Evas Shop 3D
Your well-being is our success, We sell 100% safe and efficient products. Which is a lot more beneficial for people. That's what we want you to be good.
Our product is tested and approved by Bangladesh Science Lab so it is a very acceptable product. This product is made with 9many high quality ingredients. Thank you for what they can take.
12/07/2021
↗️জীবনকে আরো আ'নন্দিত সুখময় করে তোলেন 𝗟𝗼𝘃𝗲𝗳𝗼𝗿𝗲𝘃𝗲𝗿 ব্যবহারের মাধ্যমে। আপনার হারিয়ে যাওয়া সুখ ফি'রিয়ে দিতে আমরা নিয়ে এসেছি পছন্দের পন্য 𝗟𝗼𝘃𝗲𝗳𝗼𝗿𝗲𝘃𝗲𝗿 যেটা বাংলাদেশ সায়েন্স ল্যাব থেকে অনুমোদিত পরিক্ষিত এবং সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত কাজেই ১০০% কার্যকরী এবং সাইড ইফেক্ট নাই।
📞📞𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫 𝟎𝟏𝟖𝟕𝟒-𝟐𝟐𝟏𝟕𝟑𝟖
↗️সারা বাংলাদেশে কোন এডভান্স পেমেন্ট ছাড়াই এস এ পরিবহন এবং সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে যে কোন থানা বা জেলায় আপনার নিকটে পাঠানো হবে।
↗️আরো বিস্তারিত জানতে 𝗦𝗲𝗻𝗱 𝗠𝗲𝘀𝘀𝗮𝗴𝗲 𝗢𝗽𝘁𝗶𝗼𝗻 এ ক্লিক করুন অথবা সরাসরি কল করুন স্ক্রিনে দেওয়া নাম্বারে।
📞📞𝐌𝐨𝐛𝐢𝐥𝐞 𝐍𝐮𝐦𝐛𝐞𝐫 𝟎𝟏𝟖𝟕𝟒-𝟐𝟐𝟏𝟕𝟑𝟖
12/07/2021
লাভফরএবার
পাওয়ার সোর্স
নাইট কিং মাসেজ অয়েল
টাইম ডেভেলপার
12/07/2021
মেয়েদের ব্রেস্ট ছোট, বড় এবং টাইট করতে আমাদের রয়েছে....
১/ব্রেস্ট কেয়ার এনলার্জিং যেটা আপনার স্তন কে আকারে বড় করবে এবং টাইট করবে।
২/ব্রেস্ট কেয়ার লিপ্ট আপ যেটা আপনার বড় স্তন কে ছোট করবে এবং টাইট করবে।
৩/V-Tight যেটা আপনার যৌনাঙ্গ টাইট করবে এবং মসৃন করবে।
12/07/2021
সব ঔষধের দাদা
তার নাম হলো আদা।
কালিজিরা, মধু
সব অসুখের জাদু।
তুলসী পাতা, মেথি
বিশ্বজোড়া খ্যাতি।
লবঙ্গ, তেজপাতা
হলে বুকে ব্যাথা।
এলাচ, দারুচিনি
খাবে প্রতিদিনই।
কাঁচা রসুন খেলে
অসুখ যাবে চলে।
পেয়ারা পাতার চা
বেশি করে খা।
গরম জলে লেবু
অসুখ হবে কাবু।
ম্যান্থল জলের ভাপ
অসুখ হবে সাফ।
করলে বেশি দান
পাবে পরিত্রাণ।
12/07/2021
লাল শাকের উপকারিতা
লাল শাক শাকের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় শাক। এই শাক আগে শুধুমাত্র শীতকালে পাওয়া গেলেও বর্তমানে এটি সারাবছরই পাওয়া যায়। এর রঙ ও স্বাদের জন্য অন্যসব শাকের থেকে আলাদা। খেতে সুস্বাদু এই লাল শাক পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমাদের দেহের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য লাল শাকের গুরুত্ব অনেক বেশি। লাল শাক ভাজি, ভর্তা বা ছোট কোন মাছ দিয়ে ঝোল করে রান্না করে খাওয়া যায়। আসুন এবার জেনে নেই লাল শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুন সম্পর্কে।
লাল শাক
লাল শাক
ক্যালসিয়ামের ভাল উৎস
লালশাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অন্য শাকের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। ক্যালসিয়াম দেহের জন্য অত্যন্ত দরকারি উপাদান বিশেষ করে দাঁত এবং হাঁড় গঠনে। তাই দাঁতের সুস্থতা, হাঁড় গঠন, গর্ভবতী এবং প্রসূতি মায়েদের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে এই শাক উপকারী।
দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে
লাল শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধির জন্য খুব উপকারী। লাল শাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ রেটিনার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে আপনার খাবারেরে মেনুতে রাখুন লাল শাক।
