Tonni'S Dream'S

Tonni'S Dream'S

Share

WelcomE to my DreaM ProjecT

Hotline Number: +8801317715838

10/10/2025

True Reality..!

02/07/2025

আপনার বেতন যদি ৫০,০০০/- টাকার আশেপাশে হয়, তাহলে আপনাকে একটা মজার জিনিস দেখাই।

২০১১ সালে ডলারের দাম ছিল প্রায় ৭৭ টাকা।
২০২১ সালে সেটা দাঁড়ায় ৮৫ টাকায়।

মানে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ২০১১ সালে আপনার ৫০,০০০ টাকা বেতন ছিল প্রায় ৬৪৯ ডলার।
পরবর্তী ১০ বছরে যদি প্রতি বছর আপনার বেতন ৫০০ টাকা করে বাড়ে, তাহলে ২০২১ সালে তা দাঁড়ায় ৫৫,০০০ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৬৪৭ ডলার (১ ডলার = ৮৫ টাকা ধরে)।

অর্থাৎ, বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির (ইনফ্লেশন) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আপনাকে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়েছে—যেটা আপনাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রায় একই জায়গায় রেখেছে।
যদিও বাস্তবে এটা যথেষ্ট নয়, কারণ এই ১০ বছরে আপনার কাজের মান, অভিজ্ঞতা, পারিবারিক দায়-দায়িত্ব ও খরচ—সবকিছুই বেড়েছে। তাহলে বেতনও কি বাড়া উচিত ছিল না?

তবুও, তর্কের খাতিরে ধরে নিই এই "সাম্যাবস্থা"–ই যেন অনেক বড় প্রাপ্তি।

এবার চলুন, দেখি গত তিন বছরের হিসাব।

২০২১ সালে আপনি ৫০,০০০ টাকা বেতনে চাকরি করতেন।
২০২৪ সালে সেই বেতন যদি হয় ৫২,০০০ টাকা (বা সর্বোচ্চ ৫১,৫০০), তাহলে?

২০২১ সালে ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা ⇒
আপনার বেতন ছিল প্রায় ৫৮৮ ডলার।

২০২৪ সালে ডলার ১২৫ টাকা ⇒
আপনার বেতন এখন হলো মাত্র ৪১৬ ডলার!

এই তিন বছরে আপনার অভিজ্ঞতা বেড়েছে, দক্ষতা বেড়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, খরচ বেড়েছে... কিন্তু বেতন? তা কমে গেছে, নীরবে!

তবে এই “কমে যাওয়া” আপনি টের পাচ্ছেন না, কারণ আপনার ব্যাংক একাউন্টে আগের চেয়ে ২-৩ হাজার টাকা বেশি ঢুকছে।
কিন্তু বাস্তবে? আপনি প্রতি মাসে ১৭২ ডলার কম পাচ্ছেন!

যে ব্যক্তি ৫০,০০০ টাকা বেতনে আগে ১০-১৫ হাজার টাকা জমানোর কথা ভাবতে পারত, এখন সে বাঁচতেই হিমশিম খাচ্ছে।
জমানো তো দূরের কথা—পরিবারের ন্যূনতম প্রয়োজনই মেটাতে পারছে না।

কাকে দোষ দেবেন? জানি না। কেউই জানে না। জানলেও বলে না।

কেউ ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কিনে ইনস্টাগ্রামে রিল বানায়,
আর কেউ ভাগে কুরবানি দিতেও ১৫ হাজার টাকার সংস্থান করতে পারে না।

যে সৎভাবে বাঁচতে চায়, সে প্রতিদিন রাতে মানসিক চাপ নিয়ে ঘুমায়।
আর যে অসৎভাবে চলে, সে রাজার হালে 'বেহেশতি' সুখে মগ্ন।

জীবন চলে যাচ্ছে—
কারওটা হিমশিম খেয়ে,
কারওটা কোটি টাকার গরু খেয়ে,
কারওটা পুরো দেশটাই খেয়ে ফেলে, রিসোর্ট বানায়, হোটেল বানায়, বিদেশে বসে বিলাস করে।

আর আমরা?
আমরা হয়ে যাচ্ছি খাদ্যদ্রব্য।

ওরাই আমাদের খেয়ে নিচ্ছে।
ওই ১৫ লাখ টাকার ছাগলটা আসলে একটা আয়না।
ছাগলটা আমরাই।

~ সংগৃহীত ~

30/05/2025

যুলহিজ্জার প্রথম ১০ দিন— বছরের শ্রেষ্ঠ দিন, অথচ আমরা অনেকেই তার গুরুত্ব বুঝে উঠি না। আপনি যদি পর্ব ১ থেকে এখন পর্যন্ত প্রথম ৫টি প্রস্তুতি মেনে চলার চেষ্টা করে থাকেন, তাহলে এই অংশটুকু আপনার যাত্রাকে সম্পূর্ণ করবে ইনশাআল্লাহ।

