BD SHOP
We do provide products of Global Sky Corporation Bangladesh. We try to keep our products quality and ensure our customers about our products quality.
সঠিক সম*স্যায় _সমাধন
✅অর্ডা র` করতে মেসে- জ করুন অথবা কল করুন:
01894-574550
নাম্বারে।
ইনবক্সে অর্ডার করতে লিখে পাঠান আপনার :
নাম
ঠিকানা
18/05/2022
২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : গাজরের রস লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে হজম শক্তির উন্নতি হয়।
৩. হাড়ের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক : রোগ প্রতিরোধ গাজরের অস্টিওপরোসিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন রস হিতকর।
৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক : গাজরে রয়েছে ভিটামিন-ই, যা ক্যান্সার প্রতিরোধী। তাই গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গাজরে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন আমাদের ত্বককে সূর্যের অতি বেগুণি রশ্মির হাত থেকে সুরক্ষা করে এমনকি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৫. বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে : বয়সের ছাপ কমাতে গাজরের রস সাহায্য করে। গাজর বিটা- ক্যারোটিন সমৃদ্ধ, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং কোষের ক্ষয় রোধে সহায়ক। ফলে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়াকে রোধ করে।
৬. ওজন কমায় : গাজরে ক্যালোরির পরিমাণ যৎসামান্য, যা ওজন কমাতে বেশ সহায়ক।
৭. কোলস্টেরল কমায় : গাজরে পটাসিয়াম বিদ্যমান, যা কোলস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
৮. চর্বি কমায় : গাজরের রস লিভারের চর্বি ও পিত্ত কমাতে সাহায্য করে।
৯. ত্বকের লাবণ্য বাড়ায় : গাজরের রস ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বককে সুরক্ষা করে।
১০. ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমায় : বয়সজনিত যে কোনো ব্যথা-বেদনা ও শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতে গাজরের রস হিতকর।
18/05/2022
আলকুশি এর উপকারিতা
যদি কোন কাজ করার সময় পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশন করলে, এই আলকুশীর বীজের গুড়া সেই কামরানো স্থানে লাগালে দ্রুত যন্ত্রণা কমে যায়।
এই আলকুশির শিকড়ের রস এক চামচ করে, লাগাতারে একমাস খেলে আমাশয় রোগ ভালো হয়ে যায়।
বিশেষ করে এই আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে দ্রুত সেটি ফেটে যায়। এর পর সেটি দ্রুত ভালে হয়ে যায়।
এই আলকুশির বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে নিয়মিত খেলে বাত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এমনকি শারীরিক দুর্বলতাও দূর হয়।
এই আলকুশি খাওয়ার ফলে শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।
এই আলকুশির শিকড়ের রস খাওয়ার ফলে সর্দি-কাশি ও জ্বর ভালো হয়।
এই আলকুশির শিকড়ের মানুষের মূত্রযন্ত্রের ও মূত্রবর্ধক রোগ নিরাময়ে বেশ কার্যকারি ভূমিকা পালন করে থাকে।
আলকুশির কাণ্ডের রস মানুষের চোখের রোগের ক্ষেত্রেও অনেক উপকারি ভূমিকা পালন করে।
এই আলকুশির শিকড়ের রস বিশষ করে পশুপাখির গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত ভালো হয়ে যায়।
18/05/2022
আলকুশি বীজের উপকারিতা
বুকে কফ হলে: অনেকের এই সমস্যা দেখা যায়, তখন এই আলকুশীর মূল পানি দিয়ে প্র্রথমে সিদ্ধ করে নিতে হবে । তারপর সকাল বিকেল নিয়মিত খেলে বুকে কফ জমায় ভালো হয়ে যাবে।
রক্তপিত্ত: অনেকের রক্তপিত্ত হয়ে থাকে,আর এই রক্তপিত্ত হলে ২০ গ্রাম আলকুশীর বীজ আগের রাতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে। এর পরের দিন ভিজিয়ে রাখা বীজ খোসা ছাড়িয়ে একটু থেতো করে পাচ থেকে ছয় গ্রাম পানিতে সিদ্ধ করে আনুমানিক তিন কাপ করে নিতে হবে। এরপর পানি মিশিয়ে নিতে হবে পানি মিশানো হয়ে গেলে, সারাদিন তিন থেকে চার বার খেতে হবে। এই নিয়মে খেলে তাহলে রক্তপাত দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।
পেটের সমস্যায়: যদি আপনার পেটের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে আপনি প্রথমে আলকুশির বীজ চূর্ণ করে পানি সহ সেবন করবেন। সেবন করলে পেট ঠান্ড হয়ে যাবে। এছাড়াও বায়ু কমবে এবং পেটের সবরকম সমস্যা দূর হবে ।
ভগ্নধ্বজে: প্রায় এই রোগটি হয়ে থাকে। তবে এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আলকুশি বীজকে রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খোস ছাড়িয়ে বীজগুলো কে সমান পরিমাণ দুধে পানিতে মিশিয়ে সিদ্ধ করে। তারপর এই বীজ শিলে পিষে তাকে ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে হালুয়ার মতো করে রাখতে হবে। তারপর এটি নিয়মিতখেলে এই রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
