Sabikun's Beauty Box

Sabikun's Beauty Box

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sabikun's Beauty Box, Beauty, cosmetic & personal care, 37, Kazi Nazrul Islam Road, Bagerhat Town.

25/07/2025

আপুরা সানস্ক্রিন কি কম হয়ে গেল...?

06/05/2022

স্কিন টাইপ চেনার উপায়

Dry Skin/শুষ্ক ত্বক:
খসখসে, রুক্ষ, অমসৃণ ত্বক মানেই শুষ্ক ত্বকের লক্ষণ। খুব শুকনো ত্বকে মাঝেমাঝে চুলকানিও হতে পারে। আর্দ্রতার অভাবে শুষ্ক ত্বক বিবর্ণ, নিষ্প্রাণ দেখায়। শুষ্ক ত্বকের রোমছিদ্রগুলো খুব ছোট আর টাইট হয়, এবং দেখেই মনে হয় আর্দ্রতার অভাব রয়েছে। কাজেই আপনার ত্বকে যদি এরকম সমস্যা দেখেন, বুঝবেন তা শুষ্ক ত্বক।

Normal Skin/স্বাভাবিক ত্বক:
ত্বক খুব তেলতেলেও নয়, আবার খুব শুষ্কও নয়, এরকম হলে আপনার স্বাভাবিক ত্বক। এই ত্বক সাধারণত নরম আর মসৃণ দেখতে লাগে। স্বাভাবিক ত্বক হলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ঠিকই, তবে নজর না দিলে স্বাভাবিক ত্বকও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

Oily Skin/তেলতেলে ত্বক:
মুখ ধোওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তেলতেলে দেখায় মুখ? দিনের বেলায় তেলচকচকে দেখায়, রোদ্দুরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে? তেমন হলে আপনি তেলতেলে ত্বকের মালকিন। তৈলাক্ত ত্বকের রোমছিদ্র বড়ো হয়, ঘাম, তেলময়লা রোমছিদ্রে জমে গিয়ে ব্রণর উৎপাত দেখা দেয়।

Combination Skin/মিশ্র ত্বক:
কম্বিনেশন ত্বক চেনা খুব সহজ। যাঁদের কপাল, নাক আর চিবুকের অংশটা সহজেই তেলতেলে হয়ে যায় এবং গালের অংশ শুকনো বা স্বাভাবিক থাকে, তাঁদের ত্বক হল কম্বিনেশন বা মিশ্র প্রকৃতির। স্বাভাবিকভাবেই তেলতেলে অংশের রোমছিদ্রগুলোর আকার বড়ো হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় খুব ভালো করে খুঁটিয়ে লক্ষ করলে বুঝতে পারবেন।

05/12/2021

ত্বকের যত্নে ডাবের পানি

ডাবের পানিতে রয়েছে এসেনশিয়াল মিনারেল, ভিটামিন, সোডিয়াম ও পটাশিয়াম। এ ছাড়া এতে অ্যান্টি মাইক্রোভাল ও অ্যান্টি ফাংগাল প্রপার্টিসও রয়েছে, যা ব্রণের হাত থেকে ত্বককে বাঁচায় এবং দাগ-ছোপ হালকা করতে সাহায্য করে। ডাবের পানিতে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ‘সি’, যা রোদে পোড়াভাব দূর করে। বলিরেখা হালকা করে।


উপকারিতা
ডাবের পানি ত্বক পরিষ্কার করতে ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উত্কৃষ্ট ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বক সতেজ করে এবং মরা চামড়া দূর করে। ডাবের পানি এক ধরনের ন্যাচারাল টোনারও, যা ত্বকের লোমকূপের ছিদ্র ছোট করে। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে এবং পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে।


ব্যবহারের উপায় ক্লিনজার
বাটিতে ২ টেবিল চামচ ডাবের পানির মধ্যে তুলার বল ভিজিয়ে নিয়ে ত্বকে হালকাভাবে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


স্ক্রাব
একটু চালের গুঁড়া বাটিতে নিয়ে এর মধ্যে আধা চা চামচ মধু ও ১ চা চামচ ডাবের পানি মিশিয়ে নিন। এটি মুখে ২ মিনিট সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।


টোনার
বাটিতে ২ চা চামচ ডাবের পানি ও ১ চা চামচ গোলাপজল ভালোভাবে মিশিয়ে তুলার বল এই টোনারে ভিজিয়ে নিয়ে পুরো মুখ মুছে নিন।


মাস্ক
২ চা চামচ মসুর ডালের গুঁড়া, ২ চা চামচ ডাবের পানি ও ১ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল বাটিতে নিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার প্যাকটি চোখের চারপাশ বাদ দিয়ে পুরো মুখের ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। মাস্কটি ত্বক সতেজ করে। এ ছাড়া ব্রণ ও ব্রণের দাগও হালকা করে।


► মুখে বসন্তের দাগ থাকলে ডাবের পানি দিয়ে আইস কিউব বানিয়ে নিয়মিত মুখে ঘষলে দাগ আস্তে আস্তে চলে যায়।

► ডাবের পানি হাইপার পিগমেন্টেশন দূর করে। একটি বাটিতে ২ চা চামচ ডাবের পানি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও এক চিমটি হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এবার তুলার বল ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ব্যবহার করুন।

► ত্বক সতেজ রাখতে ডাবের পানি সাহায্য করে। ত্বকের লাইটেনিং মাস্ক তৈরির জন্য বাটিতে ৩ চা চামচ ডাবের পানি, ১ টেবিল চামচ আটা এবং আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর কিছুটা শুকিয়ে গেলে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন।

► স্কিন লাইটেনিং ক্রিম বানাতে বাটিতে ময়েশ্চারাইজার লোশন বা ক্রিম নিন। এতে ১ চা চামচ ডাবের পানি মেশান। প্রতিদিন রাতে ঘুমের আগে এই ক্রিম ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করে নিন।

04/12/2021

#১৫টি মিনি টিপস জেনে নিন:-
১) মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য টক দই বেসনের সাথে
মিশিয়ে মুখে মাখুন।

২) আটা পানির সাথে মিশিয়ে চুলায় গরম করতে দিন । ঘন হয়ে
এলে ঠান্ডা করে মুখে মাখুন । এতে আপনার ত্বক সুন্দর
হবে।

৩) টক দই আর গুড়ো দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে মাখুন। ত্বক নরম ও মসৃণ হবে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এটি করবেন না।

৪) ত্বকের কালো দাগ দূর করতে লেবুর রস মুখে লাগান ।
দাগ হালকা হবে।

৫) চুল সিল্কি করতে গোসলের পর এক মগ পানিতে
লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় ঢালুন।

৬) চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে শসা বা আলু
ছোট করে কেটে চোখের নিচে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৭) ঠোঁটের কালো ভাব দূর করতে দুধের সর নিয়মিত
ঠোঁটে লাগান।

৮) দাঁতের হলদে ভাব দূর করতে পেষ্টের সাথে বেকিং
পাউডার মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

৯) মেকআপের সময় চোখের পাপড়ি ঘন দেখাতে
পাপড়ির উপর পাউডার ব্রাশ করে মাশকারা লাগান।

১০) যেকোন লিপষ্টিককে ম্যাট বানাতে লিপষ্টিক দেওয়ার
পর পাউডার ব্রাশ করুন।

১১) নেইল পালিশ দীর্ঘদিন ঠিক রাখতে ফ্রিজে রাখুন।

১২) জেইল আইলাইনার না থাকলে কাজল কয়েক সেকেন্ড চুলোয় ধরুন। তারপর ঠান্ডা করে চোখে লাগান। চোখ সুন্দর লাগবে। কাজলও দীর্ঘস্থায়ি হবে।

১৩) রোদে পোড়া ভাব দূর করতে মুখে শসার রস বা
টমেটো লাগান।

১৪) কোন জায়গা পুড়ে গেলে তাড়াতাড়ি সেই জায়গায়
পেষ্ট লাগান । ফোসকা পড়বে না।

১৫) পায়ের ক্লান্তি দূর করতে গরম পানিতে লবন মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন । এতে আরাম পাবেন।

04/12/2021
04/12/2021

🥒ত্বকের যত্নে শসা🥒
ত্বকের যত্নে শসার ব্যবহার অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। সতেজ ত্বকের জন্য যে শসা একটি অপরিহার্য নাম তা সবারই জানা। তবে রূপচর্চার জন্য শসার সঠিক ব্যবহারের পদ্ধতি হয়তো অনেকের জানা নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় শসার ব্যবহার-

১. মুখে কোনো কালো দাগ পড়লে কচি শসার রস মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নেবেন। এভাবে কিছুদিন নিয়মিত লাগালে দাগ উঠে যায়।

২. শসার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মুখে মেখে শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিলে মুখের রং উজ্জ্বল ও কোমল হয়। তবে নিয়মিত কিছুদিন করতে হবে।

৩. অনেক সময় দেখা যায় চোখের নিচে অনেকেরই কালো দাগ পড়ে। শসার রস নিয়মিত মাখলে এ দাগ দূর হবে।

৪. যদি কেউ ফর্সা হতে চান তবে নিয়মিত শসার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে, হাতে ও গায়ে নিয়মিত মাখলে গায়ের রং ফর্সা হয় অথবা শসা পাতলা পাতলা করে কেটে মুখে ঘসে নিতে পারেন। পরে শুকোলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নেবেন।

৫. মুখকে রোদ থেকে বাঁচাতে, মুখের দাগ তুলতে ও ময়লা থেকে যদি রেহাই পেতে চান তবে শসার সাহায্যে একটি ফেসপ্যাক বানিয়ে ২৫/৩০ মিনিট রেখে প্রথমে গরম পানি, পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আপনি নিশ্চিন্তে বাইরে বেড়িয়ে আসতে পারেন। এতে ত্বক সারাদিনের জন্যে যেমন চকচকে, মসৃণ ও কোমল থাকবে তেমনি বাইরের নানান জীবাণু থেকে ত্বক রেহাই পাবে।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য

শসার টুকরা ছেঁচে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন এটি।
শুষ্ক ত্বকের যত্নে
৩ টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ দুধের সর মিশিয়ে গলা ও মুখের ত্বকের লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি রুক্ষ ও শুষ্ক ত্বকের প্রাণ ফেরাবে।
তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে
তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ দেখা যায় বেশি। ৩ টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ বেসন ও ১ টেবিল চামচ বাটার মিল্ক মেশান। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দূর হবে ত্বকের অতিরিক্ত তেল।
রোদে পোড়া দাগ দূর করতে

১ টেবিল চামচ শসার রসের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ডিমের সাদা অংশ ও ১ টেবিল চামচ দই মিশিয়ে রোদে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
ডার্ক সার্কেল দূর করতে
চোখের আশেপাশের কালচে দাগ দূর করতে চাইলে ফ্রিজের ঠাণ্ডা শসা স্লাইস করে চোখের ওপর দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। প্রতিদিন এভাবে ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে কমে যাবে ডার্ক সার্কেল।
১. তৈলাক্ত ত্বকে, মুখ ধোয়ার পর শুধু শশার রস টোনার হিসেবে মুখে লাগাতে পারেন অথবা একে আরো কার্যকরী করতে শশার রসের সঙ্গে আপেল সাইডার ভিনেগার, টমেটোর রস এবং অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিতে পারেন।

২. শশাতে থাকা ব্লিচিং প্রপার্টিজ ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল এবং স্কিন টোন সমান করে। বাইরে থেকে এসে মুখ ধুয়ে শশার রস লাগান। এটি সান বার্ন দূর করবে।

৩. একটি শশা ব্লেন্ডারে ভাল মতো ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরী করে দু’চামচ লেবুর রস এবং এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে মুখে এবং ঘাড়ে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকের রুক্ষভাব দূর করে চেহারা উজ্জ্বল করে।

৪. শশার ৯৫% উপাদানই হচ্ছে পানি। এর ফলে শশা খাওয়ার মাধ্যমে ত্বক হাইড্রেটেড এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে। শশার দানাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং পটাশিয়াম। যা, ফাইন লাইন্স, রিংকেল সহ বার্ধক্যের বিভিন্ন ছাপ দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল এবং যৌবনদ্বীপ্ত রাখে।

৫. ডার্ক সার্কেল কমাতে শশা বেশ কার্যকর। শশাতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং সিলিকা চোখের ডার্ক সার্কেল কমিয়ে চোখের চারপাশের স্কিন ভালো রাখে।

৬. তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ, লেবুর রস এবং শশা পেস্ট একঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি স্কিনের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে।

৭.শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে এক চা-চামচ ওটমিল এবং পরিমাণমত শশা পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। মুখে এবং ঘাড়ে মিশ্রণটি ভালো মত মেখে ২০ মিনিট রাখুন। চাইলে এর সঙ্গে মধু যোগ করতে পারেন। মধু ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখবে।

৮. বয়সের ছাপ লুকাতে দুই টেবিল-চামচ টক দই, আধা চামচ মধু এবং লেবুর রসের সঙ্গে দুই চামচ গ্রেট করা শশা এবং দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভালোমতো মেশান। এবার এটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ফাইন লাইন্স, রিংকেল দূর করে ত্বক টানটান এবং সুন্দর করে।

৯. শশাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সিলিকা যা নখ শক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত শশা খাওয়ার মাধ্যমে নখ ভাঙ্গা কমে গিয়ে নখ শক্ত হয়।

১০. ব্রোন সমস্যা থেকে বাঁচতে দুই চা-চামচ শশার রসের সঙ্গে গোলাপ জল এবং মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক তৈরী করে মুখে লাগান।

১১. চুলের বৃদ্ধিতে শশার ভুমিকা অতুলনীয়। এটি চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

04/12/2021

সহজ কিছু পদ্ধতিতে ঠোঁটের কালচে দাগ দূর হয়

অতিরিক্ত চা-কফি পান করেন? আপনার ঠোঁটে কালো দাগ পড়া স্বাভাবিক। যাঁরা বেশি বেশি রোদে যান বা ঠোঁটের যত্ন কম নেন, তাঁদের জন্যও ঠোঁটের কালচে দাগ সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। বাজারে অবশ্য ঠোঁটের দাগ দূর করার নানা ওষুধ স্ক্রাব পাওয়া যায়। কিন্তু তা অনেক সময় কার্যকর নয়। কিন্তু প্রাকৃতিক কিছু উপায় আছে, যাতে ঠোঁটের কালো দাগ দূর করা যায়। এ রকম কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জেনে নিন:

গোলাপজল: তুলার বল তৈরি করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং ঠোঁট বাড়তি যত্ন পাবে। ঠোঁটের দাগও দূর হবে।

শসার জুস: অর্ধেক শসা ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন। তুলার বল দিয়ে এই জুস ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ২০-৩০ মিনিট পর তা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শসার জুস আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দিতে পারে।

বিট: এক টুকরো নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ঘষতে থাকুন। ১৫-২০ মিনিট পর ভালো করে তা ধুয়ে ফেলুন। বিটের রস ঠোঁটের পোড়া ও কালচে ভাব দূর করবে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সতেজতা এনে দিতে পারে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।

বেকিং সোডা: বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে ২-৩ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভেজা ভাব শুকিয়ে গেলে ঠোঁটের কোনো জেল ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার: এক চা-চামচ পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দানকারী উপাদান হিসেবে কাজ করবে এটি।

ঘৃতকুমারী: ঘৃতকুমারীর রয়েছে তাক লাগানো গুণ। ঘৃতকুমারীর জলীয় অংশ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানিতে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।

গ্লিসারিন: তুলা দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে একটু গ্লিসারিন মাখিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁট আর্দ্র থাকবে। শুষ্কতা দেখা যাবে না।

লেবু-মধু: অনেকক্ষণ যাঁদের রোদে থাকতে হয়, তাঁরা লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। এ মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর ভেজা নরম কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলুন।

নারকেল তেল: আঙুলের মাথায় একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখুন। এতে যে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, তা ঠোঁট আর্দ্র ও সবল রাখে।

04/12/2021

রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার জাদু

সময়মতো ত্বকের যত্ন নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। এ জন্য যে দামী প্রসাধনী কিনতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনার হাতের কাছের জিনিস দিয়েই নিতে পারবেন ত্বকের যত্ন।

আমাদের শরীরের চামড়ায় প্রতিনিয়ত মৃতকোষ গুলা উঠে গিয়ে সেখানে নতুন কোষ জন্মায়। মৃতকোষ শরীরের উপরিভাগে ময়লার আস্তরণ তৈরি করে এবং এতে ত্বকের মসৃণটা কমে গিয়ে ত্বক হয়ে যায় খসখসে। তাই মৃতকোষ পরিষ্কার করার জন্য স্ক্রাব হল সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি। চালের গুড়া ভাল স্ক্রাব এর কাজ করে।

ব্যবহার পদ্ধতি-
– চালের গুড়া ( ২ টেবিল চামচ) + দুধ (২ চা চামচ ), লেবুর রস(২ চা চামচ ) পরিমান মতো পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণ টা পুরো মুখে আলতো করে লাগান। ১০ মিনিট পর হাল্কা করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে ১/২ দিন এটা ব্যবহার করতে পারেন। এটা শুধু মুখে না আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন।

– যাদের মুখ খুব বেশি তৈলাক্ত তারা দুধ এর বদলে শসার রস মিশাতে পারেন।

– শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে দুধ ব্যবহার করতে পারেন , চাইলে কমলার রস,(২ চা চামচ) যোগ করতে পারেন। কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

উপকারিতা-
১/ চালের গুড়া ব্রণের দাগ কমায়।
২/ ত্বককে মসৃণ করে।
৩/ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৪/ ব্ল্যাক হেডস কমায়।

সাবধানতা-
জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে।
রোজ রোজ এটা করতে যাবেন না এতে ত্বকের উপকারের চাইতে ক্ষতি হয়ে যাবে।

04/12/2021

ত্বকের যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার এবং এর উপকারিতা

শীত আসার আগে থেকেই ত্বকের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। কারণ শীতকালে ত্বকে দেখে দেয় নানান রকম সমস্যা। ঠোঁট ফাটা থেকে শুরু করে, হাত-পা ফাটা আর শুষ্কতা তো আছেই। শীত বাড়তে থাকে, আর পাল্লা দিয়ে কমতে থেকে ত্বকের আর্দ্রতা। এই সময় ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গ্লিসারিনের কোনো জুড়ি নেই। তবে চলুন আজকে জেনে নেই, আমাদের ত্বকের যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার ও এর উপকারিতা সম্পর্কে।

ত্বকের বিভিন্ন যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার
ঠোঁটের যত্নে
ঠোঁটে ব্যবহারের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই গ্লিসারিন ব্যবহার হয়ে আসছে। ঠোঁট ফাটা দূর করতে রাতে ঘুমানোর আগে এবং ঘুম থেকে উঠে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া স্ক্রাবিং এর জন্য গ্লিসারিন খুবই কার্যকরী। চিনির দানার সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করলে ঠোঁট ফাটা দূর হবে, সেই সাথে ঠোঁট হবে নরম। অনেক সময় গ্লিসারিনের টেক্সচার একটু ভারী হয়। সেক্ষেত্রে গোলাপজলের সাথে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

হাত-পায়ের যত্নে

শীতকালে ত্বকের প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্নের। আর গ্লিসারিন দিয়ে করতে পারেন ত্বকের এই এক্সট্রা কেয়ার। হাত-পায়ের যত্নে হালকা কুসুম গরম পানিতে হাফ চামচ গ্লিসারিন দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে হাত-পা নরম থাকবে, সেই সাথে চামড়া ওঠা কিংবা গোড়ালি ফাটার মত সমস্যার সমাধান দিবে গ্লিসারিন।

শীতকালে একটি কমন সমস্যা হচ্ছে গোড়ালি ফেটে যাওয়া। সেক্ষেত্রে ঘুমানোর আগে পা ভালো করে ধুয়ে গোড়ালি পরিষ্কার করে নিন। এরপর গ্লিসারিন লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। একটু লাইট গ্লিসারিন হলে সাথে অলিভ অয়েল সাথে মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহার করলে পা ফাটা সমস্যা দূর হবে এবং গোড়ালি হবে মসৃণ।

ত্বকের যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার এবং এর উপকারিতা
শীত আসার আগে থেকেই ত্বকের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। কারণ শীতকালে ত্বকে দেখে দেয় নানান রকম সমস্যা। ঠোঁট ফাটা থেকে শুরু করে, হাত-পা ফাটা আর শুষ্কতা তো আছেই। শীত বাড়তে থাকে, আর পাল্লা দিয়ে কমতে থেকে ত্বকের আর্দ্রতা। এই সময় ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গ্লিসারিনের কোনো জুড়ি নেই। তবে চলুন আজকে জেনে নেই, আমাদের ত্বকের যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার ও এর উপকারিতা সম্পর্কে।

ত্বকের বিভিন্ন যত্নে গ্লিসারিন ব্যবহার
ঠোঁটের যত্নে
ঠোঁটে ব্যবহারের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই গ্লিসারিন ব্যবহার হয়ে আসছে। ঠোঁট ফাটা দূর করতে রাতে ঘুমানোর আগে এবং ঘুম থেকে উঠে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া স্ক্রাবিং এর জন্য গ্লিসারিন খুবই কার্যকরী। চিনির দানার সাথে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করলে ঠোঁট ফাটা দূর হবে, সেই সাথে ঠোঁট হবে নরম। অনেক সময় গ্লিসারিনের টেক্সচার একটু ভারী হয়। সেক্ষেত্রে গোলাপজলের সাথে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন |

হাত-পায়ের যত্নে
শীতকালে ত্বকের প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্নের। আর গ্লিসারিন দিয়ে করতে পারেন ত্বকের এই এক্সট্রা কেয়ার। হাত-পায়ের যত্নে হালকা কুসুম গরম পানিতে হাফ চামচ গ্লিসারিন দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে হাত-পা নরম থাকবে, সেই সাথে চামড়া ওঠা কিংবা গোড়ালি ফাটার মত সমস্যার সমাধান দিবে গ্লিসারিন।

শীতকালে একটি কমন সমস্যা হচ্ছে গোড়ালি ফেটে যাওয়া। সেক্ষেত্রে ঘুমানোর আগে পা ভালো করে ধুয়ে গোড়ালি পরিষ্কার করে নিন। এরপর গ্লিসারিন লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। একটু লাইট গ্লিসারিন হলে সাথে অলিভ অয়েল সাথে নিতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহার করলে পা ফাটা সমস্যা দূর হবে এবং গোড়ালি হবে মসৃণ।

প্যাক ব্যবহারে

ফেইস প্যাক ব্যবহারে ত্বক স্বভাবতই একটু টানটান করে কিংবা ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। আর শীতে তো কথাই নেই! কিন্তু তাতে কি রূপচর্চা বন্ধ থাকবে শীতে? অবশ্যই না। শীতকালে ত্বকে ফেইসপ্যাক বিশেষ করে ক্লে-মাস্ক ব্যবহারে করতে হলে প্যাকটিতে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে দিন। গ্লিসারিনে অতিরিক্ত তেল থাকে না কিন্তু এটি ত্বকে ময়েশ্চার ফিরিয়ে নিয়ে আসে। আর প্যাক ব্যবহারের পরেও ত্বক থাকবে ডিহাইড্রেটেড ও কোমল।

টোনার হিসেবে

গ্লিসারিন কিন্তু টোনার হিসেবেও বেশ কাজ করে। দিনের শুরুতে গ্লিসারিনের সাথে হালকা গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করুন আপনার ফেইসে। যারা সারাদিন বাহিরে থাকেন, তারা চাইলে ব্যাগেও ক্যারি করতে পারেন। এতে সারাদিন জুড়ে বেশ রিফ্রেশিং এবং হাইড্রেটেড মনে হবে ত্বককে।

মেকআপের বেইজ হিসেবে

শীতকালে যেহেতু ত্বক একটু ড্রাই হয়ে যায়, তাই মেকআপের আগে দরকার একটি ময়েশ্চারাইজার। তাই মেকআপের আগে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিয়ে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে এবং আপনার মেকআপ খুব সুন্দর করে ত্বকে বসে যাবে।
ক্লিনজার
একনে প্রোন ত্বকে কিংবা নরমাল স্কিনে গ্লিসারিন ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। গ্লিসারিন যুক্ত ফেসিয়াল ক্লিনজারগুলো ত্বক শুকিয়ে না ফেলে ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আর শীতে যদি আপনার ক্লিনজারটি ব্যবহার করে স্কিন ড্রাই ফিল হয়, তবে আপনার রেগুলার ব্যবহারের ফেসওয়াশের সাথে দুই ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ম্যাসাজ করে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক আর শুষ্ক হচ্ছে না।

কোন ধরনের ত্বকে গ্লিসারিন
ব্যবহার করতে পারবেন?

স্কিন ড্রাই হোক কিংবা অয়েলি সব ধরনের ত্বকের জন্যই গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারবেন। অনেকের ভাবতে পারেন, একনে প্রোন স্কিনে কি গ্লিসারিন ব্যবহার করা যাবে? হ্যাঁ, অবশ্যই যাবে। গ্লিসারিনে যেহেতু এক্সট্রা অয়েল নেই, তাই এটি ত্বকে পোরস ক্লগ করেনা। আর এজন্য গ্লিসারিন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই যেকোনো ত্বকেই ব্যবহার করতে পারবেন। সুতরাং সব ধরনের ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে গ্লিসারিন দারুণ কাজ করবে।

কখন ব্যবহার করবে?
গোসলের পর গ্লিসারিন ব্যবহার করা সব থেকে ভালো। এই সময় ত্বক পরিষ্কার থাকে এবং অনেক বেশি শুষ্কও থাকে। তাই এ সময় গ্লিসারিন ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। আর যেসব স্থান বেশি শুষ্ক হয়, যেমন- হাতের কনুই,পায়ের গোড়ালি, ঠোঁট এইসব স্থানে দিনে কয়েক বার গ্লিসারিন অ্যাপলাই করতে পারেন।

04/12/2021

শীতে কীভাবে নেবেন ত্বকের যত্ন,?

শীতের আগমন ঘটেছে। এই আগমনে ত্বকের যত্নে সতর্ক থাকতে হবে। ত্বককে সুন্দর তরতাজা আর উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক বুড়িয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে একটি ছাতা বা টোকাজাতীয় টুপি ব্যবহার করা যেতে পারে।

যারা এগুলোকে রুচিসম্মত মনে না করেন তারা যে কোনো একটি উৎকৃষ্ট সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। প্রশ্ন আসতে পারে, কোন সানস্ক্রিন আপনি ব্যবহার করবেন? এ ক্ষেত্রে প্রথমেই আপনার ত্বকের রং বিবেচনায় আনতে হবে। যে ত্বকের রং যত সাদা, সে ত্বক সূর্যালোকে তত বেশি নাজুক। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা। তাই এখন থেকেই শুরু হোক ত্বকের বাড়তি যত্ন। এতে শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

ত্বকে ময়েশ্চারাইজ

শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডোসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন।

সানস্ক্রিন ব্যবহার

শীত আসছে বলে ভাববেন না যে, সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

আর্দ্রতা বজায় রাখুন

শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায়ে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না।

অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকবেন। অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে।

ভেজা ত্বকের পরিচর্যা করুন

গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

ঠোঁটের পরিচর্যা

কখনোই জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না।

মেকআপ করার সময়

মেকআপ করার সময় লিক্যুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।

চুলের যত্ন

শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে করে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়।

হ্যাট পরুন

চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Bagerhat Town?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


37, Kazi Nazrul Islam Road
Bagerhat Town