pavel.com

pavel.com

Share

A+ ( সব ধরণের খাবারের উপকারীতা)

26/03/2026

ম্যাস মেট ঢাকা থেকে দেশের বাড়িতে চলে যাচ্ছে। সে তার ৪র্থ শ্রেনীর একটা ছাত্রকে পড়ানোর জন্য আমাকে অনুরোধ করে। তাদের একজন আরবী শিক্ষক ও প্রয়োজন ছিল। আমি আরবী জানতাম তাই আমার উপর অনুরোধের চাপ আসলো। কলেজের থার্ড ইয়ারে এসে টিউশনি তে নাম লেখালাম।

বন্ধুর সাথে প্রথম দিন তাদের বাসায় পরিচিত হলাম এবং প্রায় দুই ঘন্টার মত সময় দিলাম। বাসার বড় মেয়েটি নাস্তা চা বিস্কিট নিয়ে আসলো। সে আমাকে ভাইয়া ডাকা শুরু করলো। আমি তার চোখের দিকে না তাকিয়েই গ্রহণ করলাম।

এর পর থেকে তার ভাইয়া ডাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেল। কাজের লোক থাকলেও আমি আসলেই তার ঘর ঝাড়ু দেয়ার সময় হয়, টিভির গ্লাস পরিষ্কার করার সময় হয়। ভাইয়া নাস্তা নিয়ে আসবো ? ভাইয়া নাস্তার প্লেট নিয়ে যাবো? ভাইয়া পানি খাবেন ? ইত্যাদি।

মাঝে মাঝে ফিজিক্স বুঝতে চলে আসতো আমার কাছে। আমি কাগজের দিকে তাকিয়েই বোঝাতাম। আমি মেয়েদের দিকে কম তাকাতাম, এটা লজ্জা নাকি ধর্মীয় কারণে নারীর প্রতি সম্মান থেকেই হতো জানা ছিলনা। ওর মুখের দিকে তেমন একটা তাকাতে পারতাম না।

মুনিয়া (ওর নাম) একদিন বলেই দিলো। স্যার আপনি আমার দিকে তাকান না কেন ? তাহলে আমি ফিজিক্স বুঝবো কিভাবে ? কই নাতো ? কি বলো ? এসব বলেই সেদিন ওর চোখের দিকে অনেক্ষন তাকিয়ে ছিলাম। মুনিয়া দেখতে অনেকটা বাংলা সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা -র মত ছিল।

একদিন ওর মায়ের অনুরোধ আসলো মুনিয়াকেও যেন একটু সময় দেই, টাকা নিয়ে ভাবতে হবে না। যেহেতু টাকার অংকটা ভালো ছিল তাই না করতে পারিনি। ওর বাবার নারায়ণগঞ্জে একটা মধ্যম মানের গার্মেন্টস ছিল, শত কোটি টাকার মালিক বলা যায়।

এভাবে প্রায় দু মাস পড়ানোর পর একদিন বাসায় গিয়ে দেখি মুনিয়া এবং তার ছোট ভাই ছাড়া কেও নেই। ওর সাজ দেখে মনে হলো কোথাও যাচ্ছে। পরে বুঝলাম এই সাজের কারণ ! মুনিয়া তার ছোট ভাইকে ছাদে পাঠায়ে দিলো। বললো ভাইয়া বসেন আমি আসতেছি। কিছুক্ষণ পর এসে আমার হাতে একটা চিরকুট ধরায়ে দিয়ে বললো ভাইয়া ৫ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিবেন।

খুলে দেখি ছোট করে প্রেম প্রস্তাব। আমার বোন নেই তাই ওর ভাইয়া ভাইয়া ডাকার কারণে আমি এমন প্রস্তাবের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বাসা থেকে বের হয়ে চলে আসলাম। আসার সময় দেখলাম ও কান্না কান্না চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকায়ে ছিল।

আমি বাসায় এসে রাতে ঘুমাতে পারছিলাম না কি উত্তর দিবো ? হ্যাঁ নাকি না ? দুই দিন আর ওদের বাসায় যাইনি। ওর মায়ের নাম্বার থেকে কয়েকটা কল আসলো ধরিনি। দুদিন পর তাদের বাসায় গেলাম। দরজা খুলে সে আমার মুখ দেখে কি খুশি হয়েছিল আমি বুঝাতে পারবো না। পুরো এক ঘন্টা ধরে ও আমার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমি কিছুই বলিনি। আসার সময় আমার হাতে আবারো একটা ছোট কাগজ ধরিয়ে দিল। একটা মোবাইল নাম্বার দেয়া ছিল তার মধ্যে।

অনেক ভেবে চিন্তে ঐ মায়াবী মুখের কথা ভেবে না করতে পারিনি। হ্যাঁ বলে দিলাম। সে প্রস্তাব দিলো আমার সাথে পরের দিন সে বসুন্ধরা সিটির ফুড কোর্টে দেখা করবে। যেহেতু বড় ব্যবসায়ীর মেয়ে তাই সেমিস্টারের টাকা সহ বড় অংকের টাকা নিয়ে ওর সাথে দেখা করতে গেলাম। যেন শপিং করলে টাকার সমস্যা না হয়। কিন্তু ও প্রাইড চিকেন আর কোল্ড ড্রিংক্স ছাড়া কিছুই খায়নি।কিছুতেই বিল দিতে পারলাম না। ও শপিং করতেও রাজি হয়নি। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখলাম দুজন মিলে।

