Elite Mart Limited 1
Branded company elite Corporation is doing business with reputation for long 14 years. We believe in words and deeds. We have 1000+ products.
27/11/2021
শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে পণ্য প্রোভাইদড করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
মনে করুন আপনার পে'ট কমে গেছে কোনো পা-শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ও°জন কমান সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।
শত ডায়েটের চেষ্টার পরও যারা শারীরিক গঠন ঠিক করতে পারছেন না
তাদের জন্য এ'লিট নিয়ে এলো ও*য়ার্ল্ড ফে√মাস ও^য়েট লস প্রোডাক্ট। যা দেশি বিদেশি প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি।
আপনার সমস্যা অনুযায়ী আমরা সম্পূর্ণ অর্গানিক ভাবে সমাধান দিবো যেটা আপনি আমাদের হাফ কোর্স ও ফুল কোর্স আকারে পাবেন
(বর্তমানে কোম্পানির একটা বিশাল ডিসকাউন্ট চলছে)
আর ও বিস্তারিত জানতে SMS করুন অথবা সরাসরি কথা বলুন প্রোডাক্ট স্পেশালিষ্ট এর সাথে
01879795616
24/11/2021
শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে পন্য প্রোভাইড করাই আমা'দের মূল লক্ষ্য!
মনে ক'রুন আপনার পে*ট ক'মে গেছে কোনো পা-র্শ্ব প্রতি'ক্রিয়া ছাড়াই ও
22/11/2021
শতভাগ মানিব্যাগ গ্যারান্টি পন্য
☎️01879795616
মনে করুন আপনার পে'ট কমে গেছে
কোনো পা- র্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ও'জন কমান সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।
অনেক চেষ্টার পর ও যারা ও'জন কমাতে পারেন নি তাদের জন্য এলিট নিয়ে এলো ওয়ার্ল্ড ফেমাস ও'য়েট লস প্রোডাক্ট। যা দেশি বিদেশি উপাদান এর সমন্বয়ে তৈরি।
যারা ৩-৭ কেজি ও'জন কমাতে চান তারা আমাদের হাফ কোর্স গ্রহন করতে পারবেন আর যারা ১০-১৫ কেজি ও'জন কমাতে চান তারা আমাদের ফুল কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন। (বর্তমান ডিসকাউন্ট চলছে)
আরো বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন। অথবা সরাসরি কথা বলুন ০১৮৭৯৭৯৫৬১৬
14/11/2021
শতভাগ মানিব্যাগ গ্যারান্টি পন্য
☎01879795616
মনে করুন আপনার পেট কমে গেছে
কোনো পা-র্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমান সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।
অনেক চেষ্টার পর ও যারা ওজন কমাতে পারেন নি তাদের জন্য এলিট নিয়ে এলো ওয়ার্ল্ড ফেমাস ওয়েট লস প্রোডাক্ট। যা দেশি বিদেশি উপাদান এর সমন্বয়ে তৈরি।
যারা ৩-৭ কেজি ওজন কমাতে চান তারা আমাদের হাফ কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন আর যারা ১০-১৫ কেজি ওজন কমাতে চান তারা আমাদের ফুল কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন। (বর্তমানে ডিসকাউন্ট চলছে)
আরো বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন। অথবা সরাসরি কথা বলুন 01879795616
12/11/2021
শতভাগ মানিব্যাগ গ্যারান্টি পন্য
☎01879795616
মনে করুন আপনার পে'ট কমে গেছে
কোন পা-র্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ও'জন কমান সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।
অনেক চেষ্টার পরও যারা ও"'জন কমাতে পারেননি তাদের জন্য Elite নিয়ে এলো ওয়ার্ল্ড ফেমাস ও'"য়েট ল"স প্রোডাক্ট। যা দেশি বিদেশি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি।
যারা ৩-৭ কে'জি ও'জন ক'মাতে চান তারা আমাদের হাফ কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন আর যারা ১০ -১৫ কে'জি ও'"জন ক'মাতে চান তারা আমাদের ফুল কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন। (বর্তমানে ডিসকাউন্ট চলছে)
আরও বিস্তারিত জানতে Send Message অপশনে ক্লিক করুন।অথবা সরাসরি কথা বলুন 01879795616
31/10/2021
মধুমাস মানে রসে মাখামাখি করে আম খাওয়ার দিন। হিমসাগর, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, খিরসাপাতি; নামেই যেন অর্ধেক প্রশান্তি। এরপরও যাদের গপাগপ আম খাওয়া চাই, তাদের জন্য একগাদা কারণ হাজির করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ক্যান্সার যোদ্ধা
