TechTonye360
For some social awareness with fun and entertainment
ভাড়া করা লোক দিয়ে মিছিল করে আওয়ামী লীগ। বাস্তবে তাদের জনপ্রিয়তা কতোটুকু? এবং তাদের নেতাদের যোগ্যতা কতোটুকু তা ভিডিওটা দেখলেই বুঝবেন।
আলাউদ্দিন জিলাপি মুফতীর ফতোয়া। রাসুলুল্লাহ সাঃ এর পায়ের ছোয়ায় নাকি তার রওজার মাটি আরশে আজীমের থেকেও বেশি দামী।
আল্লাহর শানে এতো বড়ো বেয়াদবি করলো এই মাজার পূজারী
কুরআন হাদিসের কথা বললে বলে হুজুর তো আহলে হাদিস হয়ে গেছে
পর্দাকে কটাক্ষ করে কি প্রমাণ করতে চাইছে হাসিনা?
সে কি ভারতের দালালী করতে এসব করে সারা বিশ্বের মুসলমানদের শানে আঘাত করছে?
মুফতী কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহীম সাহেবের কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ভবিষ্যৎ বানীগুলো মিলে যাচ্ছে।
পীরের পায়ে সিজদাহ্ করল্প আলাউদ্দিন জিলাপি, আবার বলে পীরের বাড়িতে কুরবানী নাকি হযরত ইব্রাহিম আঃ এর সুন্নাতদেখুন ভিডিও সহ
05/02/2022
পৃথিবীতে ৮০০০ মিটারের বেশি উচ্চতার পাহাড় ক'টি ? উত্তর ১৪ টি। সবচেয়ে উঁচু এভারেস্ট, তারপর K2 (পাকিস্তানে অবস্থিত), তারপর আমাদের কাঞ্চনজঙ্ঘা, নেপালের লোৎসে, মাকালু ইত্যাদি। কিন্তু এই ১৪ টির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর পাহাড় কোনটি ? পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার ধরলে - নেপালের অন্নপূর্ণা (৩০%)। প্রত্যেক ৩ জন অভিযাত্রীর মধ্যে একজন আর বাড়ি ফেরেন না। খুব কাছাকাছি রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। মৃত্যুর হার ২৯.১% (ভারতের দিক থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযান নিষিদ্ধ)। তারপর রয়েছে K2 (২২.৯%)।
মৃত্যুর হারে K2-র খুব কাছাকাছি রয়েছে আরেকটি ৮০০০ মিটারের শৃঙ্গ - নেপালের ধওলাগিরি (২১.৯%)। বিখ্যাত বাঙালি পর্বতারোহী এবং এভারেস্ট জয়ী দেবাশিস বিশ্বাস কিছুদিন আগে সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছেন ধওলাগিরি থেকে। সেই অভিযানে দেবাশিস বাবুর সঙ্গী, আরেক বিখ্যাত বাঙালি পর্বতারোহী বসন্ত সিংহরায় ফ্রস্টবাইটে খুইয়েছেন পায়ের আঙ্গুলগুলো। সেই তুলনায় এভারেস্টে মৃত্যুর হার অনেক কম - মাত্র ১৪% ।
এখনো পর্যন্ত পৃথিবীতে মাত্র ৩৪ জন পর্বতারোহী ১৪ টি ৮০০০ মিটারের সব কটি পাহাড়ের চূড়োয় উঠেছেন। কিন্তু সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ? এই ব্যাপারে বিশ্বরেকর্ড একজন গোর্খার। ব্রিটিশ রয়াল আর্মির প্রাক্তন সেনাপতি নেপালের নির্মল পূর্জা-র। ২০১৯ সালে মাত্র ৭ মাসে, পর পর পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ১৪টি পাহাড়ে উঠেছেন উনি - যা দেখে তাক লেগে গেছে তাবড় পর্বতারোহীর। এও সম্ভব ? এ লোকটা মানুষ না মেশিন ? যেখানে একটি ৮০০০ মিটারের পাহাড় চড়তে গড়ে সময় লাগে দু-মাস সেখানে ৭ মাসে ১৪ টা ৮০০০ মিটারের পাহাড়ে একজন মানুষ চড়ে কি করে ? এই লোকটার কি প্রাণের ভয় নেই ?
