Kaniz's Shop
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kaniz's Shop, Health/Beauty, 2 no gate Nasirabad, Chittagong.
07/10/2022
বিস্তারিত জানতে ম্যাসেজ করুন....
আপু বেবির মা তাহলে এটা আপনার জন্য।
অতিরিক্ত ওজনের ঝড় ঝামেলা থেকে মুক্ত হউন চা খেয়ে।
প্রাকৃতিক ভাবে নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য পরামর্শ পেতে কল করুন।
01821648427
05/10/2022
ত্বীন/ডুমুরের ফলের উপকারীতা- আশ্চর্জজনক ও বিস্ময়কর এক ফলের নাম ডুমুর বা ত্বীন ফল। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । এর উপকারিতা সম্পর্কে মেডিকেল সাইন্সে প্রমানিত অনেক রিপোর্ট আছে। জেনে নিন এই ত্বীন বা ডুমুর ফল সম্পর্কে কুরআন ও মেডিকেল সাইন্স কি বলে ? # কেন খাবেন পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ত্বীন বা ডুমুর ফল ? * ডুমুর বা ত্বীন ফল নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। * ডুমুর বা ত্বীন ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। * ডুমুর বা ত্বীন ফল রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। * ডুমুর বা ত্বীন ফল মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। * সম্প্রতি গবেষণায় জানা গেছে ডুমুর বা ত্বীন ফল ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। * ডুমুর বা ত্বীন ফল চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। শিশুদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ত্বীন ফল একান্ত অপরিহার্য। *ডুমুর বা ত্বীন ফল শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। * ডুমুর বা ত্বীন ফল হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। * মারণব্যাধি ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ডুমুর বা ত্বীন ফল খুবই উপকারী। * ডুমুর বা ত্বীন ফল শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে। * ডুমুর বা ত্বীন ফল গর্ভবতী মা ও শ...
05/10/2022
তরমুজের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ
তরমুজ একটি জনপ্রিয় ফল যা এক মাত্র গ্রীষ্ম কালেই পাওয়া যায়। এই ফলটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তরমুজ রসালো ও মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকে। তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি এবং প্রাকৃতিক ভাবেই এতে কোনো চর্বি থাকে না। সম্মানিত পাঠক আসুন এবার জেনে নেই তরমুজের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে
পানি- ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম
আঁশ ০.২ গ্রাম
আমিষ ০.৫ গ্রাম
চর্বি ০.২ গ্রাম
ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মি.গ্রাম
ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মি.গ্রাম,
আয়রন ৭.৯ মি.গ্রাম,
কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম,
খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম,
ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম
, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম,
তাছাড়া ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২ রয়েছে,,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট -এ ভরপুর
তরমুজ ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারটিনয়েড, ট্রিটেপেনইডিস এবং ফেনোলিক উপাদান সমৃদ্ধ ফল। এই উপাদান গুলি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীরের যে কোনো প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে এবং ভিবিন্ন রকমের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
পানি শুন্যতা দূর করে
তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।
চোখ ভালো রাখে
তরমুজে থাকা ক্যারোটিনয়েড(তরমুজের লাল রঙ) উপাদান আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাছাড়া ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
ওজন কমাতে সহায়তা করে
তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় কিন্তু বেশি ক্যালরী শরীরে প্রবেশ করে না। ফলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজ আমাদের শরীরের জমে থাকা চর্বি কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
তরমুজ হার্টকে সুস্থ রাখেতরমুজ ভাসডিলেশন এর মাধ্যমে রক্ত প্রবাহ উন্নত করে, এবং কার্ডিওভাসকুলার সম্পর্কিত ফাংশনসমূহ উন্নত করে। তাছাড়া তরমুজের ভিটামিন-সি, ক্যারোটিন ও পটাসিয়াম শরীরের কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। রক্তবাহী ধমনীকে নমনীয় ও শীতল রাখে এটি। স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে এ ফলটি।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
