Shara
মোঃ শাহিনুর ইসলাম
22/10/2025
নোভার্টিসের ওষুধ উৎপাদন শুরু করল নেভিয়ান নোভার্টিস ব্র্যান্ডের ওষুধ নেভিয়ানের কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে নেভিয়ান ...
18/09/2025
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বলক্ষণ
হাদীসে বর্ণিত রয়েছে— ইমাম মাহদী (আ.) আগমনের পূর্বে প্রায় ৭০টি আলামত প্রকাশ পাবে। এর মধ্যে প্রায় ৬৫টি ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়ে গেছে। নিচে কয়েকটি আলামত তুলে ধরা হলো—
১. মানুষের ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে (বুখারী)।
২. মানুষ চুলে কালো রঙ (কলপ) ব্যবহার করবে (আবু দাউদ)।
৩. ঘন ঘন ভূমিকম্প হবে (বুখারী)।
৪. বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে (বুখারী ও মুসলিম)।
৫. ঘন ঘন বাজার বসবে এবং মহিলারা সবার আগে সেখানে প্রবেশ করবে (বুখারী, মুসলিম ও মিশকাত)।
৬. পুরুষের তুলনায় মহিলাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে (বুখারী ও মুসলিম)।
অন্যান্য লক্ষণসমূহ
ঘন ঘন বজ্রপাত হবে। এমনকি বিভিন্ন স্থানের মানুষ একে অপরকে জিজ্ঞেস করবে— “গত বজ্রপাতে তোমাদের এলাকায় কতজন মারা গেছে?”
সুদ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।
জ্বীনা-ব্যভিচার (প্রেম, অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া) বৃদ্ধি পাবে।
সময় দ্রুত চলে যাবে (বরকত কমে যাবে)।
গান-বাজনার প্রসার ঘটবে এবং মানুষ এটিকে হালাল মনে করবে।
মদ্যপান বৃদ্ধি পাবে এবং ভিন্ন নামে তা বিক্রি হবে।
আকাশ থেকে (স্যাটেলাইটের মাধ্যমে) ফেতনা বর্ষিত হবে।
মুসলিম উম্মাহর একটি দল মূর্তিপূজায় লিপ্ত হবে (ভাবুন তো!)।
দাসী তার প্রভুকে জন্ম দেবে (অর্থাৎ মেয়ে তার মায়ের সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ করবে)।
নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকা ও নর্তকীদের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।
মুসলিমরা সর্বত্র নির্যাতিত হবে।
ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে (বর্তমানে শতকরা ৯৪ ভাগ শুকিয়ে গেছে!); সেখান থেকে স্বর্ণের পাহাড় বের হয়ে আসবে। শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ সেটি নিজের করে নিতে চাইবে এবং তাতে ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হবে।
সৌদি আরবে নেতৃত্বে তিনটি ফাটল দেখা দেবে (বর্তমান বাদশাহর তিন ছেলের কারণে)।
বাকি ৫টি বড় আলামতের মধ্যে ৪টি পূর্ণ হলে কেয়ামতের দিন গণনা শুরু হবে
১. আলেমদের থেকে ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে।
২. ক্বারিদের কাছ থেকে তেলাওয়াত উঠিয়ে নেওয়া হবে।
৩. কুরআনের লেখা মুছে যাবে; পৃষ্ঠাগুলো একেবারে সাদা হয়ে যাবে।
