Krishna chura
Hello welcome to my page! here you get health and beauty related information let s see us
09/10/2023
এক টেবিল চামচ দুধ ও এক চা চামচ মধু নিন। এরপর দুধ ও মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মেশানো হয়ে গেলে মিশ্রণটি মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। এরপর পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এটি প্রতিদিন ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। তাতে ত্বক দ্রুত উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
দুধে থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ত্বকের রংকে ভেতর থেকে হালকা করে। সেইসঙ্গে এটি ত্বককে বাইরে থেকে আর্দ্র এবং মসৃণ করে তোলে। প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
You can never have too many facial.
সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ...
২. বিপাক ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে .
৩. শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে ...
৪. অন্ত্র পরিষ্কার করতে সহায়তা করে ...
৫. ওজন কমাতে উপকারী ...
৬. কোলন পরিষ্কারে সহায়তা করে ...
৭. মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করে
-
-
ডাবের জল সাথে পাতি লেবুর রস লাগালে ব্রনের দাগ সহ অন্য সব দাগ রিমুভ হবে এমনকি পক্স এর মত কঠিন জেদি দাগ ও উধাও হবে।
06/10/2023
দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে মনে রাখুন দশটি স্বাস্থ্য টিপস
শুধু ওজন কমাতে নয় দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে মনে রাখুন এই দশটি হেলথ টিপস। সারাজীবন কাজে লাগবে ।
১
প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করুন। সেটা সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা যখনই হোক না কেন।
২
সারাদিন বসে শুয়ে থাকার অভ্যাস যতোটা সম্ভব ত্যাগ করুন।
৩
দুধ চা, দুধ কফি, কোল্ড ড্রিংক, কার্বোনেটেড ড্রিংক এর পরিবর্তে পানি, গ্রীন টি,আদা চা,লেবু চা, ডাবের পানি, টক দ্ই এর লাচ্ছি এসব পান করুন।
৪
ছোট খাট কাজ বিশেষ করে নিজের কাজগুলো নিজেই করার চেস্টা করুন। এতে মেটাবলিক রেট বাড়ে।
৫
সময় নিয়ে ভালোমতো চিবিয়ে খাবার খান। খাবার খাওয়ার সময় টিভি, ফোন, কম্পিউটার ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
৬
প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘন্টা ঘুমান। তবে দিনে ঘুমানো পরিহার করুন।
৭
চিনি এবং মিস্টি জাতীয় খাবার যতোটা সম্ভব বাদ দিন।
৮
প্রতি বেলায় খাবারের সঙ্গে কিছু কাঁচা খাবার যেমন লেবু, মরিচ, রসুন, সালাদ ইত্যাদি রাখুন।
৯
মাছ, মাংস, শাক সবজি খাওয়ার ভিতর ব্যালেন্স রাখুন। যেমন ৩ দিন মাছ, ৩ দিন মুরগী আর একদিন সম্পূর্ন শাক-সবজি রাখার চেস্টা করুন।
১০
যতোটুকু সম্ভব স্ট্রেসমুক্ত জীবনযাপন করুন। দিনে ১০ মিনিট ব্রিদিং এক্সারসাইজ বা মেডিটেশন করুন।
06/10/2023
তেলেভাজা, প্রসেসড খাবার, মিষ্টিযুক্ত বেভারেজ আপনার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। প্রচুর পরিমাণে সবজি, ফল ও লিন প্রোটিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করুন।
05/10/2023
মোটা হওয়ার সহজ উপায় | ১০টি কার্যকরী টিপস জেনে থাকুন ফিট ও হেলদি!
