Good Looks
Service is not our main goal, stay with you to get something good, your satisfaction is our success.
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
12/09/2022
★★★ভারী ব্রেকফাস্ট★★★
**চেষ্টা করুন সকালে ভারী ব্রেকফাস্ট করার। সামান্য ভারী লাঞ্চ এবং হালকা ডিনার করার। নাস্তা হিসাবে খান বাদাম, মুড়ি, ফল, ডায়েট বিস্কিট**
12/09/2022
সবজি হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার অবদান কম নয়। মিষ্টি কুমড়া খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজিটি পাওয়া যায় সারা বছর জুড়ে। মিষ্টি কুমড়া আমাদের সকলের অতি পরিচিত বারোমাসি সবজি । মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ (বিটা ক্যারোটিন), ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স,এবং ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, কপার, ফসফরাস,ক্যারটিনয়েড এবং বিভিন্ ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেলে আমাদের বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে।
12/09/2022
ছোট মাছে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ছোট মাছ কাঁটাসহ ক্যালসিয়ামের এক অনন্য উপাদান। মলা, ঢেলা,খৈলসা,চাঁদা, ছোট পুঁটি, স্বরপুঁটি,কাঁচকি, ছোট চিংড়ি, কৈ, শিং, মাগুর,কাজলি, মৌরলা, পিউলি, বাঁশপাতা, পাতাশি,ইত্যাদি জাতীয় মাছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিন এ বিদ্যমান। আমাদের দেহে দৈনিক প্রচুর ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। বিশেষ করে বাড়ন্ত শিশু, গর্ভবতী মা এবং প্রসূতি মায়েদের ক্যালসিয়ামের চাহিদা অনেক বেশি। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনে অত্যন্ত দরকারি। ফলে প্রতিদিন আমাদের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ছোট মাছ খাওয়া উচিত। উঠতি বয়সী শিশুদের জন্য আয়রন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি,ফসফরাস, ভিটামিন বি-৩ এবং ভিটামিন ডি যুক্ত গুঁড়া বা ছোট মাছ খুবই উপকারী। কারন ছোট মাছের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক বেশি থাকে।ছোট মাছে অসম্পৃক্ত চর্বি থাকে,যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। তাছাড়া ছোট মাছ প্রোটিন, আয়রন,ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২,লাইসনি, ফ্যাটি অ্যাসিড, ও মিথিওনিনেরও ভাল উৎস । ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ বিদ্যমান যা রাতকানা, অন্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন অনেক শারিরীক সমস্যা দূর করতে সক্ষম। শিশুদের রাতকানা রোগ ঠেকাতে নিয়মিত ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ মলা, ঢেলা ও গুঁড়া মাছ খাওয়ান। ফলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিপাবে কয়েক গুণ। যে সব রোগীর উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ খেলে ব্ল্যাড প্রেসার কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খনিজ লবণ সমৃদ্ধ গুঁড়া মাছ উপকারী। গুঁড়া মাছ হৃদরোগী, স্ট্রোকের রোগীর ও গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য খুবই উপকারী।
12/09/2022
Strawberry) আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই ফলের জুড়ি মেলা ভার।
ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করা ছাড়াও স্ট্রবেরীর রয়েছে বেশ কয়েকটি গুণ -
১. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
২. স্ট্রবেরিতে থাকা উপাদান ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থেকে হার্টকে ভালো রাখে।
৩. এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্লেভোনয়েডস ও পলিফেনল। এতে থাকা উপাদানগুলি হার্টের ধমনি ভালো রাখে।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর ফ্যাট এলডিএল কমায়।
12/09/2022