হজম শক্তি বাড়ে
লালশাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা হজমে সাহায্য করে ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
রক্তশূন্যতা দূর করে
রক্তশূন্যতা রোধ করতে লাল শাক খুব উপকারী কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। লাল শাক শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য এই শাকটি খাওয়া খুবই উপকারী।
ক্যান্সারকে দূরে রাখে
লাল শাকের এন্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাছাড়া লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদান দূর করে। সেই সঙ্গে ক্যান্সার কোষ যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
কিডনি সমস্যা দূর করে
কিডনির ফাংশন ভালো রাখতে ও কিডনি পরিষ্কার রাখতে লাল শাক খুব ভালো কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
চুল পড়া কমে
চুলের স্বাস্থ্যের জন্য লাল শাক অনেক উপকারী।
12/07/2021
*** গাজর ***
** গাজর রং ফর্সা করে **
গাজরকে প্রকৃতির অমূল্য সৃষ্টি আর শক্তির ভান্ডার বললেও বাড়তি বলা হবে না। গাজর সাধারণত দু’রকমের হয় দেশী ও বিলিতি। দেশী কালো বা গাঢ় লালচে রঙের (মেরুন রঙের) গাজর আজকাল আর প্রায় দেখাই যায় না। বাজারে কমলা রঙের বিলিতি গাজরই পাওয়া যায়। গাজরের সালাদ তৈরি করে কাঁচা খাওয়া যায়। গাজরের রসের অনেক উপকারিতা আছে, উপকারিতা আছে গাজরের উপরকার শাকের ও। এই শাক সাধারণত ফেলেই দেওয়া হয় কিন্তু এই ফেলে দেওয়া শাক ফেলনা নয়, এতেও আছে অনেক গুন। গাজরের তরকারি, গাজরের আচার, গাজরের কাঞ্জি (পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশের প্রিয় পাণীয়), গাজরের হালুয়া (দিল্লি ও পাঞ্জাবে বেশি প্রচলিত), গাজরের পায়েস ইত্যাদি সবই খুব লোকপ্রিয়! গাজর যদি সঠিক পরিমাণে খাওয়া যায় দামি ফল ও দামি শাক - সবজির চেয়ে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যাবে।
12/07/2021
*** গাজর ***
** গাজর রং ফর্সা করে **
গাজরকে প্রকৃতির অমূল্য সৃষ্টি আর শক্তির ভান্ডার বললেও বাড়তি বলা হবে না। গাজর সাধারণত দু’রকমের হয় দেশী ও বিলিতি। দেশী কালো বা গাঢ় লালচে রঙের (মেরুন রঙের) গাজর আজকাল আর প্রায় দেখাই যায় না। বাজারে কমলা রঙের বিলিতি গাজরই পাওয়া যায়। গাজরের সালাদ তৈরি করে কাঁচা খাওয়া যায়। গাজরের রসের অনেক উপকারিতা আছে, উপকারিতা আছে গাজরের উপরকার শাকের ও। এই শাক সাধারণত ফেলেই দেওয়া হয় কিন্তু এই ফেলে দেওয়া শাক ফেলনা নয়, এতেও আছে অনেক গুন। গাজরের তরকারি, গাজরের আচার, গাজরের কাঞ্জি (পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশের প্রিয় পাণীয়), গাজরের হালুয়া (দিল্লি ও পাঞ্জাবে বেশি প্রচলিত), গাজরের পায়েস ইত্যাদি সবই খুব লোকপ্রিয়! গাজর যদি সঠিক পরিমাণে খাওয়া যায় দামি ফল ও দামি শাক - সবজির চেয়ে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যাবে।
12/07/2021
*** কাঠ বাদাম এর উপকারিতা ***
বাংলাদেশে একটি পরিচিত ফল হচ্ছে কাঠ বাদাম। কাঠ বাদাম চেনে না এমন লোক খুজে পাওয়া যায়না। কাঠ বাদাম গাছ ৩৫ মিটার পর্যন্ত উচু হয়ে থাকে। গাছটির উপরের দিক থেকে আনুভূমিকভাবে ডালপালা বের হয়।
এর ফল ৩-৪ সে.মি লম্বা হয়ে থাকে। ফলটির বিচিগুলোকে কাঠ বাদাম বলে ডাকা হয়ে থাকে।
এর পাতা গুলো আকারে বেশ বড়ো ১৫-২৫ সে.মি. দীর্ঘ এবং ১০-১৪ সে.মি. চওড়া, ডিম্বাকর এবং চকচকে সবুজ বর্ণের হয়।
