Ensure Tea
Online service
08/10/2022
প্রতিদিন ১টি #আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!
প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না, এ কথাটি অনেকেই হয়তো শুনেছেন। আপেল একটি সুস্বাদু ফল। আপেল খেলে পেটও ভরে বলে হালকা নাস্তা হিসেবে আপেলের জুড়ি নেই। চোখ ধাঁধ���নো রঙ এর কারণে ছোটরাও বেশ পছন্দ করেই খায় এই ফলটি। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন আপেল খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারীতা সম্পর্কে। ক্যান্সার প্রতিরোধঃ আপেল ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে । আপেলের মধ্যে পেকটিন জাতীয় একটি উপাদান থাকে যা শরীরকে কোলন ক্যান্সার থেকে দূরে রাখে। ফুসফুসের ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধেও আপেলের ভূমিকা আছে। হার্ট ভালো রাখেঃ আপেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদানসমূহ, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকেঃ প্রতিদিন গড়ে ৩টি আপেল খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ সহজ হয়। দাঁত ভালো রাখেঃ আপেলের রস দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে দাঁত ভালো থাকে। ত্বক ভালো থাকেঃ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন আপেল খেলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়। হজম ক্ষমতা বাড়েঃ প্রতিদিন আপেল খেলে হজমের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী হয় পেটে| ফলে হজম শক্তি বাড়ে।
হাড় শক্ত করেঃ আপেলে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বোরন যা হাড়কে শক্ত রাখতে সাহায্য করে। অ্যালঝেইমার্স প্রতিরোধঃ প্রতিদিন আপেল খেলে বয়সজনিত জটিল অ্যালঝেইমার্স রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। পানিশুন্যতা দূর করেঃ আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে পানি যা তৃষ্ণা ও পানিশুন্যতা দূর করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেঃ আপেলে পেকটিন নামের একটি উপাদান থাকে। পেকটিন ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
08/10/2022
খেজুর খাওয়ার ৯টি উপকারিতা
পাকা খেজুরে প্রায় ৮০% চিনিজাতীয় উপাদান রয়েছে। বাদ-বাকি অংশে খনিজসমৃদ্ধ বোরন, কোবাল্ট, ফ্লুরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান রয়েছে। খেজুরে স্বল্প পরিমাণে পানি থাকে যা শুকানো অবস্থায় তেমন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এ প্রক্রিয়ার ফলে সঞ্চিত ভিটামিন ‘সি’ খাদ্য উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। জেনে নিন খেজুরের কিছু উপকারীতা—
শক্তি বর্ধনে: খেজুর শারীরিক ও মানসিক শক্তিবর্ধক। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান, যা শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিসহ হজম শক্তি, যৌনশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। খেজুর ফুলের পরাগরেণু বন্ধ্যাত্ব দূর করে, শুক্রাণু বৃদ্ধি করে। খেজুর ও খেজুরের ফুল পরাগরেণু ডিএনএ’র গুণগতমান বৃদ্ধি করে এবং অণ্ডকোষের শক্তি বাড়ায়।
হার্টের সমস্যায়: এক্ষেত্রে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো রাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।
দেহের দুর্বলতায়: খুব দুর্বল লাগলে ঝটপট কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিলে তাত্ক্ষণিক দেহে শক্তি পাবেন।
হজম ও রুচি বাড়ায়: রুচি বাড়াতে খেজুরের কোনো তুলনাই হয় না। শিশুদের যারা ঠিকমতো খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসে। খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে।
ক্যান্সার থেকে রক্ষায়: খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্যে: নিয়মিত খেজুর খেয়ে খুব সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মিলে। তুলনামূলক শক্ত খেজুরকে পানিতে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই পানি খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়: খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল হিসেবে রক্তশূন্যতায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন খেজুর খেলে দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায়: খেজুরের মধ্যে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম বিদ্যমান থাকে, যা মানুষের স্ট্রোক হওয়ার ভয়াবহতাকে ৪০% কমিয়ে দেয়।
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায়: খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং খুব অল্প পরিমাণে সোডিয়াম। এতে করে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমায় এবং ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
