RongTuli
Welcome to my page
বৃষ্টির সন্ধ্যা
12/10/2025
Biye Barshiki o Cricket Championship” 🏏🤣
Part 1 :
[দৃশ্য: রাত। ঘরটা হালকা আলোয় ভাসছে। টেবিল ল্যাম্পের নরম আলোয় স্ত্রী আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল বেঁধে নিচ্ছে। মুখে গভীর রাগ, চোখে ঝিলিক। আয়নার প্রতিফলনে দেখা যাচ্ছে — স্বামী বিছানায় হেলান দিয়ে ক্রিকেট ম্যাচে ডুবে আছে, এক হাতে রিমোট, মুখে অদ্ভুত শান্তি।]
স্ত্রী (চুল টেনে, দাঁত চেপে):
শুভ্র, আজ কি দিন জানো?
স্বামী (চোখ টিভিতে, নির্বিকার):
হ্যাঁ হ্যাঁ, জানি! আজ ইন্ডিয়া বনাম অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল! 😃
স্ত্রী (আয়নায় নিজের মুখ দেখে ঠোঁট বাঁকায়):
ওহ্ তাই! ভেবেছিলাম হয়তো বিয়ের বার্ষিকী টাও মনে আছে তোমার!
স্বামী (গলা পরিষ্কার করে, হালকা ঘাম):
আরে, মনে তো ছিল… মানে… সারপ্রাইজ দিতে চাচ্ছিলাম…
স্ত্রী (ব্যঙ্গ করে):
সারপ্রাইজ? নিশ্চয়ই ওই ব্যাটসম্যানের সিক্সটা ছিল আমার জন্য!
আমি ভেবেছিলাম কোথাও নিয়ে যাবে—দার্জিলিং,সিকিম না হয় দিঘা ই , … অন্তত একটা শাড়িই কিনে দেবে !আমার বান্ধবীর বর ওকে আন্দামান নিয়ে গেছে, আর আমার বর রিমোট নিয়ে বিছানায়! বাহ্, কী রোমান্স ! 🤷♂️ টিভির সঙ্গেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ!🙄🤧
স্বামী (আতঙ্কিত হাসি দিয়ে):
না না, আমি ভাবছিলাম কাল যাই… আজ ভিড় হবে তো…
স্ত্রী (চোখ বড় করে, হাত কোমরে):
ওহ্, কাল? কাল তো তোমার “সেমি ফাইনাল”! 😏
তুমি নিশ্চিন্তে ক্রিকেট দেখো, আধসেদ্ধ ভাত খাও কাঁচা ডিম দিয়ে ।😡
আমি মা’য়ের বাড়ি যাচ্ছি কয়েক সপ্তাহের জন্য! 😑
স্বামী (আতঙ্কিত ভান করে, মুখে চাপা হাসি):
না না, তুমি গেলে আমি… আমি একা…....😝 কিন্তু ঠিক আছে তুমি বলছো যখন আমি তোমাকে সকাল এ অফিস যাওয়ার পথ এ মা’য়ের বাড়ি পৌঁছে দেব! 😅
(চেষ্টা করছে হাসিটা চেপে রাখতে, কিন্তু চোখের কোণায় আনন্দ ঝলমল করছে।)
স্ত্রী (তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে):
হাসিটা থামানোর দরকার নেই শুভ্র… খোলাখুলি হাসো!
লজ্জা পাবার কিছু নেই — কারণ ওটা তোমার এমনি ও নেই! 🙂💁♂️
[স্বামী মুখ চেপে কাশে, স্ত্রী ব্যাগের চেইন টানে “চটাস” শব্দে। শুভ্র ম্যাচের দিকে আবার চোখ ফেরায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।]
* Chhobi ta amar onek aager banano chhilo .... Tar sathe ei mojar scene add kore dilam....😄... Bhalo lagle like , share and comment please....☺️....
