Elite health world M2

Elite health world M2

Share

Your well-being is our success, We sell 100% safe and efficient products. Which is a lot more benefi Which is much more beneficial for people.

It will benefit you without any harm, it will benefit more than your price, it will not harm you inshaAllah. Your Mars is our success, we sell 100% safe and efficient products. We want you to stay well.

29/09/2021

✅ জী-বনের আসল সু""খ ফিরিয়ে আনুন সঠিক পন্থায়।
বি-বাহিত ও অবি-বাহিত সবার গো""পন স'মস্যার স্থা"য়ি সমাধান।

👉 হেল্পলাইনঃ 01612-391644

আমেরিকান ফ-র্মুলেইটেড অর-জিনাল "লাভফরএভার'

বিফলে মূল্য ফেরত 100%
সীমিত সময়ের জন্য বিশাল ডিসকাউন্ট অফার চলছে, তাই আর দেরি না করে দ্রুত অর্ডার করে ফেলুন।
জীবনকে আরো আনন্দময় করে তোলে (লাভফরএভার)। হারিয়ে যাওয়ার সুখ ফি'রিয়ে দিতে আমরা নিয়ে এসেছি পছন্দের পণ্য লাভফরএভার বাংলাদেশ সা য়ে ন্স ল্যাব অনুমোদিত কাজের সাই ডএফে ক্ট মুক্ত। আরো বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন, অথবা কল করুন 👉☎️01612-391644

24/09/2021

বি এস টি আই অনুমোদিত সার্টিফিকেট।

24/09/2021

মাশরুম কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও যথেষ্ট উপকারী। মাশরুম সালাদ হিসেবে, ভেজে, সুপ করে বা রান্না করে খাওয়া যায়।

মাশরুমে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার অতি প্রয়োজনীয় উপাদান যেমন প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলে পরিপুর্ণ।

পুষ্টির দিক বিচার করলে মাশরুম সবার সেরা। মাশরুমে চর্বি ও শর্করা কম থাকায় এবং আঁশ বেশি থাকায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ খাবার। এটি রক্তে চর্বি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং চুল পড়া ও চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

এছাড়া যেসব খাদ্য উপাদানের আধিক্য যেমন -ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেড আমাদেরকে জটিল ব্যধীর দিকে নিয়ে যায়, তা মাশরুমে নেই বললেই চলে।

এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

মাশরুমের পুষ্টিগুণ

আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার খাই মাশরুমের পুষ্টিগুণ সেগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় এটি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ সহ শরীরকে সুস্থ রাখতে খুবই সহায়ক। মাশরুমে মানবদেহে্র জন্য প্রয়োজনীয় ৯টি এমাইনো এসিডের মধ্যে প্রত্যেকটিই বিদ্যমান। প্রোটিনে ভরপুর মাশরুমে কোন প্রকার ক্ষতিকর চর্বি না থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে মেদভূড়ি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ইত্যাদি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতি একশ গ্রাম মাশরুমে প্রোটিন ২৫-৩৫ গ্রাম, ভিটামিন ৫৭-৬০ গ্রাম ও ৫-৬ গ্রাম মিনারেল, শর্করা, উপকারী চর্বি ৪-৬ গ্রাম পাওয়া যায়। এতে আঁশের পরিমাণও খুবই সন্তোষজনক ও এর পরিমাণ প্রায় ১০-২৮%। এই পরিমাণটি অন্যান্য খাবারের তুলনায় অনেক বেশী। শুকনো মাশরুমে ৫৭-৬০% ভিটামিন ও মিনারেল থাকে যা আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খুবই কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকায় মাশরুম দেহকে সুরক্ষিত রাখতেও বিশেষ ভুমিকা রাখে।

মাশরুম খাওয়ার পদ্ধতি

মাশরুম যে কেবল খেতেই সুস্বাদু তাই নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা উচিত। তবে আবর্জনায় উৎপন্ন মাশরুম না খেয়ে শুধু চাষ করা মাশরুম খেতে হবে। এটি ভেজে, সুপ করে বা রান্না করে কিংবা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। কাঁচা বা শুকনা মাশরুম ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফুটানো গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে উক্ত পানি ফেলে দিতে হয়। মাশরুম ফ্রাই করে বা সবজির মতো রান্না করেও খাওয়া যায়। এছাড়া তরকারি বা মাছ-মাংশের মধ্যে দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়।

মাশরুমের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর উপকারিতা

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

প্রাকৃতিকভাবে মাশরুমে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ও মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান থাকায় এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মাশরুমে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন- স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

২। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

মাশরুমে কোলেস্টরেল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাষ্টটিন, এনটাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি, সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়। এতে উচ্চমাত্রার আঁশ এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে। এছাড়া এতে সোডিয়ামের পরিমাণও খুবই কম থাকে যার ফলে এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ সহ হৃদপিণ্ডের অন্যান্য কাজেও সহায়তা করে থাকে।

৩। ওজন নিয়ন্ত্রণ

ওজন কমিয়ে পেশীবহুল শরীর তৈরি করতে সাহায্য করে মাশরুম। মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। অধিক ফ্যাট সমৃদ্ধ লাল মাংসের পরিবর্তে মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমানো সহজ