🔸 ৬. আরাফার রোযার প্রস্তুতি নিন — যেন কিছুতেই মিস না হয়

৯ যুলহিজ্জা‌ হলো আরাফার দিন। রাসূল ﷺ বলেন—
“আমি আশাবাদী, আল্লাহ তা’আলা আরাফার রোযার মাধ্যমে আগের বছরের ও পরের বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।”
(সহীহ মুসলিম)

তাই এখন থেকেই পরিকল্পনা করুন—

কীভাবে একটু ছুটি নেবেন

ইফতার প্ল্যান করবেন

এই দিন কুরআন ও দোয়ায় মনোযোগ দেবেন?
আপনি চাইলে এই দিনটিকে একটি “আমার ক্ষমা
চাওয়ার দিন” বলে ঘোষণা দিতে পারেন আপনার অন্তরে।

🔸 ৭. সদকা দিন — সামান্য হলেও প্রতিদিন দিন এই ১০ দিন জুড়ে। কুরআনে আল্লাহ বলেন—“তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, আল্লাহ তার প্রতিদান দেবেন।” (সূরা সাবা ৩৯)

আপনি প্রতিদিন ১ টাকা, ১০ টাকা কিংবা একটি খাবারও কারো জন্য সদকা হিসেবে দিতে পারেন

একটি পানি পান করানো সাদাকাহ

একজন আত্মীয়ের পাশে দাঁড়ানো সাদাকাহ

গরীব আত্মীয়কে কিছু টাকা পাঠানো সাদাকাহ

অনলাইনে গাজা বা ইয়েমেনের জন্য দান করুন ।

আবার সাদাকাহ শুধু টাকা দেয়া নয়—একটি হাসিও সদকা।

রাসূল ﷺ বলেন: “আগুন থেকে বাঁচো, একটুকরো খেজুর দান করেও যদি হয়।” (বুখারী ও মুসলিম)

🔸 ৮. নিজেকে গোপনে ভালো কাজের জন্য প্রস্তুত করুন — কাউকে না বলেও করুন কিছু আমল। এমন একটি আমল ঠিক করুন, যা আপনি শুধু আল্লাহর জন্য করবেন, কাউকেই জানাবেন না।

এটা হতে পারে—

প্রতিদিন রাতের অর্ধেক সময় ২ রাকাত তাহাজ্জুদ

কাউকে চুপিচুপি সাহায্য করা

প্রতিদিন একটি দোয়া নির্দিষ্ট করা কারো জন্য

এই আমলটি আপনার আল্লাহর সাথে গোপন ভালোবাসার নিদর্শন হয়ে থাকবে ইন শা আল্লাহ।

রাসূল ﷺ বলেন:
“সাত শ্রেণির মানুষ কিয়ামতের দিন আরশের ছায়ায় থাকবে… তার মধ্যে একজন হলো— যে এমনভাবে দান করে, তার বাম হাত জানে না, ডান হাত কী দিয়েছে।” (বুখারী ও মুসলিম)

🔸 ৯. ইসলামি জ্ঞান চর্চা করুন — প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট
যুলহিজ্জার এই ১০ দিন হোক আপনার জন্য একটি জ্ঞান ও হৃদয়শুদ্ধির সফর।

প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট:

একটি কুরআনের তাফসীর শুনুন

একটি হাদীস পড়ুন ও নিজের জীবনে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা লিখে রাখুন

একটি ইসলামী বই পড়া শুরু করুন (যেমন: ‘রিয়াদুস সালিহিন’, ‘আদাবুল মুফরাদ’)। এই ছোট ছোট জ্ঞান একদিন আপনার ঈমানের পাহাড় হয়ে দাঁড়াবে।

🔸১০. দুয়ার তালিকা তৈরি করুন — হৃদয়ের গভীর চাওয়াগুলো নিয়ে আল্লাহর দরবারে যান। এই দিনগুলোতে দোয়া সবচেয়ে বেশি কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এখনই একটি খাতা বা মোবাইলে “দোয়া লিস্ট” বানান:

নিজের ঈমানের জন্য

মা-বাবা, সন্তান, স্বামী/স্ত্রীর জন্য

মৃত্যুর পরের শান্তির জন্য

জান্নাতের জন্য

গুনাহ মাফের জন্য

মুসলিম উম্মাহর জন্য

দুয়াটা দিনশেষে নয়, বরং দিনজুড়ে ছড়িয়ে দিন।
রান্না করতে করতে, গাড়ি চালাতে চালাতে, ঘুমাতে যাওয়ার আগে…

একটা কথা বারবার নিজেকে মনে করিয়ে দিবেন—
এই ১০ দিন একবার চলে গেলে, হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।