নির্মল পূর্জা নিজেই বলেছেন "My biggest strength is - I have no fear" ! তার সেই ১৪টি পর্বত আরোহনের উপর নেটফ্লিক্স একটি ডকুমেন্টারী বানিয়েছে - 14 Peaks: Nothing Is Impossible ! এর মধ্যে সবচেয়ে মুগ্ধ হলাম ওনার কাঞ্চনজঙ্ঘা আর K2 চড়া দেখে। পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘায় উনি উঠলেন বেস ক্যাম্প থেকে একবারে এক দমে, সোজা চূড়ায় - যেখানে পৃথিবীবিখ্যাত পর্বতারোহীরা এটি ওঠেন ৪টি ক্যাম্প করে। প্রত্যেকটি ক্যাম্পে থেমে থেমে। যারা বাড়ির দো'তলায় উঠতে হাঁফিয়ে যান তারা ভেবে দেখুন- উনি একবারে চড়েছেন ২৮১৭ তলা !
ওনার K2 অভিযান তো আরো রোমহর্ষক। পর্বত অভিযানে, প্রথমে শেরপারা পাহাড়ে চড়েন এবং তারা বরফের উপর দড়ি লাগিয়ে রুট ওপেন করেন। সেই দড়ি ধরে ধরে বাকিরা পাহাড়ে চড়েন। খারাপ আবহাওয়ার জন্য এবং হিমবাহ ভেঙে পড়ার ভয়ে K2তে শেরপারা দড়ি লাগিয়ে রুট ওপেন করতে পারছিলেন না। অভিযাত্রীরা যখন বাড়ি ফিরে যাবেন ঠিক করেছেন তখন নির্মল পূর্জা-র আবির্ভাব।
উনি বললেন "দিনের বেলা সূর্যের তাপে বরফ গলে ধ্বস নামার সম্ভবনা। আমি উঠবো মাঝরাতে যখন ঠান্ডায় বরফ শক্ত।" সবাই বারণ করলেন কিন্তু কোনো কথা না শুনে, মাথায় লাগানো লাইটের টিমটিমে আলোয় রাত দুটোয় K2 র মতো প্রাণঘাতী পাহাড়ে চড়লেন নির্মল। একটি ভুল মানে সাক্ষাৎ মৃত্যু। বরফের উপর দড়ি লাগাতে লাগাতে উঠে গেলেন সোজা চূড়োয়। তার লাগানো সেই দড়ি ধরে K2 তে উঠলেন বাকি পর্বতারোহীরা - যারা বাড়ি ফিরে যাবার জন্য ব্যাগ গুছিয়ে ফেলেছিলেন। উপস্থিত শেরপারাও সেলাম ঠুকলেন নির্মলের সাহসকে।
এই দুর্দান্ত ১৪ টি অভিযানের ক্লাইম্যাক্সটিও দুর্দান্ত। এভারেস্ট সহ ১৩টি ৮০০০ মিটারের পাহাড় চড়ে ফেলেছেন নির্মল। বাকি একটি - তিব্বতের শিশাপাংমা পর্বত। এটি চড়ার জন্য চীন সরকারের বিশেষ অনুমতি লাগে। চাইনিজ গভর্মেন্ট তো নির্মলকে কিছুতেই অনুমতি দেবে না। শেষবার শিশাপাংমা পর্বত চড়ার অনুমতি দেয়া হয়েছিল ২০১১ তে। দীর্ঘ ৮ বছর সেই পাহাড়ে কেউ চড়েনি। কোথায় কোন বরফে ফাটল ধরেছে কেউ জানে না। কিভাবে অনুমতি পেলেন নির্মল ? সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে। হ্যাঁ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের লক্ষ লক্ষ পাহাড়প্রেমীর কাতর অনুরোধের কাছে নতি স্বীকার করে শেষ পর্যন্ত চাইনিজ গভর্মেন্ট নির্মলকে শিশাপাংমা চড়ার অনুমতি দেয়। অতঃপর মধুরেণ সমাপয়েৎ !
আর হ্যাঁ, নির্মল পূর্জা তার এই ১৪টি পর্বত অভিযানের প্রাথমিক খরচ জোগাড় করেছিলেন ইংল্যান্ডে নিজের বাড়ি বন্ধক রেখে। তাতে অবশ্য দুটি পাহাড়ে চড়ার খরচ-ও ওঠেনি। বাকি খরচের বেশিরভাগটাই জুগিয়েছিল সারা পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ সাধারণ পাহাড়প্রেমী। কেউ পাঠিয়েছিল ৫০ টাকা, কেউ ১০০ টাকা !
লেখাঃ আশাভরী সেন
কুরআনের আয়াত নিয়ে উদ্ভট মন্তব্য করে এই ধরনের পাগল ছাগল বয়াতি, যাদের কুরআন রিডিং পড়ার ও যোগ্যতা নাই।
এই বক্তা নিজেকে ভাইরাল করতে ইসলামকে হাসি-তামাশার ব্যাপার বানিয়ে নিয়েছেন। এগুলো দুঃখজনক ও লজ্জাজনক
23/01/2022
অতি বৃষ্টিকে "cats and dogs" বলা হয় কেন?