এর পর থেকে চলতে থাকলো মোবাইলে কথা বলা, রেস্টুরেন্ট এ আড্ডা আর স্টার সিনেপ্লেক্সে এবং বলাকা হলে সিনেমা দেখা। ও আমার জন্য সব সিনেমা দুইবার দেখতো। একটু রোমান্টিক আর স্যাড সিনেমা গুলো দেখার প্রস্তাব করতো।

কিন্তু এই শুখ আর বেশীদিন রইলো না। একদিন স্টার সিনেপ্লেক্সে মুভির বিরতিতে বের হয়ে দুজন ওর মা আর এক আন্টির মুখোমুখি হয়ে গেলাম। দুই একটা প্রশ্ন করে ওর মা হলের মধ্যে চলে গেল। লজ্জায় আর সে সিনেমা দেখার ইচ্ছে হয়নি । হল থেকে বের হয়ে গেলাম, মুনিয়া ওর ড্রাইভার কে পার্কিং থেকে গাড়ি বের করতে বললো আমি সিএনজি তে বাসায় চলে আসলাম।রাতে মুনিয়ার কোন কল রিসিভ করিনি।

পরের দিন ওদের বাসায় যেতেই মুনিয়ার আম্মা আমাকে তার রুমে ডেকে নিয়ে আমাকে জানালো ওর জন্য ছেলে ঠিক করা আছে। বিশাল এক বিজনেস ম্যাগনেট! এর ছেলের সাথে ওর বিয়ে হবে। তাই আমি যেন এসব চিন্তা ভাবনা মাথায় না নিয়ে আসি। ভদ্র মহিলা খুব ভদ্র ভাষায় আমাকে বুঝালো, আমিও হ্যাঁ বলে চলে আসলাম।

তিন দিন আর ওদের ভাষায় যাইনি। মোবাইল অফ করে রেখেছিলাম। মুনিয়ার আম্মা কল করেছিল কিনা জানিনা। মুনিয়া অনেক কান্নাকাটি করেছিল। তিনদিন পর আবার গিয়ে মুনিয়ার চোখের দিকে একবারো সরাসরি তাকাইনি। কিন্তু বুঝতে পারছিলাম ও কান্না করছে। কথা না বলেই বাসায় চলে আসলাম।

মুনিয়া আমাকে ভালোবাসে এ কথা তার পরিবার কে জানায়। তারা নিষেধ করাতে শান্ত মেয়েটি সেদিন বাসায় নাকি অনেক ভাঙচুর করেছিল। আমিও ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে চলে গেলাম। মাদ্রাসার সার্টিফিকেট এর নাম ভুল থাকায় ঢাকা-বাড়িতে প্রচুর দৌড়াদৌড়ির মধ্যে ছিলাম ।

মুনিয়া আমাকে বার বার ফোন করে পালায়ে যাওয়ার জন্য বললো। আমার যে বয়স আর স্টুডেন্ট লাইফ তাতে আমার পক্ষে সম্ভব নয় জানালাম। ওর বাসায় যেসব স্বর্ন আছে আর এটিএম কার্ডে যে পরিমাণ টাকা আছে আমাদের নাকি এক বছর এর বেশী চলার মত টাকা হয়ে যাবে জানালো। তার পরেও আমি সাহস পাচ্ছিলাম না।

ওর কথায় না করতে করতে মোবাইল রিসিভ করার সাহস পেতাম না। কি জবাব দেব ? ও ফোনে অনেক কান্নাকাটি করতো। আমি সহ্য করতে পারতাম না। মোবাইলে কথা বলা প্রায় ছেড়েই দিলাম। কয়েকমাস এভাবে কেটে গেল।

হঠাৎ একদিন কল আসলো। হ্যালো ভাইয়া আপনি কি *** ? জী আমি । কে আপনি ? ভাইয়া আমি মুনিয়ার বান্ধবী । ভাইয়া মুনিয়ার একটু সমস্যা হয়েছে। আপনি কি একটু আর্মি গল্ফ ক্লাবে আসতে পারবেন ? কল কেটে দিল।

