NANO WATER CUP

NANO WATER CUP

Share

my dreams help people’s aboud health and wealthy leaving life

27/11/2025

🥤 আপনি কি প্রতিদিন সাধারণ পানি খাচ্ছেন?
⛔ সেটাই হতে পারে আপনার শরীর দুর্বল হওয়ার প্রধান কারণ!
✅ NANO Alkaline Water Cup/Flask/ Stick এখনই ব্যবহার করুন – পানিকে করে তুলুন ক্ষারযুক্ত (alkaline), যা শরীরের এসিড দূর করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

Nano Flask/Stick দিয়ে প্রতিদিন শরীর ডিটক্স করুন – পেট, কিডনি আর গ্যাসের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সাধারণ পানি নয়, alkaline পানি পান করুন – সুস্থ থাকুন প্রাকৃতিকভাবে!

🔬 গবেষণায় প্রমাণিত – alkaline পানি:
✔️ পেটের গ্যাস, এসিডিটি দূর করে
✔️ ওজন কমাতে সাহায্য করে
✔️ ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক
✔️ হাড় শক্তিশালী করে, কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়ায়
✔️ শরীরকে ডিটক্স করে ও এনার্জি বাড়ায়

📦 এখনই অর্ডার করুন!
🛵 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
👉 এখনই অর্ডার করুন আর নিজেকে খুঁজে নিন নতুনভাবে!
📲 হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার করতে কল/মেসেজ করুন: +8801782606505
🔴 আমরা সুস্থ থাকলেই সুস্থ থাকবে সমাজ!

