Tandra
বাহ্যিক সৌন্দর্য হল একটি উপহার এবং অভ্যন্তরিন সৌন্দর্য হল একটি অর্জন।
16/04/2026
৭১ টিভি পোস্ট দিছে, "সচিবালয় থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী মিলনায়তনে আসলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান"
খুবই সুন্দর একটা পোস্ট করেছে৷ এমন পোস্ট বিগত ১৭ বছরে দেখিনি৷ তারেক রহমান আজ পায়ে হেঁটে আসলেন৷ আমার বাপ দাদা চৌদ্দগুষ্টি হাত দিয়ে হাঁটাহাঁটি করতো৷ মাঝে মাঝে মাথা দিয়েও হাঁটতো৷
আপনারা নরমালি কেমনে হাঁটেন?
16/04/2026
সব সময় মানসিক কষ্টে থাকেন? সূরা আদ-দোহার এই আমলটি করুন—ধীরে ধীরে বদলে যাবে আপনার জীবন।
কখনো কি এমন হয়েছে—সবকিছু ঠিক আছে, তবুও মনটা অদ্ভুত ভারী লাগে? কোনো কারণ ছাড়াই দুশ্চিন্তা আসে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় কাজ করে। মনে হয়—জীবনটা যেন কোথাও আটকে গেছে। অনেক মানুষ এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়। বাইরে হাসে, মানুষের সাথে কথা বলে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অজানা কষ্ট বয়ে বেড়ায়।
এমন সময়ে কুরআনের একটি ছোট সূরা আছে, যেটি আল্লাহ নাযিল করেছিলেন ঠিক এমন একটি মুহূর্তে—যখন একজন মানুষ গভীর মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।
সেই মানুষটি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ।
কেন নাযিল হয়েছিল সূরা আদ-দোহা?
এক সময় কয়েকদিন পর্যন্ত ওহি নাযিল হওয়া বন্ধ ছিল।
এতে নবীজি ﷺ খুব চিন্তিত ও বিষণ্ন হয়ে পড়েন।
তখন কিছু মানুষ বলতে শুরু করেছিল— মনে হয় আল্লাহ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। এই কঠিন মুহূর্তে আল্লাহ নাযিল করেন একটি সান্ত্বনার সূরা— সূরা আদ-দোহা। এই সূরার মধ্যেই আল্লাহ নবীজিকে আশ্বাস দিয়ে বলেন—মা ওয়াদ্দা’আকা রাব্বুকা ওয়া মা ক্বালা
অর্থ:তোমার রব তোমাকে ত্যাগ করেননি, এবং তোমার উপর অসন্তুষ্টও নন। ভাবুন একবার— এই আয়াত শুধু নবীজির জন্য নয়, বরং প্রত্যেক সেই মানুষের জন্য, যে কখনো মনে করে— আল্লাহ হয়তো আমাকে ভুলে গেছেন।
সূরা আদ-দোহার একটি সহজ আমল (মানসিক কষ্ট দূরের জন্য) অনেক আলেম বলেন, যদি কেউ মানসিক কষ্ট, হতাশা বা অস্থিরতার মধ্যে থাকে, তাহলে নিয়মিত সূরা আদ-দোহা পড়া হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।
আমলটি করার নিয়ম
▪️অজু করে নিন।
▪️শান্ত কোনো জায়গায় বসুন।
▪️প্রথমে ৩–১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন।
▪️তারপর সূরা আদ-দোহা ১১ বার বা ২১ বার তিলাওয়াত করুন। শেষে আবার ৩–১১ বার দরূদ পড়ুন। তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করুন।
কখন করবেন?
▪️ফজরের পর
▪️মাগরিব বা এশার পর
▪️অথবা রাতের শেষ সময় (তাহাজ্জুদের সময়)
কতদিন করবেন
৭ দিন, ১১ দিন বা ২১ দিন নিয়মিত করলে অনেকেই হৃদয়ের ভেতর পরিবর্তন অনুভব করেন।
সূরা আদ-দোহা আমাদের কী শেখায়?