আপনি হয়তো পরের বছর এই দিনগুলো পাবেন না…আমরা কেউ জানিনা কখন কি অবস্থায় জীবনের স্রোত এবং আল্লাহর পরীক্ষা নিয়ে যাবে; কিন্তু যদি এই বছর আপনি প্রস্তুতি নেন, তাহলে হয়তো আল্লাহ এই বছরই আপনার দুয়ার উসিলাতে আল্লাহ আপনার তাকদীর বদলে দেবেন।

আল্লাহ যেন আপনাকে ও আপনার পরিবারকে এই বরকতময় দিনগুলোর প্রতিটি মুহূর্তে তাঁর রহমত ও সন্তুষ্টির চাদরে মুড়ে দেন… আমীন।

#রাইটিং_থেরাপি

©️ Jinia Afroz Tonni

29/04/2025

যদি একজন পুরুষ মনে করে যে সে তার সন্তানদের ভালোবাসবে আদর করবে, অথচ তার স্ত্রীকে কষ্ট দেবে, তাহলে সে গভীরভাবে ভুল করছে। তুমি তোমার স্ত্রীকে যা দেবে—ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, অথবা যন্ত্রণা—সেই সত্যই সে তোমার সন্তানদের কাছে পৌঁছে দেবে। এটি জীবনের একটি অনস্বীকার্য সত্য, যা থেকে তুমি এড়াতে পারবে না। একজন নারী হলো একটি ঘরের আবেগগত এবং আধ্যাত্মিক ভিত্তি, এবং তার মঙ্গল সমগ্র পরিবারের আবেগগত পরিবেশকে প্রভাবিত করে।

যখন একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে লালন-পালন এবং সমর্থন করে, তখন সে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে ভালোবাসা এবং নিরাপত্তা বিকশিত হয়। এই ভালোবাসা তার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সন্তানদের কাছে পৌঁছায়। যে নারী লালিত ও সম্মানিত বোধ করে, সে উষ্ণতা এবং স্থিতিশীলতা বিকিরণ করবে। তার শান্তির অনুভূতি স্বাভাবিকভাবেই তার সন্তানদের বেড়ে ওঠার এবং সমৃদ্ধির জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী তৈরি করবে।

অন্যদিকে, যখন একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে আঘাত করতে বা অবহেলা করতে পছন্দ করে, তখন সে ঘরের সম্প্রীতিকে ব্যাহত করে। তার যন্ত্রণা তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি একটি নীরব বোঝা হয়ে ওঠে যা পরিবারের পরিবেশকে রূপ দেয়। উত্তেজনা এবং মানসিক যন্ত্রণায় ভরা একটি স্থানে বেড়ে ওঠা শিশুরা প্রায়শই সেই সংগ্রামগুলিকে অভ্যন্তরীণ করে, সেগুলি তাদের নিজের জীবনে বহন করে।

একজন পুরুষের জন্য এটা স্বীকার করা অপরিহার্য যে তার স্ত্রীর সাথে তার সম্পর্ক তার সন্তানদের মানসিক বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করে। যদি সে তাকে ভালোবাসা এবং নিরাপত্তা প্রদান করে, তাহলে তার সন্তানরা সুস্থ সম্পর্ক এবং মানসিক বুদ্ধিমত্তার গুরুত্ব শিখবে। যদি সে তার ক্ষতি করতে চায়, তাহলে সে তার সন্তানদের একই ধরণের কর্মহীনতার পুনরাবৃত্তি করতে শেখানোর ঝুঁকিতে থাকে।

একজন পরিবারে একজন মহিলার ভূমিকা অনন্য। তিনি প্রায়শই ঘরের হৃদয় হন এবং তার শক্তি দৈনন্দিন জীবনের ছন্দকে প্রভাবিত করে। যখন একজন পুরুষ এই ভূমিকাকে সম্মান করেন এবং তার সাথে যত্ন সহকারে আচরণ করেন, তখন তিনি তাকে এটি পূর্ণ হৃদয়ে পালন করার ক্ষমতা দেন। এই ক্ষমতায়ন কেবল তার উপকার করে না - এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাদের সন্তানদের মানসিক সুস্থতাকে গঠন করে।

একজন পুরুষ একজন দরিদ্র সঙ্গী হয়েও নিজেকে একজন ভালো বাবা বলে দাবি করতে পারে না। তার সন্তানদের মায়ের সাথে তার আচরণ তার শেখা সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলির মধ্যে একটি। ছেলেরা তাদের বাবাকে পর্যবেক্ষণ করে নারীদের সাথে কীভাবে আচরণ করতে হয় তা শিখবে, এবং মেয়েরা পুরুষদের কাছ থেকে কী আশা করতে হবে তা শিখবে। অতএব, একজন পিতার কর্মের গভীর এবং স্থায়ী প্রভাব রয়েছে।

