Crush & Confession

Crush & Confession

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Crush & Confession, Beauty, cosmetic & personal care, Barguna, Barishal.

12/03/2025

#প্রতিবাদ
পর্ব-১

Crush & Confession

কলেজের বড় গেট দিয়ে ঢুকতেই রবিনকে চারপাশ থেকে ছেলেমেয়েরা ঘিরে ধরে। কারো স্কলারশিপ নিয়ে সমস্যা, কেউ বাস ভাড়ার প্রতিবাদ করতে চায়, আবার কেউ হোস্টেলে নিরাপত্তা না থাকায় অভিযোগ করছে।

রবিন শুধু নামেই ছাত্র নেতা নয়, সে সত্যিকারের নেতা। অন্যায় দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় না, দুর্বলদের পাশে দাঁড়ায়। তার চেহারায় সবসময় আত্মবিশ্বাসের ছাপ। কালো চুল, গভীর চোখ, আর চওড়া কাঁধের রবিনকে দেখলে সহজেই বোঝা যায়—এ সে মানুষ, যে ভয় পায় না।

সে সবার সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে। কেউ কেউ বলে, "ভাই, হোস্টেলের খাবার এত বাজে, কিভাবে খাব?"
অন্যজন বলে, "ম্যাডাম আমাদের ঠিকমতো ক্লাস নেন না, কিছু বললে উল্টো রাগ করেন!"

রবিন ধৈর্য ধরে শোনে, তারপর বলে, "আমরা ছাত্র, কিন্তু তার মানে এই না যে আমাদের কোনো অধিকার নেই। আমি কথা বলব, সমস্যা সমাধান হবেই!"

এই কথা বলার জন্যই পুরো কলেজ তাকে ভালোবাসে। শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ ছাত্ররা পর্যন্ত জানে—যদি অন্যায় হয়, রবিন সামনে দাঁড়াবে।

ইরা নতুন ছাত্রী, মাত্র কিছুদিন হলো কলেজে ভর্তি হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই সে রবিনের নাম শুনেছে। প্রথমদিকে ভেবেছিল, "হয়তো আর দশটা ছাত্র নেতার মতো হবে, শুধু বক্তৃতা দেবে, কাজ করবে না।"

কিন্তু পরে দেখল, রবিন সত্যিই একজন লড়াকু মানুষ। যেখানেই অন্যায় হয়, সেখানেই সে হাজির।

ইরা খুব সাধারণ একটা মেয়ে। পরিপাটি সালোয়ার-কামিজ পরে, লম্বা চুল দুই ভাগ করে বাঁধে, চোখদুটো মায়াবী। কিন্তু তার হৃদয়ে একটা ভয় লুকিয়ে আছে—সে জানে, এই সমাজে মেয়েদের একা চলতে অনেক সমস্যা হয়।

সে চুপচাপ থাকতে ভালোবাসে, কিন্তু অন্যায় দেখলে রাগও হয়। একদিন বন্ধুদের সঙ্গে বসে সে বলছিল,
"মেয়েদের সম্মান নিয়ে কেন সবসময় টানাটানি হয়? কেন আমরা ভয় নিয়ে চলবো?"

বন্ধুরা হাসে, "তুই এসব নিয়ে ভাবিস কেন? আমাদের তো এমনই চলে আসছে!"

ইরা চুপ করে যায়, কিন্তু মনে মনে ভাবে—"একদিন নিশ্চয়ই কেউ এই নিয়ম ভাঙবে!"

সেদিন বিকেলবেলা ক্লাস শেষে ইরা কলেজের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। চারপাশটা বেশ ফাঁকা, অন্য ছাত্ররা চলে গেছে। সে একা থাকলেও চিন্তিত ছিল না, কারণ এই পথ দিয়েই প্রতিদিন যায়।

কিন্তু হঠাৎ করেই তিন-চারজন ছেলে সামনে এসে দাঁড়ায়। এদের একজন ইরাকে দেখে বাঁকা হাসে, "তুমি তো খুব স্মার্ট, তাই না? আমাদের সঙ্গে একটু গল্প করো না!"

ইরা চমকে ওঠে। সে দ্রুত পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চায়, কিন্তু ওরা পথ আটকে দাঁড়ায়। একজন হাত বাড়িয়ে দেয়, "এই ভয় কিসের? আমরা কি খেয়ে ফেলবো?"

