Home Beauty parlour
It's big opportunity for you, save your time
কারো কাছে ৩০০০ অথবা ৩৫০০ এর মধ্যে সেলাই মেশিন পাওয়া যাবে ?
বিক্রি করলে ইনবক্স প্লিজ
11/10/2021
আমরা গাদা ফুল কে সাধারণত সৌন্দর্য্যের প্রতীক হিসেবে জানি। কিন্তু এটি রূপ চর্চায় খুব কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে। গাদা ফুল এ রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন। আর এগুলো ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
🗯️গাঁদা ফুলের পেস্ট দুই চামচ
🗯️টক দই দুই চা চামচ
🗯️ লেবুর রস ৫ ফোঁটা
প্রস্তুত প্রণালীঃ
প্রথমে একটি পাত্রে গাদা ফুল এর পেস্ট নিতে হবে। এরপর এতে লেবুর রস দিয়ে দিতে হবে। এবার এই উপাদান দুটিকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ব্যবহারের নিয়মাবলিঃ
প্রথমে মিশ্রণটি তৈরী করে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর এই প্যাকটি আপনার সারা মুখে লাগিয়ে নিন। এবার ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
গাদা ফুল দিয়ে তৈরি এই প্যাকটি সপ্তাহে নিয়মিত তিন দিন ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার ত্বকে হয়ে উঠবে আরো সুন্দর ও কোমল।
30/09/2021
🧅🧅পেঁয়াজ তেলের উপকারিতা ও বানানোর উপায়
🧅🧅যেকোনও ঋতুতেই চুল পড়া কিন্তু একটা বড় সমস্যা।প্রতিদিন প্রায় গোছা গোছা চুল ঝড়ে যেতে দেখে অনেকেই মনে করেন এবার হয় তো, মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার হাত থেকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।তবে শুধু চুল পড়াই নয়, চুলে খুশকির সমস্যা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালে চুল পেকে যাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা খুবই পরিচিত।
🧅🧅এর জন্য অবশ্য অনেক কারণই দায়ি যেমন খারাপ আবহাওয়া, আয়রন-যুক্ত জল, তৈলাক্ত স্ক্যাল্প ইত্যাদি নান কারণে অকালে চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়।আর এই সব সমস্যার সমাধান কিন্তু রয়েছে পেঁয়াজের তেলে।
পেঁয়াজের তেল চুল পড়া রুখতে এবং নতুন চুল গজাতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।
🧅🧅চুল পড়া রুখতে কেন কার্যকরী পেঁয়াজ তেল
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধিকে তরান্বিত করতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে সালফার, যা চুলকে মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়া এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি চুলের ফলিকলের মাত্রা মান উন্নত করে।
এই তেল মাথার স্ক্যাল্পে পিএইচ-এর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেল যদি নিয়মিত মাথার সামনের অংশে লাগানো যায় তাহলে সেখানে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
শুধু তাই নয়, পেঁয়াজের তেল চুলের আগা ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
পেঁয়াজের তেল খুবই প্রাকৃতিক। আর এর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তাই যেকেউ এই তেল ব্যবহার করতে পারে।
🧅বাড়িতে কীভাবে পেঁয়াজ তেল বানাবেন
উপকরণ
মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ
নারকেল তেল (এক কাপ)
কালো জিরে
কারি পাতা গুড়া
🧅প্রণালী
প্রথমে মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ মিহি করে বেটে নিন বা কুচিও করে নিতে পারেন, তবে বেটে নিলে এর নির্যাসের বেশির ভাগটাই বেরিয়ে আসবে, এতে করে তেল তৈরি করতে সুবিধা হবে।
এরপর একটি পাত্রে এক কাপ মতো নারকেল তেল ফুটতে দিন। গ্যাসের আঁচ একদম কম রাখবেন।
তেল খানিকটা গরম হয়ে উঠলে এবার তাতে পেঁয়াজ বাটা বা পেঁয়াজের কুচিগুলি দিয়ে দিন।
