BD life care
we are providing all kinds off natural and organic food sales agency
03/07/2022
#অ-ফা-র
#এ*বার ও-জ-ন ক*মবে-ই
#স্মা*র্ট* হয়ে
#সু*খে_থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_কাছে সম্মা-নিত*হন
ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত,
শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত,
ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না
ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইনবক্সে আসুন।
হেল্প লাইন -01616-960058,
23/06/2022
#আ*কর্ষণীয় অফার
#এ*বার ও-জ-ন ক*মবে-ই
#স্মা*র্ট* হয়ে
#সু*খে_থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_কাছে সম্মা-নিত*হন
ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত,
শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত,
ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না
ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইনবক্সে আসুন।
হেল্প লাইন -01616-960058
20/05/2022
নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-
১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;
৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;
৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;
৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;
৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;
৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;
৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;
৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্য
১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;
১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;
১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;
১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;
১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;
১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;
১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;
১৯. রক্ত পরিশোধন করে;
২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;
২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;
২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;
২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;
২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;
২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;
২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;
২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;
২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;
২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;
৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।
19/05/2022
এলোভেরার ১৫ উপকারিতা
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে
সাধারণত ছোটখাটো কাটা, পোড়া, এলার্জি সহ ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে এলোভেরা খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। অ্যালোভেরা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে।
এলার্জি দূর করার উপায়
ব্রণ কেন হয়
ব্রণ দূর করার উপায়
আর্দ্র ত্বকে বলিরেখা পড়ে থাকে এটা আপনারা সবাই জানেন। তাই আপনি চাইলে এই ক্ষেত্রে এলোভেরার জেলটি সরাসরি নিয়ে আপনার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।
তাছাড়া এতে আরও রয়েছে অ্যামাইনো এসিড, এনজাইম আর স্টেরল।
তাছাড়া এলোভেরা জেল মধু, দুধ, হলুদ অথবা সামান্য দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাস্কের মত করে লাগালে এটা ব্রন তাড়াতেও সাহায্য করে থাকে।
রোদে পোড়া ত্বকে এলোভেরা শসা এবং দইয়ের মিশ্রন যদি আপনি লাগান তাও ত্বকের জন্য অনেক উপকার করে থাকে।
শসার উপকারিতা ও অপকারিতা
লেবুর উপকারিতা
ওজন কমাতে সাহায্য করে এলোভেরা
ওজন কমাতেও এলোভেরার উপকারিতা রয়েছে। দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে কার্যকারী এই উপাদান অ্যালোভেরা। এলোভেরার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেল। যা সাধারণত শরীরের পুষ্টি দেওয়ার পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।
এলোভেরা চুল সুন্দর করতে সাহায্য করে
চুলের যত্নে এলোভেরার উপকারিতা অনেকাংশে বেশি কার্যকরী। চুলের সৌন্দর্য অটুট রাখতে সাহায্য করে থাকে এলোভেরা।
এলোভেরার নিয়মিত ব্যবহার মাথার খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। তাছাড়া ঝলমল চুলে এলোভেরা আরো অনেক উপকারী। তাই এক্ষেত্রে আপনি যদি চুলের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে অ্যালোভেরা হতে পারে আপনার নিত্য সঙ্গী।
18/05/2022
jugantor
প্রচ্ছদ
লাইফ স্টাইল
রোজ খেজুর খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে
লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৫ জানুয়ারি ২০২০, ০১:১২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ
367
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing button
খেজুর
খেজুর । ছবি সংগৃহীত
পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।
খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।
আসুন জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা-
১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
২. ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
৩. প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
৫. যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৭. খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৮. খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
18/05/2022
সপ্তাহে ২-৩ দিন লাঞ্চে বা ডিনারে লাউ ঘন্ট বা লাউয়ের মালাইকারি থাকা মাস্ট কেন জানা আছে?
