Diary of Lopa
খুব সাধারণ কথা,একান্তই নিজের😊
আমি আমার ভাল থাকার দায়িত্ব আমাকেই দিয়েছি💝💝💝
07/06/2026
সময় বড় বেহরম,বড়ই চলমান💝💝
'যা তোমার নয়, তা তুমি পেয়ে গেলেও তা তোমার নয়। আর যা তোমার, তা তুমি না পেলেও তা চিরকাল তোমারই। সুতরাং কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে পেতে চেয়ো না। বরং ছেড়ে দাও। মুক্ত করে দাও। মনে রেখো, কখনো কখনো মুক্তিই বন্দিত্ব। আবার কখনো বন্দিত্বই মুক্তি। কিন্তু মানুষ তা চট করে বুঝতে পারে না। বুঝতে পারে সময়। তাই যা নিজের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, তা সময়ের হাতে ছেড়ে দাও।’ ~'শঙ্খচূড়
04/06/2026
🙂😑যার আপন ঠিকানা তে সুখ হয় না,তার জন্য মনে হয় মহাবিশ্বের সব খানে দু:খ বরাদ্দ🙂🙂
01/06/2026
দায় ও দায়িত্ব 💢💢
দায় থেকে দায়িত্ব পালন,
আর দায়িত্ব থেকে দায়িত্ব পালনের ভিতর বিস্তর ফারাক😊😊
28/05/2026
ভীষণ কথা বলতাম আমি,কথা বলতে ভালবাসতাম।।অনেক অনেক কথা বলতাম😊😊
পরে একজন কে সারাজীবন কথা শোনানোর জন্য বেছে নিলাম🥰🥰🥰
ওমা, বিয়ের পর দেখি সে কানে শোনে না😨😨😨
আমি যা বলি তার উলটা বোঝো 😥😥
তাই আমার কথারা বধির হয়ে গেল।এখন আমি কানে ও শুনি না,আবার চোখে ও ঝাপসা দেখি😫😫😫
25/05/2026
কথায় আছে,সময় সব ঠিক করে দেয়।আসলে কিছুই ঠিক হয় না।সময় চলে তার আপন গতিতেই আর মানুষ নিজেকে হয় মানিয়ে নেয় না হয় মেনে নেয়।যখন কোন টাই হয় না তখন হয় দূরত্ব। 💔💔💔
সুন্দর
23/05/2026
হরিচরণ বললেন,মানুষের তুলনা মানুষের সাথে হবে।অন্য কোনো প্রাণীর সাথে হবে না।একটা মন্দ মানুষের সাথে অন্য একটা মন্দ মানুষের বিবেচনা হবে।কোন মন্দ প্রাণীর সাথে হবে না।😁😁
হুমায়ূন আহমেদ।।
collected.
আমি মানুষ চিনতে পারি না💔💔💔
20/05/2026
Collected :
নার্সিসিস্টিক স্বামীরা অত্যন্ত কৌশলী হন। তারা আপনাকে ভালোবেসে নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ করে আনন্দ পান। আজ ১০টি প্রশ্নের মাধ্যমে জানুন আপনি এই মরণফাঁদে আছেন কি না।
১. নার্সিসিস্টিক স্বামী চেনার প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?
নার্সিসিস্টরা অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হন। তাদের প্রধান ৩টি লক্ষণ হলো: ১. প্রশংসার প্রচণ্ড তৃষ্ণা, ২. অন্যের প্রতি সহমর্মিতার অভাব এবং ৩. নিজেকে সবার চেয়ে বড় ভাবা। তিনি যদি সবসময় আপনার ওপর হুকুম চালান এবং আপনার অনুভূতিকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব না দেন, তবে সাবধান হোন।
২. তিনি বাইরে খুব ভালো ব্যবহার করেন, কিন্তু ঘরে কেন এত নিষ্ঠুর?
এটা নার্সিসিস্টদের চিরচেনা রূপ। তারা সমাজের কাছে নিজের ইমেজ খুব পরিষ্কার রাখতে চান যাতে কেউ বিশ্বাস না করে যে তিনি আপনার সাথে খারাপ আচরণ করতে পারেন। এই দ্বিচারিতা আপনাকে মানসিকভাবে আরও একা করে দেয়।
৩. গ্যাসলাইটিং (Gaslighting) কী? তিনি কি এটি আমার ওপর প্রয়োগ করছেন?