এই সূরাটি শুধু একটি আমল নয়, বরং একটি বড় শিক্ষা।
এখানে আল্লাহ আমাদের তিনটি বড় বিষয় মনে করিয়ে দেন—
১️⃣ কঠিন সময় চিরস্থায়ী নয়
“নিশ্চয়ই পরের সময় আগের সময়ের চেয়ে উত্তম হবে।”
২️⃣ আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দাকে ছেড়ে দেন না
যদিও আমরা কখনো কখনো তা অনুভব করতে পারি না।
৩️⃣ কষ্টের পরই আসে স্বস্তি
যখন মন খুব ভেঙে যায়, যখন মনে হবে— সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে… যখন মনে হবে— আপনার দোয়া কেউ শুনছে না… তখন একটু থামুন। অজু করুন। দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। তারপর সূরা আদ-দোহা তিলাওয়াত করুন। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে কোনো বড় পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— আপনার হৃদয়ের ভেতর একটা শান্তি নেমে আসছে।
শেষ কথা
অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনা হয় হৃদয়ের পরিবর্তন। যখন আল্লাহ আমাদের ভেতরের অস্থিরতাকে শান্তিতে বদলে দেন— সেটাই আসলে সবচেয়ে বড় নিয়ামত। তাই যদি আপনি আজ মানসিক কষ্টে থাকেন— তাহলে সূরা আদ-দোহা পড়ে আল্লাহকে ডাকুন।
হয়তো নিঃশব্দেই আল্লাহ আপনার জীবনের পথ সহজ করে দিতে শুরু করবেন।
16/04/2026
আল্লাহর এক বান্দা ছিল নামাজের সিজদায়।আল্লাহ ডাক দিয়ে বলে বান্দা:
"তুই যত ইচ্ছে নামাজ পড়, তুই যতই সিজদা কর তোর ঠিকানা জাহান্নাম।"
কথাটি শুনে বান্দাটি বলতে লাগল, "আলহামদুলিল্লাহ।"
আল্লাহ বললেন: "এই বান্দা জাহান্নামের কথা শুনেও আলহামদুলিল্লাহ কেন বলছো?"
বান্দা বলল: "আল্লাহ! জাহান্নামের ও মালিক! জাহান্নামের ও মালিক তুমি! তুমি আল্লাহ যদি খুশি হয়ে আমাকে জাহান্নাম দাও, আমার আপত্তি ও অভিযোগ করার কোনো অধিকার নেই।"
আল্লাহ বলছেন: "বান্দা! তুই জাহান্নামে গেলে পুড়েই যাবি। তোর কষ্ট হবে। বান্দা বলে, কষ্ট শুধু আমার হবে না আপনারও হবে। আল্লাহ বলেন, তুই পুড়বি, জাহান্নামে আমার কষ্ট হবে কেমনে?"
বান্দা বলে: "আল্লাহ! মায়ের কোলের কোনো সন্তান যদি পানিতে পড়ে যায়, তাহলে দুনিয়ার কোনো মা যেমন দূর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, দৌড়ে গিয়ে বাচ্চাকে কোলে নেয়। আমার বিশ্বাস, ঐ মায়ের চেয়ে কোটি কোটি গুণ দয়া আপনার বেশি। আমাকে জাহান্নামে দিলে আপনি আল্লাহ কষ্ট পাবেন না?
আল্লাহ বলেন: "বান্দা, তুমি এই দলিল পাইলা কই?"
বান্দা বলে: "আল্লাহ! আমাদের জাতির পিতা ইব্রাহীম (আ:) তোমার প্রেম বুকে নিয়ে যখন নমরুদের চুলোয় পড়ে গেলেন, তখন তার আগেই আপনি বলে উঠলেন,
" 'ইয়া নারু কুনি বারদাও ওয়া সালামান আলা ইব্রাহিম'। " অর্থাৎ - "হে আগুন! তুমি ইব্রাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।"
আমি ইব্রাহীম (আ.)-এর মুসলিম সন্তান, আপনার প্রেমে নিবেদিত বান্দা। আপনি কি চান আমি জাহান্নামে জ্বলি আর আপনি নিশ্চুপ থাকুন? তখন আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"হে বান্দা! তুমি এমনভাবে আমাকে ভালোবাসো, যে জাহান্নামের কথাও তোমার ঈমান নড়াতে পারে না।
তুমি যদি আমার প্রেমে জাহান্নামে পড়ো,
তবে আমি সেই জাহান্নামকেও তোমার জন্য জান্নাত বানিয়ে দেবো।"
অর্থাৎ - আল্লাহ বলেন বান্দা আমার প্রেমে ভক্তি নিয়ে যদি কেউ জা-হান্নামেও ধারণ করে আমি তার জা-হান্নামকেও জান্নাত বানিয়ে দেবো। সুবহানাল্লাহ!"
#আল্লাহ_মহান #আল্লাহ্-সর্বশক্তিমান
16/04/2026
আমাদের নতুন কার্ড বাবা ❤ সবাই তার থেকে দোয়া নেন৷ উনি যে পরিমান কার্ড বের করছে কদিন পর বাথরুমে যেতেও কার্ড লাগবে৷
আপনার কোন কার্ডটি প্রয়োজন?
