Bangladeshi Pitha bilash

Bangladeshi Pitha bilash

Share

Bangladeshi pita: vapa pita, chitoi pita, kheju gurer dudh chitoi, patishapta, chitaruti pita, narkel puli ( both soft $crunchy), khaja, chalee ruti etc

23/06/2026

মৃ*ত্যুর সাথে সাথে কি সব শেষ?
না জান ক*বজের পর আসল সফর শুরু হয়।

আমরা ভাবি, কবর দিলেই রুহ সোজা ইল্লিয়্যিন বা সিজ্জিনে চলে যায়। কিন্তু হাদিস আর সালাফদের বর্ণনা থেকে জানা যায়, রুহের প্রথম ৪০ দিন সবচেয়ে বেশি অস্থিরতায় কাটে। এই ৪০ দিন সে ৩টি জায়গায় বারবার আসা-যাওয়া করে।

আর ৩ নম্বর জায়গাটা শুনলে আপনার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাবে... কারণ সেটা আপনার নিজের ঘর। সে এসে কী দেখে জানেন?

১. প্রথম জায়গা: আসমানের দরজায়
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"বান্দার রুহ যখন কবজ করা হয়, তখন ফেরেশতারা তা নিয়ে উপরে উঠতে থাকে। যদি সে নেককার হয়, তাহলে আসমানের দরজাগুলো তার জন্য খুলে দেওয়া হয়... আর যদি বদকার হয়, তাহলে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।"
— সহিহ মুসলিম: ২৮৭২
নেককার রুহকে "ইল্লিয়্যিনে" নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার আমলনামা রাখা হয়। এরপর তাকে আবার কবরে ফিরিয়ে আনা হয় সওয়াল-জবাবের জন্য।

ভাবুন, আপনার রুহ আসমানের দরজায় ধাক্কা খাচ্ছে। দরজা খুলবে, নাকি মুখের উপর বন্ধ হয়ে যাবে? এটা ঠিক হচ্ছে আপনার আজকের নামাজ দিয়ে।

২. দ্বিতীয় জায়গা: নিজের কবরে
বুরাইদাহ রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি ﷺ বলেছেন:
"মৃত ব্যক্তিকে যখন কবরে রাখা হয়, তখন তার রুহকে তার শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সে ফেরেশতাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।"
— সুনান আবু দাউদ: ৪৭৫৩, সহিহ
এই সময়টা সবচেয়ে ভয়ংকর। মুনকার-নাকির আসবেন। প্রশ্ন করবেন: "তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? এই লোকটি কে?" — মুহাম্মাদ ﷺ কে দেখিয়ে।

নেককার হলে কবরটা জান্নাতের বাগান হয়ে যাবে। ৭০ হাত প্রশস্ত। আর গুনাহগার হলে? কবর চাপ দিয়ে পাঁজরের হাড় একটার সাথে আরেকটা ঢুকিয়ে দেবে।

৩. তৃতীয় জায়গা: আপনার ফেলে আসা দুনিয়ার ঘরে...
এবার কলিজা শক্ত করে শুনুন।

কিছু সালাফ ও বুজুর্গদের বর্ণনায় পাওয়া যায়, মৃত্যুর পর ৪০ দিন পর্যন্ত রুহ আল্লাহর অনুমতিতে তার প্রিয়জনদের দেখতে আসে। বিশেষ করে যেখানে সে মারা গেছে, যেখানে তার সম্পদ আছে, যেখানে তার সন্তানরা থাকে।

সে এসে দেখে —
তার রেখে যাওয়া টাকার জন্য ভাই-বোন মারামারি করছে।
তার প্রিয় বিছানায় অন্য কেউ ঘুমাচ্ছে।
তার সন্তানরা তার জন্য ১ বার সূরা ফাতিহাও পড়ছে না, কিন্তু মোবাইলে রিল দেখছে।
তার স্ত্রী/স্বামী তার কাপড়গুলো গরিবকে দান না করে আলমারিতে তালা দিয়ে রেখেছে।

ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেন, "রুহগুলো তাদের কবর ও ঘর-বাড়িতে আসে। জীবিতদের অবস্থা দেখে। যদি ভালো দেখে খুশি হয়, খারাপ দেখলে কষ্ট পায়।"

ভাবুন, আজ রাতে আপনি মারা গেলেন। কাল আপনার রুহ এসে দেখলো, আপনার ছেলে আপনার মোবাইল বিক্রি করে দিয়েছে, কিন্তু আপনার নামে ১০ টাকা সদকা করেনি। কেমন লাগবে?

