Life Natural BD
we are providing all kinds of natural and Organic products sales agency
27/07/2022
কামরাঙায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ভিটামিন রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই ফল খাওয়ার পাশিপাশি নিয়মিত এর রস ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখবে এবং ত্বক দাগমুক্ত রাখবে।
বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে কামরাঙার কার্যকারিতা ও ব্যবহারের উপায় সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
ব্রণ দূর করে
কামরাঙা ব্রণ দূর করতে বেশ কার্যকর। সমান পরিমাণ কামরাঙার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার একটি তুলার বলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে ব্রণের ওপর লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ধীরে ধীরে ব্রণ দূর হয়ে যাবে।
চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করে
কামরাঙার স্লাইস চোখের নিচে লাগিয়ে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ফোলাভাব দূর করবে এবং টানটান রাখবে।
ত্বক পরিষ্কার করে
নিয়মিত বাসায় ফিরে কামরাঙার রস ত্বকে লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই রস আপনার ত্বকের ময়লা জীবাণু সহজেই পরিষ্কার করে ত্বক সতেজ করতে সাহায্য করবে।
বয়সের ছাপ দূর করবে
যেকোনো প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে কামরাঙার রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। এটি আপনার ত্বকের বলিরেখা দূর করবে এবং ত্বক টানটান করবে। এর ফলে চেহারার বয়সের ছাপ দূর হবে।
22/07/2022
কানের ময়লা পুষে রাখুন ঃ";/
কানে জমা ময়লা, সোজা বাংলায় যাকে বলে ‘খইল’। কানের এই খইল পরিষ্কার করার অভ্যাস আছে আপনার? তাহলে খবরটা আপনার জন্য সুখের নয়। কারণ, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, কানের খইল (ময়লা) পরিষ্কার না করে ‘পুষে’ রাখুন।
ভাবছেন, তাহলে তো ময়লা জমে কানের ক্ষতি হতে পারে! অথবা কান চুলকাবে, শিরশির করবে! এই ধারণা পুরোপুরি ভুল। ল্যাবএইড হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ সাবাহ উদ্দিন আহমেদ বললেন, কানের ময়লা সাধারণত কোনো ক্ষতি করে না। বরং এটি কানকে সুরক্ষিত রাখে। কানের ভেতরে পাইলোসেবাসিয়াস গ্ল্যান্ড থেকে নির্গত সেরুমিনই হচ্ছে এই খইল বা ‘ময়লা’, যা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের আক্রমণ থেকে কানকে সুরক্ষিত রাখে।
কানের নালিতে সামনের দিকে থাকা এই পাইলোসেবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের পাশাপাশি এর সঙ্গে বাইরের ধুলাময়লা মিশে যায়। এর ফলে কানে জমা হয় খইল। এটা আসলে আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষারই অংশ। চলাফেরার সময়ে বাইরে থেকে কোনো ধরনের পোকামাকড় কানে ঢুকতে গেলেও এই খইল বাধার সৃষ্টি করে। সাধারণত কানে যখন খইল বেশি জমে যায়, তখন কান সেটা আপনা-আপনি বাইরের দিকে ঠেলে দেয়। কোনো কোনো সময় খইল বাইরে না-ও আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে তা বের করে আনা যায় বলে জানালেন সাবাহ উদ্দিন আহমেদ।
তবে অনেক সময় খইল বেশি শক্ত হয়ে যায়। তখন সহজেই কান থেকে বের হয় না। সে ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণে অলিভ অয়েল দিয়ে কটনবাটের মতো নরম কিছুর সাহায্যে আলতো করে বের করে নিতে পারেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াও বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে হুটহাট করে কানের মধ্যে খোঁচানো একেবারেই ঠিক নয়। অনেকেই রাস্তার পাশে বসে দিব্যি কান পরিষ্কার করিয়ে নেন। এটা ভীষণ বিপজ্জনক! কান যদি পরিষ্কার করতেই হয়, নিজে করুন বা বাসার কারও সাহায্য নিন। তবে শেষ কথা একটাই—কান নিজেকে নিজেই পরিষ্কার রাখে। কানের ময়লার ক্ষেত্রে ওই গানটা খুব প্রযোজ্য, ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও...।’