৪। হজমে সাহায্য করে

মাশরুমে প্রচুর ফাইবার বা আঁশ থাকে। এই ফাইবার ও এনজাইম হজমে সহায়তা করে ও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার কাজ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলন এর পুষ্টি উপাদান শোষণকেও বাড়তে সাহায্য করে।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলে পরিপূর্ণ মাশরুম ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুবই উপকার বয়ে আনতে পারে। নিয়মিত মাশরুম খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া মাশরুমে বিদ্যমান এনজাইম ও প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকায় এটি খেলে দেহের অতিরিক্ত চিনি ভেঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভুমিকা রাখে

৫।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

মাশরুমে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন- স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৬। রক্তশূন্যতা দূর করে

রক্তে আয়রনের পরিমাণ খুব কমে গেলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং যার ফলে মানসিক অবসাদ, মাথার যন্ত্রণা এবং হজমের সমস্যা দেখা দেয়। মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় অ্যানিমিয়ার রোগীদের জন্য এটি আশীর্বাদ স্বরূপ। তাই নিয়মিত মাশরুম খাদ্য তালিকায় রাখলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

৭। হাড়ের শক্তি বাড়ায়

সব্জিতে ভিটামিন ডি না পাওয়া গেলেও মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকায় আমাদের হাড়ের শক্তি বাড়াতেও এটি সাহায্য করে। তাই গাঁটের ব্যথা কমানো ও হাড়ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে মাশরুমের তুলনা নেই।

৮। ত্বক সুস্থ রাখা

মাশরুমে ভিটামিনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকায় তা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। তাছাড়া এর মধ্যে প্রায় ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে বলে ত্বককে নরম ও কোমল রাখতে বিশেষ ভুমিকা রাখে।

৯।ভিটামিন ডি থাকে
সব্জিতে ভিটামিন ডি পাওয়া খুবই দুষ্কর। কিন্তু মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি রয়েছে, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

১০। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

মাশরুমের ফাইটোকেমিক্যাল টিউমারের বৃদ্ধিতে বাঁধার সৃষ্টি করে। বিভিন্ন রকম ক্যানসার যেমন স্তন এবং প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে মাশরুমের তুলনা নেই।


তাছাড়া মাশরুমের ভিটামিন বি স্নায়ুর জন্য উপকারী এবং বয়সজনিত রোগ যেমন- আলঝেইমার্স রোগ থেকে রক্ষা করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে অত্যন্ত কার্যকরী। হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করতেও মাশরুম খুবই উপকারী। মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও এন্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।

♦ মাশরুম খাওয়ার পদ্ধতি

মাশরুম যে কেবল খেতেই সুস্বাদু তাই নয়, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা উচিত। তবে আবর্জনায় উৎপন্ন মাশরুম না খেয়ে শুধু চাষ করা মাশরুম খেতে হবে। এটি ভেজে, সুপ করে বা রান্না করে কিংবা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। কাঁচা বা শুকনা মাশরুম ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফুটানো গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে উক্ত পানি ফেলে দিতে হয়। মাশরুম ফ্রাই করে বা সবজির মতো রান্না করেও খাওয়া যায়। এছাড়া তরকারি বা মাছ-মাংশের মধ্যে দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়।

তবে শুধু চাষ করে উৎপন্ন মাশরুম খেতে হবে।
বুনো জায়গায় জন্মানো মাশরুম অবশ্যই গ্রহণ করা নিষেধ।

সম্পূরক খাদ্য হলেও অন্যান্য খাবারের সাথে রান্না করলে এর স্বাদ বহুগুণে বেড়ে যায়।

অনেক আগে থেকে ব্যবহার করে আসা মাশরুমের গুনাবলী বলে শেষ করার মতো নয়। তাই আসুন বেশী বেশী করে মাশরুম খাই এবং আমাদের শরীরকে করে তুলি রোগ প্রতিরোধ্য।

24/09/2021

মধুর গুরুত্ব ও উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই কম-বেশি জানি। যৌন সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে মধু। যৌন শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

ঋতুস্রাব অনিয়মিত হতে থাকলে ছোট চামচে এক চামচ তুলসীর রস সমপরিমাণে মধু ও এক চিমটি বা একাটি গোলমরিচের গুঁড়ো এক সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার করে দুমাস নিয়মিত সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।

শরীরে কোথাও পুড়ে গেলে সামান্য মধু মেহেদী পাতার সঙ্গে বেটে লাগালে এতে পোড়াজনিত জ্বালা ও কষ্ট লাঘব হয়।

এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবু ও এক চামচ আদার রস এবং দু'চামচ মধু মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রশমিত হয়।

প্রতিদিন সকালে ২০ গ্রাম মধু ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে ৪-৫ মাস খেলে চুলকানি, ফুসকুড়ি ইত্যাদি চর্মরোগ সেরে যায়।

অনিদ্রা নিয়মিত হতে থাকলে রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে পানিতে মিশিয়ে সেবন করলে উপকার পাবেন- ভালো ঘুমও হবে।

