Love FeeLings
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Love FeeLings, Health/Beauty, Dhaka, Dhaka.
মানুষের উপকার করে দেখছি, ভালোবেসেও দেখছি। মানুষ আসলে কিচ্ছু মনে রাখে না—কিচ্ছু না।
17/02/2025
তরুণ অভিনেতা শাহবাজ সানী মারা গেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন । আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমিন।
১০০০ নবী প্রেমি দেখতে চাই 🥰
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়বে সে আল্লাহর জিম্মায় থাকবে।
আলহামদুলিল্লাহ🤲🌸
23/02/2024
স্বার্থপর ও বেঈমান মানুষের আচরণ এমনই হয়!
আপনি এদের যত বড় উপকার করেন না কেনো স্বার্থে টান পড়লে এরা বেঈমানি করবেই।
ভুলে যাবে পিছনের সব কিছু..!🙂
ব্যারিস্টার সুমন ভাইয়ের এই কথাটা ভাল্লাগছে ✨
যারা পানি দিয়ে গোসল করে তারা শুধু জামা বদলায়, আর যারা ঘাম দিয়ে গোসল করে তারা পুরো ইতিহাস বদলায়! 🖤
যারে আমি আমার দুঃখের সময় পাসে পাইণাই 😢😢💔💔 তাকে আমার সুখের পাসে ও চাইনা🥰🥰🥀🥀❤️
03/12/2023
িত্ব_
াশ_আহমেদ
পর্ব ২শেষ
রিহান ভাইয়া দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতে চলে আসলো আর সেই সময় আমি কাপড় খুলে অন্য একটা ছোট্ট কাপর পরে বেড এ বসি আছি। রিহান ভাইয়া রুমে এসে এক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। এ যেন একটা ভিন গ্রহের প্রানী আমি আমাকে দেখে রিহান ভাইয়ার চোখে যেন আর পলক ই পড়তেছে না। আমি ইশারা করে,,,,
কি হয়ছে রিহান ভাইয়া,,,,
কোন সাড়া নেই
আরে রিহান ভাইয়া কি হলো তুমি কথা বলো না কেন
হুম হুম বল কথা বলবো কিভাবে তোকে দেখছি একটু ( একটু রোমান্টিক)
আমাকে দেখার কি আছে আমি কি এমন যে আমাকে দেখতে হবে তোমার
তুই বুঝবি না।। যাই হোক কালকে তোকে আমার আগের জিএফ সম্পকে বললাম না মনে আছে? তোর?
হুম আছে কি হলো আবার এই টার?
আরে কালকে একটু আগে আমাকে মেসেস দিয়েছিলো আমি রাগ করে আর রিপ্লে করি নাই।
আচ্ছা ভালো অনেক রাত হলো আমাকে ঘুমাতে হবে আবার সেই সকাল ভোর বেলা আম্মু এসে ডাকাডাকি করবে তখন ভালো লাগবে না এখন যাও ঘুমিয়ে পড়ো।
কিন্তুু আমাকে তো মামি তো আমাকে এই ঘর দেখিয়ে বললো ঔ খানে শুয়ে পড়তে তাহলে?
