Mehedi By Binte
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mehedi By Binte, Narayanganj.
Assalamu alaikum 🩷
Owner/Artist : Binte Labony ✨
Henna Artist from Narayanganj since 2022📍,Chasara Ponchoboti, killerpul housing💥 Muslim Nagar etimkhana
100% halal Handmade Organic henna, nail💅 henna,Hair henna seller Alhamdulillah
28/06/2026
ঈমানদাররা দুনিয়াতেও দুনিয়া চায় না, বরং নেকীর কাজের তাওফীক কামনা করে। নবী করীম (সাঃ) খুব বেশী বেশী এই দু'আটি পড়তেন। তাওয়াফ করাকালীন অনেক লোকে প্রত্যেক চক্করে পৃথক পৃথক দু'আ পড়ে থাকে, যা মনগড়া দু'আ। এই দু'আগুলোর পরিবর্তে তাওয়াফের সময় রুকনে ইয়ামানী এবং হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে 'রাববানা আ-তিনা ফিদ্দুনয়া হাসানাহ---' পড়া সুন্নাহ্।
---Tafsir Ibn Kathir
(Surah baqarah Ayaah no: 201)
28/06/2026
তোমাদের কেউ যদি জানতো যে, “জাযাকাল্লাহু খাইরান” (পুরুষ)
জাযাকিল্লাহু খাইরান (নারী)
(আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিক) বলার ভেতর কী প্রাপ্তি রয়েছে, তাহলে একজন আরেকজনের চেয়ে সেটা বেশি পরিমাণে বলতো।
— উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)
[ইবনু আবি শায়বাহ, ০১/৪৩৬]
27/06/2026
সবর এবং শোকর যে হৃদয়কে সুবাসিত করে;
বলো, তাকে কি করে এ দুনিয়া ভেঙে দিতে পারে?
লেখা— উম্মু নুসাইবাহ বোন
26/06/2026
"অতএব, কুরআনের যতটুকু তোমাদের জন্য সহজ হয়, ততটুকু পড়ো।"
— সূরা মুযযাম্মিল, আয়াত: ২০ (আংশিক)।
কত অদ্ভুত আমাদের জীবন!
দিনের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত কত শত কাজ, কত ব্যস্ততা, কত নোটিফিকেশন, কত মানুষের জন্য সময়। কিন্তু যখন কুরআন খুলে বসার সময় আসে, তখনই মনে হয়—"আজ খুব ক্লান্ত", "আগামীকাল থেকে শুরু করব", "একটু সময় হলে পড়ব।"
আর সেই আমাদেরই উদ্দেশ্যে আল্লাহ কী অপার মমতায় বলছেন—
"যতটুকু তোমার জন্য সহজ হয়, ততটুকুই পড়ো।"
আল্লাহ জানেন, আমরা দুর্বল। তিনি জানেন আমাদের ব্যস্ততা, ক্লান্তি, সীমাবদ্ধতা। তাই তিনি আমাদের ওপর এমন কোনো বোঝা চাপিয়ে দেননি যা বহন করা কঠিন। বরং তিনি আমাদের জন্য দরজা খুলে রেখেছেন 'শুধু শুরু করো'। যতটুকু পারো, ততটুকুই যথেষ্ট।
সুবহান আল্লাহ।
হয়তো আজ এক পৃষ্ঠা।
হয়তো মাত্র পাঁচটি আয়াত।
হয়তো একটি আয়াতই।
কিন্তু যদি তা হয় আন্তরিকতার সঙ্গে, তবে সেই সামান্য সময়টুকুই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্ত।
একটু ভেবে দেখুন...
যে কুরআন আপনার হৃদয়ের অন্ধকার দূর করতে পারে, যে কুরআন কিয়ামতের দিন আপনার জন্য সুপারিশ করবে, যে কুরআন আপনার ঘরে বরকত নিয়ে আসে সেই কুরআনের জন্য আমরা দিনে কত মিনিট সময় রাখি?!