এছাড়াও উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে খেজুর বেশ উপকারী। খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে। নারীর শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুর বেশ কার্যকর। খেজুরে থাকা ডায়েটরই ফাইবার দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। নিয়মিত খেজুর খেলে ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতে সাহায্য করে থাকে। মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী।
#বিঃদ্রঃ এই লেখাটি একজন ডক্টর থেকে কপি করা।
সকল ধরণের খেজুর পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
08/10/2022
আঙ্গুর ফলের উপকারিতা-
-আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
-আঙুরের বীজ ও খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বার্ধক্য রোধে কাজ করে। শুধু তাই নয়, হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে। আঙুরের সেলুলাস ও চিনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক। যাঁরা রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন, তাঁদের জন্য আঙুরের জুস খুবই উপকারী।
কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়
রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমায় আঙুর। এতে টরোস্টেলবেন নামে এক ধরনের যৌগ থাকে যা কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
হাড় শক্ত করে
আঙুরে প্রচুর পরিমাণে তামা, লোহা ও ম্যাংগানিজের মতো খনিজ পদার্থ থাকে যা হাড়ের গঠন ও হাড় শক্ত করতে কাজ করে।
অ্যাজমা প্রতিরোধ
আঙুরের ঔষধি গুণের কারণে এটি অ্যাজমার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় ছোট এই ফল।
বদহজম দূর করে
নিয়মিত আঙুর খেলে বদহজম দূর হয়। অগ্নিমান্দ্য দূর করতেও আঙুর কার্যকর।
ভুলে যাওয়া
অনেকে ছোট ছোট বিষয়গুলো দ্রুত ভুলে যান। আবার কোনো ঘটনা বেমালুম স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এটা কিন্তু একধরনের রোগ, হেলাফেলার কিছু নয়। এই রোগ এড়াতে খেতে পারেন আঙুর।
মাথাব্যথা
হঠাৎ করে মাথাব্যথা শুরু হয়ে গেল। এ সময় আঙুর খেলে আরাম বোধ হবে।
চোখের স্বাস্থ্য
চোখ ভালো রাখতে কার্যকর এই ফল। বয়সজনিত কারণে যাঁরা চোখের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভালো দাওয়াই এই ফল।
স্তন ক্যানসার
স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিতে আছেন এমন রোগীরা খেতে পারেন আঙুর। গবেষণায় দেখা গেছে, আঙুরের উপাদানগুলো ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম।
কিডনির জন্য
আঙুরের উপাদানগুলো ক্ষতিকারক ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা সহনশীল অবস্থায় রাখে।
সেই সঙ্গে কিডনির রোগব্যাধির বিরুদ্ধেও লড়াই করে।
ত্বকের সুরক্ষায়
আঙুরে থাকা ফাইটো কেমিক্যাল ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে। আর আছে প্রচুর ভিটামিন সি। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে।
বয়সের ছাপে বাধা
শরীরের ফ্রি রেডিকেলস ত্বকে বলিরেখা ফেলে দেয়। আঙুরে থাকা ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এই ফ্রি রেডিকেলের বিরুদ্ধে লড়ে, শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
চুলের যত্নে
দিঘল চুল একটু অযত্নেই খুশকিতে ভরে যায়। চুলের আগা ফেটে গিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়ে। ধূসর রঙের হয়ে যায় কখনো। সব শেষে চুল ঝরতে থাকে। এই সমস্যা এড়াতে খেতে পারেন আঙুর। শুধু চুল ভালোই থাকবে না, মাথায় নতুন চুলও গজাবে।
তাই সবারই দিনে একবার হলেও আঙুর খাওয়া উচিত।
08/10/2022
'আতা ফল'
আতা ফল আম’রা সবাই চিনি।এই ফল খেতে খুবই সুস্বাদু।শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও পরিপূর্ণ এই ফলটি।এতে রয়েছে প’টাসিয়াম ও ম্যা’গনেসিয়াম। আতা ফলের বেশ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে।
ইংরেজিতে কা’স্টার্ড অ্যাপল,সুগার অ্যাপল,সুগার পাইনাপল বা সুইটসপ বলা হয়।অঞ্চলভেদে নামের কিছু পার্থক্য রয়েছে আতা ফলে।এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান। তাছাড়া নানান রোগ প্রতিরোধে আতা বেশ উপকারী।
চলুন জে’নে নেয়া যাক আতা ফলে গুণাগুণ স’স্পর্কে-
১) আপনি যদি ডায়াবেটিসে আ’ক্রান্ত হন,তাহলে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা কমাতে আতা ফল খাওয়া শুরু করুন।এছাড়াও,কাস্টার্ড আপেলের ডায়াবেটিস ফাইবারের উপ’স্থিতিতে চিনির শোষণ কমানো যায়।
২) আতা ফলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আপনার কার্ডিয়াক সমস্যা প্র’তিরোধে সাহায্য করে
সেইস’ঙ্গে এতে থাকা ভিটামিন বি-৬ হো’মোকিসস্টাইন নি’য়ন্ত্রণ করে।