তরমুজে লাইকোপেন নামক উপাদান আছে যা অ্যান্টি অক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী কোষগুলোকে নির্মূল করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে তরমুজের লাইকোপেন অন্ত্রের ক্যানসার ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
তাছাড়া তরমুজ কিডনি ও লিভার সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর। এবং তরমুজে থাকা ভিটামিনি সি শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা নিরাময়ে এবং ত্বক, দাঁত এবং মাংসপেশীর সুরক্ষায় প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। তাছাড়া লাইকোপেনসহ বিভিন্ন উপাদানে সমৃদ্ধ তরমুজ খাওয়ার অভ্যাসে বার্ধক্য দেরিতে আসে। ত্বকে সহজে ভাঁজ বা বলিরেখা পড়ে না।
05/10/2022
জামরুল~~~
ফলের মৌসুম চলছে। বাজারে কত রকম ফল। ফল, শাক সবজি এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এর মধ্যে জামরুলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু বলবো। জামরুল সাদা, লাল দুই রকমেরই হয়ে থাকে।
অনেকে জামরুল খেতে পছন্দ করেন না। তবে এটা অনেক উপকারী। এর ঔষধি গুণ আছে।
১. জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জামরুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ দশমিক মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
আর এই ভিটামিন সি ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখে।সহজে বুড়িয়ে যাবেন না।
২. হজমের সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে, ফলে এই ফল তো খেতেই হবে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিয়াটরী ফাইবার থাকায় এটি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
৩. এটি পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়া প্রতিরোধে কাজ করে।
৪. চোখের জন্যেও ভীষণ উপকারী এটা। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।
৫.আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আর তাই হাড় এবং দাঁতের জন্যে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের জন্য জামরুল খেতে হবে। ৬. প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৯৩ গ্রাম জল থাকে। যা শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জামরুল মূলত দক্ষিণ ভারত ও পূর্ব মালয়েশিয়ার ফল। তবে এটি বাংলাদেশ-ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চাষাবাদ হয়।
৭. তদুপরি জামরুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : জামরুলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৮.এমনকি জামরুল পেশির ব্যথা পর্যন্ত দূর করে : পটাশিয়াম থাকাযর জন্যে জামরুল পেশিকে শক্তিশালী করে তোলে এবং পেশির ব্যথা দূর করে।
৯. জামরুলে এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান থাকে, এটা লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে।
১০.জামরুলে অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
নিয়মিত জামরুল খান এবং সুস্থ থাকুন।মোদ্দা কথা ফাস্টফুড খাওয়া ছাড়তে হবে। যতরকম ভাজাপোড়া এসব না খেয়ে শাক সবজি, ফলমূল এগুলো খেতে হবে। আর করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে যে শরীরকে সুস্থ রাখা কতটা প্রয়োজন।
05/10/2022
জাম্বুরা সবার পরিচিত একটি ফল। যা সব মৌসুমে পাওয়া যায় না। মৌসুমি এ ফলটি,অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
স্বাদ টক- মিস্টি খেতেও দারুন লাগে জাম্বুরা। পুস্টিগুন এ এ ফলটি অন্যান্য।
জাম্বুরা সাইট্রাস ফলগুলার মধ্যে একটি। অন্যান্য সাইট্রাস ফলের ন্যায়, জাম্বুরাতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন -সি এবং ভিটামিন বি- রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য পুস্টিগুন তো রয়েছে।
- জাম্বুরাতে থাকা ভিটামিন সি আয়রোন শোষনে সাহায্য করে।
ফলে যারা এনিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তারা প্রতিনিয়ত ১ কাপ জাম্বুরা খান।
- যাদের দেহে এল ডি এল বা ব্যাড কোলেস্টেরল এর পরিমান বেশি তাদের জন্য জাম্বুরা অনেক উপকারী। জাম্বুরা তে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সহযোগিতা করে। এছাড়া এ ফাইবার ও'জ'ন কমাতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।
05/10/2022
শত ফলের ভীড়ে এই ফলটির গুণাগুণ কখনো হয়তো চোখ এড়িয়ে গেছে। এই ফলটির বেশ কয়েকটি নাম রয়েছে। যেমন- হাড়ফাটা, ডুবি, বুবি, কানাইজু, লটকা, লটকাউ, কিছুয়ান ইত্যাদি।