আমরা প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখি। অথচ আল্লাহর কালাম খুলে পাঁচ মিনিট বসাও অনেক সময় কঠিন মনে হয়। সমস্যা সময়ের অভাব নয়; সমস্যা হলো অগ্রাধিকারের অভাব। আল্লাহুম্মাগফিরলি।
মনে রাখবেন, আল্লাহ আপনার কাছ থেকে এক দিনে পুরো কুরআন শেষ করতে বলেননি। তিনি শুধু বলেছেন—
"যতটুকু সহজ হয়, ততটুকু পড়ো।"
এ যেন এক দয়াময় রবের ভালোবাসার আহ্বান— "আমার বান্দা, দূরে সরে থেকো না। অল্প হলেও প্রতিদিন আমার কালামের কাছে ফিরে এসো।"
হয়তো আজ আপনি একটি আয়াত পড়বেন। সেই একটি আয়াতই আপনার হৃদয় বদলে দিতে পারে। একটি আয়াতই আপনাকে একটি গুনাহ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে। একটি আয়াতই আপনার চোখে তাওবার অশ্রু এনে দিতে পারে।
তাই আজই সিদ্ধান্ত নিন—
কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ব পরিমাণ দিয়ে নয়, ধারাবাহিকতা দিয়ে ইনশা আল্লাহ।
প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় আল্লাহর কথার সঙ্গে কাটাব। কারণ, যে হৃদয় কুরআনের সান্নিধ্যে থাকে, সে হৃদয় কখনো সত্যিকার অর্থে একা থাকে না।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে কুরআনের মানুষ বানিয়ে দিন। আমাদের হৃদয়কে কুরআনের নূরে আলোকিত করুন, কুরআনকে আমাদের জীবনের পথপ্রদর্শক এবং আখিরাতে আমাদের সুপারিশকারী বানিয়ে দিন।
আমীন।
24/06/2026
যারা আমল করেও ফল পান না, তারা সম্পূর্ণ লেখাটা অবশ্যই পড়বেন‼️‼️
সেদিন হাদিস পড়ছিলাম মধু নিয়ে। যেহেতু নিয়মিত মধু খাওয়া শুরু করেছি, মনে হয়েছে মধু নিয়ে আল্লাহর রাসুল ﷺ কি বলেছেন তা জানা উচিত।
বুখারীর একটা হাদিস পড়েছিলাম, মধু নিয়েই। হাদিস নাম্বার মনে নেই। সরাসরি হাদিসটা বর্ণনা না করে আমি আমার মতো বলি!
একবার একজন লোক এসে রাসুলুল্লাহ ﷺ কে বললেন যে, তাঁর ভাইয়ের পেটব্যথা। সম্ভবত ডায়রিয়া হয়েছিলো, এক্সাক্ট মনে নেই। আল্লাহর রাসুল ﷺ ওই লোককে মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন। কারণ মধুতে শেফা আছে। তো ঐ লোক চলে গেলেন। আবার ফিরে এসে জানালেন যে তাঁর ভাইয়ের অসুস্থতা ভালো হয়নি।
তিনি ﷺ আবারও মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন। এভাবে কয়েকবার লোকটার ফিরে আসার পর আল্লাহর রাসুল মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ দিলেন এবং বললেন যে, "আল্লাহ সত্য বলেছেন, আর তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যা বলছে।" অতঃপর লোকটা ফিরে গিয়ে তাঁর ভাইকে মধু খাওয়ালেন এবং অবশেষে সে (লোকটার ভাই) সুস্থ হলো।
হাদিসটা পড়তে পড়তে আমার চিন্তা মধু থেকে সরে গিয়ে অন্য জায়গায় গেলো।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি, দু'আ করে অভিযোগ করি যে আল্লাহ দু'আ কবুল করেন না। দুরুদ-ইস্তেগফার করে বলি পেরেশানি দূর হয় না, বিপদ কাটে না, সদকাহ্ করেও সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেখি না, হাদিসে উল্লেখিত ঋণমুক্তির দু'আগুলো পড়েও ঋণ থেকে মুক্ত হতে পারি না।
আচ্ছা! আল্লাহ কি কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন? তাঁর বাণী তো মহাসত্য! তাঁর রাসুলের (ﷺ) হাদিস কি মিথ্যা হতে পারে? কখনোই নয়!