10/10/2025
Kailash diaries 😊
প্রথম দীপাবলী ❤️🪔😊
ছোট্ট 1 bhk ফ্ল্যাট, বেঙ্গালুরুতে। দিশা আর বিদুর এর ছোট্ট সংসার এখন আর বিয়ের পর এটা তাদের প্রথম দীপাবলী। তারা দুজনেই বিহার এর পাটনার বাসিন্দা। কাজের সুত্রে ব্যাঙ্গালোরে এ থাকা ।
পাটনার বাড়ির মতো নয়, কিন্তু আজ আলো আর ফুলের গন্ধে যেন এক টুকরো উৎসব নেমে এসেছে। দিশা নতুন লাল সালওয়ার পরে আয়নায় একটু দেখে নিল, সোনার চুড়ির টুংটাং আওয়াজে যেন মায়ের আশীর্বাদ মিশে আছে।
বিদুর আরাম করে বসে আছে সেই পুরনো টি-শার্টে, যা দিশা গত মাসে ওর জন্য এনেছিল। মুখে একগাল হাসি, হাতে একটা গুজিয়া।
"আর কত খাবে ? ডিনারের আগেই সব শেষ করতে চাও নাকি!" দীশা ওর হাত সরিয়ে দিল।🙄
"আরে, পেট তো আজও পাটনার মতোই! মিষ্টি দেখলেই কন্ট্রোল হয় না!" বিদুর মজা করে বলল।😐
দীপ জ্বালাতে বসে দিশার মনে পড়ল ছোটবেলার কথা—মা হাতে হাতে কাজ সামলাচ্ছেন, বাবা লাইট লাগাচ্ছেন, পাটনার বাতাসে বাজির গন্ধ ভাসছে। এখন সেই সব কিছু যেন ওর নিজের হাতে।😌
"হঠাৎ চুপ কেন?" বিদুর খেয়াল করল।
"ভাবছিলাম, কত তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেলাম। আগে মা-বাবা সব করত, আর এখন আমরা…" দিশার চোখে স্মৃতির ঝলক।
বিদুর হাসল, "হুম, কিন্তু তুমি আছো তো! আমার স্পেশাল শেফ, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, ফটোগ্রাফার, আর মাঝে মাঝে প্রিন্সিপাল!"😁
"উফফ, বেশি ন্যাকামো কোরো না! চলো, ভিডিও কল করি সবার সঙ্গে।"
পাটনার বাড়ির সবাই স্ক্রিনে এল, খুশির ঝলক চারপাশে।
"বেটু, কী কী রান্না করেছিস?" মা জানতে চাইলেন।
"গুজিয়া, লাড্ডু, ছোলে, আলু চোখা , মটর পনির…" দীশা গুনতে লাগল।
বিদুরের মা বললেন, "আর বাবুয়া ? শেরওয়ানি পরেছে তো?"
"হাহ! এখনো সেই পুরনো টি-শার্ট পরে বসে আছে!" দীশা অভিযোগ করল।
"বেঁচে গেলাম!" বিদুর ফিসফিস করল। "আরেকবার যদি শেরওয়ানি পরতে হতো, আমি পালাতাম!"
সবার হাসি ফেটে পড়ল। ভিডিও কলে গল্প করতে করতে যেন দূরত্বটাই মিলিয়ে গেল।😌
কথা শেষ হতেই দীশা হাততালি দিল, "এবার সবচেয়ে জরুরি কাজ বাকি!"
বিদুর সতর্ক হলো, "মানে? কী আবার?"🙄💁♂️🤷♂️
"ইনস্টাগ্রামের জন্য কাপল ফটো! সব আলো, সব সাজ, আর আমি এত সুন্দর, এটা ক্যামেরায় না থাকলে কি চলে?"😁
বিদুর মাথায় হাত দিল, "মানে, এই পুরনো টি-শার্টেই? আমার পাবলিক ইমেজ নষ্ট হয়ে যাবে!"
"ধুর! ফিল্টার দিয়ে সব ঠিক করে দেব! চলো তাড়াতাড়ি।"
দীশা ওকে দীপের সামনে বসিয়ে পোজ ঠিক করল। বিদুর বিরক্ত মুখে তাকিয়ে আছে।
"একটু হাসো না! এমন ভাব করছো যেন তোমার ওপর কোনো বিশাল লোন চেপেছে!"