এই ৪০ দিন রুহ কী চায়?
সে চিৎকার করে বলতে চায়: "আমার নামে ১টা টিউবওয়েল বসাও! ১টা কুরআন দান করো! আমার ঋণগুলো শোধ করো! আমার জন্য ইস্তেগফার করো!"

কিন্তু আফসোস, আমরা শুনতে পাই না। আমরা ৩ দিনের মিলাদ দিয়েই দায়িত্ব শেষ ভাবি।

শেষ কথাটা মাথায় গেঁথে নিন...
ভাই, এই ৩টি জায়গায় আপনার-আমার রুহ একদিন যাবেই। কোনো VIP পাসপোর্ট কোনো কিছুই কাজে আসবে না।

নবীজি ﷺ বলেছেন:
"তোমরা বেশি বেশি করে মৃত্যুকে স্মরণ করো, যা সকল স্বাদকে ধ্বংস করে দেয়।"
— তিরমিজি: ২৩০৭, হাসান

আজ থেকে ১টি কাজ করুন। রাতে ঘুমানোর আগে ২ রাকাত নামাজ পড়ে বলুন: "ইয়া আল্লাহ, আমি মারা গেলে আমার রুহ যেন খুশি হয়ে আমার ঘরে আসে। আমার সন্তানরা যেন আমার জন্য দুআ করে।"

আর মা-বাবা বেঁচে থাকলে এখনই ফোন দিন। কারণ আপনার রুহ ৪০ দিন আপনার ঘরে আসবে, কিন্তু আপনি আর কখনো তাদের জড়িয়ে ধরতে পারবেন না।

আপনি কি চান মৃত্যুর পর আপনার রুহ শান্তি পাক? কমেন্টে "আল্লাহুম্মা আজিরনি মিন আযাবিল কবর" লিখুন।

এই পোস্টটা শেয়ার করুন। হয়তো আপনার শেয়ারে কারো মৃত বাবা-মার রুহ খুশি হবে। সেটাই হবে আপনার জন্য সাদকায়ে জারিয়া।

19/06/2026

সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত — এক দোয়ায় ৭টা চাওয়া

৭টা চাওয়া। ১টা দোয়ায়। আর প্রতিটাই আপনার আমার দরকার।

প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এই ২টা আয়াত পড়ছেন? নবীজি ﷺ বলেছেন — যে রাতে কেউ এই ২ আয়াত পড়ে, সেই রাতে তার জন্য এটাই যথেষ্ট। কিন্তু "যথেষ্ট" মানে কী, কখনো ভেবে দেখেছেন?

এই ২ আয়াতে আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন এমন ৭টা চাওয়া — যা একজন মানুষের পুরো জীবনের প্রতিটা প্রয়োজন কভার করে। ভুলের ক্ষমা থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য পর্যন্ত। দুনিয়া থেকে আখিরাত পর্যন্ত।

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা — এই ২ আয়াত আল্লাহ কুরআনে নাযিল করেননি। নবীজি ﷺ মিরাজের রাতে সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে নিয়ে এসেছেন। সাত আসমানের ওপরে। আরশের নিচে।

হাদিসে এসেছে — এই ২ আয়াতের ভাণ্ডার থেকে নবীজি ﷺ কে দান করা হয়েছে — যা অন্য কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। (সহীহ মুসলিম: ৮০৬)

আজকের পোস্টে সেই ২ আয়াতের ভেতরের ৭টা চাওয়া — ৭টা সমাধান।

প্রথমে আয়াত দুটি শুনুন

آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

(সূরা বাকারা: ২৮৫-২৮৬)

