Md Maruf khan &

Md Maruf khan &

Share

কাটুন কন্টেন্ট করি আর ভারচুয়াল ভিডিও করি

18/02/2025

'ওকে হোটেল' ঢাকার প্রথম হোটেল ও রেস্তোরাঁ। ব্রিটিশ আমলে ইংরেজ ও বিদেশি পর্যটকেরা বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক কাজে ঢাকায় এলে সরকারি বাংলো বা অতিথিশালায় থাকতেন। ঢাকায় কোনো হোটেল ছিল না। ঢাকার জনসন রোডে বর্তমান আজাদ সিনেমার পাশে ওকে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের আবির্ভাব ঘটে। বিদেশি অতিথি ও পর্যটকদের আবাসস্থল হিসেবে ওকে হোটেলের নাম ছিল।

অনেকে মনে করেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে হোটেলটি যাত্রা শুরু করে। আবার অনেকের অভিমত, হোটেলটি ত্রিশের দশকের মাঝামাঝিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এর মালিক ছিলেন একজন স্কটিশ, তিনি কলকাতা থেকে ভাগ্যান্বেষণে এসেছিলেন।

18/02/2025

সাগরের বুকে ভাসমান টাইটানিকের শেষ ছবি ছিল এটাই। তোলা হয়েছিল ১৯১২ সালের ১২ এপ্রিল। এটি তোলা হয়েছিল আয়ারল্যান্ডের ক্রসহ্যাভেনে, যখন জাহাজটি কুইনস্টাউনে (বর্তমান কোব) থামার পর নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

ছবিটি তোলার মাত্র দুই দিন পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১,৫১৪ জন মানুষ প্রাণ হারায়, এবং টাইটানিক উত্তর আটলান্টিকের গভীরে তলিয়ে যায়। টাইম ম্যাগাজিন অনুযায়ী ছবিটি তুলেছিলেন আইরিশ জেসুইট পুরোহিত ফ্রান্সিস ব্রাউন। জাহাজের এক ধনী পরিবারের সঙ্গে বন্ধুত্বের সুবাদে তিনি পুরো আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার আমন্ত্রণ পান। কিন্তু কোবে পৌঁছানোর পর, তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে একটি নির্দেশ আসে- তাকে অবিলম্বে কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে। এই নির্দেশই হয়তো তার জীবন বাঁচিয়ে দেয়! রহস্যঘেরা এরিয়া ৫১ নিয়ে জানতে দেখুন আমাদের একটি ভিডিও। লিঙ্ক কমেন্টে।

18/02/2025

কোন এক সময় এটা শাহবাগেই ছিল কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে ❤️❤️❤️❤️❤️

17/02/2025

১৮৯৫-১৯০০ সময়কালে পিলখানা এলাকায় হাতির পালের দৌড়। "পিলখানা" শব্দটির, অর্থ হাতির আস্তাবল। আগে জায়গাটি হাতি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

মোঘল ও ব্রিটিশ পিরিয়ডে ঢাকার প্রশাসনে “খেদা” বলে একটা বিশেষ বিভাগ ছিল। এই “খেদা বিভাগ” এর কাজ ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে বন্য হাতি ধরে এনে পোষ মানানো ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা। হাতি ধরার প্রধান কৌশল ছিল কুনকি বা পোষা হস্তিনী দ্বারা বন্য হাতিকে খেদিয়ে নিয়ে আসা। এসব পুরুষ হাতিকে খেদিয়ে যে জায়গায় এনে রাখা হত তা পিলখানা নামে পরিচিত (বর্তমানেও সেই নাম রয়ে গেছে)।

উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে এই হাতিগুলোকে রমনা অঞ্চলে চারনের জন্য নিয়ে যাওয়া হত। হাতি চলাচলের কারণে রাস্তাঘাটের যে ক্ষয়ক্ষতি ও উপদ্রব সৃষ্টি হতো সেই সম্পর্কে জনগণ নিয়মিত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতো। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৮৬৪ সালে মিউনিসিপ্যালিটি প্রতিষ্ঠার পর কর্তৃপক্ষ ঢাকার উত্তরাঞ্চলের প্রান্তিক এলাকা দিয়ে রমনায় যাওয়ার একটি আলাদা রাস্তা তৈরি করে যার নামকরণ করা হয় “এলিফ্যান্ট রোড”। নিউমার্কেট এলাকা থেকে রমনা পর্যন্ত এলিফ্যান্ট রোড আজও বিদ্যমান।

17/02/2025

উনিশ শতকের ঢাকায় বিত্তশালীদের মাঝে চায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর পেছনে আর্মেনীয় ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন তাঁর ‘ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’ গ্রন্থে এই তথ্য উল্লেখ করেছেন।

১৮৫৭ সালে ইউরোপীয় পণ্যের দোকান খুলেছিলেন আর্মেনীয় ব্যবসায়ী জি এম সিরকোর। শাঁখারীবাজারের ‘সিরকোর অ্যান্ড সন্স’ নামের এই দোকানে চাও ছিল অন্যতম মূল্যবান পণ্য। চায়ের প্রতি ঢাকাবাসীর আকর্ষণ আরও বাড়ে, যখন নওয়াব আবদুল গনি ১৮৬০-এর দশকে বাইগুনবাড়িতে ৩০ বিঘা জমিতে চা চাষ শুরু করেন। ১৮৬৭ সালে তাঁর বাগান থেকে আড়াই মণ চা উৎপাদিত হয়, যা পরবর্তীতে নওয়াব আহসানউল্লাহর উন্নত পরিকল্পনায় আরও প্রসার লাভ করে। ১৮৯২ ও ১৮৯৩ সালে নওয়াবদের এই চা বাগান থেকে উৎপাদিত হাজার হাজার মণ চা কলকাতায় রপ্তানি হয়েছিল।

ঢাকার সম্ভ্রান্ত সমাজে চা ছিল এক বিশেষ মর্যাদার প্রতীক। নওয়াব আবদুল গনি প্রতিদিন সকালে ও রাতে চা পান করতেন এবং তাঁর চা-চক্রে শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নিতেন। কাশ্মীরি চা থেকে শুরু করে মোগলাই চায়ের কদর ছিল প্রবল। ইতিহাসবিদ হাকিম হাবিবুর রহমান তাঁর ‘ঢাকা পাচাশ্ বারস্ পহেলে’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন, একসময় ঢাকায় চায়ের দোকান বলতে কিছুই ছিল না; শুধুমাত্র আর্মেনীয়, মোগল ও কাশ্মীরি পরিবারগুলোতে চায়ের প্রচলন ছিল।

১৯২০-এর দশকে ঢাকায় চায়ের প্রচারণার জন্য ঢোল বাজিয়ে ফ্রি চা খাওয়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফরাশগঞ্জে সাঁতারু ব্রজেন দাসের বাড়ির আঙিনায় চা পরিবেশন করা হতো। সূত্রাপুরে ‘খাঁ সাব’ নামে এক চাওয়ালা বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। দেশভাগের পর ঢাকার আমজাদিয়া ও আমিনিয়া রেস্তোরাঁগুলোতে মালাই চা জনপ্রিয়তা পায়। বাংলাবাজার মোড়ের মেহেরবান রেস্টুরেন্ট চা বিক্রির জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠে।

ব্রিটিশদের উদ্যোগে ঢাকায় চা প্রচারের জন্য ‘ফ্রি চা ক্যাম্পেইন’ পরিচালিত হয়। খুরশিদ আলী নামের একজন কর্মকর্তা এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন। বিকেলবেলায় বিভিন্ন মহল্লায় চাওয়ালারা বিনামূল্যে চা পরিবেশন করতেন। জনসাধারণের মাঝে অভ্যাস তৈরি হওয়ার পর ব্রিটিশরা চা বিক্রি শুরু করে, যা পরে ঢাকায় চায়ের ব্যাপক বিস্তারে সাহায্য করে। ব্রুক বন্ড ছিল তখনকার অন্যতম জনপ্রিয় চা ব্র্যান্ড।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাহেদ হাসান স্মৃতিচারণা করে জানান, কোম্পানি আমলের শেষদিকে ঢাকায় চায়ের প্রসার না থাকলেও পানীয় হিসেবে ঘোল, মাঠা ও দুধ জনপ্রিয় ছিল। ব্রিটিশরা ব্যান্ড বাজিয়ে, ঘোড়ার গাড়ি সাজিয়ে, এমনকি উপহার দিয়ে ঢাকাবাসীকে চায়ের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল।