ইরার বুকের ভেতর ধকধক করতে থাকে। সে চারপাশে তাকায়, কেউ নেই। মাথায় শুধু একটা কথাই ঘুরতে থাকে—"আজ যদি কেউ না আসে, তাহলে কী হবে?"

ছেলেরা হাসতে থাকে, যেন মেয়েদের ভয় দেখানো তাদের জন্য মজার কিছু।

ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা গম্ভীর কণ্ঠ ভেসে আসে—

"ওরা পিছিয়ে যাবে, নাকি আমি ব্যবস্থা নেব?"

সবাই ঘুরে দেখে, রাস্তার ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে রবিন। তার চোখ দুটো জ্বলছে, মুখে কোনো হাসি নেই।

বখাটেরা প্রথমে কিছুটা হকচকিয়ে যায়, তারপর একজন বলে, "এই তো, রবিন ভাই! আমরা তো মজা করছিলাম!"

রবিন এক ধাপ সামনে এগিয়ে আসে, "মজা? মেয়েদের ভয় দেখানো মজা? আজ তোদের মজার শেষ করে দেব!"

ওদের একজন কিছু বলতে যাবে, কিন্তু রবিন আর সুযোগ দেয় না। সে ঝটপট এক ঘুষি বসিয়ে দেয় সামনে দাঁড়ানো ছেলেটার মুখে। বাকিরা ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায়।

রবিন গর্জে ওঠে, "আজ যদি তোরা এখান থেকে না পালাস, তাহলে কলেজে তো দুর্দশা হবে, থানায়ও জায়গা পাবি না!"

ছেলেগুলো দৌড়ে পালিয়ে যায়। ইরা তখনও ভয় পেয়ে কাঁপছে।

রবিন তার দিকে তাকিয়ে বলে, "ভয় পেয়ো না, তুমি নিরাপদ আছো।"

ইরা ধীরে ধীরে বলে, "তোমাকে ধন্যবাদ, যদি তুমি না থাকতে..."

রবিন থামিয়ে দিয়ে বলে, "ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই। আমি চাই, একদিন কোনো মেয়েকে যেন এভাবে ভয় পেতে না হয়!"

ইরা তখন প্রথমবারের মতো রবিনের দিকে ভালো করে তাকায়। মনে হয়, এই ছেলেটা শুধু একজন নেতা নয়, সত্যিকারের নায়ক।

ইরা জানে, সে ধীরে ধীরে এক গভীর অনুভূতিতে ডুবে যাচ্ছে। প্রতিদিন কলেজে রবিনকে দেখলে তার হৃদয় একটু বেশি বেঁধে যায়, কথা বলতে গেলেই গলা শুকিয়ে আসে।

কিন্তু সে ভয় পায়—"আমি তো একা নই, পুরো কলেজের মেয়েরাই ওকে পছন্দ করে! তাহলে আমি কেন আলাদা হব?"

রবিন সবসময় ব্যস্ত থাকে। সমস্যা হলে ছুটে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে। হাসিমুখে সবার সঙ্গে কথা বলে, কিন্তু কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছে—তার নিজের মনের ভেতর কী চলছে?

ইরা লক্ষ করেছে, রবিন কখনোই কারও প্রতি আলাদা করে মনোযোগ দেয় না। সবাই ওকে চায়, কিন্তু সে কারও দিকে তাকায় না। যেন তার জীবনে ভালোবাসার জন্য জায়গাই নেই।

একদিন ইরা তার বান্ধবী নীহারকে বলল, "তোর কি মনে হয়, রবিন কাউকে ভালোবাসতে পারে?"

নীহার হাসল, "হাসাস না! রবিন শুধু লড়াই করতে জানে, ভালোবাসতে না।"

ইরা চুপ করে যায়। তার মনে হয়, "তাহলে কি আমার ভালোবাসা কোনোদিনই পৌঁছাবে না?"

