Abul Bashar Sunamganji

Abul Bashar Sunamganji

Share

স্বপ্ন আমার জীবনের চেয়ে বড়
স্বপ্ন দেখি সমাজ গড়ার!
আল্লাহর রঙে রঙিন হয়ে
শ্রেষ্ঠদের দলে নাম লিখাবার🥰

যারা হক কথা বলতে চান বা লিখতে চান তারা এই গ্রুপে এড হোন আর হক কথা লিখে জাতির নিকট হকের বার্তা পৌঁছে দিন,,তাহলেই আমল হবে রাসূল(স:) বিদায় হজ্জের সেই কথা উপর,, তিনি বলেছিলেন আমার পক্ষ হতে একটি বাণী হলেও

18/05/2026

ছাত্রদের দুষ্টুমি🤣🤣

17/05/2026

বাবুনগর আজ খুশিতে আন্দোলিত....!

কওমী দেওবন্দী চেতনার খাটি ধারক বাহকগণ ঠিকই একে অপরকে খুব ভালো করে চিনে জানে। কে আপন আর কে পর সেটাও নির্ণয় করতে ভুল করে না।

বাংলাদেশে কওমী দেওবন্দী ব্যানারে যত ঈমানী আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে, সকল আন্দোলনের অগ্র সৈনিকগণ এদেশে বার বার প্রমাণিত।

মহান আল্লাহ আমীরে হেফাজতের হায়াতে ভরপুর বারাকাহ দান করেন এবং আমীরে মজলিসের নেতৃত্বকে বলিষ্ঠ করেন। নেতৃত্বদানে সকল অনিষ্ট থেকে মহান রব তার কুদরতে হিফাজত করেন।

Photos from Abul Bashar Sunamganji's post 07/05/2026

কখনো ভাবিনি, একটি বিমানবন্দর আমাকে নিজের ভেতরের নতুন এক অনুভূতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।

এর আগে কখনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়া হয়নি আমাদের কোন আত্মীয় বা রিয়েলিটিভ কেউ প্রবাসী নেই। শুধু ফেসবুকের রিল আর ইউটিউবের শর্ট ভিডিওতেই দেখতাম প্রবাসীরা দেশে ফিরলে তাদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করা হয়, আর যখন তারা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমায়, তখন চারপাশে বয়ে যায় কান্নার ঢল। বিষয়টা তখন পর্যন্ত আমার কাছে ছিল কেবলই দেখা—মনের ভেতর ছোঁয়া লাগেনি কখনো।

সেদিন, এক বন্ধুকে বিদায় জানানোর উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দরে প্রবেশ করলাম।
নিচতলায়, যেখানে প্রবাসীরা দেশে ফিরে আসে, সেখানে এক অন্যরকম দৃশ্য। অসংখ্য মানুষ হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে অপেক্ষা করছে তাদের প্রিয়জনদের জন্য। কারো চোখে আনন্দ, কারো মুখে হাসি চারপাশ যেন খুশির এক উৎসব। মনে হচ্ছিল, যেন কোনো বিয়ের বাড়িতে এসে পড়েছি সবাই আনন্দে ভাসছে, কারো মুখে দুঃখের ছাপ নেই।

কিন্তু যখন ধীরে ধীরে উপরের তলায় উঠলাম, দৃশ্যটা হঠাৎ বদলে গেল।
সেখানে কেবলই কান্না, ভারী হয়ে থাকা বাতাস, আর কষ্টে ভরা বিদায়ের মুহূর্ত। প্রিয়জনেরা চোখের পানি লুকাতে না পেরে বিদায় জানাচ্ছে তাদের আপন মানুষদেরৎযারা স্বপ্ন পূরণের আশায় সবকিছু ছেড়ে দূর দেশে পাড়ি জমাচ্ছে। সেই মুহূর্তগুলোতে মনে হচ্ছিল, যেন আনন্দের পৃথিবী ছেড়ে হঠাৎই চলে এসেছি শোকের এক নিঃশব্দ ঘরে।

একটু আগেও যেখানে ছিল বরের বাড়ির মতো উচ্ছ্বাস, এখানে এসে মনে হলো কনের বাড়ি যেখানে বিদায়ের বেদনায় আনন্দ ম্লান হয়ে যায়।

এই দুই বিপরীত অনুভূতির মাঝে দাঁড়িয়ে, অজান্তেই চোখ ভিজে উঠল। অথচ আমার নিজের কোনো আত্মীয় বা কাছের মানুষ কখনো প্রবাসে যায়নি। তাই এই অনুভূতিটা আগে কখনো এভাবে উপলব্ধি করা হয়নি।

