Online solution bd

Online  solution bd

Share

products Service

13/01/2022

টমেটো একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। কাঁচা কিংবা পাকা দুভাবে টমেটো খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। অনেকে আবার সালাদে টমেটো খেয়ে থাকেন। শুধু খাবারে স্বাদই বাড়ায় না, টমেটো থেকে তৈরি হয় নানা রকমের কেচাপ, সস।

• পুষ্টিতে ভরপুর টমেটো। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট এবং পটাসিয়াম। টমেটো থেকে আরও পাওয়া যায় থায়ামিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কপার। এ ছাড়াও এই এক কাপের টমেটোর মধ্যেই থাকে দুই গ্রামের মতো ফাইবার। অনেকটা পানিও রয়েছে এর মধ্যে।

• চর্মরোগের জন্য টমেটো অত্যন্ত কার্যকর উপাদান। ত্বকে যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকে, তবে প্রক্রিয়াজাত করে টমেটোর ব্যবহার করতে পারেন। চর্মরোগ নিরাময়ে এর রস কাজ করে থাকে।

• মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে টমেটো বেশ কার্যকর। এর রস মুখের ত্বক মসৃণ ও কোমল করে। বয়স বাড়তে থাকলে মানুষের মুখে যে বয়সের ছাপ পড়ে, তা টমেটো দেওয়ার ফলে সেই ছাপ লুকাতে সাহায্য করে।

• এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি বা দুটি টমেটো খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করে।

• রক্তস্বল্পতা দূরীকরণে সাহায্য করে। যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। প্রতিদিন
এক বা দুইবার টমেটো খেলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা অনেকটাই দূর হতে পারে।

• সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও টমেটো বেশ কার্যকর। সর্দি-কাশি হলে এক বা দুটি টমেটো নিয়ে স্লাইস করে অল্প চিনি বা অল্প লবণ দিয়ে পাত্রে গরম করে স্যুপ তৈরি করে খেতে পারেন। এর ফলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাবেন।

• জ্বরের নিরাময়ে সহায়ক। গায়ের তাপমাত্রা নানান কারণে বাড়তে পারে। সামান্য জ্বর হলে টমেটো খেলেই আরাম পেতে পারেন।

• মাড়ি থেকে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ভিটামিন সির অভাবে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাত হয়। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। তাই প্রতিদিন একটি করে টমেটো খেলে মাড়ি থেকে যদি রক্তপাতের বিষয় থাকে উপকার পাবেন।

• নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক সুস্থ থাকে। আর ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার পরিমাণ কমে যায়।

• টমেটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ। যা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই নিয়মিত টমেটো খেতে পারেন।

• এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। যা হাড়ের জন্য অনেক উপকার। আপনার হাড় দুর্বল থাকে তবে টমেটো খেতে পারেন।

টমেটো সস ও কেচাপ যেকোনো খাবারের সঙ্গে বিশেষ করে মুখরোচক ভাজাভাজি বা নাশতার সঙ্গে খেলে মজা লাগে। আজকাল নানা নতুন কায়দার গরুর মাংস, মুরগির মাংস রান্নায় টমেটো সস মেশানো হয়। তাতে স্বাদে ভিন্নতা আসে। খেতেও সুস্বাদু হয়।

13/01/2022

press CARD NEWS press CARD NEWS
মটরশুটি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা!
মটরশুটি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা!
353d0 views6 shares
প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক : মটরে অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস, দুর্বল হাড় এবং ক্লান্তির জন্য ব্যবহারে উপযুক্ত। মটর একটি প্রোটিন এবং ফাইবারের একটি প্রাকৃতিক উত্‍স। ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়ক প্রমাণ করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে মটর খাওয়া কমাতে হবে। আজ আমরা আমাদের গল্পে আপনাকে বলব কখন মটর খাওয়া উচিত্‍ নয় এবং কখন খাওয়া উচিত্‍।
ক্লান্তিতে মটর কার্যকর

আপনি কি সারাদিন ক্লান্তি ও হতাশাগ্রস্ত বোধ করেন? যদি হ্যাঁ, তবে অবশ্যই আপনার ডায়েটে মটর অন্তর্ভুক্ত করা উচিত্‍। মটর প্রোটিন গ্রহণের প্রাকৃতিক উত্‍স হওয়ার পাশাপাশি মটর শরীরে শক্তি দেওয়ার জন্যও কাজ করে। মটর ব্যবহার আপনার ক্লান্তি দূর করবে এবং আপনি আরও সক্রিয় থাকবেন।

ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের
মটর অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত্‍। দিনের কোনও একরকম খাবারের সাথে মটরটি অন্তর্ভুক্ত করা সুবিধাজনক বলে প্রমাণিত হবে। মটর প্রোটিন আপনার দেহে ইনসুলিন স্তর নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এগুলি ছাড়া মটর ব্যবহারের সুবিধা হ'ল আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়বে না। এটি চিনির স্তর স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
দুর্বল হাড়ের জন্য,
নিয়মিত মটর খাওয়া হাড়ের দুর্বল অভিযোগগুলির জন্যও উপকারী হবে। আপনি দিনে একবারে যে কোনও খাবারে মটর ব্যবহার করতে পারেন। মটরে পাওয়া ভিটামিন কে হাড়ের ব্যাস বজায় রাখতে এবং শক্তিশালী করতে কাজ করে। শরীরের জন্য ভিটামিন কে এর গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। অস্টিওপোরোসিস হাড়ের একটি রোগ। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
পেটের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
মটর পেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে। ২০০৯ সালে মেক্সিকো সিটিতে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মটর এবং মটর ডাল দৈনিক গ্রহণের ফলে পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
ক্ষতি :

যদি আপনার পেট ফাঁপা হওয়ার সমস্যাটি মোকাবেলা করতে হয় তবে মটর খাওয়ার পরিমাণ হ্রাস করা উচিত্‍। দুর্বল হজমের কারণে মটর অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ গ্যাস তৈরি করবে। কোষ্ঠকাঠিন্যে এমনকি মটর ব্যবহার এড়ানো উচিত্‍। একটি জিনিস সর্বদা মনে রাখবেন যে মটরশুটি তখনই উপকারী হতে পারে যখন আপনার পেট সুস্থ থাকে।
যাদের ডায়রিয়ায় সমস্যা আছে বা যে লোকেরা মটরশুটি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করেন, তাদের উচিত্‍ এটি বেশি পরিমাণে সেবন না করা । একই সাথে যে সমস্ত লোকজন ওজন হ্রাস করতে চান,তাদের মটর খাওয়া উচিত্‍ নয় কারণ মটরে প্রচুর ফাইবার থাকে।

12/01/2022

আমড়ার উপকারিতা ও গুণাগুণ আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আমড়া আমাদের সকলের নিকট প্রিয় একটি ফল। আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য পরিমাণে প্রোটিন, পেকটিন জাতীয় ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেই আমড়ার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে-


আমড়ার উপকারিতা ও গুণাগুণঃ
১। আমড়াতে বিদ্যমান পেকটিন জাতীয় ফাইবার বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

২। আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয় এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা, কাশি ও কফ দূর করে এ ফলটি।

৩। আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে স্ট্রোক ও হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং শরীরের পেশী গঠনে সহায়তা করে।

৪। আমড়াতে রয়েছে আপেলের চেয়েও বেশি পুষ্টিগুণ। কাঁচা অবস্থায় এটি টক থাকে, পেকে গেলে টকভাব খানিকটা চলে যায়। এই ফলটি কাঁচা-পাকা, রান্না করে কিংবা আচার বানিয়ে খাওয়া হয়।

৫। আমাদের ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখতে আমড়া বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। যারা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্য আমড়া খুবই উপকারী। কারণ আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সহয়তা করে।

12/01/2022

কুমড়ো অনেকেরই খুব প্রিয় সবজি। ভিটামিন-এ তে ভরপুর কুমড়ো মানবদেহের জন্যও উপকারী। সবজি হিসেবে কুমড়ো দেহের নানারকমের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে। কুমড়োতে আছে ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান সমূহ যেমন লিউটিন, জ্যানথিন এবং আরও অনেক উপাদান। কুমড়োতে ক্যালোরিও বেশ কম থাকে।

চোখের স্বাস্থ্য উন্নতি করে
কুমড়োর ভিটামিন-এ উপাদান চোখের জন্য খুবই ভালো। বিশেষ করে যারা কম বা অস্পষ্ট আলোর মধ্যে থাকে, তাদের কুমড়োর ভিটামিন-এ চোখকে কর্নিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে।
কুমড়ো মানবদেহের সুস্থ ত্বক গঠনে সাহায্য করে থাকে ও দেহে টিস্যু তৈরি করতে সহায়তা করে থাকে। কুমড়োতে আছে এমন একটি উপাদান যার নাম ক্যারটিনয়েড এবং এই উপাদানটি চোখে ছানি পড়া ও যেকোন বয়সে চোখের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে থাকে। তাই দেরি না করে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কুমড়ো রাখাটা খুব দরকার।

দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
কুমড়ো হল বিভিন্ন ধরণের ভিটামিনের ভাণ্ডার। এতে আছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-এ, সি, ই, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও অনেক উপাদান। বিশেষ করে ভিটামিন এ মানদেহের টিস্যুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ যা টিস্যুকে রক্ষা করে থাকে। কুমড়োর বিশেষ উপাদান বিটা-ক্যারোটিন মানবদেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে
কুমড়োতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম৷ কিন্তু এতে ফাইবার ও পটাশিয়াম আছে প্রচুর পরিমানে। কুমড়োর ফাইবার উপাদান দেহের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন করে থাকে। পটাশিয়াম দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় জল ও লবণ বের করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই চাইলে প্রতিদিন কুমড়ো জুস করে খাওয়া যেতে পারে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।