এই আয়াতের দ্বিতীয় অংশে আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন ৭টা ভিন্ন প্রার্থনা। প্রতিটার আলাদা ব্যথা। আলাদা ক্ষত। আলাদা সমাধান।

চাওয়া ১: غُفْرَانَكَ رَبَّنَا — আপনার ক্ষমা চাই, হে রব

প্রথম আয়াতের শেষেই এই চাওয়া। ঈমান এনেছি, আনুগত্য করেছি — তারপরও প্রথম যে কথাটা মুমিন বলে, সেটা ক্ষমার আবেদন।

উচ্চারণ: গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর

অর্থ: "আপনার ক্ষমা চাই, হে আমাদের রব। আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন।"

ভাবুন একবার — মুমিন আল্লাহর কথা শুনেছে, মেনেছে, কুরআন-নবী-ফেরেশতা সবার ওপর ঈমান এনেছে। তারপরও সে নিশ্চিত না — তার আমল কবুল হলো কিনা। তাই আগে ক্ষমা চাচ্ছে।

এটাই মুমিনের সৌন্দর্য — যত বেশি আমল করে, তত বেশি ভয় পায়। যত নামাজ পড়ে, তত বেশি ক্ষমা চায়।

কখন পড়বেন? যখন মনে হচ্ছে আমার ইবাদত যথেষ্ট না। যখন গুনাহের ভার বহন করতে পারছেন না। যখন রাতে ঘুম আসছে না অপরাধবোধে। এই একটা বাক্য বলুন — "গুফরানাকা রাব্বানা।" আল্লাহ ক্ষমাশীল।

চাওয়া ২: لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا — ভুলে বা অজান্তে যে গুনাহ হয়, তার জন্য পাকড়াও করবেন না

মানুষ ভুলে যায়। মানুষ ভুল করে। কখনো নামাজ ভুলে যায়, কখনো ওয়াদা ভুলে যায়, কখনো না জেনে হারাম খেয়ে ফেলে।

আল্লাহ এই দুর্বলতা জানেন। তাই তিনি নিজেই আমাদের শিখিয়েছেন এই দোয়া।

উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতা'না

অর্থ: "হে আমাদের রব, আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তাহলে আমাদের পাকড়াও করবেন না।"

হাদিসে এসেছে — যখন মুমিন এই দোয়া করে, আল্লাহ বলেন "কাদ ফাআলতু" — আমি তাই করেছি। (সহীহ মুসলিম: ১২৬)

মানে দোয়া করার সাথে সাথেই আল্লাহ মঞ্জুর করেছেন। কোনো অপেক্ষা নেই।

কখন পড়বেন? যখন মনে হচ্ছে — না জেনে কত গুনাহ হয়ে গেছে। যখন ভুলে কোনো ফরয মিস হয়েছে। যখন অজান্তে কারো হক নষ্ট করেছেন। এই দোয়া পড়ুন — আল্লাহ তৎক্ষণাৎ "করেছি" বলেন।

চাওয়া ৩: لَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا — পূর্ববর্তীদের মতো কঠিন বোঝা চাপাবেন না

বনী ইসরাইলকে আল্লাহ অনেক কঠিন হুকুম দিয়েছিলেন। তাদের নামাজ ছিল কঠিন। যাকাত ছিল কঠিন। তাওবা ছিল আরও কঠিন — কেউ গুনাহ করলে নিজেকে নিজে হত্যা করে তাওবা করতে হতো।

আল্লাহ বললেন — "তোমরা সেই দোয়া করো যেন তোমাদের ওপর সেরকম বোঝা না আসে।"

উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা

অর্থ: "হে আমাদের রব, আমাদের ওপর সেরকম বোঝা চাপাবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়েছিলেন।"

আর আল্লাহ সাড়া দিলেন। আমাদের জন্য দ্বীন সহজ করে দিলেন। নামাজ ৫ ওয়াক্ত। রোযা ১ মাস। তাওবা — শুধু অন্তর থেকে অনুতাপ।