সেদিন, বন্ধুকে বিদায় দিতে গিয়ে, আমি শুধু তাকে বিদায় দিইনি নিজেকেও নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি।

28/04/2026

কথায় নয় কাজে প্রমান✊

28/04/2026

সবার শোনা উচিত

26/04/2026

ভাব নিতে গিয়ে হঠাৎ ধরা # #

24/04/2026

বৃহস্পতিবার মানেই একটু বিলাসিতা,
ভাঙা গলা চাঙ্গা হওয়ার ধান্দায়,

Photos from Abul Bashar Sunamganji's post 02/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।
উর্দূ কায়দা থেকে শুরু করে জ্ঞানার্জনের সেই পথচলা, প্রায় এক দশকের ধৈর্য, পরিশ্রম আর স্বপ্ন বুকে লালন করার পর অবশেষে পূর্ণতা পেল আল্লাহর অশেষ রহমতে।
গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া দারুল উলূম-এর পবিত্র প্রাঙ্গণে যখন দারুল হাদীসে দাখেলার সৌভাগ্য অর্জিত হলো, তখন যেন জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। হৃদয়ের গভীরে এক অদ্ভুত প্রশান্তি, চোখে অজানা স্বপ্নের ঝিলিক সব মিলিয়ে এক অনন্য অনুভূতি।
অতঃপর সেই মাহেন্দ্রক্ষণ
“ক্বালা হাদ্দাসানা…” এই পবিত্র বাক্য উচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হলো হাদীসের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য কিতাব সহিহ বুখারী-এর দারস। যেন জ্ঞানের এক নূরানী দরজা উন্মুক্ত হয়ে গেল।
এই শুভ সূচনার ইফতেতা করেন প্রখ্যাত আলেম, উস্তাজুল আসাতিজা, শাইখুল আল্লামা বাহাউদ্দীন আহমাদ (হাফিযাহুল্লাহ) যিনি নিজেও ছিলেন আল্লামা জাফর আহমাদ উসমানী (রহঃ) এর স্নেহধন্য শাগরেদ।
তাঁর কণ্ঠে প্রথম দরস, তাঁর দোয়া ও নসিহতে পরিবেশ হয়ে উঠেছিল আরও বরকতময়। মনে হচ্ছিল, জ্ঞানচর্চার এই পথ কেবল অধ্যয়ন নয় এ এক নূরের সফর, আত্মার পরিশুদ্ধির এক অনন্য যাত্রা।
এভাবেই শুরু হলো সেই কাঙ্ক্ষিত অধ্যায়
একজন তলিবে ইলমের জীবনে, যা কেবল একটি ক্লাসের সূচনা নয়, বরং স্বপ্ন পূরণের এক দীপ্তিময় মুহূর্ত।

Photos from Abul Bashar Sunamganji's post 28/03/2026

বারটা ছিল মঙ্গলবার ২৪-০৩-২০২৬ইং বিয়ে হয়ে গেল আমাদের প্রিয় তোফাজ্জল ভাইয়ের। গ্রামের সবার হৃদয়ের খুব কাছের একজন মানুষ নম্র, ভদ্র আর মিষ্টি ব্যবহারের জন্য যাকে আলাদা করে চিনিয়ে দিতে হয় না। ভদ্র ছেলেদের একটি তালিকা করলে নিঃসন্দেহে তিনি থাকবেন সেই তালিকার প্রথম সারিতেই।
আজ সেই মানুষটিই যেন এক রাজকীয় আভায় ভর করে, একেবারে মোঘল সম্রাটের বেশে, ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে নিজের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়ে প্রবেশ করলেন। সঙ্গে করে নিয়ে এলেন এক রূপসী জীবনসঙ্গিনীকে যার হাসি যেন মুক্তোর মতো ঝরে পড়ে। এই দৃশ্য দেখে আশেপাশের অবিবাহিত যুবকদের মনে একটু হলেও হালকা বিষণ্নতার ছোঁয়া লাগাটাই স্বাভাবিক। কারও কারও মনে প্রশ্ন “কবে যে আমাদের জীবনেও এমন একজন আসবে, যার হাসিতে মন ভরে যাবে!”
তোফাজ্জল ভাইয়ের “উইকেট” তো আজ পড়েই গেল! সিঙ্গেল জীবনের সেই স্বাধীনতা যেখানে ইচ্ছে হলো এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়ানো, রাত জেগে আড্ডা দেওয়া সবকিছুই যেন এখন নতুন নিয়মের ভেতর বাঁধা পড়বে। কেউ কেউ নিজেদের সান্ত্বনা দিচ্ছে “স্বাধীনতা তো গেল!” কিন্তু মনের ভেতরে সেই হালকা জেলাস ভাবটা ঠিকই কাজ করছে। এসবই তো ভালোবাসার মজার খুনসুটি বন্ধুত্বের রঙে রাঙানো কথাবার্তা।
সবকিছুর শেষে, হৃদয়ের গভীর থেকে দোয়া আর ভালোবাসা রইল তোফাজ্জল ভাই, তোমার নতুন জীবনের পথচলা হোক সুখময়, সুন্দর আর শান্তিতে ভরা। ভাবিকে নিয়ে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কাটুক ভালোবাসা আর আনন্দে।
আর আমাদের জন্যও দোয়া রেখো এই লাগামহীন জীবন আর ভালো লাগে না। এবার আমরাও চাই, কেউ একজন এসে জীবনের লাগামটা আলতো করে টেনে ধরুক। 😊