গরমে কালে ভাতের পাতে লাউয়ের আনাগোনা থাকলেও শীতের মরসুমে এর তেমন দেখা পাওয়া যায় না। আর ঠিক এখানেই আমরা ভুলটা করে ফেলি। কারণ শীত মানেই তাপমাত্রার ওঠানামা। সঙ্গে নানাবিধ জীবাণুর দাপাদাপি তো রয়েছেই। ফলে নানা রোগের আক্রমণে শরীর ভাঙতে সময় লাগে না। আর এমন পরিস্থিতিতে শরীরকে নানা রোগের মার থেকে বাঁচিয়ে রাখতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। একথা ঠিক য়ে এই মরসুমে হয়তো রোজ দিন লাউয়ের দেখা পাবেন না। কিন্তু যেদিন যেদিন পাবেন, সেদিনে যেন বাজারের ব্যাগে এই সবজিটি থাকেই থাকে। কারণ গবেষণা বলছে লাউয়ের অন্দরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, বি এবং ডি, সেই সঙ্গে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফোলেট, আয়রন এবং পটাশিয়াম, যা নানাবিধ রোগের হাত থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও নানা উপকারে লাগে শরীরের। যেমন ধরুন...
১. ওজন কমে চোখে পরার মতো:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে যে কোনও ভাবেই হোক, তা তরকারি বানিয়ে অথবা রস হিসেবে, লাউ খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে খিদে কমে যায়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কমে খাওয়ার পরিমাণও। আর কম খেলে ওজন যে দ্রুত কমে, তা কি আর বলাপ অপেক্ষা রাখে।
২. স্ট্রেস লেভেল কমে চোখের পলকে:
লাউয়ে রয়েছে কোলন নামক এক ধরনের নিউরো ট্রান্সমিটার, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস লেভেল তো কমেই। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশন সহ একাধিক মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশকে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটির কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতাই তো রোজের ডায়েটে লাউকে রাখার প্রয়োজনও যে বেড়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
৩. কনস্টিপেশন এবং নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে:
অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়ার কারণে বদ হজম এবং গ্যাস-অম্বল তো বাঙালির রোজের সঙ্গী। তার উপর কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা তো আছেই। এমন পরিস্থিতিতে পেটকে চাঙ্গা করে তুলতে লাউয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় জল এবং ফাইবার, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটায়ই, সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪. শরীরে জলের অভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমে:
শরীরকে চাঙ্গা রাখকে জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীর তার প্রয়োজনীয় জল না পেলে দেখা দেয় নানা রকমের রোগ। তাই তো দেহের অন্দরে যাতে জলের ঘাটতি দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। আর ঠিক এই কারণেই ভাতের পাতে লাউ থাকা মাস্ট! আসলে এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় জল, যা দেহের অন্দরে জলের অভাব মেটাতে যেমন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তেমনি ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।
৫. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে:
উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা যারা ভুগছেন তাদের ডায়েটে লাউ দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ থাকা বেজায় জরুরি! কারণ এতে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল হয়ে ওঠে। আর হার্ট যখন চাঙ্গা হয়ে ওঠে তখন সার্বিকভাবে আয়ুও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।
৬. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো:
লাউয়ে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ত্বক ভিতর থেকে স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। ফলে সৌন্দর্য তো বাড়েই। সেই সঙ্গে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারণেই তো প্রতিদিন লাউয়ের রস বা এই সবজিটি দিয়ে তৈরি কোনও না কোনও পদ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, লাউ খাওয়া শুরু করলে আরও বেশ কিছু উপকার মেলে। যেমন ধরুন মাত্রতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সেই সঙ্গে ব্রণর মতো ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না।
৭. শরীর ঠান্ডা করে:
অনেক সময়ই শরীরের অন্দরের তাপমাত্রা বেশ বেড়ে যায়, যা একেবারেই ভাল নয়। তাই তো সপ্তাহে ২-৩ দিন নিয়মিত লাউয়ের রস খাওয়া উচিত! আসলে এই সবজিটিতে যেমন রয়েছে প্রচুর মাত্রায় জল, তেমনি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খনিজও, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দেহের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদেরও বার করে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তেমনি দেহের অন্দরে তাপমাত্রা বা প্রাদাহ বাড়ার সম্ভাবনাও আর থাকে না।
৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে প্রতিদিন লাউয়ের রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে সংক্রমণের পাশপাশি ছোট-বড় নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন ওয়েদার চেঞ্জের সময় লাউয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর প্রয়োজন কতটা...!