16/04/2026
১০ বছরের একটি সংসার তবুও ভালোবাসা জন্মায়নি কারণ স্বামীর গায়ের রঙ কা^লো
শুনতে অবাক লাগলেও, বাস্তব কখনো কখনো গল্পের চেয়েও নিষ্ঠুর হয়। ভারতের এক দম্পতি দীর্ঘ এক দশক একসাথে থাকার পরও স্ত্রী তার স্বামীকে মেনে নিতে পারেননি, শুধু তার গায়ের রঙের কারণে।
বাহ্যিক এই অজুহাতই ধীরে ধীরে সম্পর্ককে ঠেলে দেয় অন্ধকারে। ভালোবাসার জায়গা দখল করে নেয় অবহেলা, তারপর গোপন সম্পর্ক। আর সেই গোপন সম্পর্কই একসময় নেয় ভয়ংকর মোড় যেখানে ভালোবাসা নয়, জন্ম নেয় ঘৃণা আর অপরাধ।
শেষ পর্যন্ত পরিকল্পিত এক হ%ত্যাকাণ্ড এবং সত্য চাপা থাকেনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সব কিছু স্বীকার করেন প্রিয়াংকা নামের এ নারী৷
মানুষের রঙ, চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য কখনোই একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারে না। সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান, বিশ্বাস আর চরিত্রের উপর৷ জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সময় তাই চোখ নয়, মন দিয়ে দেখুন। 💔
লেখা: copy post from tulon vai
কারো যদি এমন দু'আ থাকে যা দীর্ঘদিন করার পরও কবুল হচ্ছে না, তাহলে এই দু'আ অনবরত পাঠ করলে ইনশাআল্লাহ দ্রুত দু'আ কবুল হবে।
الم
اَللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ
يَا وَاحِدٌ
يَا ذَا الْجَلَالِ وَ الْإِكْ رَامِ
উচ্চারণ : আলিফ লা-ম মীম। আল্ল-হু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হা'ইয়্যুল ক্বইয়্যূম। ইয়া ওয়াহি'দুন ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরম।
-আল্লামা হিশামে এলাহি জহির হাফিযাহুল্লাহ
কেউ কেউ ৩১৩ বার পড়ার কথা বলেন এবং আগে পরে দরুদ পাঠ উত্তম.!'🤍
15/04/2026
এই ছেলেটার নাম রাশেদুল ইসলাম রাব্বি৷ ঐ কি করছে শুনলে আপনিও অবাক হবেন৷
এই ছেলে একটা না দুইটা না৷ প্রায় ১৩ জন কলেজে পড়ে এমন মেয়েদের ধ*** করে৷ ওরে আল্লাহ আলাদা একটা ক্ষমতা দিছে সেটা হলো সে মেয়েদের মতন কথা বলতে পারতো৷
এই ছেলেটা প্রথমে একটা মেয়েদের ফেইক আইডি খুলে৷ তারপর মিরপুরের স্কুল কলেজের মেয়েদের টার্গেট করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিত৷ এক পর্যায়ে তাদের সাথে মেয়ে কন্ঠে কথা বলতো৷ তাদের গিফ্ট দিবে বলে যাত্রাবাড়ী এলাকায় দাওয়াত দিত৷ তারপর রুমে নিয়ে যা করার তা করতো৷
কিন্তু আমার কথা হলো এ মেয়েগুলো কেউ ছোট না৷ সবার বয়স ১৮+ তাহলে এরা কিসের লোভে কিসের আশায় অনলাইনে অপরিচিত কারো দাওয়াতে এভাবে চলে যায়৷
যাই হোক রাব্বি ছেলেটাকে আজকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ওর সর্বোচ্চ সাজা দাবী করি আমি৷ যাতে আর কেউ এমন কাজ করতে সাহস না পায়৷
15/04/2026
Day-85
দরুদ ও ইস্তেগফার পড়ার কিছু কার্যকরী টিপস:
দরুদ ও ইস্তেগফার এর ফজিলত সম্পর্কে মোটামুটি আমাদের সবারই ধারনা আছে আশা করি, দরুদ ও ইস্তেগফার এর অসম্ভাব্য শক্তি নিয়ে অন্যদিন লিখব,আজ সহজে আমল করার মত কিছু টিপস লিখে যাচ্ছি ঈংশা-আল্লহ।
📌 মূল টিপসঃ ১ম দিকে ধরে নিন আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০০+ দরুদ ও ১০০০+ ইস্তেগফার নিজের আমলনামায় জমাবেন। এবার প্ল্যান করুন এত ব্যাস্ততার মাঝেও এটা কিভাবে সম্ভব।
