Organic Health Care

Organic Health Care

Share

We Are Provide The All Original Products

17/02/2023

আদার চমৎকার উপকারিতা
পেটের সমস্যায় আদাঃ
পেট খারাপ হওয়া রোধ করতে আদা বেশ সহায়ক। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট পেটের পেশি শিথিল করতে সহায়তা করে। সুতরাং এটি পেটের গ্যাস হ্রাস এবং ফোলা কমায়। পাশাপাশি আদাতে আছে ভিটামিন বি-সিক্স। এটা এমন একটি উপাদান, যেটি আমাদের মলমুত্রের যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করে।

বাতের ব্যথায়ঃ
যাদের বাতজনিত রোগ রয়েছে, তাদের নিয়মিত আদা খাওয়া উচিত। এটিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা হাড়কে মজবুত ও শক্তিশালী করে। ফলে বাতজনিত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ
আদা কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হার্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে আসে। আদাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। এটা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ
আমাদের শরীরে চিনির মাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে আদা। এটি শরীরে ইনসুলিন তৈরিতে সহায়তা করে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মাইগ্রেনে উপকারঃ
কিছু বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন। মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে আদা চা খুব উপকারী। এতে উপস্থিত ভিটামিন এবং পুষ্টি মাইগ্রেন স্বস্তি দেয়।

সর্দি-কাশি কমায়ঃ
আদা একটি প্রাকৃতিক বেদনানাশক। এটা কাশিজনিত গলার খুশখুশি ও ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে।

15/02/2023

তুলসী পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ
তুলসীকে বলা হয় ঔষধি গাছ। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, জিঙ্ক এবং আয়রন পাওয়া যায়।

রক্তে সুগারের পরিমাণ কমায়ঃ
আপনি যদি আপনার শরীরে ডায়াবেটিসের লক্ষণ দেখতে পান, তাহলে তুলসী খাওয়া আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। অনেক গবেষণা অনুসারে, তুলসী রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে কার্যকর।

জয়েন্টের ব্যথা উপশম করেঃ
তুলসীর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। এক কাপ জলে তুলসী পাতার চা পান করাও খুব ভালো বলে প্রমাণিত হয়। এটি মানসিক চাপও কমায়।

কোলেস্টেরল কম করে ঃ
ওজন কমাতে এবং কোলেস্টেরল কমাতেও তুলসি উপকারী প্রমাণিত। এতে এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা খারাপ কোলেস্টেরল অর্থাৎ এলডিএল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল অর্থাৎ এইচডিএল বাড়ায়।

পেটের স্বাস্থ্যের জন্যওঃ
পেটের জন্যও তুলসী ভালো। এটি পাকস্থলীতে উৎপন্ন অ্যাসিড কমায়, যা পেট সংক্রান্ত অনেক সমস্যায় উপশম দেয়। অ্যাসিডিটি এবং বমি বমি ভাব অনুভব করলেও তুলসী খাওয়া যেতে পারে।

সর্দি-কাশি চলে যায়ঃ
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ তুলসী ভাইরাল রোগ এবং ঠান্ডা ও ফ্লুর মতো সংক্রমণ নিরাময় করে। তাই এটি আরোগ্যের গুণে পরিপূর্ণ বলা হয়।

14/02/2023

মেথির বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ

১। শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেঃ
মেথিতে থাকে স্টেরিওডাল সেপোনিনস নামক উপাদান যা শরীরে থাকা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে গ্লেকটোম্যানান নামক আরেকটি উপাদানের খোঁজ পাওয়া গেছে যা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তে লবনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে যার ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি পান করলে হঠাৎ করে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

২। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেঃ
যাদের কম বয়সেই রক্তে চিনির পরিমাণ অর্থাৎ ব্লাড সুগার ঊর্ধমুখি থাকে তারা নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি খেতে পারেন। এটি তাদের শরীরে গ্লেকটোমেনানের পরিমাণ বাড়ানো ছাড়াও দেহে শর্করার শোষণের পরিমাণ কমিয়ে আনে। এতে রক্তে সুগার লেভেল বাড়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। এছাড়া মেথিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ফলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় না।

৩। হজম শক্তি বৃদ্ধিতেঃ
সহজ উপায়ে দেহে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে মেথি বীজ দারুণ ভুমিকা রাখতে পারে। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বাওয়েল মুভমেন্টে উন্নতি করে হজমে অনেক সহায়তা করে থাকে। তাই কনস্টিপেশনের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি খাওয়া যেতে পারে।

৪। দেহের ওজন কমাতেঃ
প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করলে তা শরীরের স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে। কেউ যদি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করে তাহলে তাঁর শরীরে ধীরে ধীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে। এতে একদিকে যেমন তাঁর ক্ষিদে কমে যায় অন্যদিকে অতিরিক্ত খাবার গ্রহনেও লাগাম পরে। এতে শরীরের ওজন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে।

৫। জ্বরের প্রকোপ কমাতে ও সর্দি-কাশি সারাতেঃ
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় জ্বর হয়। এ অবস্থায় কেউ যদি এক গ্লাস মেথি বীজের পানি পান করেন তাহলে অনেক উপকার পেটে পারেন। মেথিতে বেশ কিছু উপকারি উপাদান রয়েছে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বৃদ্ধি করে এবং দ্রুত জ্বরের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া সর্দি-কাশি সারাতেও ঘরোয়া চিকিৎসা হিসাবে এর বিকল্প নেই বললেই চলে।

14/02/2023

অ্যালোভেরার উপকারিতাসমূহ

হার্ট সুস্থ রাখেঃ
হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় অ্যালোভেরা। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ করেঃ
অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

দাঁতের ক্ষয় রোধ করেঃ
অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁতের ক্ষয় রোধ করা সম্ভব।

ওজন হ্রাস করতেঃ
ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এসব কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হজমশক্তি বৃদ্ধি করেঃ
হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করেঃ
অ্যালোভেরার জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ত্বকের উপকারে আসেঃ
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে করেঃ
অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান দূর করে দেহ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

মুখের দূর্গন্ধ দূর করেঃ
এতে আছে ভিটামিন-সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

চুলের খুশকি দূর করেঃ
মাথায় খুশকি দূর করতে অ্যালোভেরার তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরাকে আপনার নিত্যসঙ্গ করে নিন।

মুখের ঘা সারায়ঃ
অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় অ্যালোভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ
গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

14/02/2023

কলার উপকারিতাঃ

১.কাঁচা অবস্থায় কলা সবুজ থাকে। পাকার সঙ্গে সঙ্গে হলুদ হয় সেই সঙ্গে পুষ্টিগুণও বদলাতে থাকে। রং দেখেই বোঝা যায় উপস্থিত উপাদানগুলোর পরিমাণ।

২.সবুজ কলায় রেসিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং শর্করার পরিমাণ কম থাকে। অ্যামিনো অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফসফরাসের মতো উপাদানও থাকে যথেষ্ট পরিমাণে।

৩. কলা পাকার সঙ্গে সঙ্গে রেসিস্ট্যান্ট স্টার্চ শর্করায় পরিবর্তিত হতে থাকে। তাই হলুদ কলায় শর্করা বেশি। সেই সাথে এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি থাকে।

৪.যে কলা একটু বেশি পাকার দিকে চলে যায় অর্থাৎ খয়েরি ছোপযুক্ত কলায় শর্করার পরিমাণ আরও বেশি। খয়েরি ছোপ যত বেশি, ততই বেশি শর্করা।

৫. সম্পূর্ণ খয়েরি কলা মানে সেটি অতিরিক্ত পাকা কলা। এতে শর্করা এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, দু’টিই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Chittagong
4211