এই গাছ বাংলাদেশসহ ভারত, আফ্রিকা, থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াসহ অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকাতেও জন্মে থাকে।
=> পুষ্টিগুণঃ
• কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি, ই, ডি এবং উপকারী ফ্যাট। গুণাগুণের দিক থেকে বিবেচনা করে দেখলে এটিকে বলা হয় সুপার ফুড।
• কাঠবাদামের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন-ই, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি উপস্থিত থাকে। এর ফলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই নানা দৈহিক সমস্যা যেমন দূর হয়, তেমনই পেটও ভরে।
উপকারিতাঃ
• কাঠবাদামের ভিটামিন-বি মস্তিষ্কের কোষ উন্নত এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি অনেক প্রখর হয়।
• কাঠবাদামে রয়েছে ফাইটোস্টেরল এবং মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড যা দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে।
• কাঁচা কাঠবাদাম প্রোটিন এবং ফাইবারের উৎস যা অনেক সময় ধরে ক্ষুধার উদ্রেক করে না ফলে ক্ষুধা কম থাকে। এতে করে দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• চুল পড়া, চুলের রুক্ষতা এবং মাথার ত্বকের সুস্থতায় কাঠবাদামের তেলের জুড়ি নেই। কাঠবাদামের ভিটামিন-ডি ও ম্যাগনেসিয়াম চুল পড়া রোধ করে এবং মাথার ত্বক উন্নত করে। চুলে সরাসরি এই তেল লাগিয়ে ঘন্টাখানেক রেখে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।
• কাঠবাদামের ভিটামিন-ই ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতা দূর করতে বেশ কার্যকরী। ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার হিসেবে কাজ করে এটি। কাঠ বাদাম বেটে নিয়ে চিপে এর দুধ বের করা যায় সহজেই। এই দুধ সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ,সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।
• মোনোপেজের পর নারীদের নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়া উচিত। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম যা মোনোপেজকালীন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
• কাঠবাদামের গুড়ো খুব ভালো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। কাঠ বাদাম বেটে তার সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও কোমল।
12/07/2021
** কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কিছু খাবার **
শরীরে উচ্চমাত্রায় ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থাকলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তবে নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি রসুন, আমলকী ও মেথির মতো খাবার কাজে লাগতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আপনার দৈনন্দিন ডায়েট ভালো স্বাস্থ্যের লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উচ্চমাত্রার খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে কিছু খাবার কাজে লাগাতে পারেন। চলুন জেনে আসি এসব খাবার সম্পর্কে:
রসুন:
রান্নাঘরেই পাবেন রসুন। স্বাস্থ্যকর রসুনের গুণাগুণ অনেকের জানা। রসুনে আছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ ও অর্গানোসালফার যৌগ। এই যৌগ ঔষধি গুণ হিসেবে কাজ করে। বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে বাজে কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর রসুন। এটি রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর রসুন দৈনিক অর্ধেক বা এক কোয়া করে খেলে কোলস্টেরলের মাত্রা ৯ শতাংশ কমতে দেখা যায়।