অনেক পুরুষ এই সংযোগটি দেখতে ব্যর্থ হন, ধরে নেন যে তারা তাদের সম্পর্কগুলিকে বিভক্ত করতে পারেন। তারা বিশ্বাস করে যে তারা অনুপস্থিত থাকাকালীন বা ক্ষতিকারক সঙ্গী থাকা সত্ত্বেও প্রেমময় পিতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। কিন্তু শিশুরা অবিশ্বাস্যভাবে সংবেদনশীল। তারা অব্যক্ত গতিশীলতা লক্ষ্য করে এবং সেই পর্যবেক্ষণগুলিকে তাদের সম্পর্কের বোঝাপড়ায় প্রয়োগ করে।

সত্যি কথা হল, শিশুরা এমন পরিবেশে বেড়ে ওঠে যেখানে বাবা-মা উভয়ই মানসিকভাবে সুস্থ এবং একে অপরের প্রতি সহায়ক। যে পুরুষ তার স্ত্রীকে উন্নত করে কেবল স্ত্রীকে শক্তিশালী করে না বরং তার সন্তানদের বেড়ে ওঠার জন্য একটি স্থিতিশীল ভিত্তিও তৈরি করে। তার ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা তাদের বিশ্বদৃষ্টিকে রূপ দেয় এমন একটি উদাহরণ স্থাপন করে।

পুরুষদের এটাও বুঝতে হবে যে তাদের সন্তানদের রক্ষা করা শারীরিক নিরাপত্তার বাইরেও যায়। এর মধ্যে এমন একটি স্থান তৈরি করা জড়িত যেখানে মানসিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যদি সন্তানের মা অসমর্থিত, অবহেলিত বা আঘাতপ্রাপ্ত বোধ করেন তবে এটি ঘটতে পারে না। পরিবারের মধ্যে মানসিক ক্ষত বাইরের দিকে প্রবাহিত হয়, যা সকলকে প্রভাবিত করে।

আপনার সন্তানদের সত্যিকার অর্থে রক্ষা করার জন্য, তাদের মাকে রক্ষা করার জন্য। তার আত্মাকে লালন-পালন করুন এবং তার অবদানকে সম্মান করুন। যখন আপনি তার সুখ এবং সুস্থতায় বিনিয়োগ করেন, তখন আপনি আপনার পুরো পরিবারের মানসিক স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ করেন। আপনি তাকে যা দেন, সে দশগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার সন্তানদের কাছে ফিরে আসবে।

তাই প্রিয় মানুষ, একজন পুরুষ তার সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার যা রেখে যেতে পারে তা হল একটি প্রেমময় এবং সুরেলা অংশীদারিত্বের উদাহরণ। তার স্ত্রীর সাথে যত্ন এবং শ্রদ্ধার সাথে আচরণ করে, তিনি তার সন্তানদের ভালোবাসা, দয়া এবং পারস্পরিক সহায়তার মূল্য শেখান। এটি এমন সর্বজনীন সত্য যা আপনি এড়াতে পারবেন না - এবং প্রতিটি পুরুষেরই এটি গ্রহণ করা উচিত।

©

07/04/2025

আমরা 90's এর কিড যারা, তারা কপাল করে বাপ মা পাইছিলাম।

যারা কিনা পোলাপানের লাইফের থেকেও তরকারি পুড়ে যাওয়াকে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট মনে করতো 🥱🥱।

ছেলে মেয়ের মুড সুইং এর একমাত্র সমাধান ছিল তাদের কাছে বিছানা ঝাড়ু দিয়ে বারি দেওয়া 🙄🙄।

আর "মাই লাইফ, মাই রুলস" এর প্রতিউত্তরে তারা বলতো- "তোর গাল, আমার জুতা" 🤦‍♀️🤦‍♀️।

তাদের কাছে একমাত্র সার্বক্ষণিক কোমল অস্ত্র বলতে থাকতো গাল মুচড়ানি। যেটা তারা যেখানে সেখানে, যত্রতত্র ভাবে প্রয়োগ করতো 😷😷।

তারা এতোটাই সহজ সরল ছিল যে, তাদের পোলাপান বাই রে গিয়ে কারো হাতে মাইর খেয়ে আসলে তারা আবার মাইর দিতো। যেন নেক্সট টাইম ওখানে আর না যাই 😄😄।

তাদের ছেলে মেয়ের নামে কেউ বিচার দিলে তারা আগে একচোট মাইর দিয়ে তারপর জিজ্ঞেস করতো ঘটনা সত্য কিনা। যদি ঘটনা মিথ্যা হইতো তাহলে কান্না থামানোর জন্য আবার একচোট মাইর দিতো 😂😂😂।

আমরা 90's কিড, আমাদের টিফিনের টাকা জমায় আবেগ কেনার সুযোগ থাকত না, কারন আমাদেরকে টিফিন বাড়ি থেকে বানিয়ে ব্যাগের ভিতর দিয়ে দেওয়া হইতো 🫣🫣( আমি প্রতিদিন ২ টাকা পেতাম)।

