Madina First LPG Gas
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Madina First LPG Gas, ভোলা চরফ্যাশন থানা রোড, Mirpur.
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আপনাদের সবার প্রিয় মদিনা ফার্স্ট এলপিজি গ্যাস। আপনারা এখানে আমাদের কাছে পাবেন সব ব্র্যান্ডের এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। আমরা হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো 01634400984
13/04/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আপনাদের সবার প্রিয় মদিনা ফার্স্ট এলপিজি গ্যাস। আপনারা এখানে আমাদের কাছে পাবেন সব ব্র্যান্ডের এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। এবং গ্যাসের চুলা রেগুলেটর ইত্যাদি। আমরা আপনার বাসায় হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনারা সবাই আমাদের পাশে থাকবেন ইনশাআল্লাহ। আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো 01634-400984
01/02/2025
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। একজন দক্ষ ড্রাইভার প্রয়োজন লোকেশন ঢাকা ডেমরা।
পাঁচ বছর উপরে যাদের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা আছে
কাইন্ডলি তারাই যোগাযোগ করবেন।
আপনাদের যাদের ড্রাইভিং জব প্রয়োজন।
সকলেই এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ লিংকে জয়েন করবেন। ইনশাআল্লাহ এখানে অনেক ড্রাইভিং চাকরির নিউজ আছে
এটা হচ্ছে মূলত আমাদের একটা ড্রাইভার সংগঠন।
https://chat.whatsapp.com/G7z8UKKL1FO1VmMO6U16vb
সকলে ভাল থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।
নিরাপদে গাড়ি চালাবেন।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
27/08/2024
পোষা পাখির ঠান্ডা রোধে করণীয় বিষয়গুলো
শীত আসতে শুরু করেছে। এই সময় পোষা পাখিদের ঠান্ডার প্রকোপ বাড়ে। সুতরাং আগে থেকে কিছু প্রস্তুতি নিলে পাখিদের ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা বা রোগ থেকে রক্ষা করা সহজ হবে। তাই আসুন জেনে নিই শীত এলে পোষা পাখির ঠান্ডা রোধে কী করবেন-
ঠান্ডা রোধে করণীয়১. পাখির খাঁচা যে রুমে থাকে, তার তাপমাত্রা কোনোভাবেই ৬৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামতে দেওয়া যাবে না।
২. পাখির খাঁচা এমন জায়গায় রাখতে হবে, যাতে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস না লাগে। শৈত্য প্রবাহ চলাকালীন ঘরের জানালা-দরজা ঠিকভাবে বন্ধ রাখতে হবে।
৩. যারা বারান্দায় পাখি রাখেন, তাদের অবশ্যই বারান্দা পলিথিন বা তাবুর কাপড় বা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
আরও পড়ুন: প্রজাপতির রঙিন পাখায় ভর করে একদিন
৪. প্রতিদিন পাখির খাঁচা ২-৩ ঘণ্টা এমনভাবে রোদে রাখুন, যাতে খাঁচার একপাশে রোদ লাগে এবং অন্যপাশে ছায়া থাকে।
৫. ঠান্ডা বেশি হলে খাঁচার বাইরে একটি ৬০ ওয়াটের বাল্ব বা হারিকেন রাখুন। পাখিকে গরম রাখার জন্য কোনোভাবেই আগুন বা কয়লা ব্যবহার করবেন না। যা পাখির জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।
৬. কিছু রুম হিটার এবং এনিম্যাল হিটার আছে, যা ব্যবহার করা নিরাপদ। তবে অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে এবং পাখির খাঁচা থেকে দূরে স্থাপন করতে হবে।
৭. রাতের বেলা পাখির খাঁচা অবশ্যই মোটা কাপড় বা হালকা কম্বল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যাতে বাতাস চলাচলের জন্য কিছু জায়গা থাকে।
আরও পড়ুন: শামীমের ছাদ বাগানে ৮০ রকমের মরুর গোলাপ
৮. মধু, আদা, তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা এবং অপরিশোধিত অ্যাপল সিডার ভিনেগার পাখির ঠান্ডা প্রতিরোধ করে এবং পাখির ঠান্ডার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
