Natural Remedy'

Natural Remedy'

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Natural Remedy', Health/Beauty, Chittagong.

18/04/2023

৫. শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম:
পুষ্টিবিদ সৈয়দা শারমিন আক্তার বলেন, শারীরিক বিভিন্ন ক্রিয়া কতটা ভালভাবে কাজ করবে তা অনেকটাই নির্ভর করে যে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেনের সরবরাহ আছে কিনা। আর হজম বা শোষণ প্রক্রিয়ার জন্যও অক্সিজেনের বিকল্প নেই। সে কারণেই শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করাটা জরুরী বলে মনে করেন এই পুষ্টিবিদ। তিনি বলেন, নাক দিয়ে লম্বা করে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে লম্বা করে শ্বাস ছাড়লে দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে। যাতে হজম সহজ হয়।

18/04/2023

৪. পর্যাপ্ত ঘুম:
রাত জেগে থাকাটা হজমের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করে বলে জানান পুষ্টিবিদরা। পুষ্টিবিদ সৈয়দা শারমিন আক্তার বলেন, রাতের বেলা এমনিতেই পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। সেই সাথে রাতের বেলা ফুসফুসের বেশিরভাগ অংশ অব্যবহৃত থাকে।

যার কারণে পুরোপুরি শ্বাস নেয়া সম্ভব হয় না। আর জেগে থাকলে মানুষের সব ইন্দ্রিয় কাজ করে বলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয় যা হজম প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে। এ কারণেই হজমশক্তিকে বাড়াতে হলে বা একে বেশি কর্মক্ষম করতে হলে রাতে ঘুমানো জরুরী বলে মনে করেন তিনি।

18/04/2023

৩. খাবার:
হজমশক্তি সবল করতে হলে খাবারের প্রকারটা বুঝতে হবে। যেমন খাবারে যদি শাক থাকে তাহলে সেটি অবশ্যই তেল দিয়ে রান্না করতে হবে। আবার মাংস জাতীয় কিছু খেলে সাথে যাতে লেবু থাকে সেটি খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া প্রতিবার খাওয়া শেষ করে অল্প পরিমাণ লেবু-পানি খেলে সেটি হজমের ক্ষেত্রে খুব ভাল কাজ করে। এছাড়া খাবার খাওয়া শুরু করার আগে জিহ্বাতে অল্প একটু লবণ স্পর্শ করিয়ে খাবার খেলে সেটিও হজমে সাহায্য করে।

এছাড়া গাট ব্যাকটেরিয়া যা হজম প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে সেগুলো বেশি খাওয়া যেতে পারে। প্রাকৃতিক ভাবে এই ব্যাকটেরিয়ার সবচেয়ে ভাল উৎস হচ্ছে দই।

ডা. তাসনিম হাসিন পাপিয়া বলেন, "যাদের হজমে সমস্যা হয় তাদের জন্য ইয়োগার্ট থেরাপি বা দই খাওয়াটা উপকারী হতে পারে।"

তিনি বলেন, দিনের কোন একটা সময় দেড়শ থেকে দুইশ এমএল দই খাওয়া যেতে পারে

18/04/2023

২. শারীরিক ব্যায়াম:
সব ধরণের শারীরিক ব্যায়াম হজমশক্তিকে বাড়ায় না বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। মেটাবলিজম বা হজমশক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গ মানুষের কোমরের দিকটায় বা ডায়াফ্রামের উপর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত থাকে বলে জানান তারা। তাদের মতে, যেসব ব্যায়াম শরীরের মাঝের অংশের কর্মকাণ্ড যত ভাল হবে হজম প্রক্রিয়া তত সুন্দর হবে।

শরীরের মাঝের অংশের কর্মকাণ্ড বাড়াতে হলে বিশেষ ধরণের কিছু ব্যায়াম করতে হবে। যেমন, চেয়ারে বসার ক্ষেত্রে রিভলভিং চেয়ার ব্যবহার করলে শরীরের নড়াচড়া সহজ হয়। একই সাথে বসার ক্ষেত্রে যদি টুইস্টিং পদ্ধতি অর্থাৎ শরীরের উপরের অংশ একদিকে এবং নিচের অংশ আরেক দিকে থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে হজম প্রক্রিয়া ভাল হয়।

