Life Care

Life Care

Share

Branded company elite Corporation is doing business with reputation for long 14 years. We believe in words and deeds.

23/04/2022

ফু"ল কোর্স এ চলছে ৫০% ছা"ড়💥

☘️দু"র্বলতা দূর করতে স"ঠিক জিনিসের বিকল্প নেই।
সুস্থ থাকতে না"না যায়গায় ছুটাছুটি না করে ফিরে আসুন প্র"কৃতির কাছে।
হারিয়ে যাওয়া সু"খ ফিরিয়ে আনতে আমরা নিয়ে এসেছি প"ছন্দের পন্য লাভ ফ"র এভার। যা বাংলাদেশ সাই"ন্স ল্যা"বের থেকে অ"নুমোদিত।কাজেই সম্পুর্ন সাইড এফে"ক্ট মুক্ত।এটি একটি ও"য়ার্ল্ড ওয়াইড প্র"ডাক্ট, ব্রান্ডিং প্রতিষ্ঠান এ"লিট কর্পোরেশন
বি"ফলে মুল্য ফেরত ১০০%
আরো বিস্তারিত জানতে SEND MASSAGE অপশন এ ক্লিক করুন।
অথবা কল করুন।
[] HELP
[]LINE ঃ 01917393105

23/11/2021

ন'কল প্রমা'নে এক লক্ষ টাকা পু'র'ষ্কার!!

ভা'লো,বা'সার মৌ;সুমে ভা'লো'বা,সা হারিয়ে যাবে তা আমরা হতে দিতে পারিনা।

অনেক কিছু চেষ্টা করেও ফ'লা'ফল শুন্য এদিকে গি'ন্নী হচ্ছে না'খো'শ। এবার আপনার জন্যে নিয়ে এসেছি স্পে"শা'ল স'মা'ধা'ন।।

এবার আপনার ভা,লো'বা,সা টি"কবে আরো স/ময় নিয়ে এবং স্থা"য়ী ভাবে। সাধারণ মানুষের ভা'লো,বা"সা নিয়ে আমরা সেবা দিয়ে যাচ্ছি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।

ফেইসবুক পলিসির জন্যে সকল তথ্য শেয়ার করা যায়নাই। বিস্তারিত জানার জন্যে কল করুন 01635-614143 এই নাম্বারে অথবা এখনি পেইজে মেসেজ করুন

Photos from Life Care's post 18/11/2021

কলার উপকারিতা

18/11/2021

প্রাচীনকাল থেকেই তিল ও তিলের তেল মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। বিভিন্ন ধরনের খাদ্যে ব্যবহৃত হয়ে আসছে তিল। নাড়ু, মোয়া, খাজা ইত্যাদি মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরি করা হয় এটি দিয়ে। এর মধ্যে তিলের খাজার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। তাছাড়া আয়ুর্বেদী চিকিৎসায় আদিকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে এই তিল।

এটি দেহের পুষ্টির সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সুস্থ থাকার জন্য তিল ও তিলের তেল কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেই সম্পর্কে আমাদের সবার জানা প্রয়োজন।

এবার তা জেনে নিন :

১. প্রতিদিন ভোরে এক চামচ কালো তিল অল্প অল্প করে মুখে দিয়ে মিহি করে চিবিয়ে যখন রসের মতো হয়ে যাবে তখন গিলে খেতে হবে। এই তিল খাওয়ার তিন ঘণ্টা পর্যন্ত কিছু খাওয়া যাবে না। তবে রুগ্নি দেহ থেকে স্বাস্থ্যবান হবেন। আর যারা মোটা তাদের মেদ কমে যাবে।

২. যাদের শরীরের বৃদ্ধি ঘটে না, তাদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য তিল খুবই উপকারী।

৩. যদি কারও মাড়ি থেকে দাঁত দুর্বল হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে তিলের মাধ্যমে দুর্বল দাঁত মজবুত করা সম্ভব।

৪. বুকে কফ জমে যাওয়া অসুখে কালো তিলের তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সর্দি, কাশির জন্য দ্রুত কাজ করে এবং ফলাফলও খুব ভালো দেয়।

৫. অনেকেরই অকালে চুল পেকে যায় এবং দুর্বল হয়ে চুল পড়েও যায়। তাদের এই সমস্যা নিরসনে কালো তিলের প্রয়োজন। এই তিলের তেল প্রয়োগ করলে খুব উপকার পাওয়া যায়। এমনকি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৫. শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং সব ইন্দ্রিয়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে তিল।

