I lam single
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from I lam single, Health/Beauty, Ashik, Tangail.
কতকিছু লিখতে ইচ্ছে করে! লিখি, মুছে দেই।
আবার লিখি, মুছি। বলতে ইচ্ছে হয়, বলা হয় না!
মনে হয়, থাক কী দরকার ? 🌸🖤
একটা হাসির গল্প 😁
বাবাজি! আমার মেয়ের পিছে আর
ঘুইরো নাহ্।
- এহ্! কইলেই হইলো! কত কষ্টে পটাইছি
জানেন আপনে!
- দেখো সামনে আমার মেয়ের বিয়া।
তুমি যদি ঝামেলা না করো তাহলে
তোমারে আমি এমন অমূল্য জিনিস
দিবো
যা দিয়া সারাজীবন বইসা খাইতে
পারবা।
- এ্যাঁ! বলেন কি মশাই! সত্যি নাকি!
- অবশ্যই সত্যি।
- তা জিনিসটা কী?
- আমার মেয়ের বিয়ের পর এসে নিয়ে
যাইয়ো।
- এ্যাঁ! দাঁড়ান একটু ভাবি! সারাজীবন
বইসা খাইতে পারমু! এমন
জিনিস
তুমি আমার কপালে রাখছো! ও মশাই
আমি রাজি।
- এইতো বুদ্ধিমান ছেলে। বিয়ের পর
এসে
জিনিসখানা নিয়ে যেও।
অতপর বিয়ের পর ছেলেটা আসলো।
মেয়ের বাবা ছেলেকে বড় একটা
কাটনবক্সে মোড়ানো অমূল্য
জিনিসখানা দিলো। বললো বাসায়
গিয়ে খুইলো। এখানে খুললে জ্ঞান
হারাইতে পারো।
ছেলে বীরবিক্রমে বাক্স নিয়ে বাসায়
গেল। তারপর ধীরে ধীরে খুললো। খুলে
ছেলের চোখ কপালে উঠে গেল। বক্সের
ভিতরে একটা RFL এর চেয়ার। তারউপর
একটা চিঠি। চিঠিতে গোটা গোটা
অক্ষরে লিখা
জনাব বেক্কল,
এই দিলাম আরএফএলের চেয়ার।
আজীবন
বসে বসে খাইতে পারবা। যত্ন করলে
তোমার নাতীপুতিরাও আরামসে বইসা
খাইতে পারবে।😆😅🤣
এখন এই বিয়ের বয়সে কেউ প্রেমের প্রস্তাব দিবেন না প্লিজ,,,,,🫰❤️🩹😫
এসব ফাজলামো ভাল্লাগে না কিন্তু !😁🤧
নির্দিষ্ট কারো মায়ায় আটকে গেলে পৃথিবীর কাউকেইই আর ভালো লাগেনা...🖤😊
শশুর বাড়ি যাচ্ছি। মিতু রেগে গিয়ে বলল, খালি হাতে কেউ শশুর বাড়ি যায়? আমার জীবনে দেখিনাই।
আমারও তাই মনে হলো, খালি হাতে শশুর বাড়ি যাওয়া ঠিক হবে না। কিছু তো নেওয়া দরকার। কিন্তু কি নেওয়া যায়!