১৯৫১ সালে পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এর প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। রাষ্ট্রীয় উপহার হিসেবে তিনি ১৯৭৩ সালে মিসরে বিমানভর্তি চা পাঠান, যার বদলে বাংলাদেশ উপহার পেয়েছিল ৩২টি টি-৫৪ ট্যাংক ও ৪০০ রাউন্ড গোলাবারুদ।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় চায়ের ইতিহাস নতুন মোড় নেয়। নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম চা রপ্তানিকারক দেশ, অথচ ২০১৯ সালে এসে দেশটি চা আমদানিনির্ভর হয়ে পড়ে। বর্তমানে চা উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে, ২০২৫ সালের মধ্যে আমদানি করা চায়ের পরিমাণ রপ্তানির প্রায় ৪৪ গুণ হতে পারে!

একসময় বিনামূল্যে চা খাওয়ানো ঢাকাবাসী এখন চায়ের প্রতি এতটাই আসক্ত যে, প্রশ্ন জাগে—আমরা চা খাচ্ছি, নাকি চাই-ই আমাদের গ্রাস করছে?

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

#ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র

17/02/2025

খ্রিস্টপূর্বাব্দ ৪ লক্ষ থেকে ৪৮ হাজার বছর আগে একটি মানবগোষ্ঠী ছিলো যাদের ’ডেনিসোভান’ বলা হয়ে থাকে, এরা আমাদের এশিয়া মহাদেশে বসবাস করতো। তখন দক্ষিণ এশিয়ার উপকূল বরাবর আফ্রিকা থেকে বিস্তৃত মানুষের সাথে আন্তঃপ্রজনন করে।

২০১০ সালে (২০০৮ সালে সাইবেরিয়ান গুহা থেকে পাওয়া জীবাশ্ম গবেষনা করার পর) প্রমাণিত হয় যে, এই ‘ডেনিসোভান’ মানব প্রজাতির ডিএনএ নিউ গিনির মানুষের ডিএনএ’র সংগে সম্পর্কিত ছিলো।

পাপুয়া নিউ গিনি, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপিন্স এবং অন্যান্য আশেপাশের দ্বীপের আদিবাসীদের ডিএনএর প্রায় ৩% থেকে ৫% ডেনিসোভান থেকে এসেছে, যারা এমনকি ৮ লক্ষ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আফ্রিকা ছেড়ে এসব অঞ্চলে চলে গিয়েছিলো।

২০১৪ সালে বিজ্ঞানীরা রিপোর্ট করেছেন যে বিলুপ্ত ডেনিসোভান এবং কিছু আধুনিক তিব্বতি এবং শেরপাদের মধ্যে একটি জেনেটিক মিল রয়েছে।

17/02/2025

চিনতে পারলে বুজবো আপনার শৈশব স্মৃতি জুড়ে আছে,,
আপনার আঞ্চলিক ভাষায় এটাকে কি বলে,,,☺️

04/02/2025

বন্ধু যখন ছাগোলের খবর নেয় 🤣

31/01/2025

#বউকে_সামলানো_টিপস 😜

30/01/2025

#মোবাইল_দেখতে_দেখতে_যখন_ভাত_খাই 😜

27/01/2025

জীবন এতো সহজ নয় দেখন কি কসঠের কাজ করছে তিনি😰

27/01/2025

Free fire এ দুই বটলার কথা সুনুন 😜

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Narayanganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

Narayanganj