এখন যেমন বাচ্চারা ভ্যাকেশনে দেশের বাহিরে যায়, আমরাও যাইতাম। বাট ডেস্টিনেশন সবসময়ই সেম, মামার বাড়ি দাদার বাড়ি তবে আমার ঢাকার অন্য জেলা ও আব্বার সুবাদে ঘুরা হয়েছে 🥱🥱।

আমরা ডিপ্রেশন, ফ্রাস্ট্রেশন এসব শব্দ জানতামই না স্যান্ডেলের বারির ভয়ে।

আমরা মুখে যতোই বলতাম আমরা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, আসলে আমরা ওসব কিছুই হতে চাইতাম না। আমরা শুধু বড় হইতে চাইতাম, ঠিক যতোটা বড় হলে আর কারো মাইর না খাওয়া লাগে।

31/03/2025

তিতা হইলেও কথা সত্য🤣😎

31/03/2025

Roman Reigns

04/03/2025

#সংসার

এত বড় মুড়োটা তুমি খেতে পারবে বৌদি ভাই? ভাত কাপড়ের দিন কাঁসার থালায় নতুন বৌয়ের জন্য সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ রকম ভাজা, শুক্তো, মাছের ল্যাজা, মাছের মুড়ো, তরিতরকারি, পায়েস| মুড়োর সাইজটা বেশ বড়| ছবি তোলা হবে বলে পরমা সমরেশকে বলেছিল বাজারের সবচেয়ে বড় কাতলার মুড়োটা নিয়ে আসতে| বউয়ের কথা বরাবরই শুনে এসেছে সমরেশ, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয় নি| ভাত-কাপড় অনুষ্ঠানের ছবি তোলার পালা শেষ, এবার নতুন বউ খেতে বসবে|

সেইসময় বড় মুড়োটার দিকে তাকিয়ে পায়েল কথাটা বলে উঠল| সমরেশ আর পরমার একমাত্র মেয়ে পায়েল| বাড়ির সব্বার বড্ড আদরের| এমনকি সুবীরেরও| মাছের মুড়ো, মাছের ভাল পিসটা, পছন্দের মাংসটা তার পাতেই সবার আগে তুলে দেয় পরমা| মুড়ো খেতে বরাবরই ভালোবাসে পায়েল, এত বড় মুড়ো তার নজর কাড়বে সেটাই স্বাভাবিক|

অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে উপস্থিত আত্মীয় স্বজনরা বুঝে গেলেন নতুন বৌয়ের পাতে দেওয়া মুড়োটা পায়েলের পছন্দ হয়েছে| সেটা খেতে চায় সে|

কিন্তু নতুন বউ অপূর্বা পায়েলের স্বভাবের সঙ্গে পরিচিত নয়, হাসিমুখে সে বলে উঠল, আমার না মুড়ো খেতে ভীষণ ভাল লাগে| আর কাতলা মাছের বড় মুড়ো তো আমার ফেভারিট| তুমি বরং ল্যাজার বাটিটা সরিয়ে নাও|

পায়েলের মুখে অন্ধকার ঘনিয়ে এল| সে বাড়ির সবার আদরের| কোনকিছু পছন্দ করেছে অথচ তাকে দেওয়া হয় নি এমনটা সে মানতে পারে না সহজে| গম্ভীর মুখে বলে ওঠে, ও ল্যাজা তুমিই খেয়ে নাও বৌদি, মুড়ো যখন খেতে পারব, তখন ল্যাজাটাই বা বাদ যায় কেন?

পরমার খুড়শাশুড়ির কোমর বেঁকে গেলেও জিভের ধার খরখরে| নতুন বউ যে দেখছি মুড়ো খেতে বড্ড ভালোবাসে রে পরমা, তোর ছেলের মাথাটা ভালই চিবিয়ে খেতে পারবে|

মাথা চিবিয়ে খাওয়ার দরকার আছে কি ঠাকমা, হেসে বলে ওঠে নতুন বৌমা, দুজনে কাজ করি, দুজনেই সাবলম্বী| পরস্পরের পাশে থাকব বলে বিয়ে করেছি| তাও তোমাদের কথা শুনে ভাত কাপড়ের অনুষ্ঠানটা নিষ্ঠা সহকারে পালন করেছি|

খুড় শাশুড়ি সবার সামনে কিছু আর বলেন না| পাশে দাঁড়িয়ে পরমাকে কানে কানে বলে ওঠে, সাবধানে থাকিস বউ| তোর বউমা খুব একটা সুবিধের বলে মনে হচ্ছে না| বড় মুখে মুখে চোপা|

আত্মীয় স্বজনরা নিজেদের মধ্যে কানাকানি করতে লাগল, কি আশ্চর্য দ্যাখো! নতুন বউ অথচ কোনো বিকার নেই| একটা মাত্র ননদ বলে কথা, একটু না হয় মুড়োটাই খেতে চেয়েছে আবদার করে, সেটুকুও দিতে পারল না! এ বউ নিয়ে পরমার কপালে দুঃখ আছে|