গ্রিন টি:
গ্রিন টি বা সবুজ চায়ে আছে পলিফেনল। এটি মানুষের শরীরে দারুণ উপকার দেয়। এটি শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি আমাদের শরীরকে সতেজ ও উৎফুল্ল রাখতে সাহায্য করে। এটি হৃদ্রোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে শরীরের মেদ কোষে বেশি শর্করা ঢুকতে পারে না। ফলে এই চা আমাদের শরীরের ওজন ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
ধূমপান ত্যাগ করুন:
ধূমপান ধমনির ভেতরে আবরণ তৈরি করে একে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সিগারেটের ধোঁয়া থেকে বের হওয়া কারসিনোজেন এবং কার্বন মনোঅক্সাইডের ধমনিতে এই আবরণ তৈরি করে। এটি রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং ভালো কোলেস্টেলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। তাই বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
সম্পৃক্ত চর্বি ও ট্রান্স ফ্যাট-জাতীয় খাবার কমান:
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া কমাতে হবে। এ ছাড়া ডিমের কুসুম, ভাজা খাবার, দুগ্ধজাতীয় খাবার এবং বেক করা খাবার খাওয়া কমাতে হবে। কারণ এই স্যাচুরেটেট ফ্যাট (সম্পৃক্ত চর্বি) এবং ট্রান্স ফ্যাট-জাতীয় খাবার বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। তাই এই ধরনের খাবারের পরিমাণ অবশ্যই খাদ্যতালিকা থেকে কমিয়ে দিন।
মাছ খান:
দেহের বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ মাছ খান। মাছ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
12/07/2021
** আমাশয় ও রক্ত আমাশয় **
** আমাশয় **
বাসি বিছানায় বসে রোজ ভোরে পানি না ছুয়ে তেলাকুচা পাতার রস হাত পায়ের সমস্ত আঙ্গুল গুলোর উপরে মেখে ও মাথায় ব্রহ্মরন্ধে দু-চার ফোটা রস দিলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দুরারোগ্য আমাশয় সেরে উঠে।
ঢাকাই ভেরেন্ডার আটা পাঁচ-সাত ফোটা কলার মধ্যে পুরে খালি পেটে খেলে আমাশয় আরোগ্য হয়।
তেলাকুচা পাতার রস ও সবরি কলা এক সাথে মিশিয়ে পান করলেও আমাশয় প্রভৃতি পেটের অসুখে বিশেষ উপকার হয়।
আমরুল গাছের শাক কিছু উঠিয়ে পরিষ্কার করে পানিতে ভাল ভাবে ধুয়ে নিয়ে তার ভিতরে কিছু লবণ মিশিয়ে হাতের তালুতে রগড়ালে যে রস বের হবে তা আধ ঘণ্টা অন্তর অন্তর দু-চার ফোটা করে চোখে নিয়ে আমাশয় ভালো হয়।
সাদা আমাশয়ে তেলাকুচা পাতা তিনখানি, আড়াইটে, গোলমরিচ অথবা কুকসিমার দুটি শিকড় বেটে চিনির সাথে মিশিয়ে খাওয়ালেও তিনদিনে আরোগ্য হয়।
** রক্ত আমাশয় **
কালো জামের কচি পাতার রস এক ঝিনুক, ছাগলের দুধ এক ঝিনুক, এই দুটি দ্রব্য আলাদা ভাবে পান করতে হবে।
এই ঔষধ খেলে আহারে কিছু নিয়ম মানতে হয় । ঔষধ খাবার পর প্রথম দিন রোগের বাড়লে এতে ভয়ের কোন কিছু নেই। দ্বিতীয় দিন থেকে রোগ অবশ্যই কমতে শুরু করবে।
কাচা বেল খোলা ছাড়িয়ে খন্ড খন্ড করে কেটে চিনি বা গুড়ের সাথে দুধে সিদ্ধ করে খেলে আমাশয় সেরে উঠে।
12/07/2021
***শরীর সুস্থ রাখতে মুগ***
১। ভাজা মুগের ডাল ঘন করে রান্না করে তাতে মুড়ি মধু ও চিনি মিশিয়ে খেলে শরীরের জ্বালা দূর হয়। জ্বরে ও পেটের অসুখে উপকার দেয়।
২। মুগের ডালের খিচুরি অসুস্থ শরীরের অতি –উত্তম পথ্য।