এছাড়া কিছু ব্যায়াম করা যায়। যেমন, শুয়ে ৯০ ডিগ্রি এ্যাঙ্গেলে দুই পা উঁচু করে রাখতে হবে এবং পা দুটি চক্রাকারে অর্থাৎ বাম থেকে ডানে এবং ডান থেকে বামে ঘোরাতে হবে। এটা খুব ভাল কাজ করে।

স্পট জগিং বা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে যদি জগিং করা যায় বা হালকা করে লাফানো-এ ধরণের ব্যায়ামও খুব উপকারী

18/04/2023

হজমশক্তি বাড়ানো যায় কিভাবে?
একেক জনের মেটাবলিজিম বা হজমশক্তি একেক রকম হয়। অনেক সময় দেখা যায় যে একই রকম খাবার খেয়েও একজন মোটা হয় কিন্তু আরেক জন হয় না। যারা হোস্টেলে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে এ ধরণের সমস্যা দেখা যায় বলে জানান পুষ্টিবিদরা।

১. পর্যবেক্ষণ:
প্রথমেই যেটি করতে হবে সেটি হচ্ছে, এক জন ব্যক্তির কোন খাবার খেলে সমস্যা হচ্ছে সেটি খেয়াল করতে হবে। পুষ্টিবিদ ডা. তাসনিম হাসিন পাপিয়া জানান, আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষ বোঝেই না যে কোন খাবারে তাদের সমস্যা হচ্ছে। এজন্য তারা ধীরে ধীরে প্রায় সব ধরণের খাবার বাদ দিতে থাকে। যেমন, তেলে ভাজা খাবার, দুধ বা দগ্ধজাতীয় খাবার, টক খাবার ইত্যাদি।

যেমন অনেকের ল্যাকটো বা দুধ হজম করতে সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে দুধ বা দুগ্ধ জাতীয় খাবার একেবারে বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে সেটার সহ্য ক্ষমতা বাড়াতে হবে। কারণ দুধ হজমে দরকারি ল্যাকটেজ নামে এক ধরণের এনজাইম শরীরে নিঃসরণ বন্ধ হয়ে গেলেও তা আবার নিঃসরণ শুরু করা সম্ভব। আর এ জন্যই কোন খাবারে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় বা সমস্যা হয় সেটি জানাটা জরুরী।

এছাড়া অনেক সময় নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিনের অভাবেও হজমশক্তি দুর্বল হয়ে থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিলে তা শক্তিশালী করা সম্ভব।

হজমশক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া বা একে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া সবার জন্য এক রকম হয় না। ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। সেক্ষেত্রে দেখতে হবে যে কার কোন খাবারের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে।

10/04/2023

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান থেকে পরিচালিত একটা গবেষণায় (মজুমদার কে এবং রহমান এম ২০০৪) দেখা যায়, বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ মানুষের মধ্যে যৌনতা সম্পর্কে নানারকম কুসংস্কারে বিশ্বাস রয়েছে। আর এ কুসংস্কারের কারণে যৌন সমস্যাগুলো বেশি দেখা দেয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মনে করা হয়- শুধু পুরুষদের মধ্যেই যৌন সমস্যা দেখা যায়। কিন্তু ধারণাটি একদমই অমূলক। নারীদের মধ্যেও যৌন সমস্যা দেখা দেয় প্রবলভাবে যার জন্য মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। এ সমস্ত সমস্যার পেছনে শারীরিক কোনো কারণ থাকে না। তার মানে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ ফিট হওয়া সত্ত্বেও কোনো একজন নারী বা পুরুষ যৌন জীবন উপভোগ নাও করতে পারে।

পুরুষদের মনোযৌন সমস্যাগুলো এবং যৌনতা নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আলোচনা করব। পরবর্তী লেখায় নারীদের মনোযৌন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

পুরুষদের মনৌযৌন সমস্যাগুলো-

১। যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব: পুরুষদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা আসে এবং যৌন সুখ লাভ করেন কিন্তু তাদের যৌন কাজের প্রতি আগ্রহ তীব্রভাবে কমে যায়। নিজের মধ্যে যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর সবধরনের যৌন আবেদন বা আচরণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং পুরুষ নিজ উদ্যোগী হয়ে কখনও সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় না।