আরে কি বলছো এটা আমার রুম আমি এইখানে ঘুমাই তাহলে তুমি ঘুমাবে কিভাবে।।
কেন তুই মনে হয় অনেক বড় হয়ে গেছিস।
তেমন না আচ্ছা তাহলে তুমি বিছানাতে ঘুমাও আমি নিচে ঘুমাবো ঠিক আছে।
রিহান ভাইয়া আমার কথা শুনে আর কিছু বললো না চুপ চাপ ঘুমিয়ে পড়ার জন্য বেড এ চলে গেল। আপনাদের বলা হয়েছে যারা গল্প খুঁজে পান না তারা রিকুয়েষ্ট দিয়ে এড হয়ে নিবেন। তাহলে পরের অংশের নটিফেকেশন চলে যাবে।
পরবর্তী দিন৷ সকাল বেলা খুব ভোড় এর মামা মামি আম্মু আব্বু তারাতারি করপ আমাদর ডাক দিয়ে বললো তোদের নানা ভাই অসুস্থ তাই আমাদের এখন যেতে হবে তোরা বাসায় থাক আর একটু রান্না করে খেয়ে নেহ আমরা বিকাল এর আগেই চলে আসবো।।
রিহান ভাইয়া তখন থেকেই এমন খুশি হয়ে যাচ্ছিল যা বোঝানোর মতো না সে হয়তো তখন থেকে পরিকল্পনা করতে ছিলো আমার সাথে কিছু একটা করবে।। সবাই চলে গেল আমিও সকালের নাস্তা বানিয়ে আনলাম টিভির রুমে রিহান ভাইয়া বসে আছে নাস্তা নিয়ে তার সামনে নিয়ে তাকে বললাম ভাইয়া নাস্তা করে নেন।
রিহান ভাইয়া ( কিরে তুই তো দেখি সকাল বেলা জামাই আর বউ এর মতো করে আমার নাস্তা রেডি করে আনলি)
আমি লজ্জা পেয়ে,,,,, এ মানে এমন না ভাইয়া
আরে কি এ এএএ করছিস,,,,
না ভাইয়া খেয়ে নেন তারাতারি ঠান্ডা হয়ে যাবে নাস্তা
খাবার শেষ করে ভাইয়া যখন আমার রুমের দিকে আস
03/12/2023
শারীরিক সম্পর্ক শেষ করে কাপর পরতে পরতে রুপা বললো স্যার আমার কাজটা হয়ে জাবে তো এবার তাই না? আমিতো এবার টাকাটা পেয়ে যাব স্যার তাই না? আমার স্বামীকে এবার সারিয়ে তুলতে পারবোতো স্যার?
আমি আবারো কুনজরে রুপার বুকের দিকে তাকালাম। আমার খারাপ নজরে তাকানো দেখে রুপা তার জামাটা এবার পরে নিল।
আমি মুচকি হেসে বল্লাম
-- হা টাকা তো তুমি পাবেই। তোমার স্বামী আমাদের জন্য পুলিশের গুলি খেয়ে এখনো হসপিটালে আছে। আর তোমার কাজটা আমি করবো না তাই কি কখনো হয়।
-- স্যার তাহলে আমি কবে টাকা টা পাবো?
আমি আবারো তার শরীরের দিকে তাকিয়ে বললাম।
-- পাবেতো,,,,, তবে তার জন্য যে তোমাকে আবার আমার সাথে দুই একবার দেখা করতে হবে গো রুপা।
রুপা এবার আমার চোখের দিকে তাকালো। রুপার চোখে আমি আমার প্রতি সম্পন্ন ঘৃণার ছাপ দেখতে পেলাম। রুপা এবার কোনো কথা না বলে সোফার ওপর থেকে তার ওড়না টা নিয়ে গায়ে জরিয়ে চলে যেতে লাগলো। আমি রুপাকে বল্লাম দাঁড়াও আমি আগে দেখে আসি বাহিরে কেই আছে নাকি। রুপা দাঁড়িয়ে গেলো। আর আমি একনজর বাহিরে চোখ বুলিয়ে আসলাম নাহ কেউ নেনলই।
এবার রুপাকে চলে যেতে বল্লাম ও যেতে লাগলো। আবারো রুপার দিকে তাকিয়ে দেখি ও পাজামা টা উল্টো করে পরেছে। তাই আবারো রুপাকে দার করালাম। বললাম।
-- রুপা তুমি তোমার পাজামাটা উল্টো করে পরেছো ওটা ঠিক করে পরে তারপর বের হও।
কিন্তু রুপা তা ঠিক করলো না। আমার দিকে একবার তাকিয়ে সে বেরিয়ে গেলো। আমি রুপার চোখে যেনো দেখতে পেলাম একজন অসহায় নারীকে। তার চোখে দেখতে পেলাম আমার প্রতি ঘৃণা। তার চোখে দেখতে পেলাম প্রতিশোধ এর আগুন।
রুপা বেরিয়ে যাবার পর আমি বেলকনিতে গেলাম। দেখার জন্য যে রুপা কি কাউকে কিছু বলে দেয় কি নাকি তাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করে। কিন্তু নাহ ও সোজা চোলে গেলো,,,, এক সময় সে আমার চোখের আরাল হয়ে গেলো।
মেয়েটার নাম রুপা তার স্বামী একটা কাজের জন্য পুলিশের গুলি খেয়ে এখন হসপিটালে।। রুপার স্বামী আমার সাথেই কাজ করতো। তবে সে আমার থেকেও নিচু পদের।
রুপা আমার কাছে সাহায্য চাইতে আসে যাতে তার স্বামীর ভালো ভাবে চিকিৎসা হয়। আর আমার চোখ পরে রুপার শরীরে গঠনের ওপর। তারপর তাকে আমি আমার সাথে কিছুক্ষণ সময় খাটানোর প্রস্তাব দেই। প্রথমে রাজি ছিলো না পরে অভাবের তাড়নায় ঠিকই রাজি হয়ে গেলো। আর তারপর ওপরের ঘঠনা।
বসে বসে টিভি দেখছি,,,,, হঠাৎ কলিং বেল টা বেজে উঠল। গিয়ে দরজা টা খুলে দিলাম। আর কেউ নয় আমা
03/12/2023
#এ_শহরে_শেষ_নেই__
শারমিন আক্তার সাথী
পর্ব ২শেষ
আপা রাগী কণ্ঠে বললেন,
'কী বলছসি মিতু? একটা জা/নো/য়া/র আমার মেয়ের জীবনটা নষ্ট করল, আর তুই বলছিস তাকে ছেড়ে দিতে? এই তোর নীতি, বিবেক?'