18/05/2022
কাচা মরিচ বেশি দিন থাকেনা পচে যায় তাই ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।শুকনো মরিচের থেকে কাচা মরিচের পেস্ট দিয়ে রান্না করলে অনেক সুস্বাদু হয়,আর কালারটা সুন্দর আসে তরকারীর।আপনাদের কাজে লাগতে পারে তাই শেয়ার করলাম।😍
18/05/2022
রাত জাগা !
আর এমন পরিস্থিতে ত্বককে চাঙ্গা রাখতে নিম তেলের ব্যবহার কিন্তু মাস্ট...
বছরের একটা সময়ে রোদে পুড়ে, সঙ্গে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার মাত্রাটা এত বেড়ে যায় যে ত্বকের বারোটা বাজতে সময় লাগে না। তার উপর রাত জাগা তো আছেই। তাই এইসব নানা কারণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্য কমে যাওয়া, ডার্ক সার্কেল সহ আরও নানাবিধ ত্বকের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে পুজো চারদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিম তেলের ব্যবহার মাস্ট! কিন্তু কেন?
প্রায় ৪০০০ বছর ধরে শরীর এবং ত্বকের পরিচর্যায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লগানো হচ্ছে। কারণ নিমের অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপাকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে ত্বক চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...
১. ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালায়:
একাধিক গবেষমায় দেখা গেছে নিম তেলে উপস্থিত এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড, ট্রাইগ্লিসারাইড, ভিটামিন ই এবং ক্যালসিয়াম ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু করে, যার প্রভাবে ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালাতে সময় লাগে না।
২. ত্বকের বয়স কমে:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক, এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের মাসাজ করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না।
৩. ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে:
অল্প সময়ে ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।
৪. ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে:
শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল লাগালে সমস্য়া অনেকটাই কমে যায়। প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে মাসাজ করলেই দেখবেন ত্বক সুন্দর হতে শুরু করেছে।
৫. স্কিনের যত্নে দারুনভাবে সাহায্য করে:
নিমে অ্যান্টিব্য়াকটেকিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে এটি দারুন কাজে আসে। নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান, তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কমতে শুরু করে দিয়েছে।
৬. ব্রণর প্রকোপ কমে:
নিম তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ থাকায় এটি যদি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ব্রণর সমস্য়া কমতে শুরু করে। কীভাবে লাগাতে হবে? ব্রণ কমাতে কয়েক ফোঁটা নিম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্য়াভেন্ডর তেল মিশিয়ে ব্রণর উপর লাগান। প্রসঙ্গত, কখনই নিম তেল যেন সরাসরি মুখে লাগাবেন না।
৭. খুশকির সমস্যা দূর হয়:
সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলেই এই ধরনের ত্বকের সমস্য়া হয়ে থাকে, যা নিম তেলের ব্য়বহারে একদম কমে যায়। এখানেই শেষ নেয়। স্কাল্পের যে কোনও ধরনের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের জুরি মেলা ভার। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে এটি? আপনি যে শ্য়াম্পু ব্য়বহার করেন তাতে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান। তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করে দিয়েছে।
৮. একজিমার মতো রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:
ত্বকের একধরনের প্রদাহজনিত রোগ হল একজিমা। নানা কারণে বহু মানুষ এই ধরনের ত্বকের সমস্য়ায় ভুগে থাকেন। একজিমার প্রকোপ কমাতেও নিম তেল দারুন কাজ দেয়। শরীরের যে যে জায়গায় একজিমা হয়েছে, সেখানে সেখানে নিম তেল লাগালে যন্ত্রণা কমে। তবে ভুলেও যেন সরাসরি ত্বকের উপর নিম তেল ব্য়বহার করবেন না। পরিবর্তে সামান্য় গরম জলে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে তা দিয়ে স্নান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন রোগ কমতে শুরু করেছে।
৯. মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
বাড়িতে মশার উৎপাত বাড়লেই আমরা বাজার চলতি নানা ক্রিম লাগানো শুরু করি। কারও কি জানা আছে এই ধরনের সমস্য়ায় নিম তেল দারুন কাজে আসে। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে? খুব সহজ! ১০-১৫ ফোটা নিম তেল, হাফ কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে লাগান। তাহলেই দেখবেন মশারা আর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না।
এতক্ষণে নিশ্চয় উত্তর পয়ে গেছেন যে প্রতিদিন নিম তেলের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা করার প্রয়োজন রয়েছে কেন...!