৪. পশ্চিম দিক দিয়ে সূর্য উদিত হবে।
আগে মনে হতো— কেয়ামত আসতে এখনো অনেক সময় বাকি। কিন্তু বর্তমানে মনে হচ্ছে কেয়ামত এতটাই নিকটে যে, হয়তো আমিও তা প্রত্যক্ষ করতে পারব। অথচ প্রতিদিন মৃত্যু আমাকে একাধিকবার স্মরণ করিয়ে দেয়।
হে আল্লাহ! আমাদের সকল মুসলিমদের ইমান দৃঢ় রাখার তাওফিক দিন।
আমরা সবাই আপনার কাছে গুনাহগার। আপনার দানকৃত এই সুন্দর পৃথিবীকে আমরা শয়তানের ধোঁকায় নষ্ট করছি। আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন।
আমীন।
31/10/2024
ইসলামবিদ্বেষী প্রথম আলো সম্পাদক আনিসুল হকের কাজ গুলো দেখুন।
সমস্ত অস্তিত্বের একচ্ছত্র অধিপতি মহান আল্লাহ তার গ্রন্থ আল কুর'আন শুরু করেছেন এভাবে-
"সমস্ত প্রশংসা জগতের প্রতিপালক আল্লাহর"
এই বাক্যটা কুর'আন না হলেও কুরানের ক্লাসিক বাংলা অনুবাদ। একই টোন ও ভাবভঙ্গিতে পুরো কুর'আন অনুদিত হয়ে আসছে বেশ কয়েক যুগ ধরে। মুসলিমদের কাছে খুবই পরিচিত টোন।
এই আয়াতের অনুবাদ ও বাক্যভঙ্গি বিকৃত করে বিতর্কিত পত্রিকা প্রথম আলোর সম্পাদক আনিসুল হক তার "ছহি রাজাকারনামা" বইয়ে লিখেছে-
‘সমস্ত প্রশংসা রাজাকারগণের’
মহান আল্লাহ ও তার গ্রন্থের প্রথম আয়াতেরই বিদ্রুপ করতে হলে কী পরিমান দুঃসাহস থাকতে হয় সেটা নিয়ে ভাবছি। বলতে পারেন এটা কোইনসিডেন্স। ওয়েল, প্রথম সুরার চতুর্থ আয়াতের অনুবাদ-
''আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই''
[তরজমা, সুরা ফাতিহা-৪]
এই আয়াত বিকৃত ও ব্যাঙ্গ করে এই বুড়ো শুয়োরটা লিখেছে-
‘'আর তোমরা রাজাকারের প্রশংসা করো, আর রাজাকারদের সাহায্য প্রার্থনা করো''
একটা দুইটা না, পুরো বইজুড়ে সে কুরানের অনুবাদের ঢং, উপমা, দৃষ্টান্ত ও ভাষাশৈলীকে বিদ্রুপ ও ব্যাঙ্গ করেই গেছে।
বেয়াদবীর সব সীমা অতিক্রম করেছে সুরা নাবার অনুবাদ বিকৃত করতে গিয়ে। মহান আল্লাহ বলেন-
‘অপরদিকে পরহেজগার লোকদের জন্য রয়েছে চরম সাফল্য। (তা হচ্ছে) বাগবাগিচা, আঙ্গুর (ফলের সমারোহ), (আরো আছে) পূর্ণ যৌবনা সমবয়সী সুন্দরী তরুণী।’ [তরজমা, সুরা নাবা-৩৩/৩৪]
জান্নাতের অতুলনীয় বর্ণনা এত নিকৃষ্টভাবে এই খবিসটা বিকৃত করেছে পোস্টে উল্লেখ করতেও রুচিতে বাধছে। তবুও যাতে মুসলিমরা এদের আসল চেহারা বুঝতে পারেন তাই তুলে দিচ্ছি-
''আর তাহাদের জন্য সুসংবাদ। তাহাদের জন্য অপেক্ষা করিতেছে রাষ্ট্রের শীর্ষপদ আর অনন্ত যৌবনা নারী আর অনন্ত যৌবন তরুণ। কে আছে, যে উত্তম সন্দেশ, মসৃণ তলদেশ ও তৈলাক্ত গুহ্যদেশ পছন্দ করে না।’
লা হাওলা ওয়ালা ক্কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।
-
আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর আগে সে এসব বিদ্রুপ করেছে মুসলিমদের প্রধান গ্রন্থ নিয়ে। সে কি আজ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে?