টা হলে যেমন নিজের কাছে অস্বস্তি লাগে, তেমনি অতিরিক্ত চিকন হলেও দেখতে বেমামান লাগে। অনেকেই আছে যারা মোটা হতে অনেক কিছুই ট্রাই করে থাকেন কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই কোন উপকার পাচ্ছেন না। বয়স আর উচ্চতার তুলনায় ওজন কম হওয়া বা আন্ডারওয়েট হওয়া কিন্তু খুবই সমস্যার ব্যাপার। তাই আজকে আমরা আপনাদের জানাবো মোটা হওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে, ১০টি কার্যকরী টিপস জেনে থাকুন ফিট ও হেলদি।
মোটা হওয়ার সহজ উপায়
কোন সমস্যার সমাধান জানার আগে ওই সমস্যার কারণগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। মোটা হওয়ার সহজ উপায়গুলো জানার আগে চলুন জেনে নেই ওজন কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে।
ওজন কম হওয়ার কারণ
বিভিন্ন কারণে ওজন কম হতে পারে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, জেনেটিক কারণ, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, ডায়রিয়া, ক্যান্সার, ডায়বেটিস, এইডস, হাইপারথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, যক্ষ্মা, কিডনির সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা, ড্রাগ নেওয়া ইত্যাদি। এছাড়া বয়সের জন্যও ওজন কমবেশি হয়ে থাকে। ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম এইদিকগুলো লক্ষ্য রাখতে হবে।
চলুন জেনে নেই মোটা হওয়ার সহজ উপায়গুলো
সমস্যা যখন রয়েছে তখন এর সমাধানও আছে। মোটা হওয়ার জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি চলুন জেনে নেই।
(১) ব্যায়াম করা
অনেকেই ভেবে থাকেন ওজন কমাতেই ব্যায়াম প্রয়োজন, কিন্তু এই ধারণা মোটেও ঠিক না। ওজন কমাতে যেমন ব্যায়াম প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন বাড়াতেও ব্যায়াম করা খুবই প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শুধু দৌড় ঝাঁপই যথেষ্ট না। দরকার প্রতিদিন নিয়ম করে জিম করা। জিমে অভিজ্ঞ ট্রেইনার থাকেন। আপনার ওজন এবং চেহারা দেখে তিনিই আপনাকে বলে দিবেন কোন ব্যায়াম আপনার করতে হবে।
(২) বার বার খাবার গ্রহণ
বার বার খাবার গ্রহণ প্রতিটি মানুষেরই করা উচিৎ। প্রতি ২ ঘন্টা অন্তর অন্তর অল্প করে কিছু খেতে হবে। কিন্তু যারা ওজন বৃদ্ধি করতে চাচ্ছেন তারা ২ ঘন্টা পর পর বেশি করে খেতে হবে। এসময় আপনি দুধ, দই, ফল, ছানা ইত্যাদি দিয়েই পূরণ করতে পারেন। এতে আপনার শরীরে পুষ্টির পাশাপাশি ওজনও বৃদ্ধি পাবে। এটি মোটা হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়।
(৩) খাবারে রাখুন কার্বোহাইড্রেড
ওজন বৃদ্ধিতে কার্বোহাইড্রেড খুবই প্রয়োজন। খাবারের তালিকায় কার্বোহাইড্রেড অবশ্যই রাখবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস। তাই প্রতিদিন অন্তত ২ বার কার্বোহাইড্রেড খাবেন। ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেডের প্রধান উৎস তার মানে এই নয় যে বেশি বেশি খাবেন। আপনাকে অতিরিক্ত ফ্যাটের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। তাই প্রতিদিন কার্বোহাইড্রেড খাবেন পরিমিত কিন্তু সাধারণের তুলনায় কিছুটা বেশি। মোটা হওয়ার সহজ উপায় গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
(৪) বেশি ক্যালোরি গ্রহন
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আমরা বেশি ক্যালোরি বার্ন করি এবং কম ক্যালোরি গ্রহণ করি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে উলটা হবে যতটুকু ক্যালোরি বার্ন করবেন তার দ্বিগুণ ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। ওজন বৃদ্ধির জন্য শরীরের চাহিদার তুলনায় বেশি ক্যালোরি নিন। ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করতে চাইলে দিনে ৬০০-৭০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে আর যদি ওজন আস্তে আস্তে বাড়াতে চান তাহলে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ ক্যালোরি বেশি গ্রহণ করতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহ করলেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।