এরপর তাতে সামান্য পরিমাণ কালো জিরে এবং কারি পাতা গুড়া মিশিয়ে দিন। কারি পাতা এই পেঁয়াজ তেলের একটা আলাদা ফ্লেভার যোগ করে। যা এতে একদিকে যেমন একটা আলাদা সুগন্ধ যোগ করে তেমনই কারি পাতা গুড়া এবং কালো জিরে দুইই কিন্তু চুলের পক্ষে খুবই ভালো।
এবার গোটা মিশ্রণটি আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত অল্প আঁচে ফুটতে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত পেঁয়াজ বাদামী রঙ হচ্ছে ফোটাতে থাকুন।
এরপর পেঁয়াজে বাদামী রঙ ধরলে মিশ্রণটি নামিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দিন প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত।
এরপর একটি ছাকনি দিয়ে কালো জিরে, কারি পাতা গুড়া এবং পেঁয়াজের অতিরিক্ত ছিবড়ে ছেঁকে ফেলে দিন।
এবার ঠান্ডা মিশ্রণটি একটি বোতলে ঢেলে নিন। খুব ভালো হয় যদি মিশ্রণটি একটি ফ্লিপটপ বোতলে রাখেন, তাহলে তেল ব্যবহার করতে সুবিধা হবে। আরও ভালো যদি এই তেল কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করা যায়।
🧅ব্যবহারবিধি
এরপর সাধারণ তেলের মতোই হাতের তালুতে খানকটা পেঁয়াজের তেল নিয়ে আঙুলের ডগায় করে আলতো ভাবে সারা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন।
এইভাবে স্ক্যাল্পে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভালো করে মাসাজ করুন।
তারপর সারা চুলে এই তেল লাগিয়ে নিন।
এরপর ২ থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত তেলটি আপনার মাথায় বসতে দিন।
কয়েক ঘণ্টা পরে কেমিকেল বিহিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।
ভালো ফল পেতে এই তেল সপ্তাহে তিন দিন করে ব্যবহার করুন।
যে পরিমাণ উপকরণে তেলটি তৈরি করা হয়েছে, তাতে এই তেল এক থেকে দেড় সপ্তাহ চলবে।
সাধারণ তাপমাত্রাতেই এই তেল সংরক্ষণ করতে পারেন।
তবে দেড় থেকে দুই সপ্তাহের বেশি এই তেল সংরক্ষণ না করাই ভালো।🧅🧅পেঁয়াজ তেলের উপকারিতা ও বানানোর উপায়
🧅🧅যেকোনও ঋতুতেই চুল পড়া কিন্তু একটা বড় সমস্যা।প্রতিদিন প্রায় গোছা গোছা চুল ঝড়ে যেতে দেখে অনেকেই মনে করেন এবার হয় তো, মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার হাত থেকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।তবে শুধু চুল পড়াই নয়, চুলে খুশকির সমস্যা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালে চুল পেকে যাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা খুবই পরিচিত।
🧅🧅এর জন্য অবশ্য অনেক কারণই দায়ি যেমন খারাপ আবহাওয়া, আয়রন-যুক্ত জল, তৈলাক্ত স্ক্যাল্প ইত্যাদি নান কারণে অকালে চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়।আর এই সব সমস্যার সমাধান কিন্তু রয়েছে পেঁয়াজের তেলে।
পেঁয়াজের তেল চুল পড়া রুখতে এবং নতুন চুল গজাতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।
🧅🧅চুল পড়া রুখতে কেন কার্যকরী পেঁয়াজ তেল
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধিকে তরান্বিত করতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে সালফার, যা চুলকে মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়া এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি চুলের ফলিকলের মাত্রা মান উন্নত করে।
এই তেল মাথার স্ক্যাল্পে পিএইচ-এর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেল যদি নিয়মিত মাথার সামনের অংশে লাগানো যায় তাহলে সেখানে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
শুধু তাই নয়, পেঁয়াজের তেল চুলের আগা ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