15/07/2022
ার
#চা র্বি বার্ন করবে
#ও-জ-ন কমাবে
#ব্য-য়ামও ডা-য়েট ছাড়াই এবার ও-জ-ন কমবে
#বিশ্বের_সবচেয়ে_জনপ্রিয় প" #ণ্য #
#শতভাগ # #মানিব্যাক # # #হান্ড্রেড_পারসেন_রেজাল্টেড_ইনশাআল্লাহ #বিস্তারিত_জানতে_মেসেজ_অপশনে_ক্লিক_করুন #ইন্টারন্যাশনাল
দেরি না করে ইনবক্সে চলে আসুন এবং আপনার স*ম*স্যার শ*ত*ভ*গ স*মা*ধা*ন নিন এখুনি ইনশাআল্লাহ আপনিও হয়ে উ*ঠ*বে*ন ফি*ট
14/06/2022
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়:
বেশ কিছু উপায়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়া যায় নিমেষেই।
১. দুধ ও বেসনের প্যাক:
দুধ আমাদের প্রত্যেকেরই ঘরে থাকে এর জন্য বাড়তি কোনো খরচ নেই। কিছুটা দুধ ও ৩-৪ চামচ বেসন ও ২-৩ চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরী করে রোজ স্নানের আগে মুখে ও গলায়, হাতে-পায়ে মাখলে কয়েকদিনের মধ্যে ত্বক অত্যন্ত নরম ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। দুধ ত্বকের ফাঁকে জমে থাকা ময়লাও পরিস্কার করে দেয়।
২.কাঁচা হলুদের পেস্ট:
কাঁচা হলুদ গায়ে মাখা খুব উপকারী। দুধের সাথে হলুদ মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে মুখে এবং গায়ে মাখলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এটি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফরসা হওয়ার একটি অন্যতম উপায়।
৩.দইয়ের প্যাক:
টকদইয়ের প্রচুর গুণ আছে, যা আমাদের শরীরের জন্য তো উপকারী এছাড়া চুলের যত্ন নিতে ও খুবই কার্যকরী। তবে আমাদের ত্বকের যত্ন নিতে টকদইয়ের ব্যবহার অনস্বীকার্য। টকদইয়ের সাথে বেসন ও হলুদ মিশিয়ে সাথে একটু মধু বা যদি অ্যালভেরার রস দিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ওটা মুখে মাখেন নিয়মিত তো আপনার ত্বকের জৌলুস ফিরে আসবে। বেশি না মাত্র ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে তারপর একটা ভিজা কটন দিয়ে তুলে দিন বা ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
কয়েকটি জরুরী টিপস:
আমরা যে গায়ের রঙ নিয়ে জন্মাই তাকে রক্ষণ করলেই কোনো বাড়তি যত্নের প্রয়োজনই পড়ে না। এমন কয়েকটি টিপস হল-
১. বাইরে রোদে বেরোনোর সময় সানস্ক্রিন মেখে নিন বা ওড়না, টুপিতে মুখ গলা মাথা ভাল করে ঢেকে নিন। যাতে সানবার্ন থেকে ত্বকের রক্ষা হয়।
২. মাঝে মাঝেই ভেজা রুমাল বা ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে নিন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
৩. বাইরে থেকে বাড়ি ঢুকেই ফেসওয়াশ দিয়ে ভালভাবে মুখ পরিস্কার করে নিন। তুলো জলে ভিজিয়ে চোখের নিচ, কানের নিচ ভাল ভাবে পরিস্কার করুন।
৪. সপ্তাহে ১ বার স্ক্রাবিং করা যাতে ত্বকে জমা ময়লা বা ব্ল্যাকহেডসগুলো উঠে যায়।
৫. মাসে একবার অন্তত ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফেসিয়াল করা খুবই দরকার।
06/06/2022
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল**
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল
ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল ডায়েটে রাখা আবশ্যিক। রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে অনাক্রম্যতা বাড়ায় ভিটামিন সি। রোজ অন্তত একটি করে টকজাতীয় ফল খেলে ভাল। যেমন কমলালেবু, মুসাম্বি, ন্যাসপাতি। এই ফলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে।
06/06/2022
আমাদের পণ্যের বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসি এস আই আর) এর অনুমোদন কপি
04/06/2022
আকর্ষণীয় অফার
#চর্বি বার্ন করবে
#ও-জ-ন কমাবে
#ব্য-য়ামও ডা-য়েট ছাড়াই এবার ও-জ-ন কমবে
#বিশ্বের_সবচেয়ে_জনপ্রিয় প" #ণ্য #
