Agro Vet Care
পশু পাখি ও কৃষি নিয়ে আলোচনা।
02/05/2025
অনেকে প্রশ্ন করেন গরুকে কৃমির ইনজেকশন দিবেন নাকি কি ট্যাবলেট খাওয়াবেন?
আমার ক্ষেত্রে আমি যেটা করি সেটা হলো পেটের কৃমির জন্য ট্যাবলেট কলিজা কৃর্মির জন্য ইনজেকশন এবং বুস্টার ডোস হিসেবের আইভার মেকটিন গ্রুপের ইনজেকশন দিয়ে মোট তিন ভাবে কৃর্মি মুক্ত করি।
যেমন ধরেন আমি হাত থেকে একটা গরু কিনে আনলাম তারপর আমি তাকে দুই তিন দিন রেস্ট দেই তার কোন সমস্যা আছে নাকি দেখি।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য একটা রেনাডেক্স ট্যাবলেট দেই।
ট্যাবলেট দেওয়ার ৮ থেকে ১০ দিন পর কলিজা কৃমির জন্য চামড়ার নিচে নাইট্রোনেক্স ইনজেকশন দেই প্রতি ৫০ কেজির জন্য দেড় মিলি করে।
কলিজা কৃর্মির ইনজেকশন দেওয়ার ঠিক ২১ দিন পর আবার আইভার মেকটিন গ্রুপের এমেকটিন প্লাস ইনজেকশন প্রতি ৫০ কেজি ওজনের দের মিলি করে চামড়ার নিচে দেই।
আর এর পরেই আমি নিশ্চিত হতে পারি আমার গরুটি পুরোপুরি কৃর্মি মুক্ত হয়েছে।
যেহেতু আমি গরু সর্বোচ্চ তিন থেকে চার মাস পালন করি তাই আমার কাছে মনে হয় গরু সঠিক ভাবে কৃর্মি মুক্ত না হলে আমি আশানুরূপ তাকে মোটাতাজা করতে পারবেনা।
যেহেতু আমি আমার গরুর খাওয়া দাওয়া লালন পালন চিকিৎসা সব কাজ নিজেই করি তাই আমি যেভাবে ভালো ফলাফল পাই আমি সেটাই করি।
আমি কখনো কাউকে আমার নিয়ম ফলো করতে বলি না আপনারা অবশ্যই আগে একজন ভালো ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর কৃর্মি মুক্ত করবেন।
এখন অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে একটা গুরুর কৃমি দূর করতে এত কিছু করা লাগবে কেন?
অনেকের কাছে এটা মশা মারতে কামন আনার মত অবস্থা মনে হতে পারে।
তাদের জন্য একটু বিস্তারিত ভাবে বলি।
গরু তথা সকল গবাদিপশু শরীরে বিভিন্ন ধরনের পরজীবি বা কৃমি বসবাস করে। গরুর বাসস্থান ও খাদ্যাভ্যাসের কারনে গরুর শরীরে কৃমির আক্রমণ ও বিস্তার বেশি ঘটে।
গরুর শরীরের পরজীবি গুলোকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ১. অন্তঃ পরজীবি, ২. বহিঃ পরজীবি।
গরুর অন্তঃ পরজীবি
গরুর শরীরের অভ্যন্তরে যে সকল কৃমি বা পরজীবি বসবসা করে তাদেরকে অন্তঃ পরজীবি বলে। গরুর পেট বা রুমেনে, গরুর লিভারে, গরুর চোখে ইত্যাদি জায়গায় বিভিন্ন রকমের কৃমি পাওয়া যায়। গরুর অন্তঃ পরজীবি তুলনামুলক বেশি ক্ষতি সাধিত করে।
গরুর বহিঃ পরজীবি
গরুর শরীরের বাইরের অংশে তথা চামরার উপরে কিছু পরজীবি বসবাস করতে দেখা যায় এদের কে বহিঃ পরজীবি বলে। এদের মধ্যে উকুন বা আঠালী অন্যতম।
13/04/2025
এলএসডি তথা ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ এর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পূর্বেই আপনার মূল্যবান গবাদি প্রাণীটিকে ভ্যাকসিন করুন এবং আপনার প্রাণীটিকে সুস্থ রাখুন।
15/02/2025
গাভীর দুধ বৃদ্ধিতে যেসব বিষয়ে দৃষ্টি রাখা জরুরীঃ
1) গর্ভবতী গাভীর জন্য প্রয়োজন সুষম খাদ্য সরবরাহ। এ সময় প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি প্রয়োজন। যা গাভীর নিজের জন্য ও বাছুরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গাভীর পুষ্টির উপর নির্ভর করে গাভীর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা ও বাচ্চার দেহ গঠন। তাই গর্ভবতী গাভীকে বিশেষভাবে সুষম খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
2) বাছুর প্রসবের পর গাভীকে সঠিকভাবে গোসল করাতে/ পরিষ্কার করতে হবে। শীতের দিন হলে হালকা গরম পানি দিয়ে হলেও তা পরিষ্কার করতে হবে। যা দেহের বহিঃপরজীবী দূর করতে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। আর তাপমাত্রার সাথে দুধ উৎপাদন এর একটা সম্পর্ক রয়েছে।