৩) আতা ফলের বীজ ক্ষ’ত শুকাতে সাহায্য করে। এই বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকের গভীরে থাকা কোষের পু’নঃবৃ’দ্ধি পায় এবং ক্ষত স্থানের ব্যথা তাত্ক্ষণিকভাবে পালায়।এই বীজে
এন্টি-ব্যা’কটেরিয়াল প্রপার্টি রয়েছে।
৪) হাঁ’পানি রোগী হিসেবে যদি আপনি মূলার রস খেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আতা ফলের রস খাবেন।এটি ভিটামিন বি-৬ স’মৃদ্ধ যা আপনার হাঁপানি প্রতিরোধে সাহায্য করবে।
৫) গাইনোকোলজির মতে,গর্ভাবস্থায় আতা ফল খাওয়া গর্ভপাতের ঝুঁ’কি হ্রাস করে।সকালের দূর্বলতা নি’য়ন্ত্রণ করে এবং শারীরক ব্যথার উপশম ঘটায়।
৬) গ’র্ভাবস্থার পরে আতা ফল খাওয়ার ফলে স্তনে দু’ধ উত্পাদন বৃ’দ্ধি পায়।
৭) ডায়াটেরি ফাইবার স’মৃদ্ধ এই ফলটি খুব সহজেই হজম হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে,আতা ফলের গুঁ’ড়া এক গ্লাস জলে মি’শিয়ে খেলে আপনার ডায়রিয়ার সমস্যাও মুহূর্তেই গায়েব হবে।
৮) আতা গাছের পাতার নির্যাস স্ত’ন ক্যা’ন্সার প্র’তিরো’ধ করে। স্তনের কোষে থাকা বিষাক্ত টক্সিন দূ’র করে।এছাড়া অ্যা’ন্টি-অ’ক্সিডেন্টপূর্ণ আতা ফল আপনার শ’রীরের কো’ষগুলোকে বিভিন্ন ড্যামেজ থেকে র’ক্ষা করে।
৯) বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত একবার দাঁত পরিষ্কার করার জন্য আতা ফলের খোসা ব্যবহার করার সুপারিশ করেন।এটি ব্যবহারের ফলে দাঁ’ত ক্ষ’য় রো’ধ হয় এবং মা’ড়িকে আরো মজবুত করে।
08/10/2022
মালটার গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারীতা
বর্তমানে আমাদের দেশে
অনেক জনপ্রিয় ও সহজলভ্য
একটি ফল হচ্ছে মালটা।
এটি প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়
এবং দামেও বেশ সস্তা।
মালটা আমাদের দেশে এখন
এতোটাই জনপ্রিয় যে পথে ঘাটেও
এর জুস পাওয়া যায়।
জনপ্রিয় এই ফলটির পুষ্টিগুণ সম্পর্কে
আমরা হয়তো অনেকেই জানি না।
মালটাতে আছে, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস,
এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি,।
এগুলো ছাড়াও
মালটাতে আর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে।
চলুন এবার জেনে নেই মালটার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মূহের সমৃদ্ধ উৎস। এটি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে। মালটা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তোলে।
২। এক গ্লাস মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। এটাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট হিসেবেও গ্রহণ করা যায়।
৩। মালটার ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম সেল প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৪। উচ্চ মাত্রায় ওষুধ সেবনের সময় মালটার লো-কলেস্টরেল শরীরে ওষুধের পার্শ প্রতিক্রিয়া হতে করে।
৫। এতে উপস্থিত পটাশিয়াম ইকেট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে এবং কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম ভালো রাখতে সহায়তা করে।
৬। মালটা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে রাখবে সবল।
৭। গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, কমলাতে উপস্থিত লিমিণয়েড, মুখ,ত্বক, ফুসফুস, পাকস্থলী কোমল ও স্তন ক্যান্সারপ্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে।
৮। কমলাতে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন সেল ড্যামেজ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, যা দাঁত ও হাঁড়ের গঠনে সাহায্য করে।
৯। প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে। কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।
১০। এতে ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। এন্টি অক্সিডেন্ট থাকার কারণে ওজন কমাতেও সহায়তা করে।-সূত্র: স্টাইল কেয়ার।
08/10/2022
তরমুজের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ
তরমুজ একটি জনপ্রিয় ফল যা এক মাত্র গ্রীষ্ম কালেই পাওয়া যায়। এই ফলটি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তরমুজ রসালো ও মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকে। তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি এবং প্রাকৃতিক ভাবেই এতে কোনো চর্বি থাকে না। সম্মানিত পাঠক আসুন এবার জেনে নেই তরমুজের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে রয়েছে
পানি- ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম
আঁশ ০.২ গ্রাম
আমিষ ০.৫ গ্রাম
চর্বি ০.২ গ্রাম
ক্যালোরি ১৫ থেকে ১৬ মি.গ্রাম
ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মি.গ্রাম,
আয়রন ৭.৯ মি.গ্রাম,
কার্বহাইড্রেট ৩.৫ গ্রাম,
খনিজ পদার্থ ০.২ গ্রাম,
ফসফরাস ১২ মিলিগ্রাম