ভাবতে ভাবতেই চোখে পড়ল, রাস্তার পাশে এক ব্যাক্তি বিক্রি কারার জন্য বড় সাইজের দুইটা কাঁঠাল নিয়ে বসে আছে। আমি দামাদামি করে খুব সস্তায় কাঁঠাল দুইটা কিনলাম।
মাথায় কাঁঠাল নিয়ে মিতুর কাছে আসতেই মিতু রেগে বলল, তোমার মত মানুষ জীবনে দেখিনাই। তুমি মাথায় কইরা কাঁঠালের বোঝা নিয়ে শশুর বাড়ি যাইবা! একটু লজ্জা নাই।
মিতুকে থামিয়ে বললাম,
দেখো, কাঁঠাল নিয়ে একদম বাজে কথা বলবা না। এটা জাতীয় ফল। আর এত বড় কাঁঠাল তোমার বাবা জীবনে দেখেনাই।
কাঁঠাল দুইটা বেশ নরম ছিল। কিছুক্ষন পর বুঝতে পারলাম, কাঁঠালের রস মাথা বেয়ে পড়ছে। আমি জিভ দিয়ে হালকা টেস্ট করলাম মিষ্টি কেমন। ভালই মিষ্টি।
শশুর বাড়ি পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। উঠানে শাশুড়ি দাড়িয়ে ছিল, আমার মাথায় কাঁঠাল দেখে তব্দা খেয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে আছে। হয়তো এত বড় কাঁঠাল আগে দেখেনি।
আমি ঘরে কাঁঠাল রেখে বাইরে আসতেই দেখি, দুই শালী ও তাদের জামাই আসছে। তারাও দুইটা করে কাঁঠাল নিয়ে আসছে।
ফ্রেশ হয়ে, সবাই মিলে গল্প করছিলাম। কার কাঁঠালের কত দাম। এরই মধ্যে রাতে খাবারের জন্য শাশুড়ি ডাক দিল.....
তিন ভায়রা ভাই খেতে বসতেই শাশুড়ি, নিজ মায়ের মতো মমতা ভরা কন্ঠে বলল,
"এত কষ্ট করে কাঁঠাল আনছ, নাও খাও। বলেই এক বাটি করে কাঁঠাল আমাদের সামনে দিল।"
আমরা কাঁঠাল খেতে শুরু করলাম। খাওয়া শেষ হতে না হতেই, আরেক বাটি করে কাঁঠাল দিয়ে শাশুড়ি বলল, অন্য আরেকটা কাঁঠালের আরেক বাটি। আলাদা করে দিলাম, যাতে স্বাদটা বুঝতে পারো"
দুইটা কাঁঠাল নিছি, তাই সকলকে নিজ নিজ কাঁঠালের দুই বাটি করে কাঁঠাল দিছে। আমি দ্বিতীয় বাটি থেকে কাঁঠাল খেতে লাগলাম।
দ্বিতীয় বাটি কাঁঠাল শেষ হতে না হতেই, শাশুড়ি আরেক বাটি কাঁঠাল দিয়ে বলল,
"এই নাও, এটা আমাদের বাড়ির গাছের কাঁঠাল।"
লজ্জায় কেউ না করতে পারছিনা, আবার খেতেও পারছিনা। কোন রকমের তৃতীয় বাটি থেকে কাঁঠাল খেতে লাগলাম।
আমার পেটে আর একদম জায়গা নেই। তৃতীয় বাটি কাঁঠাল শেষ হতে না হতেই, শাশুড়ি আরেক বাটি কাঁঠাল দিয়ে বলল,
"এই নাও, এটা আমাদের পশ্চিম পাশের গাছের কাঁঠাল। খুব মিষ্টি।"
আমরা তিন ভায়রা ভাই, একে অন্যের মুখের দিকে তাকাতাকি করলাম।
ইচ্ছে করছে কাঁঠালের ভেতর ঢুকে যাই। এ
এমনিতে পড়ার খবর থাকেনা, কিন্তু রাস্তায় কোন বিলবোর্ডে, সাইনবোর্ডে কি লেখা পড়তে পড়তে যাওয়া "উচ্চ শিক্ষিত আমি"!🙂
এখানে কয় টা 8 আছে দেখি কে কে বলতে.........…..................... 99999999999999999999999999999999999999999999999999999999989989999999899999999999999999999999999999899999999899999999999999999999999999999999999989999998999999999989999999999999899999999999989999999999999999999999989999999999999999999999999999999999999999999899999999999...…...........