দেহের জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করে
কুমড়োর ক্যারটিনয়েড এর জন্য রং উজ্জ্বল কমলা হয়ে থাকে এবং এটি দেহের জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে থাকে।
এই সবজির বিটা-ক্যারোটিন উপাদান মানবদেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে৷ আলফা-ক্যারোটিন উপাদান দেহে টিউমার হওয়া থেকে রক্ষা করে। কুমড়োর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-ই মানবদেহকে ক্যান্সার ও আজঝেইমার রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে
পুষ্টি ও ফাইবারে ভরপুর কুমড়ো খেলে দেহের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। কুমড়ো দেহের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে৷ ডায়রিয়া সমস্যায় দূর করতে সাহায্য করে এবং কাঁচা কুমড়োর রস মানবদেহের অ্যাসিডিটি সমস্যা রোধ করে।
সবসময় সুস্থ থাকতে চাইলে এক গ্লাস কুমড়োর জুসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ৩ বেলা খাওয়া যেতে পারে৷ কিন্তু, এই জুস যেকোন ভারী খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে খেতে হবে।

দেহের ত্বক সুরক্ষা করবে ও বয়স কম দেখাবে
কুমড়োর আসল উপাদান ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন মানবদেহের ত্বক খুব ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং দেখতে কম বয়স্ক লাগে। ভিটামিন-এ ত্বককে সুরক্ষা করে ও বিটা-ক্যারোটিন, সূর্যের তাপে ত্বকের যে সমস্যা হয়ে থাকে তা রোধ করে। ভিটামিন-বি ও সি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ও স্বাস্থ্যবান চামড়া তৈরিতে সহায়তা করে। ভিটামিন বি5 ত্বকের যেকোন দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম করার পর দেহে কুমড়োর উপকারিতা
ব্যায়াম করার পর খাদ্য হিসেবে কুমড়ো খাওয়া যেতে পারে৷ তারসঙ্গে মিষ্টি আলুও খাওয়া যেতে পারে। এই খাবার মানবদেহে প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট এর যোগান দিয়ে থাকে।
কুমড়ো মানবদেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে তো রাখেই, পাশাপাশি দেহের সুস্থ পেশি তৈরিতেও সাহায্য করে। যারা সাধারণত অ্যাথলেটিক ট্রেনিং নিয়ে থাকেন, তাদের জন্য কুমড়ো বেশি করে খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি।

গর্ভবতী নারীর জন্য কুমড়ো
যে কোন নারীর গর্ভকালে কুমড়ো খাওয়া উচিত৷ কারণ এটি দেহে অনেক বেশি শক্তি যোগায় ও গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের জন্য কুমড়ো অনেক উপকারী খাদ্য। এটি পাশাপাশি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কুমড়োর আয়রন বাচ্চাকে অক্সিজেন দিতে সাহায্য করে ও মায়ের রক্তশূন্যতা রোধ করে।

দেহের উর্বরতা বৃদ্ধি
কুমড়োর এর বীজে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স৷ যা মানবদেহের উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। কুমড়োর ভিটামিন-ই উপাদান নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহের উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে৷ মানবদেহের কোষকে বিষাক্ত পদার্থ থেকে রক্ষা করে। এই সবজি পুরুষদের সুস্থ শুক্রাণু তৈরিতে সাহায্য করে ও নারীদের জরায়ুজনিত কোন সমস্যা থাকলে তা রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। কুমড়োর বীজে আরও আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড৷ যা দেহের উর্বরতা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কুমড়ো প্রজনন অঙ্গে রক্ত প্রবাহ করে, হরমোন নিয়ন্ত্রন করে ও মানসিক চাপ দূর করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে দেয়
কুমড়োতে আছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম উপাদান৷যা মানবশরীরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে থাকে৷ ভিটামিন-সি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে। তাছাড়া কুমড়োর বিভিন্ন উপাদান দেহের কিডনি, লিভার, হার্টকে সুস্থ রাখে। কুমড়োর ফাইবার দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রেখে দেহকে স্ট্রোক করার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।

12/01/2022

শীত মানেই তাপমাত্রার ওঠানামা। সঙ্গে নানাবিধ জীবাণুর দাপাদাপি তো রয়েছেই। ফলে নানা রোগের আক্রমণে শরীর ভাঙতে সময় লাগে না। আর এমন পরিস্থিতিতে শরীরকে নানা রোগের মার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। গবেষণা বলছে, লাউয়ের ভিতরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, বি এবং ডি, সেই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফোলেট, আয়রন এবং পটাশিয়াম, যা নানাবিধ রোগের হাত থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও নানা উপকারে লাগে শরীরের। যেমন ধরুন-