কোয়েরসেটিন, ফাইসেটিন, আইসোকোয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগ্যালিন, গ্যালিক অ্যাসিড ও মিথাইল গ্যালেট নামের কঠিন নামওয়ালা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো আছে আমে। স্তন ক্যান্সার থেকে শুরু করে কোলন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এগুলো বেশ কাজের।
কোলেস্টেরল ঠিকঠাক
উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, ফাইবার ও প্যাকটিন থাকায় রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা রাখে রসালো আম।
ত্বকের জন্য
ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম। বিশেষ করে ত্বকের ফুসকুড়ি দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এটি।
অ্যালকালাইন লেভেল
আমে আছে টারটারিক অ্যাসিড ও ম্যালিক অ্যাসিড। আছে সাইট্রিক অ্যাসিডও। শরীরের অ্যালকালি নামের রাসায়নিকের ভারসাম্য ঠিক রাখে এটি।
ওজন কমাতে
আমে এতো এতো ভিটামিন আছে যে একটা আম খেলেই কিন্ত শরীরে রোজকার ভিটামিনের চাহিদা মিটে যাওয়ার কথা। আবার এতে ফাইবারও যোগাবে পুষ্টি ও শক্তি। তাই এই মৌসুমে যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তারা বার্গার, কোল্ড ড্রিংকস বা সাব-স্যান্ডউইচের বিকল্প খাবার হিসেবে বেছে নিন আম।
লাভ ফ্রুট
ইংরেজিতে কঠিন একটা শব্দ আছে- আফ্রোডিজিয়াক। এর বাংলা হতে পারে এমন, যাহা খাইলে মনে ভালোবাসার উদ্রেক হয়। আম কিন্তু এমনই একটা ফল। সুতরাং মৌসুম থাকতেই প্রিয়জনকে বেশি বেশি আম উপহার দিন।
চোখের জন্য
এটা তো ছোটবেলা থেকেই পড়ে এসেছেন। আমের ভিটামিন এ আমাদের রাতকানা থেকে বাঁচাবে। যদিও এ রোগ এখন নেই বললেই চলে তবে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি বেশি আম খেলে ক্ষতি নেই। বিশেষ করে ড্রাই আই সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা আম খেয়ে উপকার পেতে পারেন।
হজমের জন্য
স্বাস্থ্য যদি সুখের মূলে থাকে, তবে স্বাস্থ্যের মূলে আছে হজম। আমে থাকা এনজাইমগুলো প্রোটিন উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলতে পারে। এতে খাবার হজম হয় দ্রুত, বাঁচা যায় পাকস্থলী সংক্রান্ত অনেক রোগ থেকেও।
হিট স্ট্রোক ঠেকাবে
এই গরমের হিট স্ট্রোক সাধারণ ঘটনা। আম আমাদের ভেতরটা শীতল রাখে ও শরীরকে অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলোকে বাঁচায়।
রোগ-প্রতিরোধ
এই করোনাকালে আমে থাকা ক্যারোটেনয়েড বাড়িয়ে দেবে আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। সহযোদ্ধা হিসেবে ভিটামিন সি তো আছেই।
মনযোগ ও স্মৃতির জন্য
কোনও কিছুর প্রতি মনযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হলে উপকার করবে আম। মেমোরি বুস্টার হিসেবেও কাজ করে ফলটি।
বডি স্ক্রাব
ত্বককেও খাওয়াতে পারেন আমের নির্যাস। বডি স্ক্রাব হিসেবে পাকা আম বেশ ভালো কাজ করে। পেস্ট তৈরি করে তাকে একটুখানি মধু আর দুধ মিশিয়ে নিন। আলতো করে মাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
31/10/2021
বাঁধাকপি আমাদের অতি পরিচিত শীতকালীন সবজি।এটি ফুলকপি নিকট প্রজাতি।এখানে
বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছেঃ বাঁধাকপিকে মাংসের সাথে তুলনা করা হয় কারন মাংসে যে পরিমাণে আয়রন আছে বাঁধাকপিতে তার চেয়ে বেশি আয়রন আছে।আপনার ডায়েটের তালিকায় পরিমাণগত আয়রন না থাকলে আপনার শরীরে রক্তস্বল্পতা, ক্লান্তি, ও মস্তিষ্কের সমস্যা হবে।আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রন এই বাঁধাকপি থেকে পাবেন,। আলাদা করে মাংস খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
বাঁধাকপি কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করেঃ বিজ্ঞানীরা বাঁধাকপি নিয়ে অনেক গবেষণা শুরু করেছেন। এতে যে বাইল অ্যাসিড রয়েছে তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
যখন এই বাইল অ্যাসিড পেটে ছড়ায় তখন কোলেস্টেরল এর পরিমান কমতে থাকে।