এটির আসল উত্তর ছিল: অতি বৃষ্টিকে "cats and dogs" বলা হয় কেনো?

অফিস শেষে বাসায় ফিরছেন। হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি নামলো। বৃষ্টি নামলো তো নামলোই, আর থামাথামির কোনো নামগন্ধ নেই। এমন বৃষ্টিকে আমরা বলি মুষলধারে বৃষ্টি। ইংরেজরা একে বলে, “It’s raining cats and dogs.” আক্ষরিক অর্থ করলে দাঁড়ায়, বিড়াল-কুকুরের বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু ঝুম বৃষ্টির সাথে বিড়াল-কুকুরের সম্পর্ক কোথায়? কেন এমন নামকরণ করা হয়েছে?
সর্বপ্রথম এই বাগধারাটির মতোই একটি বাগধারার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায় ১৬৫১ সালে প্রকাশিতওলর ইস্কানাস নামের এক কবিতা সংকলনে। ব্রিটিশ কবি হেনরি ভাউঘান এই বইয়ের এক কবিতায় একটি বাড়ির ছাদের কথা উল্লেখ করেন। এটি নাকি কুকুর-বিড়ালের ‘বৃষ্টি’ থেকে সুরক্ষিত ছিল। এক বছর পর রিচার্ড ব্রোম নামক এক ইংরেজ নাট্যকার তার সিটি উইট নামের কমেডি নাটকে ‘It shall rain dogs and polecats’ লাইনটি উল্লেখ করেন। এখানে পোলক্যাট হলো একধরনের বিড়ালজাতীয় প্রাণী।
এরপর ১৭৩৮ সালে বিখ্যাত ইংরেজ লেখক জোনাথন সুইফট Complete Collection of Genteel and Ingenious Conversation নামে সমাজের উচ্চশ্রেণীর কথোপকথন নিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক লেখা প্রকাশ করেন। এই লেখায় একটি চরিত্রের কথোপকথনে সর্বপ্রথম এই বাগধারাটির বর্তমান রূপ ‘raining cats and dogs’ কথাটি উঠে আসে

তবে বাগধারার এই রূপটি হয়তো সুইফট নিজে উদ্ভাবন করেননি। বরং আগে থেকেই প্রচলিত এই বাগধারাটিকে সুইফট নিজের মতো পরিবর্তন করে নিয়েছিলেন। সুইফটের লেখার পর থেকেই বাগধারাটির বর্তমান রূপ বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সবখানে ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য ব্রিটিশ লেখকদের মধ্যেও এই বাগধারাটির ভিন্ন ভিন্ন রূপ ব্যবহার করতে দেখা যায়। যেমন It’s raining pitchforks কিংবা it’s raining stair-rods। এগুলোর সবই মুষলধারে বৃষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে সুইফটের বাগধারাটিই সর্বত্র ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।
ব্যঙ্গাত্মক লেখাটি ছাড়াও সুইফট City Shower নামে ১৭১০ সালে একটি কবিতা লিখেন। সেখানে ভারি বর্ষণের পর বন্যার বর্ণনা দেন তিনি। এই কবিতায় বন্যার ফলে রাস্তাঘাটে বিড়াল, কুকুরের মতো মৃত প্রাণীর একটি বর্ণনা রয়েছে। এর সাথে হয়তো এই বাগধারাটির একটি সম্পর্ক থাকতে পারে। ঠিক কীভাবে এই বাগধারাটি এলো তার সঠিক কোনো তথ্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।

তবে গবেষকরা এর উৎপত্তির পেছনে কয়েকটি তত্ত্ব দাঁড় করিয়েছেন। প্রথম তত্ত্ব অনুসারে, এই বাগধারার উৎপত্তি আসলে পৌরাণিক কাহিনী থেকে। নর্স পুরাণে ঝড়ের দেবতা ওডিনকে সবসময় নানা প্রাণীর সাথে চিত্রায়িত করা হয়েছে। বিশেষ করে কুকুর ও নেকড়ের সাথে তাকে বেশি দেখা যায়। ফলে নর্সরা কুকুরকে ঝড়ের প্রতীক হিসেবে মানতো।
