Feel Fresh BD Shop

Feel Fresh BD Shop

Share

we provide all kinds of natural foods Faithful

17/03/2022

কোন পা-র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া ছাড়াই ও*জ*ন ক*মা*ন
সম্পূর্ণ প্রাকৃ*তিক পদ্ধতিতে।

অনেক চেষ্টার পরও যারা ও"'জন কমাতে পারেননি তাদের জন্য মৎকার ও প্রমাণিত ও'"য়ে*ট ল"স প্রোডাক্ট। যা দেশি বিদেশি উপা*দানে*র সমন্বয়ে তৈরি।

অ*র্ডা*র করতে ইন*বক্স করু*ন
অথবা কল করুন 01818-617135

16/03/2022

স্লি*ম ও স্মা*র্ট হতে ইনবক্স করুন
অথবা কল করুন- 01818-617135

16/03/2022

কিভাবে তৈলাক্ত চুলের যত্ন নেবেন -
তৈলাক্ত চুল পরিচালনা করা একটু কঠিন। তৈলাক্ত চুল খুব তাড়াতাড়ি চটচটে হয়ে যায়, তাই তৈলাক্ত চুলে সহজে কোন চুলের স্টাইল সেট করা হয় না। যদি আপনারও তৈলাক্ত চুল থাকে, তাহলে আপনি কীভাবে আপনার চুলের সঠিক যত্ন নিতে পারেন:

🏵️ চুল ধোয়ার জন্য হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
🏵️ প্রতিদিন এই ধরনের চুল ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মনে রাখবেন যে শ্যাম্পু, মাথার ত্বকে খুব বেশি ব্যবহার করা উচিৎ না।
🏵️ সবসময় ঠান্ডা বা হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। গরম পানি ব্যবহার করলে মাথার ত্বক থেকে বেশি তেল বের হয়ে যায়, যা চুলকে আঠালো করে তোলে।
🏵️ গরম তেল দিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন, তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
🏵️ যদি আপনার চুল খুব তৈলাক্ত হয় তবে কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন না।
🏵️ তৈলাক্ত চুল চকচকে। অতএব, চুলের গ্লস, জেল এবং চুলের যত্ন নেয়ার জন্য হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন না।
🏵️ যদি চুল খুব তৈলাক্ত হয়, তাহলে ১ ভাগ ভিনেগার ৪ ভাগ পানিতে মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিন, কিন্তু সরাসরি মাথার ত্বকে ভিনেগার ব্যবহার করবেন না।
🏵️ ঘন ঘন চুল আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি মাথার ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল বের করে।
🏵️ মাথার ত্বক ঘষবেন না।
🏵️ পানিতে লেবু মিশিয়ে চুল ধোয়া চুল থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে।
🏵️ এর বাইরে, স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং পর্যাপ্ত জল পান করাও তৈলাক্ত চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
🏵️ চুল শুকিয়ে ফেলবেন না এবং প্রয়োজনে কম তাপমাত্রায় ৫-৬ ইঞ্চি দূর থেকে ড্রায়ার ব্যবহার করুন।

14/03/2022

🍐 জলপাই এর গুণাগুণ 🍐

📍 কর্মশক্তি বাড়ায়।
📍 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
📍 ত্বকের ঔজ্জ্বলতা বাড়ায়।
📍 ক্ষতস্থান দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।
📍 হাড় শক্ত করে।
📍 আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ করে।
📍 মুটিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