#শতভাগ # #মানিব্যাক # # #হান্ড্রেড_পারসেন_রেজাল্টেড_ইনশাআল্লাহ #বিস্তারিত_জানতে_মেসেজ_অপশনে_ক্লিক_করুন #ইন্টারন্যাশনাল
দেরি না করে ইনবক্সে চলে আসুন এবং আপনার স*ম*স্যার শ*ত*ভ*গ স*মা*ধা*ন নিন এখুনি ইনশাআল্লাহ আপনিও হয়ে উ*ঠ*বে*ন ফি*ট
31/05/2022
#ব্যয়াম ছাড়াই এবার ওজন কমবে
#বিশ্বের_সবচেয়ে_জনপ্রিয় প" #ণ্য #
#শতভাগ # #মানিব্যাক # # #হান্ড্রেড_পারসেন_রেজাল্টেড_ইনশাআল্লাহ #বিস্তারিত_জানতে_মেসেজ_অপশনে_ক্লিক_করুন #ইন্টারন্যাশনাল
দেরি না করে ইনবক্সে চলে আসুন এবং আপনার স*ম*স্যার শ*ত*ভ*গ স*মা*ধা*ন নিন এখুনি ইনশাআল্লাহ আপনিও হয়ে উ*ঠ*বে*ন ফি*ট
18/05/2022
ব্রেস্টফিডিং:
মায়ের দুধের অভাবে মরছে শিশুরা!
আগামী এক সপ্তাহ ধরে সারা বিশ্ব জুড়ে নানা অনুষ্টান হবে, নানা ভাবে ব্রেস্টফিডিং বাচ্চার জন্য কতটা উপকারি সে বিষয়ে আলোচনাও কম হবে না। কিন্তু এত কিছুর পরেও দিনে দিনে পরিস্থিতি কেন এতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, সে প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ কারও নেই। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর বিষয়ে এই দুটি প্রতিষ্টান যে নিয়ম নীতি ঠিক করে দিয়েছে, তা প্রায় কোনও দেশই মেনে চলছে না। শুধু তাই নয়, গত কয়েক দশকে আরও একটু বিষয় ধীরে ধীরে মারাত্মক সমস্যা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কী সেই সমস্যা? কোনও দেশের সরকারই মায়েদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না। আর সরকারি নিয়মের অনুপস্থিতিতে কোনও অফিসই প্রসবের পর মায়েদের বেশি দিন ছুটি দিচ্ছে না। ফলে ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীনই তাদের ছুটতে হচ্ছে চাকরি করতে। এমনটা করার কারণে বাচ্চারা তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কারণে একাধির রোগ ছোট থেকেই তাদের ঘিরে ধরছে। ফলে বাড়ছে মৃত্যু। আমাদের দেশের অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর। এমন পরিস্থিতিতে যদি এখনই কিছু করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে যে কী হবে, তা ভগবানই জানেন। বাচ্চার জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে তাকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হয়। এটাই নিয়ম। কারণ জন্মের পর এই দুধই হল তার শরীরের গঠনের প্রথম দাওয়াই। এর পর টানা ছ মাস বাচ্চা শুধু এই খেয়েই বেঁচে থাকে। এই সময় মায়ের দুধ ছাড়া বাচ্চাকে আর কিছু খাওয়াতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। কারণ মায়ের দুধে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান বাচ্চার শরীরকে জীবন যুদ্ধের জন্য তৈরি করতে থাকে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক কথায় মায়ের দুধ হল বাচ্চার জন্য ভ্যাকসিনের সমান। আর এই ওষুধ, বাচ্চার মুখে তুলে দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না মায়েরা। বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তাদের চাকরি জীবন। এই কারণে পরিস্থিতি কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তা সম্প্রতি গ্লোবাল ব্রেস্টফিডিং স্কোরকার্ডের দিকে চোখ ফেরালেইই বুঝতে পারা যায়। এই রিপোর্ট অনুসারে সারা বিশ্বে প্রায় ৪৪ শতাংশ মা তাদের বাচ্চাকে জন্মের প্রথম ঘন্টায় দুধ খাওয়ান না। এখানেই শেষ নয়, এই নীল গ্রহে মাত্র ২৩ টি দেশ আছে যেখানে বাচ্চাদের মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আর দুর্ভাগ্যের বিষয় এই ২৩ টি দেশের মধ্যে নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার নাম থাকলেও দূর দূরান্ত পর্যন্ত ভারতের দেখা নেই। এই অবস্থায় বিশ্বের মানচিত্রের যেখানে যেখানে ভারতীয়রা বসবাস করেন, তাদের সকলকেই এই প্রবন্ধে চোখ রাখতেই হবে। কারণ প্রত্যেকেরই জানা উচিত মায়ের দুধ বাচ্চার জন্য কতটা জরুরি। আর তা পেলে কী হতে পারে! জন্মের পর থেকে টানা ৬ মাস মায়ের দুধ বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করলে কী কী হতে পারে জেনে নিন।
