Evan Easmin
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Evan Easmin, Health/Beauty, Narsingdi.
মা বলল," বাবু তোর ফুফুর সাথে কথা বল।"
বলেই ফোনটা ফুফুর হাতে দিয়ে মা চলে গেল। আমি ফুফুকে সালাম দিয়ে জিঞ্জেস করলাম,"কেমন আছ?"
"ভালো আছি বাবা। তুই কেমন আছিস?"
"আছি ভালো।"
"তোর সাথে কিছু কথা আছে।"
"বলো ফুফু।"
ফুফু ফিসফিস করে বলল, "বাবু তোর বউ প্রেগেন্ট! পরে কথা বলব।"
আমার হাত থেকে মোবাইলটা পরে গেল! কী বলে ফুফু আমার বউ প্রেগনেন্ট! বিয়ে করেছি মাত্র তিন মাস। এরমধ্যে বউ কেমনে প্রেগনেন্ট হয়? তিন মাসে প্রেগন্ট হতে পারত যদি আমি দেশে থাকতাম বা বউয়ের সাথে দেখা হতো! বিয়েটাই হয়েছে মোবাইলে! ইমোতে কথা বললে মেয়েরা প্রেগনেন্ট হয়ে যায় এটা তো জানতাম না!
বাড়িতে কল দেয়নি কয়েকদিন। মা এমন একটা ফাউল মেয়েকে বিয়ে করাল! কয়েকদিন ধরে সুইটি কল দিচ্ছে। দেক এমন বউয়ের সাথে কথা বলার দরকার নাই। ইমুতে কথা বললেই যে মেয়ে প্রেগনেন্ট হয়ে যায়!
আজ মা কল দিচ্ছে! মায়ের কল না ধরে থাকা যায় না। কল ধরে বললাম, "কী হয়েছে মা?"
"তোর কী হয়েছে বাপ?"
"আমার তো কিছু হয়নি মা।"
"বউমার কল ধরিস না কেন!"
মা কী এ সব কিছু জানে না! ফুফু জানলে মা জানবে না কেন? সব জেনেও মা এ মেয়ের সাথে কথা বলতে বলছে! কিছুই বুঝলাম না।
"নে বউমার সাথে কথা বল।"
"হ্যালো।"
"বলো।"
"কী হয়েছে তোমার!"
"বাপের নাম কী?"
"ওসমান গনী।"
"তোমার বাপের নাম না ছেলের বাপের নাম?"
"জলিল।"
"আমার বাপের নাম জিঞ্জেস করেছি! পেটেরটার বাপ কে?"
"কার পেটে! কী বলো এ সব?"
মা আপনার ছেলে পাগল হয়ে গেছে!
"কী বলো? "
মা আবার ফোন ধরে বলল, যাও তো রান্নাটা দেখ। আমি ওর সাথে কথা বলছি।"
"কী হয়েছে বাবা?"
মা ফুফু বলল," সুইটি নাকি প্রেগনেন্ট!"
মা হাসছে! তুই জানোস না? তোর ফুফু পড়ালেখা জনে না। তোর বউ সামনে এসে পড়ায় প্রেজেন্ট বলেছে!
cp
যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন 📕সাহিত্য-কাব্য📗
টিচার আমার ক্রাশ🥰🥰
কলেজ এ যাওয়া একরকমের বিরক্তি আমার কাছে। একদিন মনে হলো কলেজ যাব,তাও আবার সেজে গুজে। যেই কথা সেই কাজ, সেজে গুজে কলেজ চলে গেলাম। তিন টা ক্লাস করলাম, তিন্টা ক্লাস ই ম্যাম এর ছিল। বোরিং লাগতেছিল বাসায় চলে যাওয়ার জন্য ক্লাস থেকে বের হবো,অই মূহুর্তে একজন সুদর্ষন স্যার ক্লাসএ ঢুকল,আর বের হওয়া হলো না ক্লাস থেকে। প্রথম দেখাতেই স্যার এর প্রেমে পরে গেলাম।
সারাটা ক্লাস স্যার এর দিকে তাকিয়ে ই কাটিয়ে দিয়েছি,। স্যার মাত্র আমাদের ২ টা ক্লাস নেয়, তাতে আমার ভালো লাগে না,।স্যার অন্য ডিপার্টমেন্ট এ ও ক্লাস নেয়,তাই আমিও অন্য ডিপার্টমেন্ট এ গিয়ে ক্লাস করি শুধু মাত্র স্যার কে দেখার জন্য। হয়তোবা স্যার ও আমার এ দরনের আচরনে বুঝতে পারত,কিন্তু স্যার নিজের মতো করে ক্লাস করে চলে যায়।এভাবেই অতিবাহিত হয় ডিপ্লোমা লাইফের ৩ টা বছর। তাও স্যার কে বলতে পারি নি আমার মনের কথা।এ ভাবে চলতে চলতে ডিপ্লোমা লাইফ ই শেষ হয়ে যায়। যে যার মতো করে ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত হতে থাকে,।
আমার পরিচয় দিতেই ভুলে গেছি,
আমি ইয়াস আহমেদ তুহি আর যাকে নিয়ে বলতেছি তিনি আমার টিচার, ওনার নাম রাব্বি হোসেন।
গল্পে যাওয়া যাক,,৷
এই ৪ বছরের শেষ এর দিকে স্যার অন্যত্র চলে যায়।আমার মনটাই ভেঙে গেল, খাওয়া দাওয়া সব বন্ধ করে দিছিলাম😑 স্যার এর জন্য।
আমি আমার মতো করে জব খুজতেছিলাম। আর আমি একটা ভালো মানের জব পেয়েও যাই। আমি যে জব টা পেয়েছিলাম , সেটা হলো অফিসিয়াল জব। সব সময় বস এর সাথে থাকতে হবে। আমি কলেজ এ থাকতে চঞ্চল প্রকৃতির ছিলাম। কিন্তু জবে এসে অচেনা সবার সাথে পরিচয় হতে সময় লাগে।
এমনটা আমার সাথে কেন হলো আমি নিজেও জানি না। অফিসের সবাই বলা বলি করে যে বস নাকি অনেক হার্ড প্রকৃতির মানুষ। আমার অফিস জীবনে ও দের বছর কেটে যায়। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমি আমার বস কে দেখতে পারলাম না😥।
আমার বিয়ের বয়স ও হয়েছে তাই বাবা মা বিয়ের জন্য জোর করতেছে।আমি এতদিন এ হয়তো স্যার এর গলার কন্ঠও ভুলে গেছি।
যাইহোক, বাবা মা আমার জন্য পাত্র দেখা শুরু করে।আমাকে বলেও ছিল আমার কোনো পছন্দ আছে কি না। কি আর বলব, বরাবর না ই বলতে হলো। আমি বললাম তোমরা যার সাথে বিয়ে দিবে তার সাথেই বিয়ে করতে রাজি আমি। পাত্র পক্ষ আসলো, কথা বার্তা বলল,পাত্র পক্ষের সবার সাথেই আমার কথা হলো। কিন্তু যারসাথে বিয়ে সেই আসলো না। তাতে অবশ্য আমার কিছু যায় আসে না।বিয়ের বন্দোবস্ত সবই করা হ
Click here to claim your Sponsored Listing.
