Ceragem Natore
This is healthcare
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের মাধ্যমে পরিচালিত স্বনামধন্য “সেরাজেম নাটোর” শাখায় অফিসিয়াল কাজের জন্য অল্প সংখ্যক ছেলে-মেয়ে নিয়োগ প্রদান করা হবে। সবার সাথে সুন্দরভাবে কথা বলার গুণসম্পন্ন হতে হবে। আপনি যদি নিজেকে যোগ্য মনে করেন তাহলে জীবনবৃত্তান্তসহ সরাসরি যোগাযোগ করুন।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
কর্মক্ষেত্র: নাটোর সদর।
আবেদনের সময়সীমা: ১৮/১০/২০২১ এর মধ্যে সশরীরে আসতে হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা: হোল্ডিং ৩৩/২৭, চকরামপুর মাদ্রাসা রোড, আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দক্ষিণ পাশে।
ফোন: ০১৩১৫-৬৩০১৩১
29/08/2021
#কোভিড_১৯
#টিকা
মূলত যে সকল ভ্যাকসিনগুলো এসেছে আমরা অনেকে নামটাই শুধু জানি কিন্তু এর বিশেষত্ব কতটুকু কার্যকরী তা এখনও ওয়াকিবহাল নই।
তাই আমাদের সকলের সুবিধার্থে আজকে ভ্যাকসিন সম্পর্কে কিছু আলোচনা উপস্থাপন করা হলো-
কারা ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন?
কোন ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কতটুকু??
#গর্ভবতী_মায়েরা_কোভিড১৯_ভ্যাক্সিন_নিতে_পারবেন?
👉 গর্ভের ১৪-৩৩ সপ্তাহের মধ্যে যে কোন ধরনের কোভিড১৯ ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন। (যদি সরকার অনুমোদন দেয়)।
#গর্ভের_শিশু_কি_সুরক্ষা_পাবে?
👉১৪-৩৩ সপ্তাহের মধ্যে ২ ডোজ ভ্যাক্সিন গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারলে মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া এন্টিবডি রক্তের মাধ্যমে গর্ভের শিশুর শরীরে যাবে এবং শিশু করোনাভাইরাস আক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাবে।
#মা_এবং_বাচ্চার_কোন_ক্ষতি_হবে_কিনা?
👉 গবেষণায় (BMJ) দেখা গিয়েছে এখন পর্যন্ত যে সব দেশে গর্ভবতী মায়েরা টীকা পেয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে মায়েদের ভ্যাক্সিন পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেটা সবারই হতে পারে) ছাড়া অন্য কোনো সমস্যা হয়নি।
এবং বাচ্চার কোন সমস্যা হয়েছে বলেও গবেষণায় প্রমান পাওয়া যায়নি।
#দুগ্ধদানকারী_মা_ভ্যাক্সিন_নিতে_পারবেন?
👉 অবশ্যই পারবেন এবং মায়ের কাছ থেকে বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার শরীরে এন্টিবডি গিয়ে বাচ্চাকে সুরক্ষা দিবে।
এতে মায়ের (ভ্যাক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাদে) এবং বাচ্চার কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
#গর্ভবতী_এবং_দুগ্ধদানকারী_মা_ভ্যাক্সিন_নেয়ার_আগে_বা_পরে_কোন_সতর্কতা_অবলম্বন_করবেন_কিনা?
👉 না। তেমন কোনো সতর্কতার দরকার নাই। স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
#ভ্যাক্সিন_নেয়ার_পরে_কি_ধরনের_পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া_হতে_পারে?
👉 জ্বর, মাথা ব্যাথা, শরীর ব্যাথা, ক্লান্তি লাগা, ভ্যাক্সিন দেয়ার জায়গায় মাংসপেশিতে ব্যাথা বা লাল হয়ে যাওয়া। এগুলো যে কারোরই হতে পারে।
#যে_সব_মায়েদের_ডায়াবেটিস_উচ্চরক্তচাপ_হাঁপানী_কিডনি_রোগ_আছে_তারা_কি_ভ্যাক্সিন_নিতে_পারবেন?
👉 হ্যাঁ। তারাও নিতে পারবেন তবে ভ্যাক্সিন নেয়ার আগে এসব রোগ থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে তারপর ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন। সেজন্য নিয়মিত চিকিৎসা নিতে হবে এবং ভ্যাক্সিন নেয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
#কারা_ভ্যাক্সিন_নিতে_পারবেন_না?