৬. তিলের তেল শরীরের রং উজ্জ্বল করে এবং শরীরের ছোট ছোট দোষত্রুটি দূর করে দেয়।

৭. এটি মাথাব্যথা কমিয়ে দেয় এবং বুদ্ধিবৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৮. তিল, যব, চিনি একত্রে চূর্ণ করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যাদের বাচ্চা হবে আর যাদের বাচ্চা হয়েছে তাদের রক্তস্রাব বন্ধ হবে।

৯. যেসব শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে তাদের কালো তিল আর তার সঙ্গে এক টুকরো মুলা খাওয়ালে ওই বদ-অভ্যাস দূর হবে।

১০. শরীরের পুড়ে যাওয়া জায়গায় তিল পিষে ঘি ও কর্পূর মিশিয়ে প্রলেপ দিলে সুফল পাওয়া যায়। তিলের তেল গরম করে লাগালেও আশ্চর্য সুফল পাওয়া সম্ভব।

১১. যদি শরীরের কোন অংশে খুব জ্বালা করতে থাকে তাহলে তিল দুধ দিয়ে পিষে প্রলেপ দিলে দাহ বা জ্বালা দূর হবে।

১২. যদি কোন ক্ষত বা ঘা না সারে তাহলে তিল পিষে নিয়ে মধু আর ঘি মিশিয়ে লাগালে অনেক ওষুধ বা মলমের চেয়ে বেশি কাজ করবে।

18/11/2021

বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি পেঁপে। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো কদর। এতে প্রাকৃতিক ফাইবার হিসাবে পুষ্টি এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে, যেমন নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। চলুন তাহলে জেনে নিই পেঁপের অসাধারণ কিছু উপকারিতা-

১। হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে:
নিয়োমিত পেপে খেলে অথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিক হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। পেঁপের ভিটামিন এ, সি এবং ই, সমূহের এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এর চমৎকার উৎস।
এই তিনটি পুষ্টি কলেস্টেরল প্রতিরোধে সাহায্য করে, যা হার্ট এটাক ও স্ট্রোক এর প্রধান কারণ এক। পেঁপের এছাড়াও ফাইবার এর একটি ভাল উৎস, যা উচ্চ কলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

২। দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে:
অপথ্যালমোলজি আর্কাইভস প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতিদিন তিনবার পেপে খেলে চোখের বয়সজনিত ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বয়স্কদের মধ্যে দৃষ্টি ক্ষতি প্রাথমিক কারণ, প্রতিদিনের খাবারে তলনামূলক ভাবে কম পুস্টি গ্রহণ করা।
পেঁপে আপনার চোখের জন্য ভাল এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ, সি, ও ই এর উপস্থিতির কারণে।
৩। হজমে সহায়তা করে:
বদ হজমের রোগিদের পাকা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে। পাঁকা পেপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে, সাথে সাথে খিদে বাড়ে তাছাড়া পাঁকা পেপে কোষ্ট পরিস্কার করে এবং বায়ু নাস করে। এ ছাড়াও পেপে অর্শ রোগের ক্ষেত্রেও বেশউপকারি।

৪। অর্শ ও কৃমিনাশক:
কাঁচা পেঁপের আঠা বীজ কৃমিনাশক। কাঁচা পেঁপের আঠা চিনি বা বাতা্সোর সাথে মিশিয়ে খেলে অর্শ ও জন্ডিস সহ লিবারের নানা রোগ ভালো হয়। এ আঠা প্রতিদিন সকালে ৫- ৭ ফোটা আঠা বাতাসার সাথে মিসিয়ে খেলে অর্শের রক্ত পড়া বন্ধ হয়। ব্রন আচিল জিভের ঘায়ে এ আঠা লাগলে খুব উপকার হয়।

