Dr hm giash uddin

Dr hm giash uddin

Share

I'm Dr Giash uddin. I always try to help every time any moment how to better treatment patient diseas

24/04/2023

ডাঃএইচ এম গিয়াস উদ্দিন
বিইউএমএস ইনকোর্স(এইচ ইউ বি)
ডিইউএমএস, ঢাকা
গভ রেজি নং এ-২৭৫২
সরকারি তিব্বিয়া মেডিকেল কলেজ।

ওভারিয়ান সিস্ট হলো ওভারিতে পানিপূর্ণ থলে। ঋতুবতী মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রায়ই এই সিস্ট দেখা যায়। ওভারিয়ান সিস্ট অনেক রকম হয়ে থাকে, সবচেয়ে বেশি হয় সিম্পল বা ফাংশনাল সিস্ট। ওভারি থেকে কোনো কারণে ডিম্বস্ফুটন না হলে অথবা ডিম্বস্ফুটন হওয়ার পরও ফলিকলগুলো চুপসে না গেলে সিস্ট তৈরি হতে পারে। ফাংশনাল সিস্ট ছাড়াও ওভারিতে আরো অনেক রকম সিস্ট হতে পারে,
যেমন—
পলিসিস্টিক ওভারি: অনেক দিন ধরে ক্রমাগত ডিম্বস্ফুটন না হলে ওভারিতে ফলিকলগুলো জমতে থাকে। এর সংখ্যা ১০ বা এর অধিক হলে পলিসিস্টিক ওভারি বলা হয়।এছাড়া এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট ও ডারময়েড সিস্ট ও দেখা যায়।

polycystic o***y হরমোনের তারতম্য ঘটিত কারনে এটি হয়ে থাকে।এটি হলে মেটাবলিজমেও সমস্যা দেখা যেতে পারে।মাসিক অনিয়ন্ত্রিত থাকে,গর্ভধারনে সমস্যা হতে পারে। গড়ে ১০ জনে ১ জন মহিলার মাঝে এই সমস্যা দেখা যায়।

দৈহিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা যেতে পারে।যেমন ঃ ডায়বেটিস, হৃদরোগ,বিষন্নতা, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি থাকে।অধিকাংশ রোগীরা ইনসুলিন রেজিস্টেন্ট হয়ে থাকে।যার মাঝে ৫০% এর ও বেশি মানুষের ডায়বেটিস বা প্রি-ডায়বেটিকস হবার সম্ভাবনা থাকে।গবেষণায় দেখা গেছে ডায়েটের মাধ্যমে এর কিছুটা সমাধান পাওয়া যায়।

লক্ষণ:
ফাংশনাল সিস্টের কোনো লক্ষণ থাকে না এটি সাধারণত রুটিন আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ধরা পড়ে। তবে মাঝেমধ্যে পেটে ব্যথা, মাসিকের অনিয়ম নিয়েও কেউ কেউ আসতে পারে।

পরীক্ষা: পেটের আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ওভারিয়ান সিস্ট দেখা গেলে এটি আসলেই ফাংশনাল সিস্ট কি না তা অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। এসব পরীক্ষার মধ্যে আছে ট্রান্স-ভেজাইনাল আলট্রাসাউন্ড, ল্যাপারস্কপি ও বায়োপসি এবং ক্যান্সার অ্যান্টিজেন টেস্ট।

চিকিত্সা: কোনো লক্ষণ না থাকলে এবং এর সাইজ ৫ সে.মি’র নিচে থাকলে রোগীকে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অবজারভেশনে রাখা হয়। সাধারণত এ সময়ের মধ্যে ফাংশনাল সিস্ট অপসারিত হয়।

খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত?