--উফফ ব্য'থা লাগে।
--ব্য'থা লাগার জন্যেই তো ধরছি। বল আরো মেসেঞ্জারে অন্য ছেলের সঙ্গে কথা বলবি তুই...?
--হ্যা বলবো একশবার বলবো তাতে তোর কি শুনি।
--তুই কেনো বুজিসনা আমি তোকে ভালোবাসি। তোর সঙ্গে ঘর বাধতে চাই।
--হাত ছার বলতেছি হাসিব। আমি তোকে ভালোবাসিনা। আমার boyfriend আছে। ওকেই আমি বিয়ে করবো।
হাসিব : আচল তুই শুধুমাত্র আমার।
আচল : তুই হস আমার মামাতো ভাই, কেউ মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কে যায়।
হাসিব : কেউ যায় কিনা আমি জানিনা। কিন্তু আমরা যবো?
আচল : এটা কখনোই সম্ভব না।
হাসিব : সম্ভব সম্ভব সম্ভব?
"হাসিবের এমন পাগলামি দেখে আচল কশে একটি থাপ্পড় মেরে বলতে থাকে।
আচল : ঠাসসসস! ঠাসসস! তোকে বলছিনা আমি ভালোবাসিনা। তোর চেহারা কখনো আয়নায় দেখেছিস। যতোসব ফাউল ছেলে কোথাকার একটুও শান্তিতে থাকতে দিচ্ছেনা।
"এই থাপ্পড় খেয়ে হাসিব গালে হাত দিয়ে সেইদিন আচলদের বাড়ি থেকে সোজা নিজের বাসায় চলে যায়। আর ভাবতে থাকে আসলেই তো এখানে আচলের কোন দোশ নেই সব দোশ আমার। আমি জোর করে ভালোবাসা চেষ্টা করতেছি "
"এর পরে ৫টি বছর কেটে গিয়েছে হাসিব আর কখনো আচলের সামনে যায়নি,
আজ অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখে একটি মেয়ে বোরকা পরে সোপায় বসে আছে। তো হাসিব পাত্তা না দিয়ে সোজা রুমে চলে আসে।
--রুমে আসা মাত্রই দেখতে পায় অগোছালো রুমটা কে জানি সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছে। যা দেখতে বেশ সুন্দর লাগতেছে।
___এর পরে সিন চলে রাতে___
"হাসিব খাওয়া দাওয়ার পরে বাসার সাদে গিয়ে একটি সিগারেট ধরিয়ে খাইচ্ছিলো এমন মুহূর্তে পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠে"
--তুমি সিগারেট ও খাও নাকি।
"পিছনে তাকিয় দেখে সেই বোরকা পরা মেয়েটি"
হাসিব : হুমমম সিগারেট খাই। না খাইলে ঘুমেই আসেনা।
--আজ থেকে আর খাবেনা।
হাসিব : হাহহাহাহ কেনো খাবোনা শুনি একটু।
--কারন সিগারেট খাইলে মানুষের ক্যান্সার হয়। আমি চাইনা আপনার এমন হোক।
হাসিব : আচ্ছা আপনি কে চিনলাম না। আগে পরিচয় দিনতো আপনার দয়া করে।
--আমাকে চিনোনাই আমি হলাম আচল।
হাসিব : ওহহহ তুমি। কি অবস্থা তোমার।
আচল : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো তোমার কি অবস্থা।
হাসিব : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো। হঠাৎ কি মনে করে আমাদের বাসায়।
আচল : কেনো আসতে পারিনা আমি।
হাসিব : হুমমম পারো। আচ্ছা ভালো থেকো আমি ঘুমাতে যাবো এখন?
আচল : একটু কথা বলি না।
হাসিব : সময় নেই।
"ঠিক এমন মুহূর্তে আচল বলে উঠে "
আচল : বিয়ে করবা হ
২০৯৯সালের
পর কতো সাল
আসবে
🤐🤐🤐🤐🤐
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Tangail