বর্ষার মরশুমে ভুট্টা পোড়ার গন্ধ সকলের কাছেই বাড়তি একটা মন মুগদ্ধকর প্রাপ্তি। এইরকম আবহাওয়ায় একটা সেঁকা ভুট্টা খাওয়ার সুযোগ পেলে কে আর সেটা হাতছাড়া করতে চাইবে! জানলে হয়ত আপনার অবাক লাগবে যে ভুট্টায় রয়েছে এমন কিছু পৌষ্টিক গুণ যা শরীরকে কঠিন কঠিন সব অসুখের মোকাবিলা করতে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। যেসব মানুষেরা খাবার হিসেবে ভুট্টাকে প্রচণ্ড অপছন্দ করেন তারাও মানবদেহে ভুট্টার গুণাগুণ সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক খাদ্য হিসেবে ভুট্টার গুণাগুণ কী কী! মানবদেহে ভুট্টার উপকারীতাই বা কী! প্রতিদিন কতটা পরিমাণে ভুট্টা গ্রহণ স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী আর ভুট্টার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াই বা কী! তবে একথাও মাথায় রাখা দরকার, যে কোনো রকম শারীরিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা দরকার
12/09/2022
পর্যাপ্ত ঘুমের উপকারিতাঃ
পর্যাপ্ত ঘুমানো দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি শারীরিক প্রক্রিয়া। ঘুম প্রতিদিন আপনার দেহের শারীরিক নানা শূণ্যস্থান পূরণ করে এবং দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখাসহ নানা কাজে লাগে। এ লেখায় রয়েছে পর্যাপ্ত ঘুমের ১০টি উপকারিতা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
১. স্মৃতিশক্তি ভালো করে গবেষণায় দেখা গেছে ঘুমালে মানুষের মস্তিষ্ক শীতল থাকে ফলে সব কিছু খুব সহজেই মনে থাকে। মূলত মস্তিষ্কের কোষগুলো ঘুমের সময় স্মৃতিকে নতুন করে সাজিয়ে নেয়। এতে ঘুম থেকে ওঠার পর স্মৃতিগুলো ব্যবহার উপযোগী হয়।
২. আবেগগত সমস্যা দূর করে ঘুমের অভাবে আবেগগত সমস্যা হতে পারে। আর পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারলে এ আবেগগত সমস্যা দূর হয়ে যায়। তাই আবেগগত সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হলে পর্যাপ্ত ঘুমানো উচিত।
৩. যৌনতায় উন্নতি ঘুমের ফলে দেহের হরমোন মাত্রা স্বাভাবিক হয়, যা যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আর তাই পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে যৌনতায় উন্নতি করা সম্ভব।
৪. আয়ু বাড়ায় একজন ব্যক্তির প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। গবেষণায় দেখা যায়, যারা রাতে ছয় ঘণ্টা বা এর চেয়ে বেশি ঘুমান তাদের তুলনায় যারা ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান তারা একটু বেশিই আয়ু কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
৫. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ঘুমের ফলে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মূলত ঘুমের কারণে দেহের হরমোন মাত্রা স্বাভাবিক থাকে। আর এতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
12/09/2022
ঔষধি গাছের উপকারিতা - Medicinal Plant & রোগ নিরাময়
শিরোনাম: এলাচ বা এলাচির ঔষধি গুন্
পরিচিতি: এর অন্যান্য নাম হচ্ছে এলাচি, Cardamom, Malabar cardamom, Ceylon cardamom। এটি মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সুগন্ধি গাছ।এলাচ এমন একটি মশলা যা মোটামুটি সকলের রান্নাঘরেই উপস্থিত থাকে এবং নানারকমের খাদ্যে তীব্র সুগন্ধযুক্ত অনন্য স্বাদ এর জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এর মূল কারণ হল এই যে এলাচ শুধুমাত্র খাদ্যে বিশেষ সুগন্ধ ও স্বাদই বাড়ায় না, তার সাথে এলাচের উপকারিতা রয়েছে নানারকমের যা স্বাস্থ্যের জন্যে বেশ প্রয়োজনীয়। ভারতবর্ষে এই সবুজ এলাচের চাষ হয়ে থাকে ও মালেশিয়ার মত দেশে এই এলাচ ভারত থেকে পাঠানো হয়। তীব্র সুগন্ধযুক্ত অনন্য স্বাদ রয়েছে। সবুজ এলাচ আপনি নানারকমের মিষ্টি অথবা নোনতা স্বাদের খাদ্যে ব্যবহার করতে পারেন। এর অসাধারণ সুগন্ধের জন্যে একে তরকারি অথবা বিভিন্ন দুগ্ধ জাতীয় খাদ্যেও ব্যবহার করা হয়। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। এলাচকে মসলার রানী বলা হয় । খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা। ➢ এলাচের উপকারিতা হলো :