৩। মুগের ঘন ডালের চেয়ে ও মুগের পাতলা জুস বেশি উপকারী। মুগ অল্প বায়ুকারক হলে ও এই জুস একেবারেই বায়ু সৃষ্টি করে না।
৪। পুরোনো জ্বরে এবং অন্যান্য অসুখে মুগের জুস খেলে দুধের মতো উপকার পাওয়া যায়।
৫। শরীরের ত্রিদোষের (কফ, পিত্ত ও বাত) জন্যে সদ্য সদ্য যে জ্বর হয়েছে যাতে দুধ খাওয়া নিষেধ সেই জ্বরে রোগীকে এই জুস খাওয়ালে খুব উপকার পাওয়া যায়। কারণ, মুগের জুস বাস, পিত্ত ও কফের প্রকোপ শান্ত করে। অতএব, অসুস্থ ব্যক্তির পক্ষে এই জুস খাওয়া খুবই হিতকর।
৬। মুগের আটা বা বেসন দিয় ’মুগ পাক’ নামক মিষ্টি তৈরি হয় তা ছোলার ডালের বেসনের মিষ্টির চেয়ে অনেক বেশি উপকারী। মুগের বেসনের পুষ্টিকর লাড্ডু খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভাল - বিশেষত শীতকালে।
12/07/2021
পাকা তালের উপকারিতা
তাল ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। কচি অবস্থায় তালের বীজও খাওয়া হয় যা তালশাঁস নামে পরিচিত। এই তাল পাকলে এর ঘন নির্যাস দিয়ে তালসত্ব, পিঠা, কেক তৈরী করা হয়। এগুলো অনেক সুস্বাদুও বটে। তাল গাছের কাণ্ড থেকেও রস সংগ্রহ হয় এবং তা থেকে গুড়, পাটালি, মিছরি, তাড়ি ইত্যাদি তৈরি হয়।
তালে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও সি, জিংক, পটাসিয়াম, আয়রন ও ক্যালসিয়াম সহ আরও অনেক খনিজ উপাদান। এর সঙ্গে আরও আছে অ্যান্টি অক্সিজেন ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান।
পাকা তালের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে- খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলোক্যালরি, জলীয় অংশ ৭৭.৫ গ্রাম, আমিষ .৮ গ্রাম, চর্বি .১ গ্রাম, শর্করা ১০.৯ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন .০৪ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লাভিন .০২ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন .৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম।
** পাকা তাল যেভাবে খাওয়া যায়;
* তালসত্ব- তালের রস ও চিনি দিয়ে বানানো হয় তালসত্ব। এটি রোদে শুকিয়ে সারাবছর খাওয়া যায়। অনেকে ভাত ও দুধের সঙ্গে এই তালসত্ব খেয়ে থাকেন।
* তালের জুস- তালের রস, দুধ, চিনি দিয়ে জুস বানানো যায়। তেল যেহেতু ভাদ্র মাসে পাকে, সেই সময়ের গরমে এই জুস খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।
* তালের পিঠা- তালের ঘন নির্যাসের সঙ্গে ডিম, চালের গুঁড়া, গুড় বা চিনি এবং কখনো নারিকেল দিয়ে তালের পিঠা তৈরি করা হয়। গ্রামগঞ্জে এই পিঠার ঐতিহ্য রয়েছে। তালের পিঠার সুন্দর একটি ফ্লেভার রয়েছে।
* তালের কেক- কেকের সব উপকরণের সঙ্গে তালের রস মিশিয়ে কেক বানানো হয়। এর রং খুবই আকর্ষণীয় হয়। তালের কেকের মধ্যে চিনি কম এবং ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য ভালো খাবার হতে পারে।
** পাকা তালের উপকারিতা;
* তাল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। এ ছাড়া স্বাস্থ্য রক্ষায়ও তাল ভূমিকা রাখে। স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
* তাল ভিটামিন বি-এর আধার। তাই ভিটামিন বি-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে তাল ভূমিকা রাখে।
* তালে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে, যা দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক।
* কোষ্ঠকাঠিন্য ও অন্ত্রের রোগ ভালো করতে তাল ভাল ভূমিকা রাখে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur
Chittagong
4012