পেঁয়াজের তেল খুবই প্রাকৃতিক। আর এর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তাই যেকেউ এই তেল ব্যবহার করতে পারে।
🧅বাড়িতে কীভাবে পেঁয়াজ তেল বানাবেন
উপকরণ
মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ
নারকেল তেল (এক কাপ)
কালো জিরে
কারি পাতা গুড়া
🧅প্রণালী
প্রথমে মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ মিহি করে বেটে নিন বা কুচিও করে নিতে পারেন, তবে বেটে নিলে এর নির্যাসের বেশির ভাগটাই বেরিয়ে আসবে, এতে করে তেল তৈরি করতে সুবিধা হবে।
এরপর একটি পাত্রে এক কাপ মতো নারকেল তেল ফুটতে দিন। গ্যাসের আঁচ একদম কম রাখবেন।
তেল খানিকটা গরম হয়ে উঠলে এবার তাতে পেঁয়াজ বাটা বা পেঁয়াজের কুচিগুলি দিয়ে দিন।
এরপর তাতে সামান্য পরিমাণ কালো জিরে এবং কারি পাতা গুড়া মিশিয়ে দিন। কারি পাতা এই পেঁয়াজ তেলের একটা আলাদা ফ্লেভার যোগ করে। যা এতে একদিকে যেমন একটা আলাদা সুগন্ধ যোগ করে তেমনই কারি পাতা গুড়া এবং কালো জিরে দুইই কিন্তু চুলের পক্ষে খুবই ভালো।
এবার গোটা মিশ্রণটি আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত অল্প আঁচে ফুটতে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত পেঁয়াজ বাদামী রঙ হচ্ছে ফোটাতে থাকুন।
এরপর পেঁয়াজে বাদামী রঙ ধরলে মিশ্রণটি নামিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দিন প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত।
এরপর একটি ছাকনি দিয়ে কালো জিরে, কারি পাতা গুড়া এবং পেঁয়াজের অতিরিক্ত ছিবড়ে ছেঁকে ফেলে দিন।
এবার ঠান্ডা মিশ্রণটি একটি বোতলে ঢেলে নিন। খুব ভালো হয় যদি মিশ্রণটি একটি ফ্লিপটপ বোতলে রাখেন, তাহলে তেল ব্যবহার করতে সুবিধা হবে। আরও ভালো যদি এই তেল কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করা যায়।
🧅ব্যবহারবিধি
এরপর সাধারণ তেলের মতোই হাতের তালুতে খানকটা পেঁয়াজের তেল নিয়ে আঙুলের ডগায় করে আলতো ভাবে সারা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন।
এইভাবে স্ক্যাল্পে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভালো করে মাসাজ করুন।
তারপর সারা চুলে এই তেল লাগিয়ে নিন।
এরপর ২ থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত তেলটি আপনার মাথায় বসতে দিন।
কয়েক ঘণ্টা পরে কেমিকেল বিহিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।
ভালো ফল পেতে এই তেল সপ্তাহে তিন দিন করে ব্যবহার করুন।
যে পরিমাণ উপকরণে তেলটি তৈরি করা হয়েছে, তাতে এই তেল এক থেকে দেড় সপ্তাহ চলবে।
সাধারণ তাপমাত্রাতেই এই তেল সংরক্ষণ করতে পারেন।
তবে দেড় থেকে দুই সপ্তাহের বেশি এই তেল সংরক্ষণ না করাই ভালো।
🧅🧅পেঁয়াজ তেলের উপকারিতা ও বানানোর উপায়
🧅🧅যেকোনও ঋতুতেই চুল পড়া কিন্তু একটা বড় সমস্যা।প্রতিদিন প্রায় গোছা গোছা চুল ঝড়ে যেতে দেখে অনেকেই মনে করেন এবার হয় তো, মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার হাত থেকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।তবে শুধু চুল পড়াই নয়, চুলে খুশকির সমস্যা, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, অকালে চুল পেকে যাওয়া ইত্যাদি নানা সমস্যা খুবই পরিচিত।
🧅🧅এর জন্য অবশ্য অনেক কারণই দায়ি যেমন খারাপ আবহাওয়া, আয়রন-যুক্ত জল, তৈলাক্ত স্ক্যাল্প ইত্যাদি নান কারণে অকালে চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়।আর এই সব সমস্যার সমাধান কিন্তু রয়েছে পেঁয়াজের তেলে।
পেঁয়াজের তেল চুল পড়া রুখতে এবং নতুন চুল গজাতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।
🧅🧅চুল পড়া রুখতে কেন কার্যকরী পেঁয়াজ তেল
