Rav Vai
মৌমিতার দেওয়া বিখ্যাত নাম.....(নষ্ট সভ্যতা)..�
পৃথিবীর অনেক কিছুই রিপ্লেসেবল হয়, তবে কিছু কিছু জিনিস কখনোই রিপ্লেসেবল হয় না।
এই যেমন ধরেন; আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টাকার মধ্য থেকেও আপনার শূন্য পকেটের অবস্থা বুঝে চায়ের বিলটি দিয়ে দিত। আপনার যে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকাটি আপনার দারিদ্র্য বা অসহায়ত্ব সম্পর্কে জানার পরও আপনার সাথে থেকে গিয়েছিল, তার কোনো রিপ্লেসমেন্ট হয় না।
আপনার বিষন্নতার খোঁজ জানতে পেরে আপনার দুর্দিনে যে মানুষটি মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে "ভয় পেয়ো না, আমি আছি।" বলেছিল, তার কোনো রিপ্লেসমেন্ট কিছুতেই হয় না!🤍❤️
মেঘ বালিকা...... ✍️✍️
16/06/2025
সতেজ মস্তিষ্কে, বিশুদ্ধ আলিঙ্গন 🤍
12/06/2025
- হারিয়েছি তাকে গোধূলির বাঁকে হয়নি দেখা আর , ব্যাথাতুর আঁখি, তবুও আশায় থাকি, পাই যদি আবার দেখা তার..!!🖤🥀
প্রিয় মেঘ বালিকা... 🥰🥰
প্রিয় মেঘ বালিকা লেখাটা শুধু তোমার জন্য.. ✍️🥰
সবকিছু তো হয়েই গেল জীবনে—
ভিড়ের মধ্যেও একাকীত্বকে আপন করে নিয়েছি,
জীবিকার খোঁজে ছুটতে ছুটতে ক্লান্তির সাথে বোঝাপড়া হয়েছে।
অভিনয় শিখে নিয়েছি, কারো সামনে ‘ভালো আছি’ বলার কৌশলও।
তবু প্রেমটা হলো না।
না, আমি কাউকে ভালোবাসিনি—এমন নয়।
ভালোবেসেছি অনেক, নীরবে, দূর থেকে।
হাত বাড়িয়ে থেমে গেছি,
ভয়ে নয়, আশঙ্কায়—
যদি ছুঁয়ে দিই আর সেই মানুষটা সরে যায়?
আমার মনের উঠোনে অনেক বছর ধরে
একটি চিঠি পড়ে আছে—অপ্রেরিত, অবারিত,
যার উপরে কোনো নাম নেই,
কিন্তু ভেতরে একরাশ ভালোবাসা জমে আছে।
অনেক গল্পের শুরু দেখেছি,
কিন্তু আমারটায় যেন সবসময় ‘শেষ’ দিয়েই শুরু হয়।
কারো জন্য কবিতা লিখতে গিয়েও,
শেষ লাইনটা লিখতে পারিনি—
কারণ সে কখনো পুরোটা পড়বেই না, জানতাম।
আজো প্রেম করতে পারলাম না—
তবে হাল ছাড়িনি।
ভেবেছি, হয়তো ভালোবাসা এভাবে হঠাৎ আসে না,
সে আসে চুপিচুপ, ধীর পায়ে,
যেমন করে সন্ধ্যা নামে জানলার পাশে।
হয়তো কোনো একদিন,
কেউ বলবে—
"তুমি না বললেও, আমি সব বুঝতে পারি।"
আর সেইদিন,
আমার লেখা চিঠিটা হয়তো সত্যিই পৌঁছে যাবে তার ঠিকানায়।
“আমি বাংলাদেশের খেলা দেখে মোটেও হতাশ নই। বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উন্নতি করছে। আমরা যারা ইউরোপিয়ান ফুটবল দেখে অভ্যস্ত, তাদের একটু খারাপ লাগতেই পারে। তবে বাংলাদেশ ফুটবলে উন্নতি করছে — এটা অবশ্যই খুশির খবর। হামজা সামিতদের হাত ধরেই একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে।
আমরা স্বপ্ন দেখতেই পারি! 🇧🇩🖤
ভাব নিলো নেইমারের সেলিব্রেশন করলো রোনালদোর
কিরে ভাই জন্মের আগ থেকে কি ফুটবল খেলতি 🥰⚽🥰
08/06/2025
যেখানে কেউ আশা রাখে না, সেখানেই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য কিছু।❤️🌼
06/06/2025
রোজারিওর ওলিতে-গলিতে দাপিয়ে বেড়ানো, ছোট ছোকড়াটার জীবনের গল্পের এপিটাফ লেখে দিয়েছিলেন কোন এক ডা:।কিন্তুু হায়! সময়ের পরিক্রমায়, তিনি আজ এতটাই বেড়ে উঠেছন যে,সবার ধরা-ছোয়ার বাইরে।
দাদির কোল থেকে নেমে কোন এক গৌধুলি বেলাতে,নেহাতই শখের বশে চর্ম-গোলকের বস্তুু টাতে লাথি মেরেছিলেন। তারপর বাকি টা?