3) ড্রাই পিরিয়ড বলতে সেই সময়কে বোঝায় যখন গাভীর বাছুর বড় হওয়ার পর থেকে পুনরায় গর্ভবর্তী হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়কে। এ সময় সাধারণত 60-70 দিন হলে ভালো হয়। এ সময়ে গাভীর তার দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং পরবর্তী বাছুরের জন্য নিজের দেহকে সুষ্ঠুভাবে তৈরি করতে পারবে। আজ এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ড্রাই পিরিয়ড বৃদ্ধি পেলে দুধ উৎপাদন বাড়ে।
4) দেহের পরিপাক তন্ত্র সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুষম পানি প্রয়োজন। পানি দেহের পরিমিত পানি দেহের মেটাবলিজম সঠিক রাখে।
5) গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়াতে কাঁচা ঘাসের কোনো বিকল্প নেই। সুষম খাদ্যের পাশাপাশি কাঁচা ঘাস দুধ উৎপাদন বাড়ায়। ঘাসের বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতিতে দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
6) বাচ্চা প্রসবের আগে ও পরে কিছু দিন বাসস্থানকে আগে আরাম দায়ক করতে শুকনো খড় ব্যবহার করা উত্তম। কোন রকম ময়লা আবর্জনা সেখানে রাখা উচিত নয়। এতে করে পরবর্তীতে কৃমি বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ২ বার ব্লিচিং পাউডার দ্বারা গাভীর স্থানের মেঝে পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে জীবাণুর প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে কমানো যায়।
7) গাভীর বাছুর প্রসবকালে নিতে হবে বাড়তি পরিচর্যা। এ সময় গাভীকে নরম বিছানার (খড় বিছিয়ে) ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত বকনা গরুর ক্ষেত্রে প্রথম বাছুর প্রসবকালে সমস্যা একটু বেশি হয়। তাই বাছুর হওয়ার সাথে সাথে গাভীকে কিছু কুসুম গরম পানি ও তার সাথে ভিটামিন সি সদৃশ্য কিছু খাওয়াতে হবে। এতে করে গাভীর শরীর ঠিক থাকে।
উপরে উল্লেক্ষিত পরামর্শ সঠিক ভাবে পালন করলে আপনার পালনকৃত গাভীর উৎপাদিত দুধ বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ্!
সবাই শেয়ার করেন ধন্যবাদ ❤️🐄
গবাদি পশু সম্বন্ধে যে কোন পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন।
ভালো লাগলে অবশ্যই আমাদের পেজটি ফলো করুন
গ্রামীণ পরিবেশে হাঁস পালনে লাভবান হওয়ার কৌশল
07/02/2025
কুরবানীর উপলক্ষ গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর
২-৩ মাস মেয়াদী ষাঁড় এবং হাড্ডি গাভী মোটাতাজাকরণ ১০০ কেজি দানাদার খাদ্য নমুনা।
১/ভূট্টা ভাঙ্গা ৩০ কেজি
২/ধানের কুড়া ২০ কেজি
৩/রাইস ব্রান ১০ কেজি
৪/মুসুরির ভূষি ২০ কেজি
৫/সয়াবিন খৈল ১০ কেজি
৬/সরিষার খৈল ১০ কেজি
মোট ১০০ কেজি।
দ্রুত রেজাল্ট পেতে নিচের সাপ্লিমেন্ট গুলো যোগ করবেন।
১/এমসিপি পাউডার ১.৫ কেজি
২/ক্যাটল প্রিমিক্স ২৫০ গ্রাম
৩/লাইমস্টোন ১.৫ কেজি
৪/ফ্যাট ২৫০ গ্রাম
৫/সিআর ৫০ গ্রাম
৬/রুমেইন ১০০ গ্রাম
৭/লাইসিন ৫০০ গ্রাম
৮/টক্সিন বাইন্ডার ২০০ গ্রাম
৯/মেথিওনিন ৩০০ গ্রাম
১০/এনজাইম ২৫০ গ্রাম
১১/কলিন ২০০ গ্রাম
১২/ফিস মিল ৩ কেজি
এই সকল খাদ্য এবং উপাদান গুলো একসাথে মিক্সিং করে একমাস পর্যন্ত রাখতে পারবেন।
প্রতি ১০০ কেজি ওজনের গরুর জন্য এই খাদ্য দিবেন দেড় থেকে দুই কেজি সারা দিনে।
ধন্যবাদ আপনাদের আসুন সবাই ইনভাইট করুন অনুরোধ রইল লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকার অনুরোধ রইলো সেই সাথে আপনার বন্ধুদেরকে ইনভাইট করুন
04/02/2025
🐃🐂🐄 যারা খামার তৈরি করার কথা ভাবছেন তারা অভশ্যই লেখা পরবেন এবং পড়া উচিত......
