Joypurhat Health Service
It is a Health Related Page. You can get any information about Health. So, We beg your help. To get
30/01/2021
শীতে অ্যাজমা রোগীদের সতর্কতা:
শিশু থেকে বয়স্ক, সব ধরনের লোকই অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে ভোগেন। শীতকালে অ্যাজমার প্রকোপ অনেকটাই বাড়ে এবং সুচিকিৎসার অভাবে ভোগান্তিও বাড়ে। তাই প্রয়োজন বিশেষ সতর্কতা।
বাংলায় প্রচলিত হাঁপানি রোগই অ্যাজমা। এটি শ্বাসনালির একটি দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক প্রদাহজনিত সমস্যা। অ্যাজমার কারণে শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ বিশেষত ইয়োসিনোফিল ও অন্যান্য কোষের উপাদান জমা হয় এবং শ্বাসনালিকে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে।
কারণ : অ্যাজমার কারণ এখনও অজানা। দেখা গেছে, কিছু উপাদান অ্যাজমা রোগের উৎপত্তি, আক্রমণ, স্থায়িত্বকে বেশ প্রভাবিত করে, যাদের বলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ উপাদান। এসব কারণ বংশগত ও পরিবেশগত এ দুই ধরনের হয়।
বংশগত : অ্যাজমা রোগটি অনেকটা জেনেটিক বা বংশগত। যদি বংশে কারও অ্যাজমা থাকে, তবে আরেকজনের থাকার আশঙ্কা বেশি।
পরিবেশগত : কিছু পরিবেশগত কারণে অ্যাজমার প্রকোপ বাড়ে। যেমন- অ্যালার্জি, শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামজনিত, ভাইরাস সংক্রমণ, পেশাগত কারণ বা ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত থাকা, আবহাওয়া, আবেগপ্রবণতা, দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিত বা অনিয়মিতভাবে অপর্যাপ্ত ওষুধ সেবন ইত্যাদি।
লক্ষণ : কারও অ্যাজমা হয়েছে কি-না তা কিছু লক্ষণ দেখে বোঝা যায়। যেমন-
* অ্যাজমা হলে রোগীর শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট হয়।
* বুকে চাপ অনুভূত হয়।
* কাশি থাকে, বুকে বাঁশির মতো শব্দ হয় ইত্যাদি।
21/01/2021
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রোগীর ভূমিকাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রোগীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। রোগীকে অ্যাজমা বা হাঁপানি সম্পর্কে, রোগের প্রকৃতি, চিকিৎসা, ইনহেলারের কাজ, ইনহেলার কখন ও কিভাবে ব্যবহার করবেন এই বিষয়ে ভালভাবে জানতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রোগীকে সঠিকভাবে ইনহেলার ব্যবহার করতে জানতে হবে।
কি ধরনের চিকিৎসা তার প্রয়োজন, তার হাঁপানির উপসর্গ কখন বৃদ্ধি পায়, কখন ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে, রোগটি তার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে না বাইরে চলে যাচ্ছে এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে সেই বিষয়ে রোগীর বিস্তারিত ধারনা থাকতে হবে।
হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তাই স্বাভাবিকভাবেই এ রোগের ওষুধও অনেক দিন ধরে ব্যবহার করতে হয়। হঠাৎ উপসর্গ কমে গেলে বা না থাকলেও কখনোই হঠাৎ করে ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়। অবশ্যই মনে রাখতে হবে, অ্যাজমার চিকিৎসা প্রায় সব সময়েই দীর্ঘমেয়াদি হয়। অবশ্য এ কথার মানে এই নয় যে একজন হাঁপানি রোগীকে জীবনভর ওষুধ নিতে হবে। একজন অ্যাজমা রোগী নিয়মিত হাঁপানি প্রতিরোধক ওষুধ ব্যবহার করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিন থেকে পাঁচ বছর সময়ের মধ্যে ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে এ রোগ সম্পূর্ণভাবে রোগীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
উপসর্গের তীব্রতা ও সময়ের সাথে সাথে ওষুধের মাত্রাও সাধারণত কমতে থাকে অর্থাৎ রোগের উপসর্গ কমার সাথে সাথে ধীরে ধীরে ওষুধের পরিমাণও কমিয়ে আনতে হয়। কখনোই হঠাৎ করে কমিয়ে ফেলা উচিত নয়।