৯. পাশাপাশি নিয়মিত টাটকা শাক-সবজি ও ফল-মূল পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তুলসির দ্রবণ প্রতি ২ সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করা যাবে।
১০. প্রাথমিক চিকিৎসায় তুলসি দ্রবণ, কাচা তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা একটানা ৫-৭ দিন দিতে হবে। এতে ঠান্ডা না কমে হাপানি বা লেজ ওঠানামা হলে বিআরএজিজি এসিভি মেশানো পানি একটানা ৭ দিন দেবেন।
১১. শীতকালে পাখির সিডমিক্সে তেল জাতীয় বীজ যেমন তিল বা গুজি তিল, সূর্যমুখীর বীজ, ক্যানারির পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। সিডমিক্সে কিছু সরিষা দানা যোগ করুন।
27/08/2024
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এখন থেকে আপনাদের যাদের যে কোনো পাখি ও কবুতরের লেগ রিং প্রয়োজন। তারা আমাদের কাছ থেকে আপনাদের নিজ এভিয়ারীর নাম মোবাইল নাম্বার ও সাল নাম্বার এবং রিংয়ের সিরিয়াল নাম্বার লিখে আপনাদেরকে প্রিন্ট করে দেওয়া হবে। আপনাদের যে কোনো পাখি ও কবুতরের লেগ রিং প্রিন্ট করে বানিয়ে নিতে পারবেন। আমাদের কাছ থেকে। আপনারা আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা আমাদের ফেইসবুক পেইজে মেসেজ করতে পারেন। আমাদের পেজ হলো Birds Demand
বিস্তারিত এই নাম্বারে ফোন করুন 01634400984
28/06/2024
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। এখন থেকে আপনাদের যাদের যে কোনো পাখি ও কবুতরের লেগ রিং প্রয়োজন। তারা আমাদের কাছ থেকে আপনাদের নিজ এভিয়ারীর নাম মোবাইল নাম্বার ও সাল নাম্বার এবং রিংয়ের সিরিয়াল নাম্বার লিখে আপনাদেরকে প্রিন্ট করে দেওয়া হবে। আপনাদের যে কোনো পাখি ও কবুতরের লেগ রিং প্রিন্ট করে বানিয়ে নিতে পারবেন। আমাদের কাছ থেকে। আপনারা আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা আমাদের ফেইসবুক পেইজে মেসেজ করতে পারেন। আমাদের পেজ হলো Birds Demand
এবারের ঈদ হোক কোকাকোলা বর্জনের ঈদ।
মুসলিম বিদ্বেষীদের পন্য বর্জনের ঈদ। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই কোকাকোলা কে বর্জন এবং বয়কট করি।
11/05/2024
ঢাকার বাতাসে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আর্সেনিক, সিসা ও ক্যাডমিয়ামের পরিমাণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মাত্রার প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণে রয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি এবং ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহারকারী শিল্প, কয়লাভিত্তিক ইটভাটা এবং যানবাহন এসব রাসায়নিক উপাদানের উচ্চ ঘনত্বের জন্য দায়ী। বিশ্বের ২৭টি স্থানের বাতাস নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়েছে।
এলিমেন্টাল ক্যারেক্টারাইজেশন অব অ্যাম্বিয়েন্ট পার্টিকুলেট ম্যাটার ফর এ গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউটেড মনিটরিং নেটওয়ার্ক: মেথডোলজি অ্যান্ড ইমপ্লিকেশনস’ নামে এই গবেষণাটি গত ১০ মার্চ এসিএস ইএস অ্যান্ড টি এয়ার জার্নালে প্রকাশিত হয়।
গবেষণায় শহরের বাতাসে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে এমন আরেকটি উপাদান কোবাল্টের উচ্চ মাত্রায় উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ঢাকা-ই একমাত্র স্থান যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের ক্যান্সার সৃষ্টির ঝুঁকি মানদণ্ড ছাড়িয়েছে।
সারফেস পার্টিকুলেট ম্যাটার নেটওয়ার্ক বিশ্বের একমাত্র সংস্থা যারা দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের বাতাসে সূক্ষ্ম কণার ঘনত্ব পরিমাপের মাধ্যমে কোন কোন এলাকার বাতাসে রাসায়নিক উপাদানের ঘনত্ব বেশি তা শনাক্ত করে।
