Beauty Tips

Beauty Tips

Share

Let’s Butterfly Touch You! ❤ Welcome to Beauty Tips. We provide skin care solutions based on your skin needs.

Always remember, "Healthy & fresh skin is beautiful skin every day".

18/01/2023

🍀𝐁𝐨𝐨𝐭𝐬 𝐞𝐬𝐬𝐞𝐧𝐭𝐢𝐚𝐥𝐬 𝐜𝐮𝐜𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫 𝐞𝐲𝐞 𝐠𝐞𝐥

চোখের নিচের বিরক্তিকর ডার্ক সার্কেল নিয়ে আমরা সবাই কম বেশি চিন্তিত থাকি, তাই না? নিয়মিত ঘুম না হওয়া, টিভি বা কম্পিউটার স্ক্রিনের খুব কাছ থেকে দেখা, মানসিক চাপ, ডিপ্রেশন আরও কত কারণেই না আমাদের চোখের নিচে কালি পড়ে যায়।

আর এটা এমনি এক সমস্যা যা একবার দেখা দিলে পরে আয়নার সামনে যতবার যাবেন কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। কারণ চোখের নিচের কালি দেখা দেয় খুব দ্রুত, কিন্তু বাবাজি আর যাবার নাম নেন না।

তাই আমরা আপনাদের এই সমস্যা দূর করার জন্য এখনি কিনে ফেলুন 𝐁𝐨𝐨𝐭𝐬 𝐞𝐬𝐬𝐞𝐧𝐭𝐢𝐚𝐥𝐬 𝐜𝐮𝐜𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫 𝐞𝐲𝐞 𝐠𝐞𝐥 ক্রিম টি।

ব্যবহারবিধি:
দৈনিক রাতে চোখের চারপাশে লাগিয়ে রাখতে হবে।সব রকম skin এর জন্যই এটা suitable.
নিয়মিত ব্যবহার করলে ইনশাআল্লাহ ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল পেয়ে যাবেন..

𝗣𝗥𝗜𝗖𝗘: 𝟵𝟵𝟬৳

31/12/2022

𝗪𝗶𝘀𝗵𝗶𝗻𝗴 𝘆𝗼𝘂 𝗮𝗻𝗱 𝘆𝗼𝘂𝗿 𝗳𝗮𝗺𝗶𝗹𝘆 𝗮 𝗵𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗻𝗲𝘄 𝘆𝗲𝗮𝗿 𝗳𝗶𝗹𝗹𝗲𝗱 𝘄𝗶𝘁𝗵 𝗵𝗼𝗽𝗲, 𝗵𝗲𝗮𝗹𝘁𝗵, 𝗮𝗻𝗱 𝗵𝗮𝗽𝗽𝗶𝗻𝗲𝘀𝘀 - 𝘄𝗶𝘁𝗵 𝗮 𝗴𝗲𝗻𝗲𝗿𝗼𝘂𝘀 𝘀𝗽𝗿𝗶𝗻𝗸𝗹𝗲 𝗼𝗳 𝗳𝘂𝗻!
𝗛𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗡𝗲𝘄 𝗬𝗲𝗮𝗿 𝟮𝟬𝟮𝟯 🎉

29/06/2022

ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন | শুষ্ক ত্বকের সারাদিনের যত্নের ৫টি টিপস!

১. সকালের যত্ন

১ম ধাপ
সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে যে কাজটা করবেন তা হলো, ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে আপনার মুখ কয়েকবার ধুয়ে নিন। এতে আপনার মুখের ত্বক খুব দ্রুত রিফ্রেশড হয়ে উঠবে।

২য় ধাপ

তারপর একটি ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার দিয়ে আপনার মুখ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। কেমিক্যাল জাতীয় ফেইস ওয়াশ ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করার ট্রাই করবেন কারণ প্রাকৃতিক উপাদানগুলোই ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো।

৩য় ধাপ

এবার আপনার মুখ আলতোভাবে মুছে নিয়ে একটি ভালো টোনার লাগিয়ে নিন। এক্ষেত্রে আপনি গোলাপজল ইউজ করতে পারেন কারণ এটি খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে।

ড্রাই স্কিন কেয়ার এর জন্য গোলাপ জল - fb.com/Shop.Sajsojja

৪র্থ ধাপ

এখন ময়েশ্চারাইজিং-এর পালা। আপনার ত্বকে ভালো কোন ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশে না যায় ততক্ষণ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে থাকুন কারণ ময়েশ্চারাইজিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ড্রাই স্কিন কেয়ার এর জন্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম - fb.com/Shop.Sajsojja

৫ম ধাপ

এবার সানস্ক্রিনের সময়। আপনি যদি বাড়ির বাইরে যান তবে বাসা থেকে বের হওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে একটি ভালোমানের সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। এসপিএফ ৩০ আছে কি না লক্ষ্য রাখবেন। বাইরে গেলে প্রতি কয়েক ঘন্টা পরপর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।

৬ষ্ঠ ধাপ

আপনি যদি মেকআপ ব্যবহার করতে চান তবে লাইট মেকআপ আপনার জন্য বেস্ট হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ময়েশ্চারাইজার, বিবি ক্রিম এবং কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন মেকআপের ফলে ত্বক যেন অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে যায়।

২. দুপুরের যত্ন
১ম ধাপ

আপনার মর্নিং রুটিন আপনার ত্বককে ভালো সাপোর্ট দিবে অনেকক্ষণ পর্যন্ত। কিন্তু লাঞ্চের আগের টি ব্রেক-এ ত্বকে হালকা টাচ-আপ করে নেয়াটা ত্বকের জন্য ভালো হবে। এ সময় আপনি মুখে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে পারেন।

২য় ধাপ

মুখের যত্ন নিতে গিয়ে আপনার ঠোটের কথা ভুলে যাবেন না যেন। তাই আপনার সাথে একটি বাটার লিপ বাম সব সময় ক্যারি করুন এবং ঠোট শুষ্ক হয়ে যাওয়ার আগেই ঠোঁটে লিপ জেল লাগিয়ে নিন এবং ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখুন সারাদিন।

৩য় ধাপ

ত্বকের বাহ্যিক যত্ন নেয়ার পাশাপাশি আপনার এটাও খেয়াল রাখতে হবে যেন ত্বক ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজড থাকে। তাই আপনার সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া হচ্ছে কি না সেটা খেয়াল রাখুন। পানি সাথে না থাকলেও ফ্রেশ জুস বা তরল জাতীয় খাবার চালিয়ে যান।

৪র্থ ধাপ

ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য খান। এটা সাহায্য করবে আপনার ত্বকের কোমলতা ও আদ্রতা বজায় রাখতে। তাই অতিরিক্ত ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন এবং খাবার তালিকায় যোগ করুন কাঁচা ও তাজা ফলমূল ও সবজি।

৫ম ধাপ

এবার আপনার স্টাডি বা জব প্লেস ছেড়ে বাসায় যাওয়ার আগে আরেকবার মনে করে মুখে রাউন্ডভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

৩. রাতের যত্ন
১ম ধাপ

যে কোন ধরনের ত্বকের জন্যই রাতের বেলার যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের মধ্যেই ত্বকের সর্বোচ্চ পরিবর্তনগুলো ঘটে থাকে তাই ঘুমানোর আগে যদি আপনি ত্বকের সঠিক পরিচর্যা করেন তাহলেই আপনার ত্বক থাকবে সুস্থ ও সুন্দর। তাই ঘুমানোর আগে ত্বকে সঠিক পণ্যের মাধ্যমে সঠিক যত্ন নিন।

২য় ধাপ

বাসায় ফিরে আসার পরে উষ্ণ পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং মুখের সব মেকআপ তুলে ফেলুন যে কোন মেকআপ রিমুভার বা তেল ইউজ করে।

৩য় ধাপ

তারপর সকালের নিয়মগুলো একইভাবে অনুসরণ করে আপনার মুখ পরিষ্কার করে মুখে ভালো একটি নারিশিং নাইট ক্রিম লাগিয়ে নিন। এটা সারারাত আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইড করবে।

৪র্থ ধাপ

এটা নিশ্চিত করুন যে আপনার যেন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টার একটা ভালো ঘুম হয়।

এছাড়াও, প্রতি সপ্তাহে একবার আপনার ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে এবং ত্বকে ময়েশ্চারাইজিং ফেইস মাস্ক ইউজ করতে ভুলবেন না যেন!

ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন নিয়ে কিছু টিপস
১) বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে একেবারেই বিরত থাকুন। কারণ গরম পানি আপনার শুষ্ক ত্বক আরো শুষ্ক করে তুলবে। তাই চেষ্টা করুন নরমাল বা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করার।

২) প্রতিবার ত্বক পরিষ্কার করার পরে কখনোই ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম এবং লোশন লাগাতে ভুলবেন না কারণ এতে ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে পড়ে।

৩) অতিরিক্ত কড়া গন্ধযুক্ত পারফিউম এবং কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ত্বককে আরো ড্রাই করে দেয়।

৪) সব সময় আরামদায়ক পোশাক পরার চেষ্টা করুন, এতে আপনার ত্বক ভালো থাকবে। সুতি, খাদি এগুলো ড্রাই স্কিনের জন্য বেস্ট চয়েজ।

৫) সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। কারণ এতে আপনার ত্বকের ট্যানিং বেড়ে গিয়ে ত্বক আরো ড্রাই হয়ে যাবে।

উপরে উল্লিখিত ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে চললে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার ত্বকের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। তাই আজ থেকে আর শুষ্ক ত্বক নিয়ে চিন্তিত না হয়ে আপনার ত্বকের যত্ন নিন এবং ত্বকের ময়েশ্চারাইজিং ধরে রাখা নিশ্চিত করুন।

ছবি- shutterstock
লিখেছেন - নাইমা আক্তার

28/06/2022

ড্রাই স্কিনের যত্নে মধু | জেনে নিন দারুণ ৪টি ব্যবহার

ড্রাই স্কিন নিয়ে ভাবনার যেন অন্ত নেই! এটি খুব সহজেই আদ্রতা হারায় এবং খসখসে হয়ে যায়। ড্রাই স্কিনের পুরোপুরি যত্ন নেয়ার উত্তম উপাদান কিন্তু আপনার ঘরেই আছে। হ্যা, আমি বলছি মধুর কথা। এর অসামান্য উপকারিতার কথা কারোরই অজানা নয়। বিভিন্ন রোগের উপশম হিসেবে এবং ত্বকের যত্নেও এর ব্যবহার প্রচুর, তাই কমবেশি সবার বাড়িতেই মধু থাকে। মধু হলো সুপার হাইড্রেটিং যা আপনার শুকনো ত্বকে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারে। মধুর ময়েশ্চারাইজিং বেনিফিটগুলো পাবার উদ্দেশ্যে খুব সহজেই আপনি আপনার ড্রাই স্কিনে এর ব্যবহার করতে পারেন। তাই আজ আপনাদের জন্য থাকলো, ড্রাই স্কিনের যত্নে মধুর ৪টি অসাধারণ ব্যবহার। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক!

ড্রাই স্কিনের যত্নে মধু যেভাবে ব্যবহার করবেন
১. হানি ময়েশ্চারাইজিং ফেইস ক্রিম
প্রয়োজনীয় উপাদান-

১/২ কাপ শিয়া বাটার
৩ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল
৫ ড্রপ টি ট্রি অয়েল
৩ টেবিল চামচ গোলাপ জল
১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু
হানি ময়েশ্চারাইজিং ফেইস ক্রিম fb.com/Shop.Sajsojja

পদ্ধতি-

শিয়া বাটার গলানোর জন্য একটি ডাবল বয়লার ব্যবহার করুন। তারপর এর সাথে গোলাপ জল, ঘৃতকুমারী জেল এবং মধু ভালো করে মিশিয়ে একটি কাচের বাটিতে নিন এবং মিশ্রণটি রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য। ফ্রিজ থেকে বের করে ৫ মিনিট ভালোভাবে হাত দিয়ে বিট করুন যাতে একটি ফ্লাফি, ক্রিমি টেক্সচার তৈরি হয়। এবার ক্রিমটি একটি জারে ঢুকিয়ে রেখে দিন। এই ক্রিমটি প্রতিদিনের ময়েশ্চারাইজার বা নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করুন।

২. ড্রাই স্কিনের যত্নে মধু এবং ল্যাভেন্ডার ফেসিয়াল টোনার
প্রয়োজনীয় উপকরণ-

১/২ কাপ পানি
১/২ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু
২ টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
৩-৪ ড্রপ লেভেন্ডার অয়েল
মধু এবং ল্যাভেন্ডার ফেসিয়াল টোনার - fb.com/Shop.Sajsojja

পদ্ধতি-

প্রথমে পানি হালকা গরম করে নিন। এবার এর সাথে মধু যোগ করে ভালোভাবে নাড়ুন। মিশ্রণটা ঠাণ্ডা হলে এর সাথে ল্যাভেন্ডার অয়েল এবং অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে একটি কাচের বোতল বা স্প্রে বোতলে স্থানান্তর করুন। আপনার মুখ ধোয়ার পর এটি টোনার হিসাবে ব্যবহার করুন।

৩. মধু এবং ওটমিল স্ক্রাব
প্রয়োজনীয় উপকরণ-

১/২ কাপ ওটস
সোয়া এক কাপ চিনি
১/৪ কাপ নারকেল তেল
১/৪ কাপ মধু
৩-৪ ড্রপ টি ট্রি অয়েল
৩-৪ ড্রপ ল্যাভেন্ডার অয়েল
ড্রাই স্কিনের যত্নে মধু এবং ওটমিল স্ক্রাব - fb.com/Shop.Sajsojja

পদ্ধতি-

ওটস এবং চিনি একসাথে গ্রাইন্ড করে নিন। এবার এতে মেশান নারকেল তেল, মধু, টি ট্রি অয়েল এবং ল্যাভেন্ডার অয়েল। সবকিছু ভালো করে মিশিয়ে একটি কাচের জারে রেখে দিন। স্ক্রাবটি সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করুন।

৪. মধু, হলুদ এবং গ্লিসারিন ফেইস প্যাক
প্রয়োজনীয় উপকরণ-

১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু
১/২ চা চামচ গ্লিসারিন
১/২ চা চামচ হলুদ গুড়া বা কাচা হলুদ বাটা
ড্রাই স্কিনের যত্নে মধু, হলুদ এবং গ্লিসারিন ফেইস প্যাক - fb.com/Shop.Sajsojja

পদ্ধতি-

মধু, হলুদ এবং গ্লিসারিন একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন ৩০-৩৫ মিনিট। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপরে উল্লেখিত মধু দিয়ে তৈরি নানা রকম প্যাকগুলো আপনার ত্বককে ইন্সট্যান্টলি সফট ও ময়েশ্চারাইজড করবে। তারপরও অনেকে খুব দ্রুত রেজাল্ট আশা করেন। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে বিশ্বাস এবং ধৈর্য রাখতে হয়। ন্যাচারাল উপাদানগুলো আস্তে আস্তে কাজ করলেও এর প্রভাবটা অনেকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তাই আপনার ড্রাই স্কিনের যত্নে উপরে উল্লেখিত রেমেডিগুলো ফলো করতে থাকুন, আশানুরূপ রেজাল্ট পাবেন আশা করি।

ছবি- আলজামিলা.কম, পিন্টারেস্ট.কম, shutterstock
লিখেছেন - লিন্নি

27/06/2022

ত্বকের রুক্ষতা দূর করুন কেবল ৩টি উপাদানে!

আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে শুধু আপনি জানেন যে এই ত্বকের যত্ন কতটা কঠিন। এই ত্বকের জন্য সঠিক ময়েশ্চারাইজার কী হবে এটি নিয়েও আপনার চিন্তার অন্ত নেই। কেমন হয় যদি আপনি আপনার শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরে বসেই ময়েশ্চারাইজার তৈরি করতে পারেন। আপনি তো বাজার থেকে সব সময় কিনতে পারেন কিন্তু ঘরোয়া পণ্য সব সময় নিরাপদ আর ভেষজ যা আপনার ত্বকের জন্য অবশ্যই বেশি উপকারি। আপনি বাজারেরর পণ্য ব্যবহার করলে এর সাথে অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করছেন কিন্তু ঘরোয়া ভেষজ পণ্য ব্যবহার করলে সহজেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। ঘরে থেকেই শুষ্ক ত্বকের জন্য ভেষজ ময়েশ্চারাইজার তৈরি এমন কিছু কঠিনও নয়। আর এতে আপনার লাগবে সহজলভ্য কিছু উপাদান। আসুন আমারা এখন ঘরোয়া কিছু ময়েশ্চারাইজারের কথা জেনে নিই।
(১) অলিভ ওয়েল

বহুযুগ ধরে ত্বকের যত্নে অলিভ ওয়েল অনেক বেশী ব্যবহৃত হয়ে আসছে এমনকি এটা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ওয়েল হিসেবেও বলা হয়ে থাকে। অলিভ ওয়েল শুধু ত্বকের চর্চায় নয় মজাদার রান্নায়ও খুব ব্যবহার করা হয়। এখানে আমারা এই প্রাকৃতিক তেলকে ময়েশ্চারাইজার এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করব। আপনি নিশ্চয় এমন ময়েশ্চারাইজার খুঁজে থাকেন যেটা আপনার ত্বক সজীব আর আদ্র রাখবে কিন্তু তেলতেলে করে তুলবে না। আর এমন ফল পেতে আপনাকে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করতে হবে। অলিভ অয়েলে যেমন অনেক অ্যান্টি – অক্সিডেন্ট আছে তেমনি এটি ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়া বা রুক্ষ হয়ে যাওয়া প্রতিরোধেও কার্যকর। তাই শুধু শীতে নয় সারা বছরইই আপনি ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অলিভ ওয়েল বিশ্বস্ততার সাথে ব্যবহার করতে পারেন।

কিন্তু কীভাবে তৈরি করবেন? যখন অলিভ ওয়েল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করবেন তখন এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল নিবেন। এই তেলে কোন সুপার ফিসিয়াল এজেন্ট নেই তাই শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী আর এতে আপনার অন্য কিছু মিশানোর দরকার নেই। এই তেল নিয়ে গোসলের আগে বা পরে আপনার ত্বকে ম্যাসাজ করুন । আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনি ত্বকের আমুল পরিবর্তন দেখতে পাবেন। তবে নিয়মিত ব্যবহার করবেন।

(২) অ্যালোভেরা জেল আর নারকেল তেল

অ্যালোভেরা তো প্রকৃতির জাদু। এটি অনেক অনেক কারণেই ত্বক পরিচর্যায় ব্যবহার করা হয়। ত্বক সুন্দর করা থেকে শুরু করে শরীরের ওজন কমানো -সবকিছুতেও অ্যালোভেরার ব্যবহার রয়েছে। এটা ত্বক আদ্র রাখতেও ভীষণ কার্যকর। তাই ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে অ্যালোভেরা একটি আদর্শ। আপনার ত্বকে যদি অল্প ইনফেকশন থাকে তাহলে অ্যালোভেরা লাগিয়ে দিলে অল্পতেই ভালো হয়ে যাবে। এটা ত্বক উজ্জ্বল করতেও খুব ভালো ভুমিকা রাখে।

অ্যালোভেরার মতো নারকেল তেল অনেক কাজে বিশেষ করে শরীরের যত্নে ব্যবহার হয়ে আসছে বহুযুগ আগে থেকেই। নারকেল তেলের সবচেয়ে ভালো দিক হল নারকেল তেল স্টিকি না আর এটা ভিটামিন ই সমৃদ্ধ বিধায় এটি ত্বক আদ্র রাখে। আর এটা সব জায়গায় সবসময় খুব অল্প দামেই পাওয়া যায় তাই বাজারে যখন অনেক কসমেটিকস ছিল না তখন থেকেই এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে গ্রাম বাংলায় যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে।

কীভাবে তৈরি করবেন? অ্যালোভেরা আর নারকেল তেল দুটোই ভালো ময়েশ্চারাইজার তাই এই দুটিকে আপনি মিশিয়ে আরও ভালো ময়েশ্চারাইজার বানাতে পারেন। প্রথমে অ্যালোভেরার ফ্রেশ পাতা বা ন্যাচার রিপাবলিক সুদিং অ্যান্ড ময়েশ্চার অ্যালোভেরা সুদিং জেল (৯২% অ্যালোভেরা এক্সট্রাক্ট সমৃদ্ধ ) নিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপরের শক্ত আবরন ফেলে দিয়ে ভিতরের নরম অংশ নিয়ে পেস্ট করুন। এই পেস্ট নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে জারে রেখে দিন। তবে সূর্যালোক থেকে দূরে রাখবেন।

ছবি – কসমেটিকডিজাইন.কম
লিখেছেন – রোকসানা আকতার

26/06/2022

রূপচর্চায় কার্যকরী নারকেল দুধ

নারকেল তেলের গুণাগুণ তো অনেক শুনে থাকবেন। কিন্তু এই নারকেলের আরেকটি উপাদান আছে যা আমাদের রূপচর্চায় আরেক ধাপ বেশি কার্যকরী। আর তা হলো নারকেল দুধ। শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বক ও চুলের যত্নে এটি জাদুকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে রয়েছে এন্টি এজিং প্রপার্টিজ যা ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ত্বককে করে তোলে প্রাণবন্ত। আজ তাই প্রকৃতির এই চমৎকার উপাদানের রূপচর্চায় বিভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে আপনাদের জানাব।
শুষ্ক ত্বকের যত্নে

নারকেল দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ফ্যাটি এসিড যা আমাদের ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া ত্বককে মসৃণ করে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতেও এর জুড়ি নেই। তাই শুধুমাত্র নারকেল দুধ দিয়ে ক্লিনজারের মতো মুখ পরিষ্কার করতে পারেন কিংবা অন্য কোন প্রাকৃতিক উপাদান যেমন- অ্যালোভেরা, মধু বা শসা যা আপনার ত্বকের সাথে মানানসই, তার সাথে মিশিয়ে পছন্দের ফেসপ্যাক বানিয়ে লাগিয়ে ফেলুন। লাগানোর পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে ২ বার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে নারকেল দুধের জাদুকরী প্রভাব অবশ্যই দেখতে পাবেন।

মেকাপে তোলার ক্ষেত্রে

মুখের ও চোখের মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে নারকেল দুধের জুড়ি মেলা ভার। মেকআপ রিমুভারে থাকা ক্ষতিকর উপাদান আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে। নারকেল দুধ ত্বককে শুস্কতার হাত থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে সম্পূর্ণ মেকআপ তুলে ফেলতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখের নমনীয়ভাব বজায় রেখে চোখের ক্লান্তভাব ও চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে।

সমপরিমান নারকেল দুধ ও নারকেল তেল ভালোভাবে মিশিয়ে ২টি তুলার প্যাডের সাহায্যে সারা মুখে আলতোভাবে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন যাতে তা মেকআপের সাথে ভালোভাবে মিশে যায়। এ সময় তুলার প্যাড ২টি চোখের উপর রাখতে পারেন। এতে চোখের ফোলাভাব থাকলে তা কমে যাবে এবং মেকআপের ফলে চোখের যে কমনীয়তা হারিয়ে যায় তা ফিরে আসবে। এরপর স্বাভাবিক ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মেকাপ তো পুরো পরিষ্কার হবেই বোনাস হিসেবে ত্বক হয়ে উঠবে কোমল ও দীপ্তিময়।
চুলের যত্নে

নারকেল দুধে থাকা ফ্যাটি এসিড চুলে ডিপ কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। এটি চুলের পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখে। এছাড়া চুলে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের যোগান দিয়ে চুলকে গোড়া থেকে মজবুত করে তোলে। চুলকে করে তোলে ঝলমলে ও প্রাণবন্ত।

এক কাপ নারকেল দুধের সাথে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা অথবা অ্যাভোকাডো পেস্ট ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে ফেলুন। যেকোন ভালো সুপারশপে অ্যাভোকাডো কিনতে পাওয়া যায়। ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। তবে শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলে যাবেন না যেন। প্যাকটি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাকটি মাঝারি দৈর্ঘ্যের চুলের পরিমাণে আছে। চুলের দৈর্ঘ্য ও ঘনত্ব অনুযায়ী পরিমাণ কম বেশি করে নিতে পারেন। আর চুল ধোয়ার পর পার্থ্যক্য নিজেই বুঝতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে আজই নারকেল দুধ আপনার রূপচর্চার রুটিনে যোগ করে দিন।

ছবি – হেলথপ্লাস.ভিএন
লিখেছেন – মুশরাত জাহান দোলা

25/06/2022

বাতাসের আর্দ্রতা বা হিউমিডিটি লেভেল কীভাবে আমাদের স্কিনের উপর প্রভাব ফেলে?

ধরুন, কোথাও বেড়াতে গেলেন, নতুন একটা জায়গা। এ সময় আপনার স্কিনকে খেয়াল করলে দেখবেন, স্কিনটাতে বেশ পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সেটা হতে পারে স্কিন রুক্ষ হয়ে যাওয়া বা নতুন করে পিম্পল বের হওয়া। এছাড়া যখন ওয়েদার চেঞ্জ হয়, তখনও আমরা কিন্ত স্কিনে একটা ডিফারেন্স দেখতেই পাই। এর কারণ কি বলতে পারেন? হিউমিডিটি বা আর্দ্রতা। বিভিন্ন স্থানে বা ওয়েদার চেঞ্জিং এর কারনে হিউমিডিটি লেভেল কমবেশি হয়। আর এই হিউমিডিটি লেভেলই আমাদের স্কিনের উপর প্রভাব ফেলে। যার কারণে স্কিনে বেশ কিছু প্রবলেমও কিন্তু আমাদের চোখে পড়ে।

তো, হিউমিডিটি কিভাবে আমাদের ত্বকে এফেক্ট ফেলে? আর এই অবস্থায় আমাদের কি করা উচিত? কিভাবে হিউমিডিটির প্রভাব থেকে স্কিনকে বাঁচাতে পারি? আজকের আর্টিকেলটা সেই বিষয় নিয়েই। আজকে আমরা জানবো, কীভাবে হিউমিডিটি লেভেল আমাদের স্কিনের উপর প্রভাব ফেলে এবং কী উপায়ে আমরা স্কিনকে ভালো রাখতে পারি।

হিউমিডিটি কীভাবে আমাদের স্কিনে প্রভাব ফেলে?
প্রথমেই আমাদের হিউমিডিটি কী, সেই বিষয়ে আমাদের জেনে নেওয়া দরকার। হিউমিডিটি বা আর্দ্রতা হচ্ছে, বাতাসে থাকা পানির মাত্রা। আর আমাদের স্কিনের কিন্তু সবসময় পারফেক্ট একটা আর্দ্রতা দরকার হয়। অতিরিক্ত হিউমিডিটি বা পরিমানে কম হিউমিডিটি আমাদের ত্বকের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আর এটা নির্ভর করে আপনি কেমন স্থানে থাকছেন আর সেখানকার আবহাওয়া কেমন সেটার উপরে। যেমন ধরুন, আপনি যেখানে বাস করছেন সেই জায়গাটার হিউমিডিটি লেভেল যদি কম হয়, তবে আপনি আপনার স্কিন ড্রাই এবং ডিহাইড্রেট ফিল করবেন। আবার হাই হিউমিডিটি লেভেলের মধ্যে থাকলে আপনার স্কিনে পিম্পল এবং র‍্যাশ দেখা যেতে পারে। তাই স্কিনের জন্য ব্যালেন্সড হিউমিডিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হাই হিউমিডিটি
চলুন জেনে নেই, হাই হিউমিডিটি কিভাবে আমাদের স্কিনের উপর প্রভাব ফেলে।

১. অত্যাধিক ঘাম হওয়া :

গরমের দিনে কিন্তু প্রচুর ঘাম হয় আমাদের। তাই না? কারন, তখন বাতাসে হিউমিডিটি এর পরিমান বেশী থাকে। অতিরিক্ত গরম এবং হিউমিডিটি এর কারনে আমরা প্রচুর পরিমানে ঘামতে থাকি। অতিরিক্ত গরম এবং ঘামের ফলে অনেক সময় স্কিন ড্রাই এবং ডিহাইড্রেট ফিল হতে পারে। যেটা আমার মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে, আর তখন স্কিনের অবস্থা বেশ বাজে হয়ে যায়।

২. হিট র‍্যাশ :

অনেকসময় আমরা আমাদের স্কিনের উপর ছোট ছোট লাল গোটা দেখতে পাই। যেগুলো খুবই ইচি এবং আনকমফোর্টেবল লাগে। এটাকেই মূলত হিট র‍্যাশ বলা হয়। অতিরিক্ত হিউমিডিটি এবং ঘামের ফলে স্কিনে এই হিট র‍্যাশ দেখ যায়।

৩. একনে :

অতিরিক্ত হিউমিডিটির ফলে যে সব স্কিন প্রবলেম দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে একনে ব্রেকআউট। মূলত অত্যাধিক ঘামের ফলে স্কিনের পোর ক্লগ হয়ে যায়। যার ফলে স্কিনে ব্রণ দেখা যায়। মাঝে মাঝে এই ধরনের একনেগুলো অনেক ব্যথাযুক্ত হয়, যেটা আমাদের কাছে খুবই অস্বস্তিকর।

লো হিউমিডিটি
লো হিউমিডিটি বলতে বাতাসে ময়েশ্চারের অভাবকেই বোঝায়। যেটা আমাদের স্কিনের উপর বাজেভাবে প্রভাব ফেলে। হাই হিউমিডিটি কিভাবে আমাদের স্কিনের উপরে প্রভাব ফেলে, সেটা তো জানা হলো, এবার চলুন লো হিউমিডিটি এর প্রভাব গুলো সম্পর্কে জেনে নেই।

১. ড্রাই স্কিন :

আমাদের স্কিন টাইপ যেটাই হোক, ময়েশ্চারের কিন্তু অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু, আপনি যেখানে থাকছেন সেখানে হিউমিডিটির পরিমান অনেক কম থাকলে সেটা স্কিনের উপর প্রভাব ফেলবেই। লো হিউমিডিটি স্কিনের ন্যাচারাল অয়েল প্রোডিউস হতে বাঁধা দেয়। যার ফলে স্কিন অনেক বেশী ড্রাই এবং খসখসে হয়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, স্কিন ফেটেও যায়। আর শীতকালে কিন্তু আমরা এটা বেশী ফেইস করি।

২. অ্যালার্জি :

আপনার স্কিন যদি অ্যালার্জিটিক হয়, তবে লো হিউমিডিটি আপনার উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এটা প্রথমে স্কিনকে ড্রাই করে দেয়। বিশেষ করে আপনার নাসাল প্যাসেজকে এক্সট্রেইমলি ড্রাই বানিয়ে দেয়। আর এই পর্যায়ে নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হতে পারে।

হিউমিড ওয়েদারে কিভাবে স্কিন কেয়ার করবেন?
১. নিজের স্কিনকে বুঝুন :
হিউমিড ওয়েদারে নিজের স্কিনকে সুস্থ এবং ভালো রাখতে হলে সবার প্রথমে আপনার নিজের স্কিনকে বুঝতে হবে। আর এই বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের স্কিনকে ভালোভাবে জানলে, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন ওয়েদারে আপনার কেমন ভাবে স্কিন কেয়ার করা উচিত হবে। মার্কেটে ডিফারেন্ট স্কিন টাইপ অনুযায়ী ডিফারেন্ট স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট রয়েছে। সেখান থেকে পছন্দমত প্রোডাক্ট বেছে নিন এবং ওয়েদারের হিউমিডিটি অনুযায়ী স্কিন কেয়ার করুন।

২. স্কিনকে ক্লিন রাখুন :
স্কিন টাইপ যেটাই হোক না কেন, সেটাকে ক্লিন রাখা কিন্তু মাস্ট। তবে আপনার স্কিন অয়েলি বা কম্বিনেশন হলে আপনাকে এই বিষয়ে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। কারন, হিউমিড ওয়েদার আপনার স্কিনে একনে এবং র‍্যাশ এনে দিয়ে স্কিনকে একদমই খারাপ করে দিতে পারে। তাই সবময় স্কিনকে ক্লিন রাখার চেষ্টা করবে। পোর ক্লগড করবে না অর্থাৎ non-comedogenic ক্লিনজার ব্যবহার করবেন। আর আপনার স্কিন একনেপ্রণ হলে salicylic acid and benzoyl peroxide যুক্ত ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

৩. ময়েশ্চারাইজেশন :
ময়েশ্চারাইজার অ্যাপ্লাই করা স্কিনকেয়ারের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট। হিউমিড ওয়েদারে কিন্তু এটা আরো বেশী জরুরী আমাদের স্কিনের জন্য। হাই হিউমিডিটিতে আমাদের উচিত লাইটওয়েট একটা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা, যেটা স্কিনকে সফট রাখার পাশাপাশি হাইড্রেশনও দিবে। আর লো হিউমিডিটিতে যেহেতু স্কিন অনেক বেশী ড্রাই এবং ইচি ফিল হয় সেহেতু, তখন আমাদের উচিত রিচ এবং থিক কোনো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা।
৪. সানস্ক্রিন :
সানস্ক্রিন হচ্ছে বেষ্ট উপায় স্কিনকে হিউমিডিটি থেকে প্রোটেক্ট করার জন্য। হিউমিডিটি বেশী হোক বা কম সানস্ক্রিন ব্যবহার কিন্তু মাস্ট। এছাড়া, এটি সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে আমাদের স্কিনকে প্রোটেকশন দেয়। তাই, বাইরে রোদে যাবার আগে ভালো মানের একটা সানস্ক্রিনের ব্যবহার কিন্তু আপনাকে আসলেই বাঁচিয়ে দেবে।

৫. উইকলি ফেসিয়াল :
উইকলি ফেসিয়াল কিন্তু আমাদের স্কিনকে ডার্ট, অয়েল, ঘাম, প্রোডাক্ট বিল্ড আপ থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। আর যার ফলে স্কিন পোর ক্লিন থাকে। ফেসিয়ালের একটা গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ হচ্ছে স্টিমিং। যার ফলে স্কিনের পোর ওপেন হয়ে যায়। যার ফলে পরবর্তীতে স্ক্রাবিং করলে স্কিনের এক্সট্রা ময়লা এবং ডেড স্কিন সেলস দূর হয়ে স্কিন ভেতর থেকে ক্লিন হয়। এরপর ভালো মানের একটা ফেইস মাস্ক স্কিন থেকে এক্সেস অয়েল দূর করে স্কিনকে হেলদি করতে সাহায্য করে। তাই সপ্তাহে একদিন অবশ্যই ফেসিয়ালের জন্য কিছুটা সময় দিবেন। এ ধরনের ফেসিয়াল ঘরেই করে ফেলতে পারবেন।
৬. হাইড্রেটেড থাকুন :
হেলদি স্কিনের মূল চাবিকাঠিই হচ্ছে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখা। স্কিনকে হাইড্রেটেড রাখতে ফেসিয়াল সিরাম খুবই ভালো কাজ করে। ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে একটা সিরাম এপ্লাই করতে পারেন ফেইসে। এছাড়া বডিকে ভেতর থেকে হাইড্রেটেড রাখাও কিন্তু জরুরী। তাই প্রচুর পরিমানে পানি, শাকসবজি, ফল খাবেন, ব্যালেন্সড ডায়েটও কিন্তু মাস্ট।

আমাদের স্কিনের জন্য কতটুকু হিউমিডিটি আদর্শ?
হিউমিডিটির পরিমান কতটুকু হলে স্কিনের জন্য আদর্শ হবে সেটা এক্সাক্টলি বলা মুশকিল। কারন, এটা সবার জন্য এক হবে না। বয়স, স্কিন টাইপ, এনভায়রনমেন্ট, জেনেটিক ইত্যাদি বিষয়ের উপর এটা নির্ভর করে। তবে ডার্মাটোলোজিস্টদের মতে, হিউমান স্কিনের জন্য আদর্শ হিউমিডিটি লেভেল হচ্ছে ৩০%-৫০%।

ছবি- সাজগোজ

25/06/2022

হেলদি স্কিন পেতে কনসার্ন বুঝে স্কিন কেয়ার রুটিনে অ্যাড করুন ময়েশ্চারাইজার!

তু পরিবর্তনের পরিক্রমায় প্রকৄতির মতো ত্বকেও আসে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের রেশ ধরেই কারও চলে পৌষ মাস আর কারও সর্বনাশ! এখন আপনারাই বলুন তো, কখন আপনাদের পৌষ মাস আর কখন সর্বনাশ? এর উত্তর কিন্তু আপনারা আপনাদের ত্বক স্পর্শ করেই বলতে পারবেন। হেলদি স্কিন পেতে বা স্কিনের কন্ডিশন ইম্প্রুভ করার জন্য বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিনে ময়েশ্চারাইজার না রাখলেই নয়। ফ্ললেস ও হেলদি স্কিন পেতে কনসার্ন বুঝে স্কিন কেয়ার রুটিনে যোগ করতে হবে পারফেক্ট ময়েশ্চারাইজার। আজ আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত জানবো।

ময়েশ্চারাইজার কেন এতটা জরুরি?
প্রথমেই চলুন জেনে নেই ময়েশ্চারাইজার কী সেটা নিয়ে। ময়েশ্চারাইজার হলো এক ধরনের কসমেটিক প্রিপারেশন। এটা মূলত ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ড্রাই এবং ড্যামেজড হওয়া থেকে স্কিনকে রক্ষা করে। এছাড়া আরও অনেক ধরনের স্কিন প্রবলেমের সল্যুশন দেয়। আমাদের ত্বকে কিন্তু ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজেশনের সিস্টেম আছে। আপনারা কি জানেন সেটি কীভাবে হয়? চলুন চট করে জেনে নেই।

ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজেশন সিস্টেমই কি এনাফ?
আমাদের ত্বকের ভেতর সিবাসিয়াস নামক গ্ল্যান্ড থাকে, যা থেকে সিবাম বা তেল জাতীয় এক ধরনের পদার্থ সিক্রেশন হয়। ত্বকের আর্দ্রতা ও লুব্রিকেশন ধরে রাখতে এবং ত্বকের আপার ব্যারিয়ার প্রোটেকটেড রাখতে সিবাম প্রধান ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই গ্ল্যান্ডগুলো তাদের কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে। আবার বৈরি আবহাওয়ায় এগুলোর উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই এই ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজেশন সবসময় যথেষ্ট নয়। এছাড়া আবহাওয়া, বয়স, লাইফ স্টাইল এগুলোর উপর অনেকটাই নির্ভর করে।

আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে ট্রান্স এপিডার্মাল ওয়াটার লস (Trans epidermal water loss) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ত্বকের গভীর স্তর থেকে সবসময় পানি বাষ্পীভূত হতে থাকে। আমাদের স্কিনের প্রোটেকটিভ ব্যারিয়ার যখন ড্যামেজড হয়, তখন এই ওয়াটার লসের পরিমাণও বেশি হয়। আবার কখনো ওয়েদারের চেঞ্জ এর সাথেও ওয়াটার লসের প্রক্রিয়াটি ট্রিগারড হয়। সেক্ষেত্রে ত্বক ক্রমাগত আর্দ্রতা হারাতে থাকে। তাহলে বুঝলেন তো, ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজেশন প্রসেস কিন্তু এনাফ না। বেসিক স্কিন কেয়ারে অবশ্যই আপনাকে ময়েশ্চারাইজার ইউজ করতে হবে।
ময়েশ্চারাইজারের ভূমিকা কী?
ময়েশ্চারাইজার ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয় এবং ত্বকের উপরিভাগে একটা আস্তরণ তৈরির মাধ্যমে এই ওয়াটার লসকে কন্ট্রোল করে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। হাতের পাঁচ আঙ্গুল যেমন সমান নয়, তেমনি সবার স্কিন টাইপও কিন্তু এক নয়। কারো স্কিন ড্রাই, কারো অয়েলি, আবার কারো স্কিনের কিছু অংশ ড্রাই, আবার কিছু অংশ অয়েলি। স্কিনের ধরন অনুযায়ী প্রবলেমগুলো কিন্তু একটু ডিফারেন্ট। যেমন, যাদের স্কিন একটু বেশি ড্রাই, ময়েশ্চারাইজেশনের অভাবে তা পরবর্তীতে একজিমাতে রূপ নিতে পারে। আবার যাদের স্কিন অয়েলি সেসব স্কিনের কমন প্রবলেম একনে ব্রেকআউটস। এ ধরনের সমস্যা সমাধানে স্কিনের ময়েশ্চার লেভেল ব্যালেন্স করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সবার স্কিনে কি একই রকম ময়েশ্চারাইজার কাজ করে?
উত্তরটা হলো, না। এজন্যই ডিফারেন্ট স্কিন টাইপের উপর বেইজ করে ডিফারেন্ট ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে আগে বুঝতে হবে আপনার স্কিন টাইপ। ড্রাই স্কিন হলে যে ময়েশ্চারাইজার আপনি ইউজ করবেন, সেটি হবে ক্রিম বেইজড থিক ময়েশ্চারাইজার, যা ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। আবার অয়েলি স্কিনে ব্যবহার করতে হবে ওয়াটার বেইজড লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার যা স্কিনের হাইড্রেশন ধরে রাখবে কিন্তু পোরসকে ক্লগ করবে না।

ভুল প্রোডাক্ট সিলেক্ট করলে কী হবে?
এখন অয়েলি স্কিনে যদি আপনি ড্রাই স্কিনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে কী হবে? সেক্ষেত্রে থিক ক্রিম স্কিনের পোরস ক্লগ করে একনে ব্রেক আউটকে ট্রিগার করবে। আবার এক্সট্রিম ড্রাই স্কিন হলে লাইট ওয়েট ময়েশ্চারাইজার আপনাকে এনাফ হাইড্রেশন ও ময়েশ্চারাইজেশন দিবে না! সব ধরনের স্কিনের জন্য সব ধরনের ময়েশ্চারাইজার কার্যকর নয়। তাহলে আমরা ময়েশ্চারাইজার কীভাবে সিলেক্ট করবো? দেখে নিন এখনই।

ড্রাই স্কিনের জন্য ময়েশ্চারাইজার
প্রথমে আসি ড্রাই স্কিনের ব্যাপারে। ড্রাই স্কিনের জন্য উপযোগী ময়েশ্চারাইজারগুলো সাধারণত ক্রিম বেইজড হয়। এতে ইমোলিয়েন্ট এবং অক্লুসিভের পরিমাণ বেশি থাকে।

ইমোলিয়েন্ট ত্বককে রাখে নরম ও কোমল
বহুল ব্যবহৃত কিছু ইমোলিয়েন্ট হচ্ছে Lanolin, Cocoa butter, shea butter, Mineral oil
অক্লুসিভ হলো ময়েশ্চারাইজারের খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা ত্বকের উপরিভাগে আবরণ তৈরি করে ভেতরের ময়েশ্চারকে লক করে রাখে
Petroleum gelly, silicon, dimethicon, waxes, oils (olive and soybean) এগুলো হলো কমন কিছু অক্লুসিভ
এ উপাদানগুলো স্কিনকে ডিপ লেভেল থেকে হাইড্রেট করে
স্কিনের ওয়াটার লস কমায়, ফলে স্কিন থাকে সফট

অয়েলি স্কিনের ময়েশ্চারাইজার
আমাদের মাঝে অনেকেই মনে করে থাকি অয়েলি স্কিনের জন্য আলাদাভাবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো যুক্তি দেখাই, এমনিতেই তো আমাদের স্কিন থেকে যথেষ্ট অয়েল সিক্রেট হয়, সেক্ষেত্রে আবার আলাদাভাবে ময়েশ্চারাইজার দেওয়ার কি দরকার! তৈলাক্ত ত্বকেও কিন্তু ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। কেন? অয়েলি স্কিনে স্কিন যখন অতিরিক্ত সিবাম প্রডিউস করে, তখন সেই এক্সেস অয়েলকে রিমুভ করার জন্য আমরা হয়তো বারবার মুখ ধুই। বারবার এই অয়েল রিমুভ করার ফলে সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ড মনে করে স্কিনে হয়তো ময়েশ্চারের ঘাটতি হয়েছে, তাই সেটা ঠিক করার জন্য গ্ল্যান্ডগুলো তখন আরও বেশি সিবাম সিক্রেট করতে থাকে, যার কারণে মুখ আরও তেলতেলে লাগে।

এ ধরনের স্কিনে ব্যবহার করতে হয় লাইট ওয়েট জেল বেইজড ময়েশ্চারাইজার
এতে স্কিনের pH ব্যালেন্স ঠিক থাকে
লাইট ফর্মুলার ময়েশ্চারাইজার ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে, ফলে স্কিন থাকে হেলদি
এ ধরনের ময়েশ্চারাইজার এর প্রধান উপাদান হিউমেক্ট্যান্ট যা পানিকে ত্বকের উপর ধরে রাখতে সাহায্য করে
প্রধান কিছু হিউমেক্ট্যান্ট এর উদাহরণ Glycerin, hyaluronic acid, propylene glycol, Butylene glycol
কম্বিনেশন স্কিনের ময়েশ্চারাইজার
বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্কিনে কিছু চেঞ্জ আসা শুরু করে। দেখা যায় স্কিনের টি জোন থাকে অয়েলি এবং বাকি পার্ট থাকে ড্রাই। এ ধরনের স্কিনকে বলা হয় কম্বিনেশন স্কিন। এসব স্কিনে কিন্তু এক টাইপ ময়েশ্চারাইজার ইউজ করলে সেটা প্রোপারলি কাজ করবে না। এক্ষেত্রে টি জোনে দিতে হবে জেল টাইপ ময়েশ্চারাইজার এবং বাকি পার্টসে দিতে হবে ক্রিম বেইজড ময়েশ্চারাইজার। ডার্মালজিকা টি জোন সল্যুশন এমনই একটি ময়েশ্চারাইজার, এটাতে আলাদা করে জেল বেইজড ও ক্রিম বেইজড ময়েশ্চারাইজার পেয়ে যাচ্ছেন।

সেনসিটিভ স্কিনের ময়েশ্চারাইজার
অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, স্পেসিফিক কিছু ইনগ্রেডিয়েন্টস এর জন্য স্কিনে রিঅ্যাকশন দেখা যায়। এ ধরনের স্কিনকে আমরা বলি সেনসিটিভ স্কিন। তাই প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে দেখতে হবে স্কিনের জন্য সেটা মানানসই কিনা। এছাড়াও কিছু বিশেষ উপাদান যেমন ফ্রেগ্রেন্স, অ্যাসেনশিয়াল অয়েল, হার্শ এক্সফোলিয়েট এজেন্ট যেমন AHA/BHA, Sulfate, Alcohols এ ধরনের উপাদান সমৃদ্ধ প্রোডাক্ট সেনসিটিভ স্কিনের জন্য অ্যাভোয়েড করাই ভালো।

মেকআপের আগে স্কিন প্রিপারেশনের জন্য ময়েশ্চারাইজার
ফ্ললেস মেকআপ লুক তৈরিতেও ময়েশ্চারাইজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে! মুখের একপাশে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে এবং অন্য পাশে ময়েশ্চারাইজার ছাড়া মেকআপ করে খুব সহজেই কিন্তু পার্থক্যটা আপনি বুঝতে পারবেন। ময়েস্ট স্কিনে মেকআপ বেইজ খুব সুন্দরভাবে বসে যায়। তাই মেকআপের আগে স্কিন প্রিপারেশনের জন্য ময়েশ্চারাইজার স্কিপ করা যাবে না।

লিখেছেন- ফার্মাসিস্ট তাসনুভা জাহান
ছবি- সাজগোজ

24/06/2022

একনে প্রন স্কিনে রেটিনল ব্যবহারের আগে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন?

মাদের মধ্যে অনেকের স্কিনে দু’ একটা একনে দেখা যায়, আবার অনেকের দেখা যায় মুখভর্তি একনে! কখনো ব্রণ হয়নি, এমন ভাগ্যবান মানুষ খুব কমই আছেন। আর এই একনের ট্রিটমেন্ট করতে করতে আমরা কত কি না করি! কিন্তু একসময় ক্লান্ত হয়ে যাই। না জেনে বুঝে মেডিসিন, হোম রেমেডি, ক্রিম, জেল ইত্যাদি কত কি না ইউজ করেছি এই ব্রণ দূর করতে। এক্সপেরিমেন্টের পর এক্সপেরিমেন্ট! তাই না? লাভ কতটুকু হয়েছে?

এবার আসি মেইন কথাতে, রেটিনলের তো নাম কম বেশি আমরা শুনেছি যে, এটা অ্যান্টি এজিং এর ক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে। তবে, একনে প্রন স্কিনে রেটিনল এর কার্যকরীতার কথা কি জানা আছে? জ্বি হ্যাঁ! রেটিনল কিন্তু একনে প্রন স্কিনেও খুব ভালো কাজ করে, আপনার স্কিন প্রবলেম দূর করতে অনেকটাই সাহায্য করে। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, আসলেই এটা কাজের কি না? বা কোনো সাইড এফেক্ট আছে কি না? জ্বি, এই সব প্রশ্নের উত্তরই আজ আমরা জানবো। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে একনে প্রন স্কিনে রেটিনল ব্যবহারের আগে কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন সেগুলো জেনে নেই।
আসলেই কি রেটিনল একনে প্রন স্কিনের জন্যে ভালো?
এই প্রশ্নের উত্তর হলো, হ্যাঁ ভালো। রেটিনল হচ্ছে এক ধরনের রেটিনয়েড, ন্যাচারাল ভিটামিন এ ডেরিভেটিভ। রেটিনল এবং রেটিনয়েডকে কেমিক্যালি সেইম জিনিসই বলা যায়। রেটিনয়েড সিস্টিক একনে, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস এর সাথে লড়াই করে। এটি ডেড স্কিন সেলস দূর করা, সেবাম প্রডিউসিং কমানো এবং পোর ক্লগ হওয়া বন্ধ করার মাধ্যমে একনে দূর করে। এছাড়াও এটি একনের দাগ ফেড করতে হেল্প করে। পরোক্ষভাবে এটি আপনার স্কিনকে দারুন বেনিফিট দিতে পারে।

একনে প্রন স্কিনে রেটিনল ব্যবহার করতেছে একজন মেয়ে

কোন ধরনের রেটিনল একনে প্রন স্কিনের জন্য উপযোগী?
রেটিনয়েড ক্রিম এবং জেল ব্রণ ও স্পট দূর করার জন্য বেশ ইফেক্টিভ। রেটিনয়েড কিন্তু একনে দূর করতে রেটিনলের থেকে বেশ ভালো কাজ করে। যদিও দুটি একই জিনিস। স্কিন বিশেষজ্ঞরাও রেটিনয়েডকেই সাজেস্ট করে থাকেন একনের ক্ষেত্রে। বেশ কয়েক রকম রেটিনয়েড রয়েছে – adapalene, tretinoin এবং tazarotene. যদি আপনার স্কিন সেনসিটিভ হয়, এবং রেটিনলের মত অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট আপনার স্কিনে অ্যাপ্লাই করতে ভয় পান, তবে আপনি adapalene (a prescription-based drug) অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। এটি সেনসিটিভ স্কিনের জন্য উপযোগী।

কীভাবে এবং কখন ব্যবহার করবেন?
আমরা জানি যে, রেটিনল একটি অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট। তাই যখন এটি ব্যবহার শুরু করবেন, তখন স্কিনে একটু ইরিটেশন অনুভব হবে। এটা যদিও তেমন বড় কিছুই নয়। এটা আপনাকে খুব দ্রুত কোনো রেজাল্ট হয়তো দিবে না। তবে স্কিনের নানা রকম সমস্যা দূর করতে অবশ্যই সাহায্য করবে। তাই দ্রুত রেজাল্ট পেতে অনেক বেশী পরিমানে রেটিনল ব্যবহার না করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে হ্যাঁ, রেটিনল ব্যবহারের আগে আপনার ডার্মাটোলোজিস্টের সাথে কথা বলে নেয়া ভালো। আপনার স্কিন যদি সেনসিটিভ হয়, তবে একটা মাইল্ড ডোজই আপনার জন্য যথেষ্ট। সপ্তাহে ৩-৪ দিন রাতে ঘুমানোর আগে আপনি এটি স্কিনে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রথমে সপ্তাহে ১/২ দিন করে রেটিনল সিরাম ইউজ করা শুরু করুন। রেটিনয়েড রাতে স্কিনে ব্যবহার করা যাবে এবং কম পরিমাণে অ্যাপ্লাই করবেন। এতেই আপনি বেনিফিট পাবেন।

একনে প্রন স্কিনে রেটিনল ব্যবহারের আগে যে সব বিষয় মনে রাখবেন
রেটিনল ব্যবহারের আগে কিছু বিষয় মনে রাখা ভালো। স্কিন কেয়ার রেটিনল অ্যাড করার আগে বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন ভালোভাবে ফলো করা উচিত। আরও কিছু বিষয় আছে, চলুন সেগুলো জেনে আসি।

১. আগেই বলেছি, রেটিনল একটি অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট। তাই এটি ব্যবহারের পর স্কিন সান এক্সপোজড হলে, সেটা স্কিনকে সেনসিটিভ করে দিতে পারে। তাই দিনের বেলা আপনাকে অবশ্যই এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করতে হবে।

২. অন্যান্য অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট থেকে স্কিনকে দূরে রাখতে হবে। একই দিনে রেটিনলের সাথে অন্যান্য অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট যুক্ত হলে সেটা স্কিনের ক্ষতি করে দিতে পারে। তাই সেইম ডে স্কিন কেয়ার রুটিনে রেটিনলের সাথে AHAs, BHAs এবং অন্যান্য কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েটর রাখবেন না।

৩. অনেকেই বলে থাকেন রেটিনল স্কিনকে ড্রাই করে দিচ্ছে। রেটিনল সিরাম অ্যাপ্লাই করলে অবশ্যই একটা ভালোমানের লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। সব থেকে ভালো হয় জেল বা লোশন বেইজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা। এতে করে স্কিনের ড্রাইনেস দূর হবে। একনে প্রন স্কিনের জন্য নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার সিলেক্ট করুন।

৪. লাস্টে যেটা বলবো, সেটা হচ্ছে ধৈর্য ধরে ব্যবহার করতে হবে। এটা কোনো ম্যাজিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট না যে ২-৩ দিনের মধ্যেই একনে দূর করে দিবে, স্পট রিমুভ করে দিবে আর বয়সের ছাপ কমিয়ে ফেলবে। তাই ধৈর্য ধরুন। রেটিনল অবশ্যই আপনার স্কিনের নানা প্রবলেমের সল্যুশন দিবে, তবে রাতারাতি নয়!

সতর্কতা
প্রেগনেন্সিতে স্কিন কেয়ারে অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ইউজ না করাই বেটার। এটা সরাসরি প্লাসেন্টা দিয়ে পাস হয়, যা গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আর একনে ট্রিটমেন্টে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগুলো বেশিরভাগই এই সময়ে সেইফ না। তাই এই ব্যাপারটা খেয়াল রাখুন এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ছবি- সাজগোজ, সাটারস্টক, শপইফাই

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Banani Model Town?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Banani Model Town
1213