আমি ক্ষমা চাইতে বলবও না, আমাদের উচিত ছিল তাকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া।আমরা এতে ব্যার্থ।
শুধু মুসলিমদের বলব এক ও অদ্বিতীয়, অপ্রতিরোধ্য, সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মহান আল্লাহর গ্রন্থের এই বিদ্রুপকারীকে চিনে রাখুন। যারা আমাদের বাঙালীয়ানা শিখায়, সহনশীল, উদার হতে শিখায় এদের আসল চেহারা চিনে রাখুন।
আরও জেনে রাখুন, এই মুসলিমবঙ্গে রাজাকার হলে নুন্যতম মানবতাবোধটুকুও দেখানো ভারি অন্যায়। আর মুক্তিযুদ্বের স্বপক্ষের শক্তি হলে মাস্তানি শুধু মানুষের সাথে না, অবমাননা পর্যন্ত করা যায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট গ্রন্থকেও..
পুরো রচনাটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন,
এখানে পুরো রচনাটি দিয়ে দিলাম।
ছহি রাজাকারনামা:
১৯৯১ সালের ৩০ নভেম্বর 'পূর্বাভাস' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল আনিসুল হকের এই বিদ্রূপ রচনাটি। আজ প্রায় ৩০ বছর পরেও লেখাটি নিয়ে কোন প্রতিবাদ হয়নি এবং সেও ক্ষমা চায় নি।
ছহি রাজাকারনামা
আনিসুল হক
আর তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই শ্রেষ্ঠ, যে রাজাকার। নিশ্চয়ই রাজাকারগণের জন্যে অতীতের চাইতে ভবিষ্যতকে উত্তম করিয়া সৃজন করা হইয়াছে। অতএব তোমরা তোমাদের প্রভু পাকিস্তানের প্রশংসা করো; নিশ্চয়ই তোমাদের প্রভু পাকিস্তানীরা ক্ষমাশীল।
যখন তোমাদিগকে বলা হইবে নেতা নির্বাচন করো, তখন তোমরা সেই ব্যক্তিকেই নির্বাচন করিবে, যাহার রাজাকারগিরি প্রমাণিত। আর তাহার মতো মূর্খ কে আছে, যে রাজাকার চিনিয়াও তাহাকে সম্মানিত না করিলো, আখেরে ইহারাই হইবে অভিশপ্ত। ইহাদের জন্যে সুকঠিন দারিদ্র্য অপেক্ষা করিতেছে। আর যে ব্যক্তি রাজাকার চিনিলো, এবং তাহাকে সম্মান করিলো, এবং তাহার পদাঙ্ক অনুসরণ করিলো, ইহাদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে সুমিষ্ট ফল, সুন্দরী রমণী আর সুদর্শন পুরুষ।
অনন্তর তোমাদের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠীর সৃষ্টি হইবে যাহারা রাজাকারী রজ্জু উত্তমরূপে ধারণ করিবে, আর যাহারা রাজাকারী তরিকা আদমদিগের মধ্যে উত্তমরূপে প্রচার করিবে। যাহারা রাজাকার হিসাবে বাহির হয়, তাহারা শান-শওকতের পথে চলে।
সেই ব্যক্তিই উত্তম রাজাকার, যে বিবাহ করিবে একটি, দুইটি, তিনটি, চারটি, যেরূপ সে ইচ্ছা করে আর তাহার জন্যে বৈধ করা হইয়াছে ডান হাতের অধিকারভূক্ত দাসীদের, আর তাহারা ভোগ করিতে পারিবে বাঙ্গালী রমণীগণকে, অপিচ তাহাদের সহিত আদল করিবার দরকার হইবে না। স্মরণ রাখিও, মালেগণিমতগণের মহিত মিলিত হইবার পথে কোনরূপ বাধা থাকিলো না।
আর মনে রাখিবে, যে রাজাকারী পথে বাহির হয়, সে একা নহে, সৌদি-মার্কিনীরা তাহার সঙ্গে রহিয়াছে। সেই ব্যক্তি হতভাগ্য, যে রাজাকার হইতে সাহস করিলো না এবং মনে মনে বলিলো যে, আমি রাজাকার হইবো না, কেননা পশ্চাতে লোকে আমাকে গালি দিবে। আর প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার একেকটি আঙুলের জন্যে রহিয়াছে দশ দশটা পুরস্কার, আর যে ব্যক্তি একজন মুক্তিযোদ্ধার ডানপাঞ্জা কাটিতে সক্ষম হইলো, তাহার বরাতে ৭০ গুণ বেশি পেট্রোডলার লেখা হইলো। নিশ্চয়ই তোমাদের জন্যে রাজাকারী কাজের জন্যে পুরস্কার রহিয়াছে।