18/05/2022
মেথি তিতা স্বাদযুক্ত মসলা। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়ক শক্তি ও তারুণ্যে ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দূষিত পরিবেশ এবং ভেজাল খাবারের রাজ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব, যদি প্রতিদিন মেথি খাওয়া যায়। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটির মধ্যে রয়েছে ৩৫.৫ ক্যালরি, ৬.৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.৭ গ্রাম ফ্যাট, ২.৭ গ্রাম ফাইবার এবং ৩.৭ মিলিগ্রাম আয়রন। এছাড়াও রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি৬-এর মতো পুষ্টিকর উপাদান, যা নানা দিক দিয়ে শরীর গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আমরা প্রতিদিন কিছু না কিছু সমস্যায় পড়তেই হচ্ছে। যার সমাধানে প্রতিনিয়ত মরিয়া হয়ে উঠতে হচ্ছে। তবে সে সমস্যাগুলোর সমাধানও আমাদের হাতের কাছে। যেটা না জানার কারণে সমস্যার সহজ সমাধান আমরা খুঁজে পাই না। যদি রক্তে চিনি বেড়ে গিয়ে থাকে মানে ডায়াবেটিসের জন্য মিষ্টি বন্ধ, দিনদিন বুড়িয়ে যাওয়া হয়। তাহলে এর চমৎকার একটি সমাধান হলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একগ্লাস মেথির পানি। এটি খেলে শরীরে ফিরবে শক্তি। হার্টও থাকবে ভালো।
18/05/2022
প্রাকৃতিক একটি ঔষধি গাছ হচ্ছে নিম গাছ। নিম গাছের পাতা, পাতার রস, ডাল সবই বেশ কার্যকরি। কথায় আছে নিম গাছের হাওয়াও শরীরের জন্য বেশ ভালো। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এই নিম গাছের পাতা। নানা ধরনের রোগের প্রতিষেধক হিসেবে, ত্বকের যত্নে, সুস্থ থাকার জন্য বেশ উপকারী নিম পাতা। আসুন জেনে নেই নিম পাতার গুণাবলী গুলো কি কি-
ত্বকের যত্ন
ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে নিম পাতা বেশ কার্যকরি। নিম পাতা ও হলুদের গুঁড়োর পেস্ট বানিয়ে সহজেই তৈরি করতে পারেন ফেসপ্যাক। এছাড়া নিম পাতা গুঁড়ো করে পেস্ট বানিয়ে মুখে অথবা যেই জায়গায় ব্রন রয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন। নিম এর এই ফেসপ্যাক ত্বকের ব্রন দূর করতে সাহায্য করে। ত্বককে করে তুলে নরম এবং কোমল। ভালো উপকার পেতে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।
চুলের যত্ন
শুধু ত্বকের যত্নই নয় চুলের যত্নেও নিম পাতা অনেক ভালো কাজ করে। নিম পাতা চুলকে করে তোলে শক্ত এবং মজবুত। এছাড়া এটি আপনার চুলকে মশ্চারাইজ করার পাশাপাশি চুলের খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া অনেককেই মাথায় উকুনের সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তাই উকুন থেকে মুক্তি পেতেও ব্যবহার করতে পারেন নিম পাতার প্যাক। এর জন্য পরিমান মতো পানিতে নিম পাতা ভালো করে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হওয়ার পর পানি ঠান্ডা করে নিন। গোসলের সময় শ্যাম্পু করার পর এই পানি দিয়ে মাথা পরিষ্কার করুন। এটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে। আর আপনি পাবেন ঝলমলে চুল। চেষ্টা করুন সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যবহার করার। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় এটি।
নিম পাতার ওষধি গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার প্রতিদিনের স্বাস্থ্যরক্ষায় নিম পাতা হতে পারে আপনার সুস্বাস্থ্যের বন্ধু। নিম পাতার রস অথবা কিছু নিমপাতা চূর্ণ করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে বহুগুণ। ওজন কমাতে, হৃদরোগ প্রতিকারে, ক্যান্সার প্রতিরোধে, আলসার নিরাময়ে, জন্ডিস রোগ প্রতিকারে, চোখের ব্যথা দূর করতে, কৃমি নিরাময় করতে নিমের রস বেশ কার্যকর।
18/05/2022
গরমের সময় মার্কেটে বিভিন্ন রকমের ফল উঠলেও সবার আগে কিন্তু আমের দিকেই চোখ যায়। সব বয়সের মানুষেরই অত্যন্ত পছন্দের ফল আম। তবে আমের জনপ্রিয়তা কেবলমাত্র স্বাদের দিক থেকে নয়, রয়েছে এর প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতাও। নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর আম। প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন কে এবং পটাশিয়াম সমৃদ্ধ এ ফল বিভিন্ন রোগ থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে
তবে কেবল আমই নয়, আমের খোসাও কিন্তু স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর!
আমের যেমন গুণ তেমনি আমের খোসারও বহু গুণ আছে। সাধারণত আমরা আম খেয়ে খোসা ফেলে দিই, কারণ আমের খোসাও যে কোনও উপকারে আসতে পারে তা আমাদের মাথায়ই আসে না। আসুন জেনে নেয়া যাক, আমের খোসা স্বাস্থ্যের কী কী উপকার করে -
হার্ট ভাল রাখে: হৃদরোগ থেকে বাঁচাতে আমের খোসা দারুণ কার্যকরী। গবেষণায় অনুযায়ী, আমের খোসা ক্যারোটিনয়েড এবং ফেনোলিক্সের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগগুলো শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, স্থূলতা কমায়, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডিসলিপিডেমিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ সমস্যাগুলোই হৃদরোগ হওয়ার অন্যতম কারণ।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: আমের খোসা ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। শরীরে গ্লুকোজের মাত্রার আকস্মিক বৃদ্ধি রোধ করে এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতি থেকেও বাঁচায়। অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে, যার ফলে গ্লুকোজের মাত্রাও নিয়ন্ত্রিত হয়।
ওজন কমায়: আমের খোসায় পাওয়া একটি অনন্য ফাইবার হল পেকটিন। এই পেকটিন ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আমের খোসা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি কতটা কার্যকরী, তা আমরা সকলেই জানি।
ত্বক ও চুলের জন্য ভাল: আমের খোসা, বিশেষ করে পাকা আম ভিটামিন ই-তে পরিপূর্ণ। ত্বক ও চুল ভাল রাখতে এ ভিটামিন খুবই কার্যকর। এটা ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে, ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ এবং প্রদাহও দূর করে। এছাড়াও, আমের খোসা চুলের বৃদ্ধি এবং স্ক্যাল্প ভাল রাখতে অত্যন্ত সহায়ক।
অন্ত্র ভাল রাখে: আমের খোসা হেলদি ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে অন্ত্র এবং পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে। শুকনো আমের খোসায় প্রায় ৪০ শতাংশ ফাইবার থাকে, এটি ফ্রেশ আমের খোসার চেয়ে বেশি কার্যকরি।
ক্ষত নিরাময় করে: ভিটামিন-ই ক্ষত নিরাময়ে দারুণ কাজ করে। দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে এবং নতুন ত্বক উঠতে সহায়তা করে। আমের খোসা পোড়া ত্বক এবং অস্ত্রোপচারের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে
18/05/2022
মসলা হিসেবে কারিপাতার ব্যবহার পুরনো। নিম পাতার মতো দেখতে এ পাতা মিষ্টি নিম কিংবা বারসুঙ্গা নামেও পরিচিত। এই পাতা ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয় বলে সাধারণত একে ‘কারি পাতা’ বলা হয়। তবে রান্নায় স্বাদ বাড়াতে এই পাতার ব্যবহার করা হলেও এর বেশ উপকারিতা রয়েছে।
মসলা হিসেবে কারিপাতার ব্যবহার পুরনো। নিম পাতার মতো দেখতে এ পাতা মিষ্টি নিম কিংবা বারসুঙ্গা নামেও পরিচিত। এই পাতা ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয় বলে সাধারণত একে ‘কারি পাতা’ বলা হয়। তবে রান্নায় স্বাদ বাড়াতে এই পাতার ব্যবহার করা হলেও এর বেশ উপকারিতা রয়েছে।
চুল পড়া কমায়: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পানের কয়েক মিনিট পরে কয়েকটি টাটকা কারি পাতা চিবিয়ে খান। এর আধঘণ্টা পরে ব্রেকফাস্ট করুন। কারি পাতা ভিটামিন সি, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও নিকোটিনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এই পাতা এভাবে নিয়মিত খেলে চুল পড়া কমে।
18/05/2022
সংক্রমণ সারায়: পেঁয়াজের মধ্যে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় পদার্থ রয়েছে। তাই শরীরে কোথাও সংক্রমণ হয়ে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। এতে ভালো উপকার মিলবে। এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি, কাশির সমস্যা থাকে না। ঠান্ডা লাগার ফলে গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি বা সামান্য গা ব্যথায় দারুণ কাজ করে।
দাঁতের সংক্রমণ রোধ: দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজ বেশ উপকারি। পেঁয়াজ চিবিয়ে খেলে দাঁতের ফাঁকে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মরে যায়।সেই সঙ্গে সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমে যায়।
চুল পড়া হ্রাস করে: চুল পড়া কমানো ও চুল বৃদ্ধিতে পেঁয়াজ খুবই উপকারি। পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। বিশেষ করে চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করে এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
18/05/2022
অ্যালার্জি সমস্যা বাড়িয়ে দেয়: পেঁয়াজ অ্যালার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য খাওয়াটা মোটেই নিরাপদ নয়। অ্যালার্জির অন্যতম একটি উৎস হচ্ছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের কারণে যদি অ্যালার্জি হয়, তহলে পেয়াজ খেলে ত্বক এবং চোখে লালভাব, ত্বকের চুলকানি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, শরীর জ্বলন ইত্যাদির মতো অ্যালার্জির লক্ষণগুলোর জন্ম দিতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000