18/05/2022
অল্প বয়সেই স্মৃতিশক্তি কমে যাক এমনটা চান নাকি? তাহলে নিয়মিত শাক-সবজি এবং কমলা লেবু খেতে ভুলবেন না!
প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে রোজের ডায়েটে সবুজ শাক-সবজি এবং কমলা লেবুকে অন্তর্ভুক্ত না করলে ছেলেদের অল্প বয়সেই স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে লেজুড় হতে পারে বুদ্ধি কমে যাওয়া, মনোযোগে বিচ্যুতি এবং ব্রেন পাওয়ার কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও। তাই সাবধান বন্ধু সাবধান! প্রায় ২৭,৮৪২ জনের উপর প্রায় ২০ বছর ধরে পরীক্ষা চালিয়ে একদল মার্কিন গবেষক দেখতে পয়েছেন যারা কম পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি এবং কমলা লেবু খেয়ে থাকেন, তাদের মধ্যে নানাবিধ ব্রেন ডিডিজে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ অনেক বেশি। অন্যদিকে যাদের ডায়েটে সবজির পাশাপাশি নানাবিধ ফলও জায়গা করে নেয়, বিশেষত সাইট্রাস ফল, তাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া বা ব্রেন পাওয়ার কমে যাওয়ার মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৭ শতাংশ কমে যায়। এবার বুঝেছেন তো বন্ধু, ব্রেনকে বাঁচাতে রোজের ডায়েটে সবজি এবং কমলা লেবুকে রাখার প্রয়োজন কতটা! প্রসঙ্গত, রোজের ডায়েটে সবুজ শাকসবজি এবং কমলা লেবুকে অন্তর্ভুক্ত করলে যে কেবল স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে, তা নয়, সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক উপকার মেলে।
যেমন ধরুন...
১. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে:
আমাদের দেশে হার্টের রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার পিছনে যে যে কারণগুলি দায়ি থাকে, তার মধ্যে অন্যতম হল শাক-সবজি খাওয়া থেকে বিরত থাকা। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি মাত্রায় সবজি খেলে রক্তে জমতে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রসঙ্গত, শরীরে উপস্থিত কোলেস্টেরলকে কাজে লাগিয়ে লিভার, বাইল অ্যাসিড তৈরি করে থাকে। এই উপাদানটি শরীরকে সচল রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে। কিন্তু যখনই কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। তখনই কোনও ধরনের বিপদ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই সুস্থভাবে বাঁচতে শরীরে যাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা কোনও ভাবে না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।
২. ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে:
শীত মানেই ত্বকের আদ্রতা কমে যাওয়া। সেই সঙ্গে সৌন্দর্য কমে যাওয়া যেন খুবই স্বাভাবিক অবস্থা। তাই তো এই সময় সৈন্দর্য ধরে রাখতে স্কিনের আলাদা করে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে উঠতে পারে কমলা লেবু। কারণ নিয়মিত এই সাইট্রাস ফলটি খেলে শরীরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে য়েমন ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে, তেমনি অন্যদিকে বলিরেখা কমতে শুরু করে, কালো ছোপ দাগ মিলিয়ে যায় এবং ত্বক তুলতুলে হয়ে ওঠে। এক কথায় শীতের মরসুমে ত্বকের পরিচর্যায় কমলা লেবুর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
৩. স্ট্রেস লেভেল কমে:
একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু। ২১ শতকের মারণ সমস্যার তকমা পাওয়া স্ট্রেস বা মানসিক চাপকে কমিয়ে ফলতে বাস্তবিকই সবুজ শাক-সবজির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সব প্রাকৃতিক উপাদানগুলির অন্দরে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
শীত মানেই ভুরিভোজ। শীত মানেই পিকনিক। আর শীত মানেই উত্তাল পার্টি। ফলে এই সময় ওজন বেড়ে যাওয়াটা একেবারেই অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। এমন পরিস্থিতিতে যদি প্রতিদিন একটা করে কমলা লেবু খেতে পারেন, তাহলে ওজন বাড়ার চিন্তা থেকে কিন্তু মুক্তি মিলতে পারে! কিভাবে? কমলা লেবুর শরীরে প্রচুর মাত্রায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতিতে এবং শরীরকে বিষ মুক্ত করতে যেমন বিশেষ ভূমিকা নেয়, তেমনি শরীরে ক্যালরির প্রবেশ যাতে কম পরিমাণে হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখার মধ্যে দিয়ে ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:
সবুজ শাক-সবজিতে উপস্থিত লুটেইন এবং জিয়েক্সেথিন নামক দুটি উপাদান দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, জোড়ালো আলোর কারণে যাতে চোখের কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে এই প্রকৃতিক উপাদানগুলি। তাই তো যাদের দিনের বেশিরভাগ সময়ই কম্পিউটার বা ডিজিটাল স্ক্রিনের সমানে কাজ করতে হয়, তারা নিয়মিত সবুজ শাক-সবজি খেতে ভুলবেন না যেন!