আপনি কুরআন খুলুন। সূরা বাকারাহতে রমাদানের আয়াতগুলোতে দেখুন। আল্লাহ বলেছেন, তিনি বান্দাদের ডাকে সাড়া দিবেন। তিনি বলেছেন, বান্দার দু'আ তিনি কবুল করবেনই। সূরা বাকারাহ'র শেষ দিকে সদকাহ্-র আয়াতগুলো দেখুন! সম্ভবত ২৬১ থেকে শুরু। আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, তিনি দানকারীর দান ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিবেন কিংবা তারচে বেশি। তিনি দানকারীকে অভয় দিয়েছেন, যারা গোপনে-প্রকাশ্যে দিনে, রাতে সদকাহ্ করে তাদের ভয় নেই, দুঃশ্চিন্তা নেই।
আপনি সূরা নূহ এ ইস্তেগফারের আয়াতগুলো পড়ুন। আল্লাহ বলেছেন, "বান্দা যদি ক্ষমা চায়, তিনি বান্দাকে ক্ষমা তো করবেনই; সাথে দিবেন অঢেল রিজিক, সন্তান, বাগান, ফলফলাদি। এবং বান্দা যতক্ষণ ইস্তেগফারে থাকবে, ততক্ষণ তাকে আযাব স্পর্শ করবে না"।
হাদিসে এসেছে, দুরুদ পড়লে হাজত পূর্ণ হয়৷ পেরেশানি দূর হয়। আল্লাহর রাসুল যখন বলেছেন, তারমানে এটা যে সত্য; তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঋণমুক্তির দু'আ আছে। ঐ দু'আগুলো পড়লে পাহাড়সম ঋণও আল্লাহর পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে, এমনটাই হাদিসে এসেছে।
আমাদের প্রতিটা দু'আ আল্লাহ কবুল করেন। কারণ আরশের মালিক ওয়াদা দিয়েছেন। আমাদের সদকাহ্ বিফলে যায় না। তা বেড়ে যায় বহুগুণ। দুরুদ পড়লে সত্যিই হাজত পূর্ণ হয়। ইস্তেগফারে রিজিকে বারাকাহ্ আসে। হাদিসে বর্ণিত ঋণমুক্তির আমলে ঋণ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। প্রতিটি আমলই সত্য এবং কার্যকরী। যদি কাজ না হয়; বুঝতে হবে হয় আমাদের আমলের মাঝে ত্রুটি আছে, নাহয় রব্ব সবরের পরীক্ষা নিচ্ছেন।
মধুতে শেফা থাকা সত্ত্বেও একবারে তা কাজ করেনি। লোকটা কয়েকবার ফিরে এসেছিলেন। তবুও আল্লাহর রাসুল মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ বহাল রেখেছিলেন। কারণ আল্লাহ সত্য বলেছেন।
আমাদের আমলগুলোকেও এই হাদিসের সাথে রিলেট করতে পারি। আল্লাহর জন্য করা সবকিছুই লাভজনক। আমরা সেটা বুঝতে পারি আর না পারি, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বাণী অবশ্যই সত্য এবং কাবার মালিক আমাদের প্রত্যেকের আমলের প্রতিদান দিবেন।
:
লিখা : সংগৃহীত
23/06/2026
যখন শুরু করবেন, অনেকে হাসবে।যখন উন্নতি করবেন, প্রশংসা পাবেন। যদি ভুল করেন, তাহলে জাজ করবে।আর ব্যর্থ হলে আলোচনা করবে।তাই ততক্ষণ পর্যন্ত নিরবে কাজ করুন, যতক্ষণ আপনার সাফল্য কথা না বলে,ইনশাআল্লাহ ভালো দিন আসবেই।🩷
আমাদের গার্লস 📌গ্রুপ লিংক 👇
https://m.facebook.com/groups/1157015038096294/?ref=share&mibextid=NSMWBT