হঠাৎ যদি দাঁতে ব্যথা অনুভব হয় তাহলে মধুতে তুলা ভিজিয়ে ব্যথার স্থানে রাখলে ব্যথা কমে যাবে। দু'চামচ মধুতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ও রাতে সেবন করলে রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

ঠাণ্ডা লাগলে বা সর্দি হলে নাক দিয়ে পানি পড়লে বা ভেতরে জমে থাকা কফ বের করতে হলে মধু মিছরি ও মেহেদী পাতার রস পরপর ৮-১০ দিন নিয়মিত সেবন করলে সর্দি কমে যায়।

আদা, পান, তুলসীর রসের সঙ্গে মধু মিছিয়ে দিনে দু'তিনবার খেলে কাশি কমে যায়।

24/09/2021

সব রোগের মোহা ঔষুধ হচ্ছে কালো জিরা। আজকে কালো জিরার কিছু উপকার সম্পর্কে আপনাদের জানাব। আসুন জেনে নেই কালি জিরার উপকার ও স্বাস্থ্যগুনঃ

খাবারে অরুচি, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা, চুলপড়া, সর্দি, দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, কাশি,উদরাময়, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
মাথাব্যথা, চুলপড়া, অনিদ্রা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, মাথা ঝিমঝিম করা,অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।
মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক তিন চার বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।
প্রতি দিন চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।
মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
জ্বর,গায়ের ব্যথা, কফ দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায় কালো জিরা ।
সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।
কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল­ এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না।
কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।
মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।
দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে।
কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।
প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়।
বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।

24/09/2021

শীতের সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম। গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও আঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি। এ সবজিতে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা গাজর, সালাদ, জুস বা তরকারিতেও খাওয়া যায়। চোখ, ত্বক, চুল ও শরীরের নানা অঙ্গের জন্য গাজরের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।
Somoy News
লাইফস্টাইল ডেস্ক
১. গাজরে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে কোলাজেন তৈরি হওয়া বৃদ্ধি করে। ফলে শরীরে কোথাও ক্ষত হলে তা দ্রুত ভালো হয়। এ ছাড়া গাজর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২. গাজর আঁশে পরিপূর্ণ। গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা বেশি পরিমাণে ফাইবার খেলে গ্লুকজ মেটাবলিজম উন্নতি লাভ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের গাজর খাওয়া আবশ্যক।

৩. গর্ভাবস্থায়ও খেতে পারেন গাজর। গর্ভাবস্থায় গাজরের রস পান খুবই উপকারী। এতে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয় না। যেসব মা শিশুকে দুধপান করান, তাদের নিয়মিত গাজরের রস পান করা উচিত।

৪. গাজর হজম ক্ষমতা বাড়ায়। গাজর খেলে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বদহজম ইত্যাদি নিরাময় হয়। লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর গাজরের রস, গাজরের স্যুপ পান করলে উপকার হয়।

৫. গাজরের উপকারী উপাদানগুলো ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ ছাড়া শ্বাসনালির প্রদাহ ভালো করে।

৬. গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস বা পাথর জমতেও বাধা দেয়।

৭. গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

24/09/2021

সারা বছর তাে দেখা মেলেই, শীতকালে হয়ে ওঠে আরো বেশি সহজলভ্য। সুঘ্রাণযুক্ত সুন্দর এই ফলটি রয়েছে অনেকেরই প্রিয় ফলের তালিকায়। বলছিলাম কমলার কথা। কমলা আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। কমলার রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক-

কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। তাই ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন ১টি কমলা খাওয়া উচিত।

কমলায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে।পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানগুলো শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

আমাদের মুখে ভিটামিন সি এর অভাবে যে ঘাঁ হয় তার ঔষুধ হিসেবে কমলা অনেক ভালো কাজ করে। এটি ব্লড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

কমলাতে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন সেল ড্যামেজ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম যা দাঁত ও হাঁড়ের গঠনে সাহায্য করে।

24/09/2021

পুদিনা পাতার চা শরীরের জন্য খুবই উপকারী যা মুহূর্তেই আপনার শরীরকে করবে চাঙ্গা। এছাড়াও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপকারিতা তো আছেই।
চলুন জেনে নেই কিভাবে তৈরি করবেন পুদিনা পাতার চা।

উপকরনঃ
১ কাপ পানি
৪/৫ টি পুদিনা পাতা
১ চা চামচ লেবুর রস (চাইলে দিতে পারেন)

প্রস্তুত প্রণালীঃ
পুদিনা পাতা কুচি করে নিন। পানি ফুটিয়ে নিন। পুদিনা পাতা কাপে রেখে ফুটন্ত গরম পানি ঢালুন। চা পান করার আগে পাতার নির্জাস ছড়ানোর জন্য ৩-৫ মিনিট রেখে দিতে পারেন। চাইলে লেবুর রস দিতে পারেন। মিষ্টি চায়ের জন্য মধু/চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন!

24/09/2021
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Muradpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Muradpur
4310