👉 জ্বর, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী যিনি কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন, ২ সপ্তাহের মধ্যে অন্য কোন ভ্যাক্সিন নিলে, যাদের প্রকট এলার্জির সমস্যা এবং যাদের ভ্যাক্সিনের কোনো একটি উপাদানে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (আগে যদি এমন হয়ে থাকে)
সকলে টিকা নিন, মাস্ক পড়ুন, সচেতন হোন।
25/12/2020
Important
17/12/2020
16-12-2020. We are here always for you and will remain. "CERAGEM NATORE" is yours. All of you are invited.
24/11/2020
23.11.2020 we celebrate the 22th Aniversary of GLOBAL CERAGEM
10/10/2020
World spine day is comming..........
06/09/2020
CERAGEM No. 1
CERAGEM Center maintaining personal hygiene and social distance
#গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ড. বিজন কুমার শীল বলেন, করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করার দুটি পথ খোলা রয়েছে। একটি হচ্ছে, ভিটামিন সি জাতীয় খাবার পেয়ারা, লেবু, আমলকি অথবা ভিটামিন সি ট্যাবলেট খেতে হবে। এর সঙ্গে সম্ভব হলে প্রতিদিন রাতে একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন। ভিটামিন সি এবং জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতেজ, সজীব রাখে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
#আরেকটি হচ্ছে কেউ যদি আক্রান্ত হন, যেমন গলাব্যথা, শুকনো কফ ছাড়া কাশি, কাশি হবে কিন্তু কফ বের হবে না। এটা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণ। অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্তদের হাঁচি, সর্দি ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে করোনা ভাইরাস শুকনো কাশি দিয়ে শুরু হয়।
#এক্ষেত্রে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বেশি কড়া না হালকা রং চা বারবার খাওয়া, গরম পানি দিয়ে গার্গল করা। এর চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আদা, লবঙ্গ ও একটা গোলমরিচ পানি মিশিয়ে গরম করলে কালোমতো একটা রং হবে। এর সঙ্গে সামান্য মধু বা চিনি দিয়ে চায়ের সঙ্গে খেলে অথবা এই পানি দিয়ে গার্গল করতে হবে। এর ফলে গলায় যে ভাইরাসগুলো থাকে সেগুলো মারা যায়। এছাড়াও গলায় গরম লাগার ফলে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রং চায়ের এন্টিসেপ্টিক গুণও রয়েছে। বারবার শুকনো কাশির ফলে গলার টিস্যু ফেটে যেতে পারে। চা এই ইনফেকশন রোধ করে।
#আপনার জ্বর হোক বা না হোক, এই মুহূর্তে আমাদের সবার উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় গার্গল করা। এর ফলে শরীরে যদি ভাইরাস ঢোকেও তাহলে সেটা আর বাড়তে পারবে না। এটা শুধু করোনা ভাইরাস না আরও অনেক ইনফেকশনকে রোধ করতে পারে। কেউ যদি এটা প্রতিদিন করতে পারে, তাহলে তার আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা খুবই কম।
#করোনা ভাইরাসের কারণে যদি কখনও কারও পেটের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকালে এবং রাতে খেলে তার পেটের ইনফেকশন কমে যাবে। এসময় এমন রোগীকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে অনেক সমস্যা হয়।
#করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগকালেও যাদের বাইরে কাজ করতে হয়, যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যদের করণীয় সম্বন্ধে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, করোনা ভাইরাস শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তো আর আক্রমণ করে না। সময় নিয়ে আস্তে আস্তে শরীরের মধ্যে বাড়তে থাকে।
