Gacher Keramoti
আমি গাছ দিয়ে মানুষের রোগ প্রতি রোধ করি jogir vobon
মানব জিবনে কানে পানি আসলে কিংবা পেট বেথ্যার গুরুত্ব পূর্ণ মহা ঔষধ । manob jibona kana pani /pat bath
#থানকুনি #পাতার উপকারিতা #
আসসালামু আলাইকুম
সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি...
ইতোমধ্যে গাছের বিভিন্ন ঔষধি জ্ঞানকোষ নিয়ে উপস্থিত হলো সহী মতাদর্শের অনুকূলে পরিচালিত একটি বিশ্বস্ত ইউটিউব চ্যানেল;
যার নাম:
Gacher keramoti
আমার চ্যানেলের ভিডিও যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে লাইক, কমেন্ট, সেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করুন।
আমার চ্যানেল প্রচারিত আরও যে সব হেলথ টিপস বা ভেষজ গাছ ও ঔষধি গাছের ভিডিও আপনাদের উপকারে আসবে--
ধুতুরা গাছের 16 টি ঔষধি গুনাগুন। ধুতরো বা ধুতরা গাছ আমাদের দেশে সবার কাছেই কম-বেশি পরিচিত। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই অযত্ন অবহেলায় এ গাছ জন্মাতে দেখা যায়। এমনকি ২ হাজার ৫০০ মিটার উচ্চতায়ও ধুতরা গাছ জন্মে। ইংরেজি নাম : Datura, Jimsonweed, Stinkweed, Madapple, Thornapple, Stramonium. উদ্ভিদ তাত্ত্বিক নাম : Datura Stramonium. গোত্র : Solanaceae. ধুতরা গাছ ঝাড় বিশিষ্ট। উচ্চতায় প্রায় ১ মিটারের মতো, পাতা বড়, ত্রিকোণাকৃতির, রং সবুজ, শিরা ও মধ্যশিরা স্পষ্ট। ধুতরা গাছের দুটি প্রজাতি আমাদের দেশে চোখে পড়ে। সাদা ও কালো রঙের ধুতরা। সাদা রঙের ধুতরার বোঁটা, পাতা ও গাছ হালকা সবুজ রঙের এবং কালো রঙের ধুতরা গাছের পাতার বোঁটা ও গাছ বেগুনি মিশ্র রঙের।
ধুতরা গাছের ফুলের সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও মনোরম। বর্ষাকালে ধুতরা গাছে ফুল ফোটা শুরু হলেও হেমন্তকালজুড়ে গাছে ফুল দেখা যায়। গাছের শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে ফুল ধরে, দেখতে লম্বাকৃতির, সাদা জাতের ধুতরা গাছে সাদা ফুল এবং কালো জাতের ধুতরা গাছে সাদা-বেগুনী মিশ্র রঙের ঊর্ধ্বমুখী ফুল ফোটে। ফুলে মৃদু গন্ধ আছে। পড়ন্ত বিকাল থেকে সন্ধ্যায় গাছে ফুল ফোটে। দিনে রোদের আলোয় ফুল সংকুচিত হয়ে যায়, সন্ধ্যায় আবার পাপড়ি মেলে। এভাবে ফুটন্ত ফুল ২ থেকে ৩ দিন তাজা থেকে ঝরে যায়। ধুতরা স্ব-পরাগায়িত ফুল, ফুলের ভেতর পুংদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড অবস্থিত। ফুল শেষে গাছে ফল হয়, ফল গোলাকার, ফলের গায়ে ছোট-ছোট কাঁটায় ভরা থাকে। কচি ফল প্রথমে সবুজ ও পরিপক্ব ফলের রং খায়েরি। ফল পাকলে চারটি প্রকোষ্টে বিভক্ত হয়ে যায়। ফলের ভেতর বীজ হয়, বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটে
কুচিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ অংশ হল এর বীজ। বীজ অতিশয় বিষাক্ত, বীজ পক্ষাঘাত, উদরাময় স্নায়বিক দৌর্বল্য, রক্ত আমাশয়, অবিরাম জ্বর, রক্তহীনতা বহুমূত্র, কোষ্ঠবদ্ধতা, পেট ফাঁপা, পেট বেদনা, অর্শ, মৃগী, লালামেহ, শুক্রমেহ, ইন্দ্রিয়শৈথিল্য, ব্রঙ্কাইটিস, কাশি, বাত, অনিদ্রা, জলাতঙ্ক প্রভৃতি রোগে সাফল্যজনক ভাবে ব্যবহৃত হয়। অতিমাত্রায় ইহা বিষক্রিয়া প্রকাশ করে, টিটেনাসের মত খিঁচুনি সৃষ্টি করে, রক্তচাপ বৃদ্ধি করে এবং মৃত্যু ঘটাতে পারে।
পেট ফাঁপা, পেট বেদনা, উদরময়, অজীর্ণ প্রভৃতি রোগে কুচিলা বীজ, হরিতকী, পিপুল, গোলমরিচ, আদা, সৈন্ধব লবণ ও গন্ধক সমপরিমাণ লয়ে চার গ্রেন পরিমাণ মাত্রায় বড়ি গরম পানিসহ আহারের পর পর সেবন করলে ভাল উপকার পাওয়া যায় । কুচিলা, গোলমরিচ এবং আফিম প্রতি দুই গ্রেন মাত্রায় একত্রে নিয়ে বড়ি প্রস্তুদ্ধ করে সেবন করলে স্নায়বিক রোগে উপকার দর্শে।
আশেওরা একটি ভেষজ উদ্ভিদ। 3-4 ফুট লম্বা হতে পারে। কিছু গাছ এক থেকে পাঁচটি পাতাসহ 6 ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতাগুলি ডিম্বাকৃতি, মসৃণ এবং পাতলা। পাতার রং সবুজ। পাতার দৈর্ঘ্য ৩-৪ ইঞ্চি। মাঝ বরাবর 2-2.5 ইঞ্চি চওড়া। কান্ড থেকে পর্যায়ক্রমে পাতা বের হয়। ফুল গাঢ় সবুজ। মনজারি বহুমুখী। ফুলের ব্যাস 5-7 মিমি। পাপড়ি চার থেকে পাঁচ। ফুলের একটি হালকা মিষ্টি সুবাস আছে। পুংকেশরের সংখ্যা 10। জরায়ু ছোট। ফল ছোট। 1-3টি দীর্ঘায়িত বীজ রয়েছে। নভেম্বর মাসে ফুল এবং মার্চ মাসে ফল। কিন্তু ফল পাকলে গোলাপি হয়ে যায়। ফলটি মটরের চেয়ে কিছুটা বড়। প্রতিটি শুঁটিতে 20-50টি ফল থাকে। কাণ্ডের রং ধূসর। কান্ড বেশ শক্ত। কাণ্ডের 1.5-2 ফুট পর্যন্ত খুব কমই কোনো শাখা নেই। কাণ্ডের প্রস্থ 1.5-2.5 ইঞ্চি পর্যন্ত। আশেওড়ার শিকড়, বীজ থেকে চারা গজায়
ভাঁট বা ঘেঁটু-এর বিভিন্ন অসুখে ব্যবহার: এটি স্বাদে তিক্তরসান্বিত, বলকারক, কামোদ্দীপক, পিত্ত বিকারে ও কফে হিতকর ও ব্যথা-বেদনানাশক। ঔষধার্থ এই গাছের পাতা, মূল ব্যবহার করা হয় পেটের অসুখ, চর্মরোগ ইত্যাদি রোগের ঘরোয়া ভেষজ ওষুধ হিসাবে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
5871