(৫) সঠিক প্রোটিন গ্রহণ
ওজন বৃদ্ধি করতে শুধুমাত্র ক্যালোরিই যথেষ্ট না। ক্যালোরির পাশাপাশি সঠিক প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে। সঠিক প্রোটিন গ্রহন না করলে ক্যালোরি বাড়তি ফ্যাটের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন ডিম, ডাল ও দুধ অবশ্যই রাখবেন।
(৬) ড্রাই ফ্রুটস খাবেন
ড্রাই ফ্রুটসে আছে প্রচুর ক্যালোরি ও ফ্যাট যা ওজন বৃদ্ধিতে অনেক কাজে দিবে। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ২টি কাজু ও ২টি কিসমিস খাবেন। এইটা কোনভাবেই ভুলবেন না। আর সকালের নাস্তায় রাখুন আমন্ড বা পেস্তা। ওজন বৃদ্ধিতে আপনার ডায়েট চার্টে বাদামের পরিমাণ বেশি রাখুন। এভাবে নিয়ম মেনে ড্রাই ফ্রুটস খেলে দেখবেন এক মাসের মধ্যেই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
(৭) টেনশনমুক্ত থাকুন
সব সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে টেনশন। ওজন বৃদ্ধিতে যেমন টেনশনমুক্ত থাকা প্রয়োজন ঠিক তেমনি ওজন কমাতেও টেনশনমুক্ত থাকা খুবই আবশ্যক। আজকাল টেনশনমুক্ত থাকা খুবই কঠিন তাও চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব টেনশনমুক্ত থাকার।
(৮) পরিমিত ঘুমান
শরীর ঠিক রাখতে ঘুম খুবই প্রয়োজন। প্রতিদিন ৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। এর থেকে কম হওয়া যাবে না। এছাড়া ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন নিয়ম করে ইয়োগা বা যোগাসন করুন। এতে আপনার ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
(৯) ঘুমানোর আগে দুধ মধু খান
ঘুমোতে যাওয়ার আগে এমন কিছু খেতে পারেন যা বেশ পুষ্টিকর এবং ক্যালোরিযুক্ত। কারণ সেটা ঘুমিয়ে পরছেন বলে খরচ হচ্ছে না এবং পুরো রাত আপনার শরীরে ক্যালোরির কাজ করবে এবং ওজন বৃদ্ধি করবে। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দুধ ও মধু মিশিয়ে খান। এটি ওজন বৃদ্ধিতে পরীক্ষিত এবং মোটা হওয়ার সহজ উপায়।
(১০) ডায়েটে চকলেট এবং চিজ রাখুন
সচরাচর বাহিরের খাবার খেতে আমরা নিষেধ করে থাকি। কিন্তু ওজন বৃদ্ধিতে বাহিরের খাবার যেমন আইসক্রিম, পেস্ট্রি, বার্গার ইত্যাদি খাবার খুবই কার্যকরী। এতে ফ্যাট থাকে, বেশি খেলে শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর! তাই আপনি চাইলে এগুলো খেতে পারেন কিন্তু তা হবে পরিমাণমতো। আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে চকলেট এবং চিজ রাখতে পারেন।
ওজন বৃদ্ধি, হ্রাস অথবা শারীরিক যেকোন কাজের ক্ষেত্রেই পানি খুব উপকারী। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। নিয়ম করে এই মোটা হওয়ার সহজ উপায় লক্ষ্য করলেই আপনি ওজন বৃদ্ধি করে পাবেন সুন্দর স্বাস্থ্য। নিজের যত্ন নিন ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন।
05/10/2023
Homemade Night Cream: উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক চাই? বাড়িতেই বানিয়ে নিন এই জাফরান নাইট ক্রিম
Saffron Night Cream: এই ক্রিম ব্যবহার করে ত্বকে ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়াও ওই ক্রিমচি আপনাকে ক্ষতিকারক UV রশ্মির ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে ফর্সা করতেও দারুণ সাহায্য করে এই জাফরান নাইট ক্রিম।
এই ক্রিমটি তৈরি করা খুবই সহজ এবং এটি বহার করলে ত্বক সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর হয়।
তৈরির পদ্ধতি:
২ চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন। ২০ টির মতো জাফরান নিন। এক চামচ বাদাম তেল নিন, তাতে ২ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল এবং ১ চামচ গোলাপ জল নিন। এবার জাফরানগুলি টিস্যু পেপারে দিয়ে মুখ বন্ধ করে বন্ধ করুন। এবার এক মিনিট খালি তাওয়ায় গরম করুন। এবার এই কাগজটি খুলে জাফরান বের করে নিন। এবার এই জাফরানটি অ্যালোভেরার মিশ্রণের মধ্যে দিন। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার জাফরান নাইট ক্রিম।
কী-কী উপকার করে এই ক্রিম?