৫। কোলেস্টেরল কমায়:
অন্যান্য ফলের মতই পেঁপেতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। আর পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা দুশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পেঁপে রাখুন। অন্যান্য কোলেস্টেরল যুক্ত খাবারের বদলে পেঁপে খান। তাহলে আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৬। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়:
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ফ্লেভানয়েড, লুটেইন, ক্রিপ্টোক্সান্থিন আছে। এছাড়াও আরো অনেক পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৭। চুলের যত্নে:
চুলের যত্নে পেপে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। টক দইয়ের সাথে পেপে মিশিয়ে চুলে মাখলে চুলের গোরা শক্ত হয় ও চুল ঝলমলে হয়। ১ চামচ পেপের আঠা ৭/৮ চামচ পানি দিয়ে ফেটে চুলের গোড়ায় কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেললে উকুন মরে যায়।

৯। ত্বকের যত্নে:
পেঁপে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল, তাই ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। প্রতিদিন পাকা পেপের সাথে মধু ও টকদই মিশিয়ে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

১০। ব্রণের দাগ কমিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়ায় :
ব্রণের সমস্যা প্রায় সবারই থাকে। এসব ব্রণের কারণে মুখে খুব বাে ধরনের দাগ তৈরি হয়। এই বাজে দাগগুলো নিরাময় করতে পারে সুমিষ্ট এই ফলটি। মুখের অন্যান্য যেকোনো দাগ যেমন মেছতা, ফুস্কুরির দাগও খুব সহজেই দূর করে দিতে পারে।মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করার পাশাপাশি পেঁপে ফলটি মুখের উজ্জ্বলতাও ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

18/11/2021

ওট হল একটি খাদ্যশস্য যা মূলত ঠান্ডা আবহাওয়ায় ভাল ফলন হয়। এটা পশুখাদ্য হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হলেও মানুষের সাস্থ্যের জন্যও যথেষ্ট উপকারী একটা শস্য। ওটস দিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্বুস্বাদু এবং পুষ্টিকর বিস্কুট, ব্রেড এবং কেক তৈরি হয়। এটি গম, যব এবং পায়রা জাতীয় উদ্ভিদ শস্য। ওট বা ওটস কি ? ইংলিশে বলে ওট (Avena sativa)। প্রায় ৪০০০ বছর ধরে মানুষ ধান/গম পরিবারের অর্ন্তভুক্ত এ শস্যটি চাষ করে আসছে । ওটস স্বাস্থ্যকর খাবার হিসাবে সমজাতীয় খাদ্য তালিকার প্রায় উপরের দিকে অবস্থান করে। ওটে অন্যান্য খাদ্যশস্যের তুলনায় অনেক পরিমানে দ্রবিভুত আশ জাতীয় অংশ থাকায় এটি তুলনামূলক ধীরে হজম হয়। গবেষনা থেকে দেখা গিয়েছে যে এতে রয়েছে অতি উচ্চ মাত্রায় সহজে দ্রবণীয় বেটা-গ্লুকান, যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে।

এবং ধারনা করা হয় হৃদরোগ কমাতেও সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে । এ ছাড়া ও আরো কিছু কিছু উপকারী উপাদান আছে যেমন আলফা-টোকোটেরিওনল এবং আলফা-টোকোফেরল, যে উপাদানগুলো এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে এবং হৃদযন্ত্র কে সুস্থ রাখতে, আলজেইমার রোগ, গ্লোকোমা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। ওটসের উপকারিতা ওটস একটি খুব উপকারী শস্য। ওটস এ প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বিদ্যমান থাকে।

এই ফাইবার আমাদের শরীরে নানা উপকারে আসে। চলুন সংক্ষেপে ওটস আমাদের কি কি ক্ষেত্রে উপকারী শস্য হিসেবে কাজে দেখে নেওয়া যাক। কোলেস্টেরল কমায়: ওটস এ বিদ্যমান ফাইবার লিপিড বা চর্বি কমায়। ওটসে রয়েছে অতি উচ্চ মাত্রায় সহজে দ্রবণীয় বেটা-গ্লুকান যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে বেশ সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

ওটসের ডায়েটারিফাইবার কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, খিদে কমায় এবং পেট পরিষ্কার রাখে। ওজন কমায়: যারা ওজন কমাতে ও শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাদের জন্য প্রতিদিন সকালে এক বাটি ওটস নাশতা হিসেবে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। ওটস প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ ফলে এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ২০১৩ সালের Journal of the American College of Nutrition একটি জরিপে বলা হয়েছে "অন্য যেকোনো খাদ্যশস্যের তুলনায় ওটমিল বেশিক্ষণ পেট ভরা রাখে ।" গবেষকরা আর বলেন যে, স্বাদবিহীন ইনস্ট্যান্ট ওটমিল ও অন্যান্য খাদ্যশস্যের মধ্যে স্বাদবিহীন ওটস অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে।