কিছু কিছু পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় আগ্রহ না পেলেও হস্তমৈথন করে যৌন সুখানুভূতি লাভ করে। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন যে তাদের স্বামী তাদের সঙ্গে যৌন মিলন না করলেও তাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। একজন নারী এ ধরনের আচরণ কখনও মেনে নিতে পারে না এবং এতে করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় যেটা অন্যান্য ছোটখাট বিষয় দিয়ে প্রকাশিত হয়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ, ঝগড়াঝাঁটি, বিষন্ণ্নতা, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহবাতিকতা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. ইরেক্টাইল ডিসফাংশন: সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সহবাস করার জন্য বা যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর জন্য লিঙ্গ প্রয়োজনীয় পরিমাণ শক্ত হয় না। আদর করার পরও তাদের লিঙ্গ শক্ত হয় না, অথবা হলেও যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর সময় লিঙ্গটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এতে করে লিঙ্গ যোনিতে ঢোকে না। অথবা ঢোকাতে পারলেও বীর্য বের হওয়ার আগেই লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। ফলাফল, সঙ্গীকে চূড়ান্ত যৌন সুখ দিতে পারে না। ৭-১৮ শতাংশ পুরুষদের মধ্যে জীবনে কোনো না কোন সময়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটাকেই মূলত পুরুষত্বহীনতা বলা হয়।

শৈশব নির্যাতন অথবা যৌন আঘাত, দীর্ঘমেয়াদি চাপ, সঙ্গীকে যৌনসুখ না দিতে পারার অপরাধবোধ, বিষণ্নতা, দাম্পত্য কলহ ইত্যাদি কারণে ইরেক্টাইল ডিসঅংশানশন হতে পারে।

৩। দ্রুত বীর্যপাত: মাস্টার অ্যান্ড জনশন, সেক্স থেরাপিস্ট (১৯৭১) এর মতে, পুরুষদের মধ্যে এটা খুবই কমন সমস্যা। এখানে যৌন আদরের কারণে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থিত হয় কিন্তু যৌন সহবাসের নিমিত্তে নারীর যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পরপরই বীর্য বের হয়ে যায়। সময়ের হিসেবে বললে ১ মিনিটের ও কম সময়ের মধ্যে অর্গাজম হয়ে যায়। যদিও যৌনসঙ্গমের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই তবুও যদি দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীর মনে হতে পারে যৌনসুখের সময়টা খুবই ক্ষণস্থায়ী ছিল বা পরিপূর্ণ/চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেনি।

এ রকম দ্রুত বীর্যপাত নারী এবং পুরুষ দু’জনের জন্যই চরম লজ্জাকর ও হতাশাজনক হতে পারে। ৩০-৪০ শতাংশ পুরুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা হতে পারে। কারো মধ্যে এ সমস্যাটা ৬ মাস ধরে থাকলে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপণ্ন হওয়া দরকার।

যদিও এর সঠিক কারণ এখনও অজানা তবুও মানসিক চাপ, বিষণ্নতা, দুশ্চিন্তা, সঙ্গীকে সুখী করতে না পারার জন্য দোষী, নিজের শরীরের ইমেজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব, যৌন সহবাসের সময় সম্পর্কে ভুল ধারণা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. বিলম্বিত বীর্যপাত: এটা পুরুষের এমন একটি সমস্যা যেখানে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করার ফলেও বীর্যপাত করতে পারে না বা বীর্যপাত হয় না। এমনকি ২৫/৩০ মিনিট পরেও বীর্যপাত হয় না। এতে করে পুরুষ কখনও ক্লাইমেক্স বা চরমপুলক লাভ করে না। ওদিকে সঙ্গীর অর্গাজম হয়ে যায় (শারীরিক স্বাভাবিক অবস্থা)। কিন্তু পুরুষের বীর্যপাত না হওয়ায় বা খুবই দেরিতে হওয়ার কারণে নারী সঙ্গীর অবস্থা তখন ভয়াবহ হয়ে যায়। এ অবস্থা যদি কোনো পুরুষের মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা জরুরি।

এটাকে বিলম্বিত অর্গাজম বলা হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক নারী বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু এটার চিকিৎসা করলে সুফল পাওয়া যায়।