খামার তৈরি করার পৃর্ব প্রস্তুতি..
🐂🐃🐄খামার করার পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন যাতে খামার সফলভাবে পরিচালিত হতে পারে। নিচে কিছু মূল প্রস্তুতি উল্লেখ করা হলো:
১..স্থান নির্বাচন:
খামারটি যেখানে প্রতিষ্ঠিত হবে🏠🏠 সেই জায়গাটি নির্বাচন করুন। পরিবেশ, জলবায়ু, জমির প্রকার, এবং জল সরবরাহের অবস্থা খেয়াল রেখে স্থান নির্বাচন করা জরুরি
2.পানি সরবরাহ ব্যবস্থা:
খামারে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য একটি সঠিক পানির উৎস যেমন ঝরণা, পুকুর বা ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে।
খামারের নকশা:
খামারের জন্য একটি ভাল নকশা তৈরি করতে হবে।🏠🏠🏠 যেখানে পশুদের জন্য খাঁচা, গোসলের জায়গা, খাবারের জায়গা এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকবে।
বাজেট পরিকল্পনা:
খামার চালানোর জন্য প্রাথমিক বিনিয়োগ এবং পরবর্তী খরচের হিসাব করতে হবে। এই জন্য পরিকল্পনা করা জরুরি, যাতে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যবস্থা করা যায়।
সরঞ্জাম এবং উপকরণ সংগ্রহ:
খামার চালাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (যেমন পশুদের খাদ্যদান🐄🐄🐄🐄🐄🐄🐄, পানির ব্যবস্থা, রোগ প্রতিরোধ সরঞ্জাম ইত্যাদি) সংগ্রহ করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া:
🏠🏠খামার সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া, যেমন পশুপালন🐄🐄 বিশেষজ্ঞ, কৃষি অধিকারী বা পশু চিকিৎসক, যারা আপনাকে উপযুক্ত পরামর্শ দিতে পারবেন।
স্বাস্থ্য পরিকল্পনা:
পশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং টিকা দেওয়া ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।
খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থা:
পশুদের জন্য উপযুক্ত খাদ্য 🌾🌾🌾🌾এবং পুষ্টির ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে তাদের বৃদ্ধি এবং উৎপাদন পর্যাপ্ত হয়।
আইনি ও প্রশাসনিক কাজ:
খামার পরিচালনা করতে হলে স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি আইন মেনে চলতে হবে। যেমন লাইসেন্স নেওয়া, পরিবেশ সুরক্ষা আইন অনুসরণ করা ইত্যাদি।
এই সব প্রস্তুতির মাধ্যমে আপনি একটি সফল এবং সুরক্ষিত খামার স্থাপন করতে পারবেন।
ব্যবসায়িক পরিকল্পনা:
খামার পরিচালনায় একটি ভালো ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করা উচিত। এর মধ্যে খরচ, লাভ, বাজারজাতকরণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিকের বিশ্লেষণ থাকবে।
পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম:
সাস্টেইনেবল কৃষি এবং পশুপালন🐃🐂🐄 পদ্ধতির উপর জোর দেয়া উচিত, যাতে পরিবেশ ও প্রকৃতির ওপর কম প্রভাব পড়ে এবং উৎপাদন দীর্ঘমেয়াদি হয়।
শ্রমিক ও ব্যবস্থাপনা:
দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ এবং খামারের কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনা করতে একটি ভালো ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া দরকার।
আদর্শ খামার গড়ে তোলার জন্য এসব মূল বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করলে, আপনি সফলভাবে খামার পরিচালনা করতে পারবেন।
খামার করার আগে অভশ্যই কাচা ঘাসের 🌿🌿🌿🌿🌿🌿বিকল্প নেই.....