আর তোমরা কি অতীত হইতে শিক্ষাগ্রহণ করিবে না? গ্যালিলিও নামের এক পাপিষ্ঠ অতীতে সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, এবং সে কি প্রাপ্ত হয় নাই চরম শাস্তি? আর রাজাকারগণ যাহাকে শাস্তি দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে নিজ হস্তে শাস্তি দেন। আঙুল কাটিয়া ফেলা হইতে শুরু করিয়া মুণ্ডু কাটিয়া ফেলা - বিপথগামীদের জন্যে অপেক্ষা করিতেছে ভয়ঙ্কর শাস্তি। আর তোমরা কি সেই গোষ্ঠীর বংশধর নহ, যাহারা অতীতে তিরিশ লক্ষ বেদ্বীনকে কতল করিয়াছে? নিশ্চয়ই আমগাছ হইতে আম এবং রাজাকার গোষ্ঠী হইতে রাজাকার উৎপন্ন হয়।
অচিরেই দেশে নিখিল পাকিস্তান রাজাকার সংসদ গঠিত হইবে। আর রাজাকার কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে সকল লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছাড়িয়া দেওয়া হইবে। আর রাজাকার প্রার্থীদের জন্যে চাকুরির বয়সসীমা আটত্রিশ বছর করা হইবে। এবং অবস্থা অচিরেই এইরূপ হইবে যে, রাজাকার সার্টিফিকেট নকল করিয়া লোকে রাজাকার সাজিতে থাকিবে। তখন সুন্দরী রমণীগণ সেনাকর্তাদের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইহবার বদলে রাজাকার বরের স্বপ্নে ঘামিতে থাকিবে। কন্যাবৃন্দের মাতাগণ রাজাকার জামাতার গর্বে পাড়া মাতাইবে।
(1/2)
আজ রামাদানের সর্বশেষ বিজোড় রাত। অত্যন্ত সম্ভাবনাময় কদরের রাত।
নেক আমল দিয়ে রাতটিকে সমৃদ্ধ করতে আমরা যা করবো:
(১) ১০ বার সুরা ইখলাস পড়বো।
(২) সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বো।
(৩) আয়াতুল কুরসি পড়বো।
(৪) সুরা মুলক পড়বো।
(৫) সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এগুলোর প্রত্যেকটি ১০০ বার করে পড়বো।
(৬) ৪ থেকে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়বো।
(৭) কিছু সাদাকাহ করবো।
(৮) অবশ্যই ইশা ও ফজর জামাতে পড়বো।
(৯) লা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ৫০ বার পড়বো।
(১০) আস্তাগফিরুল্লাহ/আল্লাহুম্মাগফিরলি ১০০ বার পড়বো।
(১১) ১০০ বার দরুদ পড়বো।
(১২) আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা’ফু ‘আন্নি ৩০ বার পড়বো।
(১৩) আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে দু‘আ করবো। নিজের জন্য, বাবা-মার জন্য, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সুহৃদ এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য দু‘আ করবো। বিশেষত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত মুসলিমদের জন্য এবং অন্যায়ভাবে কারাবরণকারীদের মুক্তির জন্য দু‘আ করবো।
(১৪) হিদায়াত লাভ, দ্বীনের উপর অবিচলতা, শির্ক-কুফর ও বান্দার হক নষ্ট করা থেকে পানাহ চাওয়া, গুনাহ মাফি, ফিতনা থেকে বেঁচে থাকা, সুস্থতা ও নিরাপত্তা, ঈমানের উপর মৃত্যু ইত্যাদি বিষয়ে দু‘আ করবো।
মোটকথা, নফল নামাজ, তিলাওয়াত, যিকর, তাসবিহ, ইস্তিগফার, দু‘আ এবং দরুদের মাধ্যমে এই রাতটির যথাসাধ্য কদর করবো। আগামী রামাদান আমরা পাবো কি না, কেউ জানি না। এমনকি আরেকটি রোজা পাবো কি না, সেটাও নিশ্চিত না। আল্লাহ যেন আমাদেরকে রামাদানের রহমত-বরকত থেকে বঞ্চিত না করেন। আমিন।
ধনী হতে গেলে বেশি লেখাপড়ার প্রয়োজন নেই 😀😀
যদি ১ হাজার বছর পূর্বে মুসলিম সমাজে ৩ হাজার ইমাম বা আলেম বেশধারী ইহুদি থাকতে পারে, তাহলে বর্তমানে আখেরী যামানায় কত সংখ্যক ইহুদী চর থাকতে তা কল্পনাতীত বিষয়।🙎
19/03/2024
একটি_ভুল_প্রচারের_নিরসনঃ-
গিরিশ চন্দ্র সেন বাংলা ভাষায় কোরআন শরীফের অনুবাদক নয়।
_______________
সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া।
এরপর বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন মৌলভী নাঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে।