আরেকজন বলে উঠল, আরে প্রেম করে বিয়ে তো! ওই জন্যই অত ভাবনাচিন্তা নেই| দিব্যি নিশ্চিন্তে আছে|

সবকথাই পরমার কানে আসছিল| একপাশে দাঁড়িয়ে সে তাকিয়ে দেখছিল পরম যত্নে অপূর্বা মুড়োটা ভেঙে ভেঙে খাচ্ছে| স্বাদে আহ্লাদে মাতা মেয়েটার কানে এসব কথা যাচ্ছে কিনা সন্দেহ! মনের আকাশে বিরক্তির মেঘ জমছিল, এ কেমন মেয়ে পছন্দ করল তাঁর ছেলে? সামান্য একটা মুড়োর লোভ যে সামলাতে পারে না, সবাইকে মানিয়ে গুছিয়ে নিয়ে সে সংসার করবে কিভাবে? পায়েল তখনই ঘর ছেড়ে চলে গেছে| বৌভাতে সাজবে বলে ব্র্যান্ডেড দোকান থেকে দামী লেহেঙ্গা কিনেছিল মেয়ে| এখন সে দাদার বৌভাতে আদৌ যাবে কিনা, কে জানে? যা মুডি মেয়ে তার, পছন্দমতো কিছু না হলেই মুখ গোমড়া হয়ে যায়|

মাছের কয়েকটা মুড়ো ফ্রিজে তোলাই ছিল| আত্মীয় স্বজনদের জন্য সকাল থেকেই বাড়ির পিছনে রান্না চেপেছে| মাছও এসেছে দেদার| তার মধ্যে সবচেয়ে বড় মুড়োটা যত্ন করে নিজের হাতে ভেজে পরমা মেয়ের জন্য প্লেটে সাজিয়ে নিয়ে গেলেন| কিন্তু পায়েল কি অত সহজেই সবকিছু মেনে নেওয়ার মেয়ে? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সে, যে মুড়োর জন্য আজ সবার সামনে অপমানিত হয়েছে, সে মুড়ো এ জীবনে আর কখনো ছুঁয়েও দেখবে না|

আরে ও তো নতুন বউ, কিভাবে জানবে তোর কি পছন্দ? মিনমিন করে বলার চেষ্টা করল পরমা|

বিরক্তি ভরা মুখে পায়েল ঝঙ্কার দিয়ে ওঠে, তুমি আর ওর গোরে গোর দিও না মা| দুদিন মাত্র বিয়ে করে এসে মহারানী ভাবছেন মাথা কিনে নিয়েছেন| সবার সামনে আমাকে বেইজ্জত করা তো, আমিও দেখিয়ে দেব আমার পজিশন এ বাড়িতে কোথায়?

সে তোর যা খুশি করিস| কিন্তু এই মুড়ো তোকে খেতেই হবে| মুড়ো তোর বাবা কিনে এনেছে তার মেয়ের ভালোলাগে বলে| তুই না খেলে বাবা কষ্ট পাবে না? তখন বুঝি তোর ভাল লাগবে?

এবার একটু নিমরাজি হয় পায়েল| বাবাকে বড্ড ভালোবাসে যে! বাচ্চাদের মতো মেয়ের মুখে গ্ৰাস তুলে দিতে দিতে অপূর্বার ওপর ভয়ঙ্কর রাগ হচ্ছিল পরমার| এখন তার কত কাজ, কিন্তু ওই মেয়ের জন্য তাকে কাজকর্ম ফেলে পায়েলের রাগ ভাঙাতে হচ্ছে| এর পর যে কি হবে কে জানে? পায়েলের রাগ তিনি জানেন| একটা... একটা মাত্র মুড়োর জন্য প্রথমেই সম্পর্কটা জটিল হয়ে গেল| মুড়োটা পায়েলকে দিয়ে দিলে কি সমস্যা হত অপূর্বার? আদরের বৌদিভাইকে মাথায় তুলে রাখত সে! একটা শুধু একটামাত্র মুড়োর জন্য... রাগের চোটে পরমা ভুলে গেল অপূর্বাও বাপের একমাত্র মেয়ে, পায়েল যেমন তাঁদের কাছে আদরে মানুষ হচ্ছে, অপূর্বাও সেই একইরকম আদরে মানুষ হয়েছে, তার মা-বাবার কাছে, তাদের চোখে সেও রাজকন্যা ছাড়া কিছু নয়|

( ক্রমশ )

©️ Monkemoner dakbakso - Anindita

02/03/2025

আমার বিদেশী বান্ধবী আনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- সে কখন ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিলো?
সে হেসে বললো- যখন দেখলাম আমি তার পছন্দের আই মেকাপ করলেও সে টের পাচ্ছিলো না যে আমি স্পেশালি এইটা তার জন্য করেছি। যখন পছন্দের কেক বেক করলেও থ্যাংকস দেয়ার সময়টা সে পাচ্ছিলো না- তখন।
শুনে বুকের মধ্যে একটা ধাক্কা লাগলো কোথায় জানি!