সেলিয়ার সেই অহ্লাদি নাতি টা আজ ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে চিরন্তন। লিওনেল মেসি নামের একজন পৃথিবী এসেছেন বটে,কিন্তুু কখনোই আর হারিয়ে যাবেন না।যতদিন এই ভুবনে রবে ফুটবল,ঠিক ততদিন তিনি অবিনশ্বর।
নিজেই অবশ্য একবার বলেছিলেন; যা কিছু তার প্রাপ্তি,সে জন্য তিনি ফুটবলের কাছে ঋণী।কিন্তু উল্টোটাও মিথ্যা নয়।ফুটবলও তার কাছে সমানভাবে ঋণী।
03/06/2025
গত ম্যাচে মেসি যখন প্রথম গোলটা করলো তখন আমি ভয়ংকর নিন্দ্রাক্রান্ত।
কোনওভাবে চোখে মুখে পানি দিয়ে খেলা দেখতে বসেছি।
পানির ঝাপটায় ঘুম না গেলেও মেসির গোলের ঝাপটায় ঘুম চলে গেলো।
সেই গোল দেখে আপনার মনে হবে, গোলকিপার হাতে ঠেকিয়ে ফেলার পরও বল নিজের ইচ্ছায় জালে ঢুকেছে।
তিনটায় ইন্টারমিলানের হারে বেদনাক্রান্ত হয়ে সকালে ইন্টার মিয়ামির জয় দেখাই ছিলো প্রত্যাশিত।
সেই ঘটনা ঘটিয়ে দিলো মেসি। দুই গোল, দুই এসিস্টে ঝকঝকে মেসি।
২৪ বছরের সেই বার্সেলোনার মেসি, আর্জেন্টিনার মেসি।
দুরন্ত।
দূর্বার।
ধারালো।
তেজদীপ্ত।
এমন খেলা দেখার পর সেটা নিয়ে তাৎক্ষনিক অভিব্যাক্তি প্রকাশ করাও কঠিন।
কারণ এমন খেলা আমি দিনে সাত আটবার হাইলাইট দেখি।
এই খেলা আমার বিষন্নতা কমায়।
এই খেলা আমাকে বাধ্য করে দেখতে।
কোথাও সেনাসদস্যকে হত্যার সংবাদের বিষন্নতা কাটাতে আমি মেসির গোল দেখি।
এপিএসদের টাকা মারার ক্ষোভ দমাতে আমি মেসির এসিস্ট দেখি।
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্ভট দাবী দাওয়া, মন্তব্য থেকে প্রশান্তি খুঁজতে আমি মেসির ড্রিবলিং দেখি।
সুমনের ভাষায় বলতে হয়, আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই।
সুমনের গানওয়ালা ছিলো। আমাদের ম্যাজিকওয়ালা।
সামনে বিশ্বকাপ, সৃষ্টিকর্তা যদি চান তাহলে এই ফর্ম থাকবে।
আর্জেন্টিনার জার্সি পরা দুনিয়াজয়ী মেসির খেলার দৃশ্য আমরা আবারও দেখতে পারবো।
শেষবার। আরেকবার।
তার আগে মেসি মায়ামিকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিক। কারণ এই মায়ামি মেসিকে ছাড়া আবার কবে, কত সালে জ্বলে উঠবে তা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব না।
মেসিরা কয়েক প্রজন্ম পর পর আসে।
তারা দূর্ভাগা যারা তাদের প্রজন্মে মেসিকে পায় না।
আর আরও বেশি দূর্ভাগা যারা তাদের প্রজন্মে মেসিকে পেয়ে তাকে উপভোগ করতে পারলো না।
ভালোবাসতে পারলো।
জীবনের নানা পর্বে হারতে হারতে ক্লান্ত হয়ে মেসির সাথে জিতে যেতে পারলো না...
জীবনটা লিও মেসির গোল এসিস্ট বা ড্রিবলিংয়ের মতই অসম্ভব সুন্দর রে পাগলা...🥰🥰✍️✍️🙏
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Habiganj
