Sylhoti MR & MRS
Explore the world together
মানুষ যখন মুখ আর মুখোশের পার্থক্য বুঝতে পারে তখন একা থাকতে পছন্দ করে!
এই রাক্ষসের দূনিয়ায় কোথায় লুকিয়ে রাখবো তোকে!
মুন্সিগঞ্জের কাঠের বাড়ি বিয়ানীবাজারে 😍😍
রা মি সা র ভিডিও গুলি দেখার পর থেকে কেনো জানি না বার বার মনে হচ্ছে টাকা থাকলে সবার আগে এই দেশ ছাড়া উচিত।
এখানে সব চেয়ে স্বস্তায় পাওয়া যায় বাচ্চাদের জীবন💔
নিজের সন্তানকে আগলে রাখুন কারণ ঘরের বাইরেই অপেক্ষা করছে কিছু মানুষরুপী হায়েনা! 😓😓
21/05/2026
আমার ঘরেও আছে একজন রামিসা 🙂
মাঝে মাঝে মনে হয় আমার মেয়ে অশিক্ষিত থাক তাও আমার থাক!!
20/05/2026
স্বামী যখন ৮ বছরের বাচ্চা একটা মেয়ের গলা কাটতেসিল ঘরের মধ্যে,
বৌ তখন ঘরের দরজা আটকে বসে ছিল যাতে স্বামী ঠিকমতো বাচ্চা মেয়েটাকে খুন করে পালায় যাইতে পারে,
প্রতিটা রেপ, প্রতিটা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সেই এসব "সাপোর্টিভ" মা বোন বা বৌদের আমরা দেখতে পাই,
যারা পুরুষতন্ত্রকে পুরুষের মতো করেই সার্ভ করে যাইতেসে।
এসব নিয়েও আমাদের কথা বলা উচিত।
ছেলেরা কেন শিক্ষিত এবং পার্সোনালিটি ওয়ালা মেয়েদের ভয় পায়?
কারণ, এখানে মেয়েটা পার্সোনালিটি সম্পন্ন হইলে স্বামীর রেপ আর খুনে হেল্প না করে, স্বামীকে পুলিশে দিত।
সমস্যা হইলো, ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করা বহু মেয়েও এই কাজটাই করত।
আমাদের অশিক্ষা, আমাদের গোঁড়ামি এমন এক পর্যায়ে গেছে যে এইখানে স্বামী যাতে রেপ করতে পারে, স্ত্রী সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
ছেলে যাতে বৌ পেটাতে পারে, মা আর ননদ মিলে সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
এইগুলা কোন সুস্থ জাতির পক্ষে করা সম্ভব না।
আমরা সবাই মিলে এক অসুস্থ জাতিতে পরিণত হয়েছি।
সমস্যাটা আইন শৃঙ্খলার না।
বিশ্বাস করেন, পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা যখন ৭ বছরের বাচ্চা একটা মেয়েকে রেপ করে মাথা কেটে রাখে আর স্ত্রী স্বামীকে পালানোর ব্যবস্থা করে দেয়,
সমস্যাটা আইনশৃঙ্খলার না।
সমস্যাটা সাইকোলজির।
"আমি তোমার বধূ, তুমি আমার স্বামী, খোদার পরে তোমায় আমি বড় বলে জানি" টাইপের কালচার আর হুজুরদের স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীদের বেহেশত টাইপের ফতোয়া দিয়ে, হাজার বছর ধরে এই সাইকোলজি গ্রো করানো হয়েছে।
এই অসুস্থতা থেকে মুক্তি দিতে সারা দেশের অন্তত শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের কাউন্সেলিং দরকার।
পুরুষরা খুব সহজে মেয়েদের জন্য সাধু হয়ে যাবে, এই আশা আমি করি না।
কিন্তু মেয়েদের তো অবশ্যই মেয়েদের জন্য থাকতে হবে।
কোন ফ্যামিলিতে পুরুষ বৌ পেটাইলে প্রথম প্রতিবাদ আসতে হবে শ্বাশুড়ির কাছে থেকে, পরের প্রতিবাদ আসতে হবে ননদের কাছে থেকে।
এইটা প্রথম ধাপ।
দয়া করে, মাস লেভেলে এই উদ্যোগগুলো নেন।
একটা দেশের সব পুরুষ খারাপ হইলেও অর্ধেক পচে।
বাট একটা দেশে, ৮ বছরের বাচ্চা মেয়েকে রেপের পর স্বামী গলা কাটতেসে আর স্ত্রী দরজা লাগাইয়া বসে আছে যাতে স্বামী ঠিকমত কাইটা পালাইয়া যাইতে হবে,
এই সমাজ তো অর্ধেক না, পুরোটাই পচে গেছে।
এই ক্যান্সার নিয়ে চলতে থাকলে আমরাও আক্রান্ত হবো।
যেই ক্যান্সার থেকে ৮ বছরের বাচ্চা মেয়ে বাঁচে না, সেই ক্যান্সার থেকে আমরাও কেউ বাঁচতে পারব না। মাইন্ড ইট। #কালেক্টেড
17/05/2026
মাত্র ৩১ বছর বয়সী কারিনা কায়সারও মারা গেছেন।
কারণ লিভার ফেইলিউর। প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে লিভার ফেইলিউরের রোগী...
