Specialist Minhaz

Specialist Minhaz

Share

Your well-being is our success, We sell 100% safe and efficient products. Which is a lot more beneficial for people. That's what we want you to be good.

Samtimes we give our regular customers a discount of 10% to 30%

Photos from Specialist Minhaz's post 10/08/2021

ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার ১৩টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় জেনে নিন!
0
SHARES
Share
Tweet
ত্বকের ঔজ্জ্বল্য এবং সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় ব্রণ। আমাদের ত্বকের তৈলগ্রন্থি ব্যাটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে এর আকৃতি বৃদ্ধি পায় তখন এর ভিতরে পুঁজ জমা হতে থাকে, যা ধীরে ধীরে ব্রণ পরিবর্তন করে ব্রণের আকার ধারণ করে। সাধারণত টিনেজার মেয়েরাই ব্রণ ও ব্রণের দাগ নিয়ে বেশি ভোগে। ব্রণ থেকে বাঁচতে কিছু উপায় অবলম্বন করুন। বাজারের দামি কসমেটিক্স এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি যা সহজেই আপনার ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে। আর ঘরোয়া, প্রাকৃতিক ও অরগানিক সামগ্রীই সবচেয়ে ভালো আর নিরাপদ। এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও ভয় থাকে না।

ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার সহজ ও ঘরোয়া উপায়সমূহ
১) মুলতানি মাটি

ত্বকে অতিরিক্ত তেলতেলে ভাবের ফলে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে মুখে মুলতানি মাটি পানি দিয়ে পেস্ট করে লাগাতে পারেন। মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ বন্ধ করে সাহায্য করে।

২) শশার রস
শশার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। কিংবা আইস কিউব করে রেখেও ইউজ করতে পারেন, এতে ওপেন পোরসের প্রবলেমও সল্ভ হবে অনেকটা।

৩) শশার রস, চালের গুঁড়া ও মধু
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে শশার রস, চালের গুঁড়া ও মধুর প্যাক - shajgoj.com

শশার রস মুখে ব্রণ দূর করতে খুবই কার্যকর। এ ছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।

৪) কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো
কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

৫) আপেল এবং মধুর মিশ্রণ
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে আপেল এবং মধুর মিশ্রণ - shajgoj.com

আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন।

৬) তুলসি পাতার রস
ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

৭) চন্দন কাঠের গুড়োঁ, গোলাপ জল ও লেবুর রস
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে চন্দন কাঠের গুড়োঁ, গোলাপ জল ও লেবুর রস - shajgoj.com

প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না। তারা সেই ক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৮) দারুচিনি গুঁড়ার ও গোলাপজল
গোলাপজলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সাথে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

৯) ডিমের সাদা অংশ
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে ডিমের সাদা অংশ - shajgoj.com

রাতে শোয়ার আগে ডিমের সাদা অংশ ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় ম্যাসেজ করে সারারাত রাখতে পারেন। এটি আপনার ত্বকের খসখসে ভাব দূর করে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি এর সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়। আপনি এটি আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে পারেন।

১০) পেঁপে ও চালের গুঁড়ো
ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হলো অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। পাকা পেঁপে চটকে নিন এক কাপ। এর সাথে মেশা এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস।

১১) মুলতানি মাটি ও নিম পাতা
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে মুলতানি মাটি ও নিম পাতা - shajgoj.com

চার-পাঁচটা নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে পিষে নিন। এর মধ্যে এক চামচ মুলতানি মাটি, অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটা যদি গাঢ় হয়ে যায় তাহলে এর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্যাকটা মুখে শুকিয়ে গেলে হালকা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।

১২) পুদিনা পাতা
অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে যেসব ফুসকুড়ি এবং ব্রণ হয় সেগুলো দূর করতেও পুদিনা পাতা উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট এরপর ধুয়ে ফেলুন।

10/08/2021

যে কারণে খাবারের প্রতি আপনার এলার্জি বাড়তে পারে,এক গবেষণায় দেখা গেছে যে বিশ্বের শিশুদের মধ্যে খাবারের মাধ্যমে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার হার আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে।

গত অগাস্টে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ছয় বছরের এক মেয়ে দুগ্ধজাত খাবারের অ্যালার্জিতে মারা যায়।

এছাড়া সম্প্রতি তিল এবং চিনাবাদাম খাওয়ার কারণে দুই ব্রিটিশ শিশুর মৃত্যুর খবর বিষয়টিকে নতুন করে সামনে আনে।

গত কয়েক দশকে পশ্চিমা দেশগুলোতে এই অ্যালার্জি প্রবণতা বেড়ে যাওয়া চোখে পড়ার মতো।