চলবে ্্্্্্

11/03/2025

#তোমার_অপেক্ষায়

ঢাকার ব্যস্ত শহর। চারপাশে কোলাহল, ব্যস্ততা, যানজট। এর মাঝেই অফিস শেষে নায়লা ছুটছে পুরনো ঢাকার এক বইয়ের দোকানের দিকে।

বন্ধুর জন্মদিনে বিরল এক বই উপহার দিতে চায় সে, আর শুনেছে শহরের এক কোণে ছোট্ট এক দোকানে বইটা পাওয়া যেতে পারে। বৃষ্টি পড়ছে ঝিরিঝিরি, নায়লা ছাতাটা খুলে সামনের দিকে তাকায়।

একটা পুরনো সাইনবোর্ড—"রেহান বুক স্টল"।

ভেতরে ঢুকতেই বইয়ের গন্ধটা নাকে আসে। পুরনো, নতুন সব ধরনের বই সাজানো। একটা টেবিলের পাশে এক যুবক বসে আছে, মনোযোগ দিয়ে কিছু পড়ছে।

নায়লা গলা খাঁকারি দেয়, "এক্সকিউজ মি?"

ছেলেটি মুখ তুলে তাকায়। গভীর, শান্ত চোখ। নায়লা এক মুহূর্ত থেমে যায়, তারপর বলে, "আপনার কাছে 'নক্ষত্রের গল্প' বইটা আছে?"

ছেলেটি কিছু না বলে তাকিয়ে থাকে, যেন এই নামটা তাকে অন্য কোনো সময়ে নিয়ে গেছে। তারপর ধীরে ধীরে উঠে গিয়ে শেলফ থেকে একটা পুরনো বই বের করে এনে নায়লার হাতে দেয়।

নায়লা বইটা হাতে নিয়ে অবাক হয়। "এত সহজেই পেয়ে গেলাম?"

ছেলেটি মৃদু হেসে বলে, "সব বই সহজে মেলে না, কিছু বই ভাগ্যের মতো। আপনি ভাগ্যবান।"

নায়লা ছেলেটির কথায় একটু অবাক হয়। সে জানতে চায়, "আপনার নাম কী?"

ছেলেটি একটু হেসে বলে, "রেহান।"

সেই মুহূর্তে বাইরে বিদ্যুৎ চমকে ওঠে, বৃষ্টি আরও বেড়ে যায়। নায়লা জানে না, এই ছোট্ট বইয়ের দোকান আর এই ছেলেটির সঙ্গে তার জীবনের এক অদ্ভুত সম্পর্ক গড়ে উঠতে চলেছে...

---

পর্ব ২: রেহানের বইয়ের দোকান

নায়লা বইটা কেনার পরেও সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখছে আর মাঝে মাঝে রেহানের দিকে চোখ চলে যাচ্ছে।

"তুমি এখানে সবসময় থাকো?"

রেহান মাথা নাড়ে, "এটাই আমার জগৎ। বই আর আমি।"

নায়লা অবাক হয়। "একা থাকতে ভালো লাগে?"

রেহান হাসে, "একা নয়, বইগুলো আছে।"

নায়লা এবার চুপ করে যায়। তার জীবনে এমন নিরিবিলি কিছু নেই, সবকিছু ব্যস্ত, প্রতিযোগিতামূলক।

সেদিনের পর নায়লা অজানা এক টান অনুভব করতে থাকে। সে একদিন, দু’দিন... ধীরে ধীরে প্রায় প্রতিদিনই বইয়ের দোকানে আসতে শুরু করে। গল্প হয়, আলোচনায় আসে জীবন, স্বপ্ন, ভালোবাসা।

কিন্তু একটা বিষয় স্পষ্ট—রেহান অপেক্ষা করতে জানে, আর নায়লা সবসময় ছুটে চলতে চায়।

---

পর্ব ৩: দূরত্বের শুরু

নায়লা একদিন বলে ফেলে, "আমি দেশের বাইরে যেতে চাই, ক্যারিয়ার গড়তে চাই।"

রেহান মাথা নিচু করে বলে, "আমি জানি।"

নায়লা চমকে যায়। "তুমি জানো?"

রেহান ধীরে বলে, "তোমার চোখে আমি সেই অস্থিরতা দেখেছি। তুমি এখানে বেশিদিন থাকবে না, জানতাম।"

নায়লা অস্বস্তি বোধ করে। রেহানের সঙ্গে কথা বললে কেন যেন সবকিছু কঠিন মনে হয়।

রেহান তাকিয়ে বলে, "তুমি চলে গেলে, আমি এখানেই থাকব। যদি একদিন মনে হয় ফিরে আসতে চাও, আমি এখানেই থাকব।"

নায়লা কোনো উত্তর দিতে পারে না।

---

পর্ব ৪: অপেক্ষার দিনগুলো

নায়লা দেশের বাইরে চলে যায়। শহরের আলো, নতুন জীবন, নতুন স্বপ্ন তাকে ঘিরে ধরে।

কিন্তু কিছু একটা ঠিক নেই। অনেক কিছু পেলেও সে যেন কিছু হারিয়েছে।

অন্যদিকে, রেহান একই জায়গায় রয়ে যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাসটা বদলায় না।

কিন্তু কতদিন সে অপেক্ষা করবে? নায়লা কি ফিরে আসবে?