যেসব খাবার খাওয়া যাবেঃ

১.Low GI-diet : গম জাতীয় খাবার,বিচি ও সিম জাতীয় খাবার, অপ্রকৃয়াজাত খাবার
২।বেরী জাতীয় খাবার, তৈলাক্ত মাছ,এক্সটা ভার্জিন অলিভেল
৩।DASH (Dietary Approaches to stop hypertension) অনুযায়ী খাবার খাওয়া।
৪।ব্রকলি, ফুলকপি,মরিচ,শসা, কুমড়া,মিষ্টি আলু
৫।ওয়াল নাট,এলমন্ড

যেসব খাবার কম খেতে বা মানা করা হয়ঃ

১।মিহি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার
২।অধিক তেলে ভাজা খাবার, ফাস্ট ফুড
৩।সফট ড্রিংকস
৪।প্রোসেস ফুড
৫। রেড মিট স্টেক
৬।অতিরিক্ত লবণ
৭। মিষ্টি ও ফ্যাট জাতীয় খাবার

এছাড়া জীবন যাপন পরিবর্তন করে, নিয়মিত ডায়েটের মাধ্যমে এ থেকে উপশম পাওয়া সম্ভব।

বিঃদ্রঃ রোগ ও রোগীর অবস্থা অনুযায়ী খাবার ও চিকিৎসা পরিবর্তন হতে পারে।

Photos from Dr hm giash uddin's post 02/03/2023

(Jaundice/জন্ডিস(আগের দিনে মানুষ যাকে বলতো পান্ডুরোগ)

: জন্ডিস (Jaundice) আসলে কোন রোগ নয়, এটি একটি রোগের লক্ষণ মাত্র। জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং ত্বক, চোখের সাদা অংশ এবং অন্যন্য মিউকাস ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।

# জন্ডিসের কারণ:

রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস দেখা দেয়। সাধারণত লিভারের রোগই জন্ডিসের প্রধান কারণ। আমরা যা কিছু খাই তা লিভারেই প্রক্রিয়াজাত হয়।
১) লিভার বিভিন্ন কারণে রোগাক্রান্ত হতে পারে, হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই ভাইরাসগুলো লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে যাকে বলা হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস।
২) অতিরিক্ত মধ্যপান জন্ডিসের একটি অন্যতম প্রধান কারণ।
৩) অটোইমিউন লিভার ডিজিজ, বংশগত কারণসহ আরও নানান ধরনের লিভার রোগেও জন্ডিস হতে পারে।
৪) ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াতেও অনেক সময় জন্ডিস হয়।
৫) থ্যালাসিমিয়া ও হিমোগ্লোবিন ই-ডিজিজের মত যেসকল রোগে রক্ত ভেঙ্গে যায় সেগুলোর কারনেও জন্ডিস হতে পারে।
৬)পিত্তনালীর পাথর অথবা টিউমার হলে জন্ডিস হতে পারে।
৭) লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে।
জন্ডিস মানেই লিভারের রোগ এমনটি ভাবা তাই একেবারেই ঠিক নয়।

#জন্ডিসের লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ:

১)জন্ডিসের প্রধান লক্ষণ হল চোখ ও প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া আবার সমস্যা বেশি হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদবর্ণ ধারণ করতে পারে।

২)শারীরিক দুর্বলতা।
৩)ক্ষুধামন্দা বা খাবার সামনে দেখলে খাবারের অনীহা।
৪)জ্বর জ্বর অনুভূতি কিংবা কাঁপানি দিয়ে জ্বর আসা।
৫)বমি বমি ভাব অথবা বমি।
৬)মৃদু বা তীব্র পেট ব্যথা।
৭)অনেকসময় পায়খানা সাদা হয়ে যাওয়া অথবা শক্ত হতে পারে।
৮)চুলকানি।
৯)যকৃত শক্ত হয়ে যাওয়া।

#জন্ডিস প্রতিরোধে করণীয়ঃ

জন্ডিস থেকে বেঁচে থাকতে আমাদের কিছু করণীয় আছে। জন্ডিস প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্ক জেনে নিনঃ

১) হেপাটাইটিস এ ও ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
২) হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি এবং হেপাটাইটিস ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
৩)সব সময় বিশুদ্ধ খাবার ও পানি খেতে হবে।
৪)হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি হওয়ার আশংকা মুক্ত থাকতে হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন।
৫)শরীরে রক্ত নেয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে।

৬)ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।
৭)মদ পান ও নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।
৮)নিরাপদ যৌন মিলন করুন।
৯)সেলুনে সেভ করার সময় অবশ্যই নতুন ব্লেড ব্যবহার করতে বলবেন।