কারণ এতে রয়েছে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বেটা গ্লুকোন ও পেপটাইডের বন্ধন। এ উভয় উপাদানই হল ক্ষুদা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন । হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: ওটস এ উচ্চ মাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেল ও প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। ওটস্ এর এন্টিঅক্সিডেন্ট খুবই অনন্য যাকে এভেনানথ্রামাইডস বলা হয়।এটি ফ্রি-রেডিকেল কর্তৃক এল ডি এল কোলষ্টেরল এর ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে ফলে হৃদ রোগ হবার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

ওটের লিগ্নান্স হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ও বেটা গ্লুকোন হার্টের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।ইউরোপিয়ান ক্লিনিক্যাল নিউট্রেশন জার্নালে প্রকাশিত একটি কানাডিয়ান গভেষণা মতে ওটস লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন বা এলডিএল এবং কলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জে টি ব্রাটেন এর গভেষণা মতে ওটসে থাকা দ্রবনীয় ফাইবারের প্রধান উপাদান বেটা গ্লুকেনের কারনে হৃদ রোগের ঝুঁকি কমে। OZ এবং Roizen এর মতে ওটস হৃদ রোগের জন্যে হুমকিদায়ক রক্তের ক্লোটস কমাতে সাহায্য করে একই সাথে আর্টারিকে স্বাভাবিক রাখে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ওটস খান তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় ২৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে:ওটসে আছে উচ্চ মাত্রার শর্করা। তাই সকালের বা বিকেলের নাশতা হিসেবে এটি শরীরে শক্তি যোগাতে কাজ করে। আবার এতে রয়েছে অধিক পরিমাণে ফাইবার ফলে এটি ধীরে ধীর হজম হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে সীমিত রাখে। ওটমিল খুব সহজেই টাইপ ২ ডায়াবেটিসএর ঝুঁকি কমাতে পারে বলে জানা যায়।

ত্বকের যত্নে ওটের ব্যবহারঃ কলোইডাল ওট এক্সট্রাক্ট ত্বকের মসৃনতা বৃদ্ধিতে, ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, রুক্ষতা দূরে করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করতে সহায়তা করে। ওটমিল খাওয়ার সাথে সাথে আপনি এটি মুখে বা শরীরের ত্বকে লাগাতে পারেন। এটি ত্বককে আর্দ্রতা প্রদান করে ও ত্বককে করে তুলে নরম ও কোমল। ওট অনেক প্রসাধন সামগ্রিতে যেমনঃ ক্লিঞ্জার, মাস্ক, ফেসিয়াল ক্রিমে ব্যবহার করা হয়।

ত্বকের শুষ্কতা, বিভিন্ন ধরণের র‍্যাশ, কালো দাগ, একজিমা, সানবার্ণ ইত্যাদি থেকে রক্ষা পেতে ওট খুব সহায়ক ভুমিকা পালন করে।সাধারনত এ সব ক্ষেত্রে পিএইচ (Ph) এর মাত্র বেড়ে গিয়ে ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। ওট ত্বকের পিএইচ লেভেল স্বাভাবিক করে ফলে তকে এনে ত্বকের সুদিং ভাব টা এনে দেয় এবং এতে রয়েছে এভাসিন নামে একটি যৌগিক পদার্থ যেটা ছত্রাকনাশক হিসাবে কাজ করে, আর আছে স্যাপোনিন, যেটি ক্লিঞ্জিং উপাদন হিসেবে কাজ করে এবং আরো আছে ফ্ল্যাভোনয়েড কমপাউন্ড যা সূর্যের ক্ষতিকারক UV রশ্মিকে শোষন করে ত্বককে রক্ষা করে।তাছাড়া, গোসলের পানিতে এটি মিশিয়ে গোসল করলে চুলকানি, অ্যালার্জি ও লালচে ভাব দূর হয়। উচ্চ রক্তচাপ নিরাময় করে: উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওটসের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ওটমিল রাখলে এটি সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