Photos from Abul Bashar Sunamganji's post 15/03/2026

পল্লী, প্রকৃতি, আবেগ ও শখবিলাস

Photos from Abul Bashar Sunamganji's post 14/03/2026

প্রতিদিনের মতো আজও রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, প্রতিদিনই মসজিদে নামাজ পড়তে যাই, ঘর থেকে বের হলেই এই জায়গাগুলো চোখে পড়ে মসজিদ, স্কুল, পুকুরঘাট সবই তো সবসময় চোখের সামনেই থাকে। তবু প্রতিদিনের ব্যস্ততায় সেভাবে খেয়াল করা হয় না। কিন্তু আজ হঠাৎই যেন স্মৃতিমাখা এক দৃষ্টি এসে পড়ল সেই চিরচেনা জায়গাগুলোর উপর।

মুহূর্তেই মনে ভেসে উঠল কত শত সোনালি স্মৃতি। মনে হলো সময়টা যেন এক পলকেই পেছনে ফিরে গেল। সেই আবেগঘন মুহূর্তটাকে ধরে রাখতেই স্মৃতির করিডরে একটু থেমে দাঁড়িয়ে তুলে নিলাম কয়েকটি ছবি।

এটাই আমার প্রিয় গ্রাম, আমার জন্মভূমি সুনামগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র ধর্মপাশা উপজেলার বগারপাচুর গ্রাম। এই গ্রামের সবুজ মাঠে, নিরিবিলি ঘাটে, গাছপালার ছায়ায় কেটেছে আমার শৈশবের অসংখ্য দিন। এখানেই বড় হয়েছি, এখানেই জমে আছে জীবনের সবচেয়ে নির্মল স্মৃতিগুলো।

আমাদের বাড়ি থেকে কয়েক গজ দূরেই অবস্থিত জামে মসজিদটি। ছোটবেলায় মা প্রতিদিন আমাকে মক্তবে পাঠাতেন। রোদ হোক, বৃষ্টি হোক, কিংবা কুয়াশায় মোড়া কনকনে শীতের সকাল কোনো অজুহাতই চলত না। মক্তব থেকে ফিরে এলেই মা ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত সামনে এনে দিতেন। সেই ভাত খেয়েই আবার ছুটে যেতাম স্কুলের দিকে। মজার ব্যাপার হলো, স্কুলটাও ছিল মসজিদের ঠিক পাশেই।

স্কুল ছুটি হলেই বন্ধুদের সঙ্গে দৌড়ে চলে যেতাম পুকুরের ঘাটে। এক লাফে ঝপ করে পানিতে পড়তাম, তারপর শুরু হতো ডুবাডুবি আর জলকেলি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাপাদাপি করার পর চোখ দুটো আগুন গোলার মতো লাল করে বাড়ি ফিরতাম। এমন দুষ্টুমির জন্য প্রায়ই ধরা পড়তাম দুই জায়গায়, একবার মায়ের কাছে, আরেকবার পরদিন সকালে হুজুরের কাছে। তবুও আমাদের সেই দুষ্টুমি কখনো থামেনি।

কারণ আমাদের সময় শৈশব মানেই ছিল খেলাধুলা, দৌড়ঝাঁপ আর অফুরন্ত আনন্দ। তখন মোবাইল ফোনের এই নেশা ছিল না, যা আজকের প্রজন্মকে অক্টোপাসের ন্যায় অদৃশ্য শিকলে বেঁধে ফেলেছে।

আমরাই হয়তো শেষ প্রজন্ম, যারা শৈশবকে সত্যিকার অর্থে শৈশবের মতো করে উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছি। আজও সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে হৃদয়ের ভেতর এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া জেগে ওঠে। মনে হয় আহা! যদি আরেকবার ফিরে পাওয়া যেত সেই নির্ভেজাল, আনন্দে ভরা সোনালি দিনগুলো।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Sunamganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

Sunamganj