কখন পড়বেন? যখন জীবনের দায়িত্ব ভারী মনে হচ্ছে। যখন সংসারের চাপ, চাকরির চাপ, দ্বীন পালনের চাপ — সব একসাথে এসে পড়ছে। বলুন — "আমাকে এই বোঝা সহ্য করার শক্তি দিন।"

চাওয়া ৪: وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ — সাধ্যের বাইরে কষ্ট দেবেন না

আগের চাওয়াটা ছিল হুকুমের বোঝা না দেওয়ার। এই চাওয়াটা ভিন্ন — পরীক্ষার বোঝা সাধ্যের বাইরে না দেওয়ার।

উচ্চারণ: রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি

অর্থ: "হে আমাদের রব, আমাদের ওপর এমন বোঝা চাপাবেন না, যা সহ্য করার শক্তি আমাদের নেই।"

আল্লাহ কুরআনে নিজেই বলেছেন — "আল্লাহ কোনো প্রাণকে তার সাধ্যের বাইরে কষ্ট দেন না।" (সূরা বাকারা: ২৮৬)

মানে আপনার জীবনে যা আসছে — অসুস্থতা, দারিদ্র্য, দুর্ব্যবহার, একাকীত্ব — সবই আপনার সহ্যক্ষমতার ভেতরে। আল্লাহ আপনাকে বেশি দিচ্ছেন না।

কিন্তু কখনো কখনো মনে হয় — "আর পারছি না।" তখন এই দোয়া। আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে — হে রব, আমার সীমা আপনি জানেন।

কখন পড়বেন? যখন মনে হচ্ছে এই কষ্ট আর সহ্য হচ্ছে না। যখন ভেঙে পড়ার ঠিক আগে। যখন কান্না ছাড়া কিছু আসছে না। বলুন — "আমার সাধ্যের বাইরে দেবেন না।" আল্লাহ আপনার সীমা সবচেয়ে ভালো জানেন।

চাওয়া ৫: وَاعْفُ عَنَّا — আমাদের অপরাধ মুছে দিন

এখানে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। "মাফ" আর "ক্ষমা" — দুটো ভিন্ন জিনিস।

"আফউ" মানে — অপরাধই মুছে দেওয়া। যেন তা কখনো ছিলই না।
"মাগফিরাত" মানে — অপরাধ ঢেকে দেওয়া। আল্লাহ দেখবেন না।

আগে আমরা চাচ্ছি — মুছে দিন। তারপর চাচ্ছি — ঢেকে দিন।

উচ্চারণ: ওয়া'ফু আন্না

অর্থ: "আমাদের অপরাধ মুছে দিন।"

কেউ যদি আপনাকে আঘাত করে, আর তারপর ক্ষমা চায় — আপনি ক্ষমা করতে পারেন। কিন্তু কথা মনে থাকে। দাগ থাকে।

আল্লাহর "আফউ" আলাদা। তিনি মুছে দেন। কিয়ামতের দিন আমলনামায় সেই গুনাহ থাকবেই না।

কখন পড়বেন? যখন কোনো গুনাহ আপনাকে তাড়া করছে। যখন একটা ভুল মনে পড়ে আজও ঘুমাতে পারেন না। বলুন — "ওয়া'ফু আন্না।" আল্লাহ এমনভাবে মুছবেন, যেন তা কখনো ছিলই না।

চাওয়া ৬: وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا — ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন

মুছে দেওয়ার পর — ঢেকে দিন। ঢেকে দেওয়ার পর — দয়া করুন।

উচ্চারণ: ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা

অর্থ: "আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের ওপর দয়া করুন।"

খেয়াল করুন প্যাটার্ন — মুছে দেওয়া + ঢেকে দেওয়া + দয়া করা। তিন স্তরের সুরক্ষা।