প্রতিদিনের ১০% অমেগা-৩ এর চাহিদা মেতায়ঃ আমরা সকলেই জানি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এ প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। ওমেগা-৩ তে দুই ধরনের উপাদান রয়েছে।যথা-ডিএইচএ ও ইপিএ এগুলো হার্টের সমস্যা ও ক্যান্সার দূর করে।ডিএইচএ উপাদান বিষণ্ণতা ও স্মৃতিভ্রংশ দূর করতে সাহায্য করে।আপনি ইচ্ছা করলে অনেক বেশি মাছ খেতে পারেন, কিন্তু এতে টক্সিন এর পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই আপনি চিন্তামুক্ত হয়ে বাঁধাকপি খেতে পারেন।
চোখের ছানি পরা রোগ দূর করেঃ বর্তমানে বিশ্বে ছোট-বড় অনেকের চোখের সমস্যা দেখা দেয়।বাঁধাকপিতে রয়েছে লুটেন ও জিক্সান্থিন।এই পুষ্টিকর উপাদানগুলো চোখের ছানি পরা রোগ দূর করে।
ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ওজন কমানোর জন্য খাদ্য তালিকায় কম ক্যালোরির খাবার এবং অনেক বেশি পুষ্টির প্রয়োজন হ্য়। যা বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যামান।এক কাপ বাঁধাকপিতে মাত্র ৩৩ ক্যালোরি থাকে।এতে ভিতামিন, ফাইবার, ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।
31/10/2021
শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে মধু। কারণ মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠাণ্ডা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।
মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
হজমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। মধু পেটের অম্লভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারি খাবার খাওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু কিন্তু খুবই উপকারী।
মধুতে আছে প্রাকৃতিক চিনি যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। বিশেষ করে যারা মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে পছন্দ করেন, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন। শরীরের দুর্বলতা ও চা-কফির নেশা কমায় মধু।
31/10/2021
শীতের মৌসুমে ফুলকপি খাবেন না, তা কি হয়? ফুলকপির যে মেলা গুণ! ফুলকপি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, এতে থাকা সালফার সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য উপকারী। যকৃৎ থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান দূর করে এটি সুস্থ রাখতে পারে ফুলকপি। ফুলকপির বিশেষ কিছু গুণ আছে, যা সবার জেনে রাখা ভালো:
১. কোলস্টেরল কমায়: এতে প্রচুর ফাইবার আছে, যা শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
২. ওজন কমাতে: গবেষণায় দেখা গেছে, ফুলকপি মস্তিষ্ক ভালো রাখে, ওজন কমায় এবং সর্দি-কাশিসহ নানা রোগ প্রতিরোধ করে।
৩. হাড় ও দাঁত শক্ত করে: ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড। এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে।
৪. ক্যানসার প্রতিরোধ করে: মারাত্মক ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে ফুলকপি। এতে আছে সালফোরাপেন, যা ক্যানসার কোষকে মেরে টিউমার বাড়তে দেয় না। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষমতাও আছে ফুলকপির।
৫. হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী: ফুলকপি হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরাপেন আছে, তা হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে।
৬. রোগ প্রতিরোধ করে: ফুলকপিতে আছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’, যা এ সময়ের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুলকপির আরও সব প্রয়োজনীয় উপাদান রোগ প্রতিরোধেও অংশ নেয়।
৭. শক্তি জোগায়: এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। রক্ত তৈরিতে আয়রন রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি।
৮. চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী: কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।