জন্ডিস অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণও হতে পারে তাই এই রোগ থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে।
# # #জন্ডিসের চিকিৎসা # # #

১)বিশ্রাম:

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হেপাটাইটিসের রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে।বিশ্রাম মানে এই সময়ে ভারী কোনো কাজ বা পরিশ্রমের কোনো কাজ না করা। কারণ, ভাইরাল হেপাটাইটিস লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে পূর্ণ বিশ্রাম না নিলে বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে জন্ডিসের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
ভাইরাল হেপাটাইটিস সাধারণত ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণরুপে সেরে যায়। এ সময় ব্যথার ওষুধ যেমন, প্যারাসিটামল, এসপিরিন, ঘুমের ওষুধসহ অন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না। অ্যালকোহলে আসক্তরা অবশ্যই অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

২)খাবার : কিছু খাবার এড়িয়ে চলাই উচিত। যেমন চর্বিজাতীয় খাবার (ঘি, মাখন, যেকোনো ভাজা খাবার বা ফাস্টফুড, গরু-খাসির মাংস ইত্যাদি)। জন্ডিসের রোগীদের ক্যালরির উৎস হিসেবে তাই সহজে হজমযোগ্য সরল শর্করা, যেমন: শরবত, ভাত, জাউভাত, সুজি, রুটি ইত্যাদি বেশি খাওয়া উচিত।

#কিছু ভ্রান্ত ধারণা

অনেকে মনে করে, জন্ডিস হলে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। খেতে হবে বেশি করে আখের রস, ডাবের পানি, গ্লুকোজের শরবত ইত্যাদি। আসলে ব্যাপারটি এ রকম নয়। জন্ডিস রোগীকে সাধারণ মানুষের মতোই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। সমস্যা হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে কম পানি পান করলে।আখের রস আমাদের দেশে জন্ডিসের একটি বহুল প্রচলিত ওষুধ। রাস্তার পাশের যে দূষিত পানিতে আখ ভিজিয়ে রাখা হয় সেই পানি মিশ্রিত আখের রস খাওয়া থেকে হেপাটাইটিস এ বা ই ভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে।
Dr Gias Uddin
BUMS,HUB (IC)
CMU,Ultrasound incourse.
DUMS.Dhaka
Govt reg A-2752

27/02/2023

Back to back
ফলো দিবেন ফলো নিবেন
পিছুটান Miton ray প্রানের শহর সিলেট।

27/02/2023

Fathers love.Alhamdulillah!

06/12/2022

মূত্রনালীর সংক্রমণ | ইউটিআই হওয়ার লক্ষণ, কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার কী?

#মূত্রনালীর সংক্রমণ -

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করছে? বারবার প্রস্রাব হচ্ছে? প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখতে পারছেন না?

আপনি যদি একজন মহিলা হয়ে থাকেন তাহলে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে শতভাগ সম্ভাবনা আছে আপনি হয়ত মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই (UTI) এ ভুগছেন। পুরুষরা এ সমস্যায় পড়েন না তা নয়, তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা বেশি। আর বিশ্বব্যাপী এ সমস্যা এখন মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। তাই এখনই সময় সচেতন হবার। সেই উদ্দেশ্যেই আজকের এই লেখা। আসুন জেনে নেই মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই নিয়ে বিস্তারিত।

#মূত্রনালীর_সংক্রমণ বা ইউটিআই কী?
মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই -

মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই হল মুত্রতন্ত্রের একটি সংক্রামক রোগ।

আমাদের দেহ থেকে তরল বর্জ্য পদার্থ বের হওয়ার জন্য দেহে যে পদ্ধতি বা সিস্টেম রয়েছে সেটাকেই মুত্রতন্ত্র বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট (urinary tract) বলে।

যদি কোন কারণে জীবাণু এই তন্ত্রে আঘাত হানে তাহলেই মুত্রতন্ত্রে ব্যাঘাত ঘটে আর আর এই অবস্থাকেই মূত্রতন্ত্রের সংক্রামক রোগ বা ইউটিআই হয়েছে বলা হয়।