৫। যৌন বিতৃষ্ণা: এখানে পুরুষের মধ্যে যৌন কাজের প্রতি মারাত্মক অনীহা চলে আসে। যৌন কাজের বা যৌন সঙ্গমের প্রতি অনীহা ঘৃণা, অপমান, লজ্জা এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত থাকে। এ বিতৃষ্ণা বা অনীহা যে কোনো স্পেসিফিক কাজ যেমন ওরাল সেক্স অথবা যৌনিতে লিঙ্গ ঢুকানো নিয়ে হতে পারে, এটা হতে পারে বীর্যের গন্ধ, চুমু দেয়ার সময় লালার গন্ধের প্রতি। এটা হতে পারে সঙ্গীর যৌন অঙ্গ যেমন স্তন বা যোনির প্রতি। এটা হতে পারে যৌন সঙ্গম করার সময় সঙ্গীর বিভিন্ন শব্দের প্রতি।

যৌন বিরাগ পুরো যৌন কাজের প্রতিও হতে পারে। আবার হতে পারে নির্দিষ্ট একটা কাজের প্রতি। যেমন কোনো পুরুষ হয়তোবা শুধু যৌন সঙ্গম করতে পছন্দ করে, কিন্তু যৌন আদর যেমন- চুমু দেয়া, স্তন ঘর্ষণ করা, যোনিতে চুমু দেয়া ইত্যাদি পছন্দ করে না। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন তাদের সঙ্গী কোনোরকম শারীরিক অন্য আদর ছাড়া লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে দেন।

কোনো পুরুষের মধ্যে এ সমস্যা থাকলে সেটা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কটা খারাপ করে দিতে পারে। তাদের ভালো যৌন সম্পর্ক হয়ে উঠে না। সম্পর্কটা তখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এ অবস্থা যদি কারও মধ্যে ৬ মাস চলতে থাকে এবং এজন্য যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পেলে তাহলে এটা যৌন বিপর্যয় ডিসঅর্ডার।

09/04/2023

যৌন সমস্যা হওয়ার কারণ

আমাদের মধ্যে সাধারণত ২ কারণে যৌন সমস্যা দেখা দিতে পারে-

১। প্রাইমারি সেক্সুয়াল: এটা শারীরিক বা মেডিকেল সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। ফলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। যেমন এসটিডি, এসটিআই ইত্যাদি।

২। সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল: মানসিক কারণে এ সমস্যা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বেশিরভাগ যৌন সমস্যা হলো সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল প্রবলেমন্স। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে মনোযৌন সমস্যা বলা হয়। আর এটার অন্যতম কারণ হলো যৌনতা সম্পর্কে কুসংস্কার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান থেকে পরিচালিত একটা গবেষণায় (মজুমদার কে এবং রহমান এম ২০০৪) দেখা যায়, বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ মানুষের মধ্যে যৌনতা সম্পর্কে নানারকম কুসংস্কারে বিশ্বাস রয়েছে। আর এ কুসংস্কারের কারণে যৌন সমস্যাগুলো বেশি দেখা দেয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মনে করা হয়- শুধু পুরুষদের মধ্যেই যৌন সমস্যা দেখা যায়। কিন্তু ধারণাটি একদমই অমূলক। নারীদের মধ্যেও যৌন সমস্যা দেখা দেয় প্রবলভাবে যার জন্য মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। এ সমস্ত সমস্যার পেছনে শারীরিক কোনো কারণ থাকে না। তার মানে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ ফিট হওয়া সত্ত্বেও কোনো একজন নারী বা পুরুষ যৌন জীবন উপভোগ নাও করতে পারে।

08/04/2023

চকোনাট শেক এর উপকারিতা

- ভিটামিন ও মিনারেল এর ঘাটতি পূরণ করবে।
- খাবারে রুচি বাড়াবে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
- মুখের মাংসপেশী বৃদ্ধি করে চেহারাকে সৌন্দর্যময় করে তুলবে।
-শরীর মাংসপেশী বৃদ্ধি করবে।
- রক্ত সঞ্চালন বেড়েছে,
-এন্টি বডি স্ট্রং হয়েছে,

তিন থেকে পাঁচ দিন পর ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকবে, ২০-২৫ দিন পর নিজের শরীরকে নতুন মনে হবে, তবে পুরোপুরি কোর্স কমপ্লিট করলে চমকে যাবেন, নির্দিষ্ট ওজন অর্জন করতে সক্ষম হবেন ইনশাল্লাহ।