৬. ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায়:
একাধিক পরীক্ষার পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কমলা লেবুতে উপস্থিত সাইট্রাস লিমোনয়েডস, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার কোনও সম্ভবনাই থাকে না। তাই তো বলি বন্ধু, গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে যে হারে নানাবিধ ক্যান্সারের প্রকোপ বৃদ্ধি পয়েছে তাতে কম-বেশি সবারই যে কমলা লেবু খাওযা উচিত, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই! প্রসঙ্গত, জার্নাল অব দা আমেরিকান ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক স্টাডি অনুসারে প্রচুর মাত্রায় শাক-সবজি খেলে শরীরের অন্দরে এমন পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্যান্সার কোষ জন্ম নেওয়ার সুযোগই পায় না। বিশেষত, কলোন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই এই মারণ রোগটিকে যদি দূরে রাখতে হয়, তাহলে ভুলেও রোজের ডায়েট থেকে সবুজ শাক-সবজিকে বাদ দেওয়া চলবে না।
৭. শরীরের বয়স কমে:
সবজি শাকসবজি কেবল মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখে না, সেই সঙ্গে সমগ্র শরীরের উপরও বয়সের ছাপ পরতে দেয় না। ফলে খাতায় কলমে বয়স বাড়লেও শরীর এবং তার অন্দরে ফিট করা নানাবিধ অঙ্গের কর্মক্ষমতার উপর কোনও প্রভাবই পরে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আয়ু বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, মার্কিন গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে আম বাঙালি সাধারণত যে যে সবজিগুলি খেয়ে থাকেন, তার মধ্যে ভিটামিন কে প্রচুর মাত্রায় থাকে। এই ভিটামিনটি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮. হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
কমলা লেবুতে উপস্থিত ফাইবার এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান দেহের অন্দরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, কমলা লেবুতে থাকা পটাশিয়ামও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে কমলা লেবুর খাওয়ার আগে নিশ্চয় আর প্রশ্ন জাগবে না মনে যে, কেন সব বাঙালি অন্ধের মতো কমলা লেবু খেয়ে থাকে শীতকালে!
৯.ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কমলা লেবুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু খেল দেখায় যে রক্তচাপ একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই একটা কারণেও নিয়মিত কমলা লেবু খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।
১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে কমলা লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যাসকর্বিক অ্যাসিড এবং বিটা-ক্যারোটিন শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোন রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে নানা ধরনের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।
১১.হাড় শক্তপোক্ত হয়:
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ক্ষমতা, বিশেষত জয়েন্টর ক্ষমতা কমতে শুরু করে। আর এই ঘটনাটি ঘটতে থাকে ৩০-এর পর থেকেই। তাই তো এই বয়সের পর থেকে শাক-সবজির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা মাস্ট! কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, হাড়ের শক্তি বাড়ায়, সেই সঙ্গে জয়েন্টের সচলতাও এমন বাড়িয়ে তোলে যে কোনও ধরনের হাড়ের রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পায় না।
18/05/2022
রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান মাস্ট! কেন জানেন?