তাই আপনারা ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সরগম সুদান ঘাসের বীজ টা চাষ করুন🌱🌱🌱
এতে আপনারা সল্প খরচে অধিক লাভবান হতে পারবেন....
🌿🌿🌿হাইব্রিড সরগম সুদান ঘাসে🌿🌿🌿 আছে ২২ পার্সেন্ট প্রোটিন ১৮% ফাইবার যা আপনার গবাদি পশুকে🐄🐄🐄 দ্রুত মোটাতাজা করবে,,দুধ বৃদ্ধি করবে এবং আপনার গবাদি পশুর 🐄🐄🐄রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবেন,,,,
১ কেজি দিয়ে ৫ শতাংশ জমি চাষ করা যায় এটা হচ্ছে মাল্টিকাট 🌾🌾🌾
একবার রোপণের পর বারবার কাটতে পারবেন 🌿🌿
এটা শীত ও পানি সহনশীল....এই ঘাস টা🌿🌿🌿🌿 শীতে দ্রুত বর্তনশীল
🌱🌱ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সরগম সুদান ঘাস শীত এবং সহনশীল একটি ঘাসের বীজ....... 🌱🌱
🌱🌱আসুন জেনে নেই সরগম সুদান ঘাস সম্পর্কে বিস্তারিত🌱🌱
এই ঘাস চাষে খরচ খুবই কম..….
🌱 মাত্র ৩৫-৪০ দিনেই খাওয়ানোর উপযুক্ত হয়।
🌱 ৫-৬ ফুট লম্বা হয়।
🌱 একবার বীজ ছিটালে ৪-৫ বার কাটা যায়।
🌱 সারা বছর চাষ করা যায়।
🌱 নরম ও সুস্বাদু হওয়ায়, এই ঘাস গরু এবং ছাগলে খুব ভাল খায়।
🌱দীর্ঘদিন পর্যন্ত নরম থাকে।
🌱অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও উচ্চ ফলনশীল ঘাস।
🌱এই ঘাসে প্রোটিন: ১৮-২০%।
উচ্চ ফলন: কম সময়ে বেশি উৎপাদন
🔸 পুষ্টিকর: প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ
🔸 সহজ চাষাবাদ: কম পানি ও যত্নে ভালো ফলন
🔸 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: উচ্চ প্রতিরোধ ক্ষমত
02/02/2025
ছায়াযুক্ত স্থানে চাষযোগ্য ফসল:
যেসব জায়গায় তুলনামূলক রোদের উপস্থিতি কম থাকে, সেসব জায়গায় চাষ উপযোগী কিছু ফসল রয়েছে। এসব ফসল ছায়াযুক্ত বাড়ির আঙিনা/রাস্তার ধার, ছাদ বাগানে বড় গাছের নিচের ছায়ায় চাষ করা যাবে-
•সকল ধরনের কচু
•মেটে আলু/গাছ আলু
•সজনে ডাঁটা
•বারোমাসি মরিচ
•বারোমাসি সাদা বেগুন
•কলমি শাক
•বিলাতি ধনিয়া
•পুদিনা পাতা
•লেটুস
•বাটি শাক
•আদা
•হলুদ
•মিষ্টি পান
•চুই ঝাল
আমরা কিভাবে এইসব ফসল চাষ করবো। তা আমাদের এই Agro Vet Care এ আলাদা আলাদা ভাবে দেখাবো,আপনারা দেখতে চাইলে আমাদের সাথে থাকুন।
31/01/2025
অল্প সময়ের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরণ কৌশলঃ
কৃমিমুক্ত করণঃ
লিভানিড ট্যাবলেট 100কেজিতে 1টি সকালে খালি পেটে খাওয়াবেন 2ঘন্টা কিছুই খেতে দিবেন না, এর 20দিন পরে এমেক্টিন প্লাস ইনজেকশন 100কেজিতে 3মিলি এ হিসেব করে চামড়ার নিচে পুশ করবেন। কৃমিনাশক ব্যবহারের পরের দিন থেকে 20দিন জিসভেট +এজিংক ভেট বড় হলে 100মিলি, আর মাঝাড়ি হলে 80 মিলি এবং ছোট হলে 50 মিলি করে এবং আদার রস,সোডা,লেবু রস,চিটাগুড়/লালি/চিনি খাওয়াবেন, এ সব খাওয়ালে লিভার টনিকের প্রয়োজন পড়বে না বা লিভার টনিকের কাজ হয়ে যাবে!