#এক্ষেত্রে বাসায় ফিরে গরম পানি পান করা, এক কাপ হালকা রং চা খাওয়া, নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নেয়া, পানির মধ্যে এক ফোঁটা মেন্থল দিলে আরও ভালো হয়। তাহলে নাকটা আরও ভালোমতো পরিষ্কার হয়ে যাবে, ফলে #ভাইরাস ঢুকলেও শরীরের মধ্যে বাড়তে এবং সুবিধা করতে পারবে না।
করোনা ভাইরাসের লক্ষনঃ-----
করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাই
অনুভব করতে পারেন:-------
০১। নাক দিয়ে জল পরা ।
০২। হাচি এবং কাশি ।
০৩। গলা ব্যাথা ।
০৪। শুকনা কাশি ।
০৫। শ্বাসকষ্ট ।
০৬। জ্বর(১০০ ডিগ্রি বা বেশি) ।
০৭। শ্বাস কষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে) ।
০৮। পাতলা পায়খানা ( severity বেশি হলে) ।
তাই উপরোক্ত লক্ষন যদি থাকে আপনার
প্রথম কাজ ঘরেই থাকুন ।
জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে ডাক্তারের কাছে আগেই আসার দরকার নেই । নিম্নোক্ত প্রেসক্রিপশনে সাতদিন ঔষধ খেতে থাকুন ।
Tab. Napa rapid 500mg/Napa Extend/ 665mg ( ভরা পেটে) ।
১+১+১-------------------- ৭দিন ।
Tab. Deslor / Tab. Fexo (120/180)
১+0+১-----------৭ দিন ।
Tab. Monas/Trilock/Lumona10mg
০+০+১----------৭দিন ।
Syp.Ambrox/ Dexpofen/Tuska plus
২ চামচ করে ৩ বেলা----------- ৭দিন
(কাশি বের হলে) ।
Tab.Ometid 20mg
১+০+১------------- ৭ দিন
( খাবার আগে) ।
যদি শ্বাসকস্ট হয় :------
Inhaler Bexitrol F
১ কাফ ১২ ঘন্টা পর পর ।
হাপানি রোগীরা বাড়িতে আগে থেকে অবশ্যই
নেবুলাইজার মেশিন রাখবেন এবং windal plus দিয়ে নেবুলাইজ করবেন ।
#অন্যান্যঃ----
প্রচুর পরিমান পানি খাবেন ।
গরম পানি খাবেন, গরম পানির কুলকুচি করবেন ।
৭ দিন ঘরে অবস্থান করবেন ।
মাস্ক পরিধান করবেন ।
হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে
পরিস্কার করুন ।
হাচি কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন ।
#দোয়াপড়ুন:---- বেশি বেশি (মুসলিমদের জন্য)ঃ
০১। আল্লাহুমা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি,ওয়াল জুনুনি,ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন শাইয়্যিল আসক্বম ।
০২। সুরা ফাতিহা প্রতিদিন ০৭ বার ।
০৩। সুরা ইখলাস ০৩ বার, সুরা ফালাক ০৩ বার, এবং সুরা নাস ০৩ বার করে পড়ুন ।
০৭ দিন পরও সুস্থ না হলে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার নির্দিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে যোগাযোগ করুন এবং আইডিসিআর এ ফোন দিয়ে তাদের আপনার অবস্থা বিষয়ে অবহিত করুন ।
আর করোনার লক্ষন গুলো আপনাদের মাঝে থাকলে আইইডিসিআর( IEDCR) খবর দিন ।
যোগাযোগ ঃ 16263,
# 01550064901-05
# 01401184551,
# 01401184554-56,
# 01401184559-60
# 01401184559-60
# 01401184563,
# 01401184568
# 01927711784-85
# 01937000011
# 01937110011
In sha Allah will save us from this disaster...
এটি শেয়ার করে সকলকে অবহিত করুন,
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে । **Dr. Sumaiya Simu**
কিছু খুব গুরুত্বপূর্ণ উপদেশঃ-
1. ১ বছর বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত রাখুন।
2. ১ বছরের জন্য বাইরের খাবার খাবেন না।
৩. অপ্রয়োজনীয়, বিবাহ বা অন্যান্য অনুরূপ অনুষ্ঠানে যাবেন না।
৪. অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ করবেন না।
৫. কমপক্ষে ১ বছরের জন্য ভিড়ের জায়গায় যাবেন না।
6. সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলি সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করুন।
7. যে ব্যক্তির কাশি হয়েছে তার থেকে দূরে থাকুন।
৮. বাহিরে বের হলেই মাস্ক পরুন।
9. আগামী দুই সপ্তাহ অধিক সাবধানতা অবলম্বন করুন।
১০. আপনার চারপাশে কোনও গোলমাল হতে দেবেন না ।
12. আগামী ৬ মাস সিনেমাহল, শপিং মল, ভিড়ের বাজারে যাবেন না। সম্ভব হলে পার্ক, পার্টি ইত্যাদিও এড়ানো উচিত ..
13. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন।
14. নাপিতের দোকানে বা বিউটি সেলুন পার্লারে থাকাকালীন খুব যত্নবান হন।
15. অপ্রয়োজনীয় সভাগুলি এড়িয়ে চলুন, সর্বদা সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রাখুন।
16. করোনার হুমকি শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে না।
17. আপনি বাইরে বেরোনোর সময় বেল্ট, রিংগুলি, কব্জি ঘড়িটি পরবেন না। ঘড়ির দরকার নেই। আপনার মোবাইল সময় পেয়েছে।
18. কোনও রুমাল ব্যবহার করবেন না। সানাইটিজার এবং টিস্যু প্রয়োজন হলে নিন।
19. আপনার ঘরে জুতো আনবেন না। তাদের বাইরে রেখে দিন।
20. আপনি বাইরে থেকে বাড়ি এলে আপনার হাত ও পা পরিষ্কার করুন।
21. আপনি যখন মনে করেন আপনি সন্দেহজনক রোগীর কাছে এসেছেন তখন পুরো গোসল করুন।
লকডাউন বা লকডাউন নেই পরবর্তী 6 মাস থেকে 12 মাস এই সতর্কতা অনুসরণ করুন।
এটি উপদেশগুলো আপনার সমস্ত পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
ধন্যবাদ।
করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করাই সব থেকে ভালো উল্লেখ করে অনুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বলেন, দুটি পথ খোলা রয়েছে- একটি হচ্ছে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত না হতে চাইলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বিধি বিধান মেনে চলতে হবে। ভিটামিন সি জাতীয় খাবার পেয়ারা, লেবু, আমলকি অথবা ভিটামিন সি ট্যাবলেট খেতে হবে। এর সঙ্গে সম্ভব হলে প্রতিদিন রাতে একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন। এগুলো করোনা বিরুদ্ধে প্রতিরোধে খুব ভালো কাজ করে।
ভিটামিন সি এবং জিংক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতেজ, সজীব রাখে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
[৭] আরেকটি হচ্ছে কেউ যদি আক্রান্ত হন, যেমন গলাব্যথা, শুকনো কফ ছাড়া কাশি, কাশি হবে কিন্তু কফ বের হবে না। এটা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণ। অন্য ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্তদের হাঁচি, সর্দি ও নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে করোনা ভাইরাস শুকনো কাশি দিয়ে শুরু হয়। এক্ষেত্রে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বেশি কড়া না হালকা রং চা বারবার খাওয়া, গরম পানি দিয়ে গারগেল করা। এর চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আদা, লবঙ্গ ও একটা গোলমরিচ পানি মিশিয়ে গরম করলে কালোমতো একটা রং হবে। এর সঙ্গে সামান্য মধু বা চিনি দিয়ে চায়ের সঙ্গে খেলে অথবা এই পানি দিয়ে গারগেল করতে হবে।
[৮]এর ফলে গলায় যে ভাইরাসগুলো থাকে সেগুলো মারা যায়। এছাড়াও গলায় গরম লাগার ফলে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রং চায়ের মধ্যে কিন্তু আবার এন্টিসেপ্টিক গুনাগুণও রয়েছে। বারবার শুকনো কাশির ফলে গলার টিস্যু ফেটে যেতে পারে। চা এই ইনফেকশন রোধ করে।
[৯]আপনার জ্বর হোক বা না হোক এই মুহূর্তে আমাদের সবার উচিত সকালে ঘুম থেকে উঠে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় গারগেল করা। এরফলে শরীরে যদি ভাইরাস ঢোকেও তাহলে সেটা আর বাড়তে পারবে না। এটা শুধু করোনা ভাইরাস না আরও অনেক ইনফেকশনকে রোধ করতে পারে। কেউ যদি এটা প্রতিদিন করতে পারে, তাহলে তার আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে যদি কখনও কারও পেটের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে নিমপাতা বেটে সবুজ রসের সঙ্গে এক চামচ হলুদের গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকালে এবং রাতে খেলে তার পেটের ইনফেকশন কমে যাবে, সে অনেক ভালো থাকবে। এসময় এমন রোগীকে এন্টিবায়োটিক খাওয়ালে অনেক সমস্যা হয়।
[১০] করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগকালীন সময়েও যাদের বাইরে কাজ করতে হয়, যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যদের করণীয় সম্বন্ধে জানতে চাইলে ড. বিজন কুমার শীল বলেন, করোনা ভাইরাস শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেইতো আর আক্রমণ করে না। সময় নিয়ে আসতে আসতে শরীরের মধ্যে বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে বাসায় ফিরে গরম পানি পান করা, এক কাপ হালকা রং চা খাওয়া, নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নেওয়া, পানির মধ্যে এক ফোঁটা মেন্থল দিলে আরও ভালো হয়। তাহলে নাকটা আরও ভালোমতো পরিষ্কার হয়ে যাবে ভাইরাস ঢুকলেও শরীরের মধ্যে বাড়তে এবং সুবিধা করতে পারবে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Natore
3400