আবার লোককাহিনী অনুসারে, ডাইনিরা ঝড়ের মাঝে ঝাড়ুতে চড়ে আকাশে ওড়াওড়ি করে। আর তাদের সাথে থাকে কালো বিড়াল। ডাইনি ও কালো বিড়াল একসময় সমুদ্রের নাবিকদের কাছে ভারী বৃষ্টির প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। গবেষকদের মতে, Raining cats and dogs এর মাঝে থাকা বিড়াল দ্বারা ভারী বর্ষণ এবং কুকুর দ্বারা ঝড়ো বাতাসকে বোঝানো হয়। এগুলো এসেছে উপরের দুই পৌরাণিক প্রেক্ষাপট থেকে।
আবার আরেকদল গবেষকের মতে, Cats and dogs শব্দ দুটি এসেছে গ্রিক Cata doxa থেকে। এই গ্রিক শব্দযুগল অনেকটা ইংরেজি শব্দযুগলের মতোই শোনায়। গ্রিক ঐ শব্দযুগলের অর্থ হলো, যা বিশ্বাস করা যায় না, অর্থাৎ যখন অবিশ্বাস্য রকম জোরেশোরে বৃষ্টি হচ্ছে; তখন সেটিকে বলা হয় Raining cats and dogs।
আরেকটি ধারণা অনুসারে, Cats and dogs আসলে বর্তমানে অপ্রচলিত শব্দ Catadupe-এর বিকৃত রূপ। প্রাচীন ইংরেজি সাহিত্যে Catadupe-এর অর্থ ছিল ঝর্ণা বা জলপ্রপাত। এ শব্দটি দিয়ে নীলনদের জলোচ্ছ্বাস বোঝানো হতো। সেই অর্থে, Raining cats and dogs এর মানে ছিল ঝর্ণার মতো বৃষ্টি। এই বাগধারাটির উৎপত্তির পেছনে সবচেয়ে জনপ্রিয় যে গল্পটি প্রচলিত রয়েছে সেটি এসেছে লোকসাহিত্য থেকে।

এই গল্প অনুসারে, বহুকাল আগে মানুষ খড়ের ঘরে বাস করতো। সেসময় কুকুর বিড়ালের মতো গৃহপালিত প্রাণীরা এসব খড়ের ঘরের চালে উঠে বিশ্রাম নিতো। খুব জোরে বৃষ্টি নামলে বৃষ্টির তোড়ে ঘরের ছাদ থেকে কুকুর বিড়াল মাটিতে গড়িয়ে পড়তো। সেখান থেকেই হয়তো মুষলধারে বৃষ্টির নামের সাথে কুকুর বিড়াল জড়িয়ে যায়। লোকসাহিত্য ছাড়াও এই গল্পের আরেকটি বড় উৎস হলো Life in the 1500sনামে ১৯৯৯ সালে গোটা ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়া ইমেইল। এই ইমেইলে বলা হয়
তবে একটু বাস্তবতা বিচার করলেই বোঝা যাবে, এ গল্পটি আসলে ভিত্তিহীন। কারণ বিড়াল হয়তো লাফিয়ে ঘরের চালে উঠে আশ্রয় নিতে পারে, কিন্তু কুকুরের জন্য তা প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া ঝড়বৃষ্টির মধ্যে কুকুর কিংবা বিড়াল ঘরের চালের মতো উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নেবে এমনটা ভাবাও আসলে অযৌক্তিক। গবেষকদের মতে, এ গল্পটির আসলে কোনো ভিত্তি নেই।
এই বাগধারা নিয়ে এমন আরেকটি গল্প প্রচলিত আছে। সপ্তদশ কিংবা অষ্টাদশ শতাব্দীর দিকে ব্রিটিশ শহরগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। সেসময় ভারী বৃষ্টি হলেই শহরগুলোতে ছোটখাট বন্যার সৃষ্টি হতো। ফলে বন্যার পানিতে ডুবে কুকুর-বিড়ালের মতো অনেক প্রাণী মারা যেত। বৃষ্টির পর এগুলোরই মৃতদেহ ভেসে থাকতো পানিতে। কেউ কেউ মনে করতেন, এই প্রাণীগুলো বাইবেলে উল্লেখিত সেই ব্যাঙ ঝরে পড়া বৃষ্টির মতোই আকাশ থেকে ঝরে পড়েছে।
আকাশ থেকে মাছ ও পাখির মতো ছোটখাটো প্রাণী বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ার অনেক ঘটনা থাকলেও কুকুর বিড়াল ঝরে পড়ার মতো ঘটনা বেশ বিরল। তবে আকাশ থেকে না পড়লেও রাস্তায় ভেসে থাকা কুকুর কিংবা বিড়ালের মৃতদেহ থেকেই হয়তো এই বাগধারাটি এসেছে। পূর্বে উল্লেখিত জোনাথন সুইফটে সেই কবিতাটিতেও ঠিক এমনটির উল্লেখ পাওয়া যায়।
শুধু ইংরেজিতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার হয় এমন কিন্তু না। পৃথিবীর অনেক দেশের অনেক অঞ্চলে এই বাগধারাটির ভিন্ন ভিন্ন রূপ প্রচলিত রয়েছে।
লেখা collected 🙏
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mohaisnah 2
Dubai