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
ব্রেস্ট মিল্কে উপস্থিত ভিটামিন, প্রোটিন, উপকারি ফ্যাট এবং প্রকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করার কারণে ধীরে ধীরে নবজাতকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাকটেরিয়া এবং ক্ষতিকর জীবাণু ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে বারে বারে নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডা লাগার মতো শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
২. ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে:
মায়ের দুধে উপস্থিত উপকারি উপাদান ছোট থেকেই বাচ্চার শরীরকে এতটাই মজবুত করে দেয় যে বড় হয় ডায়াবেটিস বা হার্টের রোগের মতো মারণ ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন আমাদের দেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে কম বয়সে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা কেন ঘটছে। তাই মায়েরা, জন্মের পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত আপনার বাচ্ছারা যাতে মায়ের দুধ পান কারার সুযোগ পায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন দয়া করে।
৩. হাড় শক্ত হয়:
ব্রেস্ট ফিডিং করালে যে শুধু বাচ্চারই উপকার হয়, এমন নয় কিন্তু! বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে মায়েদেরও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দুধ খাওয়ানোকালীন বাচ্চার যেমন হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে, তেমনি মায়েদের পোস্টমেনোপোজাল অস্টিওপোরোসিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৪. হঠাৎ মৃত্যুর আশঙ্কা কমে:
গবেষণা বলছে জন্মের পর পরই যদি নবজাতককে মায়ের দুধ খাওয়া শুরু করা যায়, তাহলে হঠাৎ করে বাচ্চার মৃত্যুর আশঙ্কা অনেক কমে যায়। প্রসঙ্গত, গত এক দশকে আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই ইনফ্যান্ট ডেথ লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পয়েছে। এক্ষেত্রে অনেকাংশে বাচ্চাকে মায়ের দুধ না খাওয়ানোকেই দায়ি করছেন চিকিৎসকেরা।
৫. ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না:
ব্রেস্ট ফিড করালে মায়ের যেমন ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি বাচ্চারও বড় হয়ে মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। প্রসঙ্গত, আজকাল যেখানে ওবেসিটির কারণে ইয়ং জেনারেশনের গড় আয়ু চোখে পরার মতো কমছে, সেখানে ব্রেস্ট ফিডিং-এর গুরুত্ব আরও যে বেড়ে গেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ৬.ক্যান্সার দূরে থাকে: টানা ছয় মাস ব্রেস্ট ফিডিং করালে একদিকে বাচ্চার যেমন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি মায়েরও ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বেই এখন যেভাবে ওভারিয়ান ক্যান্সারের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে এই পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ফিড করা কতটা জরুরি হয়ে উঠেছে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।
৭. মায়ের উপকার হয়:
একাধিক কেস স্টিড করে দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেস্ট ফিড করলে মায়ের ইউটেরাস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। সেই সঙ্গে ইউটেরাইন ব্লিডিং-ও বন্ধ হয়ে যায়।
18/05/2022
গর্ভাবস্থা ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে চান তো বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে ভুলবেন না যেন!