ওজন কমে চোখে পরার মতো

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, যে কোনও ভাবেই হোক, তা তরকারি বানিয়ে অথবা রস হিসেবে, লাউ খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে খিদে কমে যায়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কমে খাওয়ার পরিমাণও। আর কম খেলে ওজন যে দ্রুত কমে, তা কি আর বলাপ অপেক্ষা রাখে।

স্ট্রেস লেভেল কমে চোখের পলকে

লাউয়ে রয়েছে কোলন নামক এক ধরনের নিউরো ট্রান্সমিটার, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস লেভেল তো কমেই। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশনসহ একাধিক মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশকে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটির কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতাই তো রোজের ডায়েটে লাউকে রাখার প্রয়োজনও যে বেড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

কনস্টিপেশন এবং নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে

অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে বদ হজম এবং গ্যাস-অম্বল তো বাঙালির রোজের সঙ্গী। তার উপর কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা তো আছেই। এমন পরিস্থিতিতে পেটকে চাঙ্গা করে তুলতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পানি এবং ফাইবার, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটায়ই, সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শরীরে পানির অভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমে

শরীরকে চাঙ্গা রাখতে পানির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীর তার প্রয়োজনীয় পানি না পেলে দেখা দেয় নানা রকমের রোগ। তাই তো দেহের ভিতরে যাতে পানির ঘাটতি দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। আর ঠিক এই কারণেই ভাতের পাতে লাউ থাকা মাস্ট! আসলে এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পানি, যা দেহের ভিতরে পানির অভাব মেটাতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তেমনি ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে

উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা যারা ভুগছেন তাদের ডায়েটে লাউ দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ থাকা বেজায় জরুরি! কারণ এতে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল হয়ে ওঠে। আর হার্ট যখন চাঙ্গা হয়ে ওঠে তখন সার্বিকভাবে আয়ুও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

ইনসমনিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, রাতের খাদ্যাভ্যাসের কারণে সিংহভাগ বাঙালিরই ঠিক মতো ঘুম হয় না। ফলের দিনের পর দিন এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার মতো সমস্যা ঘারে চেপে বসে। তাই আপনিও যদি এমন রোগে আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে লাউয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না যেন! কারণ একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে, নিয়মিত লাউ খাওয়া শুরু করলে, বিশেষত লাউয়ের রস, অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়। ফলে বিনিদ্র রাত্রি যাপনের আশঙ্কা আর থাকে না বললেই চলে।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো

লাউয়ে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ত্বক ভিতর থেকে স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। ফলে সৌন্দর্য তো বাড়েই। সেই সঙ্গে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই তো প্রতিদিন লাউয়ের রস বা এই সবজিটি দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, লাউ খাওয়া শুরু করলে আরও বেশ কিছু উপকার মেলে। যেমন ধরুন মাত্রতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সেই সঙ্গে ব্রণের মতো ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার

12/01/2022

আমলকির ৩০টি জাদুকরি উপকারিতা ও অপকারিতা
Mahamudul HasanAugust 16, 2021
আমলকী (Amla) হলো আমাদের দেহের জন্য সবচাইতে উপকারি ভেষজের মধ্যে একটি। ফলে এটি আপনি নিয়মিত খেতে পারেন। আমলকিতে জাদুকরি সব উপকারিতা রয়েছে।

নিয়মিত এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে, খান একটি করে আমলকী। কিংবা আমলকীর আচার, খেতে পারেন আমলকীর মোরব্বা বা আমলকীর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকী আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর সব উপকারিতা। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি নিয়মিত আমলকী খাওয়ার ৩০টি উপকারিতা (Amla benifits) ও অপকারিতা সম্পর্কে।

আমলকির-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
আমলকির উপকারিতা ও অপকারিতা
আমলকির ৩০টি জাদুকরি উপকারিতা:
১) বদ হজমে
হজম বৃদ্ধিতে আমলকীর কোন তুলনা হয় না। অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও আমলকী দারুণ ভাবে কাজ করে।

২) বমি ভাবে
অনেকেরই বমি ভাবের সমস্যা থাকে। এমন ক্ষেত্রেও আমলকী খুবই উপকারী।


৩) মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতায়
মাথা ও হৃদয়ের বেশ কিছু সমস্যার ক্ষেত্রে আমলকী উপকারি কাজ করে। মাথায় রক্ত চলাচল করতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি করে।[Amloki English]


৪) হৃদয়ের সুস্থতায়
হৃদয় ও ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

৫) ব্লাড সুগারে
ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

৬) কোলেস্টেরলে
আমলকী কোলেস্টেরলের লেভেল কম রাখতে যথেষ্ট সহযোগিতা করে।

৭) ভিটামিনের ঘাটতিতে
শরীরে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি১, বি২– এর ঘাটতি পূরণ করে।