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাস এরা সবাই এ রোগের জন্য দায়ী থাকলেও ব্যাকটেরিয়াই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এর জন্য দায়ী।

মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই এর #লক্ষণ -

মূত্রনালীর সংক্রমণ রোগের লক্ষণ রোগীর বয়স এবং লিঙ্গের উপর নির্ভর করে ভিন্ন রকম হতে পারে। তবে কিছু কমন লক্ষণ আছে যেমন-

১) ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসা, কিন্তু কোনবারই যথেষ্ট পরিমাণ প্রস্রাব হবে না।

২) প্রস্রাব করার সময় তীব্র ব্যথা এবং জ্বালাপোড়া অনুভব হবে।

৩) শরীর দূর্বল হওয়া, পিঠের নিচের দিকে বা তলপেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হওয়া।

৪) ঘোলা ও দূর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব হওয়া বা কখনো কখনো প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া।

৫) প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ভাবের সাথে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসতে পারে।

৬) প্রস্রাব আটকে রাখতে না পারা।

৭) ছোটদের ক্ষেত্রে ডায়ারিয়া, জ্বর, খেতে না চাওয়া ইত্যাদি নানা উপসর্গ দেখা যায়।

ইউটিআই হওয়ার কারণ
মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই হওয়ার #কারণঃ

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায়।

কারণ মেয়েদের মূত্রনালী জন্মগতভাবে পুরুষদের তুলনায় অনেক ছোট এবং মলদ্বারের খুব কাছাকাছি। তাই ব্যাকটেরিয়া খুব সহজেই আক্রমণ করে এবং জীবাণু মূত্রথলি এবং কিডনির উপর প্রভাব বিস্তার করে।

১. মেনোপজ-এর পর ইস্ট্রোজেন-এর ক্ষরণ কমে যায়। ইস্ট্রোজেন মূত্রনালির সংক্রমণে বাধা দেয়। মেনোপজ-এর পর সেই সম্ভাবনা একদম থাকে না। ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়।

২. অনেকক্ষণ যাবত প্রস্রাব আটকিয়ে রাখলে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। টেলিভিশন দেখার সময়, বাসে ট্রেনে যাতায়াত করার সময় বা জরুরী মিটিং-এর সময় অনেকেই প্রস্রাব আটকিয়ে রাখেন যা একদমই উচিত নয়।

৩. যৌনসঙ্গীর ইউটিআই থাকলে শারীরিক মিলনের সময় অন্য সঙ্গীও সংক্রমিত হতে পারেন।

৪. পারসোনাল হাইজিন বা নিজস্ব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে না চললে ইউটিআই হতে পারে।

৫. যদি কারো কিডনি অথবা মুত্রথলিতে পাথর থাকে তবে তা স্বাভাবিক মূত্রত্যাগে বাধা প্রদান করে। এর ফলেও ইনফেকশন হতে পারে।

৬. ডায়াবেটিস, প্রেগন্যান্সি বা অন্য কোন রোগে যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে থাকে তাহলে ইউটিআই হতে পারে।

৭. অনেক সময় অপারেশনের আগে বা পরে রোগীদের ক্যাথেটার পড়ানো হয়। যে ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে মূত্রত্যাগ করতে পারেন না ক্যাথেটার দিয়ে পাইপের সাহায্যে তাঁদের মূত্র বের করা হয়। বেশিদিন ক্যাথেটার পরানো থাকলে খুব সহজেই তার ইউটিআই হতে পারে।

#ইউটিআই-এর ফলে ঝুঁকি
– সঠিক সময়ে ঠিকমত চিকিৎসা না করালে একই সমস্যা বারবার হতে পারে।

– মুত্রনালি থেকে ইনফেকশন কিডনি পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।

– বারবার হলে কিডনি ঠিকমত কাজ করে না। যেখান থেকে পাইলোনেফ্রাইটিস-এর মতো জটিল সমস্যা দেখা দেয়।

– গর্ভাবস্থায় ইউটিআই হলে সময়ের আগেই ডেলিভারি হয়ে যাওয়া, কম ওজনের বাচ্চা জন্ম দেয়া এমনকি গর্ভপাত পর্যন্ত হতে পারে।

– অনেক সময় ইনফেকশনের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা রক্তে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

