Mri Honey

Mri Honey

Share

Honey produced

05/11/2025
03/09/2025

উচ্চ শিক্ষা যত বেড়েছে তত ডিভোর্স বেড়েছে।

তার অন্যতম কারণ নারীর সিফাত নষ্ট হয়ে গেছে।

এই যুগে নারীদের মাঝে বিড়াল প্রেম/পশু প্রেম দেখতে পারবেন।

তাছাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা হতে ভার্সিটির নানা ইভেন্টে ভলেন্টিয়ার দেখতে পাবেন৷

ভার্সিটির নানা উৎসবে দেখবেন তাদের রাত জাগা টিম ওয়ার্ক। কখনো র‍্যাগ-ডের রিহার্সাল বা কখনো পহেলা বৈশাখের প্রস্তুতি।

সব কিছুতে তারা উজার করে দিবে বেহিসাবে৷

ফ্রি মিক্সং এ ছেলে বন্ধুদের সাথে এদের মেলা খুনসুটি।

এতো কিছুর পরেও ডিভোর্স ক্যান হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে?

কারণ একটা নারীরা বাহিরে সব জায়গায় ভালো কাজের প্রতিযোগী হলেও স্বামীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী।

স্বামীর সাথে এরা জিরো টলারেন্স। বিন্দু পরিমাণ ছাড় নেই। এদের দেখবেন দুর্গন্ধযুক্ত নালায় ময়লা পরিস্কার করলেও। ঘরের হাড়ি পাতিল ধুতে গেলে এদের মনে হয় পরাধীন।

স্বামী ৪০ হাজার টাকা কামাই করে স্ত্রীর পেছনে ২০ হাজার টাকা ব্যয় করলেও স্বামীর অনুগত পাইবেন না।।আবার একই নারী ১৫/২০ হাজার টাকার জন্য বিভিন্ন সুপারশপ ও শোরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে৷ বস কে প্রভু মানে। আর কাস্টমারকে আকর্ষিত করতে উজার করে দেয়৷

কথা আচরণে মনে হয় এরা দুনিয়ার সবচেয়ে মার্জিত প্রাণী।

স্বামীরা এতকিছু করলেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠে। সুপারশপ/শোরুমে বসের আনুগত্য করলেও স্বামীর অনুগত হওয়াটা তাদের কাছে পরাধীন।।

cp

02/09/2025

কিভাবে সুন্দর করবেন বিবাহিত জীবন?

১️-রা'গ কমান:

দুইজন কখনো একসাথে রে'গে যাবেন না। একজন রে'গে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।

২️-সঙ্গ কাটান:

একসাথে সময় কাটানোর জন্য পরিকল্পনা করুন—মুভি দেখা, রান্না করা, শপিং করা। দিনেও এক বেলা টেবিলে একসাথে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩️- ক্ষমাশীল হোন:

ইগোকে দূরে রেখে ক্ষমা চাওয়াটা শিখুন। ক্ষমা মন থেকে হবে, এতে সম্পর্ক মজবুত হয়।

৪️- অতীত ভুল ভুলবেন:

অতীতের ভুল নিয়ে বারবার আলোচনা করবেন না, খোঁ'টা দিবেন না। বর্তমান সুন্দর করলে ভবিষ্যতও হবে সুন্দর।

৫️- পরস্পরের সম্মান করুন:

পার্টনারকে ছোট করে কথা বলা বা মানুষের সামনে মজা করেও আ'ঘাত দেওয়া যাবে না। বরং বেশি বেশি প্রশংসা করুন।

৬️- একটি টিম হোন:

আপনারা এক টিম। একে অপরের স্বপ্ন ও কাজকে সাপোর্ট করুন, সাহায্য করুন। তার সাফল্য আপনার সাফল্য।

৭️- ঝ'গড়া স্বাভাবিক:

রা'গারা'গি ও ঝ'গড়া হবে, এটাকে স্বাভাবিক ভাবুন। দিনের শেষে মাথা ঠান্ডা করে সব ভুলে শান্তিতে দিন শেষ করুন।

৮️- ব্লেম গেম নয়:

নিজের ভুল আগে স্বীকার করুন, নিজের কোথায় ভুল আছে খুঁজে বের করুন।

৯️- ইচ্ছাশক্তি:

একই মানুষটির সঙ্গে দীর্ঘকাল কাটানোর ইচ্ছা থাকতে হবে। মন যদি অন্যদিকে যায়, তবে সম্পর্ক সফল হবেনা।

১০- স্বচ্ছতা বজায় রাখুন:

গোপনীয়তা নয়, দুইজনের মাঝে খোলা বইয়ের মতো স্বচ্ছতা থাকুক।

---

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি — ভালোবাসা, বিশ্বাস আর সম্মান।

😊💖

30/08/2025

মানুষ স্বভাবতই চায় তার অনুভূতি, ব্যথা, কিংবা সত্যটা অন্যকে বোঝাতে। কিন্তু যখন বারবার চেষ্টা করেও কাউকে নিজের অবস্থান বুঝানো যায় না—তখন সেই কষ্টটা অসহনীয় হয়ে ওঠে। এটা যেন বুকের ভেতর আগুন জ্বলে, কিন্তু কেউ তার তাপ অনুভব করতে পারে না।

প্রত্যেকটা মানুষেরই একটা না-বলা গল্প থাকে, থাকে আড়ালে লুকানো যন্ত্রণা। যখন আমরা কাউকে সেটা বোঝাতে চাই, তখন আশা করি—সে অন্তত একটুখানি সহানুভূতি দেখাবে, আমাদের অবস্থানটা উপলব্ধি করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অনেকেই শুধু নিজেদের মতামত চাপিয়ে দেয়, অন্যের কষ্ট বোঝার চেষ্টা করে না। তখন এক ধরনের একাকীত্ব গ্রাস করে, মনে হয় পৃথিবীতে আমি একাই ভুল, আর কেউই আমাকে বুঝতে চায় না।

কাউকে বোঝাতে না পারার যন্ত্রণা হলো নিঃশব্দ কান্না। এখানে চোখের পানি ঝরে না, তবুও বুক ভেঙে যায়। শব্দ উচ্চারণ হয়, কিন্তু অর্থ পৌঁছায় না। হয়তো সম্পর্কের ভাঙনের পেছনেও এ কারণটাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে—ভুল বোঝাবুঝি নয়, বরং বোঝাতে না পারার যন্ত্রণা।

যে মানুষ সত্যিকার অর্থে বোঝে, তার কাছে হয়তো হাজারটা কথার দরকার হয় না—একটা দৃষ্টিই যথেষ্ট। কিন্তু যাকে বোঝাতে চেয়েও বোঝানো যায় না, তার কাছে হাজারটা শব্দও অর্থহীন। আর সেই ব্যর্থতা মানুষকে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গতার দিকে ঠেলে দেয়।

এই কষ্টটা ভয়ংকর শুধু এজন্য নয় যে, অন্য কেউ বুঝতে পারে না, বরং এজন্য যে—অবশেষে মানুষ নিজেকেই সন্দেহ করতে শুরু করে: “আমি কি সত্যি

30/08/2025

একজন ছেলে জন্মগতভাবে পুরুষ হয়ে ওঠে না, বরং তার জীবনের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম এবং সিদ্ধান্তই তাকে প্রকৃত পুরুষে পরিণত করে। এই পরিণতির পথে দুটি বিষয় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে—জেদ এবং ত্যাগ।

জেদ হলো অটল ইচ্ছাশক্তি। যে ছেলে নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে রাখতে জানে, বারবার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়ে না, তার মধ্যে পুরুষ হয়ে ওঠার প্রথম বীজ জন্ম নেয়। জীবনের প্রতিটি বাঁধা, প্রতিটি সমালোচনা আর প্রতিটি ব্যর্থতা তাকে শক্ত করে তোলে। এ জেদ তাকে শেখায়—“আমি পারবো, আমি থামবো না।”

কিন্তু শুধু জেদ থাকলেই যথেষ্ট নয়। ত্যাগ ছাড়া জেদ অর্থহীন হয়ে যায়। পরিবারকে ভালো রাখতে, প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে, নিজের স্বপ্নকে সাময়িকভাবে বিসর্জন দিতে হয়। একজন ছেলে যখন নিজের স্বার্থের চেয়ে পরিবারের স্বার্থকে বড় করে দেখে, তখনই সে সত্যিকার পুরুষে রূপ নেয়।