গিরিশ চন্দ্র সেন শুধু উক্ত অনুবাদকে পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেছেন, গিরিশ চন্দ্র হচ্ছেন প্রকাশক। তাও অনেক পরে, ১৮৮৬ সালে।
সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র নন, বরং মৌলভী নাঈমুদ্দীনই পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
আর মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন মাজীদের আংশিক অনুবাদক।
গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মেরও আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন মাজীদের বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া।
এরপর গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের একবছর পরই অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।
আরবি জানেন না, আরবি ব্যাকরণ জানেন না-
এমন ব্যাক্তি কুরআন অনুবাদ করেছে এমন প্রচার মুর্খতা।
বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে, ভাই গিরীশ চন্দ্র সেন আল কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক। এ প্রচারণার কিছু কারণ ছিল। বৃটিশ আমলে এদেশে ব্রাহ্মধর্মের একটা জোয়ার এসেছিল।
গোঁড়া হিন্দু গিরীশ চন্দ্র সেন এক সময় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্ম এ দেশে ছিল একটি নতুন ধর্মমত।
তাই এ ধর্মমত আপামর জনসাধারণের মধ্যে প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র নিজে উদ্যোগী হলেন।
কিন্তু অর্থকড়ির তো প্রয়োজন। সেটা আসবে কোথা থেকে! তিনি ফারসী ভাষায় পন্ডিত ছিলেন।
মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা বের করার জন্য বেশকিছু ইসলামী বই রচনা করলেন এবং সেই সাথে পবিত্র আল কুরআনের প্রকাশ করলেন প্রকাশক হয়ে। মুসলমানরা এ বই কিনলোও প্রচুর। ফলে বাংলা ভাষাভাষী যারাই কুরআন মাজীদের বঙ্গানুবাদ হাতে পেতে চাইলো তাদের হাতে পৌঁছে গেল তার প্রকাশিত কুরআন মাজীদ।
এ ব্যাপারে তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ হিন্দু ব্যক্তিবর্গ এমন কি বৃটিশরাও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ফলে মানুষ মনে করেছে পবিত্র কুরআন মাজীদের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হচ্ছেন গিরীশ চন্দ্র সেন।
আসলে পবিত্র কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী যে মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন সে কথা অল্প কিছু লোক জানলেও ব্যাপকভাবে প্রচার করার সুযোগ আসেনি।
গিরীশ চন্দ্র কুরআনের অনুবাদ বিক্রি করে যে অর্থ লাভ করতেন তা ব্যয় করতেন ব্রাহ্মধর্ম প্রচার কাজে। ফলে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের মিশনের সাথে কুরআন বিক্রয়ের একটা গভীর সম্পর্ক ছিল।
মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন ছিলেন একজন মুসলমান। তিনি স্বত:প্রণোদিত হয়ে আল কুরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। তা প্রচারের জন্য গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো কোনো মিশন ছিল না। যার কারণে তার প্রচার প্রসার ছিল সীমিত।
এমনি করেই আল কুরআনের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হয়েও মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দীন গিরীশ চন্দ্র সেনের মতো প্রচার পেতে পারেন নি॥
[ যত পরিমানে সম্ভব পোস্টটি শেয়ার করুন অনেকেই ভুলের মধ্যে ডুবে আছে তাদের কে জানার সুযোগ করে দিন]
তথ্যসুত্রঃ
ইন্টারনেট ও অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন মিডিয়া।
#দৈনিক_সংগ্রামঃ ২১ শে জুলাই,২০১৮.