ওটসে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রোগ ব্যাধির ফরমেশন কে স্থির রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এটি খাবারটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে । ওটসে রয়েছে শহক্তিশালী ফাইবার ।এ ফাইবার রোগ প্রতিরোধক কোষ সৃষ্টি করে ও শরীরকে আরো বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন করে তুলে । ওটের বেটা গ্লুকোনের অ্যান্টি মাইক্রোবাইয়াল ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন থেকে শরীরকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:টমিল কিছু কিছু হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। যে সব হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণে স্তন ক্যান্সার হতে পারে। ওটমিলের হোল গ্রেইন্স পোষ্ট-মেনোপজাল মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।ওটসে রয়েছে ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট উপাদান যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি কার্যকর ভাবে ব্রেস্ট ও অন্যান্য হরমোন সম্পৃক্ত ক্যান্সার কে ধ্বংস করতে পারে।

প্রতিদিন এক বাটি ওটমিল মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৪১% পর্যন্ত কমাতে পারে বলে জানা যায়। কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: ওটসের উচ্চ মাত্রার ফাইবার কোলন ও ইন্টেস্টাইনালের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। এটি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম করে। চিন্তা দূর করে: এটি মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

সেরোটোনিন হল এমন একটি হরমোন যা ক্ষুধা, ঘুম ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে। সেরোটোনিন থাকার ফলে ওটস চিন্তা বা দুঃখ দূর কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম গভীর ঘুমের জন্য দায়ী। ওটসে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম তাই এটি মনকে শান্ত ও প্রফুল্ল রাখতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

ওটস কখন ও কিভাবে খাবেন এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে ওটস জনপ্রিয় খাদ্য না হলেও পশ্চিমা বিশ্বে এটি একটি বহুল পরিচিত একটি খাবার। তারা ব্রেকফাস্টে ওটস খেতে পছন্দ করে করে। ইদানিং ওটসমিল আমাদের দেশেও জনপ্রিয় হচ্ছে। ওটস আর ওটস মিলের পার্থক্য হলে ওটস থেকে যখন প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বানানো হয় তখন একে ওটসমিল বলে।

যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা চাইলে সকাল ও রাতে ওটস খেতে পারেন। ওটস খেলে ক্ষিদা তো মিটবেই সেই সাথে আপনার ওজন বেড়ে যাবার ভয় নেই। বরং ওজন বাড়ার বদলে কমতে থাকতে।ওটে থাকা বিটা গ্লুকেন ফাইবার হাইলি ভিসকাস হয়, যে কারণে স্লো ডাইজেস্ট হয় আর অনেক সময় পেট ভর্তি রাখে| ভোজন রসিকদের জন্যে ব্যাপারটা মজার না যে আপনি ভর পেট খাবেন কিন্ত আপনার ওজন না বেড়ে বরং কমতে থাকবে ? লুসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির পেনিংটন বায়োমেডিকাল রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষনা থেকে জানা যায় যে, ' ওটের মধ্যে এমন একধরনের পদার্থ থাকে যা ক্যালোরি ধরে রাখার পাশাপাশি খিদেও মিটিয়ে দেয়।' এই গবেষনা করে জানা গিয়েছে অন্যান্য শষ্যদানায় ফ্যাট কম থাকলেও খিদে মেটে না এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেহে যায় না।

অন্যদিকে ব্রেকফাস্টে ভারি কোনও খাবার খেলে পেট ভরলেও ক্যালোরি বেড়ে যায় কিন্তু সম্পূর্ণ পুষ্টি হয়না। গবেষনাটি ১০০জন পুরুষ ও মহিলাকে নিয়ে করা হয়েছিল। যেখানে দেখা গিয়েছে ওটমিল খাওয়ার পর পেট ভরার পাশাপাশি দেহ সঠিক পুষ্টিও পাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হল ওটস খাবেন কি ভাবে?