লটকন গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। আসুন জেনে নেই ফলটির নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
১. লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ আছে। সিজনের সময় প্রতিদিন দুই-তিনটি লটকন খাওয়া মানেই আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণ হওয়া। এ ছাড়া এ ফলে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে চর্বি, আমিষ, লৌহ ও খনিজ পদার্থ।
২. লটকন গাছের শুকনো গুঁড়ো পাতা ডায়রিয়া বেশ দ্রুত উপশম হয়। এর গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের পীড়া ও পুরান জ্বর নিরাময় হয়। এমনকি গনোরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এ ফলের বীজ।
৩. প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। অবাক বিষয় হলো এতে ক্যালরি আছে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ।
৪. লটকনে আছে প্রচুর পরিমাণে নানা ধরনের ভিটামিন ‘বি’। এতে ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ আছে যথাক্রমে ১০ দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম এবং ০.২০ মিলিগ্রাম। ফলে পাকা লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে খুবই সমৃদ্ধ।
৫. লটকনে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে। এইসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. লটকন খেলে বমি বমি ভাব দূর হয় সহজেই। তৃষ্ণাও নিবারণ করে। মানসিক চাপ কমায় এ ফল। এর গাছের ছাল ও পাতা খেলে চর্মরোগ দূর হয়।
04/10/2022
04/10/2022
পেয়ারার উপকারীতা
ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে খুব কাজে দেয় পেয়ারা। পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টি থাকে,যা রোগ প্রতিরোধ হ্মমতা বৃদ্ধি করে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লাইকোপেন,ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গরতে পারে এই ফল।।
04/10/2022
ডালিম খাওয়ার রয়েছে বহু উপকারিতা। যদিও কিছুটা দামি হওয়ার কারণে অনেকেই ডালিম খেতে চান না। তবে নিয়মিত ডালিম খেলে তা দেহের বহু উপকার করে। এ লেখায় তুলে ধরা ধরা হলো তেমন কিছু উপকারিতা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাইট সাইড।
১. পুষ্টিগুণ ডালিমে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। মাত্র এক কাপ ডালিম দানায় রয়েছে আপনার দৈনন্দিন চাহিদর ৩০ শতাংশ ভিটামিন সি, ৩৬ শতাংশ ভিটামিন কে, ১৬ শতাংশ ভিটামিন বি৯ ও ১২ শতাংশ পটাশিয়াম।
২. রক্তচাপ ডালিম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাহলে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহেই আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
৩. আথ্রাইটিস ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা উপশম ডালিম আথ্রাইটিসে উপকার করে। এছাড়া এটি হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে।
৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ডালিম দেহের কোলস্টেরলের ঝুঁকি কমায়। এতে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
৫. স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি।
৬. হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি ডালিমে রয়েছে বহু পুষ্টি উপাদান, যা দেহের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এতে অ্যানেমিয়া ও রক্তের নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
৭. প্রাকৃতিক ইনসুলিন ডালিম ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। অনেকেই একে ইনসুলিনের বিকল্প হিসেবে বলেন। এটি মিষ্টি হলেও সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের কোনো সমস্যা হয় না।
৮. ক্যান্সার প্রতিরোধী ডালিমের বেশ কিছু উপকার রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধ। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়।
৯. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী দেহে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ডালিম। এছাড়া এটি ফাংগাস ইনফেকশনের বিরুদ্ধেই ভূমিকা রাখে।
১০. শারীরিক অনুশীলনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি সুস্থ থাকার জন্য কিংবা ভালো পারফর্মেন্সের জন্য অনেকেই শারীরিক অনুশীলন করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুশীলনের পাশাপাশি ডালিম খাওয়া হলে তা কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
04/10/2022
আমলকির উপকারীতা।
আমলকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
2 No Gate Nasirabad
Chittagong
1212