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রোগীর ভূমিকা সবসময়েই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীকে কিছু কিছু বিষয় সম্পর্কে খুব ভালভাবে জানতে হবে। যেমন- কখন ওষুধের পরিমাণ বাড়াতে হবে, কী কী উপসর্গ দেখলে রোগী চিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ইত্যাদি। অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের জন্য রোগীকে অবশ্যই ওষুধ দেওয়ার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। অর্থাৎ, সঠিকভাবে ইনহেলার ব্যাবহারের পদ্ধতি, সঠিকভাবে নেবুলাইজার ব্যবহার এবং সাথে সাথে এ যন্ত্রগুলো কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কেও ভাল ধারনা থাকতে হবে।
নিয়মিতভাবে সঠিক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি হাঁপানির উত্তেজক দ্রব্য থেকেও নিজেকে রক্ষার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। প্রত্যেক রোগীর উত্তেজক দ্রব্য অথবা অ্যালার্জি ভিন্ন হবে সেটাই স্বাভাবিক। সেজন্য রোগীকে তার জন্য নির্দিষ্ট কোনো উত্তেজক আছে কি না সে বিষয়ে জানতে হবে এবং পরিহার করতে হবে। এ ছাড়াও কিছু সাধারণ ব্যাপারে সবসময় সচেতন থাকতে হবে, যেমন—প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপান ও ধুলা থেকে সাবধান থাকতে হবে। বাসায় বড় কার্পেট ব্যাবহার না করা, বিশেষ করে শোয়ার ঘরে। বাসায় কোনো পোষা জীব, যেমন—পাখি, কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি না রাখা। বাসায় কোনো ধরনের কীটনাশক স্প্রে ব্যবহার না করা, ভেকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার না করাই ভাল।
পূর্ব থেকে অ্যাজমা সম্পর্কে সঠিকভাবে ধারনা থাকলে খুব সহজেই হঠাৎ অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয় না।
12/01/2021
উচ্চ রক্তচাপ সর্ম্পকে কিছু কথা:
অনেক সময় আপনি বুঝতেই পারবেন না যে, আপনি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। অন্য কারণে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানতে পারা যায় এ রোগের কথা। মূলত: ৫০ শতাংশ মানুষ কোনোদিনই আগে জানতে পারেন না যে তাদের এ সমস্যা আছে। স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক এমন কি কিডনি খারাপ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ রোগ সহজে ধরা পড়ে না।
উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ:
১। মাথাঘোরা।(মাথার পিছনে)
2 । বুক ধড়ফড় করা।
৩ । মনোযোগের অভাব।
8 । ক্লান্তি।
৫। অল্পতে হাঁপিয়ে ওঠা।
৬। মাংসপেশীর দুর্বলতা।
৭। পা ফোলা।
৮। বুকব্যথা।
৯। নাক দিয়ে রক্ত পড়া, ইত্যাদি।
31/12/2020
27/12/2020
কিডনিরোগের লক্ষণ সমুহ :
১) ডায়রিয়া
২) বমিবমি ভাব
৩) নিয়ন্ত্রণহীন কাঁপুনি
৪) গা শীতল হওয়া
৫) পিঠে ব্যাথা
৬) পিছনে (মাঝা)কুঁচকে ব্যথা
৭) পায়ে পানি জমা
৮) রক্তাক্ত প্রস্রাব
৯) মেঘলা প্রস্রাব
১০) প্রস্রাব করার সময় জ্বালা বা ব্যথা, প্রায়শই
১১) মজাদার দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব
১২) ঘন ঘন মূত্রত্যাগ
১৩) পুরোপুরি প্রস্রাব করতে অক্ষমতা
১৪) তলপেটে ব্যথা, ইত্যাদি।
17/12/2020
দেখুন এ লক্ষণ গুলো আপনার শরীরে দেখা যায় কিনা-
ডায়াবেটিস এর লক্ষণ:
ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ গুলি হল-
১) তৃষ্ণা বেড়ে যাওয়া
২) সবসময় টয়লেট যাওয়া (বিশেষ করে রাতে বেশি)
৩) অত্যন্ত বেশি ক্লান্তি বোধ
৪) ওজন কমা
৫) জননাঙ্গে চুলকানি
৬) পায়ে ক্ষত
৭) ঝাপসা দৃষ্টি, ইত্যাদি।
এমন হতে পারে যে, ডায়াবেটিস রোগের শারীরিক লক্ষণ দেখা না দিলেও এটা রোগীর দেহে বিদ্যমান থাকতে পারে।
14/12/2020
Red rose greetings to all the newly elected members of Joypurhat District Awami League.