৮) ত্বকের লাবণ্যে
আমলকি ত্বকের লাবণ্য বৃদ্ধি করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের কালো ছাপ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৯) রক্ত পরিশ্রুত করতে
রক্ত পরিষ্কার করতে আমলকি খুবই ভালো কাজ দেয়।[Amloki English]

১০) সর্দি-কাশিতে
সর্দি-কাশির সমস্যায় ভালো কাজ দেয় আমলকী।

১১) হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিসে
হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিস থাকলে প্রতিদিনই আমলকী খাওয়া উচিত। ফলে এই সমস্ত সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

১২) অরুচিতে
আমলকীর টক ও তেঁতো মুখে রুচি ও স্বাদ বৃদ্ধি করে। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সাথে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১৩) খিদে বাড়াতে
ক্ষুধা-মান্দে যারা ভুগছে, তাদের খিদে বাড়াতে সহায়তা করে এই টক ফলটি।

১৪) পেটের সমস্যায়
পেটের পীড়ায় উপকারি এই ফলটি।

১৫) পাইলসে
পাইলসের সমস্যা দূর হয় এই ফল খেলে।

১৬) রক্তশূন্যতায়
রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে আমলকী। রক্ত তৈরীতে সাহায্য করে। লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।[Amloki English]

১৭) দাঁত ও নখে
রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভালো রাখে। শক্ত করে।

১৮) ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধে
আমলকীর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।

১৯) মেদ কমাতে
যাঁরা মোটা হয়ে যাচ্ছেন বলে দুশ্চিন্তা করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকী।

২০) যৌন সমস্যায়
অনেকেই যৌন সংক্রান্ত নানা রকম সমস্যায় ভুগে থাকেন। সেই সমস্যা দূর করতে পারে আমলকী। আমলকী যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।


২১) চুলের সমস্যায়
আজকাল চুলের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমলকী চুলের সমস্যায় খুবই ভালো।

২২) চুল ঝরায়
চুল ঝরার সমস্যা বন্ধ করতে আমলকী (Amla) খুবই উপকারী। নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলের বৃদ্ধি তরান্বিত করে।

২৩) অকালপক্কতায়
অকালপক্কতায় আমলকী খুব ভালো। চুল কালো করতে পারে আমলকী।[Amloki English]

২৪) খুসকিতে
আমলকী খুসকির জন্য খুবই উপকারী। চুলের গোড়া শক্ত করে আমলকী।

২৫) অনিদ্রায়
ঘুমের সমস্যা অর্থাৎ অনিদ্রা থাকলেও আমলকী তার প্রতিকার করতে পারে।

২৬) ডিজেনারেশন প্রতিরোধ
চোখের সব রকমের রোগের ক্ষেত্রেই উপকারী আমলকী। ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সাথে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

২৭) চোখের সমস্যা
চোখে ফুসকুড়ি, চোখ থেকে জল পড়া, চোখে চুলকানি ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় আমলকী। আবার দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে পারে আমলকী।

২৮) নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ
নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে আমলকী।

২৯) গর্ভবতী ও নবজাতকের জন্য
গর্ভবতী মহিলাদের ও নবজাতকের জন্যও আমলকী খুব ভালো।[Amloki English]

৩০) রোগ প্রতিরোধ
আমলকীর থেকে যথেষ্ট পরিমাণ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করা যায়।

আমলকির-উপকারিতা-ও-অপকারিতা

12/01/2022

রসুন একটি মসলা জাতীয় খাদ্য উপাদান। রান্নার মসলা হিসেবে রসুনের ব্যবহার সৃষ্টির শুরু থেকে চলে আসছে। রান্নায় স্বাদকে বাড়ানোর ক্ষেত্রে শুধু নয়, রসুনের পুষ্টিগুণ রসুনকে পৌঁছে দিয়েছে মসলার অন্যতম তালিকার মধ্যে। তাই রান্নার পাশাপাশি রসুন স্বাস্থ্য ভাল রাখার ঔধষ হিসেবেও কাজ করে। অনেক বছর আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন রোগ নিরায়মের জন্য ব্যবহার করে আসছে। রসুনে প্রচুর পরিমাণের রয়েছে ময়শ্চার, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেল ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট। ভিটামিন ও মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, থিয়ামিন, রিবোফ্লোভিন, ভিটামিন সি। এছাড়া রসুনে আয়োডিন, সালফার ও ক্লোরিনও রয়েছে অল্প পরিমানে। খালি পেটে রসুন খেলে বিভিন্ন রোগ দূর হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধও গড়ে তুলা যায়।চলুন তাহলে জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওযার উপকারিতাসমূহ:

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক

গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মত কাজ করে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও উপকারিভাবে কাজ করে। বিশেষ করে খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে ব্যাকটেরিয়াগুলো হেরে যায়। ফলে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ ভাল দেখা যায়। এর কারন রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়।

