Ambo the Storyteller

Ambo the Storyteller

Share

All about life incidents , experience, relationship with different people, sweet memories & hardship.

18/10/2025

এতক্ষণ ধরে একটা গল্প লিখে ফোন টা ২ মিনিট চার্জ দিলাম। ড্রাফ্ট ও থাকলো না। জাস্ট হারায়ে গেলো!!

18/10/2025

Baby gonna make a mess ❎
Lets mama help doing groceries ✅

28/09/2025

রম্য : ফেসবুক প্রেমগল্পের কেমিস্ট্রি এনালাইসিস।

**"হেই ইউ!!! অফিস টা কি ঘুমানোর জায়গা? "
"এ্যা এ্যা আমি মানে আমি সার"
"নেক্সট যদি আর এমনটা দেখি এর ফল কিন্তু ভালো হবেনা। মাইন ইট ইডিয়ট। " বলে চলে গেলো শহরের এক নাম্বার বড়লোকের পোলা, একাধারে বিজনেসম্যান, গিটারিস্ট, গায়ক, সাইন্টিস্ট, হার্টত্রব, হার্টলেস, নীল চোখের, সোনালী চুলের অধিকারী আরিয়ান খান প্রিন্স।
চলে যেতেই পাপাস প্রিন্সেস কদবানু চেলসি চৌধুরী দত কিরমির করে বললো, " মুখপোড়া কলাখেকো হনুমান... ""৷ *
এটুকু পড়েই মাথা বেথা ধরে গেলো লাবীবার। ইদানীং ফেসবুকে গল্পের কিছু পেইজ আর গ্রুপ সামনে পড়েছিল। বেশকিছু গল্প অলরেডি পড়াও হয়েছে ওর। বেশিরভাগ গল্প গুলো ই এমন সূচনা আর রগরগে প্রেমকাহিনীর শেষ পর্যন্ত পড়ে একটা পূর্ণদ্যৈর্ঘ বাংলা ছায়াছবি দেখে শেষ করার একটা ফীল পাওয়া যায়। হাতের ফোনটা সাইডে রেখে গভীর ভাবনায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে এই গল্পের নায়িকা লাবীবা। সে নিজেই একসময় প্রানোচ্ছল, চঞ্চল অবাধ্য বালিকা ছিলো। স্কুল কলেজে থাকতে ছেলেদের কেও পিটাতো। তার মধ্যে তখন একটা নায়িকা নায়িকা ফীল কাজ করতো। তার ফ্রেন্ড সার্কেলের অনেকেই তাকে বলতো যে সে যেন ঠিক গল্পের বই এর কোনো ক্যারাক্টার বাস্তব দুনিয়ায় নাজিল হয়েছে। সেই গর্ববোধ থেকে ই সে নিজেকে নিয়ে নায়িকা নায়িকা একটা ফীল পেত। অবশ্য গর্ব হওয়ারই কথা। রবীন্দ্রনাথ, সমরেশ, শীর্ষেন্দু পড়া লাবীবার মাথায় যে সকল গল্প চরিত্রের পরিচয় ছিলো তাতে একটু অহম না এসে পড়লেই যেন লেখকের প্রতি অসৌজন্য প্রকাশ পেতো।
সেসব বইপোকার দিনগুলি এখন সুদূর অতীত। কিন্তু সে এখন যে গভীর চিন্তায় নিমজ্জিত তার বিষয়বস্তু হলো সে কি তবে গল্পের এই নায়িকাগুলোর মত ছিল!!!!
তবে কি আগের সেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠার মানে হয়ে দাড়ালো লজ্জায় পটল তোলা?
বহু আগে কলেজে ফেরার পথে খাকি ড্রেস পরা এক সিনিয়র ভাইয়ার উপর ক্রাশ খেয়ে তাকে দেখে যথাসম্ভব ভদ্রতা বজায় রেখে ভ্রু কুচকে যে মুখ ঝামটা দিয়ে ভেবেছিলো ভাইয়া ইমপ্রেসড হয়েছে এবং নিজেও ইমপ্রেসান ক্রিয়েট করার জন্য তাকে দেখলেই মুচকি হাসি দিয়ে উঠে চলে গেছে সেটার অর্থ কি এতদিন ভুল ভেবে এসেছিলো?
আজ বোধহয় বোধোদয় হওয়ার পর মনে হচ্ছে যদি কোনদিন সেই দিনটাতে ফেরত যেতে পারতো তবে সে বোধহয় গন্তব্যে রুটটাই চেঞ্জ করে রেল স্টেশনে না থেকে বাসস্টপে থাকতো।
তবে কি রুড ব্যবহার করে সে এতদিন যত মানুষ কে কোডেড মেসেজ দিয়ে আসছে যে তারা তার পছন্দনীয় সবই কি ভুল রুটে ভ্রমন করেছিলো।
তাকে নিশ্চয়ই কমেডির মত ই মনে হয়েছে তাদের কাছে।
নাহ আর পারা যাচ্ছে না। তার মনে হচ্ছে অতীতে ফিরে গেলে সবার পা ধরে মাফ চাইত। পরক্ষণই মনে পড়লো সে যেমন রণচণ্ডী ছিল তাতে করে তার পায়ে ধরার দৃশ্য হয়তো: সাড়াশী হাতে নিয়ে পায়ে বিধিয়ে চিল্লাচ্ছে, "মাফ করবি নাকি পা কাটবো? "
আপাতত আর কিছু সে ভাবতে পারছে না। তাড়াতাড়ি করে এক কাপ কফী বানিয়ে এনে সিডনি শেলডন খুলে বসবে। ফেসবুক গল্পের আরিয়ান খান আর কদবানু চেলসি চৌধুরীর প্রেমের কেমিস্ট্রির ব্রেইন ওয়েভলেন্থের ফাংশন তার মাথায় কুলোবে না। দেখা যাক সিডনি সাহেব তাকে কোনো আলোর দিশা খুজে দিতে পারবেন কিনা।