ডার্ক সার্কেলের সমস্যা-
খারাপ জীবনযাপনের কারণে অনেকের চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে এই ক্রিম ব্যবহার উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। জাফরান ওষুধের মতো কাজ করে। এটি ডার্ক সার্কেল কমাতে সাহায্য করে।
দাগ দূর করে- অনেক সময় ব্রণ মুখে জেদি দাগ রেখে যায়। এমন অবস্থায় এই ক্রিমটি ব্যবহার করলে ত্বকের দাগ দূর হয়। এবং মুখে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে।
ব্রণ সাড়ায়- জাফরানে এমন উপাদান রয়েছে ব্রণের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এই ক্রিমটিতে ব্যবহৃত ভিটামিন ই তেল এবং অ্যালোভেরা ত্বকের নানা উপকার করে। আর ব্রণর সমস্যাকে নির্মূল করতে সাহায্য করে।
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য- জাফরানের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই ক্রিমটি নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসবে।
ট্যান দূর করে- এই ক্রিম ব্যবহার করে ত্বকে ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়াও ওই ক্রিমচি আপনাকে ক্ষতিকারক UV রশ্মির ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে ফর্সা করতেও দারুণ সাহায্য করে এই জাফরান নাইট ক্রিম।
রাতে পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ দিয়ে এই ক্রিম লাগিয়ে ঘুমোতে যান। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে নিলেই কাজ শেষ।
অ্যালোভেরা নাইট ক্রিম ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, এক চা চামচ ল্যাভেন্ডার অয়েল আর এক চা চামচ প্রিমরোজ অয়েল একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখে মাখুন। এতে ত্বক টানটান ও উজ্জ্বল হবে। ব্রণ ও ত্বকের দাগছোপ কমাতেও সাহায্য করে
04/10/2023
শ্যাম্পু করার সঠিক নিয়মের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সুস্থ চুলের ঠিকানা
স্বাস্থ্যের দীপ্তিতে ভরপুর, ঝলমলে, মসৃণ একমাথা চুলের আকাঙ্ক্ষা কার না থাকে! আর সেই আকাঙ্ক্ষাটুকু মেটানোর জন্য কত কাঠখড়ই না পোড়াতে হয়! অথচ শুরু থেকে একটু নজর দিলে তেমন চুল পাওয়া মোটেই কষ্টসাধ্য নয়! শুধু কয়েকটা ছোটখাটো, খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর দিতে হবে! যেমন নিয়মিত স্ক্যাল্প আর চুল পরিষ্কার রাখা, পুষ্টিকর, সুষম খাবার খাওয়া, সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে তেল মাখা আর অবশ্যই ঠিকমতো স্নান করা! সত্যি বলতে শুধু চুল ঠিকমতো ধোওয়া আর শুকোনোর উপরেও চুলের স্বাস্থ্য ভীষণভাবে নির্ভর করে এবং এই দুটো কাজ ঠিকঠাক করতে পারলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চুলে চোখে পড়ার মতো বদল আসবে!
আসলে সুস্থ চুলের গোড়ার কথা হল আর যাই হোক না কেন, চুল পরিষ্কার থাকা চাই! আর তার জন্য চাই নিয়মিত শ্যাম্পু আর কন্ডিশনিং। কাজেই শ্যাম্পু করার সময় ও তার আগেপরে যদি কিছু নিয়ম মেনে চলেন, তা হলে শ্যাম্পুর পুরো ফায়দাটা পাবে আপনার চুল। অবাক হচ্ছেন? তা হলে নিজেই জেনে নিন!