, নিয়াসিন ০.২ মিলিগ্রাম,
তাছাড়া ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন বি২ রয়েছে,,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট -এ ভরপুর
তরমুজ ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারটিনয়েড, ট্রিটেপেনইডিস এবং ফেনোলিক উপাদান সমৃদ্ধ ফল। এই উপাদান গুলি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীরের যে কোনো প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে এবং ভিবিন্ন রকমের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়।
পানি শুন্যতা দূর করে
তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।
চোখ ভালো রাখে
তরমুজে থাকা ক্যারোটিনয়েড(তরমুজের লাল রঙ) উপাদান আমাদের চোখের জন্য খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাছাড়া ক্যারটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
ওজন কমাতে সহায়তা করে
তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে এবং এতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় কিন্তু বেশি ক্যালরী শরীরে প্রবেশ করে না। ফলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজ আমাদের শরীরের জমে থাকা চর্বি কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
তরমুজ হার্টকে সুস্থ রাখেতরমুজ ভাসডিলেশন এর মাধ্যমে রক্ত প্রবাহ উন্নত করে, এবং কার্ডিওভাসকুলার সম্পর্কিত ফাংশনসমূহ উন্নত করে। তাছাড়া তরমুজের ভিটামিন-সি, ক্যারোটিন ও পটাসিয়াম শরীরের কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। রক্তবাহী ধমনীকে নমনীয় ও শীতল রাখে এটি। স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে এ ফলটি।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
তরমুজে লাইকোপেন নামক উপাদান আছে যা অ্যান্টি অক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী কোষগুলোকে নির্মূল করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে তরমুজের লাইকোপেন অন্ত্রের ক্যানসার ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
তাছাড়া তরমুজ কিডনি ও লিভার সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর। এবং তরমুজে থাকা ভিটামিনি সি শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা নিরাময়ে এবং ত্বক, দাঁত এবং মাংসপেশীর সুরক্ষায় প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। তাছাড়া লাইকোপেনসহ বিভিন্ন উপাদানে সমৃদ্ধ তরমুজ খাওয়ার অভ্যাসে বার্ধক্য দেরিতে আসে। ত্বকে সহজে ভাঁজ বা বলিরেখা পড়ে না।
08/10/2022
জামরুল~~~
ফলের মৌসুম চলছে। বাজারে কত রকম ফল। ফল, শাক সবজি এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এর মধ্যে জামরুলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু বলবো। জামরুল সাদা, লাল দুই রকমেরই হয়ে থাকে।
অনেকে জামরুল খেতে পছন্দ করেন না। তবে এটা অনেক উপকারী। এর ঔষধি গুণ আছে।
১. জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জামরুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ দশমিক মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
আর এই ভিটামিন সি ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখে।সহজে বুড়িয়ে যাবেন না।
২. হজমের সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে, ফলে এই ফল তো খেতেই হবে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিয়াটরী ফাইবার থাকায় এটি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
৩. এটি পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়া প্রতিরোধে কাজ করে।
৪. চোখের জন্যেও ভীষণ উপকারী এটা। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।
৫.আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আর তাই হাড় এবং দাঁতের জন্যে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের জন্য জামরুল খেতে হবে। ৬. প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৯৩ গ্রাম জল থাকে। যা শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জামরুল মূলত দক্ষিণ ভারত ও পূর্ব মালয়েশিয়ার ফল। তবে এটি বাংলাদেশ-ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চাষাবাদ হয়।
৭. তদুপরি জামরুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : জামরুলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৮.এমনকি জামরুল পেশির ব্যথা পর্যন্ত দূর করে : পটাশিয়াম থাকাযর জন্যে জামরুল পেশিকে শক্তিশালী করে তোলে এবং পেশির ব্যথা দূর করে।
৯. জামরুলে এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান থাকে, এটা লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে।
