Aloe Youth Care
Your Health & Beauty. Forever Living Product USA. Since(1978). We have:
Aloe Secience
Halal
Kosher
13/06/2020
শুকনো ফলের রাজা #কিসমিসের নানা উপকারিতা
#কিসমিস রান্নার কাজে অর্থাৎ সেমাই, পায়েশ, মিষ্টি জাতীয় খাবারে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া অনেকে এই #কিসমিস এমনি খেতেই পছন্দ করেন। কিন্তু আমাদের কি জানা আছে দেহের কি কি উপকারে আসে এই কিসমিস? একে কিন্তু শুকনো ফলের রাজাও বলা হয়।
#আঙুর ফলের শুকনা রূপ হলো কিসমিস। সোনালী-বাদামী রংয়ের চুপসানো ভাঁজ হওয়া ফলটি খুবই শক্তিদায়ক। এটি তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। তাপে #ফ্রুক্টোজগুলো জমাট বেঁধে পরিণত হয় কিসমিসে।
প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে- ২৯৯ কিলোক্যালরি শক্তি, কার্বোহাইড্রেট ৭৯.১৮ গ্রাম, প্রোটিন ৩.০৭ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪৬ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ৩.০৭ গ্রাম, ফোলেট ৫ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ০.৭৬৬ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৪৯ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১.৮৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ২৯৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১০১ মিলিগ্রাম।
#কিসমিস রক্তে শর্করার মাত্রায় ঝামেলা তৈরি করে না। এটি খেলে শরীরে রক্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায়, পিত্ত ও বায়ুর সমস্যা দূর হয়। এটি হৃদপিণ্ডের জন্যও অনেক উপকারি। এবার বিস্তারিতভাবে জেনে নেই কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে-
#দ্রুত দেহে শক্তি যোগায়
দেহে শক্তি সরবরাহ করতে কিসমিসের অবদান অনেক বেশি। কিসমিসে রয়েছে চিনি, #গ্লুকোজ এবং #ফ্রুক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে থাকে। তাই দুর্বলতা দূরীকরণে কিসমিসের কোন জুড়ি নেই।
#রক্তশূন্যতা_দূর করে
কিসমিসে আছে প্রচুর পরিমাণে লৌহ উপাদান। যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। #রক্তশূন্যতার কারণে অবসাদ, #শারীরিক দুর্বলতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যতে পারে এমনকি, #বিষণ্ণতাও দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে কিসমিস যথেষ্ট উপকারী।
#হজমে_সাহায্য করে
কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে #ফাইবার রয়েছে, যা দেহের পরিপাকক্রিয়া দ্রুত হতে সাহায্য করে এবং #কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।
#হাড়ের_সুরক্ষা দেয়
এই শুকনো ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে #ক্যালসিয়াম। যা হাড় মজবুত করতে বেশ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের ক্ষয় এবং বাতের ব্যথা থেকে দূরে রাখবে। তাছাড়া কিসমিসে আছে প্রচুর পরিমাণ বোরন, যা #অস্টিওপরোসিস_রোগের প্রতিরোধক।
#রক্তচাপ_নিয়ন্ত্রণে রাখে
কিসমিসে থাকা #পটাশিয়াম রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে থাকা উচ্চমাত্রার সোডিয়াম, রক্তচাপ বাড়ার প্রধান কারণ। কিসমিস শরীরের সোডিয়াম মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
#চোখের_জন্য উপকারি
কিসমিস চোখের জন্য যথেষ্ট উপকারি। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ #এন্টি_অক্সিডেন্ট, যা অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে। তাছাড়া কিসমিস খেলে সহজে শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে না। দৃষ্টি শক্তি হ্রাস ও চোখে ছানি পড়া থেকে দূরে রাখে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে করে
খাবারে প্রচুর পরিমাণ আঁশ থাকলে #কোলোরেক্টারাল ক্যান্সার ঝুঁকি কমে যায়। এক টেবিল চামচ কিসমিসে ১ গ্রাম পরিমাণ আঁশ থাকে। কিসমিসের #অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের কোষগুলোকে #ফ্রি_র্যাডিক্যাল ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে এবং #ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন হওয়ায় বাধা প্রদান করে।
#এসিডিটি_কমাতে সহায়তা করে
রক্তে অধিক মাত্রায় #এসিডিটি (অম্লতা) বা #টক্সিসিটি (বিষ উপাদান) থাকলে তাকে বলা হয় #এসিডোসিস। #এসিডোসিসের (রক্তে অম্লাধিক্য) কারণে বাত, চর্মরোগ, হৃদরোগ ও ক্যান্সার হতে পারে। কিসমিস রক্তের এসিডিটি কমায়।
#কোলেস্ট্রোরেল_হ্রাস করে
কিসমিসে কোন কোলেস্ট্রোরেল থাকে না এমনকি এতে আছে #এন্টি_কোলোস্ট্রোরেল উপাদান। যা রক্তের খারাপ কোলোস্ট্রোরেলকে হ্রাস করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিসমিসের দ্রবণীয় #ফাইবার, যা লিভার থেকে কোলোস্ট্রোরেল দূর করতে সাহায্য করে।
#ইনফেকশনের_ঝুঁকি কমায়
কিসমিসের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং #অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও #অ্যান্টিইনফেমেটরি উপাদান। যা কাঁটা-ছেড়া বা ক্ষত হতে #ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি অধিকাংশে কমিয়ে দেয়।
াড়াতে সাহায্য করে
কিসমিসে প্রচুর #ফ্রুক্টোজ ও #গ্লুকোজ থাকে। তাই এটি ওজন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যদি সঠিক নিয়মে ওজন বাড়াতে চান তবে আজই কিসমিস খেতে পারেন।