#দৈনিক_ঢাকা পোস্টঃ ৭ই সেপ্টেম্বর,২০১৮.
#জিব্রাইলের_ডানাঃ ১লা মার্চ,২০০৯.
#বিডি_আল_কোরআনঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৩.
#সাইবার_মোজাহিদঃ জানুয়ারি,২০১৮.
#মাসিক_মদিনাঃ আগস্ট,২০০৪.
প্রশ্নোত্তর পর্ব,পৃষ্ঠাঃ ৪৭.
Copied
11/03/2024
28/02/2024
অনেকেই সঠিক তথ্য না জানার কারনে ভুল ধারনা পোষণ করে যে বাংলার অধিকাংশ মুসলমান সনাতন হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছে। কিন্তুু এটি ডাহা মিথ্যে কথা।
প্রকৃত সত্য হল বাংলার মুসলমানদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্ম থেকে সেচ্ছায় ধর্মান্তরন হয়ে মুসলমান হয়েছে।
মুসলিম সুলতানদের বঙ্গ বিজয়ের আগে এই অঞ্চলের অধিকাংশ 60% মানুষ ছিল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও 40% ছিল সনাতন ধর্মের। এই 40% সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকাংশ ছিল নিম্ন বর্ণের। তখন বাংলা শোষন করত দক্ষিণ ভারত থেকে আগত অত্যাচারী সেন রাজ বংশ। তাদের ভয়াবহ অত্যাচার জুলুমের শিকার ছিল বৌদ্ধ ও নিম্ন বর্ণের সনাতন হিন্দুরা। বাংলা মুসলমান বিজয়ের পরে অত্যাচারী সেনরা ধিরে ধিরে বাংলা ছেড়ে পালিয়ে যেতে থাকে। আল কোরআনের দ্বীন ইসলামের সম অধিকার ধারা, নারীদের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান ধিরে ধিরে বৌদ্ধ ও নিম্ন বর্ণের সনাতন হিন্দুদের আকৃষ্ট করতে থাকে এবং দলে দলে এই অঞ্চলের মানুষ বৌদ্ধ ও সনাতন ধর্ম ছেড়ে আল কোরআনের দ্বীন ইসলামের ছায়াতলে আসতে থাকে। একে একে বাংলা সালতানাতের এলাকা বিস্তার ঘটার সাথে সাথে ধর্ম প্রচার, বানিজ্য ও বাংলা সালতানাতে সৈনিক হিসাবে চাকুরী নিয়ে প্রচুর পরিমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মুসলমানদের আগমন বাংলায় ঘটতে থাকে। তার উল্লেখযোগ্য আরব, তুরস্ক, আফ্রিকা, ইয়ামেন, ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, দিল্লী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তাদের বড় অংশই বাংলার চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই বাংলা আগমন করে এবং বাংলায় স্থায়ী ভাবে আসন গ্রহন করে। তারপর 1947 সালে দেশ বিভক্তর পরে ও 1965 যুদ্ধের পরে প্রচুর পরিমানে মুসলমান বর্তমান ভারত থেকে বাংলাদেশে স্থায়ী ভাবে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে চলে আসে।
মোটকথা বাংলায় মুসলমানদের অধিনে আসার পরে সনাতন হিন্দুদের সর্বোচ্চ 20% মানুষ ইসলামধর্ম গ্রহন করে। বাকি যারা ছিল তাদের অধিকাংশ 1947 সালে দেশ বিভক্তর পরে ধিরে ধিরে ভারতে চলে যেতে থাকে, 1965 ও 1971 এর যুদ্ধের পরও প্রচুর সনাতন হিন্দু সহায় সম্পদ বিক্রি করে স্থায়ী ভাবে ভারতে চলে যান। বর্তমানে সর্বোচ্চ আট পার্সেন্ট সনাতন হিন্দু বাংলাদেশে বসবাস করে।
আরও বিস্তারিত https://www.facebook.com/share/p/dk8DY2SSZFEBXCjy/?mibextid=oFDknk
Collected
23/01/2024
স্বাধীনতা!!