গবেষকরা বাতাসে ধূলিকণা, রাসায়নিক উপাদানের বিস্তার ও মানুষের স্বাস্থ্যে এসবের প্রভাব মূল্যায়ন করতে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষা করেন।
গবেষকদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম। তিনি জানান, বাংলাদেশের পরিবেশে সীসার দূষণের কারণে বাতাসেও বিপজ্জনক মাত্রায় এর উপস্থিতি দেখা গেছে।
তিনি বলেন, ‘একসময় বাতাসে সীসার ঘনত্ব অনেক বেশি ছিল। তারপরে এটি অনেক হ্রাস পায়। আমরা সাধারণত প্রতি ঘনমিটার বাতাসে ৪০০ থেকে ৫০০ ন্যানোগ্রাম পেতাম। কিন্তু এখন আবার এক হাজারেরও বেশি ন্যানোগ্রাম পাওয়া যাচ্ছে।'
গবেষণায় ঢাকার বাতাসকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাওয়া যায়, এর পরেই রয়েছে ভারতের কানপুর, ভিয়েতনামের হ্যানয়, সিঙ্গাপুর, চীনের বেইজিং এবং তাইওয়ানের কাওসিউং।
10/05/2024
মাটি ছাড়াই বাড়িতে ১২ মাস চাষ করুন ধনেপাতা।
নানা রকমের সবজি, ফুল, ফল চাষের এক আদর্শ সময় এখন। এরই সাথে নানান রকমারি সব খাবার খাওয়া হয়ে থাকে এই সময়। নানান রকমের সবজি বাজারে সুবিধা হওয়ার ফলে।
নুনের মতো বেশ কিছু উপাদান আছে যেগুলোর উপস্থিতিতে খাবার হয়ে ওঠে আরও সুস্বাদু। নুনের অনুপস্থিতিতে বোঝা যায় তার গুণ এবং এই উপাদানগুলির উপস্থিতিতে বোঝা যায় এর গুণ। এই যেমন ধরুন
ধনেপাতা। যেকোনো সবজির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে দ্বিগুণ।কিন্তু দুঃখের বিষয় সারাবছর বাজারে পাওয়া যায়না এই ধনেপাতা। শুধুমাত্র শীতেই পাওয়া যায়। যদি সারাবছরই পাওয়া যেত তাহলে খুব ভালো হতো তাই না?
আর চিন্তা নেই এমন এক উপায় আজ আপনাকে বলে দেবো যার মাধ্যমে সারা বছর ধনে পাতা থাকবে আপনার বাড়িতে। এমনকি মাটিও লাগবে না এর চাষ করতে। অবাক হচ্ছেন কিভাবে সম্ভব।
রান্নাঘরেই ছোট একটি জায়গার মধ্যে হাইড্রোপনিক মেথডে এই ধনেপাতার চাষ করতে পারবেন। বাড়িতেই বারোমাস ধনেপাতা চাষের জন্য নিন একটি বড়ো ছাকনি এবং বড়ো পাত্র।
পাত্রটিতে এমন পরিমাণ জল দিন যাতে ছাকনি অবধি আসে জল আবার যেন ছাকনির উপরে জল উঠে না যায় তা খেয়াল রাখবেন। এরপর রাতে গোটা ধনে ভিজিয়ে পরের দিন সেগু;লি জল থেকে ছেকে নিয়ে জল
ভর্তি পত্রের উপরে রাখা ছাকনির মধ্যে বিছিয়ে দিন। রপর একটি সাদা কাপড় ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে নিকরে নিয়ে উপর থেকে ঢেকে দিন। এরপর পাত্রটিকে এমন জায়গায় রাখুন যেখানে সূর্যের প্রখর রোদ এসে পরে না কিন্তু সামান্য হলেও আলো এসে পৌঁছায়।
এইভাবে রেখে দিন আর কাপড়টা শুকিয়ে গেলে উপর থেকে জল স্প্রে করে দিন অথবা হাতে করে ছিটিয়ে দিন। ৫ দিন পর খুলে দেখতে পাবেন চারাগাছ বেরিয়ে আসছে। এরপর দুদিন পর দেখতে পাবেন চারাগাছ
আরো বেশ কিছুটা বড়ো হয়েছে। ইভাবেই ২৮ দিনে ধনেপাতা খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠবে। এইভাবে স্টেপ বাই স্টেপ মেনে ধনেপাতা চাষ করলে মাটি ছাড়ায় ১২মাস বাড়িতে চাষ করে ফেলতে পারবেন ধনেপাতা।
09/05/2024
বাজারে আসছে সাতক্ষীরার আম, ২৫০ কোটি টাকা বিক্রির আশা।
ভৌগোলিক কারণে দেশে প্রথম আম পাকে সাতক্ষীরায়। তাই মৌসুমের প্রথম আম পেতে অপেক্ষায় থাকেন আমপ্রেমীরা। চলতি বছর জেলা প্রশাসকের নির্দেশ অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে ৯ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে সাতক্ষীরার গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপঘাস, বৈশাখীসহ আরও কয়েকটি প্রজাতির আম দেশের বাজারে উঠবে। জেলায় এবার ২৫০ কোটি টাকার আম বিক্রির আশার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর সদর উপজেলায় এক হাজার ২৩৫ হেক্টর, কলারোয়ায় ৬৫৮ হেক্টর, তালায় ৭১৫ হেক্টর, দেবহাটায় ৩৮০ হেক্টর, কালিগঞ্জে ৮২৫ হেক্টর, আশাশুনিতে ১৪৫ হেক্টর ও শ্যামনগরের ১৬০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। সবমিলে ৪ হাজার ১১৮ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। জেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত ৫ হাজার ২৯৯টি আমবাগান ও ১৩ হাজার ১০০ চাষি রয়েছেন।