গুণাগুণ:
➢ কালো এলাচের স্পষ্টভাবে আরও ধূমপায়ী স্বাদ রয়েছে, যদিও তেতো নয় তাহলে কালো এলাচ মুখে নিয়ে চাবাতে পারেন। কেননা এলাচের তেল মুখের সমস্যা দূর করতে কার্যকর একটি ওষুধ।
➢ রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচ রক্ত পাতলা করার এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।
➢ এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ খুব উপকারী।
➢ গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
➢ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ ও অ্যাজমার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য এলাচ খুবই উপকারী।
➢ মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে এলাচ তেলের ব্যবহার করলে সুফল পাওয়া যায়।
➢ এটি অনুভূতি নাশক ও অস্থিরতাকে প্রশমিত করে।
➢ ঠোঁটের জন্যে ভালো: এলাচ দিয়ে ঠোঁটের নানারকমের বাম, গ্লস বা তেল তৈরী হয় যা ঠোঁটের কোমলভাব ফুটিয়ে তুলে তার গোলাপিভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। আপনি ঘরেও প্যাক তৈরী করে সারারাত ঠোঁটে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফলাফল পেতে পারেন। এই প্যাক তৈরী করতে লাগে এলাচের গুঁড়ো, অলিভ অথবা আমন্ড অয়েল এবং একটুখানি এলোভেরা জেল। প্রতিদিন এটি ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
➢ কালো এলাচ হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তচাপ ও ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ায়।
➢ কালো এলাচ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এ ছাড়া এলাচ রক্তসঞ্চালনে সহায়ক।
➢ এতে থাকে ভিটামিন সি,যা রক্তসঞ্চালন ও ত্বকের সমস্যা দূর করে। এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি যা এন্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। এর ফলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয় ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
➢ রূপচর্চায় এর জুড়ি নেই, রূপচর্চা ও চেহারার কালো দাগ দূর করতে এলাচের জুড়ি নেই।
➢ হার্টের জন্য ভালো: এলাচের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদানগুলি হার্টের জন্যে বেশ স্বাস্থ্যকর। এতে রয়েছে ফাইবার যা কোলেস্টরল কম করতে সাহায্য করে। এছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এলাচ হল দারুণ একটি ওষুধ। তবে হার্টের জন্যে সবুজের থেকে কালো এলাচ বেশি উপকারী। বেশিরভাগ হার্টের চিকিৎসকেরা আজকাল রাতের খাদ্য তালিকায় এলাচ যোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন।
➢ দাঁত ও মুখের জন্যে ভাল: এলাচে এন্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকার ফলে মুখের ভেতরের অংশের অর্থাৎ মাড়ি ও দাঁতের খুব উপকার হয়। এলাচের ঝাঁঝালো স্বাধ নিশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে ও তরতাজা করে তোলে । দাঁতের সুরক্ষা ও তরতাজা নিশ্বাসের জন্যে একটু জিরে, এলাচ ও মৌরি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরী করে দাঁত মাজুন। খুব শীঘ্রই ফল পাবেন
➢ যৌন স্বাস্থ্য: এলাচে সিনেওলের পরিমান উচ্চ থাকে, ফলে এটি স্নায়ুকে শান্ত করে ও যৌন ইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে। এই কারণে এলাচকে আফ্রোদিসিয়াক বলা হয়। এছাড়া, বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পেতেও এলাচ সাহায্য করে।
➢ ক্যান্সারের চিকিৎসা: প্রাকৃতিক ভাবে ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে এলাচের কোনো জুটি নেই। এলাচের দ্বারা ক্যান্সারের টিউমার বা কোষগুলি বাড়তে পারেনা। কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এলাচ এর গুনাগুন বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এলাচ ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। এ জন্য ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত এলাচ খাওয়া উচিত।