19/11/2020
বিয়ের আগে যে কাজ জরুরী
বিয়ে মানেই দুজন মানুষের সামাজিক বন্ধন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবনা চিন্তা ৷ সেই ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ দেখে নেওয়া। যে ভাবেই বিয়ে হোক , বিয়ের আগে সাধারণত দুই পরিবারের ছেলে-মেয়ের রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়াটা জরুরি।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে 'লিথাল জিন' বা 'মারন জিন' নামে একটি জিন তৈরি করে যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোটকে মেরে ফেলে। এর ফলে, মৃত বাচ্চার জন্ম হতে পারে এবং বাচ্চা হতে পারে বন্ধাত্ব।
এছাড়া যখন কোনো নেগেটিভ গ্রুপের মা পজিটিভ ফিটাস (ভ্রূণ) ধারণ করে তখন সাধারণত: প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্ত ডেলিভারির সময় পজিটিভ ভ্রূণের রক্ত, সেন্টার ( গর্ভফুল ) এর বাঁধা ভেদ করে মায়ের শরীরে প্রবেশ করে। মায়ের শরীরে প্রসবের যে রক্ত প্রবেশ করবে, তা প্রসবের কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে ’আরএইচ’ এন্টিবডি তৈরি করবে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবেন। তখন যদি তার ভ্রূণের রক্তের গ্রুপ পুনরায় পজিটিভ হয়, তাহলে মায়ের শরীরে আগে যে এন্টিবডি তৈরি হয়েছিল সেটা প্লাসেন্টার বাঁধা ভেদ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন এটি ভ্রূণের শরীরে ঢুকবে তখন ভ্রূণের লোহিত রক্তকণিকার সেল ভেঙ্গে যাবে। এ সমস্যাকে চিকিৎসা বিদ্যায় বলা হয় আরএইচ ইনকমপ্যাটিবিলিটি।
আগে কখনো অ্যাবরশন না হয়ে থাকলে অনেক সমস্যা এড়ানো যাবে। শুধু সচেতন থাকতে হবে। স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজিটিভ হলে, বাচ্চা জন্মের পরপরই বাচ্চার ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। যদি নেগেটিভ হয় মায়ের মতো, তবে কিছু করার দরকার হয় না। আর পজিটিভ হয় তাহলে এন্টি বডী ইনজেকশন নিতে হবে ডেলিভারির ৭২ ঘন্টার মধ্যে।
যখন কোনো নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে পজিটিভ গ্রুপের রক্ত দেওয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারণত: কিছু হয় না। তবে এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে একটি এন্টিবডি তৈরি হয়। যার ফলে এই রোগী আবার কখনও যদি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত গ্রহন করে, তবে তার রক্তের কোষগুলো ভাংতে শুরু করে । এ কারণে কাঁপুনি, জ্বর কিংবা, কিডনি অকেজো থেকে শুরু করে অনেক মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
হেপাটাইটিস-বি মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি একথা সবার জানা। পাত্র বা পাত্রী যে কোনো একজনের দেহে এ ভাইরাস থাকলে অন্য জনও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেই সঙ্গে অনাগত সন্তানের মধ্যেও রোগটি সংক্রমিত হতে পারে। এটি অন্যতম এক ঘাতক ব্যাধি। তাই বিয়ের আগেই রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিৎ পাত্র কিংবা পাত্রীর হেপাটাইটিস-বি আছে কি না। রক্ত পরীক্ষা করলেই জানা যাবে পাত্র-পাত্রী কেউ সিফিলিসের জীবাণু বহন করছে কি না। ভিডিআরএল, পরীক্ষায় যৌন রোগ আছে কি না তা জানা যাবে। এ ভাবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সজাগ থাকা আমাদের দরকার।
10/11/2020
@ রোগ ও ব্যাধি
রোগ বা ব্যাধি বলতে কোন জীবের দেহ বা মনের কোনো প্রকার অস্বাভাবিকতা, অক্ষমতা অথবা স্বাস্থ্যহানি ইত্যাদিকে বুঝায় । ব্যক্তি বা জীব কোন রোগ দ্বারা আক্রান্ত হলে তাকে রোগী বলা হয়। রোগের লক্ষণ হতে পারে জ্বর, দুর্বলতা, ক্লান্তি, ঝিমুনি এবং অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি। রোগ বা অসুস্থ্যতা হলো সুস্থ্যতার বিপরীত।
বিভিন্ন ধর্মে রোগ সম্পর্কে নানা অভিমত ব্যক্ত করা আছে। যেমন কিছু মুসলিম অজ্ঞতার কারনে রোগ / ব্যাধি সম্পর্কে ভুল ধারনা করে থাকে। বেশীরভাগ মানুষ মনে করেন যে, রোগ বা অসুস্থতা হল পাপাচারের ফলাফল বা আল্লাহর প্রেরিত শাস্তিস্বরুপ। কিন্তু প্রকৃ্ত অবস্থা এমনটা নয়। রোগ হল কল্যান ও সফলতার সোপান এবং সাফল্যের কষ্টিপাথর স্বরুপ।
রোগের প্রকারভেদ
প্রধানত দুই ধরনের রোগ হয়ে থাকে ।
1. মানসিক ও
2. শারীরিক
আবার রোগ চারপ্রকার :
1. সংক্রামক রোগ ,
2. অভাবজনিত রোগ,
3. বংশগত রোগ (জিন বাহিত),
4. শারীরবৃত্তীয় রোগ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
5900