ভিটামিন ইনজেকশনঃ
1)ভিটাফস ইনজেকশন
2)ভিটাএডি3ই ইনজেকশন
3)এমাইনোভিট প্লাস ইনজেকশন
4)বায়োনল ফোর্ট ইনজেকশন
বড় গরুর জন্য 2পারে 10+10=20মিলি,
মাঝাড়ির জন্য 15মিলি, ছোট হলে 10মিলি করে সব গুলোই 7দিন পরপর 4বার করবেন।
দানাদার খাদ্যের রেশনঃ
ধান -- 20 কেজি
ভুট্রা -- 15 কেজি
গম -- 15 কেজি
ছোলা ভুট -- 10 কেজি
সয়াবিন -- 10 কেজি
সরিষার খৈল -- 10 কেজি
গমের ভুসি -- 10 কেজি
লবন -- 3 কেজি
লাইমস্টোন -- 3 কেজি
ডিসিপি -- 2 কেজি
ডিভি -- 1 কেজি
প্রিমাফেট/বার্গাফেট -- 1 কেজি।
উল্লেক্ষিত ব্যবস্থাদি আপনার গরুকে সরবরাহ করলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মোটাতাজা হবে ইনশাআল্লাহ্।
🐄🐃🐂🐄🐃🐂🐄🐃🐂🐄🐃🐂
30/01/2025
📌🌶️ মরিচ চাষীদের জন্য সকল সমস্যার সমাধান এক সাথেই দেওয়া হলো আপনার সংগ্রহে রাখুন কাজে লাগবে ইনশাআল্লাহ।
🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️
✅ #থ্রিপস_দমনে_কার্যকর_কীটনাশক:
🔸 এমামেকটিন বেনজয়েট+লুফেনিউরন গ্রুপের সিনজেন্টা কম্পানির কীটনাশক “ডেনিম ফিট50WG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম
🔸 স্পিরোটেট্রামেট গ্রুপের বায়ার কম্পানির কীটনাশক “মোভেন্টো150OD” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
🔸 ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের এসিআই কম্পানির কীটনাশক কীটনাশক “টিডো প্লাস৭০WDG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২গ্রাম
🔸 এসিফেট গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক “ফরচুনেট75SP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম
🔸 পাইমেট্রোজিন+নিথেনপাইরাম গ্রুপে ন্যাশনাল কম্পানির “স্পেলেন্ডর 80WDG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম
🔸স্পিনোস্যাড গ্রুপের অটো কম্পানির কীটনাশক “সাকসেস 2.5SC” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ মিলি
🔸“ম্যাট্রিন 0.5AS” গ্রুপের জৈব বালাইনাশক ইস্পাহানী কম্পানির “বায়োট্রিন” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
✅ #সাদামাছি_দমনে_কার্যকর_কীটনাশক:
🔸 ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের এসিআই কম্পানির কীটনাশক কীটনাশক “টিডো প্লাস৭০WDG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২গ্রাম
🔸 এসিফেট গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক “ফরচুনেট75SP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম
🔸 “ব্যাসিয়ানা 1.15WP” গ্রুপের জৈব বালাইনাশক ইস্পাহানী কম্পানির “বায়ো ভেরিয়া” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫০ গ্রা
✅ #মরিচের_জাব_পোকার_দমনে_কার্যকর_কীটনাশক:
🔸সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের অটো কম্পানির কীটনাশক “রেলোথ্রিন10EC” ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
🔸থায়ামেথ্রোক্সাম গ্রুপের সিনজেন্টা কম্পানির “একতারা25WG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম
🔸 ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক কীটনাশক “ইমপেল20SL” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ মিলি
🔸 এসিফেট গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক “ফরচুনেট75SP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম
🔸 “ম্যাট্রিন 0.5AS” গ্রুপের জৈব বালাইনাশক ইস্পাহানী কম্পানির “বায়োট্রিন” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
✅ #মাকড়_দমনে_কার্যকর_কীটনাশক
✍️ এবামেকটিন গ্রুপের জৈব মাকড়নাশক ইস্পাহানী কম্পানির “ইকোম্যাক1.8EC” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
✍️ এবামেকটিন+বেটা সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের এসিআই কম্পানির “একামাইট প্লাস 3WDG” প্রি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম
🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️