৯. পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে: ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।
১০. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়: চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।
31/10/2021
আসুন দেখে নেয়া যাক কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা।
কিসমিস শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়।
শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি। কিসমিস ভেজানো পানি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিশমিশের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই।
এছাড়া কিসমিস হৃদয়/ হার্ট ভালো রাখে।
নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।
কিসমিসে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে।
আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা সহজে রোগমুক্তির কারণ।
আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।
অনেকেই হয়তো জানেন না যে, কিসমিস ভেজানো জলও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। কিসমিসের জল লিভার
পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কিস ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।
কিসমিশের উপকারিতার মধ্যে আরো রয়েছে-
যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন এই কিসমিস ভেজানো জল খেলে তা পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
যাঁরা প্রায়শই পেটের গণ্ডগোলে ভোগেন তাঁদের জন্য এই টনিক বিশেষ উপকারি। উপরন্তু এর থেকে পাওয়া যায় ভরপুর এনার্জি, যা সারাদিন আপনাকে রাখবে প্রাণবন্ত।
শুধু তাই নয়, কিশমিশ ভেজানো জল খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার যদি ভাল থাকে তাহলে তা পরোক্ষভাবে হজমে সাহায্য করে।
31/10/2021
শীতের সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম। গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও আঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি। এ সবজিতে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা গাজর, সালাদ, জুস বা তরকারিতেও খাওয়া যায়। চোখ, ত্বক, চুল ও শরীরের নানা অঙ্গের জন্য গাজরের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।
১. গাজরে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে কোলাজেন তৈরি হওয়া বৃদ্ধি করে। ফলে শরীরে কোথাও ক্ষত হলে তা দ্রুত ভালো হয়। এ ছাড়া গাজর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. গাজর আঁশে পরিপূর্ণ। গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা বেশি পরিমাণে ফাইবার খেলে গ্লুকজ মেটাবলিজম উন্নতি লাভ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের গাজর খাওয়া আবশ্যক।
৩. গর্ভাবস্থায়ও খেতে পারেন গাজর। গর্ভাবস্থায় গাজরের রস পান খুবই উপকারী। এতে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয় না। যেসব মা শিশুকে দুধপান করান, তাদের নিয়মিত গাজরের রস পান করা উচিত।
৪. গাজর হজম ক্ষমতা বাড়ায়। গাজর খেলে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বদহজম ইত্যাদি নিরাময় হয়। লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর গাজরের রস, গাজরের স্যুপ পান করলে উপকার হয়।
৫. গাজরের উপকারী উপাদানগুলো ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ ছাড়া শ্বাসনালির প্রদাহ ভালো করে।
৬. গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস বা পাথর জমতেও বাধা দেয়।
৭. গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
31/10/2021
আমরা বাজারে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি কিনলেও প্রায়ই একটি সবজি এড়িয়ে চলি। আর সেই সবজিটি হল বিট। আমাদের কাছে বরাবরই উপেক্ষার সবজি হয়ে রয়েছে এই বিট। খুব বেশি দরকার হলে হয়তো পাঁচ-ছটা গাজরের সঙ্গে একটা বিট কিনে ফেলি। গুণাগুণ না জানার কারণেই হয়তো সবার কাছে বিটের কদর নেই। ।