অন্ত্রের জন্য ভাল

খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এই রসুন হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।তাই এই রসুন ক্ষুদামদা ভাব দূর করতে অনেক সহায়ক।রসুন স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।তাছাড়া পরিপাকতন্তেরও নানা সমস্যা দূর করে এই রসুন।

শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে

অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করতে অনেক উপকারি।

শ্বসন

রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুনের মধ্যে সকল রোগ আরোগ্যের করার উপায় সৃষ্টিকারি উৎস বিদ্যমান রয়েছে।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক

রসুনে এতো উপাদান যে যদি আপনার যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে থাকলে। যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে করা সম্ভাব।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

রোগ-প্রতিরোধে আপনি যদি প্রতিদিন সকালে নাস্তা শেষে এক কোয়া রসুন গিলে ফেলেন। চিবিয়ে খাবেন না, শুধু গিলে ফেলবেন। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ঋতু পরিবর্তনের সময় স্বাস্থ্যগত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

হজমের সমস্যা মুক্তি

২/৩ টি রসুনের কোয়া কুচি করে সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিন। এটি সবজির সাথে কিংবা এমনি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে করে হজমের নানা সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন।এবং কোস্টকাঠিন্যের সমস্যা সমাধান হবে।

জমে যাওয়া কফ থেকে মুক্তি

রসুন কফের জন্য অনেক উপকারি ঔধষ। খুব সামান্য তেলে ১/২ কোয়া রসুন ভেজে তা ১ টেবিল চামচ মধুর সাথে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খাইলে। এটা যদি নিয়মিত খান তাহলে বুকে জমে যাওয়া কফ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

যৌনতা বৃদ্ধিতে রসুনের ভূমিকা

প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েককোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলেগিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিৎ। এতে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রসদুই বা এক চামচ নিয়ে তার সাথে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতেস্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়।

হৃদপিন্ডের সুস্থতায়

হৃদপিন্ডের সুস্থতায় রসুন অনেক উপকার করে থাকে। রসুন কোলেস্টরল কমাতে খুবই সহায়ক।এই কারনে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কম থাকে।সুতরাং হার্ট এর জন্য রসুন অনেক উপকারি। যে প্রতিদিন রসুনের কয়েকটি কোয়া কাঁচা বা আধা সিদ্ধ করে সেবনে কেলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। আর রক্তচাপ ও রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক রাখতেও রসুন কাজ করে। রসুনের মধ্যে থাকা সালফার-ভিত্তিক যৌগ অ্যালিসিন মূলত স্বাস্থ্যে এই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, রসুন কাঁচা সেবন সবচেয়ে ভালো। সিদ্ধ করা হলে অ্যালিসিনের ভাবে খেতে হবে ঔষধি গুণ কমতে থাকে।

প্লাক জমাতে বাধা প্রদান করে

রসুন শিরা-উপশিরায় প্লাক জমাতে বাধা প্রদান করে। তাছাড়া রসুন শিরা-উপশিরার মারাত্নক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে রক্ষা করে। শিরা-উপশিরায় রক্ত জমাট বাধাতেও সাহায্য করে।

গিট বাতের সমাধানে

রসুন গিট বাতের রোগে অনেক উপকার করে থাকে। নিয়মিত ২ কোয়া করে খেলে গিটের বাত সেরে যেতে পারে।

শরীরের ফুড়া সারাতে

রসুনের রস শরীরের যে কোন পুজ ও ব্যথাযুক্ত ফোড়া সারাতে সাহায্য করে থাকে। যেখানে এই পুজ বা ফোড়া হবে, সেখানে রসুনের রস লাগিয়ে ১৫মিনিট পরে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেললে অতিতাড়াতাড়ি সেইটার নিরাময় হয়।দাদ,খোস পাচড়া ধরনের চর্মরোগ থেকে রসুন উপকার দেই।চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্তনা আর দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এতে রক্ত পরিষ্কার হবে এবং ত্বক ভালো থাকবে। আর ওজন কিছুটা কমাতে চাইলে সকালে রসুনের সাথে পান করা গরম পানিতে কিছুটা লেবুর রস দিতে হবে।

ঠান্ডা ও জ্বরে

প্রায়ই ঠান্ডা ও জ্বরে পড়েন এমন ব্যক্তিদের জন্য রসুন হতে পারে এক মহৌষধ। শরীর থেকে জ্বর আর ঠান্ডা দূর করতে প্রতিদিন দু-তিন কোয়া রসুন কাঁচা খেতে হবে। এ ছাড়া রান্না করা বা চায়ের সাথেও রসুন খেতে পারেন। আর রসুনের গন্ধ খারাপ লাগলে এর সাথে আদা ও মধু মিশিয়ে নেওয়া জেতে পারে। এভাবে নিয়মিত সেবনে ঠান্ডা ও জ্বর শুধু সাময়িক দূর হবে না বরং শরীরে এগুলোর প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়বে।

ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে

ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে হাজার বছর ধরেই রসুন ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের কৃমি দূর করতে রসুনের নির্যাস ভালো কাজ করে। রসুনের নির্যাস থেকে ‘মাউথ ওয়াশ’ (মুখের ভেতর পরিষ্কারের তরল) তৈরি করা যায়। এটি নিয়মিত ব্যবহারে মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার বন্ধ হয়ে যায়।

কাটা সারিয়ে তুলতে

রসুনের অনেক ব্যবহার বিস্তার হয়ে গেছে, যার একটি হলো কাটা সারিয়ে তোলা। কাঠ বা বাঁশে ছোট টুকরো শরীরে কোথাও ঢুকে গেলে তা বের করে সেখানে রসুনের কোয়া কেটে লাগিয়ে দিতে হবে। একই সাথে শরীরের ওই অংশে ব্যান্ডেজ করে দিতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই সেরে উঠবে ওই কাটা স্থান।

চোখের যত্নে রসুন

রসুন চোখের ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।আবার দাঁতের ব্যথা সারাতে রসুন সহায়তা করে থাকে।

ত্বকের যত্নে রসুনের গুন

রসুনের ওষধি গুণাবলী সম্পর্কে কম বেশি সবারই আমাদের জানা। হার্ট সুস্থ রাখা থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত রসুনের ভূমিকা রয়েছে। আপনি কি জানেন ত্বকের যত্নেও রসুনের জুড়ি নেই। ত্বকের যত্নে রসুন! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়? কিন্তু ব্রণ এবং ব্রণের দাগ নিমিষে দূর করে দিতে পারে এই রসুন। এক কথায় ত্বকের যত্নে রসুনের ব্যবহার অপরিসীম।

অনেক আগ থেকেই দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রিয়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেয়ে থাকেন। প্রাচীন চিন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভারতে হৃদরোগ ও গাটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরামকারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২০ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসাথে হয় তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি চলুন জেনে নেই-

যে উপাদান লাগবে

• একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম।

• মধু।

• তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়ানো)

যেভাবে প্রণালি তৈরি করতে হবে

• প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো থেতলে নিতে হবে। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালতে হবে। এবার বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করতে হবে।

• প্রতিদিন খালিপেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খেতে থাকুন। ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করবে।

কিছু টনিক

১) কাঁচা রসুন ও মধু: রসুনের ২-৩টি কোয়া কুচিয়ে নিতে হবে। তার সাথে এক টেবিলচামচ মধু মিক্স করতে হবে। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে শরীর ফিট ও এনার্জিতে কোন কমতি থাকবে না।

২) রসুনের ফ্লু টনিক: অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বক হলে এই টনিক বানানোর সময় হাতে দস্তানা পরে নিবেন এবং চোখে হাতের ছোঁয়া এড়িয়ে চলতে হবে। জোগাড় করে ফেলুন অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, ৫ কোয়া রসুন কুচি, ২টি শুকনো লঙ্কা কুচি, ১ টেবিলচামচ আদা কুচি, একটি গোটা পাতিলেবুর রস এবং অ্যাপল সাইডার ভিনিগার।

এই টনিক তৈরি করতে প্রথমে একটি পাত্রে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-শুকনো লঙ্কা কুচি মেশাতে হবে। আলাদা পাত্রে লেবু চিপে রস তৈরি রাখতে হবে। এবার কুচোনো উপকরণে লেবুর রস মিক্স করতে হবে। সব শেষে ভিনিগার ঢেলে সব এক সাথে মিশিয়ে অন্তত ১ সেন্টিমিটার ফাঁক রেখে পাত্রটি ঢেকে রাখতে হবে। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ও ফ্লু সারাতে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে।

রসুনের অপকারীতা

সতর্কবার্তা:

রসুন যত উপকার ততটা ক্ষতিকর।দিনে ২ কোয়ার বেশি কাঁচা রসুন খাওয়া যাবে না। রান্নায় এটি ব্যবহার হলেও দিনে মাত্র ২ কোয়া রসুন ব্যবহার করতে হবে । যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা থাকে বা হয় তাদেরকে অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা দেয় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল। আবার অতিরিক্ত খেলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হতেও পারে তাই বেশি রসুন খাওয়া ঠিক নয়।

অনেকের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভাল। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুরপাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।অনেকের রসুনের গন্ধ সহ্য হয় না। এখন রসুনকে ঔষধের বড়ি হিসেবে তৈরি করার জন্য তাদের সুপারিশ করা হয়েছে। রসুন নরম হয়ে গেলে বা সবুজ রঙ দেখা দিলে সেই রসুন কিনবেন না। কারণ এসব রসুনের কার্যগুন নষ্ট হয়ে যায়। কেনার সময় মাঝারি আকারের রসুন কিনতে হবে।রসুন বন্ধ পাত্রে না রেখে খোলা পাত্রে রাখা ভাল। ভুলেও রেফ্রিজারেটরে রসুন রাখবেন না। এতে করে রসুন নরম হয়ে যাবে।নরম রসুন স্বাস্থ্যকর নয়। ভাজার জন্য বা কারি পেস্টের জন্য রসুন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