27/09/2025

চকমকি পাথর

জাটু, এই জাটুউউ, শোন না ভাই।।
খড়ের গাদার ওপর থেকে জাটু উত্তর দেয়, " সাতসকালে কেন জালাতে এলি বলতো? "
"ও পাড়ায় নারান কাকু দের বাড়ি কতোবড় প্যানডেল করেচে গো। কত রঙিন বাতি দিয়ে কী সুন্দর সাজিয়েছে!! দেকতে যাবি? " বলল ঊষা।
জাটু মলিন গলায় বলল, "না রে ঊষি, ওকেনে যেয়ে কাজ নেইকো, তারচে চল বিলের পূবদিকে আজ মাছ ধত্তে যাই। ভোরের দিকে দেকলাম জেলেরা সবাই পূবের ধারে মাছ ভালো পাওয়া যায় গল্প করচিলো। আজ কিন্তু ফাকি দেয়া যাবে না নে। "
ঊষার মন খারাপ হয়ে গেলো। তার খুব ইচ্ছে সে এবার পুজো দেখবে। আগের পুজো থেকে এখন কতো আলাদা সবকিছু। কত মানুষ, কত আলো, কতো রং আর তারার মত ফুলকি ওড়ানো আলোর কামান। সে শুনেছে ওগুলোকে আতসবাজি বলে। তার যে খুব ইচ্ছে হয়েছিল ওসব দেখবে। তা বোধহয় এবার আর হলো না। গেলো বছর পূজায় বাবার অসুখ হলো। মা মরা দুটি ভাই বোন বিলে মাছ ধরে, খড়ের গাদার ধারে এসে মাছ পোড়াচ্ছিল। মাছ খেয়ে পেট ভরে আবারো পানিতে নামবে মাছ ধরতে। ঝুড়ি ভর্তি করে মাছ নিয়ে বাজারে সেগুলো বিক্রি করে ওষুধ আর বাজার সওদা করে তবে বাড়ির পথ ধরবে। কিন্তু ঐ যে ওরা এলো আর পুজোটা ধরতে পারলো না। শান্ত লক্ষী দুটি ভাইবোন খুব দায়িত্ব পরায়ন। প্রতিদিন মাছ ধরে ওরা। এটাই যে ওদের দিনযাপনের আয়োজন। তাই ঊষা আর কথা না বাড়িয়ে চুপ হয়ে যায়। জাটু ঊষার থেকে এক বছরের ছোট হয়েও ও এত বায়না করে না আর ঊষা শুধু এখানে ওখানে ছুটে বেড়াবার মতলব করে এটা ভেবে ঊষা অপরাধ বোধে পড়ে গেলো। অতঃপর জাটু নেমে এলে ওরা বিলের পুবদিকে এগুতে থাকে।
"এ মা!!! তোমরা কাদা মাখামাখি কেনো? পুজার প্যান্ডেলে যাবে না? "
প্রশ্ন শুনে ঊষা আর জাটু ঘুরে তাকালো। সুন্দর জামা জুতো পরা ওদের সমবয়সী একটা মেয়ে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে উত্তরের অপেক্ষায়। জাটু বললো," বিলে মাচ ধত্তে নেমেচি কাদা লাগবেনে বুঝি? "
মেয়েটা বললো," আমার নাম পূজা। আমাদের বাড়ি এবার মস্ত করে পুজোর আয়োজন হচ্ছে। গ্রামের সবাই তো আসবে। তোমরা যাচ্ছো না কেন? আমার সাথেই চলো তবে। অনেক আনন্দ হবে।"
ঊষা বললো, "ও তুমি নারান কাকুর মেয়ে? তা তুমি পুজো রেখে একেনে বিলের ধারে কি কত্তে এসেচো?"
পুজা ঝটপট উত্তর দিলো সে আর মন্ডপের অন্য বাচ লুকোচুরি খেলছিলো কিন্তু বিলের পদ্ম ফুল দেখতে পেয়ে ফুল তুলতে এসেছে । "আমিও মাছ ধরব তোমাদের সাথে, আমাকেও নাও না। "
জাটু একটু ভেবে বললো, "হুম্, তোমাকে নেবো যদি তুমি আমাদের সব কতা মেনে চলো "
পূজা বললো, " সব কথাই শুনবো তবে। এখন বলো দেখি মাছ ধরে কিভাবে? আমি যদি একটা মাছ ও ধরতে পারি তবে আমার কাছে এখন যে আতসবাজি টা আছে সেটা তোমাদের দিয়ে দেব।"
আতসবাজির কথা শুনে মুহূর্তে ই দুই ভাই বোন মহাখুশি হয়ে গেলো। বললো, " তবে তাই সই। একনি মাচ ধত্তে পারবা তুমি। তবে বিলের যে পাশ টায় খড়ের গাদাটা রয়েচে ওপাশে যেওনি কো। ওকেনে কেওটের বাসা। গেলেই সাপে কাটবে। "