Photos from Specialist Minhaz's post 10/08/2021

মানুষের শরীর,,, 1, হাড়ের সংখ্যা:=206 2, পেশী সংখ্যা:=639 3, কিডনি সংখ্যা :=2 4, দুধের দাঁত সংখ্যা:=20 5, পাঁজরের সংখ্যা:=24(12 জোড়া) 6, হার্ট চেম্বার নম্বার:=4 7, বৃহত্তম ধনী:=অটা 8, সাধারণ রক্তচাপ:=120/80এমএম এইজি 9, রক্ত পিএইচ:=7,4 10, মেরুদন্ডের কলামের মেরুদন্ডের সংখ্যা:=33 11, ঘাড়ে মেরুদন্ডের সংখ্যা:=7 12, মাঝের কানের হাড়ের সংখ্যা:=6 13, মুখের হাড় সংখ্যা:=14 14, মস্তিষ্কের হাড়ের সংখ্যা:=2222 15, বুকে হাড় সংখ্যা:=25 16, বাহুতে হাড়ের সংখ্যা:=6
17, মানুষের বাহুতে পেশী সংখ্যা:=72
18, হৃদয়ের পাম্প সংখ্যা:=2
19, বৃহত্তম অঙ্গ:=ত্বক
20, বৃহত্তম গ্রন্থি:=লিভার
21, বৃহত্তম কোষ:=মহিলা ডিম্বাণু
22, ক্ষুদ্রতম কোষ:=শুক্রাণু
23, ক্ষুদ্রতম হাড়:=মাঝের কানের স্ট্যাপস
24, প্রথম প্রতিস্থাপনা অঙ্গ:=কিডনি
25, ছোট অন্তের গড় দৈর্ঘ্য :=7 মি:
26, বড় অন্তের গড় দৈর্ঘ্য:=1,5মি:
27, নবজাতকের শিশুর গড় ওজন:=3কেজি
28, এক মিনিটে নাড়ির হার:=Times 2বার
29, সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা:=37ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (98,4চ৹)
Education
30, গড় রক্তের পরিমাণ :=4থেকে 5লিটার
31, লাইফটাইম লাল রক্ত কণিকা:=120দিন
32, লাইফটাইম শ্বেত রক্ত কণিকা:10থেকে 15দিন
33, গভবস্হা সময়ই কাল:=280দিন 40সপ্তহা
34, মানুষের পায়ে হাড় সংখ্যা;=33
35, প্রতিটি কব্জিতে হাড়ের সংখ্যা :=8
36, হাতের হাড়ের সংখ্যা :=27
37, বৃহত্তম অন্ততঃস্রাবের গ্রন্থি:=থাইরয়েড
38, বৃহত্তম লিস্ফ্যাটিক অঙ্গ :=প্লীহা
39, বৃহত্তম এবং শক্তিশালী হাড় := ফেমুর
40, ক্ষুদ্রতম পেশী:=স্ট্যাপিডিযাস(মাঝের কান)
41 ক্রোমোজোম সংখ্যা:=46(23জাড়া)
42, নবজাত শিশুর হাড়ের সংখ্যা :=306
43, রক্ত সান্দ্রতা:=4,5থেকে5,5
44, সার্বজনীন রক্ত দাতা গ্রুপ:=O
45, সার্বজনীন প্রাপক রক্তের গ্রুপ:= AB
46, বৃহত্তম শ্বেত রক্ত কণিকা:=মনোকাইট
47, সবচেয়ে ছোট সাদা রক্ত কণিকার:= লিস্ফোসাইটy
48, লোহিত রক্ত কণিকার গণনা বলা হয়:=পলিসিথেমিয়া
49, শরীরের ব্লড ব্যাঙ্ক হলো:= প্লীহা
50, জীবনের নদী বলা হয়:=ব্লডকে
51, সাধারণ রক্তের কোলেস্টেরলের স্তর:=100মিলিগ্রাম DAL
52, রক্তের তরল অংশ হলো:= প্লাজমা
''একটি নিখোঁজতভাবে ডিজাইন করা মেশিন যা আপনাকে জীবন নামক এই অ্যাডভেঞ্চারটি উপভোগ করতে দেয় ইহার যত্ন নিন,,, খারাপ ও বাড়াবাড়ি দিয়ে এটিকে ক্ষতি করবেন না,,,,🙏🙏🙏🙏 কপিরাইট -
সংগ্রহ

Photos from Specialist Minhaz's post 10/08/2021

আমাদের সকল পণ্য অতি শীঘ্রই এই পেজে নিয়ে আসা হবে

10/08/2021

কালোজিরা খুব পরিচিত একটি নাম। ছোট ছোট কালো দানাগুলোর মধ্যে সৃষ্টিকর্তা যে কী বিশাল ক্ষমতা নিহিত রেখেছেন তা সত্যি বিস্ময়কর।

প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: “ তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত সর্বরোগের মুক্তি এতে রয়েছে”। সহীহ বুখারীঃ ১০/১২১

কালোজিরায় কি আছে
কালোজিরার মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদানসমূহ।কালোজিরার রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

ক্রিয়াক্ষেত্র
মস্তিষ্ক, চুল, টাক ও দাঁদ, কান, দাঁত, টনসিল, গলাব্যথা, পোড়া নারাঙ্গা বা বিসর্গ, গ্রন্থি পীড়া, ব্রণ, যাবতীয় চর্মরোগ, আঁচিল, কুষ্ঠ, হাড়ভাঙ্গা, ডায়াবেটিস, রক্তের চাড় ও কোলেষ্টরেল, কিডনী, মুত্র ওপিত্তপাথরী, লিভার ও প্লীহা, ঠান্ডা জনিত বক্ষব্যাধি, হৃদপিন্ড ও রক্তপ্রবাহ, অম্লশূল বেদনা, উদরাময়, পাকস্থলী ও মলাশয়, প্রষ্টেট, আলসার ও ক্যান্সার। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী। কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। কালোজিরার তেল ব্যবহারে রাতভর আপনি প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা যেতে পারেন। কালোজিরার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Muradpur
Chittagong
4000