প্রবাসে রোদে-ঘামে কাজ করা তরুণ, সংসারের খরচ চালাতে নিজের শখ বিসর্জন দেওয়া বড় ছেলে, কিংবা পড়াশোনার চাপ সামলে বাবার দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া কিশোর—এরা সবাই ত্যাগের মাধ্যমে নিজেদের পুরুষে পরিণত করছে।

সত্যিকার অর্থে পুরুষত্ব মানে কেবল শারীরিক শক্তি নয়; বরং দৃঢ় জেদ আর নিঃস্বার্থ ত্যাগের সমন্বয়। যে ছেলে এ দুটি গুণকে নিজের জীবনে ধারণ করতে পারে, সেও একদিন সমাজের চোখে শুধু ছেলে নয়—একজন পরিপূর্ণ পুরুষ হয়ে ওঠে।

30/08/2025

শুধুমাত্র বিয়ে করলে আপনি সফল হবেন বিষয়টা এমন না. বরং আপনি তখন সফল হবেন 'যখন আপনার জীবনসঙ্গী একজন চরিত্রবান দ্বীনদার হবে🌺❤️

30/08/2025

আজকাল মানুষের কাছে অপশন প্রচুর। যেখানে মন টেকে না, সেখানে দু’চারদিনের বেশি কেউ আটকে থাকে না। "Better" খুঁজতে খুঁজতে আমরা জীবনের আসল Necessity টাই হারিয়ে ফেলছি।
সম্পর্ক এখন যেন ফিল্টারের মতো। ভালো দিক দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে মেনে নিই, আর যেই একটু খুঁত পেলাম সরে যাই। কিন্তু মানুষ তো শুধু ভালো দিক দিয়ে তৈরি নয়। তার রাগ, জেদ, হতাশা সব মিলিয়েই সে পূর্ণ।
“অ্যাডজাস্টমেন্ট” শব্দটা যেন আমাদের ডিকশনারি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। কারো ভেতরটা বোঝার চেষ্টা না করে চলে যাওয়ার পর আমরা বলি He/She wasn’t my type
কিন্তু সত্যি, নিজের টাইপ কি আমরা জানি? নাকি যা সহজ, তাই পছন্দ করি?
মানুষকে এভাবে বেছে নেওয়া যায় না। তাকে সময় দিতে হয়, বোঝার চেষ্টা করতে হয়।
❝মানুষ কোনো শপিং অপশন নয়। যে একটার সঙ্গে মন না মিললেই আরেকটা দেখে ফেলা যায়।❞
যে মানুষটা আপনার খারাপ সময়ে পাশে ছিল, আপনার মন খারাপের কথা শুনেছে, আপনার ছটফটানো সহ্য করেছে তাকেই যদি বোঝার চেষ্টা না করি, তাহলে কেউই আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসবে না।
ভালোবাসা কোনো 'টাইপ' খোঁজার খেলা নয়। এটা দুইজন মানুষের ভেতরের যুদ্ধ, যেখানে জেতার জন্য নয়,একসাথে টিকে থাকাই ভালোবাসা।🤍
Collected

29/08/2025

— নারী রসবোধ-সম্পন্ন পুরুষ পছন্দ করে, দাম্ভিক পছন্দ করে না।
— পুরুষ হাসিখুশি নারী পছন্দ করে, সঙ্কীর্ণমনা পছন্দ করে না।

— নারী নিজের রূপ নিয়ে অন্য নারীর সাথে অবচেতনেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে।
— পুরুষ অন্য পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে ক্ষমতার গৌরব নিয়ে।

— নারী যখন পুরুষকে কোনো প্রশ্ন করে, এর উত্তরটি আগেভাগে জেনে ফেলেই করে।
— পুরুষ নারীকে প্রশ্ন করে এটা জেনেই যে— উত্তর দেওয়া না-দেওয়া নির্ভর করছে নারীর ইচ্ছের উপর।

— নারী মনে করে— প্রেম ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।
— পুরুষ মনে করে— সে'ক্স ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।

— নারী অপর নারীর পুরুষকে পছন্দ করেও চেপে রাখে।
— পুরুষ অপর পুরুষের নারীকে পছন্দ না-করে পারেই না।