সময়মতো খাবারদাবার খেলে পারফেক্ট ওজন বাড়ানো কোনো ব্যাপার না, আপনি পুরোপুরি কোর্স কমপ্লিট করে তারপর প্রমাণ পাবেন।

04/04/2023

ওজন কমাতে সহায়তা করে যেসব খাবার

শরীরের ওজন ঝরাতে হলে খাবারের তালিকায় প্রতিদিন সালাদ রাখুন। টমেটো, বিট, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম এবং শসা দিয়ে বানান সালাদ। এগুলোতে ক্যালরি কম থাকে।

বিস্কুট বা উচ্চ ক্যালরি সম্পন্ন স্ন্যাকস চিবানোর পরিবর্তে আঙুর, আপেল বা কমলালেবুর মতো ফল খান। যা আপনাকে শক্তি জোগাবে। পেটও ভরে থাকবে।

আমোন্ড খেতে পারেন। এটি হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন দই। গরুর দুধ থেকে তৈরি দইয়ে প্রতি ১০০ গ্রামে ৫৬ ক্যালরি থাকে। দই হলো প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের উৎস। এছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর প্রোবায়োটিক, প্রোটিন, জিঙ্ক ও ফসফরাসের মতো উপাদা

অঙ্কুরিত ছোলা খেতে পারেন। এটা ভিটামিন ও ফাইবারের উৎস। পেট ভর্তি থাকে। শরীরের পক্ষেও উপকারী।

পানি বেশি করে খান। পানিতে ক্যালরি থাকে না। হজমেও সাহায্য করে। এর পাশাপাশি নিজের পেট ভর্তি লাগে।

ওজন কমাতে হলে ডিম পাতে রাখতেই হবে। ডিমে আছে জরুরি অ্যামিনো অ্যাসিড, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া ওজন কমাতে অমলেট বা ডিমের কারি নয়, বরং ওজনে কমাতে পোচ, সিদ্ধ ডিম বা হাফ বয়েল খান।

মাছের তেলের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও মাছের মধ্যে থাকা প্রোটিন আপনার শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমতেই দেবে না। সামুদ্রিক মাছও বেশ ভালো।

মুরগির মাংস খেলে ওজন কমে। শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণেরও জোগান দেয়। রেড মিটের মতো কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার ভয়ও নেই। ফলে ওজন কমে।

প্রতিদিন ডায়েটে ডিম, সবুজ শাক-সবজি, মাছ, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিদ্ধ আলু, মুরগির মাংস, ডাল, পনির, বাদাম খাবার রাখুন। প্রোটিন ও ফাইবার উপাদান থাকায় এসব খাবার খেলে দ্রুত শরীরের ওজন কমবে।

02/04/2023

ওজন কেনো বাড়ে ও কেন কমে?

ওজন কোনো স্থিতিশীল বিষয় নয়। এর ওঠানামা খুবই স্বাভাবিক। প্রাপ্তবয়স্কদের গড় ওজন এক দিন বা কয়েক দিনের মধ্যে ১ থেকে ২ কিলোগ্রাম (২.২-৪.৪ পাউন্ড) কম বা বেশি হতে পারে। জানতে হবে কেন এমন হয়।

শর্করা: কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা শত্রু নয়, বরং শক্তির অন্যতম উৎস। প্রতিদিনের খাবারে মোট ক্যালরির ৫৫-৬০ শতাংশ শর্করা থাকা উচিত। তবে যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের দৈনন্দিন শর্করার অংশ (ভাত, রুটি, পাস্তা, আলু, চিনি ইত্যাদি) ৩৫-৪০ শতাংশ হলে ভালো। শর্করা শরীরে গ্লাইকোজেন হিসেবে কিছু পানি ধরে রাখে, যা ওজন বাড়াতে পারে।

পানিশূন্যতা: যদি কোনো কারণে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা হয়, তবে তা দূর করার পর শরীরের টিস্যুগুলো পানি টানতে থাকবে। তাই পানিশূন্যতা এড়ানো উচিত। দিনে ২-৩ লিটার পানি খাওয়া উচিত। আর যদি ব্যায়াম করে থাকেন, তবে আরও বেশি পানি খেতে হবে।

উচ্চ সোডিয়ামযুক্ত খাবার: লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে সোডিয়ামযুক্ত খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়বে। ফলে আপনি আরও পানি খাবেন। এর ফল ওজন বৃদ্ধি। প্রতিদিন ৬ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়।