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধিকে তরান্বিত করতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে সালফার, যা চুলকে মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়া এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি চুলের ফলিকলের মাত্রা মান উন্নত করে।
এই তেল মাথার স্ক্যাল্পে পিএইচ-এর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের তেল যদি নিয়মিত মাথার সামনের অংশে লাগানো যায় তাহলে সেখানে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
শুধু তাই নয়, পেঁয়াজের তেল চুলের আগা ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
পেঁয়াজের তেল খুবই প্রাকৃতিক। আর এর কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তাই যেকেউ এই তেল ব্যবহার করতে পারে।
🧅বাড়িতে কীভাবে পেঁয়াজ তেল বানাবেন
উপকরণ
মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ
নারকেল তেল (এক কাপ)
কালো জিরে
কারি পাতা গুড়া
🧅প্রণালী
প্রথমে মাঝারি মাপের তিনটি পেঁয়াজ মিহি করে বেটে নিন বা কুচিও করে নিতে পারেন, তবে বেটে নিলে এর নির্যাসের বেশির ভাগটাই বেরিয়ে আসবে, এতে করে তেল তৈরি করতে সুবিধা হবে।
এরপর একটি পাত্রে এক কাপ মতো নারকেল তেল ফুটতে দিন। গ্যাসের আঁচ একদম কম রাখবেন।
তেল খানিকটা গরম হয়ে উঠলে এবার তাতে পেঁয়াজ বাটা বা পেঁয়াজের কুচিগুলি দিয়ে দিন।
এরপর তাতে সামান্য পরিমাণ কালো জিরে এবং কারি পাতা গুড়া মিশিয়ে দিন। কারি পাতা এই পেঁয়াজ তেলের একটা আলাদা ফ্লেভার যোগ করে। যা এতে একদিকে যেমন একটা আলাদা সুগন্ধ যোগ করে তেমনই কারি পাতা গুড়া এবং কালো জিরে দুইই কিন্তু চুলের পক্ষে খুবই ভালো।
এবার গোটা মিশ্রণটি আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত অল্প আঁচে ফুটতে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত পেঁয়াজ বাদামী রঙ হচ্ছে ফোটাতে থাকুন।
এরপর পেঁয়াজে বাদামী রঙ ধরলে মিশ্রণটি নামিয়ে ঢাকা দিয়ে রেখে দিন প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত।
এরপর একটি ছাকনি দিয়ে কালো জিরে, কারি পাতা গুড়া এবং পেঁয়াজের অতিরিক্ত ছিবড়ে ছেঁকে ফেলে দিন।
এবার ঠান্ডা মিশ্রণটি একটি বোতলে ঢেলে নিন। খুব ভালো হয় যদি মিশ্রণটি একটি ফ্লিপটপ বোতলে রাখেন, তাহলে তেল ব্যবহার করতে সুবিধা হবে। আরও ভালো যদি এই তেল কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করা যায়।
🧅ব্যবহারবিধি
এরপর সাধারণ তেলের মতোই হাতের তালুতে খানকটা পেঁয়াজের তেল নিয়ে আঙুলের ডগায় করে আলতো ভাবে সারা স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন।
এইভাবে স্ক্যাল্পে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভালো করে মাসাজ করুন।
তারপর সারা চুলে এই তেল লাগিয়ে নিন।
এরপর ২ থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত তেলটি আপনার মাথায় বসতে দিন।
কয়েক ঘণ্টা পরে কেমিকেল বিহিন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।
ভালো ফল পেতে এই তেল সপ্তাহে তিন দিন করে ব্যবহার করুন।
যে পরিমাণ উপকরণে তেলটি তৈরি করা হয়েছে, তাতে এই তেল এক থেকে দেড় সপ্তাহ চলবে।
সাধারণ তাপমাত্রাতেই এই তেল সংরক্ষণ করতে পারেন।
তবে দেড় থেকে দুই সপ্তাহের বেশি এই তেল সংরক্ষণ না করাই ভালো।
28/09/2021
Jaclin shedo 500৳
26/09/2021
এটাকে প্রো-ফাইবার কেনো বলে?🤔🤔🤔
এর কার্যকারিতা সম্পুর্ন প্রফেশনাল। দামেও কম। হয়তোবা তাই এর ডিমান্ড এতো।
আপুরা এটা খুব দরকারি আমাদের চুলের জন্য😊😊
বেস্ট একটা হেয়ার মাস্ক।জাস্ট
একবার ব্যবহার করে আমি নিজেই এটার প্রেমে পরে গেলাম ।
এটি যে চুলকে কতোটা সফট,সিল্কি এবং শাইনিং করে তা নিজে একবার ব্যবহার না করলে বুঝতেই পারবেন না। যাদের চুল ড্যামেজ হয়ে গেছে এই হেয়ার মাস্কটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন এইটি চুলের ড্যামেজ রিপেয়ার করে।😍😍