---

পর্ব ৫: শেষ কি পুনর্মিলন, নাকি চিরদিনের বিচ্ছেদ?

বছর চারেক পর, একদিন নায়লা হঠাৎ দেশে ফিরে আসে।

সে বুক ধড়ফড় নিয়ে সেই পুরনো বইয়ের দোকানে যায়।

কিন্তু…

দোকানটা বন্ধ!

নায়লা হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তাহলে কি রেহান আর নেই? সে কি অপেক্ষা করা বন্ধ করে দিয়েছে?

ঠিক তখনই এক পরিচিত কণ্ঠস্বর বলে, "তুমি ফিরেছ?"

নায়লা ধীরে ঘুরে তাকায়।

রেহান সামনে দাঁড়িয়ে, চোখে শান্ত এক হাসি।

নায়লার বুক ধক করে ওঠে।

কিন্তু সে কি এখনো অপেক্ষা করছে? নাকি জীবন তাকে নতুন পথে নিয়ে গেছে?

নায়লার বুক ধক করে ওঠে। এত বছর পরেও রেহানের চোখের সেই শান্ত চাহনি একটুও বদলায়নি। তবে কি সে সত্যিই অপেক্ষা করেছে?

নায়লা এগিয়ে এসে অস্ফুট স্বরে বলল, "তুমি এখনো এখানে?"

রেহান মৃদু হাসল, "তোমার মতো কেউ কেউ ফিরে আসে। তাই আমি অপেক্ষা করতে শিখেছি।"

নায়লার গলা শুকিয়ে গেল। চার বছর আগে সে নিজে চলে গিয়েছিল, কিন্তু আজ মনে হচ্ছে, সময়ই যেন তাকে রেহানের কাছে ফিরিয়ে এনেছে।

সে ধীরে ধীরে বলে, "তুমি কি জানো, আমি ফিরে আসব?"

রেহান কাঁধ ঝাঁকালো। "জানতাম না। কিন্তু আশা ছেড়ে দিইনি।"

নায়লার চোখে পানি চলে এলো। এতদিন সে নিজেকে বলেছিল, রেহান তাকে ভুলে গেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, সে নিজেই ভুল ছিল।

সে ধীরে ধীরে বলল, "আমি ক্লান্ত রেহান। ছুটে চলার এই জীবন থেকে মুক্তি চাই। আর আমি…"

রেহান অপেক্ষা করছে, নায়লা কি বলতে চায় শুনতে।

নায়লা চোখ নামিয়ে বলল, "আমি জানি না তুমি এখনো আমাকে চাইবে কি না, কিন্তু আমি চাই তোমার কাছে থাকতে, এই শহরে, এই বইয়ের দোকানে… তোমার সাথে।"

রেহান চুপ করে নায়লার দিকে তাকিয়ে রইল। যেন সব কিছু বুঝে নিতে চাইছে।

তারপর হঠাৎ সে মৃদু হাসল। "তাহলে থেকো। আমার সঙ্গে, এই শহরে, এই বইয়ের মাঝে।"

নায়লার চোখ ভিজে গেল। সে ধীরে ধীরে মাথা ঝাঁকালো।

বাইরে সন্ধ্যার বাতাস বইছে। দোকানের সামনে ল্যাম্পপোস্টের আলোয় রেহানের মুখ নরম হয়ে উঠেছে।

অনেক বছর পর, এই শহরে, এই ছোট্ট বইয়ের দোকানে, দুজন মানুষ সত্যিকারের ভালোবাসাকে খুঁজে পেল।

এবার আর কেউ কোথাও যাবে না। কারণ তারা দুজনেই জানে—কখনো কখনো ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা করাই সবচেয়ে সুন্দরতম সিদ্ধান্ত।

---

শেষ।

10/03/2025

💙 চিরন্তন অপেক্ষা 💙

রাতের আকাশে চাঁদ উঠেছে, চারদিকে নীরবতা। অরণীর চোখ আজও জানালার ওপারে, দূরে হারিয়ে যাওয়া পথের দিকে। সেই পথ, যেখানে একদিন নীলয় বলেছিল—

"তুমি অপেক্ষা করবে তো?"