থেকে মুক্তি দেয় এই রসুন।

ক্যান্সের প্রতিরোধে রসুন

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে এই রসুন।গলব্লাডার ক্যান্সার হওয়া থেকেও মুক্ত রাখে। মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুকি কমায়। এমনকি রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। রসুন প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। এই রসুন ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া নিয়মিত রসুন সেবনে শরীরে সব ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়।

ব্রনের সমস্যা দূর করতে

রসুনের মধ্যে অনেক গুন আছে।এটি ব্রনের সমস্যায় অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় শরীরে আঁচিল হয়ে থাকে, এই রসুনের রস আচিলের ক্ষেত্রে উপকার করে।

পেটের কৃমি নিরাময়ে

রসুন পেটের কৃমি নিরাময়ে অনেক উপকার করে থাকে। সুতরাং রসুন দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমিধ্বংসকরে।

রক্ত পরিষ্কার রাখে

রক্ত পরিষ্কারে প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোয়া ও এক গ্লাস পরিমাণ গরম পানি সেবন করতে হবে।

12/01/2022

তরমুজের ১৫ টি উপকারিতা সহ এর বেশ কিছু অপকারিতা জেনে নিন!
পুষ্টিকর খাবার, হেলদি টিপ্‌স
তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত নই। তরমুজ বাইরে থেকে দেখতে কিছুটা শক্ত এবং ভিতরে খুব নরম। যার মধ্যে পানির পরিমাণ খুব বেশি, তবে আজ আমরা আপনাকে তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। তরমুজে মূলত শর্করা, প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন বি, সি পাওয়া যায়।

ভিডিও তে দেখুনঃ



এটি খনিজ গুলোর একটি ভাল উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। তরমুজ খাওয়া আপনাকে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারের পাশাপাশি তাপ থেকেও মুক্তি দেয় কারণ তরমুজ শরীরে শীতলতা সরবরাহ করে। এটিতে বিটা ক্যারোটিনের পাশাপাশি প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পাওয়া যায়।

ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান উপস্থিত রয়েছে যা আপনাকে বিভিন্ন ধরণের রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক তরমুজ খাওয়ার সুবিধা, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং অসুবিধাগুলি কী কী?

তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
Table of Contents
তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
তরমুজ মাথা ব্যথা উপশম করতে পারে
পেশীর ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় – তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
রক্তচাপ কমাতে তরমুজ খেতে পারেন
তরমুজের রস ওজন হ্রাস করে – তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
উজ্জীবিত থাকার জন্য তরমুজ শরবতের উপকারিতা
মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তরমুজ উপকারী
তরমুজের ঔষধি গুণ হার্ট কে স্বাস্থ্যকর রাখে
তরমুজ বীজের উপকারিতা – তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
হাঁপানি থেকে তরমুজ বাঁচায় – তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
পৌরুষ বাড়ানোর জন্য তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা
কিডনি সুস্থ রাখতে তরমুজের উপকারিতা
চোখের জন্য তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা
তরমুজ খাওয়ার অসুবিধা বা অপকারিতা
তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
পুষ্টিতে সমৃদ্ধ তরমুজ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। আসুন জেনে নি তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা কী।


তরমুজ মাথা ব্যথা উপশম করতে পারে
গ্রীষ্মের মৌসুমে প্রায়শই মাথা ব্যথার সমস্যা বাড়ে, এমন পরিস্থিতিতে মাথাব্যথা দূর করতে আপনি তরমুজ ব্যবহার করতে পারেন। তরমুজ খাওয়া শরীরে শীতলতা সরবরাহ করে এবং তাপের কারণে মাথাব্যথাও দূর হয়। তাই গ্রীষ্মে মাথাব্যথা নিরাময়ে তরমুজ খাওয়া উপকারী হতে পারে।

আরো পড়ুন- মাথাব্যথার কারণ ও এর প্রতিকার জেনে নিন!

পেশীর ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় – তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
পেশী ব্যথার অনেক কারণ হতে পারে যেমন বেশি ব্যায়াম করা। এক ধরণের পেশীর স্ট্রেন হয়। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে আপনি তরমুজ খাওয়ার মাধ্যমে পেশীর ব্যথা হ্রাস করতে পারেন। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে আপনার যদি পেশীর ব্যথা থাকে তবে তরমুজ খেয়ে ব্যথা কমাতে পারেন।

রক্তচাপ কমাতে তরমুজ খেতে পারেন
আপনি জানেন যে উচ্চ রক্তচাপে পটাসিয়াম এবং সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। আমরা তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পাশাপাশি অ্যামিনো অ্যাসিড গুলো পেয়েছি যা দেহের রক্তকণাকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Asian Highway
Chittagong
4200