বিদুর দীর্ঘশ্বাস ফেলল, "এখন আমি বুঝলাম, বিয়ে করে ঠিক করলাম তো?"🙄
দীশা ফোন তোলার মুহূর্তে বলে উঠল, "একটু ঠিক করে দাড়াও , ফটো ভালো আসলে আরো গুজিয়া দেবো তোমায় খেতে ! " 😐😬
বিদুর হাল ছেড়ে দিল, "সত্যি তো , লাড্ডু ও চাই তার সাথে !"
দীশা হেসে " Done ! " বলে ক্যামেরার বাটন টিপল।😄❤️
---
জীবনের আসল আনন্দ লুকিয়ে থাকে এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোর মধ্যে। একটু হাসি, একটু খুনসুটি—এইসবই একদিন সবচেয়ে দামি স্মৃতি হয়ে ওঠে। ❤️
এই আর্ট টা কাল হঠাৎ হিজিবিজি করতে করতে বেশ একটা সুন্দর ছবি তে পরিণত হলো তাই তার সাথে একটি সুন্দর scene add korlam । Jodi bhalo laage like , comment korben 😊! Thank you
শৈশবের সোনালি দিন
টিয়া আজ বহুদিন পর পুরনো অ্যালবামের পাতা উল্টাতে গিয়ে দেখতে পেল সাত বছর বয়সে তোলা তার জন্মদিনের এই ছবিটি।
কত চেনা মুখ, কত প্রিয় মানুষ! বাবা বরুণ, মা জয়া, দিদি জিয়া, দাদু-ঠাকুমা, পিসি ছায়া আর তার মেয়ে বুবুন, পাশের বাড়ির কাকিমা আর তার ছেলেমেয়েরা—সবাই মিলে যেন এক বড়ো পরিবার। আর ছিল তাদের আদরের তোজো , যে মাথায় লাল টুপি পরে টিয়ার জন্মদিনে হাজির হতো প্রতি বছর। 😄
কিন্তু সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে ঠাকুমা মাধবীলতার হাতে বানানো নলেন গুড়ের পায়েশের স্বাদ, যা ছিল স্বর্গের মতো! দাদু প্রতি বছর তার শখের সংগ্রহ থেকে একটা করে নতুন কলম উপহার দিতেন, বাবা-মা এনে দিতেন রান্নার সেট, আর দিদি একদিনের জন্য তার আঁকার বাক্সটা টিয়ার জন্য খুলে দিত। কত আনন্দ! সেদিন পাশের বাড়ির সবাই শুভেচ্ছা জানাতে আসত, ছোটো বড়ো সবাই মিলে মেতে উঠত একসঙ্গে।
এখন সব বদলে গেছে। পরিবার ছেড়ে কর্মসূত্রে সে এখন দূরে, শিলং-এর সেই চেনা বাড়ি থেকে বহু দূরে। পুরনো বন্ধুদের খোঁজই মেলে না, প্রতিবেশীরা এখন কেবল দেয়ালের ওপারের অচেনা মানুষ। ব্যস্ততা, দূরত্ব, নিঃসঙ্গতা—সব মিলিয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে সেই একসাথে থাকার অনুভূতিটা। আজ এই ছবি দেখে হঠাৎই মনে হলো, কবে থেকে এত দূরে সরে গেল? কেন এখন আর সেভাবে কেউ খোঁজ নেয় না? বুকের গভীরে এক অদ্ভুত শূন্যতা জেগে উঠল। ইচ্ছে করল এখনই ছুটে চলে যায় বাবা-মায়ের কাছে, সেই পুরনো বাড়ির গন্ধটুকু অনুভব করতে। কারণ, শেষ পর্যন্ত "বাড়ি" তো একটাই—সেই শৈশবের আশ্রয়, যা কখনো বদলায় না। 😌
*** Ei chhobiti Amar prai dosh bochhor aager aka chhilo . Egulo theke akhon amon shundor golpo matha te asche tai apnader sathe share korchhi ekhane. Bhalo lagle like, comments and share korben 😊
#ছোটোলেখা #বেঙ্গলি
Click here to claim your Sponsored Listing.