আমি খানিক তাচ্ছিল্য করে বললাম,
'তোর তো দেখছি বিবেক, নীতি চারপাশ থেকে বেয়ে ছেঁয়ে পড়ছে। তা তোর এ নীতি সতেরো বছর আগে কোথায় ছিল? সেদিন তোর বিবেক কোথায় লুকিয়েছিল? যেদিন সতেরো বছরের একটা মেয়েকে তোর স্বামী রে'প করেছিল। তখন মেয়েটি তোর আর আমার মায়ের কাছে এমনি কান্না করে করে, তোর স্বামীর শাস্তি চেয়েছিল? তুই তো নিজের সংসার ভাঙার ভয়ে মেয়েটাকে বদনামের কথা বলে চুপ করিয়ে দিয়েছিলি। তোর বরকে শাস্তি দেয়ার বদলে মেয়েটাকে কিছু ব্যথার আর বাচ্চা না হওয়ার ওষুধ দিছিলি। তোর লজ্জা করেনি একজন রে'পিস্ট এর সাথে সংসার করতে?'
আপা, দুলাভাই, মা আর আমার বর, আমার দিকে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রইল। আমি আবার বললাম উপরওয়ালা ছাড় দিলেও ছেড়ে দেন না। তোর স্বামীর পাপ তার মেয়ের উপর বর্তেছে। তাছাড়া তোর স্বামীর বংশ মনে হয় বংশগত রে'পিস্ট। দেখিস না তোর স্বামী একজনকে রে'প করেছে, তার ভাতিজাও রে'পিস্ট। খোঁজ নিয়ে দেখ হয়তো তার বাবা দাদাও তেমন ছিল।'
আমি আর কোনো কথা বললাম না। চুপ করে নিজের রুমে চলে এলাম। আমার স্বামী আমার পিছু পিছু আসল। জানি তার মনে এখন অনেক প্রশ্ন? তিনি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বললাম,
'মাহিম, আমি আমার জীবনে দুজন চমৎকার মানুষ পেয়েছি। একজন আমার বাবা আর একজন তুমি। তুমি, সবসময় জিজ্ঞেস করতে আমি কেন আপা দুলাভাইর সাথে কথা বলি না? কারণ দুলাভাই যে মেয়েটাকে রে'প করেছিল সে মেয়েটা কে, আশাকরি তুমি বুঝতে পারছো। আমি তোমাকে আর বাবাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। বাবা তো বেঁচে নেই এখন আমার এত বড় সত্যিটা লুকানোর জন্য তুমি যে শাস্তি দিবে তার জন্য আমি প্রস্তুত।'
মাহিম কিছু না বলে রুম থেকে বের হয়ে গেল। আমি জানি ও কী করবে? ঘন্টা কয়েক এদিক ওদিক হেঁটে তারপর বাড়ি ফিরে বলবে মিতু খিদে পেয়েছে। বেশি কষ্ট পেলে ও এমনটা করে। আজকেও তার অন্যথা হলো না। খেতে খেতে বলল,
'মিতু, রেশীর জীবনটা কী নষ্ট হয়ে যাবে?'
'তুমি তো এ শহরের বর্তমান মেয়র। তুমি কী পারো না তাকে শাস্তি দিতে?'
'আমি সে ব্যবস্থা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