ওটস আপনি অনেক ভাবেই খেতে পারেন। এখানে কয়েকটি উপায় বাতলে দেওয়া হলঃ ১। সকালের নাস্তায় দুধ দিয়ে ওটস খেতে পারেন| এর মধ্যে কুচি করে পছন্দ মত ড্রাই ফ্রুট্স দিতে পারেন । ২।

সকালের নাস্তায় টক দৈ দিয়েও ওটস খেতে পারেন| সাথে ছোট ছোট কুচি করে আপেল বা খেজুর দেওয়া যেতে পারে । এ ছাড়াও স্ট্রবেরি বা ব্লু বেরিও দিতে পারেন। ৩। চাইলে দুপুরের প্রধান মিলে ভাতের বদলে ওটস সেদ্ধ করে নিতে পারেন | এবার ভাতের মত ডাল, তরকারি, মাছের ঝোলের সাথে খেয়ে ফেলুন| ৪। ওটস দিয়ে খিচুরি বানিয়েও খাওয়া যেতে পারে। ৫। স্ন্যাকস হিসেবে বিকেলে চা বা কফির সাথে ওটসের বিস্কিট খেতে পারেন।

18/11/2021

সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। একাধিক আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণে সমৃদ্ধ এ কালোজিরা। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।

পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।

সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। স্থূলতা, ক্যান্সার ও হৃদরোগ- সব কিছুর বিরুদ্ধেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কালোজিরা।

কালোজিরার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১. সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা ও জ্বরে খেতে পারেন কালোজিরা।

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতেও কালোজিরা উপকারী।

২. সেক্স হরমোন ক্রিয়াকলাপ ও নিউরোজেনারেটিভ কার্যকারিতা বাড়ায় কালোজিরা।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে করোনার রোধে শরীরকে তৈরি করুন কালোজিরা খেয়ে।

৪. এক চা চামচ কালোজিরা বাটা, সমপরিমাণ আদার রস ও মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। এ ছাড়া সকালে খালি পেটে পানির সঙ্গে খেতে পারেন কালোজিরা।

৫. কালোজিরায় থাকা ফসফরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরা খেতে পারেন।

৬. মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে কালোজিরার তেল পান করুন উপকার পাবেন।

৭. লেবু দিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ভালোভাবে শুকানোর পর কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমবে।

৮. বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করলে হাঁপানির সমস্যায় আরাম পাবেন।

৯. কালোজিরা দুর্দান্ত অ্যান্টি-টক্সিনের কাজ করে। তাই যন্ত্রণামুক্ত ও পরিষ্কার প্রস্রাবের জন্য খাবারের সঙ্গে রাখুন কালোজিরা।

১০. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় খেতে পারেন কালোজিরা। এ ছাড়া যারা অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তারা খাদ্যতালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণের সঙ্গে কালোজিরা খেতে পারেন।

18/11/2021

সবুজ ও রঙিন পাতাওয়ালা সবজি বা ফলমূল স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে সবার আগে আসে গাজরের নাম । গাজর ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবজি। আপনার দেহকে সুস্থ্য রাখার পাশাপাশি এটি ত্বক সতেজ রাখতে, দাঁত মজবুত সাহাস্য করে। চলনু তাহলে জেনে নেই গাজরের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।

কোলেস্টরল কমায়:
গাজরে রয়েছে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার। আর এই ফাইবারে থাকে পেপটিন নামক উপাদান যা রক্তের কোলেস্টেরল হ্রাসে সহায়ক। বিশেষজ্ঞগণ উল্লেখ করেছেন, প্রতিদিন এক কাপ করে গাজর অন্তত তিন সপ্তাহ খেলে সুফল পাওয়া যায়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়:
গাজরের আলফা ক্যারোটিন ও বায়োফ্লাভোনয়েডস ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক, বিশেষ করে ফুসফুসের ক্যান্সার। তবে বিটা ক্যারোটিন ধূমপায়ীদের জন্য ক্ষতিকর।

দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি:
গাজরের বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত হয়। যা দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে ভূমিকা রাখে।

মস্তিষ্ক ক্ষয় হ্রাস:
গাজর মেমোরি লস বা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের প্রবণতার গতিকে কমিয়ে দেয়। গবেষণায় বিশেষজ্ঞগণ দেখেছেন সেন্ট্রাল নার্ভস সিসেটমে বিটা ক্যারোটিন এজিং প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয়। হারভার্ড স্ট্যাডিতে উল্লেখ করা হয়েছে যদি কেউ দৈনিক ৫০ গ্রাম বিটাক্যারোটিন আহার করে তবে মস্তিষ্ক ক্ষয় হ্রাস পায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে:
গাজরের বিটাক্যারোটিন ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও সহায়ক। যাদের শরীরে বিটাক্যারোটিনের আধিক্য রয়েছে তাদের ইনসুলিন লেবেলও ৩২ ভাগ কম হয়।