🔹প্ল্যান ১ঃ আপনি চলতে ফিরতে, বাসে ট্রেনে প্লেনে যেখানে যে অবস্থায় আছেন জিকির জারি রাখুন। শুধু মাত্র টয়লেট ছাড়া সব খানে সকল অবস্থাতেই আপনি জিকির চালিয়ে যেতে পারেন। গণনার জন্য নিজের হাত ব্যবহার করুন; ২ হাতের কর দিয়ে গণনা করলে ২০+২০=৪০ হয়ে গেল,এবার ২ হাতের আঙ্গুল ১০ টায় তাসবিহ পড়ুন তাহলে ৫০ হয়ে গেল। মানে ৫০ বার=১ সেট ভেবে নিন তাহলে এভাবে ২০ সেট তাসবিহ পড়লেই আপনার ১০০০ হয়ে গেল, যেন কম না হয় এই সতর্কতায় আরো কিছু বেশি পড়লেন। যদি একাগ্রতার সাথে পড়েন তবে ২/৩ মিন এ ১০০ সব চেয়ে ছোট *দরুদ (সঃ)* বা সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার *আস্তাগফিরুল্লাহ* পরা সম্ভব।
🔹প্ল্যান ২ঃ আপনি রান্নাবান্না বা এমন কাজে ব্যাস্ত থাকেন যে আপনি হাতের আঙ্গুলেত কর গুনে পড়তে পারছেন না। সমস্যা নেই, আপনি ঘড়ির টাইম দেখে নিন, এবার সুন্দর ও ধীরস্থির ভাবে শুদ্ধ করে ১০০ বার দরুদ বা ইস্তেগফার পড়তে কয়মিনিট সময় লাগলো সেটা দেখে নিন। ব্যাস হয়ে গেল, এবার আপনি আপনার কাজ করতে থাকুন আর ঘড়ির টাইম দেখে নিন ১০০০+ হতে আপনার বর্তমান টাইম থেকে কত টাইম পর্যন্ত পড়তে হবে,সতর্কতার জন্য তার থেকে ৩/৪ মিন বেশি পড়ুন হয়ে গেল।
🔹প্ল্যান ৩ঃ পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের আগে টার্গেট রাখবেন মিনিমাম ১০০ করে দরুদ ও ইস্তেগফার পরে নিবেন,ও সলাতের পরে ১০০ করে পড়বেন। কোন কারনে সলাতের আগে ১০০ করে পড়া সম্ভব না হলে যা বাঁকি থাকবে সলাতের পর সেটা পূরন করে তবেই নামাজের যাইগা থেকে সরবেন। প্রবল ইচ্ছাই একমাত্র আপনাকে সাক্সেস করতে পারে।
🔹প্ল্যান ৪ঃ ফজর ও মাগরীবের নামাজ পর ১৫ মিন করে এক্সট্রা সময় নিন নিজের জন্য। ফজর নামাজ শেষে ১৫ মিন সময় নিয়ে দরুদ শেষ করুন, মাগরীবের পর ১৫ মিন সময় নিয়ে ইস্তেগফার শেষ করুন।*
🔹প্ল্যান ৫ঃ নিজে আমল করুন,সেই সাথে কমপক্ষে ৫/৭ জন মানুষ কে এই আমলে আগ্রহী করুন। আপনার আহবানে যদি তাদের কেও এই আমল করে আপনিও পাবেন তাদের আমলের সমষ্টির সমান,কিন্ত তাদের আমলের কোন কমতি করা হবেনা। অর্থাৎ আপনি সারাদিনে যদি ১০০০+ দরুদ পড়েন, আরো ৩ জন ও ১০০০+ করে পরে তবে আপনি তাদের সওয়াব ৩০০০+ পাবেন ফ্রী তে,আর আপনার নিজের টা তো আছেই। সুন্দর না বেপার টা...!!
[সুরা আন-নিসাঃ৮৫, সহীহ মুসলিম ৬৬৯৭ ও আবু দাউদ ৪৬০৯।]
: সংগৃহীত
15/04/2026
তারেক রহমান আজ এক জনসভায় বলছেন, ১৯৭৯ সালে মাওলানা ভাসানী জিয়াউর রহমানের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়েছিলেন। অথচ মাওলানা ভাসানী মারাই গেছেন ১৯৭৬ সালে :)
আজ বুঝলাম প্রধানমন্ত্রী কেনো সংসদে কথা না বলে মুখ বন্ধ করে রাখেন :)
15/04/2026
বাবাকে সাধারণত ‘বটবৃক্ষ’ বলা হয়, কিন্তু এই ছেলে বড় হয়ে বলবে ‘বা%লের বৃক্ষ’। 😐
15/04/2026
আপনার কোনো 'অবিবাহিত' বান্ধুবী আছে? থাকলে তার জন্য এই ছেলেটাকে কে 'জামাই' হিসাবে চয়েস করতে পারেন! তার বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে দিচ্ছি!
সেই শুধু আপনার বান্ধুবী কেই 'বিনোদন' দিবে না, সাথে আপনাদের কেও দিবে! বিনোদন এর অভাব পড়বে না আগেই বলে দিচ্ছি!
তাই দেরি না করে আপনার বান্ধুবী কে মেনশন দেন! :3
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
9100