যদি আপনার স্বামী এমন কোনো ঘটনা অস্বীকার করেন যা আসলেই ঘটেছিল, অথবা আপনাকে বলেন—"তুমি পাগল হয়ে গেছ" বা "সব তোমার কল্পনা", তবে তিনি আপনাকে গ্যাসলাইট করছেন। এর উদ্দেশ্য হলো আপনার নিজের বুদ্ধির ওপর আপনার বিশ্বাস নষ্ট করে দেওয়া।
৪. শুরুতে তিনি খুব রোমান্টিক ছিলেন, এখন কেন এমন বদলে গেলেন?
একে বলে 'লাভ বোম্বিং' (Love Bombing)। শিকারকে জালে আটকানোর জন্য তারা শুরুতে অতিরিক্ত ভালোবাসা আর মনোযোগ দেখায়। একবার আপনি তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লে তিনি তার আসল রূপ দেখাতে শুরু করেন এবং আপনাকে অবমূল্যায়ন (Devaluation) করেন।
৫. তিনি কি কখনো নিজের ভুল স্বীকার করবেন না?
খুবই কম। একজন নার্সিসিস্টের কাছে তার ইগো বা অহংকার সবচাইতে বড়। এমনকি স্পষ্ট ভুলের জন্য তিনি আপনাকে বা অন্য কাউকে দায়ী করবেন। ক্ষমা চাওয়া তাদের ডিকশনারিতে নেই, আর চাইলেও তা হয় স্রেফ পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য।
৬. আমি কি ভালোবাসা দিয়ে তাকে পরিবর্তন করতে পারব?
দুঃখজনক হলেও সত্য—না। এটি একটি গভীর ব্যক্তিত্বের সমস্যা (Personality Disorder)। তারা মনে করেন তারাই ঠিক, তাই পরিবর্তনের প্রয়োজন বোধ করেন না। আপনার অতিরিক্ত ভালোবাসা তাদের কাছে কেবল আরও নিয়ন্ত্রণের সুযোগ মাত্র।
৭. নার্সিসিস্ট স্বামীর সাথে থাকলে আমার মনের ওপর কী প্রভাব পড়বে?
আপনি ধীরে ধীরে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি এবং চরম হীনম্মন্যতায় ভুগবেন। আপনি নিজেকে দোষী মনে করতে শুরু করবেন এবং আপনার সৃজনশীলতা ও আনন্দ হারিয়ে যাবে। আপনি স্রেফ একজন 'রোবট'-এ পরিণত হতে পারেন।
৮. সংসার টিকিয়ে রাখতে চাইলে আমার করণীয় কী?
যদি বিচ্ছেদ সম্ভব না হয়, তবে আপনাকে 'গ্রে রক' (Grey Rock) মেথড অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ তার কথায় কোনো ইমোশনাল রিঅ্যাকশন দেবেন না। তিনি আপনাকে রাগালে বা কাঁদালে যদি দেখেন আপনি নির্বিকার, তবে তিনি নিয়ন্ত্রণের আগ্রহ হারাবেন। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়।
৯. কখন বুঝব যে তাকে ছেড়ে চলে যাওয়াই একমাত্র পথ?
যখন দেখবেন আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ছে, আপনার সন্তানরা এই টক্সিক পরিবেশ দেখে বড় হচ্ছে এবং আপনার আত্মসম্মান একদম তলানিতে ঠেকেছে—তখন বিচ্ছেদের কথা ভাবা জরুরি। নিজের জীবন এভাবে শেষ হতে দেবেন না।
১০. এই ট্রমা থেকে বের হওয়ার উপায় কী?
প্রথমেই একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন। নিজেকে শিক্ষিত করুন এই ব্যাধি সম্পর্কে। নিজের হারিয়ে যাওয়া শখ আর বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ শুরু করুন। মনে রাখবেন, আপনি কোনো অন্যায় করেননি; আপনি কেবল একজন অসুস্থ মানুষের শিকার হয়েছেন।
নিজের মানসিক শান্তি সবার আগে নিশ্চিত করুন।
সংগ্রহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Narayanganj