এখন প্রশ্ন হলো, এতো মানুষ কেন লিভারের রোগে মারা যাচ্ছে?
কারণ,
এই দেশে কয়েক কোটি মানুষ Fatty Liver নিয়ে ঘুরতেছে।
অনেকেই জানেই না তার লিভারে চর্বি জমতেছে।
আল্ট্রাসনোগ্রামে “Fatty Liver Grade-1” আসলে অনেকে হেসে উড়িয়ে দেয়।
কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় বিপদ।
আমরা প্রতিদিন কি খাই?
সকালে বিস্কুট-চা,
দুপুরে অতিরিক্ত ভাত,
রাতে কোমল পানীয়, ফাস্টফুড,
তার উপর রাস্তার পাশের ফুচকা, চটপটি, অস্বাস্থ্যকর খাবার।
এর সাথে আছে ভেজাল তেল, কেমিক্যাল, প্রসেসড খাবার, অতিরিক্ত চিনি।
শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট আর চিনি খেলে লিভার সেই অতিরিক্ত শর্করাকে চর্বিতে রূপান্তর করে।
ধীরে ধীরে সেই চর্বি লিভারে জমে Fatty Liver তৈরি হয়।
তারপর আসে Insulin Resistance।
মানে শরীর ইনসুলিন ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না।
ফলে লিভারে আরও দ্রুত চর্বি জমতে থাকে।
এভাবে বছরের পর বছর চলতে চলতে অনেকের
SGPT বাড়ে,
Triglyceride বাড়ে,
LDL বাড়ে,
ডায়াবেটিস হয়,
শেষ পর্যন্ত লিভারে ইনফ্লামেশন, ফাইব্রোসিস, সিরোসিস পর্যন্ত চলে যায়।
আরেকটা বড় কারণ হেপাটাইটিস ভাইরাস।
Hepatitis A & E সাধারণত দূষিত পানি আর অস্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়।
রাস্তার পাশের অনেক খাবার, অপরিষ্কার পানি, অপরিষ্কার হাত এগুলো বড় ঝুঁকি।
Hepatitis B & C আবার রক্ত ও শরীরের তরলের মাধ্যমে ছড়ায়।
এগুলো বছরের পর বছর নীরবে লিভার নষ্ট করতে পারে।
আরেকটা ভয়ংকর ব্যাপার হলো অকারণে ওষুধ খাওয়া।
এদেশে জ্বর হলেই প্যারাসিটামল,
ব্যথা হলেই মাসের পর মাস Painkiller,
নরমাল ভাইরাল ইনফেকশনেও এন্টিবায়োটিক।
অনেকেই জানে না, কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত খেলেও লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
লিভারের সমস্যায় যেসব পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণঃ
Fasting Lipid Profile
SGPT / ALT
Fasting Blood Sugar
HbA1c
যদি
LDL বেশি থাকে,
Triglyceride বেশি থাকে,
SGPT বাড়ে,
বা HbA1c বেশি আসে,
তাহলে বুঝতে হবে শরীর Metabolic Risk এর মধ্যে আছে।
ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে জরুরি জিনিসগুলোঃ
১। ওজন কমানো
২। চিনি ও কোমল পানীয় কমানো
৩। ফাস্টফুড ও প্রসেসড খাবার কমানো
৪। নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম
৫। পর্যাপ্ত ঘুম
৬। অযথা ওষুধ না খাওয়া
৭। ধূমপান ও অ্যালকোহল বাদ দেওয়া
Fatty Liver শুরুতেই ধরা পড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
কিন্তু আমরা সচেতন হই কখন?
যখন রিপোর্ট খারাপ হয়।
যখন জন্ডিস হয়।
যখন লিভার প্রায় শেষ হয়ে যায়।
তাই এখনই সচেতন হন।
এই দেশে মানুষ শুধু মহামরী ভাইরাসে না,
ভেজাল খাবার, খারাপ লাইফস্টাইল, অজ্ঞতা আর অবহেলায়ও মারা যাচ্ছে।
©ডা.আব্দুর রহমান
কত কত মানুষের জীবন নিয়ে কত কত রকমের অভিযোগ, অথচ শারিরিক সুস্থতার চেয়ে বড় কোন শক্তি নেই এই দূনিয়ায়!
গাঙ্গে গাঙ্গে দেখা হয়, বইনে বইনেও দেখা হয় শুধু দেখা হয় না স্কুলে লাইফের সেই বান্ধবীদের সাথে যাদের ছাড়া স্কুল লাইফ অসম্পূর্ণ ছিল
এই পৃথিবীতে আমি কেবল একজনই! আমার কোন অনুলিপি নেই। আমার মৃত্যার পর সংস্কার করা হবে না, আমার ভেতর যা কিছু আছে, আমি বলে না গেলে, এই পৃথিবী কখনো জানতে পারবে না! ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