দয়া কেন আলাদা চাইতে হলো? কারণ ক্ষমা শুধু গুনাহ থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু দয়া — দয়া হলো সেই জিনিস যা আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যায়।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "তোমরা কেউ নিজের আমল দিয়ে জান্নাতে যাবে না।" সাহাবারা বললেন — "আপনিও না, ইয়া রাসূলাল্লাহ?" তিনি বললেন — "আমিও না, যদি আল্লাহ তাঁর রহমত দিয়ে আমাকে না ঢেকে নেন।" (সহীহ বুখারী: ৫৬৭৩)

মানে জান্নাত আমলে না — রহমতে। তাই এই দোয়া।

কখন পড়বেন? যখন মনে হচ্ছে আমার আমল যথেষ্ট না। যখন ভাবছেন — "আমি কীভাবে জান্নাতে যাব?" বলুন — "ওয়ারহামনা।" রহমত একবার এলে সব দরজা খুলে যায়।

চাওয়া ৭: أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ — আপনি আমাদের অভিভাবক, কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য করুন

শেষ চাওয়াটা সবচেয়ে শক্তিশালী।

ভেতরের সব ক্ষমা চাওয়ার পর — এখন বাইরের যুদ্ধ। শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য।

উচ্চারণ: আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন

অর্থ: "আপনি আমাদের অভিভাবক, সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।"

আগে নিজেকে পরিষ্কার করে নিচ্ছে মুমিন। গুনাহ মুছিয়ে নিচ্ছে। ক্ষমা নিচ্ছে। তারপর আল্লাহকে বলছে — "এখন আমি প্রস্তুত। এখন শত্রুর বিরুদ্ধে আমার পাশে দাঁড়ান।"

কারণ গুনাহ থাকলে সাহায্য আসে না। উহুদের যুদ্ধে সাহাবারা হেরেছিলেন কারণ একটা ছোট ভুল হয়েছিল। বদরে জিতেছিলেন কারণ অন্তর পরিষ্কার ছিল।

কখন পড়বেন? যখন কেউ অন্যায়ভাবে আপনার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। যখন সত্যের পথে চলতে গিয়ে শত্রু তৈরি হয়েছে। যখন আপনার বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছে। বলুন — "আনতা মাওলানা।" আল্লাহ আপনার অভিভাবক। তিনিই যথেষ্ট।

৭টা চাওয়া — এক নজরে

১. গুফরানাকা রাব্বানা — আপনার ক্ষমা চাই
২. লা তুআখিযনা ইন নাসীনা আও আখতা'না — ভুলের জন্য পাকড়াও করবেন না
৩. লা তাহমিল আলাইনা ইসরান — কঠিন বোঝা চাপাবেন না
৪. লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি — সাধ্যের বাইরে কষ্ট দেবেন না
৫. ওয়া'ফু আন্না — অপরাধ মুছে দিন
৬. ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা — ক্ষমা করুন ও দয়া করুন
৭. ফানসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরীন — শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করুন

আর প্রতিটার পর হাদিসে আল্লাহর উত্তর — "কাদ ফাআলতু" — আমি করেছি।

সাত বার আল্লাহ বলেছেন — আমি করেছি, আমি করেছি, আমি করেছি।

একটা কথা মনে রাখুন — এই ৭টা চাওয়া আমাদের পুরো জীবনের ম্যাপ। ভেতরের ক্ষমা থেকে বাইরের সাহায্য পর্যন্ত। ভুল থেকে রহমত পর্যন্ত। দুনিয়া থেকে আখিরাত পর্যন্ত।

আল্লাহ এই ২ আয়াত আকাশ থেকে দিয়েছেন। সাত আসমানের ওপর থেকে। নবীজি ﷺ মিরাজ থেকে নিয়ে এসেছেন। কারণ আল্লাহ চান — আপনি প্রতিদিন ঘুমানোর আগে একবার এই ৭টা চাওয়া আল্লাহর সামনে রাখুন।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "যে রাতে কেউ সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়ে, সেই রাতে এটাই তার জন্য যথেষ্ট।" (সহীহ বুখারী: ৫০০৯)

"যথেষ্ট" মানে — সেই রাতে কোনো বিপদ তাকে স্পর্শ করবে না। শয়তান তার কাছে আসবে না। তার ঈমান, পরিবার, রিজিক — সব আল্লাহর হেফাজতে।