পূজা খুশি হয়ে বিলের হাটু পানিতে নেমে পড়লো। ওরা তিনজন মাছ ধরতে ধরতে তখন ভর দুপুর। পূজা ওর ধরা মাছ গুলো দেখিয়ে বললো," এগুলো তবে নিয়ে যেয়ে মা কে দেই তাড়াতাড়ি করে। তোমরাও বাসায় যেয়ে জামা কাপড় পাল্টে তাড়াতাড়ি প্যান্ডেলে চলে এসো। তার আগে এই আতসবাজি টা নাও। জানো তো আতসবাজি গ্রামে এসেছে মোটে গেলো বছর। এখনো শহর থেকে আনাতে গিয়ে মস্ত হেপা পোহাতে হয়। আলো গেলে এইখানে আগুন জালিয়ে দূরে সরে দাড়িও। প্যান্ডেল থেকে পিরে এসে এটা ফুটিও। এখন আসি তবে।তোমরাও চলে এসো কিন্তু। "
পূজা যেতে গেলে জাটু বললো, "দাড়াও। আমরা তোমাকে এগিয়ে দিয়াসচি। " বলে পূজা কে পাশ কাটিয়ে পথ ধরলো। পূজা ওদের পিছু পিছু যেতে যেতে পুজোর আয়োজনের গল্প করলো এক এক করে। পুজাকে গাঁয়ের পথে পৌঁছে দিয়ে ওরা দুজন বললো, " তবে যাই আমরা। তুমি পুজো উদযাপনের প্রস্তুতি নাও বাড়ি গিয়ে। আর বিলের ধারে আর কখনো যেওনি কো। সাপ খোপের বাসা। ওকেনে না যাওয়াই ভালো। আমরা আতসবাজি টা সময়ক্ষন বুঝে একেনে এসে জালবো। "
ঊষা দুটো চকমকি পাথর আর পাশের সজনে গাচটা দেখিয়ে বলে, "এই বাজি ফটানো শেষে তোমার জন্য পাথরদুটো ঐ সজনে গাছটার নিতে রেকে যাবো। আমাদের উপহার তোমার জন্য। "
পুজা ওদের কাছে থেকে বিদায় নিয়ে ঘরে ঢুকতেই দেখে ওর বাবা মা বিচলিত হয়ে বসে আছে ওকে অনেক ক্ষন ধরে খোঁজ না পেয়ে। পূজা হেসে মাছগুলো ওর মায়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে এতক্ষণ কই ছিল, কি করছিলো আর জাটু-ঊষার কথা বললো। সব শুনে বাড়ির সবার মুখ কালো হয়ে গেলো। পুজা গত পুজো মামাবাড়ি তে করায় গ্রামের কি ঘটে গেলো কিছু জানেনি বা শোনেনি। গতবছর পুজোয় জাটু আর ঊষা দুই ভাইবোন খড়ের গাদায় সাপে কেটে মরে পড়েছিলো। পুজোর প্যান্ডেলে বাবাকে নিয়ে আতসবাজি দেখার খুব সাধ হয়েছিল ওদের। কিন্তু তা আর কপালে ছিল না বৈ। ছেলে মেয়ে দুটোর মৃত্যু সংবাদ প্রানটাই কেড়ে নিয়েছিলো অসুস্থ বাবার । ওদের সাথে কিভাবে দেখা হওয়া সম্ভব পুজার??? নাহ। এটা হতেই পারেনা। তবে কি ওরা আজ বিলের ধারে দেখা দিয়েছিলো...?? নাহলে কি পুজার জীবন ও আজ নিভে যেতো কেওটের কামড়ে? যেভাবে যে অবস্থানেই ওদের দেখুক না কেনো মনের গভীরে স্বল্পপরিচিত দুই ভাইবোন এর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা ও ঋণ অনুভব করল। খড়ের গাদায় কেওটের বাসার কথা জানিয়ে বাবাকে বলে সাপ তাড়ানোর ব্যবস্হা নেবে পুজো শেষে। সেদিন রাতে পুজো শেষে প্যান্ডেল থেকে বাড়ি ফিরে যখন সাত পাঁচ ভাবছিলো তখনই বিলের ধারের মাঠের প্রান্তে আকাশে একটা আতসবাজি ফুটলো। পূজা সেটা দেখে এসে ঘুমিয়ে পড়লো। ভোরবেলা তার একটা কাজ বাকি আছে যে !!! তার পুজোর সেরা উপহারটা ঘরে বরন করে আনতে হবে তো!!! দুটো চকমকি পাথর।। খুব খুব বিশেষ দুটো চকমকি পাথর।