মনে পড়লো নিজের কথা। যখন দিনের পর দিন একা একা লাগার কথা ননস্টপ একজনকে বলতাম আর সে বাংলাদেশে বসে বলত- আমিওতো একা!
আমার মনের দুঃখে হাসি পেতো। আমি বোঝাতে চেষ্টা করতাম- বাংলাদেশে একা হওয়া আর বিদেশে একা হওয়া এক না রে পাগলা।
একদিনের ঘটনা বলি- নার্ভাস ব্রেকডাউন আর প্রেশার লো হয়ে হাসপাতালে গেছি। হাসপাতাল রিলিজ দিলো রাত সাড়ে বারোটায়। লাস্ট বাসে উঠে বাসায় ফেরার স্টপেজ পার হয়ে ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে গিয়ে সাত স্টপেজ দূরে নেমে দেখি নেক্সট বাস ৫ ঘন্টা পরে! রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাসপাতালের ব্যান্ডেজ বাধা হাতে পাগলের মতো লিফট চাইলাম, লিফট পেলাম এক ফ্রেঞ্চ দম্পতির গাড়িতে। বাসায় নেমে আমার বাংলাদেশে থাকা এখনকার এক্স হাজবেন্ডকে যখন বললাম- আমার একা একা লাগে, সে বললো- আমিও একা!
হাহা!

মেয়েরা একদিনে চেঞ্জ হয়না, হয় আস্তে আস্তে। এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ। প্রথমে আপনি তাকে সুন্দর লাগছে বলা ছেড়ে দিলেন, সে এইটা মেনে নিলো। আপনি তার জন্য ফুল আনতেন, কিন্তু কিছুকাল পরে ফুল আনার কি দরকার- এইটা ভেবে আনাটা বাদ দিলেন। সে এইটা মেনেও নিলো।
আপনারা বিশেষ দিবসে শুরুর দিকে ঘুরতে যেতেন- সেই দিবসগুলো ভুলে যাওয়া শুরু করলেন। সে এবারও মেনে নিলো।
আপনি এখানেই থামলেন না- আরো 'অহেতুক' ব্যাপারগুলি ছেটে ফেলা শুরু করলেন।

কিন্তু আপনি ঘুণাক্ষরেও জানেন না, এন্টিবায়োটিক যেভাবে কাজ করে- আপনার পার্টনার মেয়েটা সেরকম আপনার ব্যাপারে মনের মধ্যে এন্টিবডি তৈরি শুরু করে দিয়েছে। এক সময় সে ফিল করবে- আপনাকে ছাড়াও তার চলবে। আপনি খেয়াল না করতে করতে এমন জায়গায় গেছেন যে মনে হবে- সে হয়তো নতুন অপশন পেয়ে গেছে, আপনাকে আর তার ভালো লাগেনা বলেই দুম করে ডিভোর্স অথবা ব্রেকাপের কথা বলছে।

আসল কথা হচ্ছে- আপনি তাকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছেন যেখানে সে একা হয়ে যেতে ভয় পায়না, মন খারাপ থাকা আপনার সাথে থাকার চেষ্টার চেয়ে শান্তির মনে হয়।

প্রিয় পুরুষ, এইদিন দেখতে না চাইলে আপনার সঙ্গের মানুষের যত্ন নেন। যত্ন নেয়া, ভালবাসা প্রথমে আবেগ হলেও পরে অভ্যাস। গাছের যেমন পানি লাগে, সূর্যের আলো লাগে, আগাছা পরিষ্কার করতে হয়- মানুষেরও তা লাগে। আপনি অযত্নে অবহেলায় একজনকে ফেলে রাখবেন আর সে আপনার জন্য জনম জনম বসে থাকবে- তা হয়না।

তাই ভালবাসার মানুষের যত্ন নেন। মনে রাইখেন- nothing is more hurtful than a broken woman!
যে আপনাকে একদিন ভালবেসেছে, যত্নের অভাবে সে ভালবাসা ভুলে শুধু নিজেকেই ভালবাসা শুরু করলে- তখন সেটাকে স্বার্থপরতা বইলেন না। আপনার জন্য স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছে বলেই নিজের ভালো থাকার স্বার্থ সে ভুলবে কেন?

সমাপ্ত

🖊️Jannatun Nayeem Prity






#সংগৃহীত





#অনুগল্প

সংগৃহীত

02/03/2025

ছোট খাটো একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি, প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। আজ ইফতারি দিয়েছি জামাইয়ের বাড়িতে, প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন,

- বাবা, কেমন আছেন?