কিন্তু শুধু এই ২ আয়াত না — কুরআনের পাতায় পাতায় এরকম শত শত দোয়া ছড়িয়ে আছে। ঘুমানোর দোয়া, জাগার দোয়া, বের হওয়ার দোয়া, খাওয়ার দোয়া, সংকটের দোয়া — প্রতিটা মুহূর্তের জন্য আল্লাহ নিজেই শিখিয়ে দিয়েছেন কী বলতে হবে।

কোন আয়াতে কোন দোয়া, কখন পড়বেন, কীভাবে আমল করবেন — এসব আরও বিস্তারিতভাবে, গুছিয়ে, হাতে রাখার মতোভাবে জানতে চাইলে "কুরআনের বরকতময় দোয়া" বইটি আপনার উপকারে আসতে পারে। সেখানে ১২৭টিরও বেশি কুরআনি দোয়া আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ গুছিয়ে রাখা আছে।

—সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন 01984-563362 নম্বরে, লিখুন "দোয়ার বই চাই"

আর যারা শুধু একটি বিষয় না, বরং সূরা, দোয়া, রিজিক, সন্তান, শিফা ও আমল—সবকিছু একসাথে গুছিয়ে রাখতে চান, তাদের জন্য আমরা সাজিয়েছি "গ্র্যান্ড মেগা কম্বো" — ৬টি বই একসাথে, পুরো পরিবারের আমল-লাইফের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ।

✔️ কুরআনের সূরার আমল ও ফজিলত
✔️ রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ কুরআনের বরকতময় দোয়া
✔️ সন্তান যেন নেক ও সালেহ হয়
✔️ আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ আয়াতে শিফা: রোগ ও চিকিৎসার আমল

সংগ্রহ করতে—
📩 Inbox বা WhatsApp: 01984563362
📝 মেসেজ দিন: "গ্র্যান্ড মেগা কম্বো চাই"

অথবা বইগুলোর রিভিউ ও বিস্তারিত পড়ে অর্ডার করতে চাইলে
🔗 কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।

মনে রাখবেন!

৭টা চাওয়া। ১টা দোয়া। কিন্তু একটা কমন জিনিস — প্রতিটা চাওয়ার আগে "রাব্বানা।" আমাদের রব।

আমাদের। শুধু আমার না। আমাদের।

কারণ এই দোয়া একা পড়ার দোয়া না। পরিবারের জন্য। উম্মাহর জন্য। সব মুমিনের জন্য।

আপনি যখন রাতে এই ২ আয়াত পড়েন — শুধু আপনার জন্য না, আপনার মা-বাবার জন্য, সন্তানের জন্য, ভাই-বোনের জন্য — সবার জন্য আল্লাহ "কাদ ফাআলতু" বলছেন।

৭ বার "করেছি।" ৭টা পরিবার সদস্যের জন্য। ৭ ধরনের সমস্যার সমাধান।

আপনি কি আজ রাতে এই ২ আয়াত পড়বেন?

আল্লাহ তাআলা প্রতিটা মুমিনকে এই ২ আয়াত নিয়মিত পড়ার তাওফিক দিন। আমাদের সব ভুল ক্ষমা করুন। ভুলে যাওয়া গুনাহগুলো মুছে দিন। সাধ্যের বাইরে কষ্ট থেকে রক্ষা করুন। আর কিয়ামতের দিন এই ২ আয়াতকে আমাদের জন্য সাক্ষী বানান। আমিন।

আপনার কোন চাওয়াটা সবচেয়ে বেশি দরকার এই মুহূর্তে? ৭টার মধ্যে কোন নম্বর?
কমেন্টে লিখুন — শুধু সংখ্যাটা।

রেফারেন্স:
— সূরা বাকারা: ২৮৫-২৮৬
— সহীহ বুখারী: ৫০০৯, ৫৬৭৩
— সহীহ মুসলিম: ১২৬, ৮০৬
— তাফসীরে ইবনে কাসীর

/EKRAMHOSSAIN

18/06/2026

A reminder to read Surah Al Kahf and send prayers and blessings on the Prophet s.a.w as it is Friday( starts from Thursday after magrib)

The Prophet s.a.w said “Whoever reads Soorat al-Kahf on the day of Jumu’ah, will have a light that will shine from him from one Friday to the next.”
(Narrated by al-Haakim, 2/399; al-Bayhaqi, 3/249.)