স্বাধীনতা তুমি বর্ডার জুড়ে ফেনসিডিলের আড়ৎ
স্বাধীনতা তুমি টিভি খুললেই দেশটা আমার ভারত,
স্বাধীনতা তুমি বোনের গায়ে সানি লিওনের ড্রেস
স্বাধীনতা তুমি কড়া মেকাপের হিন্দি সিরিয়ালের বেষ।
স্বাধীনতা যখন কাঁটাতারে ঝুলন্ত মোদের ফেলানী
স্বাধীনতা তখন ক্যাটরিনা কাইফই আমার স্বপ্ন রানী,
স্বাধীনতা মোরে শেখাচ্ছে নিয়ত রামায়নের রাম ও রাঁধা
স্বাধীনতা নিয়েই হাসবো আমি, আমি যে শিকলে বাঁধা।
স্বাধীনতা তুমি করিয়াছ বাধ্য দিতে টিপাইমুখে বাঁধ
স্বাধীনতা তুমি পাঠাচ্ছ ভারত সামান্য উঠাতে দাঁত,
স্বাধীনতা যখন নিজের সংস্কৃতিকে নিজেই করিয়াছে বর্জন
স্বাধীনতা তখন ভাবতে থাকে কখন আমি হয়েছি অর্জন।
স্বাধীনতা তুমি লাখো শহীদের উৎসর্গ করা তাজাপ্রান
স্বাধীনতা তুমি দেশী শিল্পীদের বিদেশি গাওয়া হিন্দি গান,
স্বাধীনতা মানে জীবন নামের প্রাণ নাশক আন্তঃনগর ট্রেন
স্বাধীনতা তুমি পরাধীনতার বাকরুদ্ধ একটি বাংলাদেশ।।
১৫ জানুয়ারি ২০২৪
23/01/2024
বাবরি মসজিদ 💔
ফটোগুলো স্মৃতি হিসাবে রেখে দিলাম,
যদি আমার আইডি টি বেঁচে থাকে,
তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম দেখবে.🥺
22/01/2024
__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়িনি
একটু পড়েই দেখুন না,🙏
জাযাকাল্লাহ।❤️
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
يَغْسِلُونَني
আমাকে গোসল করাবে,
يَكْفِنُونَنِي
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
مَفَاتِيحِي
আমার চাবির গোছাগূলো,
كِتَابِي
আমার বইপত্র,
حَقِيبَتِي
আমার ব্যাগ,
أَحْذِيَتِي
আমার জুতোগুলো,
وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,
وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها
আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......
ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!
وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!
لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…
فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,
1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!
اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
لَقدْ زَالَ عِندَكَ:
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
1ــ الجَمَالُ
১. সৌন্দর্য্য
2ــ والمَالُ
২. ধনসম্পদ
3ــ والصَحَّةُ
৩. সুস্বাস্থ্য
4ــ والوَلَدُ
৪. সন্তান-সন্তদি
5ــ فَارقَت الدَّور
৫. বসতবাড়ি
6ــ القُصُورُ
৬. প্রাসাদসমূহ
7ــ الزَوجُ
৭. জীবনসঙ্গী
وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ
*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*
لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
1ــ الفَرَائِضِ
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
2ــ النَّوَافِلِ
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ
৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি
4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ
৪. ভালো কাজের প্রতি
5ــ صَلاةُ اللَّيلِ
৫. রাতের নামাজের প্রতি
لَعَلَّكَ تَنْجُو....
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….
إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))
ولَمْ يَقُلْ :
তারা বলবে না,
لِأعتَمَرَ
উমরাহ পালন করতাম,
أو لِأُصَلَّي
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
أو لِأصُومُ
অথবা, রোজা রাখতাম,
قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,
فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.
আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।
সংগৃহীত পোস্ট।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rangpur