জেলায় এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর রপ্তানি হয় সাতক্ষীরা জেলার আম। সব মিলিয়ে এবার আম থেকে ২৫০ কোটি টাকার বেশি আয় হবে। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ৬৮ হাজার ৮১৯ মেট্রিক টন। বিক্রি থেকে আয় হয় ২৫৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
সাতক্ষীরা বড় বাজারের আড়তদার নুরুজ্জামান বলেন, সাতক্ষীরার আম বিশ্ববিখ্যাত, এ জেলার আম বিদেশে রপ্তানি হয়। তবে এবছর আবহাওয়ার কারণে অনেক আম ঝরে গেছে। এখন যা আছে তা খুবই কম। গতবারের তুলনায় এ বছর আমের দাম একটু বেশি যাবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের বাজার প্রস্তুত হয়ে গেছে আম বিক্রির জন্য। বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতারাও আসা শুরু করেছেন।
আমচাষি মিজানুর রহমান বলেন, আমার পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে। ৫০টি আম গাছ লাগানো। এবার ২৫টি গাছে কিছু আম হয়েছে। বাকিগুলোতে তেমন আম হয়নি। তাপমাত্রার কারণে অর্ধেক গাছে আম হয়েছে, অর্ধেক গাছে হয়নি। এবার আমাদের মনে হয় পুঁজি থাকবে না।
উপজেলা কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, আবহাওয়া এবং পরিবেশগত কারণে অন্য জেলার চেয়ে সাতক্ষীরায় আম আগে পরিপক্ব হয়। এজন্য দেশের বাজারে সবার আগে এখানকার আম বিক্রি শুরু হয়। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবসায়ীরা আসা শুরু করেছেন। যারা আম ব্যবসায়ী ও চাষি রয়েছেন তাদেরকে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি সাতক্ষীরার আমের যে সুনাম রয়েছে সেই সুনাম ধরে রাখবেন। কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত আম যাতে বাজারজাত না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি বাংলাদেশসহ বিদেশি মানুষের সাতক্ষীরার ভালো আম খাওয়াতে পারব।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, সাতক্ষীরার হিমসাগর, গোবিন্দভোগ, ল্যাংড়া ও আম্রাপালি আম স্বাদে-গুণেমানে অনন্য। এই বিশেষত্ব কাজে লাগিয়ে ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো সাতক্ষীরার আম বিদেশে রপ্তানি শুরু হয়।
জানা যায়, সাতক্ষীরা থেকে ২০১৫ সালে ২১ টন, ২০১৬ সালে ২৩ টন, ২০১৭ সালে ৩২ টন, ২০১৮ সালে ১৯ দশমিক ৫ টন, ২০১৯ সালে ১ টন, ২০২১ সালে ১১ দশমিক ৩৬ টন, ২০২২ সালে ২১ টন ও ২০২৩ সালে ১৫৩ টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়। এসব আমের অধিকাংশই রপ্তানি হয়েছে ইতালি, ফ্রান্স, হংকং, যুক্তরাজ্য ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলার উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলার ৪ হাজার ১১৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিক টন। দেশীয় চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।