Photos from Ambo the Storyteller 's post 17/09/2025

ইসটাইল ইট উইত মি।
এনি টারটেল নেক এ্যালং উইত কনটিরাস্ট প্যান্ট অর ওয়াইড লেগড জিনস্ উড ডু। ওইয়ার এ বিলাক বেল্ট। গেট আ ক্রস ব্যাগ এন্ড কেডস্। পনিটেল ইট ইফ শর্ট হেয়ার। ফ্রেন্চ বান ফর লং হেয়ার। ইউ আর ডান। নাউ গেট লস্ট্। 🤪
আমার সাতে ইস্টাইল কর। টারটেল নেকের সাতে জিন্স নাহয় চওড়া পাড়ের প্যান্ট নাও। কালা একটা বেল্ট বানধো। ক্রস ব্যাগ ছোট কইরা বেল্টের বরাবর আইনা রাখো। নাম্বা চুল খোপা কইরো। ছোট চুল হলে ঘোড়ার লেজের মত ঝুটি। ইসটাইলিং শেষ। এবার দৌড় দাও।

06/09/2025

বেজ ভালোই বাজায়। কাহন, পিয়ানো কাজ চালায় নেওয়ার মত পারে। মেজাজ খারাপ থাকলে মাঝে মাঝে গিটার ধরায়ে দিয়ে অচল কিছু গান ছেড়ে দিয়ে বলি ২ মিনিটের মধ্যে গানের সাথে গিটার প্লে না মিললে আজ তোর একদিন কি আমার একদিন। দুঃখের বিষয় হলো যে আজ পর্যন্ত গানের সুর ধরতে ওর পুরো দুই মিনিট লাগে নাই। তার আগেই সুর তুলে বাজায় ফেলে। ঝগড়া করতে না পারার দুঃখ গান শেষ হতে হতে যদিও বা একটু মিলিয়ে যায় গান শেষ হলে ও অবুজ নাদানের মত মুখ করে যখন জিজ্ঞেস করে আর কোন গান বাজাতে হবে? তখন ঝিমিয়ে পড়া মেজাজ দ্বিগুণ চড়াও হয়ে মাথায় আগুন জ্বলে যায়। আগুন চোখে ওর দিকে তাকিয়ে থাকা সত্ত্বেও যখন ওরে দেখি ও এখনো উত্তরের আশায় বসে আছে তখন দুঃখে আর রাগে নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছা করে। ওকি আসলেই বোঝেনা নাকি ইচ্ছে করে এমন করে?! দুনিয়ার সকল হাজবেন্ড ই বোধহয় এরকম!!! এরা কঠিন ব্যাপার স্যাপার বুঝে ফেলে সমাধানও করে ফেলতে পারে শুধু বউয়ের ইমোশনটাই ধরতে পারে না!!!

03/09/2025

Motherhood is a blessing...
Responsibility,
Insecurity,
Tiredness,
Protecting your child
The whole world is changed when a mother is born along with the baby.
Constant fight with thyself n the world.
The whole journey is worthy while raising your offspring ❤️

01/09/2025

Attending friends' wedding 🤵‍♂️👰

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Islamnagar
Jessore
7400