➢ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের জন্যে এলাচ খুব উপকারী একটি ওষুধের কাজ করে। স্যুপ বা স্টু-এর মধ্যে এলাচ মিশিয়ে খেলে খুব সহজেই কিছুদিনের মধ্যে রক্তচাপ নিচে নামতে শুরু করে
➢ চা বা কফি বানানোর সময় এলাচ মেশালে তাতে দারুন সুগন্ধ ফুটে ওঠে। এতে মেজাজও বেশ ফুরফুরে থাকে।
➢ রোজ খাবার পর যদি একটা করে এলাচ খান তা পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ গ্যাসের সম্ভাবনাকে কমায় ও হজমশক্তি বাড়ায়। রোজ এক কাপ হালকা গরম জলে একটি এলাচ থেঁতো করে ফেলে নিয়ম করে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
➢ গরম জলে এলাচ গুড়ো ও মধু দিয়ে ফুটিয়ে চা বানিয়ে খেলে মনের বিষণ্ণতা দূর হয়।
➢ মাথা ব্যাথা দূর করে: যাঁরা মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এলাচিযুক্ত সবুজ চা দারুণ কাজে লাগতে পারে। গরম পানিতে এলাচ গুড়ো ও মধু দিয়ে ফুটিয়ে তৈরি করে নিন এলাচ চা। মাথা ব্যথায় ভুগে থাকলে এক কাপ গরম এলাচ চা খেয়ে দেখুন। দেখবেন মাথা ব্যাথা নিমেষেই দূর হয়ে গিয়েছে।
➢ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় এলাচ খুব কাজের। এলাচ, বেল ও দুধ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে গরম করুন। দুধ যখন ঘন হয়ে আসবে তখন তা একটু ঠাণ্ডা করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও জ্বর কমে যাবে।
➢ এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।
➢ দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।
12/09/2022
ওয়েট"লস জুস+ওয়েট"লস ট্যাবলেট ফুল কোর্স
12/09/2022
🍀আসসালামু আলাইকুম🍀
☘️খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ১ মিনিট পড়ুন
এবার শরি"রের অতি"রিক্ত ও-জন ক"মান জুস খেয়ে!☘️
✅এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃ"ক অনুমোদিত।
✅এবং বাংলাদেশ সাই"ন্স ল্যা"ব থেকে পরি"ক্ষিত কোনো সা"ইড এফে-ক্ট নেই স"ম্পুর্ন
ন্যা"চা"রাল ফরমুলায় তৈরি।
👉আরো বিস্তা"রিত জানতে আমা"দের মেসেজ করুন
অথ-বা ক-ল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে 01864997601
08/09/2022
পেস্তা বাদাম সম্পর্কে ধারণা নিনঃ
•আইসক্রিম হোক বা সন্দেশ, পেস্তা থাকলে স্বাদ হয়ে যায় দ্বিগুণ। পেস্তা এমনই এক সুস্বাদু বাদাম। কিন্তু এই পেস্তা নিয়ে রয়েছে অনেক ভুল ধারণাও। অনেকেই ভাবেন পেস্তা খেলে মোটা হয়, পেট খারাপ হয়। আবার খোসা ছাড়ানোর ঝক্কিও নিতে চান না কেউ কেউ। অথচ পেস্তা যে ওজন কমাতে সাহায্য করে তাই নয়, পেস্তার রয়েছে অন্যান্য পুষ্টিগুণও। যে কারণে ডায়েটে পেস্তা রাখতে বলে থাকেন নিউট্রিশনিস্টরা।
পুষ্টিগুণ: ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন বি৬ ও পটাশিয়াম থাকার কারণে পেস্তা পুষ্টিগুণে ভরপুর এক খাবার।
ওজন: এনার্জি জোগানোর পাশাপাশি যে কোনও বাদাম ওজন বশে রাখতেও সাহায্য করে। পেস্তারও রয়েছে এই গুণ।
08/09/2022
ওজন কমাতে এলোভেরা
ওজন কমাতে এলোভেরার শরবত খুবই উপকারী। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি – ইনফ্লামেটারি উপাদান দ্রুত শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। এছাড়াও এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও পাকস্থলী ঠান্ডা রাখে
শরীরের জন্যে
শরীরের ইলেক্ট্রলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখে ।
শরীর পরিষ্কারের কাজ করে।
শরীরের মাংসপেশী ও জয়েন্ট এর ব্যথা দূর করে।
দাঁত ও মাড়ির ব্যথা নিরাময় করে।
অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
মুখের ঘা ও দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।
স্তন ক্যান্সার ছড়ানো রোধ করে।
৮.উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৯.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur Jalal Plaza 3rd&4th Floor
Chittagong
4000