টেলিগ্রাম লিংক : https://t.me/mehedibybintenganj
Insta💥💥 :
https://www.instagram.com/mehedi_by_binte?igsh=MW01bmIzbjI3d2U3aQ==
Tiktok :💥💥
https://www.tiktok.com/.by.binte?_t=8sahBadtW4N&_r=1
💥 নারায়নগঞ্জে ২৪ঘন্টায় ও সারাদেশে হোম ডে লি ভা রিতে পাঠানো হবে মেহেদী ইনশাআল্লাহ।💥💥💥
22/06/2026
যেকোনো দ্বীনি হালাকা,কুরআনের মজলিস অথবা তালিমে গিয়ে মন দিয়ে আলোচনা শুনলে হৃদয়ে প্রভাব পড়ে,
আত্মশুদ্ধি হয়,রুহানিয়াত বাড়ে।
কারণ নসীহত মুমিনের কাজে আসে স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ই বলেছেন।তাই আমাদের সকলের উচিত নিজের দুনিয়া ও আখিরাত জীবন সুন্দর করার জন্য, নিজেকে উত্তম থেকে আরো উত্তম বানানোর জন্য দ্বীনি পরিবেশের সাথে নিজেকে এটাচ করে রাখা।হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইনে।উদ্দেশ্য হলো দ্বীনি সঙ্গ ও পরিবেশ অনুভব করা।
এখন প্রশ্ন হলো,
প্রথমত:সর্বশেষ কবে এমন আলোচনা শুনেছেন?কী বিষয়ে ছিল আলোচনা?
দ্বিতীয়ত: এমন জায়গার সাথে ওঠাবসা না থাকলে,কেন নেই জানতে চাই।নিজের রুহের খোরাক কেন খুঁজে নেন না? নিজেকে বদলানোর জন্য আপনার পক্ষ থেকে কী কী চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন?
না রাখলে কেন রাখেননি?
যদি এমন হয়,অনেক খোঁজার পরেও এমন পরিবেশ না পাননি সেটাও বলবেন,আর যদি শতভাগ নিজের গাফিলতি থাকে অকপটে সেটাও স্বীকার করবেন আশা করি ইনশাআল্লাহ।
পোস্ট টা সামনে পড়লে উত্তর দেওয়ার অনুরোধ।
লেখা : শামছুন্নাহার রুমি আপি
22/06/2026
একজন মুসলমানের প্রধান ৪টি বৈশিষ্ট্য :
(১) সিদকুল হাদিস- সত্যবাদিতা
(২) ওয়া হিফজু আমানাহ- আমানত এর হেফাজত
(৩) ওয়া ইফফাতু মাতয়াম- হালাল লোকমা
(৪) ওয়া হুসনু খালিকা- উত্তম চরিত্র
এই ৪টি জিনিস যার নসিব হয়ে যাবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে কোথাও লজ্জিত হবে না ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ যেনো আমাদের তাওফিক দান করেন চারটি বৈশিষ্ট্য ধারন করার আমীন।
(সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
21/06/2026
যদি তুমি জানতে, ধৈর্য্যের পর আল্লাহ তোমার জন্য কী লুকিয়ে রেখেছেন, তাহলে তুমি পরীক্ষার মাঝেও হাসতে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিটি কষ্ট ও পরীক্ষার পেছনে একটি উত্তম পরিকল্পনা থাকে। আমরা যখন ধৈর্য ধরি, তখন সেই ধৈর্যের বিনিময়ে আল্লাহ এমন কিছু দান করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
আমাদের উচিৎ কষ্টের সময় ভেঙে না পড়ে ধৈর্য ধারণ ধরা। কারণ আল্লাহর পুরস্কার সবসময়ই অনেক বড় হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