শ্যাম্পু করার আগে স্টিম নিন
ঠিক যেভাবে মুখে স্টিম নিলে গভীর থেকে তেলময়লা বেরিয়ে আসে, একই কথা বলা যায় চুলের বেলাতেও! চুলে স্টিম নিলে চুলের গোড়ায় জমে থাকা সেবাম, খুসকি ও নোংরা আলগা হয়ে উঠে আসে। চুলে স্টিম নিতে হলে একটা তোয়ালে গরমজলে ডুবিয়ে নিংড়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। 20 মিনিট রেখে তারপর শ্যাম্পু করতে ঢুকুন।
স্টিম নেওয়া চুল মাসাজ করে নিন
শ্যাম্পু করতে শুরু করার আগে চুলের গোড়ায় গোড়ায় আঙুল চালিয়ে কয়েক মিনিট মাসাজ করে নিলে ময়লাগুলো আলগা হয়ে উঠে আসবে, দুর্বল চুলও উঠে যাবে।
ঠান্ডা জলে শ্যাম্পু করুন
চুলের পক্ষে গরমজল ভীষণ ক্ষতিকর। তাই সবসময় ঠান্ডা বা কুসুমগরম জলই মাথায় ঢালবেন। গরমজল চুলের স্বাভাবিক তেল নষ্ট করে চুল রুক্ষ করে দেয়, অন্যদিকে ঠান্ডা জল চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে শ্যাম্পু করার পর চুল অনেক বেশি জেল্লাদার আর চকচকে দেখায়।
শ্যাম্পুর গুণমানের কথা মাথায় রাখুন
প্রাকৃতিক বা হার্বাল শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। অন্য শ্যাম্পুও মাখতে পারেন, কিন্তু দেখে নেবেন তাতে যেন প্যারাবেন বা সালফেট না থাকে। এই দুটি রাসায়নিকই স্ক্যাল্পে প্রদাহ বা অ্যালার্জির কারণ হয়ে উঠতে পারে, তা ছাড়া ক্যান্সারের কারণ হিসেবেও এই দুটি রাসায়নিককে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই প্যারাবেন বা সালফেটমুক্ত অর্গানিক শ্যাম্পুই ব্যবহার করুন।
শ্যাম্পু লাগাবেন স্ক্যাল্প
আমরা অনেকেই প্রথমে চুলে শ্যাম্পু লাগাই, তারপর গোড়ায় বা স্ক্যাল্পে মাখি। চুল শুকনো নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ার বড়ো কারণ এটি। চুলে শ্যাম্পু লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই চুলের স্বাভাবিক তেলের আস্তরণটি নষ্ট হয়ে যায়, চুল রুক্ষ বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তাই শ্যাম্পু শুধুমাত্র স্ক্যাল্পেই লাগাবেন, ভালো করে মাসাজ করে ফেনা করে নেবেন। সেই ফেনাই বাকি চুলে লেগে চুল পরিষ্কার রাখবে।
শ্যাম্পুর সময় হালকা মাসাজ করুন
শ্যাম্পুতে ফেনা তোলার জন্য আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোড়ায়, মাথার তালুতে কোমলভাবে মাসাজ করুন। স্ক্যাল্পে জমে যাওয়া ময়লা সব উঠে আসবে। তা ছাড়া মাসাজের ফলে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন হবে, ফলে চুলের গোছও ভালো থাকবে।
প্রতিদিন শ্যাম্পু নয়
বেশিরভাগ শ্যাম্পুতেই কিছু না কিছু কেমিক্যাল থাকে যা রোজ ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ আর কর্কশ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। সপ্তাহে দু'বার, বড়োজোর তিনবারের বেশি শ্যাম্পু করবেন না।
অনেকক্ষণ ধরে শ্যাম্পু করবেন না
ভেজা অবস্থায় চুল খুব স্পর্শকাতর অবস্থায় থাকে, সামান্য এ দিক ও দিক হলেই তা ভেঙে ঝরে যেতে পারে। তাই বেশিক্ষণ ধরে শ্যাম্পু করবেন না, তাতে চুল খুব দুর্বল হয়ে পড়বে। চুল ভেজানোর পর 15 মিনিটের মধ্যে শ্যাম্পু আর কন্ডিশনিং, দুটোই সেরে ফেলুন।
পুজোর আগে নিয়মিত আমলকী খান! শরীরে জেল্লা বাড়বে! নানা রোগ পালাবে!
30/09/2023
শুধু কাঠনাদাম দিয়েই সারাদিনের ত্বকের যত্নঃ
আমরা জানি কাঠ বাদাম আমাদের শরীর আর ত্বকের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কাঠবাদামের গুনের শেষ নাই আজ কাঠবাদাম দিয়ে ও য আমাদের ত্বক কতটা সুন্দর রাখা যায় সে বিষয়ে আপনাদের জানাবো।
কাঠবাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে বাদাম বেটে সাথে বেসন দিয়ে একটা ইউনিক ফেসপ্যাক বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর দুয়ে ফেলতে পারি।
আবার বাদাম পানি ছেকে নিয়ে সাথে গোলাপ জল দিয়ে টেনার বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারি।
আবার বাদাম বাটা রস দিয়ে সাথে এলোভেরা জেল যোগ করে সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুল দিয়ে একটা নাইট ক্রিম বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Bogra
Bogura
5800