অরণী তখন হেসে বলেছিল, "অপেক্ষা? কিসের জন্য?"

নীলয় তখন বলেছিল, "ভালোবাসার জন্য, ফিরে আসার জন্য!"

তারপর কেটে গেছে অনেক বছর। নীলয় আর ফিরে আসেনি।

প্রতিদিন অরণী চুপচাপ বসে থাকে, জানালার পাশে। মনে মনে ভাবে— হয়তো একদিন, ঠিক সেই পুরোনো পথে, চেনা কদম ফুলের গন্ধে, নীলয় ফিরে আসবে…

কিন্তু, সত্যিই কি ফিরে আসবে?

নাকি কিছু অপেক্ষা শুধুই অনন্তকালের জন্য লেখা হয়?

#অপেক্ষা #ভালোবাসা #হারিয়ে_যাওয়া_স্বপ্ন #অনুভূতি

10/03/2025

🔥 ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই! 🔥

নারী কোনো ভোগের বস্তু নয়, সে একজন মানুষ! তার স্বাধীনতা, তার স্বপ্ন, তার জীবন—সবকিছুরই মূল্য আছে। আর সেই জীবনে কেউ যখন জোর করে হানা দেয়, তখন তা কেবল একজনের নয়, পুরো সমাজের কলঙ্ক হয়ে যায়!

🚫 আর নয় নীরবতা!
🚫 আর নয় অন্যায়ের সাথে আপস!
🚫 ধর্ষকের জন্য একটাই দাবি—কঠোর বিচার, অবিলম্বে বিচার!

আমরা কি এমন সমাজ চাই, যেখানে মেয়েরা রাতে একা বের হতে ভয় পাবে? যেখানে একটা নিষ্পাপ জীবনকে পিষে ফেলার পরও অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে?

🛑 সমাজ বদলাতে হলে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে!
🛑 নারীকে নয়, ধর্ষককে ভয় পেতে শেখান!
🛑 প্রতিটি ‘না’ মানে ‘না’, সম্মতি ছাড়া কোনো সম্পর্ক নয়!

⚖️ বিচার চাই, ন্যায় চাই, নিরাপদ সমাজ চাই!
✊ আসুন, একসাথে বলি—ধর্ষকদের ঠাঁই নেই এই সমাজে!

16/07/2024

আমি যুদ্ধ দেখিনি যুদ্ধ করিনি শুনেছি ইতিহাস
তিন দশক পরে জন্ম নিয়েও হয়েগেছি রাজাকার😭🇧🇩😭

12/01/2024

থাকতে মূল্য দিতে শিখো হারিয়ে গেলে তারপর না 😀😥

03/11/2022

🙂 বিরক্ত করা ছেড়ে দাও❞🤗

🥀 গুরুত্ব বুঝে যাবে,,,

হোক না সেটা বন্ধুত্ব কিংবা ভালোবাসা ....!!🤗🙃

01/11/2022

___^𝐓𝐡𝐢𝐬 𝐚𝐛𝐨𝐮𝐭 𝐥𝐢𝐧𝐞 !!🔐🍒🖇️ ___🍭💗🍁"জীবনটা অনেকসুন্দর যদি তুমি তা উপভোগ করতে পারো💖🥀✨

25/09/2022

ভুল বুঝতে সবাই পারে ,,
ভুল শুধরিয়ে কয়জন থাকে পাশে🙂

18/09/2022

シ-𝐃𝐨𝐧'𝐭"𝐂𝐫𝐲"𝐅𝐨𝐫" 𝐒𝐨𝐦𝐞𝐨𝐧𝐞.."!😇🙂
- 𝘁𝗵𝗶𝘀 𝗮𝗯𝗼𝘂𝘁 𝗹𝗶𝗻𝗲 🐰✨
︵🦋🤍 🥀বেশি মূল্য দিলে নিজের
মূল্যটা কমে যায় 😓💔

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Barishal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Barguna
Barishal