— নারী গোপন কথা গোপন রাখতে পারে সর্বোচ্চ ৪৭ ঘণ্টা।
— পুরুষ এমনকি তার নারীর কাছেও আজীবন গোপন কথা গোপন রাখতে পারে।

— নারী তাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখাকে প্রচণ্ড অপমানজনক ভাবে।
— পুরুষকে অপেক্ষা করিয়ে রাখা নারীর স্বাভাবিক একটি আর্ট।

— নারী সন্দেহপ্রবণ।
— পুরুষ আড্ডাপ্রবণ।

— নারীর পছন্দের বিষয় জেনে গেলে তাকে খুশি করা সহজ।
— এই জগতে পুরুষের প্রধান পছন্দ নারীদেহ, এতেই সে উন্মাদের মতো খুশি।

— একজন নারী একজন পুরুষের তুলনায় দ্বিগুণ দুঃখযন্ত্রণা সইতে পারে।
— নারীর সাহস পাশে না-পেলে পুরুষ সামান্য দুঃখযন্ত্রণাতেই ভেঙ্গে পড়ে।

— নারী বছরে ১২০ ঘণ্টা কাটায় আয়নায় নিজেকে দেখে।
— পুরুষ শেভ করতে-করতে ভাবে— শেভ না-করেও, আয়নার ভিতরে নারী এতোক্ষণ করেটা কী!

— নারী পরশ্রীকাতর।
— পুরুষ পরস্ত্রীকাতর।

🎇 হয়তো সব নারী পুরুষ এক হয় না কেউ কেউ আছে অন্যরকম।
mri

29/08/2025

স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্ক: মিষ্টি, নাজুক ও সহনশীলতার গল্প
স্বামী–স্ত্রীর সম্পর্কটা যতটা মিষ্টি, ঠিক ততটাই নাজুকও বটে।
দুইজন মানুষ আলাদা পরিবেশে বড় হয়েছে, আলাদা স্বভাব, আলাদা চাওয়া-পাওয়া। তাই ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বা মনোমালিন্য হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি সেই অভিমান বা ঝগড়া দিনের পর দিন টেনে নেওয়া হয়, তখনই সম্পর্কের ফাঁকে অদৃশ্য দেয়াল তৈরি হতে শুরু করে। তাই প্রয়োজন সমস্যাকে এড়িয়ে না গিয়ে সমাধানের পথে হাঁটা।

১. অভিযোগ নয়, অনুভূতির ভাষা

প্রথমেই বুঝতে হবে—একজন মানুষ আরেকজনের সব ইচ্ছে মেটাতে পারবে না। তবে একে অপরের চাওয়াকে গুরুত্ব দিলে ঝগড়ার জায়গা অনেকটাই কমে যায়।
যেমন—
👉 “তুমি আমাকে সময় দাও না” বললে সেটি অভিযোগের মতো শোনায়।
👉 কিন্তু “তোমাকে ভীষণ মিস করি” বললে ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে।

অভিযোগের বদলে অনুভূতি প্রকাশ করলে সম্পর্ক হয় আরও দৃঢ়।

২. খোলামেলা আলোচনা

যখনই কোনো বিষয়ে অমিল হয়, চুপ করে না থেকে বসে কথা বলুন।
স্বামী–স্ত্রী উভয়েরই দায়িত্ব হলো মন দিয়ে শোনা। শুধু নিজের মতামত চাপিয়ে দিলেই হবে না; বরং সঙ্গীর ভাবনা বোঝা জরুরি।
💡 মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সুস্থ দাম্পত্য জীবনের মূল চাবিকাঠি হলো যোগাযোগ (communication)। যারা নিজেদের সমস্যার কথা নিয়মিত খোলাখুলি শেয়ার করেন, তাদের সংসারে বিচ্ছেদ বা দীর্ঘ অভিমান জমে থাকার সম্ভাবনা অনেক কম।

৩. সহনশীলতা ও সম্মান

ভালোবাসার জায়গায় সহনশীলতা থাকা খুব দরকার।
– কোন অভ্যাস সঙ্গীকে কষ্ট দেয়?
– কোন আচরণে অপছন্দ তৈরি হয়?
এসব জানার চেষ্টা করা উচিত।
অন্যকে ছোট করে নয়, সম্মান দিয়ে বোঝালে অনেক সমস্যাই সহজে মিটে যায়।

