিত করা হয় ইরাক-ইরানের মধ্যে সমঝোতা করতে। এই আটজনের মধ্যে একজন ব্যক্তি ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। বাকীরা ছিলেন ওয়াইসির মহাসচিব, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, ইয়াসির আরাফাত, গাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রমুখ। তারা সফলতার সাথে যুদ্ধ বন্ধ করতে সক্ষম হোন। অনানুষ্ঠানিক ভাবে এই বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া।
হয়ত তিনি আজ বেছে থাকলে ফিলিস্তিনের জন্য ভালো কিছু করতেন
Click here to claim your Sponsored Listing.

20/05/2025