😍😍(Hair mask)
🌸PRO FIBER Professional Hair Mask🌸
Weight : 120 ml
👉যাদের চুল উষ্ক খুষ্ক ও জট পাকায় বা রিবন্ডিং এর কারণে চুলের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে বা হেয়ার কালার করে চুল অনেক ড্রাই হয়ে গেছে,তাদের জন্য আমিতো বলবো বেস্ট।রিবন্ডিং করা চুলের এক্সট্রা কেয়ার করে।চুলের শুস্কতা দূর করে।চুল কে সিল্কি করে।চুল শাইনিং করে।
কার্যকারিতা:
👉এটা অ্যাপ্লাই করার পর সহজেই চুলে আর জট পড়বে না,
👉চুল থাকবে সোজা ও ঘন ঘন চুলের আগাও ফাটবে না
👉চুলের ড্যামেজ রিপেয়ার করে
👉রিবন্ডিং করা চুলের এক্সট্রা কেয়ার করে
👉চুলের শুস্কতা দূর করে
👉চুল কে সিল্কি করে
👉চুল শাইনিং করে
💆ব্যবহার বিধিঃ-
➡️শ্যাম্পু করার পর চুল ভাগ ভাগ করে মাস্ক ভালভাবে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।এর পর হালকা ম্যাসেজ করে ধুয়ে ফেলুন।
➡️স্ক্যাল্পে লাগাবেন না শুধু চুলে লাগাতে হবে। পিঠ পর্যন্ত চুলের জন্য ২ চামচ হেয়ার মাস্ক যথেষ্ট। হাল্কা ভেজা চুলে লাগাবেন।
➡️সপ্তাহে একবার অন্তত ব্যবহার করা উচিত। খুব বেশি ড্যামেজ হলে সপ্তাহে দুই বার ব্যবহার করা উচিত।😍😍
19/09/2021
🥒ত্বকের যত্নে শসার ফেস প্যাক🥒
🥒🥒শসা হলো এমন একটি সবজি, যা খাবার থেকে রূপচর্চা সবকিছুতেই কাজে লাগে। শসার মতো গুণসমৃদ্ধ সবজি বা ফল প্রকৃতিতে কমই রয়েছে। শসায় ভিটামিন সি, এ এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এমনকি শসার খোসাও ফেলনা নয়, এতে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার। শসা দিয়ে কিভাবে ফেস প্যাক বানানো যায় আসুন তা জেনে নেই
🥒শসা এবং অ্যালোভেরার ফেস প্যাক
একচামচ অ্যালোভেরা জেল বা অ্য্যালোভেরা জুসের সঙ্গে একটু গ্রেটেড শসা ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর সেটি মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর হালকা গরম পানিতে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
🥒শসা ও বেসনের ফেস প্যাক
একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন এবং দুই থেকে তিন চামচ শসার রস ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর সেটি ভালো করে মুখে মেখে নিন। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি দেবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে।
🥒শসা ও টমেটোর ফেস প্যাক
শসার মতো টমেটোও ত্বকের জন্য বেশ উপকারি। শসার খোসা ছাড়িয়ে শসা ও টমেটোর পেস্ট বানান। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন এক থেকে দু মিনিট। এই পেস্ট ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এটি স্কিনকে আরও উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্যে করবে।
🥒শসা ও আলুর ফেস প্যাক
প্রথমে শসা ও আলুর রস বের করতে হবে। এরপর এক চামচ শসার রস ও এক চামচ আলুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। তুলা ভিজিয়ে এই মিশ্রণ মুখে লাগাতে হবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে ঠান্ডা পানি দিয়ে। এটি ট্যান রিমুভ করতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া চোখের নিচের কালি দূর করতেও বেশ উপকারি।
রসুন
রসুন চুল পড়া প্রতিরোধ করে, সেইসঙ্গে মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। রসুন নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়। রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
১. রসুনের প্যাক