বোন হেলথ:
গাজর আহার অস্থি বা বোন হেলথ এর উন্নতিতে সাহায্য করে।

শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলতে অনেকেই মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্তু সঠিক খাবার-দাবার ও শরীর চর্চার অভাবে তা অনেক সময় সম্ভব হয় না।

তবে ওজন কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা, কঠিন ডায়েট, জিম দৌড়নো কত কিছুই না মানুষ করে। অনেকে আবার চটজলদি মেদ কমাতে ডাক্তারের কাছে যান।
অথচ আমাদের হাতের কাছে এমন কিছু সবজি আছে, যা দিয়ে খুব সহজেই শরীরের মেদ কমানো সম্ভব। তার মধ্যে অন্যতম হলো গাজর।
পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম গাজরে শর্করা রয়েছে ১০.৬ গ্রাম। সেই তুলনায় ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে, মাত্র ০.২ গ্রাম। কাজেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় গাজর রাখলে মেদ ঝরানো সম্ভব।

দেখে নেওয়া যাক কিভাবে প্রতিদিনের মেনুতে গাজর রাখবেন-

*গাজরের সালাদ
শশা, গাজর, টম্যাটো, পিঁয়াজ দিয়ে সালাদ বানাতে পারেন। তা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। গাজর কুঁচিয়ে লেবুর রস ও গোলমরিচ ছড়িয়ে নিয়মিত খান। তবে স্বাদ বাড়াতে স্যালাডে মাখন, মেয়োনিজ বা তেল মেশাবেন না।

*গাজরের স্যুপ
গাজর সিদ্ধ করে তা দিয়ে স্যুপ বানিয়ে ফেলুন। হালকা গোলমরিচ, অল্প মাখন যোগ করে এই স্যুপ খেতে পারেন। পেট ভরাতে এর সঙ্গে অন্য সবজিও যোগ করতে পারেন।

*গাজরের হালুয়া
গাজরের হালুয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে মাখন, চিনি, বাদাম ছাড়া গাজরের হালুয়া বানালে উপকার পাওয়া যাবে। চিনি ছাড়া হালুয়া খেতে অসুবিধা হলে মরিচ ও লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন।

18/11/2021

সালফারের উপস্থিতির কারণে শালগমে একধরনের গন্ধ আছে। এই গন্ধের জন্য অনেকের হয়তো শালগম পছন্দের তালিকায় নেই। কিন্তু সালফারের গুণের কথা জানলে এই সবজিটি খেতে আর মন্দ লাগবে না। শালগমের খুঁটিনাটি জানতে কথা বলছিলাম বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা আখতারুন্নাহার আলোর সঙ্গে। তিনি বলেন, অন্য ধরনের একটা গন্ধের কারণে অনেকে সবজিটি খান না বটে, তবে এই গন্ধই কিন্তু ব্রঙ্কাইটিস জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে। এ ছাড়া অনেককাল আগে ব্রঙ্কাইটিস রোগের উপশমের জন্য শালগম দুধ দিয়ে রান্না করে খেতেন।
এবার জেনে নেওয়া যাক শালগমের নানা গুণের কথা।
শালগম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ। তাই যেকোনো রোগের বিরুদ্ধে লড়ার এক অসাধারণ এক প্রাকৃতিক ক্ষমতা আছে সবজিটির। নিয়মিত খেলে অনেক রোগ এড়ানো যায়।
এতে থাকা উপাদানগুলো ক্যানসার কোষের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম। উপাদানগুলো শরীরের অস্বাভাবিক কোষের বিভাজনে বাধা দেয়।
শালগমে প্রচুর পরিমাণ খাদ্য-আঁশ থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো করে দেয় এবং ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে শালগম কার্যকর। সবজিটি রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে।
যেকোনো ধরনের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে শালগম।
হৃৎস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী সবজিটি। হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
নিয়মতি শালগম খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে আসে।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকে সবজিটিতে। ভিটামিন ‘সি’ থাকায় শরীরের কোষ ক্ষয় রোধ করে। নতুন কোষ তৈরি করে।
রক্তে খারাপ ধরনের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁদের জন্য শালগম অতি ভালো সবজি।
শীতকালে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। শালগম খেলে ত্বকের রুক্ষতা কমে যায়। উজ্জ্বলতা বাড়ে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217