জল খাই কেন আমরা? কেন আবার শরীরকে সচল রাখতে এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে জলের যে কোনও বিকল্প নেই! তাই তো দেহের অন্দরে যাতে কোনও সময় জলের ঘাটতি দেখা না দেয়, তা সুনিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। আর রাত্রে যেহেতু আমরা প্রায় ৮ ঘন্টা জল পান করি না, তাই সে সময় দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি দেখা দেওয়াটা বেজায় স্বাভাবিক ঘটনা। আর এমনটা হলে যে একাধিক শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওটে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! তাই তো শুতে যাওয়া আগে বেশি নয়, মাত্র এক গ্লাস জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তবে এমনটা করা যদি শুরু করেন, তাহলে যে শুধু দেহের অন্দরে জলের চাহিদা মিটবে, তা নয়। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলবে, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে ডিহাইড্রেশনের কবল থেকে বাঁচাতে দিনে কম করে ৩-৪ লিটার জল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এইটুকু তথ্য় দিয়েই বিজ্ঞানীরা থেমে যাননি। বরং আরও কয়েকধাপ এগিয়ে তারা এটা জানার চেষ্টা করেছেন যে দিনের কোনও বিশেষ সময়ে জল খেলে তার কোনও সুফল পাওয়া যায় কিনা। আর এমনটা জানার চেষ্টায় যে তথ্য উঠে এসেছে, তা বেশ চমকপ্রদ! জানা গেছে রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে যদি এক গ্লাস জল খাওয়া যায়, তাহলে দারুন সব উপকার মেলে। যেমন ধরুন...
১. মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে:
২০১৪ সালে হওয়া এক স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে জল পান না করলে দেহের অন্দরে এত মাত্রায় জলের ঘাটতি দেখা দেয় যে তার প্রভাবে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে লেজুড় হয় অ্যাংজাইটিও। তাই এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতেই ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এমন অভ্য়াস করলে মন-মেজাজ তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে ঘুমও বেশ ভল মতই হয়।
২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রিরে শুতে যাওয়ার আগে কম করে এক গ্লাস জল পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। শুধু তাই নয়, দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য!
৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু কেস স্টাডির পর একথা প্রামাণিত হয়ে গেছে যে রাত্রে শোওয়ার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। ফিরে আসে আদ্রতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে শুরু করে।
৫. সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে:
রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে গরম জল খেতে পারলে আরেকটি উপাকার পাওয়া যায়। এমনটা করলে সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভাইটাল অর্গ্যানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ধমনীতে জমে থাকা বর্জ পদার্থও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৬. জলের চাহিদা মেটে:
একথা নিশ্চয় জানা আছে যে আমাদের শরীরের সিংহভাগই জল দিয়ে তৈরি। তাই তো দৈহিক সক্ষমতা বজায় থাকতে দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি যাতে কোনও সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার প্রয়োজন রয়েছে। আর এই একই কারণে শুতে যাওয়ার আগে জল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আসলে এমনটা করলে সারা দিন ধরে কাজ করতে করতে দেহে যে জলের ঘাটতি হয়ে থাকে, তা দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
৭. শরীর বিষ মুক্ত হয়:
সারা দিন ধরে নানাভাবে আমাদের শরীর একাদিক টক্সিক উপাদান প্রবেশ করতে থাকে। এদের যদি ঠিক সময়ে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না য়ায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! সেই কারণেও চিকিৎসকেরা ঘুমানোর আগে জল খাওয়া পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আসলে এমনটা করলে ডাইজেস্টিভ সিস্টেম, পেশী এমনকি ত্বকের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ ভোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
একথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে রাত্রে পেট ভর্তি করে জল খেয়ে শুলে সকাল পর্যন্ত ওজন বেশ অনেকটাই কমে। কারণ ক্যালরি বার্ন করতে জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে ঠান্ডা জল খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্র হঠাৎ করে কমে যায়। ফলে সেই সময় তাপমাত্রা বাড়াতে শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করা শুরু করতে হয়। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকবাবেই বেশি মাত্রায় জ্বালানির প্রয়োজন পরে। ফলে ওজন কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রাতের শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খেলে আরেকটি ঘটনা ঘটে। এই সময় মেটাবলিক রেট স্বাভাবিক মাত্রার থেকে অনেকটাই বেড়ে যায়। এই কারণেও ওজন কমার পথ প্রশস্ত হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Cda Avenoue
Chittagong
4200