কিন্তু সত্য কথা হল, প্রাচীন সময় থেকেই বিটের বিশেষ কদর রয়েছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে নিস্তার পেতে নিয়ম করে বিট খেতেন। এর নানাবিধ কারণও আছে। ভিটামিন, জিঙ্ক, আয়োডিন, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, সোডিয়াম-সহ নানা পরিপোষক পদার্থে ভরপুর হল বিট।
ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া, উচ্চরক্তচাপ, থাইরয়েডের মতো নানা অসুখ নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকরী সবজি হল বিট। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলতে গেলে মাত্র একটি। তা হল বিট খেলে প্রসাবের রং লাল হয়। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জেনে নিন বিটের ১২টি গুণাগুণ-
১. রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক করে: বিটে রয়েছে অতিমাত্রায় নাইট্রেটস। মুখে থাকা ব্যক্টেরিয়ার সংস্পর্শে এসে এই নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে।
২. লিভার ডিটক্সিফাই করে: ফাস্টফুড, স্পাইসিতে অভ্যস্ত জীবনে এমনিতেই লিভারের অবস্থা সঙ্গিন। বিটের জুসে থাকা বেটাইন নামে এক উপাদান কিন্তু লিভার ফাংশান ভালো করে। লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়।
৩. ঋতুচক্রের সমস্যা দূর করে: সময়ের আগেই মেনোপজের লক্ষণ দেখা দিলে বা ঋতুচক্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে বিটের জুস খান। বিটে থাকা আয়রণ নতুন লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। যার ফলে ঋতুচক্রের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৪. ক্যানসারের চিকিত্সায়: বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-টিউমার গুণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের হাত থেকে সুস্থ কোষগুলোকে বাঁচায়। নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে।
৫. রক্তচাপ কমায়: যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, দিনে অন্তত দু-গ্লাস বিটের জুস খান। বিটে থাকা উচ্চ মাত্রার নাইট্রেট রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: বিট হল হাই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। ফলে শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও কাজে দেয়।
৭. কোষ্ঠকাঠিন্যেও বিট: যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, উচিত বেশি করে বিটের জুস খাওয়া। বিপাকের সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়ায়। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয়।
৮. রক্তাল্পতা ও আয়রন ঘাটতিতে: বিটে প্রচুর আয়রন থাকে, যা লোহিত রক্তকণিকার জন্য অত্যন্ত জরুরি উপাদান। যে কারণে রক্তাল্পতায় যাঁরা ভুগছেন, বা যাঁদের আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, এই শীতে বেশি করে বিট খাওয়া উচিত।
৯. পেশিশক্তি বাড়ায়: মাসল ফোলাতে রোজ জিমে যাচ্ছেন? তা ভালো, সঙ্গে নিয়ম করে বিটের জুস খান। তার কারণ বিট পেশিশক্তি বাড়ায়।
১০. ত্বকে জেল্লা আনে: বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-এজিং ফর্মুলা। ফলে, ত্বক থেকে বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে নিয়ম করে এই শীতে বিট জুস খান। ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও দূর করে। জেল্লাও আসে।
১১. ডিপ্রেশন দূর করতে জুড়ি নেই: কোনও কারণে ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বিষণ্ণতা আপনাকে গ্রাস করছে? এই শীতে বিট জুসই হতে পারে সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ। বিটে ট্রিপ্টোফান ও বিটেইন নামে যে উপাদান থাকে, তা ডিপ্রেশন কাটাতে ভালো কাজ দেয়।
১২. জন্মগত ত্রুটি দূর করে: বিট রুটের মধ্যে রয়েছে ফোলেট ও ফলিক অ্যাসিড। যার কাজ হল জন্মগত ত্রুতি দূর করা। যে কারণে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের বিট জুস খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217
