Unique Health Care BD
Your well-being is our success, We sell 100% safe and efficient products. Which is a lot more benefi
One will benefit you without any harm, it will benefit you more than your price, you will not be harmed by it inshaAllah.
07/04/2021
সুখবর সুখবর সুখবর!
বি-বাহিত অ-বিবাহিত দের জন্য সুখবর
টাইম বৃদ্ধি করার জন্য সারা বাংলাদেশে জন'প্রিয় একটি প্রোডা'ক্ট
লাভ ফর এভার। যা অত্যন্ত কা'র্যকরী সকল
পুরুষের জন্য।
জীবনকে আরো সুন্দর আনন্দ করে তোলেন
LOVE FOREVER
এটা অনেকের মতে সুখের আসল ঠিকানা
বাংলাদেশে যে কোন প্রান্তে জেলা উপজেলায় 24-48 ঘন্টার মধ্যে প্রোডা'ক্ট পৌঁ'ছে দিয়ে থাকি।
আরো বিস্তারিত জানতে SEND MASSAGE OPTION এ ক্লিক করুন।
হেল্পলাইন: 01876247391
02/04/2021
আমাদের পণ্য কেন নিবেন?
১- পণ্যের উপাদান ইম্পোর্ট করা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে।
২- বাংলাদেশে আনার পর প্যাকেটজাতের পূর্বেই বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে ( BCSIR) ল্যাব টেষ্ট করা হয়।
৩- ল্যাব টেষ্ট করার পরেই পেকেট জাত করা হয়।
৪- সম্পূর্ণ ন্যাচারাল কোন প্রকার স্যাইড ইফেক্ট নেই।
৫ - নিকটস্থ কোরিয়ারের মাধ্যমে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করবেন।
৬- কোরিয়ার চার্জ দেওয়ার ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে দেশের যে কোন প্রান্তে প্রোডাক্ট হাতে পাবেন।
৬ - প্রোডাক্ট হাতে পেলেই মূল্য প্রদান করবেন।
আসল নকল চেনার উপায়ঃ-
১- পণ্যের গায়ে খোদাই করা ছোট অক্ষরে নাম লিখা আছে।
২- পণ্যের গায়ে লেভেলের উপর বারকোড আছে।
৩ - পেকেট জাত খুব নিখুঁত এবং উজ্জল, কোন প্রকার ডেমেজ বা ধূসর রঙের নয়।
01/04/2021
ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য মাশরুম হতে পারে আদর্শ খাবার।
পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ডায়াবেটিকদের মাশরুমে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হল।
ডায়াবেটিকদের জন্য আদর্শ: এটা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরি সম্পন্ন। এছাড়া মাশরুম গ্রহণের মাধ্যমে ক্যালরি ছাড়াই কম শর্করা যোগ করতে সাহায্য করে।
হৃদসংক্রান্ত স্বাস্থ্য ভালো রাখা: ক্যালরি কম থাকায় তা চর্বির বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে না এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে আছে প্রদাহরোধী উপাদান।
লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স: খাবারে থাকা কর্বোহাইড্রেইট কী পরিমাণে রক্তের গ্লুকোজের ওপর প্রভাব রাখে সেটার সূচক হল ‘লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নাস্তা হিসেবে মাশরুম খুব ভালো খাবার। এটা কম কার্বোহাইড্রেইট সমৃদ্ধ।
এমনকি, যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য মাশরুম ভালো। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়।
01/04/2021
কালো জিরার উপকারিতা
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, “তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত সর্ব রোগের মুক্তি রয়েছে”। তিরমিযি, বুখারি, মুসলিম থেকে নেয়া- হযরত কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, “প্রতিদিন ২১ টি কালোজিরা ১ টি পুটলি তৈরি করে পানিতে ভিজাবে এবং পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে নাশারন্ধ্রে (নাশিকা, নাক) ব্যবহার করবে- “প্রথমবার ডান নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। দ্বিতীয়বার বাম নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং ডান নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয় বার ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাকের ছিদ্রে এক ফোঁটা”। হযরত আনাস (রাঃ)বর্ণনা করেছেন, “নবী করিম (সঃ) বলেছেন, “যখন রোগ- যন্ত্রণা খুব বেশি কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা নিয়ে খাবে তারপর পানি ও মধু সেবন করবে”। -মুজামুল আওসাতঃ তাঁবরানি। গুণাগুণ জেনে নিতে দোষ কী? আমাদের জন্য কি কি ঔষধী গুণ আছে এই কালোজিরাতে। নবীর উপরে আর কোনো কথা থাকে না। তারপরও এর ব্যবহার বা উপকারিতা গুলো জেনে নিলে খুব ভালো হয়। আর ভাল কালোজিরা বাছাই করে ব্যবহার করুন। কালোজিরার গুণাগুণ: ১৫-১৬ টি কালোজিরা ছোট ১ টি পিয়াজ ও ২ চামচ মধু সহ বিকালে বা রাতে খেলে চির যৌবন রক্ষা হয়। সকালে খালি পেটে ১২-১৩ ফোটা কালোজিরার তেল ও ১৫-১৬ ফোঁটা মধু খেলে ডায়াবেটিসের উপকার হয়। ১০/১২ ফোঁটা কালোজিরার তেল গরম পানিতে মিশিয় খেলে বাত রোগের উপকার হয়। জেনে নেয়া যাক আরো কিছু গুণাগুণ: ১। হজমের সমস্যায় ১-২ চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিন বার খেলে এক মাসের মধ্যে হজম শক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাপা ভাবও দূর হবে। ২। জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশিতে ১ চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও ২ চা-চামচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার সেবন করুন। কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন যদি সর্দি বসে যায়। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে যাবে। তাড়াতাড়ি ভালো ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। ৩। মায়েদের বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন রাত্রে শোবার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। ইনশাল্লাহ মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরার ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। ৪। কপালের দুই পাশ এবং কানের পাশে দিনে ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুন মাথা ব্যথা ভালো হয়ে যাবে। ৫। নিয়মিত কালোজিরা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দুর করে। ৬। কালোজিরা লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে। তাই যারা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা আজ থেকে খেতে শুরু করে দিন। ৭। চুল পড়া রোধে কালোজিরা নিয়মিত ভাবে খান এতে আপনার চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আর ভালো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন। ৮। ডায়াবেটিকস রোগিরা এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে একসময় ডায়াবেটিকস কমে যাবে। ৯। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার তেল ব্যবহার করুন। শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দূর করে। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে। ১০। পক্ষাঘাত (প্যারালাইসীস ও কম্পন) রোগে কালোজিরার তেল মালিশ করলে আশ্চর্যজনক ফল পেতে পারেন। ১১। কালোজিরা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্যও অতি উৎকৃষ্ট ঔষুধ। ১২। শুলবেদনা ও প্রসুতি রোগে কালোজিরা অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও এটি উত্তম ঔষধ। ১৩। মূত্রথলির পাথর ও জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভ করতে কালোজিরা খান নিয়মিত যতবার পারেন। ১৪। অধিক ঋতুস্রাব, মাত্রাতিরিক্ত পেশাব প্রতিরোধ করতে কালোজিরার উপকারিতা অপরিসীম। এটি কৃমি নাশক। ১৫। কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ১৬। নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করে। ১৭। ভাত, তরকারী ইত্যদির সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খান রোগ শোক থেকে দূরে থাকুন। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কালোজিরার আর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা: কালোজিরাকে সব রোগের ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অন্যান্য সব ভেষজের মতো কালোজিরা নিয়েও গবেষণা কম হয়নি। ১৯৬০ সালে মিশরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালোজিরায় বিদ্যমান নাইজেলনের কারণে হাঁপানি উপশম হয়। জার্মানি গবেষকরা বলেন, কালোজিরার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইকেটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরি বাড়িয়ে দেয়। আমেরিকার গবেষকরা প্রথম কালোজিরার টিউমার বিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেন। শরীরে ক্যান্সার উৎপাদন ফ্রি-রেডিকেল অপসারিত করতে পারে কালোজিরা। মোটকথা, কালোজিরা সব ধরনের রোগের বিরুদ্ধে তুলনাহীন। আসুন জেনে নেই কালোজিরার এমন কিছু ব্যবহার, যেগুলো একেবারেই অপ্রচলিত। ১।স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে: কালোজিরা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। প্রতিদিন নিয়ম করে আধা চা-চামচ কাঁচা কালোজিরা অথবা এক চা-চামচ কালোজিরার তেল খান। ২। চুল পড়া রোধে: কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে ও চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল ও এক চা- চামচ কালোজিরার তেল এক সাথে মিশিয়ে গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। এক ঘন্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। ৩। ব্যথা কমাতে:যেকোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কালোজিরার জুড়ি নেই। কালোজিরার তেল হালকা গরম করে নিয়ে ব্যথার জায়গায় মালিশ করুন, ব্যথা সেরে যাবে। বিশেষ করে বাতের ব্যথায় বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। ৪। ফোঁড়া সারাতে: ব্যথাযুক্ত ফোঁড়া সারাতে কালোজিরা সাহায্য করে। তিলের তেলের সাথে কালোজিরা বাটা বা কালোজিরার তেল মিশিয়ে ফোঁড়াতে লাগালে ব্যথা উপশম হয় ও ফোঁড়া সেরে যায়। ৫। মেদ কমাতে: চায়ের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পান করলে তা বাড়তি মেদ ঝরে যেতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে পানি নিয়ে চুলার উপরে দিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Moradpur
Chittagong