It was narrated from Aws ibn Aws that the Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) said: “The best of your days is Friday. On that day Adam (peace be upon him) was created; on that day he died; on that day the Trumpet will be blown; and on that day all of creation will swoon. So send a great deal of blessings upon me (i.e. on Friday), for your blessings will be shown to me.” Narrated by Abu Dawud, 1047

21/05/2026

নামাজ পড়েও কোনো পরিবর্তন নেই? কারণ ও সমাধান

অনেকেই দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তবুও রাগ কমে না, মনে শান্তি নেই, খারাপ অভ্যাস ছাড়তে পারছেন না। মনে হয় নামাজ পড়ছি ঠিকই, কিন্তু কোথাও একটা মিসিং আছে। এই অনুভূতিটা আসলে অনেকেরই, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ এটা নিয়ে কথা বলেন না।
আসলে মিসিং জিনিসটার নাম খুশু।

আল্লাহ কোরআনে বলেছেন - "নিশ্চয়ই মুমিনরা সফল, যারা তাদের নামাজে বিনয়ী।" (সূরা মুমিনুন: ১-২)। এখানে আল্লাহ শুধু নামাজ পড়ার কথা বলেননি, বলেছেন নামাজে পূর্ণভাবে উপস্থিত থাকার কথা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন - "অনেক মুসল্লি আছে যারা নামাজ থেকে শুধু ক্লান্তিটুকুই নিয়ে ফেরে।" (ইবনে মাজাহ: ১৪২৩)। অর্থাৎ নামাজ হচ্ছে, কিন্তু নামাজের আসল ফায়দা পাওয়া যাচ্ছে না।

নিউরোসায়েন্স বলছে, মানুষের মস্তিষ্ক একই সময়ে দুটো জিনিসে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। নামাজে দাঁড়িয়ে মাথায় যদি অফিসের চিন্তা, পরিবারের ঝামেলা বা ফোনের নোটিফিকেশন থাকে - আল্লাহর সাথে সংযোগ তৈরি হওয়া সম্ভব না। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেছেন, খুশু হলো নামাজের রুহ - রুহ না থাকলে শরীর থাকলেও কোনো লাভ নেই।

সমাধান হিসেবে তিনটা ছোট কাজ শুরু করুন।

প্রথমত, নামাজ শুরুর আগে ৩০ সেকেন্ড চুপ করে বসুন এবং মনে করুন আমি এখন আল্লাহর সামনে দাঁড়াচ্ছি। দ্বিতীয়ত, সূরা ফাতিহার অর্থ শিখুন, কারণ এটা প্রতি রাকাতে পড়ছেন অথচ অর্থ না জেনে পড়লে সংযোগ তৈরি হয় না। তৃতীয়ত, নামাজের পরে অন্তত এক মিনিট চুপ করে বসুন, সাথে সাথে ফোন ধরবেন না।

এই তিনটা ছোট অভ্যাস ধীরে ধীরে আপনার নামাজকে অনুভূতিতে ভরিয়ে দেবে। আর নামাজ যখন সত্যিকারের ইবাদতে পরিণত হয়, জীবনের বাকি অংশও বদলাতে শুরু করে।
জাহিদ হাসান মিলু
প্রফেটিক প্রোডাক্টিভিটি কোচ

12/05/2026

সবার জন্য যারা সবসময় বলে আমি পারিনা…স্বয়ং আল্লাহ the Almighty নিজেই এটা উত্তর দিছেন এখানে , আবার আচ্ছ্বাস ও দিছেন । তোমার বেস্ট এফোর্ট দাও ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Melbourne?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Melbourne, VIC
3030