→
ব্রেস্টফিডং-এর সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগের কি সম্পর্ক? প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে বাচ্চা জন্মানোর পর তাকে যদি টানা ৬ মাস মায়ের দুধ খাওয়ানো যায়, তাহলে মায়ের শরীরে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ বাসা বাঁধার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়। গত তিন দশক ধরে প্রায় ১২০০ মহিলার উপর এই গবেষণাটি চালিয়েছিলেন একদল মার্কিন গবেষক। পরীক্ষাটি চলাকালীন তাঁরা মায়েদের শরীরে যে যে পরিবর্তন লক্ষ করেছিলেন, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তুলে ধরেছেন জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন পত্রিকায়। সেখানে তারা দাবি করেছেন যেসব মায়েরা টানা ৬ মাস তাদের বাচ্চাদের নিজের দুধ খাইয়েছেন, তাদের ডায়াবেটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৭ শতাংশ কমেছে। কারণ ব্রেস্টফিডিং-এর সময় মায়ের শরীরে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে যে হারে ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পয়েছে, তাতে এই আবিষ্কার যে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রকাশিত একাধিক সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে ধীরে ধীরে আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগ মহামারির আকার নিতে চলেছে। কারণ গত কয়েক বছরে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা এতটা বেড়েছে যে বর্তমানে প্রায় ৬২ মিলিয়াম ভারতবাসী ডায়াবেটিস রোগের শিকার, যা সারা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে শুধু ভাবী মায়েরাই নন, প্রত্যেকটি ভারতীয়রই এই প্রবন্ধে চোখ রাখা উচিত। কারণ এই লেখায় এমন কিছু ঘরোয়া খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এক্ষেত্রে যে যে খাবারগুলি রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...
১. বিনস:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই সবজির অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান শুধু ব্লাড সুগার নয়, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফলতেও সাহায্য করে। আসলে নিয়মিত ১ কাপ করে বিনস খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে। যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়। ফলে ক্যালরির প্রবেশ কমে যাওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেও টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
২. ডেয়ারি প্রডাক্ট:
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর মাত্রা যত বাড়ে, তত ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। অনেক ক্ষেত্রে তো এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার সম্ভাবনা প্রায় ৩৩ শতাংশ কমে যায়। তাই তো এমন ধরনের রোগের খপ্পর থেকে বাঁচতে নিয়মিত দই, দুধ বা যে কোনও ধরনের দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ প্রায় প্রতিটি ডেয়ারি প্রডাক্টেই প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি থাকে, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।
৩. মাছ:
হে মাছে-ভাতে বাঙালি যদি ডায়াবেটিস রোগ থেকে দূরে থাকতে চান, তাহলে ভুলেও রোজের ডেয়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না যেন! কারণ মাছের অন্দরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, এই উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডটির মাত্রা শরীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়, যেমন ধরুন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, দেহে প্রদাহের মাত্রা কমে এবং অতিরিক্ত ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না।
৪. ওটস:
বিনসের মতোই এই খাবারটিও ডায়াবেটিস রোগকে প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে যদি ওটসকে জায়গা করে দিতে পারেন, তাহলে সুস্থ জীবনের স্বপ্ন পূরণ হতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে এই খাবারটির অন্দরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে।
৫. জাম:
স্বদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসকে রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ জামের অন্দরে উপস্থিত ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে শুধু ডায়াবেটিস নয়, কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুয়োগ পায় না। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। আসলে এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকারক সব টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong CDA Avenue
Chittagong