সাইফুল ইসলাম আরও জানান, যদিও প্রতিকূল আবহাওয়া ছিল। ন্যাচারাল সিলেকশন বলে একটি কথা রয়েছে, এ কারণে আম কম হলেও আমের সাইজ বড় হয়েছে। আশা করছি আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। স্থানীয় জাত গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপঘাস, বৈশাখীসহ আরও কয়েকটি প্রজাতির আম দিয়ে ৯ তারিখ থেকে আমাদের জেলায় আম সংগ্রহ শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ১১ মে গোবিন্দভোগ, ২২ মে হিমসাগর, ২৯ মে ল্যাংড়া ও ১০ জুন আম্রাপালি আম সংগ্রহ হবে। এই আমের যদি পরিপক্বতার নির্দেশক অনুযায়ী কৃষকরা আম সংগ্রহ করে তাহলে তারা যেমন লাভবান হবে, আমরাও তেমনি পরিপুষ্ট ও ভালো আম খেয়ে পরিতৃপ্ত হব। সাতক্ষীরায় আমের ক্যালেন্ডার ঘোষিত হয়েছে। আগামীতে যারা আম বিদেশে নেওয়ার জন্য আগ্রহী এমন ক্রেতা আমাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলে জানাতে পারব। আশা করছি বিদেশে কিছু হলেও আম রপ্তানি হবে।
09/05/2024
জেনে নিন বাংলাদেশের কোথায় কখন ভ্রমণ করার উপযুক্ত সময়।
দেশের কোথায় কখন ভ্রমণ করলে ভ্রমণ আনন্দদায়ক হবে বিশ্ব মানচিত্রে ছোট একটি দেশ হলেও বাংলাদেশে রয়েছে বেড়ানোর জায়গা প্রচুর। আমাদের দেশে সারা বছরই কম বেশি বেড়ানো যায়। আসুন জেনে নেই,কখন কোন স্থানে ভ্রমণে গেলে আপনার ভ্রমণটা অনেক বেশি আনন্দদায়ক হবে।
ভ্রমণ করার সময়
❖ চাঁদপুর – ইলিশের শহর চাঁদপুরে ঘুরতে যেতে পারেন জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে কারণ তখন নদীতে ইলিশ ধরা দেখতে পারবেন এবং টাটকা ইলিশ ভাজা খেতে পারবেন। তবে বছরের যে কোন সময় চাঁদপুর ঘুরতে যেতে পারেন।
❖ সাজেক – জুলাই থেকে নভেম্বর । কারণ মেঘের খেলা এই সময়ই ভালো দেখা যায় ।
❖ সুন্দরবন – নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
❖ বান্দারবান – অনেকেই জুলাই আগস্ট এ যান , কিন্তু আমার হিসেবে আবহাওয়া এর কারনে নভেম্বর এ যাওয়া সবচেয়ে উত্তম। কারন তাপমাত্রা সহনীয় থাকে, আর ঝর্না গুলোতে তখনও পানির ভালোই স্রোত থাকে, সাথে আকাশে মেঘ পাবেন। কিন্তু সেটা একেবারে শীতকালে ডিসেম্বর-জানুয়ারি তে গেলে ফ্যাকাসে পাহাড় পাবেন । আবার বর্ষাকালে গেলে পাহাড় এ একটা সতেজ ভাব থাকে , কিন্তু ট্রেকিং করাটা কষ্টসাধ্য হয় ।
❖ রাঙ্গামাটি – কাপ্তাই লেক এ বর্ষাকালে গিয়ে ঘুরে এসে দেখুন, উদ্ভুত সুন্দর লাগবে
❖ সেন্টমার্টিন – নভেম্বর থেকে মার্চ
❖ টেকনাফ – কক্সবাজার – সবাই শীতকালে দৌড় মারেন, কিন্তু একবার বর্ষাকালে অর্থাৎ জুলাই-আগস্ট এ ঘুরে আসুন , দেখবেন অনেক ভালো লাগবে । আর আমার হিসেবে টেকনাফ বিচ বাংলাদেশ এর অন্যতম সুন্দর বিচ ।
❖ নিঝুম দ্বীপ – মনপুরা – নভেম্বর থেকে মার্চ
❖ উত্তর বঙ্গ – নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
❖ কুয়াকাটা – আগস্ট থেকে অক্টোবর
❖ সন্দ্বীপ – নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
❖ সিলেট – জুলাই থেকে আগস্ট ( বর্ষার সিলেট আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টি মনে হয় )
❖ সুনামগঞ্জ ও অন্য হাওর এলাকা – জুলাই থেকে আগস্ট এক রকম সুন্দর , ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি আরেক রকম সুন্দর ( অতিথি পাখিদের জন্যে )
❖ শ্রীমঙ্গল – জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি যেই সময় এ যাবেন না কেন ভালো লাগবে ।
❖ নেত্রকোনা ( বিরিশিরি )- আগস্ট থেকে নভেম্বর
❖ বরিশাল – পিরোজপুর – ঝালকাঠি – ব্যাক ওয়াটার ক্যানেল – জুলাই থেকে আগস্ট
❖ এছাড়া বাংলাদেশ এর পশ্চিমাঞ্চল
অর্থাৎ-ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নড়াইল, যশোর, ঝিনাইদাহ, চুয়াডাঙ্গা এসব অঞ্চলে গেলে শরৎকালে অর্থাৎ আগস্ট থেকে শুরু করে শীতকাল পর্যন্ত যেতে পারেন । কিন্তু শরৎকাল উত্তম । আর ঢাকার আশে পাশে ভ্রমণ এর জন্য আমার কাছে শরৎকাল আর হেমন্তকাল উত্তম মনে হয় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Address
ভোলা চরফ্যাশন থানা রোড
Mirpur
8342