একটি ডিমের সাদা অংশ ভাল করে ফেটে নিন। এরসঙ্গে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং এক টেবিল চামচ রসুনের রস মেশান। এবার প্যাকটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগান। রসুনের সেলিনিয়াম ভিটামিন ই এবং ডিমের প্রোটিনের সঙ্গে মিশে চুলের পড়া রোধ করে করে। এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
২. রসুন এবং তেল
তেল এবং রসুন উভয়ই সাহায্য করে নতুন চুল গজাতে। এমনকি মাথার তালুর ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়াও দূর করে দেয় রসুনের তেল। এক টেবিল চামচ রসুনের রসের সঙ্গে আধা কাপ নারকেল তেল মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন। কুসুম গরম হয়ে আসলে এটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করে লাগান। এক ঘণ্টা বা তারচেয়ে বেশি সময় এটি চুলে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৩. রসুন এবং অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েলের বোতলে এক টুকরো রসুন দিয়ে দিন। এভাবে এক সপ্তাহ রাখুন। এরপর প্রতিদিন রাতে এই তেল চুলে ব্যবহার করুন। পরের দিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিন। এটি ব্যবহারে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পাবেন।।
2 Comments
Tanzila Shanta
11/09/2021
চুল ভালো রাখতে করেনিন ঘরেই নেচারেল হেয়ার স্পা।
শরীরের সাথে সাথে চুলের সুসাস্থের দিকটাও নজর রাখা খুবই জরুরি তাইনা। অত্যাধিক চুল ঝরা ,রুক্ষ চুল ,বিভিন্ন ধরণের স্কাল্প ইনফেকশন ঠেকাতে সময় মতো ব্যবস্থা না নিতে পারলে মাথাভরা চুল ঝরে গিয়া অল্পদিনের মধ্যেই গড়ের মাঠ হয়েযেতেপারে। চুল রুক্ষ হোক বা তৈলাক্ত ,স্পা সব ক্ষেত্রেই চুলের সুসাস্থের জন্য জরুরি। বিশেষত ,এই গরমে সূর্যের টেপে চুল যেভাবে রুক্ষ হয়েযায় তাতে স্পা করলে অনেকটাই উপকার পাওয়াযাবে।
চুল ভালো রাখতে নেচারেল হেয়ার স্পা
আসুন জেনে নেওয়াযাক কি ভাবে সঠিক নিয়মে ঘরেই হেয়ার স্পা (Hair Spa) করাযাবে :-
১. ম্যাসাজের জন্য । Hair Spa Massage:-
প্রথমে স্কাল্প এ [মাথার তালুতে বা ত্বকে ]ভালোকরে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করেনিন ১০মিনিট[ঘড়ির কাঁটার দিকে ৫মিনিট আবার ঘড়ির কাঁটার উল্টোদিকে ৫মিনিট ]. তারপর একটা নরম তোয়ালে ঈষৎ উষ্ণ জলে ভিজিয়ে অতিরিক্ত জল নিংড়ে নিয়া তোয়ালেটা চুলে অন্তত ১০মিনিট জড়িয়ে রাখুন। এর ফলে চুলের গোড়ায় উষ্ণ সেঁক দেওয়া হবে।
২. মাস্ক এর জন্য । Hair Spa for Masks :-
এরপর একটা ডিম ,২টেবিল চামচ অলিভওয়েল। ২টেবিল চামচ মধু এবং ছোট ৩-৪টুকরো কোলা দিয়া পেস্ট বানিয়ানিন। ওই পেস্ট ভালোকরে প্রথমে চুলের গোড়া তার পর চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। তারপর চুলে প্যাকটি শুকানোর জন্য ২০-২৫মিনিট অপেক্ষা করুন। চুল বাঁধ বেন না ,চুল খোলা রেখে শুকাতে দিন। তারপর ২০-২৫মিনিট হয়েগেলে ভালোভাবে জলদিয়া চুল ধুয়েনিন। শ্যাম্পু ব্যাবহার এর দরকার নেই।
৩. কন্ডিসনিং এর জন্য । Hair Spa for Conditioning:-
সবশেষে চুলকে আরো ময়শ্চারাইযার করার জন্য ভিজে চুলেই লাগিয়ানিন এই প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। ১-২চামচ এলোভেরার রস এবং ১চামচ লেবুর রস, একসাথে মিশিয়ে কন্ডিশনার বানিয়ানিন। এবার এটি ভিজে চুলে ৫-৭মিনিট লাগিয়া রাখুন। তারপর ঠান্ডা জলদিয়া ভালোকরে পুরো চুল ধুয়েনিন।
***সপ্তাহে অন্তত ১বার মাত্র ৪০-৪৫মিনিট সময় দিতে পারলেই হয়ে যাবে হেয়ার স্পা (Hair Spa)। আর স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ,ঘন ,ফুরফুরে চুল নজর করবেন অনেকেরই। বাস হয়ে যাবে কেল্লা ফতে।
Loreal হেয়ার স্পা
Visit
৳590.00 BDT*
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Maijdee Court