27/11/2025

👑ডাইবিডেক্স👑
ইনসুলিন মুক্ত জীবন গড়ুন
🌹ডাইবিডেক্স সেবন করুন🌹
বাংলাদেশের একমাত্র ISO সনদপ্রাপ্ত আয়ুর্বেদ কোম্পানি
ইনডেক্স ল্যাবরেটরিজ লিঃ এর একটি আয়ুর্বেদিক ঔষুধ
এর মূল উপাদান সিজিজিয়াম ।
যার প্রধান কাজ শরীরে ইনসুলিন তৈরীতে ভূমিকা পালনকারী অঙ্গগুলোকে( বিটাসেল) সক্রিয় করা।
ফলাফল, শরীরে ইনসুলিন তৈরী হওয়া এবং শরীর ডায়াবেটিস মুক্ত করা।
বিভিন্ন জন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন প্রচলিত পদ্ধতি গ্রহন করে থাকেন। তথা ইনসুলিন, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ইত্যাদি।
ডায়াবেটিসের কারণে যৌন জীবনে জটিলতা
ডায়াবেটিস একটি সাধারণ অবস্থা যা বিশ্বব্যাপী প্রায় 246 মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং আগামী বছরগুলিতে আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার ফলে বহু দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ব্লাড সুগারের অনিয়ন্ত্রিত মাত্রা পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই শরীরের বিভিন্ন অংশে, যেমন নার্ভ থেকে শুরু করে যৌন অঙ্গগুলির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।1 বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া দেখা যায়।
ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া কি?
ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া এমন একটি সমস্যা যা যে কোনও সময় ঘটতে পারে, সেটা যৌন উত্তেজনার মাঝেও হতে পারে অথবা যৌন ক্রিয়ার সমাপ্তিতেও হতে পারে এবং এর ফলে যৌন তৃপ্তির ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণতা থেকে যেতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
– যৌন সম্পর্কে আগ্রহের অভাব
– যৌন উত্তেজনায় অক্ষমতা
– সহবাসের সময় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে ব্যর্থতা বা বিলম্ব
– সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব করা
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে সাধারণত কোন যৌন সমস্যাগুলি লক্ষ্য করা যায়?
দীর্ঘকাল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের অবশেষে যৌন ক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে। ডায়াবেটিস সহ পুরুষরা যৌন ক্রিয়ায় নিম্নলিখিত সমস্যাগুলি অনুভব করতে পারেন:
– ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (ঋজুকরণের সমস্যা): ব্যক্তি সহবাসের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে বলিষ্ঠ ইরেকশন (ঋজুতা) পেতে অক্ষম হন। এটি ডায়াবেটিসের কারণে নার্ভের ক্ষতির ফলে বা সার্কুলেশনের সমস্যাগুলির জন্য ঘটে।
– বিপরীতমুখী বীর্যপাত: বীর্য পুরুষাঙ্গের মধ্য দিয়ে বাইরে না বেড়িয়ে পেটের দিকে মূত্রাশয়ে প্রবেশ করে।
– কার্ভড পেনিস (বাঁকা লিঙ্গ): ইরেক্ট অবস্থায় পেনিস বাঁকা আকৃতির হয়, যা সহবাসের পক্ষে কঠিন বা বেদনাদায়ক হয়ে দাঁড়ায়।
কম টেস্টোস্টেরন: পুরুষ হরমোন, টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ কমে যায়।
বন্ধ্যাত্ব: ব্যক্তি তার স্ত্রী সঙ্গীকে গর্ভবতী করতে সক্ষম নাও হতে পারেন।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে সাধারণ যৌন সমস্যা কোনগুলি?
ডায়াবেটিসের কারণে হরমোনের পরিবর্তন, রক্ত প্রবাহে পরিবর্তন এবং নার্ভের ক্ষতির ফলে মহিলাদের নিম্নলিখিত যৌন সমস্যাগুলি হতে পারে।
– উত্তেজিত হওয়া বা দীর্ঘ সময় উত্তেজনা ধরে রাখার অক্ষমতা
– যোনির অপর্যাপ্ত তৈলাক্তকরণ
– কামের চরম সীমায় পৌঁছানোর ব্যর্থতা
– বন্ধ্যাত্ব
– সহবাসের সময় ব্যথা
– ঘন ঘন যোনির সংক্রমণ
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের যৌন সমস্যার প্রধান কারণগুলি কি?
গবেষণায় দেখা গেছে যে ডায়াবেটিসে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়া রক্তনালী এবং নার্ভের ক্ষতির প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি। রক্তনালীগুলির উপরে এই ক্ষতিকারক প্রভাব যৌন অঙ্গগুলিতে রক্ত প্রবাহ কমিয়ে দেয় এবং নার্ভের ক্ষতি হওয়ার ফলে যৌন অঙ্গগুলির সংবেদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হরমোনের ভারসাম্যহীনতাও যৌন সমস্যা তৈরি করতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে ব্লাড সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যোনির শ্লেষ্মার হাইড্রেশনও কমে যেতে পারে, ফলে যোনিতে তৈলাক্তভাব কম থাকে এবং তাতে সহবাসের সময় ব্যথা সৃষ্টি হয়। গবেষণাগুলি থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে পরিবেশগত কারণ, ধূমপান, শরীরের বেশী ওজন এবং হাই ব্লাড প্রেশারের মতো স্বাস্থ্যের সমস্যার উপস্থিতি ডায়াবেটিসের বিকাশে অবদান রাখতে পারে এবং অবশেষে যৌন সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কি ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া রোধ করতে পারবেন?