✅ #কাণ্ড_ও_গোড়া_পঁচা_দমনে_কার্যকর_ছত্রাকনাশক
✒️কার্বেনডাজিম+ম্যানকোজেব গ্রুপের সেমকো কম্পানির ছত্রাকনাশক “ম্যানসার75WP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম
✒️ কার্বেনডাজিম+ম্যানকোজেব গ্রুপের এসিআই কম্পানির ছত্রাকনাশক “ক্যামামিক্স750WP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম
✒️ কার্বেনডাজিম গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির ছত্রাকনাশক “গোল্ডাজাম 500SC” প্রতি১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি
✒️ এসিটিন 5%ME গ্রুপের জৈব ছত্রাকনাশক ইস্পাহানী কম্পানির “বায়ো এলিন” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি . 🌶️🌶️🌶️🌶
✅ #উইল্ট_রোগ_দমনে_কার্যকর_ব্যাকটেরিয়ানাশক:
👉 বিসমার্থিওজল+কাসুগামাইসিন গ্রুপের মিমপেক্স কম্পানির ব্যাকটেরিয়া নাশক “কিমিয়া21.5WP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম
👉 কাসুগামাইসিন+ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের সোয়াজিস কম্পানির ব্যাকটেরিয়া নাশক “কাইসিন80WG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম
👉 বিসমার্থিওল গ্রুপের হেকেম কম্পানির ব্যাকটেরিয়া নাশক “ব্যাকট্রোবান 20WP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম
👉 “ক্লোরোআইসোব্রোমাইন সায়ানুরিক এসিড” গ্রুপের অটো কম্পানির ব্যাকটেরিয়া নাশক “ব্যাকটাফ 50SP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম
🌶️🌶️
✅ #মরিচের_ভাইরাস_দমনে_করণীয়:
ভাইরাসের বাহক পোকা সাদা মাছিকে মরিচের সাদা মাছি পোকার দমনে কার্যকর কীটনাশক:
🔴 ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের এসিআই কম্পানির কীটনাশক কীটনাশক “টিডো প্লাস৭০WDG” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২গ্রাম
🔴এসিফেট গ্রুপের স্কয়ার কম্পানির কীটনাশক “ফরচুনেট75SP” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম
🔴“ব্যাসিয়ানা 1.15WP” গ্রুপের জৈব বালাইনাশক ইস্পাহানী কম্পানির “বায়ো ভেরিয়া” প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫০ গ্রা
🟡 কোন কোন ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র মাকড় দ্বারা ভাইরাস ছড়ায় তাই প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম থিওভিট বা ২.০ মিলি ক্যালথেন ১২-১৫ দনি অন্তর স্প্রে করা।
#ভাইরাসের_আক্রমন_হলে_করণীয়:
🔸আক্রান্ত গাছ জমি থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে অথবা
সরকার অনুমোদিত ভাইরাস নাশক স্প্রে করতে হবে
#সরকারি_নিবন্ধনিত_ভাইরাস_নাশক_সমূহ_হলো:
🔸 “বায়ো এনভির” প্রতি লিটার পানিতে ১মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন ৭ দিন পর পর দুইবার গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করুন
🔸“বায়ো ভাইরন” প্রতি লিটার পানিতে ১.২ মিলি মিশিয়ে ৭ দিন পর পর দুইবার গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করুন
⚠️ #সতর্কতা:
পোকা-মাকড় ও রোগ দমনে একই গ্রুপের বালাইনাশক বারবার ব্যবহার না করে গ্রুপ পরিবর্তন করে ব্যবহার করলে পোকামাকড় এবং রোগ দমনে বালাইনাশকের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
29/01/2025
বাছুরের সুষম খাদ্যের মিশ্রণের তালিকাঃ
1) গমের ভুষি 25 কেজি
2) ভুট্টার ভুষি 25 কেজি
3) মশুরের ভুষি 10 কেজি
4) ছোলাবুট/মটরের ভুষি 15 কেজি
5) চালের মিহি কুড়া 20 কেজি
6) ডিসিপি 3 কেজি
7) লবণ 2 কেজি
মোট 100 কেজি সুষম দানাদার খাদ্যের হিসাব।
এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা ঘাস, খড় এবং নিরাপদ পানি বাছুরকে প্রদান করতে হবে। তবেই আপনার বাছুর থেকে বেশী বেশী লাভবান হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্।
তথ্য ও পরামর্শ পেতে পেজটি ফলো করে রাখুন ধন্যবাদ
https://www.facebook.com/profile.php?id=61571337744904
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rangpur
