Quran And Sunnah
Quraan make _me smile
জুম‘আর দিন হ’ল ‘দিন সমূহের সেরা’ (سيد الأيام)। এদিন আল্লাহর নিকটে ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিনের চাইতেও মহিমান্বিত। এইদিন নিকটবর্তী ফেরেশতাগণ, আকাশ, পৃথিবী, বায়ু, পাহাড়, সমুদ্র সবই ক্বিয়ামত হবার ভয়ে ভীত থাকে’।
এদিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উপরে বেশী বেশী দরূদ পাঠ করতে হয়।
"যা কিছু আকাশসমূহে ও ভূমন্ডলে আছে, সবকিছু আল্লাহরই। তোমাদের অন্তরে যা আছে, তা তোমরা প্রকাশ কর কিংবা গোপন কর আল্লাহ তার হিসাব তোমাদের নিকট হতে গ্রহণ করবেন। সুতরাং যাকে ইচ্ছে তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে ইচ্ছে তিনি শাস্তি দিবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।"
(QS. Al-Baqarah 2: Verse 284)
“তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক, কারণ, তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছ।” (১৩-সূরা রাআদ: আয়াত-২৪)
বিষন্ন হবেন না : নেক আমলকে দশগুণ এমননি সাতশতগুণ বা তারও বেশি বর্ধিত করা হবে। অপরপক্ষে যখন নাকি বদ আমলকে বর্ধিত করা বা গুণ করা হবে না এবং আপনার প্রভু তা ক্ষমা করেও দিতে পারেন। কতবারইনা আমরা আল্লাহর মহানুভবতা লক্ষ্য করেছি। এ মহানুভবতা, উদারতা ও দয়া অপ্রতিদ্বন্দী ও অতুলনীয়। অন্য কারোও বদান্যতা তার বদান্যতার এমনকি নিকটেও পৌছতে পারে না।
যদি আপনি আল্লাহর সাথে কোন শরীক না করেন, আপনি সত্য ধর্মে বিশ্বাস স্থাপন করেন বা দ্বীনে হক্কের উপর ঈমান রাখেন, আপনি যদি আল্লাহ ও তার রাসুলকে ভালোবাসেন তবে আপনার ভয়ের কোন কারণ নেই। যদি আপনি আপনার মন্দ কাজের জন্য অনুতাপ করেন এবং সওয়াবের কাজ করার পর যদি আপনার খুশি লাগে তাহলে আপনার দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনার সাথে অনেক কল্যাণ আছে যা আপনি বুঝতে পারেন না।
ওমর (রাঃ) বলেন : “ধৈর্যের মাধ্যমে আমরা সুন্দর জীবন লাভ করেছি।”
“এবং পৃথিবীতে যত প্রাণী আছে সবার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহরই।” (১১-সূরা হুদ: আয়াত-৬)
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত হয় উত্তম কথা বলা অথবা চুপ থাকা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত আপন প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়া। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, তার উচিত আপন অতিথির সম্মান করা।"
‘উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক (অন্তরের সাথে) এ ঘোষণা দিবে, ‘‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁরই রসূল এবং মারইয়াম (আঃ)-এর ছেলেও [‘ঈসা (আঃ)] আল্লাহর বান্দা ও তাঁরই রসূল, তাঁর বান্দীর সন্তান ও আল্লাহর কালিমাহ্- যা তিনি মারইয়াম (আঃ)-এর প্রতি প্রেরণ করেছিলেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ‘রূহ’, আর জান্নাত-জাহান্নাম সত্য- তার ‘আমল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ তা‘আলা তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ ২৭
সাহায্যের জন্য আমাকে মিনতিপূর্ণভাবে আহবান কর, তাহলেই আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব।” (৪০-সূরা আল মু’মিন: আয়াত-৬০)
আবূ ইয়াহয়া সুহাইব ইবনু সিনান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘মুমিনের ব্যাপারটাই আশ্চর্যজনক। তার প্রতিটি কাজে তার জন্য মঙ্গল রয়েছে। এটা মু’মিন ব্যতীত অন্য কারো জন্য নয়। সুতরাং তার সুখ এলে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। ফলে এটা তার জন্য মঙ্গলময় হয়। আর দুঃখ পৌঁছলে সে ধৈর্য ধারণ করে। ফলে এটাও তার জন্য মঙ্গলময় হয়।
মুসলিম ২৯৯৯, আহমাদ ১৮৪৫৫, ১৮৪৬০, ২৩৪০৬, ২৩৪১২, দারেমী ২৭৭৭
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000G.P.O