#চিকিৎসাঃ
এই রোগটি জীবাণু দ্বারা হয়ে থাকে বলে একবার ইউটিআই হয়ে গেছে এমনটা নির্নয় হলে তখন অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া উপায় থাকে না। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রোগীক সুস্থ করে তোলে। কিন্তু বাজারে তো অনেক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায় কিন্তু সব অ্যান্টিবায়োটিকই যে একজন রোগীর কাজ করবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। এটা নির্ভর করে ঐ রোগী কী জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন তার উপর। কারণ এক এক অ্যান্টিবায়োটিক এক এক জীবাণুর প্রতি সংবেদনশীল। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে পরিপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ীই খাওয়া উচিত।

অনেকের দেখা যায় সঠিক চিকিৎসার অভাবে এই রোগ বারবার ফিরে আসে, সেক্ষেত্রে অল্প মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা বেশ কার্যকরী।

#প্রতিকারে যা করতে পারেনঃ
(১) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। দিনে কমপক্ষে ৮ গ্লাস বা অন্তত ৩ লিটার পানি পান করুন।

(২) যখনই প্রস্রাবের বেগ আসবে সাথে সাথে প্রস্রাব করে ফেলুন, আটকিয়ে রাখবেন না।

(৩) পানির পাশাপাশি তরল খাবার যেমন ফলের জুস, ডাবের পানি ইত্যাদি বেশি বেশি পান করুন।

(৪) পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখবেন সেটি পরিষ্কার কিনা। হাই কমোড ব্যবহারের সময় সেটা পানি দিয়ে ধুয়ে নিবেন, যদি সম্ভব না হয় তাহলে কমোডের উপর টিস্যু পেপার বিছিয়ে নেবেন এতে করে জীবাণু সহজে আপনার শরীরের সংস্পর্শে আসতে পারবে না।

(৫) একই কাপড় না ধুয়ে বেশিদিন পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন। প্যান্টি নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ অনেকদিন যাবত না ধুয়ে ব্যাবহার করলে তাতে জীবাণু বাসা বাধে এবং সংক্রমণ করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

(৬) প্রস্রাবের পর যৌনাঙ্গ ভালো করে ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন, যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করার সময় সবসময় সামনে দিক থেকে পেছনে যাবেন, পেছন থেকে সামনে নয়। তা না হলে মলদ্বার থেকে জীবাণু সামনে চলে এসে সংক্রমণের ভয় থাকে।

(৭) সহবাসের পরে অবশ্যই বাথরুমে যান। ব্লাডার খালি করে দেওয়াই ভালো। কেননা ইন্টারকোর্সের সময় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। সেখান থেকে বিভিন্ন ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়াও সেক্সের সময় ব্যবহৃত গর্ভনিরোধ থেকেও সংক্রমণ হতে পারে।

(৮) সর্বপোরি পার্সোনাল হাইজিন বা ব্যক্তি জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শতকরা ৬০ ভাগ মহিলা জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে একবার হলেও ইউটিআই-এ আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এই রোগটি সম্পূর্ণ ব্যক্তি জীবনের লাইফস্টাইলের উপর নির্ভরশিল। এটি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয় না। এতে প্রথম দিকে তেমন কোন সমস্যা না হলেও বারবার হতেই থাকলে ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে যে কারো জীবনে। তাই সময় থাকতেই নিজের যত্নে সচেতন হন।

20/11/2022

Jarifa adorsho medical hall
Chali bondar , Sylhet
01726-573366 what's app

18/07/2022

Finding Mission

26/04/2022

#সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইট

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশনাল সুপার ফুড।

★ প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-

* একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন c রয়েছে।

* দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।

* গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

★ এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

★ সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

★ মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।

★ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

★ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

★ এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

★ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

★ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

★ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

★ সাজনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

★ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ডাঃ এইচ এম গিয়াস উদ্দিন
বিইউএমএস এইচইউবি
ডিইউএমএস বিইউএএসএম, ঢাকা
গভ রেজি নং এ-২৭৫২

13/07/2020

জারিফা আদর্শ মেডিকেল হল

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Chalibandar, Subanight
Sylhet
3100