হরমোনের ওঠানামা: নারীদের মাসিক চক্রের সময় ইস্ট্রোজেনের ওঠানামার কারণে শরীরে সামান্য পানি আসে বলে এ সময়ে ওজন কিছুটা বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক। অন্যদিকে পুরুষদের মধ্যে টেস্টোস্টেরনের ওঠানামার জন্য ওজনে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। এই ওঠানামা স্বাভাবিক; এটা সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে না।

ব্যায়াম: ব্যায়ামের সময় ও পরে পেশি ও কোষগুলো পানি টেনে নেয়। এ কারণে ব্যায়াম করার পরপরই ওজন সামান্য বেশি দেখায়, যা কিনা আপনার পেশির ওজন—চর্বির নয়। তাই ব্যায়াম করার পরপরই ওজন মাপা উচিত নয়।

ওষুধ: কিছু ওষুধ যেমন ক্যাফেইন বড়ি, মূত্রবর্ধক বা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়ার ফলে প্রাথমিকভাবে ওজন বাড়তে পারে। তবে ধীরে ধীরে ওষুধগুলো শরীরের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে নিলে পরবর্তী সময়ে আর সমস্যা হবে না।

অন্ত্রের সমস্যা: ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস), হজমের সমস্যা, সিলিয়াক ডিজিজ, ক্রোন্স ডিজিজ ইত্যাদিতে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য অন্ত্রের ওপর ভরসা করা কঠিন। আবার এগুলো না থাকলে বদহজম, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা যাঁদের আছে, তাঁদের প্রতিদিনের ওজনের ওঠানামা খুবই স্বাভাবিক। কারণ, অন্ত্রের সমস্যার কারণে শরীর ভার হয়ে ওজন বেশি দেখায়

02/04/2023

ওজন বাড়াতে হলে প্রথমেই জানতে হবে আপনার ওজন কম হওয়ার কারণ। এর কয়েকটি কারণ হতে পারে যেমন-

১. দৈহিক চাহিদার তুলনায় কম খাদ্য খেলে এবং সেইসঙ্গে খুব বেশি কাজ করলে।
২. রোগ আক্রান্ত থাকলে।
৩. থাইরয়েড গ্রন্থির অসামঞ্জস্যতা।
৪. উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, অতিরিক্ত চিন্তা আহারে অরুচি তৈরি করতে পারে।
৫. দুর্বল খাদ্য অর্থাৎ কম ক্যালোরির খাবার নির্বাচন।
৬. নিদ্রাহীনতা, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ, পুষ্টিহীনতা।
৭. খাওয়ার ব্যাপারে অনীহা বা খুঁতখুঁত স্বভাব।
৮. বংশগত, ইত্যাদি।

01/04/2023

একটু থামুন!!!

# আপনি কি ওজ*ন কম হওয়ায় শরীরের ও মুখের সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছেন?
# প্রাকৃতিকভাবে ওজ*ন বাড়িয়ে হ্যান্ডসাম ও গুডলুকিং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান?
# লজ্জায় বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি করতে পারেন না,প্রিয়জনদের সামনে আসতে বিরক্তিকর মনে হয়?
# কম ওজনের কারণে বিবাহ করতে ভয় পাচ্ছেন ?
# বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেন না বা বন্ধু-বান্ধবদের সামনে কোনো পাত্তা পান না?

তাহলে আপনার ও* জন বা -ড়ান মজাদার ও চমৎকার স্বাদে,
চকলেট, বাদাম ও দুধের নতুন মিশ্রণে তৈরি সুস্বাদু প্রিমিয়াম চকোনাট শেইক / Premium Choconut Shake খেয়ে। এর ডিসকাউন্ট প্রাইস শেষ হবে ১৭ রমাদান পর্যন্ত..!

# #⛔⛔⛔ Special News
আমাদের প্রতিটি প্রোডাক্টে পাচ্ছেন ৭৯০ টাকার বিশেষ ছাড়!!!
এই অফারটা সীমিত এবং আর ৩৫ জন গ্রাহকের জন্য!!
এই অফারে পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নাম ও নাম্বার প্রদান করুন!
অথবা সরাসরি কল করুন - 01890-494243

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Chittagong