৪. ক্ষমা করতে শেখা

পুরনো ঝগড়া টেনে আনা মানে নতুন করে আগুন জ্বালানো। বরং ক্ষমা করে দিন, একসঙ্গে বাইরে কোথাও ঘুরে আসুন, বা নিঃশব্দে জড়িয়ে ধরুন মুহূর্তেই অনেক অভিমান গলে যাবে।
💡 গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দম্পতি দ্রুত ক্ষমা করতে শেখেন, তাদের সম্পর্কে স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয়।

৫. একসাথে স্বপ্ন দেখা

প্রতিদিনের ছোটখাটো ঝগড়া বাদ দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য যৌথ পরিকল্পনা করুন।
– সংসারের নতুন কোনো স্বপ্ন,
– সন্তানদের জন্য সিদ্ধান্ত,
– কিংবা একসাথে ভ্রমণের পরিকল্পনা
এগুলো সম্পর্ককে নতুন করে বেঁধে রাখে।

৬. প্রযুক্তির ব্যবহার

আজকের ব্যস্ত জীবনে একে অপরকে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন কাছাকাছি থাকার জন্য।
– দিনে অন্তত একটি ভালোবাসার মেসেজ,
– হঠাৎ ফোন কল,
– বা ভিডিও কলে কয়েক মিনিট সময় দেওয়া—
এগুলো সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরিয়ে আনে।

উপসংহার ✨

সম্পর্ক টিকে থাকে ভালোবাসা, ধৈর্য আর বোঝাপড়ার উপর। ঝগড়া হবেই, অভিমানও আসবে। কিন্তু তার মাঝেও যদি হাত ধরে পাশে থাকা যায়, তাহলেই সংসার হয়ে ওঠে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

02/07/2025

১৯৯৬ সালের এক বসন্ত সকালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে ভয়ানক টিক পোকার কামড়ে ‘লাইম ডিজিজ’-এ আক্রান্ত হন আমেরিকান নিউক্লিয়ার পদার্থবিদ এলি লোবেল। ১৫ বছর হুইলচেয়ারে কাটিয়ে, অবশেষে তিনি ‘ইচ্ছামৃত্যু’ বেছে নিতে যান ক্যালিফোর্নিয়ার পাহাড়ি এক গ্রামে। কিন্তু সেদিনই ঘটে যায় এক অলৌকিক ঘটনা—হঠাৎ এক ঝাঁক মৌমাছির হুলে আক্রান্ত হন এলি। ছোটবেলায় মৌমাছির হুলে কোমায় যাওয়া এলির মনে হয়েছিল, এবার বুঝি সত্যিই শেষ।

কিন্তু তা হয়নি। বরং শুরু হয় তাঁর পুনর্জন্মের গল্প।

হাসপাতালে নেওয়ার পর শুরু হয় প্রচণ্ড জ্বর, ব্যথা—চিকিৎসা বিজ্ঞান যাকে বলে Herxheimer Reaction। এতে বোঝা যায়, শরীরে থাকা ভয়ানক ব্যাকটেরিয়াগুলো মরছে। তিন দিনের মধ্যেই এলির অচল শরীরের ব্যথা কমে, স্মৃতি ফিরে আসে, হাঁটতে শুরু করেন তিনি।

পরে গবেষণায় জানা যায়, মৌমাছির বিষে থাকা Melittin নামের পেপটাইড Borrelia burgdorferi ব্যাকটেরিয়ার কোষ গলিয়ে দিতে পারে। এলি এরপর নিজেই শুরু করেন “অ্যাপিথেরাপি”—প্রতিদিন ১০টি মৌমাছির হুল শরীরে প্রয়োগ। এভাবে কয়েক হাজার হুল নেওয়ার পর তিন বছরেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন এলি।

এখন তিনি কাজ করছেন মৌ-খামারের সঙ্গে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, এই বিষ শুধু লাইম নয়, এইচআইভি ভাইরাস ও ক্যান্সারের কোষেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এলি লোবেলের গল্প জানিয়ে দেয়—প্রকৃতি কখনো কখনো বিষ দিয়েই বিষকে হারায়।

(সংগ্রহ )

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rangamati?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Rangamati