Photos from Feel Fresh BD Shop's post 12/03/2022

মরিয়ম ফুল সম্পর্কে আশা করি অনেকেই জানেন।অত্যন্ত দূর্লভ এই ফুলের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে।ধাত্রীরা শত শত বছর ধরে প্রসবকালীন সময়ে মায়ের বেদনা লাঘব করার জন্য এই ফুলের ব্যবহার করছেনশুধু আমাদের দেশেই নয়,পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই এর ব্যবহার হয়ে থাকে।ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন মনীষী এর ব্যবহারের উপর অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন এবং খ্রীষ্ট ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলেও এর কথা বর্ণনা করা হয়েছেএই ফুলকে হযরত ঈসা আঃ এর মায়ের নাম নামানুসারে ‘মরিয়ম ফুল, নবী সাঃ এর কন্যা ফাতিমার নামানুসারে "হ্যান্ড অব ফাতিমা" এবং এর বৈশিষ্ট্য অনুসারে ‘পুনরুত্থান উদ্ভিদ’ বলা হয়। কারণ এই ফুল দেখতে খটখটে শুকনো ও মরা মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই তরতর করে পাপড়ি মেলতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটন্ত ফুলের মতো তাজা আর পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে যায়। এ এক আশ্চর্য ফুল।অধিকাংশ নারীই হজ্বে গিয়ে এই মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন।যেহেতু আমরা সরাসরি সৌদি আরব থেকে আজওয়া খেজুরসহ অন্যান্য আইটেম আমদানী করি তাই আমাদের কাছেও অনেকে চেয়েছেন।আপনাদের চাহিদা মেটাতে এবার সৌদি আরব থেকে আমরা এই পবিত্র ও আশ্চর্য উপকারী ফুল নিয়ে এসেছি।মরিয়ম ফুল ও বিজ্ঞানঃ মরিয়ম ফুল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের গর্ভাবস্থায় এবং ডেলিভারির সময় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটি সাহারা-আরবীয় মরুভূমিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।উপাদানঃ এই ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম,দস্তা এবং লোহা। বিশেষত,ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।ব্যবহারের নিয়মঃ বাচ্চা জন্মের সময় যখন ডেলিভারি পেইন উঠে তখন ফুলটিকে ডেলিভারি রুমে কোন খোলা বাসনে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজালে ফুলটি আস্তে আস্তে ফুটতে থাকবে এবং যার ডেলিভারি হবে তার জড়ায়ুর মুখ খুলতে থাকবে এবং ব্যাথা বাড়বে।যতই ভিজতে থাকবে ও প্রষ্ফুটিত হতে থাকবে আল্লাহ্ তাআলার দয়ায় মরিয়ম ফুলের বরকতে বাচ্চার জন্ম খুব সহজ হবে।বেবী হয়ে গেলে পানি থেকে ফুলটি উঠিয়ে ফেলতে হয় এবং শুকিয়ে গেলে এটি আবার আগের মত ছোট হয়ে যায় এই কারনে এটি একাধিক বার ব্যবহারযোগ্।

12/03/2022

যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতা খাও...

১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।

২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।

৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।

৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।

৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।

Photos from Feel Fresh BD Shop's post 12/03/2022

ব্লাড প্রেসারের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হতে না চাইলে প্রতিদিন খেতে হবে একটা করে কলা!

গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ব্লাড প্রেসারের মতো রোগের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে প্রতি ৮ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন ব্লাড প্রেসারের রোগী। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগরই বয়স ৪৫ এর নিচে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেক ভারতীয়েরই যে প্রতিদিন একটা করে কলা খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আসলে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক সমস্যাও বাগে চলে আসে। যেমন ধরুন...

১. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।

২. দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে:
একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বাস্তবিকই কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে কলাতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেটিনার ক্ষমতাও এতটা বৃদ্ধি পায় যে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনও ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

৩. সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে:
বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘরির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? ফিকার নয়! এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নেবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই কারণেই তো অ্যাথেলিটদের রোজের ডেয়েটে আর কিছু থাকুক না থাকুক কলা থাকেই!

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার অন্দরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে কলার অন্দরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই পুজোর পর থেকে যদি পেটটা ঠিক না যায়, তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

৬. স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো:
ছেলেরা কেন ভারী নিতম্বের মেয়েদের পছন্দ করেন?
২৭ বছর আগে রেলের কামরায় এই যুবতীর সম্মানরক্ষা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশ জুড়ে হাজার হাজার সেনার জীবন বাঁচাতে নজিরবিহীন আবিষ্কার কিশোরের
৬. স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো:
বেশ কিছু গবেষণায দেখা গেছে রোজের ডায়েটে কলাকে জায়গা করে দিলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু আজকের যুবসমাজের সিংহভাগই যখন স্ট্রেস নামক সমস্যার শিকার, তখন নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই!

৭. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়:
শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। কিভাবে? এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে ঠিক সময় খাবার খাওয়া সুযোগ না পেলে ২-৪ টে কলা খেয়ে নিতে ভুলবেন না যেন!

৮. টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে:
শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে শরীরের ইতি-উতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৯.অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়:
কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে।

১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! প্রসঙ্গত, ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১১. ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই তো টাইপ ১ এবং ২, দু ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যদি এই মারণ রোগ থেকে দূরে রাখতে হয়, তাহলে কিন্তু নিয়মিত খাওয়া জরুরি

12/03/2022

চোখের নীচে কালি? কী করবেন?

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কমপিউটারের সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান কে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা।

১। গ্রিন টি
গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি।

২। খাবার বদলান
চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে।

৩। শসার ব্যবহার
শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে।

৪। ভিটামিন সি
চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে।

৫। ঠান্ডা চামচ
বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন।

৬। সিগারেট এড়িয়ে
খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু'টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে।

৭। ন্যুড আইলাইনার
চোখ ক্লান্ত থাকলে চোখের পাতা বেশি পড়ে। ফলে আপনি যদি কালো মোটা আইলাইনার বেশি ব্যবহার করেন, তাহলে ওপরের পাতা থেকে বেশি পরিমাণে লাইনার নীচে ঝরবে। তাতে চোখের নীচে কালি পড়েছে বলে মনে হবে। এবং চোখকে বেশি ক্লান্ত দেখাবে। এক্ষেত্রে ন্যুড আইলাইনার ব্যবহার করুন। চোখে কম ক্লান্তি দিবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong
4200