আমি দ্রুত সিএনজি(অটো) নিয়ে আর্মি গল্ফ ক্লাবে পৌছালাম। মুনিয়া স্টেজের সেন্টারে বসে আছে। সাথে স্মার্ট এক ছেলে। সম্ভবত বিশাল সেই ব্যবসায়ীর ছেলে। আমি এটা দেখার জন্য প্রস্তুর ছিলাম না। সে হয়তো আমাকে আরেকটা সুযোগ দেয়ার জন্য এমন পরিস্থিতিতেও এখানে মিথ্যা বলে নিয়ে এসেছে। আমি মুনিয়ার সাথে দেখা করলাম। মুনিয়া আমার কানের কাছে এসে বললো তুমি যদি বলো আমি এখনি এই স্টেজ ছেড়ে তোমার সাথে চলে যাবো। আমি কিছু নাবলে চেয়ারে এসে বসলাম। ছেলে পক্ষ মুনিয়া কে ডায়মন্ড এর আংটি পরিয়ে দিল। মুনিয়া আমার দিকে কান্না চোখ নিয়ে তাকিয়ে ছিল। আমি বাইরে এসে মোবাইলের সিম খুলে কাঁদতে কাঁদতে চলে আসলাম, নিজেকে সেদিন কাপুরুষ মনে হলো !!!!
হঠাৎ একদিন..........

22/11/2024

Yes

01/03/2024

রাজস্থানের একটি গ্রামে এক ব্যক্তির কাছে ১৯টি উট ছিলো । একদিন সেই ব্যক্তির মৃত্যু হলো । মৃত্যুর পূর্বে তিনি উইল করে গিয়েছিলেন, তার মৃত্যুর পর সেই উইলটি পড়া হলো । সেই উইলে লেখা ছিলো — “তার মৃত্যুর পরে তার উনিশটি উটের মধ্যে অর্ধেক তার ছেলেকে, তার একের চতুর্থাংশ তার মেয়েকে, উনিশটি উটের মধ্যে পঞ্চম ভাগ তার চাকরকে দেওয়া হবে ।”

আত্মীয়স্বজনরা খুব চিন্তায় পড়ে গেলো যে, এই ভাগ কি করে করা যাবে ?

উনিশটি উটের অর্ধেক অর্থাৎ একটি উটকে দু’ভাগ করতে হবে, তাহলে তো উটই মরে যাবে । আচ্ছা, একটা উট না হয় মারাই গেলো, এরপর আঠারোটি উটের এক চতুর্থাংশ —–সাড়ে চার —সাড়ে চার —–তারপর ? ?

সকলেই খুব চিন্তার মধ্যে ছিলো । তখন সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে পাশের গ্রাম থেকে এক বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে ডাকিয়ে আনলেন ।

সেই বুদ্ধিমান ব্যক্তি নিজের উটে চড়ে এসেছিলেন । তিনি সব কথা শুনে নিজের বুদ্ধি প্রয়োগ করলেন এবং বললেন, এই উনিশটি উটের সঙ্গে আমার উট মিলিয়ে ভাগ করে দাও ।

সবাই ভাবতে লাগলো — যিনি মারা গেছেন, তিনি এক পাগল যিনি এমন উইল করে চলে গেছেন, এখন এই দ্বিতীয় পাগল এসেছেন, যিনি বলছেন — তার উটটি মিলিয়ে ভাগ করে দিতে। তবুও সবাই চিন্তা করে দেখলো, কোনো উপায় যখন নেই, এনার কথা শুনেই দেখা যাক ।

১৯ + ১ = ২০

২০ র অর্ধেক ১০টি উট ছেলেকে দেওয়া হলো ।

২০ র ১/৪ = ৫টি উট মেয়েকে দেওয়া হলো ।

২০ র ১/৫ = ৪টি উট চাকরকে দেওয়া হলো ।

১০ + ৫ + ৪ = ১৯

যে একটি উট রয়ে গেলো, সেই উটটি বুদ্ধিমান ব্যক্তির ছিলো । সে সেই উটটি নিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে গেলো ।

এইপ্রকারে একটি উট যোগ করাতে ১৯ টি উটের ভাগ সুখ, শান্তি এবং আনন্দের সঙ্গে হয়ে গেলো ।

এমনই আমাদের জীবনেও উনিশটি উট আছে ।

৫ জ্ঞানেন্দ্রিয় — চোখ, নাক, জিভ, কান, ত্বক

৫ কর্মেন্দ্রিয় — হাত, পা, জিভ, দাঁত, পায়ু

৫ প্রাণ — প্রাণ, অপান, সমান, ব্যান, উদান

আর

৪ অন্তঃকরণ — মন, বুদ্ধি, চিত্ত, অহংকার

সবমিলিয়ে এই উনিশটি উট ।

সারাজীবন মানুষ এই উনিশটি উটের ভাগ করতেই বিভ্রান্ত হয় । যতক্ষণ না তাতে “মানবিকতা” উটটিকে মেলানো হয় ততক্ষণ প্রকৃত সুখ, শান্তি, সন্তুষ্টি আর আনন্দের প্রাপ্তিও হয় না ।

এই হলো উনিশটি উটের কাহিনী ।

©A H R

01/03/2024

নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেলো 🥲

Photos from pavel.com 's post 16/02/2024

সবার আগেই মফিজরা কোয়ার্টারে🇧🇩বিপিএল

14/02/2024

Power Development show.... 😅

27/01/2023

Outing

03/01/2023

মাটির তৈজসপত্র।

27/10/2022

Also Love Altime

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Naogaon?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Mohadevpur
Naogaon
6530

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00