এছাড়া #কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা #দাঁত_মজবুত করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন যা মানুষের অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে সহায়ক। কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারি, এই শুকনো ফলটি খেলে কাজে #মনোযোগ বাড়ে। তাই খাদ্য তালিকায় আজই কিসমিস যোগ করুন।
#রোগ_প্রতিরোধ_ক্ষমতা_বৃদ্ধি , #করোনা_ভাইরাস, #কিসমিস
04/06/2020
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা
#কাঁচা_ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযোগী ছোলায় #আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, #কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম #ক্যালসিয়াম, #ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে #ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।
এটি কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করে খাওয়া যায়। #কাঁচা_ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, #কাঁচা_আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে #আমিষ ও #অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর #অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল-
#ডাল_হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি #মলিবেডনাম এবং #ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে #আমিষ, #ট্রিপট্যোফান, #কপার, #ফসফরাস এবং #আয়রণ।
#হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। #আঁশ, #পটাসিয়াম, #ভিটামিন_‘সি’ এবং #ভিটামিন_বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম #ছোলা খায়, #হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।
#রক্তচাপ_নিয়ন্ত্রণে : #আমেরিকান_মেডিকেল_অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে #ফলিক_এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে #রক্তচাপ_নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের #হার্ট_ভাল রাখতেও সাহায্য করে।
#রক্ত_চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে #রক্ত_চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত #আইসোফ্লাভন_ইস্কেমিক_স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের #আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।
#ক্যান্সার রোধে : #কোরিয়ান_গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ #ফলিক_এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত #ছোলা_খান এবং #সুস্থ_থাকুন।
#কোলেস্টেরল : #ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। #ছোলার_ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ #পলিআনস্যাচুরেটেড_ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। #প্রোটিন, #কার্বোহাইড্রেট ও #ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন #ভিটামিন ও #খনিজ লবণ।
#কোষ্ঠকাঠিন্য_দূর করে : #ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে।
#ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম #ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম #আমিষ বা #প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম #শর্করা বা #কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম #ফ্যাট বা তেল। ছোলার #শর্করা বা #কার্বোহাইডেটের_গ্লাইসেমিক_ইনডেক্স কম। তাই #ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় #ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, #লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও #ভিটামিন_‘এ’ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে #ভিটামিন_বি-১, বি-২, #ফসফরাস ও #ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।
#রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার #ফ্যাটের বেশিরভাগই #পলি_আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।
#অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।
#রোগ প্রতিরোধ করে : #কাঁচা_ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে #আমিষ ও #অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং #অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
#জ্বালাপোড়া দূর করে : #সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। #সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় #জ্বালাপোড়া কমায়।
#মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে #ভিটামিন_‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। #ভিটামিন_‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত #পুষ্টিকর। এটি #আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে #আমিষ_মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে #মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই #হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।
#মাংসপেশী_বৃদ্ধি, #রোগ_প্রতিরোধ_ক্ষমতা_বৃদ্ধি, #করোনা_ভাইরাস #কাচা_ছোলা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Rajshahi
60
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 19:00 |
| Tuesday | 10:00 - 19:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Friday | 10:00 - 19:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |
