Healthtipbd
HealthtipBD is in disposal of everyone who wants to discover beauty through makeup treatment routines
16/07/2022
ফেসবুকে তো অনেক সময় নষ্ট করেন।তবে কাজের থেকে অকাজ বেশি করে থাকি। তাহলে চলুন একটু সময়টাকে কাজে লাগাই এবং চমৎকার তথ্য জানার তথ্য জেনে আসিhttps://news.google.com/publications/CAAqBwgKMMfJrQsw1NTFAw
Healthtips - Google News Read full articles from Healthtips and explore endless topics, magazines and more on your phone or tablet with Google News.
ছেলে মেয়েদের বগলের কালো দাগ দূর করার উপায়
পৃথিবীতে সুন্দরের শেষ নেই।এই সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য নারী-পুরুষ উভয়ই ব্যস্ত থাকে। তবে পুরুষের থেকে নারীরা নিজেদেরকে আকর্ষণীয় করার জন্য সর্বদাই সাজুগুজু করে থাকে।কিন্তু আপনার এই সাজুগুজু অর্থাৎ সৌন্দর্য সব নষ্ট করে দেয় যদি বগলের নিচে কালো দাগ থাকে। বগলের নিচে কালো দাগ নারী পুরুষ সবারই বিরক্তিকর একটি বিষয়। এটি ছেলে মেয়ে সকলের ক্ষেত্রেই খুবই লজ্জাজানের একটি বিষয়।এই বিশ্রী কালো দাগ ই আপনার সৌন্দর্যহানির প্রধান কারণ। আর মেয়েদের জন্য তো বগলের কালোদাগ অভিশাপের মতো। তবে নানা কারণে ছেলেমেয়েদের বগলে কালো দাগ হয়ে থাকে। তাই সর্বপ্রথম কালো দাগ দূর করার আগে কেন বা কি কারনে বগলে কালো দাগ হয় সেই সম্পর্কে জানব।তাহলে চলুন জেনে আসি:-
কেন ছেলেমেয়েদের বকলে কালো দাগ হয়।
নানা ধরনের ছেলেমেয়েদের বগলের কালো দাগ হয়ে থাকে তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:-
১। সেভিং করা।
আপনি যখন আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে লোম কাটার জন্য রেজার ব্যবহার করেন তখনই বগলের নিচে কালো দাগ সৃষ্টি হয়। কারণ রেজারের মাধ্যমে বাহুর নিচে উপরের লোমি কাটা হয় কিন্তু গোরাসহ লোম উঠে আসে না।এটি হচ্ছে প্রধান কারণ বগলের কালো দাগ হওয়ার।
২।কাপড়ের ঘর্ষণ।
আমরা সব্যজগতের মানুষ। তাই আমাদের অবশ্যই পোশাক পরিধান করতে হয়।কিন্তু বর্তমান সমাজে দেখা যায় সব্যজগতে বসবাস করেও প্রচুর পরিমাণ টাইট পোশাক পরিধান করে। কিন্তু আপনি জানেন না যে, টাইট পোশাক পরিধান করার ফলে আপনার বিভিন্ন স্থানে অর্থাৎ নরম স্থানে কাপড়ের ঘর্ষণ লাগে। এর ফলে সেই নরম স্থানগুলোতে কেটে যায় আর কেটে যাওয়ার স্থানেই একপ্রকার কালো দাগ তৈরি হয়।
৩।সুগন্ধি ব্যবহার।
আমরা নিজেকে বেশি আকর্ষণীয় করার জন্য বিভিন্ন রকম পারফিউম ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমাদের একটি কথা সর্বদাই মাথায় রাখতে হবে যে, এই পারফিউম গুলো বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা তৈরি করা হয়।আমাদের শরীরের অর্থাৎ আন্ডার আর্ম এর নিচের অংশ খুবই নরম এবং স্পর্শকাতর। এই স্থানগুলোতে যদি আপনি এই রাসায়নিক দ্রব্য পারফিউম ব্যবহার করেন।তাহলে একটা সময় দেখবেন আপনার বাহুর নিচে ভয়ঙ্কর কালো দাগ তৈরি হয়েছে।
৪।ঘাম ও ব্যাকটেরিয়া।
আমরা যখন কাজ করি অথবা গরমের সময় আমাদের শরীর ঘেমে থাকে। আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে অর্থাৎ বাহুর নিচে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়ে থাকে। আপনি যদি এই ঘাম সঠিকভাবে পরিষ্কার না করেন, তাহলে বাহুর নিচে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের ফলে কালো দাগ সৃষ্টি হবে।
৫।মৃত কোষ।
আন্ডার আর্ম এর ত্বকের মৃত কোষ জমা হয়ে সেই অংশ কালো করতে পারে। এজন্য এই মরা কোষগুলো দূর করা প্রয়োজন ।এই মরা কোষ দূর করার জন্য আপনি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। তবে স্ক্রাবটি যেন ল্যাকটিক এসিড সমৃদ্ধ হয় ।
৬।ডায়াবেটিস।
ডায়াবেটিস কে বলা হয় সকল রোগের ধারক ও বাহক। কারণ ডায়াবেটিস হলে যে কোন রোগই শরীরে সহজেই আক্রমণ করে শ্বেত কণিকাকে পরাজিত করতে পারে।এই ডায়াবেটিসের কারণে বগলের কালো দাগ হতে পারে। তাই ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার।
৭।বংশগত।
বগলের নিচে কালো দাগ অনেক সময় বংশগত কারণে হয়ে থাকে। যেমন কোন বংশের কোন একজন লোকের বগলের কালো দাগ থাকলে তার পরবর্তী প্রজন্মেরও বগলে কালো দাগ থাকতে পারে।
এছাড়াও অতিরিক্ত ওজন হরমোনের এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কারণেও বগলের কালো দাগ হয়ে থাকে। এজন্য এই সকল সমস্যা হলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন। কারণ এই সকল সমস্যা আপনার শরীরে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ কালো করার চেয়েও আরও ভয়াবহ সমস্যার জন্ম দিবে ।
বগলের কালো দাগ দূর করার উপায়
এলোপতি ওষুধের থেকে প্রাকৃতিকভাবে বগলের কালো দাগ দূর করা উত্তম বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।তাহলে চলুন দেখে আসি, কোন কোন প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে বগলের কালো দাগ দূর করার যায়:-
১।লেবুর রস।
লেবু একটি প্রাকৃতিক উপাদান।এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, এন্টিঅক্সাইড বিদ্যমান। এর ফলের ত্বক, মুখের কালো দাগ সহ বগলের কালো দাগ দূর করার জন্য লেবুর রস খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।
ব্যবহারের পদ্ধতি– সর্বপ্রথম আপনাকে একটি লেবু নিতে হবে।এরপরে ছুরি দিয়ে লেবুটি চার খণ্ড করতে হবে।তারপর লেবু থেকে রস বের করে একটি পাত্রে রাখতে হবে।তুলো দিয়ে প্রতিদিন গোসলের পূর্বে লেবুর রস সুন্দর করে বগলে ঘষে মিনিট দশ রাখুন।এরপর পানি দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে ফেলুন।এছাড়াও আরো দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য লেবুর রসের সঙ্গে দুই চামচ চিনি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করতে করুন। এই পেস্টটি সপ্তাহের চারদিন বগলের লাগাতে হবে। নিয়মিত এভাবে ব্যবহার করার ফলে বগলের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।
২।আলুর রস।
আলুর রসে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট। যাহা কালো দাগ দূর করে ত্বককে করে আরও ফর্সা ও দাগহীন। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের কালচে স্থানের মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে দাগ দূর করে আলুর ব্লিচিং এজেন্ট।এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা কোলাজেন উত্পাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে।
ব্যবহার পদ্ধতি:
সর্বপ্রথম এক টুকরো আলু নিতে হবে। সেই আলুটি সুন্দর করে পানি দিয়ে ধোলাই করতে হবে।এরপরে আলুটি ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে।ব্যালেন্ডা দিয়ে পেস্ট আকারে তৈরি করতে হবে।সেই পেস্ট থেকে আলুর রস বের করে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এই রস গোসলের আগে ভালোভাবে বগলের নিচে মেসেজ করতে হবে।তবে মনে রাখতে হবে যে, বগল না শুকানো পর্যন্ত আপনাকে অবশ্যই আলুর রস রেখে দিতে হবে।যখনই আলুর রস শুকিয়ে যাবে, তখনই আপনি ঠান্ডা পানি দিয়ে সুন্দর করে ধোলাই করে ফেলবেন। এভাবে প্রতিনিয়ত করলে আপনার বগলের কালো দাগ চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।
৩।কেসর।
কেশরের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে কালো দাগ দূর করার ক্ষমতা। সর্বপ্রথম যে কোন লোশন এর সাথে এক চিমটি কেসর ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপরে মিশ্রণটি কালো দাগের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে।এভাবে কিছুদিন লাগিয়ে রাখলে আপনি নিজেই দেখবেন এর গুনাগুন।এতে শুধু কালো ছোপ দূর হবে না, দুর্গন্ধও মুক্ত হবে।
৪।আপেল
আপেল দূর করতে পারে বগলের কালো দাগ।আপেলে রয়েছে AHA।যাহা জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। এই উপাদানটির জন্য বগলের কালো দাগ এবং মুখের কালো দাগ দূর করে থাকে। তবে সর্বপ্রথম আপনাকে একটি আপেল নিতে হবে।এরপরে আপেলটি সুন্দর করে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ব্যালেন্ডার দিয়ে আপেলটিকে পেস্ট বানাতে হবে। এরপরে বগলে কালো স্থানে লাগিয়ে রাখবেন। ১০ মিনিট পরে পানি দিয়ে সুন্দর করে ধুয়ে ফেলবেন।এভাবে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করলে আপনার বগল এর কালো ছোপ দূর হয়ে যাবে।
৫।দুধ।
দুধ আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।বগলের কালো ভাব দূর করতেও দূধের জুড়ি মেলা ভার৷ এর মধ্যে ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড বিদ্যমান এর ফলে ত্বকে উজ্জ্বল । পাশাপাশি দুধ বগলের রুক্ষতাকে কমিয়ে মসৃণ ও উজ্জ্বল ও করে তোলে।
ব্যবহারের পদ্ধতি
সর্বপ্রথম পরিষ্কার একটি পাত্র নিতে হবে।এরপরে কাচা দুধ সেই পাত্রে পরিমাণ মতো নিতে হবে।এর মধ্যে এক চামচ ময়দা এবং এক চামচ দই ভালো করে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে হবে। এই প্যাকটি বগলের কালো দাগের ভালোভাবে লাগিয়ে রাখতে হবে।১৫মিনিট পরে হালকা গরম পানি দিয়ে সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।এইভাবে সপ্তাহে অন্তত দুবার এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন।
৬।বেকিং সোডা
বেকিং সোডা রয়েছে এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যাহা মুখের কালো দাগ এবং বগলের কালো দাগ দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্যবহারের পদ্ধতি।
একটি পাত্রে দুই চামচ বেকিং সোডা এবং একটি লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপরে উক্ত মিশ্রণটি বগলের ভালোভাবে লাগিয়ে রাখতে হবে।১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে।এভাবে প্রতিনিয়ত করলে বগলের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।
৭।এলোভেরা।
প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত মেয়েদের সৌন্দর্য চর্চায় এলোভেরা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।এটি মূলত একটি আয়ুর্বেদিক ঔষুধ। এলোভেরায় আছে এমন কিছু খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা নিমিষেই শরীরে ফ্যাট এবং ত্বক ও বগলের কালো দাগ নিমিষেই দূর করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি মানুষের সৌন্দর্য এবং সুস্থ শরীরের প্রতীক এলোভেরা।
ব্যবহারের নিয়মাবলী:
সর্বপ্রথম একটি অ্যালোভেরা নিতে হবে। এরপরে এলোভেরাটি সুন্দর করে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপরে ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে ছেলেমেয়েদের বগলের কালো অংশে কিছু সময় ঘষতে হবে।১০ থেকে ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করার মাধ্যমে বগলের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।
৮।নারিকেল তেল।
নারকেল তেল মূলত একধরনের ফ্যাট। একে বলা হয় স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এটি আমরা চুলের যত্নে ব্যবহার করে থাকি কিন্তু আমরা জানি না যে এই নারকেল তেল ধারা বগলের কালো দাগও দূর করা সম্ভব।
নারকেল তেল ব্যবহার করার নিয়মাবলী:
প্রতিদিন গোসলের পরে গামছা দিয়ে ভালোভাবে সমস্ত শরীর মুছে নিতে হবে। এরপরে খাঁটি নারিকেল তেল দুই হাত দিয়ে নিয়ে আপনার বগলে ভালোভাবে মেসেজ করতে হবে।তাহলে দেখবেন বগলের কালো দাগ দূর হয়ে গেছে। তবে একটি কথা না বললেই নয়,দুই একদিন ব্যবহার করলে কিন্তু বগলের কালো দাগ যাবে না।এজন্য আপনাকে দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হবে।
৯।কাঁচা হলুদ।
প্রাচীনকাল থেকেই কাঁচা হলুদ ত্বকের রূপচর্চা করার জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমানেও বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানেও গায়ে হলুদের এই কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা হয়।হলুদে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি থাকে। যাহা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি এবং বগলের কালো দাগ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্যবহারের পদ্ধতি:
সর্বপ্রথম আপনি ১থেকে ২খণ্ড কাঁচা হলুদ ভালোভাবে পানিতে ধোলাই করে নিতে হবে।এরপরে কাঁথা হলুদের খন্ডটি ভালোভাবে বেটে নিতে হবে।গোসলের পূর্বে সুন্দরভাবে মুখে এবং বোগলে লাগিয়ে রাখতে হবে।৩০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।এভাবে প্রতিনিয়ত করলে মুখের উজ্জ্বলতা যেমন বৃদ্ধি পাবে, ঠিক তেমনি বগলের কালো দাগ দূর হবে।
বিস্তারিত পড়তে হলে গুগলে গিয়ে নিচে লেখা টি সার্চ করুন:healthtipbd. xyz
05/07/2022
Deties then go to visit:https://youtu.be/j4TTQPduRoo
27/06/2022
পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান(General knowledge about Padma bridge),Healthtipbd অজানাকে জানার জন্য আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকুন।Healthtipbdpage:https://www.facebook.com/Healthtipbd1/Blog post:www.healthtipbd.xyz...
23/06/2022
মানুষ কেন প্রেমে পড়ে see more www.healthtipbd...xyz
22/06/2022
What is ADIS?Healthtipbd Healthtipbd এই ভিডিওতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির আলোচনা করা হয়েছে:১।এইডস কত সালে পৃথিবীতে দেখা যায়?২।এইডসকে কী বলা হয়?৩।....
22/06/2022
শরীলের হঠাৎ ওজন কমা যেসব রোগের ইঙ্গিত দেয়-Healthtipbd
শরীরে ওজন বৃদ্ধিকে(Weight gain)যেমন বিপজ্জনক বলে মনে করা হয় ঠিক তেমনি দ্রুত ওজন কমে(Weight lose) যাওয়া মারাত্মক। জটিল রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হল হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া ।
চিকিৎসাশাস্ত্রে ওজন বাড়ার প্রবণতা কারো মধ্যে দেখা দিলে তা কোনো জটিল রোগের লক্ষণ বলে বিবেচিত হয় না। কারণ ওজন বাড়ার প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ওজন কমার প্রবণতায় শরীরে রোগ ভবিষ্যতে দানা বাঁধে না। বরং রোগে আক্রান্ত হওয়ার পরিণাম হিসেবে ওজন কমার বিষয়টিকে দেখছেন চিকিৎসকরা।
শরীলের হঠাৎ ওজন কমা যেসব রোগের ইঙ্গিত দেয়।
১।থাইরয়েড।
আমাদের শরীরে ওজন বাড়া বা কমা অনেকটাই নির্ভর করে বিপাক ক্রিয়ার ওপর। যদি কারো বিপাক ক্রিয়া অনেক শক্তিশালী হয়, তবে তাহলে তার ওজন দ্রুত হ্রাস পেতে শুরু করবে। এই প্রক্রিয়া তার হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, উদ্বেগ, ঝাঁকুনি, কাঁপুনি বা অনিদ্রা সমস্যার সৃষ্টি করে। যা পরবর্তীতে থাইরয়েড রোগের দিকে ঠেলে দেয়।
২।অন্ত্রের রোগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে হঠাৎ ওজন হ্রাস ক্রোহন ডিজিজ,সিলিয়াক ডিজিজ, ল্যাকটোজ এবং অন্ত্রের ক্ষতির মতো অবস্থার কারণে ঘটে, যা শরীরে ম্যালঅ্যাবসরপশন ঘটায়। এর ফলে অন্ত্র প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণে বাধা পায়। সাধারণত গ্লুটেন-মুক্ত খাবার দিয়ে এর চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।
৩।ক্যানসার।
চিকিৎসা শাস্ত্রে হঠাৎ ওজন হ্রাসকে ক্যানসারের লক্ষণ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। যদি খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের রুটিন কিংবা স্ট্রেস লেভেলের কোনো পরিবর্তন ছাড়াই শরীরের ওজন হঠাৎ কমতে শুরু করে তবে তা ক্যানসারের মতো জটিল রোগের লক্ষণ হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাচেক্সিয়া সিন্ড্রোমটি অনেক ক্যানসারের সঙ্গেই সম্পর্কযুক্ত। এটা গ্যাস্ট্রিক এবং অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের পাশাপাশি ফুসফুস, মাথা এবং ঘাড়কেও আক্রান্ত করতে পারে। এসব ক্যানসার সাধারণত পরবর্তীতে কোলারেক্টল ক্যানসারের রূপ নেয়।
৪।রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস।
যদি কেউ রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিসে আক্রান্ত হয় তবে তার ওজন দ্রুত কমতে শুরু করে। এটি প্রদাহজনিত এক ধরনের ব্যাধি। এতে শরীরের জয়েন্টগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ রোগে প্রো-ইনফ্লেমেটরি সাইটোকাইনগুলো প্রদাহ এবং শক্তি ব্যয় উভয়ই বাড়ায়। যার কারণে শরীরে প্রতিদিন বেশি ক্যালোরি এবং চর্বি পুড়ে ওজন দ্রুত কমতে থাকে। সাধারণত ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের এই রোগে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
Read more then you go to www.healthtipbd. xyz
19/06/2022
পদ্মা সেতু সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান(General knowledge about Padma bridge),Healthtipbd অজানাকে জানার জন্য আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকুন।Healthtipbdpage:https://www.facebook.com/Healthtipbd1/Blog post:www.healthtipbd.xyz...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Barishal
8231