যৌন সমস্যা সহ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উদ্ভূত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত জটিলতাগুলি বিলম্বিত করা এবং প্রতিরোধ করা সম্ভব।
নিম্নলিখিত টিপসগুলি এই জটিলতাগুলি প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে:
– আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন: ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন কারণ হাই ব্লাড সুগার এবং লো ব্লাড সুগার, দুটোই যৌন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
– নিয়মিত ব্যায়াম করুন: শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়ার বিকাশকে রোধ করতে পারে। তবে, লো ব্লাড সুগারের বিষয়েও সতর্ক হন কারণ সেটিও যৌন স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
– স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি করুন: তাজা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন পুরো দানার শস্য, শাকসবজি এবং ফল খান। চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশী করে খান। প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং প্রচুর পরিমাণে জল খান।
– স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন: নিয়মিত ওয়ার্কআউট এবং শারীরিক অ্যাক্টিভিটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আপনার ব্লাড সুগার এবং ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে।
– মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ: ডায়াবেটিস আবেগ সংক্রান্ত অশান্তি, ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া এবং গর্ভধারণেও অসুবিধার সৃষ্টি করতে পারে। পরামর্শদাতাদের সাথে আপনার সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন যাতে তারা আপনাকে যৌন সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে পারেন।
– আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে ধূমপান এবং মদ্যপান এড়িয়ে চলুন কারণ এগুলি ডায়াবেটিসের কারণে তৈরি হওয়া সমস্যাগুলিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
– ডায়াবেটিস এমন জটিলতার সৃষ্টি করে যা যৌনস্বাস্থ্য সহ শরীরের বিভিন্ন অর্গান সিস্টেমের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। তবে, একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অবশ্যই এই জটিলতাগুলির শুরুতেই বিলম্ব ঘটাতে পারে বা এমনকি সেগুলি প্রতিরোধও করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ডায়াবেটিসের কারণে তৈরি হওয়া এমন যৌন সমস্যাগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করতে পারে।
নিয়মিত ব্লাড সুগার পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসকের কাছে ফলোআপ করা সহ কিছু সাধারণ জীবনযাত্রার পরিবর্তন স্ট্রেসের মাত্রা কম করতে এবং একজন ব্যক্তির সামগ্রিক সুস্থতা উন্নত করতে সহায়তা করে।
একটি সুখী এবং সন্তোষজনক জীবন আপনার নিজের পছন্দের বিষয় – একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নিন; ডায়াবেটিসকে আপনার আনন্দ ছিনিয়ে নিতে দেবেন না!
ডায়াবেটিস হয়ে গেছে এমন কেউ যদি এই ডাইবিডেক্স ঔষুধটি নিয়মিত ধৈর্য্য ধরে সেবন করে যেতে পারেন,
আপনার শরীরে ইনসুলিন তৈরী হবে স্বাভাবিক হারে এবং এক সময় এই ঔষুধটিও সেবন করতে হবে খুব সামান্য পরিমানে। যেখানে বর্তমান প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে ঔষুধ সেবন বা গ্রহনের মাত্রা ক্রমাম্বয়ে বাড়তে থাকে।
ডাইবিডেক্স সেবনের ফলে একসময় ডায়াবেটিসের জন্য আপনার কোন ঔষুধ গ্রহনের প্রয়োজন হবে না।
,,.প্রথম দিকে “ডাইবিডেক্স” ঔষুধ টির পাশাপাশি আপনার নিয়মিত ঔষুধগুলোও চলবে।
যখন আপনার সুগার লেবেল নিয়ন্ত্রন পর্যায়ে অর্থাৎ ৬ বা ৭ বা ৮ হবে এবং তা নিয়মিত হবে, তখন আপনার ঔষুধ, তথা ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল সেবনের হার কিছুটা কমাতে হবে, আর ইনসুলিন হলে তা কিছু পরিমান কমাতে হবে
যেমন ২০ থাকলে ১৮ করতে হবে।
৭ থেকে ১০ দিন যাওয়ার পর যদি ফলাফল একই থাকে, তাহলে আবারও কিছুটা কমাতে হবে ঔষুধের পরিমান।
এভাবে ক্রমাম্বয়ে কমাতে কমাতে এক সময় সেই প্রচলিত ঔষুধগুলোও বাদ হয়ে যাবে।
বিঃ দ্রঃ
ডাইবিডেক্স এর পাশাপাশি (অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে) কিছু ঔষুধের প্রয়োজন হয়।
বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্সে/ নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন:
Mobile/WhatsApp Number 01782606505