- হ্যাঁ, মা ভালো। তুই ভালো আছিস ত?

- আছি বাবা ভালো।

- এইভাবে বলছিস কেনো? তোর শ্বশুররা খুশি হয়েছে তো?

- ওরা কিছু বলেনি। ফুফু (জামাইয়ের ফুফু) বলেছে ইফতারি একটু কম হয়েছে।

- (তখন আমার চোখের পানি টলটল করছিল) আচ্ছা মা বলিস, পরের বার থেকে আরো বাড়িয়ে দিবো।

- বাবা শুনো। তুমি আমাদের বাড়িতে ঈদে কাপড় দিবে না?

- হ্যাঁ মা, দিবো। কেনো?

- তুমি কাপড় দিওনা। খালা (জামাইয়ের খালা) বলেছে, কাপড় দিলে সবার পছন্দ হবে না। কাপড় না দিয়ে টাকা দিয়ে দিতে। ৩০,০০০৳ টাকা দিলে, সবার নাকি হয়ে যাবে।

- আচ্ছা মা। তুই চিন্তা করিস না। আমি এখনও বেঁচে আছি।

(আমার বুঝতে দেরী হলো না, এতক্ষণে মেয়ের চোখের অনেক জল গড়িয়ে পড়েছে।)

- আচ্ছা বাবা, এখন রাখি।

- আচ্ছা মা, ভালো থাকিস।

রাতে ছোট ছেলে নামাজ থেকে আসলো।

- বাবা, তুমি আছো?

- হ্যাঁ, আছি। কিছু বলবি?

হ্যাঁ, ঈদের পর ২য় সপ্তাহে সেমিস্টার ফাইনাল। বেতন, ফর্ম ফিলাপ ও অন্যান্য সহ ২৫ হাজার টাকা লাগবে। আমার টিউশনির কিছু টাকা আছে। আপনি ২০ হাজার দিলে হবে।

- আচ্ছা দেখি। খেয়ে ঘুমিয়ে পর।

না বাবা, লেট হলে এক্সাম দিতে পারবো না।

নতুন জামাই! বাড়িতে মৌসুমী ফলমূল দিতে হবে। তাতে ১০-১৫ হাজার টাকা দরকার। ঈদের পরে আবার কোরবানি, মেয়ের বাড়িতে গরু দিতে হবে। গরুর যে দাম, কমপক্ষে ৫০,০০০৳ টাকা তো লাগবে। আবার নিজের জন্য ও একটা লাগবে।

এইখানে শেষ নয়, আরো রয়েছে মেয়ের বাড়িতে দেওয়ার বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন আয়োজন।

এই সব চিন্তা করতে করতে না খেয়ে শুয়ে পড়েছি। নাবিলার মা অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেছিলো, কিছু না বলে শুয়ে পড়েছি।

মাথায় একটা বিষয় কাজ করছে। টাকা! টাকা! আর মেয়ের সুখ।

এইভাবে রাত ১২ টা। হঠাৎ করেই বুকের ব্যথাটা বেড়ে গেছে। ধীরে ধীরে আমি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। আমার হাত-পা গুলো অকেজো হয়ে আসছে। আমার সারা জীবনের অনেক স্বপ্ন অসমাপ্ত রয়ে গেছে। সেই চিন্তা গুলো এখনো আমার পিছু ছাড়ছে না।

পরদিন সকাল বেলা। সবাই কান্নাকাটি করছে। আমার ছোট মেয়ে আর আমার প্রিয় স্ত্রী সব চেয়ে বেশি কাঁদছে। শুনলাম বড় মেয়ে ইতি এরই মধ্যে এসে গেছে। সবার দিকে চেয়ে থাকলাম। অনেক কিছু বলতে চাচ্ছি। কিন্তু কিছুই বলতে পারতেছিনা। ঠিক ২ মিনিট পর আর কিছু জানি না।

এইভাবে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক বাবা। আর বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শত শত ছেলে-মেয়ে। হয়তো অনেকে এখন ও জানে না, তাদের বাবার মৃত্যুর রহস্য।

এইভাবে প্রতিনিয়ত আমরা হারাচ্ছি আমাদের প্রিয় বাবাদের।

আমাদের এই কু-প্রচলন কি পরিবর্তন হবে না? হচ্ছে না কেনো? কেন হচ্ছে না?

শহরে কিছুটা পরিবর্তন হলেও গ্রামে ৯০% লোক এই কু-প্রচলন থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি।

চলুন আমরা জেগে উঠি। ধ্বংস করি এই অপসংস্কৃতি।

- লিখা সংগৃহীত

(শেয়ার করে এই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন)

02/03/2025

রোজা আছি বলে তোর ফাজলামি সহ্য করতেছি, ইফতারের পর খালি একবার দেখা করিস।

28/02/2025
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Patuakhali?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Tonni Nursery
Patuakhali