১০.জামরুলে অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
নিয়মিত জামরুল খান এবং সুস্থ থাকুন।মোদ্দা কথা ফাস্টফুড খাওয়া ছাড়তে হবে। যতরকম ভাজাপোড়া এসব না খেয়ে শাক সবজি, ফলমূল এগুলো খেতে হবে। আর করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে যে শরীরকে সুস্থ রাখা কতটা প্রয়োজন।
08/10/2022
জাম্বুরা সবার পরিচিত একটি ফল। যা সব মৌসুমে পাওয়া যায় না। মৌসুমি এ ফলটি,অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
স্বাদ টক- মিস্টি খেতেও দারুন লাগে জাম্বুরা। পুস্টিগুন এ এ ফলটি অন্যান্য।
জাম্বুরা সাইট্রাস ফলগুলার মধ্যে একটি। অন্যান্য সাইট্রাস ফলের ন্যায়, জাম্বুরাতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন -সি এবং ভিটামিন বি- রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য পুস্টিগুন তো রয়েছে।
- জাম্বুরাতে থাকা ভিটামিন সি আয়রোন শোষনে সাহায্য করে।
ফলে যারা এনিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তারা প্রতিনিয়ত ১ কাপ জাম্বুরা খান।
- যাদের দেহে এল ডি এল বা ব্যাড কোলেস্টেরল এর পরিমান বেশি তাদের জন্য জাম্বুরা অনেক উপকারী। জাম্বুরা তে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সহযোগিতা করে। এছাড়া এ ফাইবার ও'জ'ন কমাতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।
08/10/2022
শত ফলের ভীড়ে এই ফলটির গুণাগুণ কখনো হয়তো চোখ এড়িয়ে গেছে। এই ফলটির বেশ কয়েকটি নাম রয়েছে। যেমন- হাড়ফাটা, ডুবি, বুবি, কানাইজু, লটকা, লটকাউ, কিছুয়ান ইত্যাদি।
লটকন গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। আসুন জেনে নেই ফলটির নানা পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
১. লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ আছে। সিজনের সময় প্রতিদিন দুই-তিনটি লটকন খাওয়া মানেই আমাদের দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণ হওয়া। এ ছাড়া এ ফলে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে চর্বি, আমিষ, লৌহ ও খনিজ পদার্থ।
২. লটকন গাছের শুকনো গুঁড়ো পাতা ডায়রিয়া বেশ দ্রুত উপশম হয়। এর গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের পীড়া ও পুরান জ্বর নিরাময় হয়। এমনকি গনোরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এ ফলের বীজ।
৩. প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। অবাক বিষয় হলো এতে ক্যালরি আছে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ।
৪. লটকনে আছে প্রচুর পরিমাণে নানা ধরনের ভিটামিন ‘বি’। এতে ভিটামিন বি-১ এবং ভিটামিন বি-২ আছে যথাক্রমে ১০ দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম এবং ০.২০ মিলিগ্রাম। ফলে পাকা লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে খুবই সমৃদ্ধ।
৫. লটকনে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে। এইসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৬. লটকন খেলে বমি বমি ভাব দূর হয় সহজেই। তৃষ্ণাও নিবারণ করে। মানসিক চাপ কমায় এ ফল। এর গাছের ছাল ও পাতা খেলে চর্মরোগ দূর হয়।
08/10/2022
ত্বীন/ডুমুরের ফলের উপকারীতা-
আশ্চর্জজনক ও বিস্ময়কর এক ফলের নাম ডুমুর বা ত্বীন ফল। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । এর উপকারিতা সম্পর্কে মেডিকেল সাইন্সে প্রমানিত অনেক রিপোর্ট আছে। জেনে নিন এই ত্বীন বা ডুমুর ফল সম্পর্কে কুরআন ও মেডিকেল সাইন্স কি বলে ?
# কেন খাবেন পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ত্বীন বা ডুমুর ফল ?
* ডুমুর বা ত্বীন ফল নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
* সম্প্রতি গবেষণায় জানা গেছে ডুমুর বা ত্বীন ফল ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। শিশুদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ত্বীন ফল একান্ত অপরিহার্য।
*ডুমুর বা ত্বীন ফল শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
* মারণব্যাধি ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ডুমুর বা ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
* দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে ডুমুর সাহায্য করে।
* প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ডুমুর কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
* ডুমুর বা ত্বীন ফল শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।
* যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
* কাঁচা ডুমুর বা ত্বীন ফল চর্মরোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। থেঁতো করে ব্রণ ও মেছতায় নিয়মিত লাগালে তা সেরে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
2 No. Gate
Chittagong
1212