** কুরিয়ারে ৬৪ জেলায় ঔষধ পাঠানো হয়।

27/11/2025

লক্ষ্য টাকা কুটি টাকা যদি বাচাতে চান তবে কস্ট করে পড়ে নিন।

*এলকালাইন পানি পান করে ডায়বেটিস ও গ্যাসট্রিক মুক্ত হোন*

হ্যাঁ বিশুদ্ধ পানি পানের মাধ্যমেই শরীরের জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব তবে সে পানি হতে হবে বিশুদ্ধ এবং (alkaline) এলকালাইন পানি।

পৃথিবীতে খুব কম মানুষ এলকালাইন (alkaline) পানির প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা সম্পর্কে জানে। আমাদের শরীরের এসিড এবং ক্ষারের বালেন্স ঠিক রাখার জন্যে এলকালাইন (alkaline) পানি পান করা দরকার। এসিডিক শরীর রোগ বালাইয়ের বাসা। নিয়ম মেনে এলকালাইন খাবার এবং এলকালাইন পানি পান করুন, দীর্ঘ দিন সুস্থ ভাবে বাচুন এবং রোগাক্রান্ত অবস্থায় (Alkaline) পানি পান করে রোগমুক্তি লাভ করুন।

পানির অপর নাম জীবন। অগণিত বার শুনেছি কিংবা পড়েছি।তবে সেই পানি হতে হবে বিশুদ্ধ কিন্তু
বর্তমানে যে প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয় তাতে পানির মধ্যে অবস্থিত খনিজ পদার্থ তথা পানির উপাদান সমূহ নষ্ট হয়ে যায় ফলে পানি পান করে শরীরের ঘাটতি পূরন হওয়ার কথা তা হয় না বরং পানির মাধ্যমে আমরা রোগাক্রান্ত হচ্ছি।

*পানি সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্যসমূহ*
বাংলাদেশের ডায়বেটিস সহ শতকরা ২৪ ভাগ রোগ পানিবাহিত। একজন মানুষের সুস্থ ভাবে জীবন যাপনের জন্য দৈনিক কমপক্ষে ২-৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা প্রয়োজন। মানব দেহ গঠনের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পানির পরিমাণ ৭০ ভাগ। গোটা পৃথিবীতে পান যোগ্য পানির পরিমাণ শতকরা ২ ভাগ। বিশ্বস্বাস্হ্য সংস্হা জরিপে দেখা গিয়েছে জীবননাশী ক্যান্সার শতকরা ৭৫-৮০ ভাগই পানি এবং পরিবেশ থেকে সৃষ্ট হয়ে থাকে। সর্বশেষ সমীক্ষায় পানিতে সনাক্তকৃত জৈব পদার্থের সংখ্যা প্রায় ৭০০টি যার কিছু অংশ ক্যান্সার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে এবং মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের জরায়ু সংক্রামন এবং মূত্রনালীর বিভিন্ন ধরনের সংক্রামণের জন্য দায়ী। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা যে পানি পান করি কিংবা আমাদের প্রচলিত বিশুদ্ধ করণ প্রক্রিয়াটি কি সঠিক? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ধরনের প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে-

১. পানি ফুটানো বা সিদ্ধ করণপ্রণালীঃ
ফুটন্ত পানি শতভাগ বিশুদ্ধকরণ প্রণালীর বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই।

২. ডিষ্টিলেশন পদ্ধতিঃ
এই প্রক্রিয়ায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমান 2 PPM (Parts Per Million) থাকে যা পানের অনুপযোগী।

৩. ওজোনেশন পদ্ধতিঃ
দ্রবীভূত অনাকাঙ্খিত রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তীত থাকে যা আমাদের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।

৪. UV (Ultra Violet) পদ্ধতি:
এই প্রক্রিয়াটি অত্যান্ত ব্যয় বহুল এবং কার্যকারিতার দিক দিয়েও পিছিয়ে। যেমন: UV Ray- এর মাধ্যমে প্রবাহমান পানি সম্পূর্ণ রূপে বিশুদ্ধ হয় না। ক্ষতিকারক ভাইরাস এর তেমন পরিবর্তন হয় না এবং অজৈব পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। এটি Nephelometric Turbidity Units (NTU) কর্তৃক প্রমাণিত।
বাংলাদেশে পরীক্ষিত প্রায় ১৪ লক্ষ টিউবওয়েল এর মধ্যে আর্সেনিক বিদ্যমান, যা ত্বকের ক্যান্সার ও শারীরিক অসুস’তার জন্য দায়ী। Supply Water-এ ক্লোরিন সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থের আধিক্যতা রয়েছে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

সুস্বাস্থ্যের জন্য এবং রোগকে দূরে রাখার জন্য আমাদের জানতে হবে কিভাবে, কি নিয়মে এলকালাইন পানি পান করতে হবে। প্রতিনিয়ত আমরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। নিয়ম মেনে চলতে পারলে অনেক রোগের আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে পারি।

সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে যেভাবে এলকালাইন পানি পান করতে হবে
ভোরে পানি পানের উপকারীতার তালিকায় ত্বকেরর ঔজ্জ্ব্লতা, কোষের কর্মক্ষমতা, লসিকা গ্রন্থির ভারসাম্য,মলাশয় পরিশোধণ সহ রয়েছে নানা জটিল রোগের ঝুঁকি হ্রাস। শরীরের সুস্থভাব ধরে রাখতে জানতে হবে কোন অবস্থায় কি পরিমাণ এলকালাইন পানি পান করতে হবে। যেমন- দেড় লিটার (৫-৬ গ্লাস) পানি ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথে পান করতে হবে।

পানি পানের ১ঘন্টা আগে-পরে অন্য কিছু খাওয়া যাবে না।

প্রথম প্রথম একসাথে ৫-৬ গ্লাস পানি পান করা কষ্ট সাধ্য মনে হবে। তাই এর জন্য প্রয়োজন প্রতিদিন চেষ্টা করা এবং অল্প অল্প করে পরিমাণ বাড়ানো। যখন অভ্যাস হয়ে যাবে সে নিয়ম ধরে রাখতে হবে। যা আপনার সুস্বাস্থ্যকে ধরে রাখবে।

*যে সব বিষয় খেয়াল করতে হবে*

ঘু্ম থেকে উঠে, দাঁত ব্রাশ করার আগে করে ৪ গ্লাস এলকালাই পানি পান, তারপর ব্রাশ করে নিতে হবে। কিন্তু কিছু খাওয়া যাবে না।

৪৫মিনিট পর সকালের নাস্তা করতে হবে। নাস্তার শেষ করে ২ঘন্টা অন্য কিছু পান বা খাওয়া যাবে না।

বৃদ্ধ বা অসুস্থ হলে একসাথে ৫-৬ গ্লাস করে পানি পান না করে, প্রথমে ২গ্লাস, বিরতি দিয়ে পরে ২ গ্লাস এভাবে চালিয়ে যেতে হবে।

এভাবে ধৈর্য্য ধরে প্রতিদিন এক নিয়ম পালন করে যেতে পারলে ১৮০ দিনে ক্যান্সার, ৯০ দিনে যক্ষা রোগ, ৩০ দিনে ডায়াবেটিস, ১০ দিনে গ্যাসট্রিক ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করার বিশেষ সক্ষমতা আপনার শরীরে তৈরী হবে।
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে স্তন ক্যান্সার, কিডনিতে পাথর,অ্যাজমা, উচ্চরক্ত চাপ, আথ্রাইটিস, সাইনোসাইটিস ইত্যাদি রোগ আক্রমণ করবে খুব সহজেই। আর পর্যাপ্ত এলকালাই পানি নিয়ম করে পান করলে মুক্তি মিলবে অনেক কিছু থেকে। কেননা আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় পানি প্রয়োজন হয় ৭০% ,মস্তিষ্কের কোষ-৮০%,পেশী-৭৫%,হাড়-২৫% রক্ত ৮২% পানি দিয়ে গঠিত।

জাপানের মেডিকেল সোসাইটির গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে নিয়ম মেনে পানি পান থেরাপির মত কাজ করে থাকে। যা নানা রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ঔষধ ছাড়াই বেশ কিছু রোগ “এই ওয়াটার থেরাপির” মাধ্যমে দূরে করা যায়। তবে সেটি নির্ভর করছে আপনি দৈনিক কিভাবে পানি পান করছেন তার উপর।

১২টি স্বাস্থ্যগত কারণে প্রতিদিন এলকালাইন পানি পান করা প্রয়োজনঃ
পানির (water) অপর নাম জীবন, এই কথাতে কারোই কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করাকে অবহেলা করি, জেনে বা না জেনে। কিন্তু এটা আমাদের জানা উচিত যে পর্যাপ্ত পানি পানের অগনিত উপকারিতা রয়েছে। এই পোস্টে ১২ টি স্বাস্থ্যগত কারনের কথা উল্লেখ করা হল, যেগুলো আপনাকে জানতেই হবে দেহকে রোগমুক্ত রাখার জন্য। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক।

১. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে এবং খাদ্য বিপাকে পানিঃ প্রচুর পরিমাণে পানি আমাদের দেহের খাদ্য বিপাকে (metabolism) সাহায্য করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

২. পানিশূন্যতা রোধেঃ আমাদের শরীরে ক্লান্তি এবং মাথাব্যথার মূলত হয় পানিশূন্যতার কারণে, কাজেই পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

৩. পরিপাকতন্ত্রে সাহায্যকারীঃ পানি আমাদের দেহের পরিপাকক্রিয়া ভালো ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা যদি পানি কম পান করি, আমাদের পরিপাকতন্ত্রে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যা দেখা খুবই স্বাভাবিক। পরিপাক তন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতার জন্য পানি পানের বিকল্প নেই।

৪. ত্বকের যত্নে পানিঃ পানি শরীরের ত্বক উজ্জ্বল এবং পরিস্কার রাখে। কাজেই ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় (water for skincare) প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

৫. মস্তিস্ক এবং দেহের সুরক্ষায় পানিঃ আমাদের মস্তিস্কের এবং শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তির প্রধান উৎস যোগায় পানি ।

৬. দেহের ক্ষতিকর উপাদান রোধেঃ পানি আমাদের শরীরের ক্ষতিকর উপাদান গুলো কে ছেঁকে নিয়ে দেহ কে পরিস্কার করে এবং রক্ত চলাচল সহজ করে দেয়। তাই যতটুকু পারুন, পান করুন পানি।

৭. মৃত কোষ দূর করেঃ পানি দেহের মৃত কোষগুলো কে দূর করে দেহ কে সতেজ করে তোলে। তাছাড়া আমাদের দেহের ৮০% পানি। নতুন কোষগুলোর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দরকার। যদি কম পানি পান করি, কোষগুলোর পানির চাহিদা মেটানো যাবে না, আর তখন শরীর সতেজ থাকবেনা।

৮. দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেঃ পানি আমাদের দেহের তাপমাত্রা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেহকে সুস্থ রাখে।

৯. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ পানি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দেহ কে শক্তিশালী রাখে। তাছাড়া অনেক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি ।

১০. সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর তরলঃ এই পৃথিবীতে সবচেয়ে উপকারী এবং সবচাইতে স্বাস্থ্যকর তরল হল পানি। পানি তে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, নেই কোন ক্যালোরি।

১১. শরীরের ওজন হ্রাসেঃ ওজন নিয়ে আমাদের অনেকেরই চিন্তার কোন শেষ নেই। তাদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী হলো পানি। আপনি যদি পর্যাপ্ত পানি পান করেন, তাহলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন যে ওজন উল্লেখযোগ্য ভাবে কমছে।

১২. দাঁত এবং হাড়ের সুরক্ষায়ঃ বিস্ময়কর হলেও এটা সত্যি যে পানি আমাদের দেহের হাড় মজবুত করে এবং দাতেঁর রোগ থেকে মুক্তি দেয়।

এই ১২ টি উপকারিতা ছাড়াও পানির অসংখ্য উপকারিতা আছে, যেগুলো আপনারা পান করলে বুঝতে পারবেন।

যে পরিমাণ এলকালাইন পানি পান করবেন (amount of water you should drink)

এলকালাইন পানি তো পান করব, কিন্তু কতটুকু? কেউ বলেন ৮-১০ গ্লাস, আবার কেউ বলেন দেড় লিটার। আসলে আপনার দেহের জন্য কোনটি ভালো, সেটা আপনাকে বের করে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নিলেই আপনি বুঝতে পারবেন কোনটি আপনার জন্য ভালো হবে। আপনার কি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস আছে? তাহলে আমাদের সাথে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না যেন । ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, বিশুদ্ধ এলকালাই পানি হোক আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন। আমাদের সাথে থাকুন।৷৷ ৷৷৷ সংগ্রহ
WhatsApp Number 01782606505
Md Moniruzzaman

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


TIJARATH BHABAN 314 SK MUJIB Road CHATTOGRAM
Chittagong
4100